অফিসের সাজ

অফিসেরসাজ নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের এই সময়টাতে খুব সকালেই অফিসের জন্য বের হতে হয়। জবুথবু শীতের সকালে অফিসে বেরোনোর সময়  গরম কাপড় দিয়ে শুধু আপাদমস্তক ঢেকে রাখলেই চলবে না! অহেতুক ঢাকাঢুকি করলে কিন্তু আপনার ফ্যাশন, স্টাইল সব মাটি হয়ে যাবে। বিশেষ করে অফিসে আর আপনার মান থাকবে না। তাই শীতেও পোশাক পরুন সচেতনতার সঙ্গে। যাতে একদিকে রক্ষা পাওয়া যাবে শীতের কামড় থেকে, অন্যদিকে বজায় থাকবে ফ্যাশনও।

ফর্মাল শার্ট ব্লেজার
শীতে ফর্মাল শার্টের সাথে ব্লেজার পরতে পারেন। সাধারণ শার্ট হলেও চলবে তবে সেটা আয়রন করে নিতে হবে। এতে স্মার্ট দেখতে লাগবে আপনাকে। অফিসের জন্য পুরুষদেরকে শার্ট এর সঙ্গে ব্লেজার পড়লে বেশ মানায়। তবে এ ধারায় পিছিয়ে নেই নারীরাও। ছেলেদের মত মেয়েরাও শীতে অফিসে যাওয়ার জন্য স্টাইলিশ ব্লেজার পরে।  এই শীতে অফিসের জন্য ফ্যাশন ডিজাইনাররা নানা রকম ডিজাইনের ব্লেজার তৈরি করেছেন। আপনি আপনার চয়েজ মত সেরাটি বেছে নিন।

সোয়েটার
শীতে ফ্যাশন এবং সৌন্দর্য্য দুটাই রক্ষা করবে সোয়েটার। শীতে পোশাকের উপরে সোয়েটার পরে অনায়াসে অফিসে যাওয়া যায়। শীতের উষ্ণতা কাছে আসতে পারবে না সোয়েটার পরলে। ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্যই সোয়েটার উপযোগী। বাজারে নানা কালারের সোয়েটার পাওয়া যাচ্ছে আপনি ইচ্ছে মত আপনারটি কিনে নিতে পারেন। দাম খুব একটা বেশি পড়বে না। ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা দামের সোয়েটার বাজারে পাওয়া যাবে। 
 
ওয়েস্ট কোট
কয়েকটি পোশাক কখনওই আউট অফ ফ্যাশন হয় না। তার মধ্যে অন্যতম ওয়েস্ট কোট। ওয়েট কোট আগেও ইন ছিল, এখনও ইন। যে কোনও অকেশনে ওয়েস্ট কোট দিব্যি মানিয়ে যায়। শার্ট, কুর্তার সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে যায় ওয়েস্ট কোট। শুধু সঠিকভাবে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ করে পরতে হবে। সঠিক ওয়েস্ট কোট বেছে নিতে হবে – ওয়েস্ট কোটের পুরো ব্যাপারটাই ফিটিংস। ফিটিংস ঠিক না থাকলে ওয়েস্ট কোট পরার মানেই হয় না। পলিয়েস্টারের মতো চকচকে কাপড়ের ওয়েস্ট কোট পরবেন না। সুতির ওয়েস্ট কোট বেছে নিন। নিদেনপক্ষে বেছে নিন টুইড কাপড়ের ওয়েস্ট কোট। 

জ্যাকেট কিংবা ফ্যাশনেবল শাল
শীতে অফিসের জন্য ছেলে মেয়ে উভয়েই জ্যাকেট পরতে পারেন। অনেকেই আবার ফ্যাশনেবল শাল পরতেই ভাল বাসেন। বাজারে জ্যাকেটের কাটিং প্যাটার্নের মধ্যেও বৈচিত্র্য রয়েছে। কিছু জ্যাকেট সামনে খোলা। তাতে হয়তো বোতাম বা ফিতা ব্যবহার করা হয়েছে আটকানোর জন্য। আপনার পছন্দ অনুযায়ী অফিসের সাথে মানানসেই জ্যাকেট কিনে নিন। আর শাল কিনলে একটু ফ্যাশনেবল শাল কেনাই উত্তম। যাতে শীতও মরবে আবার আপনার ফ্যাশনও ঠিক থাকবে। 

দরদাম ও কেনাকাটা
রাজধানী ঢাকার বড় বড় ফ্যাশন হাউজগুলো ছাড়াও দেশের সর্বত্র শীতের পোশাক পাবেন। অফিসিয়াল শীত পোশাকের দাম খুব একটা বেশি না তবে ভাল মানের পোশাক নিতে গেলে দাম একটু বেশিই পড়বে। সেক্ষেত্রে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার মধ্যে। অনলাইন শপ গুলো থেকেও শীতের পোশাক কিনতে চাইলে নিচের লিংক  থেকে ঘুরে আসুন।
অনলাইন লিংকঃ
পোশাক সহ শীতের সব কালেকশন কিনতে ক্লিক করুন
*শীতেরপোশাক* *অফিসেরসাজ* *ড্রেসআপ* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

সমুদ্র তীর: মুহাম্মদ ইবন বাশশার (র)......ইবন আব্বাস(রা) থেকে বর্ণিত I তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সব পুরুষ কে লা'নত করেছেন যারা নারীর বেশ ধারণ করে এবং ঐ সব নারী কে লা'নত করেছেন যারা পুরুষের বেশ ধারণ করে I [বুখারী :৫৪৬৫]

*পোশাক* *ফ্যাশন* *লাইফস্টাইল* *আচরণ* *গহণা* *হেয়ারস্টাইল* *অফিসেরসাজ* *হুডি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ভালো মানের অফিসিয়াল লেদারের ব্যাগ কোথায় কিনতে পাবো ?

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

*ব্যাগ* *অফিসেরসাজ* *হালেরফ্যাশন* *অফিসঅ্যাটিকেট* *লাইফস্টাইল* *শপিং*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকেই বোঝেন না কর্মক্ষেত্রে কী পরা উচিত আর কী পরা উচিত নয়। বিশেষ করে যেসব অফিসে ড্রেস কোড ঠিক করে দেয়া নেই সেই সব অফিসে পোশাক নিয়ে নানান রকম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। অনেকেই অনেক বেমানান পোশাক পরে আসেন যা অফিসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। আবার অনেকে একেবারে আনস্মার্ট পোশাক পরে অফিসে আসেন যা একেবারেই অনুচিত। অফিসে কী পরা উচিত আর কী পরা উচিত না সেই সম্পর্কে জেনে নিন ১০টি টিপস।

১। অফিসে ফরমাল শার্ট পরাই ভালো। টি শার্ট পরে অফিসে আসতে চাইলে অবশ্যই কলার যুক্ত টি শার্ট পরা উচিত। গোল গলার টি শার্ট অফিসে খুবই বেমানান দেখায়।

২) অফিসের প্যান্ট সবসময় ফরমাল হওয়া উচিত। খুব বেশি ভিন্ন ধরনের কাট ছাঁটের ইনফরমাল প্যান্ট অফিসে না পরাই ভালো।

৩) পুরুষদের ক্ষেত্রে পোশাকের রঙ নির্বাচন করুন হালকা মার্জিত রঙ থেকে। খুব বেশি কড়া রঙ এর দৃষ্টিকটু পোশাক না পরাই ভালো অফিসে।

৪) নারীরা অফিসে পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে শালীনতার বিষয়টি মাথায় রাখুন। যেই পোশাকই পরবেন সেটা যেন অফিসের সাথে মানানসই ও শালীন হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখুন।

৫)অতিরিক্ত কাজ করা জবরজং পোশাক অফিসে মানানসই না। তাই নারীরা এধরণের পোশাক অফিসে এড়িয়ে চলবেন।

৬) নারীরা অফিসে পরার পোশাকের গলা বড় রাখবেন না। বড় গলার পোশাকের বদলে হাই নেক, কলারযুক্ত কিংবা ছোট গলার পোশাক পরুন।

৭) পুরুষরা অফিসে সু পরুন। অফিসে স্যান্ডেল পরে আসা খুবই বেমানান দেখায়।নারীরা অফিসে এমন জুতা পরুন যেটা হাটার সময় খুব বেশি শব্দ হয় না।

৮) নারীরা অফিসে হাতাকাটা পোশাক পরবেন না। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অফিসে হাতাকাটা পোশাক একেবারেই মানানসই না।

৯) নারীরা অফিসে এমন কোনো অলংকার পরবেন না যেগুলোতে শব্দের সৃষ্টি হয়। অলংকারের শব্দ অন্যদের কাজের মনোযোগ নষ্ট করে।

১০) অফিসে কড়া গন্ধের সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত না। হালকা ঘ্রাণের রুচিশীল সুগন্ধি ব্যবহার করুন।


*অফিসেরসাজ* *কর্মজীবিনারী* *অফিসএটিকেট*

সাদমান রহমান: আমার মনে হয় আমার *অফিসেরসাজ* নিয়ে যাবতীয় সবার সমস্যা আছে! কারণ আমি আগের রাতে যেটা পরে ঘুমাই ঐটাই পরে চলে আসি! (ভেঙ্গানো)

ছবি

বিডি আইডল: ফটো পোস্ট করেছে

অফিসের সাজগোজ

*অফিসেরসাজ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নিজেদের ইমেজ বজায় রাখতে পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব কিছু থাকা চাই একদম যথাযথ৷ আর সেটা যদি কর্মক্ষেত্র হয় তবে তো ফরমাল ড্রেসআপের প্রয়োজনীয়তাটা বেশি বই কম নয়৷ কারণ সেখানে আপনার পোশাক এবং মেকআপই ব্যক্তিত্বের পরিচয়৷ অনেকেই বোঝেন না কর্মক্ষেত্রে কী পরা উচিত আর কী পরা উচিত নয়। বিশেষ করে যেসব অফিসে ড্রেস কোড ঠিক করে দেওয়া নেই সেই সব অফিসে পোশাক নিয়ে নানান রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অনেকেই অনেক বেমানান পোশাক পরে চলে আসেন যা অফিসের পরিবেশের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। চলুন জেনে নেই কিছু ফরমাল ড্রেস আপ টিপস সম্প্রর্ক

 ১) অফিসে ফরমাল শার্ট পরাই ভালো। টি শার্ট পরে অফিসে আসতে চাইলে অবশ্যই কলার যুক্ত টি শার্ট পরা উচিত। গোল গলার টি শার্ট অফিসে খুবই বেমানান দেখায়।
২) অফিসের প্যান্ট সবসময় ফরমাল হওয়া উচিত। খুব বেশি ভিন্ন ধরনের কাট ছাঁটের ইনফরমাল প্যান্ট অফিসে পড়া একদম উচিত নয়।
৩) পুরুষদের ক্ষেত্রে পোশাকের রঙ নির্বাচন করুন হালকা মার্জিত রঙ থেকে। খুব বেশি কড়া রঙ এর পোশাক ভীষণ দৃষ্টিকটু লাগে ।
৪) মেয়েরা অফিসে পোশাকের ক্ষেত্রে শালীনতার বিষয়টি মাথায় রাখবেন। যে পোশাকই পরুন না কেন সেটা যেন অফিসের সাথে মানানসই ও শালীন হয় সে বিষয়টা লক্ষ্য রাখবেন।
৫)অতিরিক্ত কারুকার্য করা পোশাক অফিসে মানানসই হয় না। তাই মেয়েরা এইধরণের পোশাক অফিসে পড়ে য়াওয়া থেকে এড়িয়ে চলবেন।
৬) মেয়েরা অফিসে কোনও ডিপ-নেকড পোশাক পরবেন না। বড় গলার পোশাকের বদলে হাই নেক, কলারযুক্ত কিংবা ছোট গলার পোশাক পরুন।
৭) পুরুষরা অফিসে জুতো পরার চেষ্টা করুন। অফিসে স্যান্ডেল বা খুব ক্যাজুয়াল লুকে আসবেন না৷ মেয়েরা অফিসে এমন জুতো পরুন যাতে হাঁটার সময় খুব বেশি শব্দ না হয়৷
 ৮) মেয়েরা অফিসে হাতাকাটা পোশাক পরবেন না। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অফিসে হাতকাটা পোশাক একেবারেই মানানসই নয়।
৯) মেয়েরা অফিসে খুব বেশি অলঙ্কার পরে একদম আসবেন না৷
১০) সর্বপুরি সবসময় পরিপাটি থাকার চেষ্টা করবেন। প্রয়োজনে দুই একঘন্টা পরপর হাত মুখ ধুয়ে নিতে পারেন।
*অফিসেরসাজ* *লাইফস্টাইলটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


সুন্দর পোশাক সুরুচির পরিচায়ক। তবে সবখানেই সবধরনের পোশাক পরা উচিত নয়। স্থান ও সময় ভেদে পোশাক- আশাকেও চাই ভিন্নতা। ক্যাজুয়াল পোশাকেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করে পুরুষেরা। তবে এমন অনেক উপলক্ষ থাকে যেখানে পাতলা টি-শার্ট, জিনসের প্যান্ট পরে যাওয়া যায় না, তা যতই আরামদায়ক হোক না কেন। আবার অনেক অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণপত্রে ড্রেস কোড ফরমাল এধরনের কথা আগে থেকেই উল্লেখ করা থাকে।

এসব ক্ষেত্রে কেমন পোশাক পরতে পারেন? দাওয়াত বা অনুষ্ঠানের পোশাকটা হওয়া চাই আরামদায়ক। অনুষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী পোশাক পরতে হয়। স্যুট-টাই (কালো স্যুটের সঙ্গে একই রঙের প্যান্ট) পরা যায়। শার্টটা ফুল হাতা পরা ভালো। শার্টে কাফলিংক পরা যায়। সঙ্গে টাই থাকতেও পারে। চামড়ার তৈরি জুতা ও বেল্ট পরতে পারেন। হাতে চামড়ার বেল্টের ঘড়ি। কড়া গন্ধের পারফিউম ব্যবহার না করাই ভালো। চুল হবে আঁচড়ানো পরিপাটি। পুরো লুকে একটা কেতাদুরস্ত ভাব থাকবে। ঋতুর ওপর নির্ভর করে পোশাক পরা উচিত।

যদি অনুষ্ঠানটি হয় শীতকালে তবে স্যুট পরতে হবে। কারণ স্যুট যেমন ফ্যাশনেবল আবার শীতও নিবারণ করে। স্যুটের সঙ্গে মানানসই টাই পরা যায়। অনুষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করা উচিত। গরমে দিনের বেলা যদি দাওয়াত হয়, তাহলে হাফ হাতা শার্ট পরা যেতে পারে। অথবা হালকা রঙের পোলো শার্টও পরা যেতে পারে। মোজা গাঢ় রঙের হবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে, বসলে পায়ের খালি অংশ যেন দেখা না যায়। খুব ঘনিষ্ঠ বা বন্ধুবান্ধবের দাওয়াতে গেলে কলারওয়ালা টি-শার্ট পরা যায়। নিমন্ত্রণ উৎসবধর্মী হলে শার্টের রং ও নকশায় তার ছাপ থাকতে পারে। অফিসে যেমন গাঢ় রঙের শার্ট পরা হয়, তার বাইরে হলুদ, লাল, সবুজ ইত্যাদি উজ্জ্বল রঙের শার্ট পরতে পারেন। বড় ছাপা, চেক ইত্যাদি নকশা থাকতে পারে শার্টে।

ঋতু ও অনুষ্ঠানের স্থানকে মাথায় রেখে নির্বাচন করতে হবে, কী ধরনের পোশাক পরবেন। বিয়ে বা গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে পাঞ্জাবি বা ফতুয়া পরতে পারেন। তবে তা যেন জমকালো ধরনের হয়। গলায়, হাতে সুতা, জরির কাজ থাকতে পারে।

অ্যান্ডি, সিল্ক ইত্যাদি কাপড়ের পোশাক বেছে নিন। এর সঙ্গে নাগরা, কোলাপুরি চপ্পল পরতে পারেন। পোশাকের সঙ্গে লাল, সোনালি বা ঘিয়া রঙের উত্তরীয় ব্যবহার করতে পারেন। অনেকে বিয়েতে বরের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে শেরওয়ানি বা শেরওয়ানি স্টাইলের পাঞ্জাবি পরেন। বিয়ে বা বৌভাত অনুষ্ঠানে সাধারণত স্যুট পরা হয়। এর সঙ্গে ডেনিম প্যান্ট পরলেও ক্ষতি নেই।

রংচঙে এবং একটু ভিন্ন ধরনের বোতাম লাগানো শার্ট পছন্দ করা যেতে পারে। ডেনিম প্যান্টে বেছে নিন রিল্যাক্স ফিটিং ও হালকা নীল বা ছাই রং। ফরমাল প্যান্টের সঙ্গে স্লিমফিট শার্ট পরুন।

যা-ই পরা হোক না কেন, পোশাক হবে ফিটিং। শার্টের রং গাঢ় বা সলিড হবে। এসব অনুষ্ঠানে কালো রঙের ওপর কাজ করা শার্ট পরতে পারেন। শার্টটা সিল্কের হলে ভালো। দিনের বেলার অনুষ্ঠান হলে লিনেন কাপড়ে তৈরি একরঙা বা স্ট্রাইপড শার্ট পরা যায়। এর সঙ্গে কালো, বাদামি, ছাই রঙের গ্যাবারডিন কাপড়ের প্যান্ট পরা যেতে পারে। (সূত্রঃ নিজ ও ইন্টারনেট)
*অফিসেরসাজ* *লাইফস্টাইলটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি টিপস পোস্ট করেছে

অফিসের সাজ
http://www.dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=MTY3MzA=&s=MjI=
ড্রেসআপ ও মেকআপ নারীর রুচির পরিচয় বহন করে। যারা কর্মক্ষেত্রে রয়েছে অর্থাৎ যারা কর্মজীবী নারী তাদের প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়। অনেকের সাথে কাজ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তাদের পোশাক ও সাজ বেশ গুরুত্ব বহন করে। কারণ তাদের ব্যক্তিত্বের ও রুচির প্রকাশ ঘটে পোশাকের মাধ্যমেই। অফিসে কিভাবে নিজেকে স্মার্ট হিসেবে উপস্থাপন করবেন, কিভাবে পোশাক, প্রসাধন ও গয়নার মাঝে সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে মার্জিত ও আকর্ষণীয় হিসেবে তুলে ধরতে পারবেন জেনে নিন সেই বিষয়ে। ...বিস্তারিত
*অফিসেরসাজ* *লাইফস্টাইলটিপস*
৩০৩ বার দেখা হয়েছে

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সময়ের সাথে পাল্লাদিয়ে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও অফিসিয়াল কাজে সমান তালে এগিয়ে আসছে । ফলে ছেলেদের মতো তারাও ব্যস্ত থাকছেন বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডে। তাদের মধ্যেও গড়ে উঠছে কর্পোরেট সংস্কৃতি। কিছুদিন আগেও মেয়েরা মনে করতো অফিসে পোশাক ও সাজগোজের দিকে নজর না দিয়ে কাজকে প্রাধান্য দিলেই চলবে। কিন্তু বর্তমানে পাল্টে গেছে সেই ধারনা। এখন অফিসে কাজের দতার সঙ্গে সাজগোজ ও পোশাকের বিষয় প্রাধান্য পায়।

চাকরির প্রথম দিন কী ধরনের পোশাক পরবেন এমন বিষয় নিয়ে অনেকেই চিন্তা করেন। এক্ষেত্রে  অফিসের ধরন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ। যে অফিসে জয়েন করবেন সে অফিসের বেশির ভাগ নারী কি পোশাক পরেছেন প্রথমে তা খেয়াল করা উচিৎ। সাধারণত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় হলে শাড়ি কিংবা সালোয়ার কামিজ পরা উচিৎ। অন্যদিকে কর্পোরেট অফিস হলে লেডিস স্যুটে দারুন মানিয়ে যায়। তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে অফিসের পোশাকের রঙ, ডিজাইনে যেন শালীনতা বজায় থাকে। গরমের দিনে অফিসের পোশাকের জন্য হালকা রঙ বাছাই করা উচিৎ। যারা এয়ারকন্ডিশনড পরিবেশে কাজ করেন না তাদের জন্য সুতি পোশাকই ভালো। কারণ সুতি কাপড় সহজেই ঘাম শুষে নেয়।

অফিসে গহনা পরার ক্ষেত্রে ছোট ছোট গহনা পরা ভাল। জুতা এবং ব্যাগের রঙ কাছাকাছি শেডের মধ্যে বাছাই করলে দেখতে দারুণ লাগবে। ল্যাপটপ ক্যারি করতে হলে বড় ব্যাগ বাছাই করলে ল্যাপটপের সঙ্গে অন্যান্য জিনিসও অনায়াসে নেওয়া যাবে। অনেক সময় কাজের চাপে কান্ত হয়ে চোখে রাজ্যের ঘুম এসে যেন জড় হয়। কিন্তু তা অফিসে সবাইকে বুঝতে দেওয়া নিশ্চয় বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। তাই চোখে একটু কাজল লাগিয়ে নিন, ব্যস হয়ে গেল। আর এটা ৫/১০ মিনিটের মধ্যেই সেরে ফেলা সম্ভব। অফিসে ভারি মেকআপ না নেওয়াই ভালো।

অফিসের সাজের ক্ষেত্রে মুখে হালকা ফাউন্ডেশন এবং ফেসপাউডার ব্যবহার করলে ত্বকের প্রাণবন্ততা ফিরবে। কিন্তু ত্বক ও ফাউন্ডেশনের রঙের যেন মিল থাকে। চোখে মাস্কারা এবং ঠোঁটে হালকা রঙের লিপিস্টিক লাগানো যেতে পারে। এছাড়া কেউ ইচ্ছে করলে লিপগ্লসের শরণাপন্ন হতে পারেন। আর মুখের আদ্রতা ধরে রাখতে চাইলে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। সহজেই প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে আপনার চেহারা। শেষপর্যন্ত বাকি থাকে সাজের অন্যতম অনুষঙ্গ চুল। বেশিকিছু নয়, শুধু চুল গুলোকে একটু গুছিয়ে আঁচড়ে নিলেই পূর্ণতা পেয়ে যাবে আপনার সাজ। তবে অব্যশ্যই শরীরের গন্ধ থেকে বাঁচতে ভালো কোনো ব্র্যান্ডের ডিউডোরেন্ট বা পারফিউম ব্যবহার করা উচিৎ। (সূত্রঃ ইন্টারনেট)
*অফিসেরসাজ* *লাইফস্টাইলটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনি কোন ধরনের পোশাক পরতে ভাল বাসেন? আপনার পছন্দকি হাফহাতা লাল শার্ট নাকি শর্ট পাঞ্জাবি? নকি একেবারে ঢিলেঢালা শার্ট-প্যান্টেই বেশি সচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আপনার পছন্দ যেটাই হোক না কেন একটা বিষয় আপনাকে মনে রাখতে হবে অফিসিয়াল ও কর্পোরেট অফিসে কিন্তু সব ধরনের পোশাক চলে না। আপনি যদি ক্যাজুয়েল কোনো পোশাকও পরেন তাতেও চাই একটা অফিশিয়াল ভাব। মার্জিত পোশাক-আশাক যে কোনো কর্পোরেট অফিসের জন্য একদম বাধ্যতামূলক। গরমে কাফ লিঙ্কস বা টাই ঝামেলা মনে হচ্ছে? ঠিক আছে, তা নাহয় বাদই দিলেন। কিন্তু শার্ট-প্যান্ট, জুতা-বেল্ট কিন্তু একদম টিপটপ আর ফিটিং হওয়া চাই। চলুন তাহলে আলোচনা করা যাক ছেলেদের কর্পোরেট ও অফিসিয়াল ড্রেসআপ সম্পর্কে।

একেক অফিসের একেক রকম নিয়ম অনুযায়ী কোনো অফিসে পুরো ফর্মাল ড্রেসে আসতে হয় যেমন- ফর্মাল শার্ট-প্যান্টের সাথে ব্লেজার বা কোট-টাই, আবার কোনো অফিসে কোট-টাই না পরলেও চলে শুধু ফর্মাল শার্ট-প্যান্ট পরে আসতে হয়। তাই অফিস বুঝে আপনার ড্রেসকোডটি জেনে নিন। পরিষ্কার ও মানাসই পোশাক অফিসে পরার পোশাকটি অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে। অনেকের খুব ঘাম হওয়ায় গাড় রঙের শার্টে সাদা দাগ পরে যায় বিশেষ করে এখন এই গরমের সময় এটা হওয়া খবই স্বাভাবিক। তাই চেষ্টা করবেন অফিসে পরা কাপড়টি প্রতিদিন ধুয়ে ফেলতে। আর পরপর দুদিন একই কাপড় অফিসে না পরাই ভালো। শার্ট ও প্যান্ট বদলে বদলে পরবেন।

অফিসের পোশাকটি সবসময় ইস্ত্রি করে পরার চেষ্টা করবেন। অনেকে তাড়াহুড়ায় কুঁচকানো ভাঁজ করা পোশাক পরেই অফিসে চলে যান, এটা করবেন না। রাতেই কাপড় চোপড় ইস্ত্রি করে রাখবেন তাহলে আর এই ঝামেলা হবে না। সবসময় ইস্ত্রি করা ,ভালোভাবে ফিট হয় এমন পোশাক পরবেন তবে ফিট মানে আবার আঁটসাঁট পোশাক পরতে যাবেন না। অফিসের পোশাকের ক্ষেত্রে বেশি খোলামেলা বা বেশি টাইট কোনটাই মানানসই না। পোশাকের রং অফিসের ফর্মাল পোশাকটি অবশ্যই রঙচঙে হবে না।

সবসময় মার্জিত রঙের পোশাক বাছাই করবেন যেমন- ব্রাউন, বেজ, পিস, সাদা বা কালো, নেভিব্লু, আকাশী বা হালকা বেগুনী রঙের পোশাক বাছাই পরতে পারেন। গরমের দিনে অফিসের পোশাকের জন্য প্যাস্টেল শেড বা হালকা রঙের পোশাক বাছাই করুন।। খুব জমকালো রঙের পোশাক পরলে তা শালীন মনে হবেনা। অলংকার পোশাকের পাশাপাশি অলংকারও একটি গুরুত্বপুর্ন দিক। অনেকেই আছেন হাতে আংটি, হাতে ব্রেসলেট পরতে পছন্দ করেন এবং পরেনও। কিন্তু অফিসের কালচারের সাথে কি এই জিনিসগুলো যায় কিনা তা বুঝতে হবে। অনেক কর্পোরেট অফিসে এসব অলংকার পরাকে খুবই দৃষ্টিকটু হিসেবে দেখা হয়, সেক্ষেত্রে এধরনের অলংকার পরিহার করাই উচিত।

একদিন ক্যাজুয়েল ড্রেস রোজ রোজ কেতাদুরস্ত ভারিক্কী পোশাক পরলে একটু বিরক্ত লাগতেই পারে, তাই অনেক অফিসেই দেখা যায় সপ্তাহে একদিন সবাই ক্যাজুয়েল পোশাক পরে আসেন। কিন্তু তাই বলে আবার গোল গলার টি শার্ট আর স্যান্ডেল পরে যাওয়া যাবেনা। চামড়ার জুতা পরা যায়, তবে স্যান্ডেল নয়। অ্যাথলেটিক বা হাইকিং বুটও পরতে যাবেন না। আপনি স্যুট পরতে না চাইলে অন্তত ব্লেজার বা জ্যাকেট অথবা দুটোর মাঝামাঝি কিছু একটা পরতে পারেন। হাফ হাতা শার্ট না পরে ফুল হাতা শার্ট পরবেন। শার্টের রং গাঢ় বা সলিড হতে হবে। আর সঙ্গে পরবেন গাঢ় রঙের প্যান্ট। প্যান্টের মধ্যে লিনেন বা গ্যাবারডিন কাপড়ের প্যান্ট পরতে পারেন। প্যান্টের রংটি বাদামি, ছাই বা খাকি হতে পারে। মোট কথা, আপনি যাই পরুন না কেন, তাতে করপোরেট একটা লুক থাকতে হবে। আগে অফিসে শুধু কাজটাই মুখ্য ছিল, পোশাক আশাকের দিকে নজর দিত না অনেকই কিন্তু আধুনিক এই কর্পোরেট যুগে দক্ষতার পাশাপাশি চাই স্মার্টনেস। আর এই স্মার্টনেসটা কিন্তু আসে উপযুক্ত পোশাক পরিধানেই। তাই অফিসে পোশাক পরিধানে হতে হবে ট্রেন্ডি, স্মার্ট পাশাপাশি মার্জিত ও শালীন ।
*অফিসেরসাজ* *লাইফস্টাইলটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চাকরির সুবাদে দিনের বেশির ভাগ সময়টা অফিসে কাটাতে হয়। যে কারনে অফিসের জন্য উত্তম পোশাক নির্বাচন করা খুবই প্রয়োজন। আপনি কর্মক্ষেত্রে কি ধরনের পোশাক পরে এসেছেন তার উপরেরই আপনার মানসিকাতা ও আচার আচরণের ভাবমূর্তি প্রকাশিত হয়। তাই অফিসের পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে একটু সচেতন হতে হবে।  অনেকেই বোঝেন না কর্মক্ষেত্রে কী পরা উচিত আর কী পরা উচিত নয়। বিশেষ করে যেসব অফিসে ড্রেস কোড ঠিক করে দেয়া নেই সেই সব অফিসে পোশাক নিয়ে নানান রকম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। অনেকেই অনেক বেমানান পোশাক পরে আসেন যা অফিসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। আবার অনেকে একেবারে আনস্মার্ট পোশাক পরে অফিসে আসেন যা একেবারেই অনুচিত। অফিসে কি ধরনের পোশাক পরা  উচিত আর কি ধরনের পোশাক পরা উচিত না সেই সম্পর্কে আমরা কিছু টিপস আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি। চলুন তাহলে জেনে নেই অফিসের উত্তম পোশাক নির্বাচনের দারুন কিছু টিপস।

 ১) অফিসে ফরমাল শার্ট পরাই ভালো। টি শার্ট পরে অফিসে আসতে চাইলে অবশ্যই কলার যুক্ত টি শার্ট পরা উচিত। গোল গলার টি শার্ট অফিসে খুবই বেমানান দেখায়।

২) অফিসের প্যান্ট সবসময় ফরমাল হওয়া উচিত। খুব বেশি ভিন্ন ধরনের কাট ছাঁটের ইনফরমাল প্যান্ট অফিসে না পরাই ভালো।

৩) পুরুষদের ক্ষেত্রে পোশাকের রঙ নির্বাচন করুন হালকা মার্জিত রঙ থেকে। খুব বেশি কড়া রঙ এর দৃষ্টিকটু পোশাক না পরাই ভালো অফিসে।

৪) নারীরা অফিসে পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে শালীনতার বিষয়টি মাথায় রাখুন। যেই পোশাকই পরবেন সেটা যেন অফিসের সাথে মানানসই ও শালীন হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখুন।

৫)অতিরিক্ত কাজ করা জবরজং পোশাক অফিসে মানানসই না। তাই নারীরা এধরণের পোশাক অফিসে এড়িয়ে চলবেন।

৬) নারীরা অফিসে পরার পোশাকের গলা বড় রাখবেন না। বড় গলার পোশাকের বদলে হাই নেক, কলারযুক্ত কিংবা ছোট গলার পোশাক পরুন।

৭) পুরুষরা অফিসে সু পরুন। অফিসে স্যান্ডেল পরে আসা খুবই বেমানান দেখায়।নারীরা অফিসে এমন জুতা পরুন যেটা হাটার সময় খুব বেশি শব্দ হয় না।

৮) নারীরা অফিসে হাতাকাটা পোশাক পরবেন না। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অফিসে হাতাকাটা পোশাক একেবারেই মানানসই না।

৯) নারীরা অফিসে এমন কোনো অলংকার পরবেন না যেগুলোতে শব্দের সৃষ্টি হয়। অলংকারের শব্দ অন্যদের কাজের মনোযোগ নষ্ট করে।

১০) অফিসে কড়া গন্ধের সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত না। হালকা ঘ্রাণের রুচিশীল সুগন্ধি ব্যবহার করুন।

তাহলে আর দেরী কেন আজ থেকেই শুরু হোক আপনার উত্তম পোশাকের নতুন পথচলা।
*অফিসেরসাজ* *লাইফস্টাইলটিপস*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

অফিসগামী মেয়েদের সাজগোজ।

*অফিসেরসাজ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★