অপেক্ষা

অপেক্ষা নিয়ে কি ভাবছো?

xesun মাহমুদুল হাসান: কে বলে অপেক্ষার প্রহর কষ্টের... সে প্রহরে আলো-ছায়ার খেলায় তোমায় দেখি়... সে প্রহরে একলা নিজেকে তোমার সাথে ভাবি... আর সেই প্রহরটা একান্তই তোমার জন্য থাকে... তোমার ফিরে আসার আশায় অজানা রোমাঞ্চ খুঁজে নেই... তোমার সাথে কাটানো মুহুর্তগুলো কি রকম করে মনে শিহরণ জাগাবে তাই ভেবে আনন্দ পাই... অস্বাভাবিক হৃদয়ের স্পন্দন সারা শরীরকে জানান দেয় তুমি আসবে... কে বলে অপেক্ষার প্রহর কষ্টের. https://soundcloud.com/xesun-mahmudul-hasan/hoshwalon-ko-khabar-kya

*অপেক্ষা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আচ্ছা ধরুন সবাই যদি এই পৃথিবীতে ভালোবাসা পেত তাহলে কি হত??? ধরুন আপনি খুব সহজে ভালোবাসা পেয়ে গেলেন তারপর কি করবেন ??? খুব সহজে পাওয়া জিনিস এর ভ্যালু কম থাকে এটা বাস্তব সত্য ।। আর সবাই যদি সবকিছু পেয়ে যেত তাহলে অপূর্নতা কি সেটাই মানুষ বুঝতো না ।। তাই এই পৃথিবীতে এখনো কিছু মানুষ আছে যারা ভালোবাসা পায় না ।। আর তারা যখন ভালোবাসা পেয়ে যাবে সেটাকে মূল্য দিতে শিখবে কেননা অনেক কষ্টের ভালোবাসা তাদের ।। আমি ও তাদের দলে অপেক্ষায় আছি ভালো কিছুর ।।

*ভালোবাসা* *অপেক্ষা* *আক্ষেপ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: তবু স্বর্গদ্বারে একা থাকব তার অপেক্ষায় যেন আমার অর্ভথ্যনা তাকে করে অবনত জানি তখনো কিছুই আমার হবেনা তবুও এই অপ্রাপ্তিটাই যেন আমায় করে পরিপূর্ন

*প্রিয়গান* *অপেক্ষা* *আবেগ*

সুমনা হোসেন: https://www.youtube.com/watch?v=Mk8h9pb694U কিন্তু তোমার জন্য আমি অপেক্ষায় থাকবো না, -প্রতীক্ষা করবো। ‘প্রতীক্ষা’ শব্দটি আমি শুধু তোমারই জন্যে খুব যত্নে বুকের তোরঙ্গে তুলে রাখলাম...(রফিক আজাদ)

*কবিতা* *প্রতীক্ষা* *অপেক্ষা*

ই ম রা ন: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

কেউ অপেক্ষা করতে ভালোবাসে না । কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো, অধিকাংশ মানুষ অন্যকে অপেক্ষায় রাখতে পছন্দ করে!
*অপেক্ষা*

মুখোশ: আমার কিছু ভালা লাগে না মরতে মন চাই কবে যে মরন আসবে (কান্না)

*অপেক্ষা* *মুখোশ*

মুখোশ: [ক্রিকেটরঙ্গ-ট্যারমট্যারমফাইট]অপেক্ষা অপেক্ষা আর অপেক্ষায় কেটে যাচ্ছে দিন

*অপেক্ষা*

শ্যামল মিত্র: প্রেমিকার আসার অপেক্ষায় রেলস্টেশনে ২০ বছর! (ফুঁপিয়েকান্না) http://www.ntvbd.com/world/8839/

*অপেক্ষা*

ফাহীমা: আমরা সবাই কি অপেক্ষার অপেক্ষায় থাকি? কেউ আমাদের অপেক্ষায় থাকবে ,সেই অপেক্ষা?

*আবোল-তাবোল-নিজ* *হীমালাপ* *অপেক্ষা*
ছবি

ওম: ফটো পোস্ট করেছে

শুভেচ্ছা মিষ্টি শীতের এই সকাল বেলায় _ সূর্যি মামার অপেক্ষায়...

সুয্যি মামার জাগার আগে উঠব আমি জেগে হয়নি সকাল ঘুমাও এখন _ মা বললেই কি হবে !

*শীতেরসকাল* *আড্ডা* *অপেক্ষা* *সূর্যিমামা*

জিসান জাকারিয়া: একটি বেশব্লগ লিখেছে


আজ পয়লা শ্রাবণ।
খোকন, আজ তোর জন্মদিন।
তুই যখন জন্মেছিলি, আমরা তখন যাদবপুরে
নতুন গড়ে ওঠা কলোনীর টালির ঘরে
তোর ইস্কুল মাস্টার বাবা
সেই হ্যারিকেনের আলো জ্বলা ঘরেই
আনন্দে আর খুশিতে ঝলমলে হয়ে উঠেছিলেন
তুই আসার পর। তোর নাম রেখেছিলেন- সুকল্যাণ।
মানুষটার মনটা ছিল শিশুর মতন
অভাবে অনটনে, বেঁচে থাকার নানা দুর্বিপাকেও
ভেঙ্গে পড়তেন না কখনও। সকলের ভাল চাইতেন মন থেকে।
বলতেন দেখো একদিন এই দেশের মানুষ
ঠিক খুঁজে পাবে মুক্তির পথ। শোষণ থেকে মুক্তি
দারিদ্র থেকে মুক্তি অশিক্ষা থেকে মুক্তি…

আজ পয়লা শ্রাবণ
খোকন, আজ তোর জন্মদিন।
ছোটবেলায়, তোর মনে আছে? আমাদের ভাঙ্গা মেঝেতে
বাক্স থেকে বার করা মেজো-মাসীর হাতে তৈরি আসনটা
পেতে দিতাম। সামনে রাখতাম ঠাকুরের আসনের প্রদীপখানা।
তুই বসতিস বাবু হয়ে চুপটি করে।
তোকে আমরা একে একে ধান দুব্বো মাথায় দিয়ে আশীর্বাদ করতাম।
বাবা বলতেন বড় হও মানুষ হও।
তোর বাবার সেই বন্ধু-ঘোষ কাকা তিনি বলতেন
বেঁচে বর্তে থাকো।
তুই জিগ্যেস করতিস-মা, বর্তে মানে কি মা?
আমি শুধু তোর মাথায় ধান-দুব্বোই দিতাম।
বলতাম না কিছুই। শুধু মনে মনে বলতাম
ঠাকুর, আমার খোকনকে মস্ত বড় মানুষ করে তোলো
আমার খোকন যেন সত্যিই মানুষ হয়।
ওর যেন কখনো কোনো বিপদ না হয় ঠাকুর।
অভাবের সংসারে ওই একটা দিন-পয়লা শ্রাবণ
কষ্টের পয়সায় একটু বাড়তি দুধ নিতাম।
পায়েস রান্না করে দিতাম তোকে।
তুই খুব ভালবাসতিস পায়েস খেতে।
তোর বাবা বাসস্টান্ডের দোকান থেকে নিয়ে আসতেন
তোর প্রিয় মিষ্টি ছানার গজা।
সামান্য ইস্কুল মাস্টারিতে কীই বা আয় হত;
ঘরে বসে ছাত্র পড়িয়ে আসতো কিছু।
দাউ দাউ অভাবের আগুনে সে রসদ পুড়তে সময় লাগত না।
তোর বাবার জামা সেলাই করতাম আর বার বার বলতাম
আসছে মাসে একটা জামা বানিয়ে নিও।
উনি হেসে উঠে বলতেন; বাদ দাও তো, খোকন বড় হচ্ছে।
ওর জন্য ভাবছি দুধ রাখতে হবে আরো আধসের-
দুধে শক্তি বাড়ে। বুদ্ধি বাড়ে। শক্তি আরে বুদ্ধি না হলে
তোমার খোকন মস্ত বড় মানুষ হয়ে উঠবে কি করে?
ভাবছি আরো দুটো টিউশনি নেব।

ছাত্র পড়িয়ে পড়িয়ে মানুষটা দিনের শেষে ক্লান্ত হয়ে যেতেন।
বারান্দার ধার ঘেঁষে যখন রাতের অন্ধকারে জোনাকির ব্যস্ততা,
আর ঘরে তোর পড়া মুখস্থ করার একটানা সুর
আমাদের কলোনীর ভাঙ্গাচূড়া বাড়িটাকে জীবন্ত করে রাখতো-
তখন বলতেন আমায়; খাওয়া দাওয়া একটু করো- তোমার চেহারাটা
বড় ভেঙ্গে পড়ছে দিন দিন… শাড়িটাও তো দেখছি বেশ ছিঁড়েছে-
কালই আমি ফেরার পথে একটা শাড়ি নিয়ে আসব। ধারেই আনব।
আমি বলতাম-ধুর। সামনে খোকনের উঁচু ক্লাস-
কত বই পত্তর কিনতে হবে- কত খরচ।
উনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে চুপ করে যেতেন।
জোনাকিরা নিঃশব্দ অদৃশ্য আলোর আলপনা আঁকত
উঠনের আগাছার ঝোপে।
আবহ সঙ্গীতের মত তুই ভেতরে বসে বসে পড়া মুখস্থ করতিস।
ইতিহাস, ভূগোল, গ্রামার।

ঈশ্বর আমাদের নিরাশ করেননি।
তুই কত বড় হলি।
সব পরীক্ষায় কত ভাল ফল হল তোর।
বাবা বললেন; আরও পড়। উচ্চ শিখাই উচ্চ সম্মানের
এক মাত্র পথ। তুই আরও পড়লি।

তারপর…

তোর চাকরি হল কত বড় অফিসে
মনে আছে খোকা? প্রথম মাসের মাইনে হাতে পেয়েই
তুই কত কী কিনে এনেছিলি?
তখন তো আমরা উঠে এসেছি শ্যামবাজারে।
দু’কামরার বেশ সাজানো ঘোচানো গোছানো বড় ফ্লাট।
তোর অফিস থেকেই তো দিয়েছিল।
সেই বাড়ি সেই ঘর সেই বেলকনি- কত স্মৃতি- কত ছবি!
ঐ বাড়িতেই তো
আশ্বিনের ঝড়ো বিকেলে- তোর মনে আছে খোকন?
তোর বাবা যেদিনটাতে চলে গেলেন- মনে আছে?
তুই বাবার বুকের ওপর পড়ে যখন কাঁদছিলি হাপুস নয়নে
সদ্য স্বামীহারা, আমি সেদিন তোর সেই অসহায় মুখ দেখে
আরো বেশি করে ভেঙ্গে পড়েছিলাম।
তোকে বুকে টেনে নিয়েছিলাম ছোটবেলার মত।
বলেছিলাম-
কাঁদিস না খোকা। আমিতো আছি।

আজ পয়লা শ্রাবণ
কলকাতা থেকে অনেক দুরে মফস্বলের এই বৃদ্ধাশ্রমে
আমি একেবারে একা, খোকন।
তোকে বড় দেখতে ইচ্ছে করছে রে।
তোকে, বৌমাকে আর ছোট্ট বিল্টুকে।
তোরা এখন কত দুরে-
সল্ট-লেকের মার্বেল বসানো ঝকঝকে বাড়িতে।
আজ তোর জন্মদিনের নিশ্চয়ই খুব বড় পার্টি হচ্ছে-
তাই নারে খোকন? লোকজন, হৈচৈ, খাওয়া-দাওয়া।
খুব ভাল, খুব ভাল।
খোকন, আজ পয়লা শ্রাবণ
আমার বড় মনে পড়ছে যাদবপুরের ভাঙ্গা ঘরে রাত্রে
তুই আমার পাশে শুয়ে মাঝে মধ্যে হঠাৎ খুব ভয় পেয়ে
জড়িয়ে ধরতিস আমাকে। আমি বলতাম, ভয় কী রে?
আমি তো আছি। মা তো আছে খোকনের। যার মা থাকে
তাকে কী ভুতে ধরে?
তুই নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়তিস আমার বুক জুড়ে।
তোর আধুনিক সংসারে
এই বুড়িটার একটু ঠাই হল নারে?
প্রতিমাও তো মা। ওরও তো আছে আমার খোকনেরই মত
কোল আলো- করা এক চাঁদের টুকরো।
কিন্তু সময়ের কী আশ্চর্য পরিবর্তন!

খোকন!
তুই বোধহয় আর এখন পায়েস খাস না- তাই নারে?
তুই জানিস না খোকন
আজ আমি সকালে পায়েস রান্না করেছি। হ্যাঁ
তোরই পাঠানো টাকায়।
সারাদিন সেই পায়েসের বাটি সামনে নিয়ে বসে আছি রে।
এখানে এই বৃদ্ধাশ্রমে
আমার একলা ঘরে
আর কেউ নেই।
তুই একবার আসবি খোকন।
একবার.. শুধু
একবার।

*বৃদ্ধাশ্রম* *সন্তান* *মা* *একাকীত্ব* *অপেক্ষা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: স্বপ্ন পূরন হয়ে যাওয়া মানেই সেই স্বপ্নটা শেষ হয়ে যাওয়া। স্বপ্ন পূরনের চেয়ে স্বপ্ন পূরনের জন্য অপেক্ষা করাটা অনেক মধুর।

*স্বপ্ন* *অপেক্ষা* *ভালোবাসা*

আমি লাবনী: যে অপেক্ষা করতে জানে তার কাছে সব কিছুই আসে। - বেঞ্জামিন ডিজরেইলি (খুকখুকহাসি)

*অপেক্ষা*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

অপেক্ষায় যদি ভালো কিছু হয়, তবে অপেক্ষায় দুষের কি আছে!
*অপেক্ষা*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

অপেক্ষার মুহূর্ত গুলো অনেক কষ্টের হয় সহজে শেষ হতে চায় না l
*অপেক্ষা*

শামীমা নাসরীন দিবা: শেষ বেলায় তোমাকে লেখা শেষ চিঠিটা পোষ্ট করা হয়নি এখনো। আমার ঠিকানায় এসে নিয়ে যেও যখন আমার ছায়াখানির লেশ মাত্র রইবে না সেথাই।

*অপেক্ষা*

পায়েল : মুঠো ভরে অপেক্ষা দিয়ে ' ধরো ' বলে কখন যে চলে গেলো বেলা ! আমি তার খেয়াল রাখিনি, হিসেবের খাতা খুলে দেখি, শুধু বেড়েছে বয়েস, আর ব্যথাদের ঋণ, অপেক্ষা করতে করতে আতশবাজির মতো কখন যে ফুরিয়ে গেছি, তোমার ঈশ্বরও জানেন না, অথচ আঁধার পেরোবার আগে, তোমার আমাকে আকাশভরা সূর্যোদয় দেবার কথা ছিল......

*অপেক্ষা* *সূর্যোদয়* *প্রিয়কবিতা* *রুদ্রগোস্বামী* *আঁধার* *আকাশ*

পায়েল : এমন অনেক দিন গেছে, আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থেকেছি, হেমন্তে পাতা-ঝরার শব্দ শুনবো ব’লে, নিঃশব্দে অপেক্ষা করেছি বনভূমিতে কোনো বন্ধুর জন্যে, কিংবা অন্য অনেকের জন্যে হয়তো বা ভবিষ্যতেও অপেক্ষা করবো, আমাকে তুমি প্রতীক্ষা করতে বলো, আমি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকবো অনড় বিশ্বাসে, দাঁড়িয়ে থাকতে-থাকতে আমার পায়ে শিকড় গজাবে, আমার প্রতীক্ষা তবু ফুরোবে না......

*অপেক্ষা* *হেমন্ত* *কবিতা* *দিন* *বিশ্বাস* *আগ্রহ* *প্রতীক্ষা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★