অবরোধ

অবরোধ নিয়ে কি ভাবছো?

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নীল একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে মধ্যম পর্যায়ে চাকুরী করে। বাসায় তার স্ত্রী এবং একটি ছোট বাচ্চা আছে। এদের নিয়েই তার জীবন এবং সংসার।

ইদানিং অফিসে ওর  কাজের ব্যস্ততা এবং পরিশ্রম দুটোই বেড়ে গেছে। মালিকপক্ষ নীলকে একটি নতুন প্রোজেক্টের দায়িত্ব দিয়েছেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর সে তার যোগ্যতার প্রমান রাখার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।

প্রায় প্রতিদিনই কাজের চাপে তাকে দেরী করে বাসায় ফিরতে হচ্ছে। নীলের স্ত্রী সিমু প্রায়ই ওর দেরী করে বোসায় ফেরা নিয়ে টেনশনে থাকে। বর্তমানে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম খারাপ। রাস্তায় যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে। এখন তো পেট্রোল বোমা নামক বস্তুটি সবথেকে বেশি ভয়ের কারন। চলমান গাড়ির খোলা জানালা লক্ষ করে কেউ একজন পেট্রোল বোমা ছুড়ে মেরে পালিয়ে গেল আর গাড়ির ভিতরে মুহূর্তেই দাউ দাউ করে আগুন লেগে গেল। দৃশ্যটি কল্পনা করতেই সিমু নিজের অজান্তে শিউরে উঠলো।

বাসের শেষ প্রান্তে জানালার পাশে একটি সিটে নীল বসে আছে। প্রায় যুদ্ধ করে বাসে ওঠার পর ভীর ঠেলে নীল তার কিাঙ্খিত সিটটিতে বসার সুযোগ পেল। সারাদিনের পরিশ্রম ও ক্লান্তির কারনে কখন যে তার চোখে ঘুম এসে গেল নীল বুঝতে পারেনি। হঠাৎ বিকট শব্দ এবং মানুষের কোলাহলে নীল চমকে জেগে উঠলো। বিশ্বয়ের প্রথম ধাক্কায় সে  বুঝে উঠছিলো না যে কোথায় আছে, একটু পরে আত্নস্থ হয়ে দেখলো যাত্রীরা পরষ্পর ধাক্কা ধাক্কি করে দরজার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে আর মহিলা যাত্রী যে কজন ছিলেন তারা আর্ত স্বরে চিৎকার করছেন। বাসের ড্রাইভার পরিস্থিতি বেসামাল দেখে গাড়িটি রাস্তার পাশে দাড়া করিয়ে যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বললো,

-কি হইছে আপনারা সবাই চেচামেচি করেন কেন?

-চেচামেচী মানে, গাড়িতে বোমা মারছে মিয়া দেখোনা চোখে আর তুমি কও চেচামেচী করি?

-বোমা কোথায় মারলো দেখলেন ? আমার বাসের চাকা পাংচার হইছে তাই শব্দ হইলো।

-তাই কও! আমরা ভাবছি বোমা টোমা মারলো কিনা আবার।

পুরো সময়টা নীল তার সিটেই বসা ছিলো আর চলমান ঘটনাবলী পর্যবেক্ষন করছেলো। আমরা এখন আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছি, পরিস্থিতি এমন দাড়িয়েছে যে একটু জোরে শব্দ হলেও মনে হয় বোমা বা গুলির শব্দ। এই পরিস্থিতির শেষ কোথায় তা আমাদের কারো জানা নেই।


০৩.০৩.২০১৫

এস.এন.আলম রাজু
গাজীপুর
*হরতাল* *অবরোধ*

অলিন আরজু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্যাপার ঠিক মেনে নিতে পারছিনা। মাথায় কেন যেনে বারবার ঘুরে ঘুরে আসছে
একটা বাচ্চা তার বাবার হাত ধরে হেটে যাচ্ছে তার খুব চেনা বাড়ির সামনের রাস্তাটা তে। মা-ও তার পাশে হাঁটছে । বাচ্চাটা নিজের মনে কথা বলে যাচ্ছে। বেশ সুন্দর দৃশ্যটা তাই না ? 


হঠাৎ পুরো দৃশ্যটা ঘোয়াটে আর ভয়াবহ হয়ে গেলো প্রচন্ড শব্দে । ককটেল বোমায় উড়ে গেলো বাচ্চাটার পায়ের পাতা। 

বাচ্চাটার কান্না আর তার বাবার ভয়ে পাওয়া আত্মচিৎকার মাথা থেকে সরাতে পারছিনা। 
ভাবছি পরে যখন বাচ্চাটা তার বাবার কাছে জানতে চাইবে তার বাম পায়ের পাতা টা কেন বোমায় উড়ে গেলো , তখন তার বাবা কি উত্তর দেবে frown emoticon
*প্রশ্ন* *উত্তর* *ককটেল* *হতাশা* *হরতাল* *অবরোধ*

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

হরতাল-অবরোধের নামে সহিংসতা বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের।
হরতাল ও অবরোধের নামে সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ রোববার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন।
*হরতাল* *অবরোধ* *সহিংসতা* *হাইকোর্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
অনেকদিন ধরে হরতাল অবরোধ চলছে, ক্যাম্পাস এ আড্ডা চলে, অফিস চলে, চলে অনেক যুবক-যুবতির প্রেম।
শুধু ক্লাস আর পরীক্ষা চলে না ক্যারে ক্যারে চলে না ।
*রসিকতা* *অবরোধ* *হরতাল*

মাসুম: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
অকর্মা
রেলে নাশকতা করার জন্য পাকা কলার খোসা রাখলাম কতকটা! খোসার সাথে রেলও ধীরে ধীরে অদৃশ্যই হলো কোনো রকম দুর্ঘটনা ছাড়াই! আমারে দিয়ে কিছুই হবেনা! (মাইরালা)
*নাশকতা* *অবরোধ* *হরতাল* *হরতালজোকস*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

পেট্রোল বোমায় আগুন ধরিয়ে দেবার পূর্ব প্রস্তুতি

*পেট্রোলবোমা* *বোমা* *হরতাল* *অবরোধ*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
অবরোধ নিয়ে যদি বাংলা সিনেমা হয় .... তাহলে কেমন নাম হতে পারে দেখুন: ১. অবরোধ দিবি কি না বল? ২. কোটি টাকার অবরোধ ৩. অবরোধ বড় না দেশ বড়??? ৪. অবরোধ আমার অবরোধ ৫. কাল কেন অবরোধ? ৬. নিঃস্বার্থ অবরোধ ৭. মোস্ট ওয়েলকাম অবরোধ ৮. খোজ দ্যা সার্চ অবরোধ
*অবরোধ* *বাংলাসিনেমা*
৪/৫

আমানুল্লাহ সরকার: খুব ভয়(মাফচাই)(মাফচাই) লাগছে.... কখন যে আমার মত সাধারণ মানুষ প্রেট্রোল বোমার স্বীকার হই(নাআআআ)(নাআআআ) ও আল্লাহ একি হাল দেশের??? কেউ ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়(ওইসর)(ওইসর) আর কেউ ক্ষমতায় বসতে চায়

*হরতাল* *অবরোধ* *টেনশন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হরতাল ও অবরোধের সহিংসতার কারনে বর্তমানে রাস্তা ঘাটে সুস্থ ভাবে চলাফেরা ব্যাহত হচ্ছে। এমন কি অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে হচ্ছে অনেককে। বৃদ্ধি পাচ্ছে বিভিন্ন ধরণের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড। ঘটছে গাড়িতে আগুন দেওয়া বা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের মত ঘটনা। আহত বা দগ্ধ হচ্ছেন অনেককে। এমন পরিস্থিতিতে যানবাহনের চালক, কর্মী ও জনসাধারণের কিছু টিপস অনুসরণ করা দরকার। জেনে নিন গাড়িতে আগুন দেওয়া ও পেট্রোল বোমা স্বীকার হলে ততক্ষনাৎ আপনাকে যা করতে হবে তা নিম্নরুপ।

১. যানবাহন চালানোর সময় গাড়ির জানালার কাঁচ বন্ধ রাখুন।

২. নিজের শরীরের পোশাকে আগুন লাগলে তৎক্ষণাৎ দুই হাতে মুখ ঢেকে মাটিতে গড়াগড়ি দিন। কারণ দৌঁড় দিলে আগুন বেড়ে যায়।

৩. আগুনে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ভেজা অথবা মোটা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরুন, এতে আগুন নিভে যাবে।

৪. পোড়া জায়গায় পর্যাপ্ত পানি ঢালুন। এ জন্য গাড়িতে সব সময় পানি সংরক্ষণ করুন এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

৫. প্রতিটি গাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স সংরক্ষণ করুন। এছাড়া বড় গাড়িতে দু`টি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র রাখুন।

৬. বাসের ভেতর দৃশ্যমান স্থানে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের সচিত্র ব্যবহারবিধি টাঙিয়ে রাখুন। রাস্তার পাশে কিংবা অরক্ষিত স্থানে গাড়ি পার্ক করে ঘুমাবেন না।

৭.  গাড়িতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর (০২-৯৫৫৫৫৫৫ অথবা ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯) দৃশ্যমান স্থানে বড় অক্ষরে লিখে রাখুন। এতে যত তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

এছাড়াও সর্বদা সর্তক থাকুন। দূর্ঘটনার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করুন। মনে রাখবেন, নিজের জীবনের চাইতে দামী কিছু নাই।
*হরতাল* *অবরোধ* *পরামর্শ* *টিপস*

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অবরোধের নামে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র যখন বিফলে পরিণত হয়েছে, দেশের ৫ কোটি কোমল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত, তখন দেশের মানুষকে জিম্মি করে প্রবল ষড়যন্ত্রকে আন্তজাতিক দৃষ্টি প্রদানের জন্য নিজেরাই রিয়াজ রহমানের পায়ের নিচে মিথ্যা গুলি করার মিথ্যা নাটক সাজিয়ে, এবং তার গাড়ি পুড়িয়েছে। তার ড্রাইভার কোথায়? সবই নাটক! আজ বিএনপির কাছে বিপন্ন মানবতা। খালেদা জিয়া একটু ভাবুন! যে মানুষগুলোকে পুড়িয়ে মারছেন, তারাতো আপনার সন্তান হতে পারতো! আপনিও হতে পারতেন। কি অপরাধ আমার সন্তান, ভাইবোন আর পরিবারের। তারা এ স্বাধীন বাংলাদেশে কেন পুড়ে মরবে? আমরা মৃত্যুর পর কি জবাব দিবো। ভোটে অংশ গ্রহণ না করে মিথ্যা নাটকে আফগানিস্থানের ন্যয় তালেবানি রাষ্ট্র হতে চলেছে বাংলাদেশ

মৃত্যুর পরে খালেদার বিএনপি জামাত শিবির আপনারা কি জবাব দিবেন? ইসলামে মৃত্যু হারাম জেনেও এত মৃত্যুর আর্তনাত ও বার্ন ইউনিটের শিকার কেন এই স্বাধীন দেশের নাগরিক?

 

*অবরোধ* *হরতাল* *সহিংসতা*

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তাকানো যায় না! কবে এসব বন্ধ হবে? গণতন্ত্র আদায়ের নামে এ কেমন জ্বালাও পোড়াও চলছে ? চারিদিকে মানুষ পুড়ে মরছে, পুলিশের হাত থেকে বন্দুক কেড়ে নিয়ে তাদেরকে মেরে আহত করা হচ্ছে, পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে যানবাহন এবং তার ভেতর জ্যান্ত মানুষ। গণপুড়িয়ে তন্ত্র দিয়ে কী হবে। প্রতিপক্ষ যদি সরকার হয় তাহলে সাধারণ জনগণ কেন তাদের পেট্রোলের আগুনে দগ্ধ হচ্ছে ,পুড়ে মরছে ? সাধারণ মানুষের শরীর পেট্রল বোমা ও আগুন দিয়ে জ্বলসে দিলেন তারা কি মানুষ না? আসুন, যারা নিরপরাধী মানুষ পুড়িয়ে মারল সেইসব জানোয়ার বর্বর পশুদের প্রতিরোধ করি।

 

*অবরোধ* *হরতাল* *সহিংসতা*

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অবরোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে সরকার। নাশকতা রোধে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সহায়তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে সরকার অবরোধে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকার শুরু থেকেই সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর, মোকাম ও বাজার থেকে ছোট-বড় শহর ও বন্দরের প্রতিটা পয়েন্টে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন। রাতে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পণ্য পৌঁছানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সহায়তা করছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় গতকাল সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৩ হাজার ৭২৭টি পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, বাস চলাচল করে। এর মধ্যে রাজশাহী-বগুড়া-বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা রুটে ৬ হাজার ৮০৪টি, ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা রুটে ১ হাজার ৫৯০টি, সিলেট-ঢাকা রুটে ৪ হাজার ৯৫০টি, ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে ৩১৬টি, সাতক্ষীরা-খুলনা-যশোর-দৌলতদিয়া-ঢাকা রুটে ১৫৩টি, যশোর-কুষ্টিয়া-লালন শাহ সেতু-ঢাকা রুটে ১ হাজার ৫৫৭টি, বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা রুটে ৭৮৭টি, পাটুরিয়া-ঢাকা রুটে ১ হাজার ৫৯৯টি, মাওয়া ঢাকা রুটে ৫৯০টি ও কাঁচপুর-ঢাকা রুটে ১ হাজার ২১৬টি যানবাহন চলাচল করে। যত দিন অবরোধ চলবে, সরকারের তদারকিও চলবেঅব্যাহত অবরোধে সরকার পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে যা সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

 

*অবরোধ* *হরতাল* *সহিংসতা*

বাংলার বেদুঈন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গাহি সাম্যের গান, ১৬ কোটি  মানুষ তালি বাজান,
একজন রইবে গণভবনে, আরেকজন গুলশান.
একজন ডাকিবে অবরোধ, আরেকজন করিবে প্রতিহত,
ক্ষতি সামলাইবে জনগণ,তারা থাকিবে অক্ষত.
গাহি সাম্যের গান, এক জায়গায় দুজনেই সমান,
খাবারের চিন্তা নাই, ঘরে বসে দেশ রক্ষার জয় গান.
পরিবে প্রেট্রল বোমা, মরিবে নিরীহ মানুষ,
তবু তাদের ফিরিবে না  হুস .
তাদের সন্তানরা সবাই আছেন নিরাপদে,
শুধু আমাদের দুর্ভাগাগুলো আছে বড় বিপদে.
গাহি সাম্যের গান, মাস শেষে পকেটে পরেছে টান,
বুলেট বোমা যাই ফুটুক, বাচাতে হবে জান.
তাই সকাল হলেই অফিসে ছুটে যাই কিছু না ভেবে,
চাকুরিটা চলে গেলে সবাই না খেয়ে রবে.
গাহি সাম্যের গান, যমদূতের কাছে সবাই সমান,
সুযোগ পাইলে আমরাও কিন্তু ছাড়িব না সোনার চান.
দেশটা কিন্তু সবারই, কোন দলের সম্পত্তি নয়,
তাই সবাইকে নিয়ে চিন্তা করুন যাতে ভাল হয়.
গাহি সাম্যের গান, তুলি দেশ বাচানোর শ্লোগান,
তাতে হয়ত রক্ষা পাবে আরো কিছু প্রাণ.
 


*হলতাল* *অবরোধ* *কবিতা* *ফান* *সত্যকথা*
৪/৫

আদনান অমিন: [বাঘমামা-আরপারিনা] আর পারছিনা গুরু ,,,,সেই ৫ই জানুয়ারী থেকে শুরু।

*সাম্প্রতিক-অবস্থা* *অবরোধ-হরতাল* *হরতাল* *অবরোধ*

ভোলা জেলা থেকে: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অবরোধের ১১তম দিনে ২৪ ঘণ্টায় ২৩ গাড়িতে আগুন, রাতেই পোড়ানো হয় ১৮টি, ভাংচুর অর্ধশত, গ্রেফতার দুই শ’

বেশতো রিপোর্ট
মহাসড়কে নাশকতা প্রতিরোধে বিজিবি-পুলিশের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে যানবাহনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেই যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। বিশেষ করে দিনে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও রাতের চিত্র তার পুরোটাই উল্টো। রাতে মহাসড়কগুলো যেন মরণ ফাঁদ হয়ে দেখা দিচ্ছে পরিবহন চালকদের কাছে। অবরোধের ১১তম দিনের চিত্র দেখলে এ কথার যথার্থতা বোঝা যায়। অবরোধের ১১তম দিনে দেশের কোথাও কোন জালাও পোড়াওয়ের ঘটনা না ঘটলেও রাতে শুধু পোড়ানোই হয় অন্তত ২৩টি গাড়ি। এর মধ্যে শুক্রবার রাতে রাজধানীতে পোড়ানো হয় ৫টি গাড়ি।

বাকি ১৮টি রাতের বেলা পোড়ানো হয় বিভিন্ন মহাসড়কে। এছাড়া একই সময় সারাদেশে ভাংচুর করা হয় আরও প্রায় অর্ধশত গাড়ি। আর জালায়-পোড়াও ও ভাংচুরের ঘটনায় মহাসড়কে আহত হয় পরিবহন চালক-শ্রমিক ও যাত্রীদের অনেকেই। এদিকে অবরোধের ১১তম দিনে রাতে মহাসড়কগুলোতে জালাও পোড়াও ও ভাংচুর চললেও দিনব্যাপী রাজধানীসহ সারাদেশের পরিস্থিতি ছিল অনেকটা শান্ত। অবরোধের সমর্থনে শান্তিপূর্ণ মিছিল মিটিংয়ে দিনটি পার করে অবরোধকারীরা। তা সত্তে¡ও থেমে থাকেনি আইন শৃঙ্খলাবাহীনীর গণগ্রেফতার অভিযান। তাদের এ ধরনের অভিযানে শুক্রবারও গ্রেফতার হন বিএনপি-জামায়াতের আরও প্রায় দুই শ’ নেতাকর্মী। এর মধ্যে গাইবান্ধায় ৭৫, রাজশাহীতে ২৪, নীলফামারীতে ১৯, ঝিনাইদহে ৫, খুলনায় ৫, নোয়াখালীতে ১৯ ও বগুড়ায় ৩৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার হন। রাজধানীতে ৫ গাড়িতে আগুন : বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের দেশব্যাপী অবরোধের এগারোতম দিনে রাজধানীর ফকিরাপুল, গুলিস্তান, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ধানমন্ডি ও রামপুরায় চারটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সন্ধ্যা থেকে রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত রাজধানীতে পৃথক চারটি গাড়িতে আগুনের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দুটি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। বাকি দুটি গাড়ির আগুন স্থানীয়রাই নিভিয়ে ফেলেন। ফায়ার সার্ভিস থেকে পাওয়া তথ্য মতে, সর্বশেষ রাত পৌনে ১১টার দিকে ফকিরাপুল পানির ট্যাংকির বিপরীত পাশে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। রাত পৌনে ৯টার দিকে গুলিস্তানে একটি যাত্রীবাহী লেগুনায় আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট আগুন নেভায়। এর আগে রাত ৮টার দিকে ধানমন্ডির স্টার কাবাব হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামন একটি সিটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। রাত পৌনে ৮টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় পলিটেকনিক কলেজের সামনে বলাকা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট আগুন নেভায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রামপুরায় সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় আগুনের আগুন দেয় অবরোধ সমর্থকরা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। নবাবগঞ্জ (ঢাকা) : ঢাকার নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় গভীর রাতে পুলিশের পাহারার মধ্যেই থামিয়ে রাখা এন মল্লিক পরিবহন ও ডিএনকে নামে দু’টি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার বান্দুরা হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে রাখা যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয়া হয়। নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সায়েদুর রহমান ও দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহ্মুদুল হক বলেন, এটা রাজনৈতিক না পরিবহন মালিকদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুলনা : খুলনায় অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে গতকাল ২০ দল নগরীতে মিছিল ও সমাবেশ করে। পুলিশ বিএনপি ও ছাত্রশিবিরের পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। খুলনায় ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম লাগাতার অবরোধ কর্মসূচিকে অসহযোগে পরিণত করে অবৈধ সরকারের পতন নিশ্চিত করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শুক্রবার বিএনপি অফিসের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতায় বলেন, লক্ষ্য এখন একটাই, রাজপথে সাহসী জনশক্তি বৃদ্ধি করে সব কিছু অচল করে দিয়ে সরকারের পতন এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন আয়োজন। সমাবেশে কেসিসির মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা, বিজেপির মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান লাবু, জামায়াতের মহানগর নায়েবে আমির মাস্টার শফিকুল আলম, বিএনপি নেতা অধ্যাপক ডা: গাজী আব্দুল হক, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন সেন্টু, খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাসিরউদ্দিন, বিএনপি নেতা শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, অ্যাডভোকেট এস আর ফারুক, ফখরুল আলম ও অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। চট্টগ্রাম : ২০ দলীয় জোটের অবরোধের ১১তম দিনে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মিছিল হয়। ডবলমুরিং থানা জামায়াতের সেক্রেটারি দ্বীন মুহাম্মদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা এম এ সবুর, এম এইচ আলী, আমিনুল ইসলাম, মোস্তফা আহমদ প্রমুখ। সমাবেশ শেষে এক বিােভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিল জামায়াত নেতা এস এম সোলায়মানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা এস এম করিম ছিদ্দিকী, কামাল উদ্দীন, মুহাম্মদ ইলিয়াছ প্রমুখ। খুলশী থানা জামায়াতের উদ্যোগে বিােভ সমাবেশ থানা জামায়াত নেতা এম এস আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা এস এম কাদির, রোকন উদ্দিন, মুহাম্মদ শাহীন প্রমুখ। পাহাড়তলী থানা জামায়াতের উদ্যোগে সমাবেশ থানা সেক্রেটারি এস এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্যে দেন দলের নেতা এম এ গফুর, আবুল হাসান, এস এম রহমান প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বিােভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদণি করে। রাজশাহী : অবরোধের ১১তম দিনে শুক্রবার রাজশাহীতে সড়ক অবরোধ ও বিােভ করেছে জামায়াতে ইসলামী। নগরীর বোয়ালিয়া, রাজপাড়া, শাহমখদুম ও মতিহার থানার বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অবরোধের কারণে রাজশাহী থেকে দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা রুটের কোনো যানবাহন ছেড়ে যায়নি। চরম শিডিউল বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে চলছে বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন। এদিকে জেলার তানোর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসে হামলা চালিয়েছে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার চিনাশো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বগুড়া : আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পাহারায় বগুড়ার মহাসড়কে যানবাহন চালানোর উদ্যোগ কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। কারণ মহাসড়কে গাড়ি নামলেই বাধার মুখে পড়ছে। রাতের বেলা এক দিকে যেমন হামলা, অগ্নিসংযোগের শিকার হচ্ছে তেমনি লোহার তৈরি বিশেষ কাঁটায় বিদ্ধ হয়ে পাংচার হচ্ছে বাস ও ট্রাকের চাকা। তাই নানা কারণে মহাসড়কে যানবাহন চলছে না। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টায় শহরের আন্তঃজেলা কোচ টার্মিনাল থেকে একটি কোচ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। কিন্তু তা বনানী মোড়ে গেলে রাস্তায় বিছানো লোহার তৈরি বিশেষ তারকাঁটায় বিদ্ধ হয়ে রাস্তায় বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় পাহারারত পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। ঝিনাইদহ : ২০ দলীয় জোটের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে। জেলার বিভিন্ন রুটে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। অবরোধের সমর্থনে শুক্রবার সকালে জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মসিউর রহমানের নেতৃত্বে শহরের আরাপপুর থেকে মিছিল ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান প্রদণি করে। সিরাজগঞ্জ : বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের কোনোবাড়ি সীমান্ত বাজার এলাকায় একটি কাঁচামাল বোঝাই ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী গিয়ে আগুন নেভায়। কাঁচামাল বোঝাই ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো-ট ১৪-৪০৭০) বগুড়া থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। এ দিকে রাত ১০টার দিকে বেলকুচিচালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দু’টি অটোরিকশা ভাঙচুর করা হয়। ফেনী : ফেনীতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া বোমায় অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন এক ট্রাকচালক। বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী বাইপাস অংশের বাখরাবাদ গ্যাস অফিসসংলগ্ন বিএডিসি রাস্তার মাথায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্র জানায়, চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রাক ল্য করে বোমা নিপে করার পর গাড়িতে আগুন ধরে গেলে ট্রাকচালক মিরাজুল ইসলাম (৩৭) অগ্নিদগ্ধ হন। হামলাকারীরা মহাসড়কে আরো ৮-১০টি ট্রাক ও কভার্ডভ্যান ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিদগ্ধ চালককে উদ্ধার করে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত চালক মিরাজ ভোলা জেলার নূর মোহাম্মদের ছেলে। নোয়াখালী : নোয়াখালীতে গতকাল অবরোধ ও হরতাল পালিত হয়। অবরোধের সমর্থনে ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো: শাহজাহানের মুক্তির দাবিতে শ্রমিকদলের ডাকা ৭২ ঘণ্টা হরতালের শেষদিন গতকাল সকালে শ্রমিকদলের নেতা হেলাল উদ্দিন, সাইফুল শেখ ও আবদুল্লাহ খানের নেতৃত্বে একটি মিছিল মাইজদীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বৃহস্পতিবার রাতে মাইজদী পৌরবাজারের সামনে একটি, পুরান কলেজ রোডে দু’টি ও শিল্পকলা একাডেমির সামনে একটি অটোরিকশায় আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ল²ীপুর : ল²ীপুরের মান্দারীবাজার এলাকায় পুলিশ পাহারায় চলা গাড়িবহরের মালবাহী একটি ট্রাকে বোমা হামলায় চালক দিদার হোসেন ও হেলপার বাবুসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় কিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ট্রাকের হেলপারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রাতে রামগঞ্জের বালুয়া চৌমুহনী এলাকায় একটি অটোরিকশায় ও চন্দগঞ্জের আন্ডারঘর এলাকায় একটি পিকআপে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ছাড়া রাতে লক্ষ্মীপুর শহরের মুক্তিগঞ্জে দু’টি ট্রাক, বাঙ্গাখাঁ এলাকায় সাতটি অটোরিকশা ও বটতলী এলাকায় দু’টি সিএনজিসহ ১৫টি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। অপর দিকে একই রাতে শহরের মিয়ার রাস্তার মাথায় এলাকায় যাত্রীবাহী অটোরিকশায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে অবরোধকারীরা। এ সময় সিএনজি যাত্রী হানিফ, নিজাম উদ্দিনসহ চার যাত্রী আহত হন। আহতদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে হানিফের অবস্থা গুরুতর। মিরসরাই (চট্টগ্রাম) : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ে কাভার্ডভ্যানে পেট্রোলবোমা হামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাদামতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে ছাত্রদল কর্মীদের বাড়িতে ছাত্রলীগকর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কক্সবাজার : কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় গতকাল সকালে রাজপথ অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কক্সবাজার শহর জামায়াত। কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ২০ দলীয় জোটের নেতৃত্বে মিছিল, সমাবেশ ও অবরোধ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালনের আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে। সিরাজগঞ্জ: রাত ৮টায় সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনের সড়কে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় একটি ১টি ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনকে আটক করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কয়েকজন যুবক জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনের সড়কে হামলা চালিয়ে এলাপাথারী ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। নরসিংদী : নরসিংদীতে ২০দলের টানা অবরোধে মাধবদীতে একটি যাত্রিবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মাধবদী পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রাইন ওকে মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাসমালিক সূত্র জানায়, ঘটনার রাতে সামিয়া পরিবহনের একমাত্র যাত্রিবাহী (ঢাকা মেট্রো-জ ১১ ০৬৮৩) প্রতিদিনের মত লোকাল ট্রিপ শেষে রাইন ওকে মার্কেটের সামনে রেখে যায়। কিছুক্ষন পরই তারা বাসটিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। খবর পেয়ে মাধবদী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এলাকাবাসি জানায়, ২০ দলের চলমান অবরোধে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের মাঝে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এ ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। বগুড়া : অবরোধে শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত জেলা পুলিশ বিভাগ অভিযান চালিয়ে নাশকতা মামলায় ১৪ জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৩৮জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা যায়, বগুড়ার আদমদীঘি থানা পুলিশ উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব পল্টুকে গ্রেফতার করেছে। সে উপজেলা সদর ইউনিয়নের জিনইর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে এবং আওয়ামীলীগের শোকর‌্যালীতে হামলা করা সংক্রান্ত দ্রæত বিচার আইন মামলায় অভিযুক্ত। বগুড়ার সহকারি পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে নাশকতা, গাড়ী ভাংচুর ওঅগ্নিসংযোগের ঘটনায় সব মিলিয়ে ৩৮ জনকে গেফতার করা হয়েছে। জুড়ী (মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ট্রাক পুরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি’র অর্ধশত নেতাকর্মীর বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। হরতাল-অবরোধ চলাকালে একটি ট্রাক আগুনে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রড বোঝাই ট্রাকটি বড়লেখা যাবার পথে বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টায় জুড়ী উপজেলার ভূয়াই বাজারে এলে দুর্বৃত্তরা ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ট্রাকটি পুড়ে যায় এবং চালক রফিকুল ইসলাম মলি­ক (৫২) ও হেলপার আলমগীর হোসেন (৩০) আহত হয়। আহতদের কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ যুবদল নেতা হাবিব (৩২), জামায়াত নেতা লোকমান হোসেন (৩৪) ও আব্দুল মন্নানকে (৪০) গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের গতকাল (১৬ জানুয়ারী) মৌলভীবাজার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২৩ জনের নাম উলে­খসহ প্রায় অর্ধশত বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের আসামী করে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ হামিদুর রহমান সিদ্দিকী (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। সীতাকুÐ (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রমের সীতাকুÐের বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুÐ থানার ফকিরহাট ও সলিমপুর এলাকায় দু’টি কাঠবোঝাই ট্রাক ও একটি কভার্ড ভ্যানে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এছাড়া ভাংচুর করা হয় আরও অন্তত ২০টি গাড়ি। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যপক যানজটের সৃষ্টি হয়। জয়পুরহাট : রাত পৌনে ১১টার দিকে জয়পুরহাটে সদর উপজেলার সোটাহার-ঘোনাপাড়া এলাকায় পেট্রোল ছুড়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় আলুবোঝাই একটি ট্রাক। পাইকাররা এ আলু ঢাকার বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছিল বলে গণমাধ্যমকে জানান জয়পুরহাট সদর থানার ওসি আব্দুর রশিদ।
*হরতাল* *অবরোধ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

ভালই চলছে দেশ, মোদের সুখের নাইকো শেষ........

*রাজনীতি* *হরতাল* *অবরোধ*

কবি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের দুপুরে হালকা রোদ্দুরে মিছিলের সাথে হাটতে সুমন্ত'র ভালোই লাগে। পকেটে আজকে দুটো তাজা পেট্রোল বোমা। সুমন্ত হচ্ছে অমুক ভাই এর খাস লোক, অমুক ভাই পুরাতন এলাকার বিশেষ একটা এরিয়া কন্ট্রোল করেন। তিনি কোন দলের লোক না, কিন্তু উপর মহলে তার বিশেষ হাত। সুমন্ত'র সকালে খাওয়া হয়নি, বাবার সাথে খিটমিট করে সকালে বের হয়ে এসেছে বাড়ি থেকে। এখন আবার বুড়ো বাবার জন্য মায়াও হচ্ছে। সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে মিছিল মেইনরোডে উঠে আসে। সুমন্ত একটু ফাকে সরে আসে, জোরে চিৎকার করে গালি দেয়। তারপরে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা প্রথম গাড়ি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা দু'টো ছুড়ে দেয়। আগুন জ্বলে উঠে - মুহূর্তে একটা হট্টগোল - পুলিশের সাইরেন - ছুটে পালানো...

আফসার হক, বর্তমানে পেশায় একটা গাড়ি শোরুমের কেরানী। আগে গ্রামে স্কুল মাস্টার ছিলেন, ভাগ্যের খোঁজে ছেলে সুমন্ত আর বউ কে নিয়ে ঢাকা আসেন বছর কয়েক আগে। ছেলেটা অমুক ভাইয়ের পাল্লায় পরে নস্ট হয়ে গেছে, সকালেও আজকে না খেয়ে বের হয়ে গেছে। কে জানি কোথায় গেছে না খেয়ে। অবশ্য এই আগুনের ভিতরে যাবে কোথায়! অবরোধে অফিস পর্যন্ত হয়নি, তিনি তাই বাড়ি ফিরছিলেন। এখনো জ্যামের ভিতরে আছেন, সামনের রাস্তায় নাকি মিছিল এসেছে। এই মিছিল আর ভালো লাগেনা তার। এমন মিছিল আগেও দেখেছেন ৬৯,৭০ এ, তারপরে ৭১-এ হারালেন নিজের মা-বাবা। ৯০ তেও এমন আগুনে দুপুর ছিল। আগুন নিয়ে চিন্তা করতে করতেই হটাত পরিচিত কণ্ঠে কাছেই কে জানি গালি দিয়ে উঠে। তিনি জানালা দিয়ে বাইরে তাকান, দেখার বা ভাবার অবকাশ পাননা। গায়ের ভিতরে নরক আগুন জ্বলে উঠে - মুহূর্তে পেট্রোল বোমা বলে কেউ চিৎকার করে - একটা হট্টগোল - পুলিশের সাইরেন - তারপর...
*গল্প* *অবরোধ* *রাজনীতি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★