অভ্যাস

অভ্যাস নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সুস্থ্য থাকতে খাওয়ার অাগে ও পরের কিছু ধরণের অভ্যাস রপ্ত করা প্রয়োজন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*সুস্থ্যথাকা* *অভ্যাস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকালে ঘুম সব থেকে মিষ্টি ঘুম হয়ে থাকে। কিন্তু সকালের ঘুমের থেকে সকালের স্নিগ্ধতা আমাদের শরীর এবং মনের জন্য ভালো। সকালে উঠে মিষ্টি বাতাসে হাঁটাহাঁটি করলে সারা দিনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়, এটা প্রকৃতির সাথে মানুষের অটো কানেকশন। তাই যতই ঘুমোতে মন চায় কেন, ঘুমকে পাত্তা না দিয়ে  সকালে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সাথে আরো কিছু ভালো অভ্যাস  রয়েছে যা আপনার সকালকে করে তুলবে সুন্দর ও আনন্দময় এবং দিনটি কাটবে ক্লান্তিহীন ও সুস্থ্যতায়।আপনি আপনার নিজেকে নিজেই ছোটখাটো উপহার দিতে পারেন, সকালে পরিবারের সকলে মিলে একসাথে প্রার্থনা সেরে নিতে পারেন, এতে মনে প্রশান্তি পাবেন। এটি আপনার জন্য আলাদা কিছু হবে। নাস্তার পর পরিবারের সকলে মিলে ডাইনিং এ বসে সকাল সকাল কফি কিংবা চা খেতে গল্প করে বের হয়ে যেতে পারেন। পরিবারের মেলবন্ধন ও আশপাশের সকালের স্নিগ্ধতা আপনার মনের মানসিক অবস্থা ভালো রাখবে।

যোগ ব্যায়াম বা ইয়োগা: 
ঘুম ভাঙ্গার পর ১৫ মিনিট খালি হাতে ব্যায়াম কিংবা ইয়োগা করা উচিত। এটি প্রাকৃতিকভাবে আপনার শরীরকে সারা দিনের জন্য চাঙ্গা করে দেয়। এটি আপনাকে চাঙ্গা রাখে সারাদিন জুড়ে। 

মোবাইল ফোন ঘুম থেকে উঠেই নয়: 
আপনি যখনই ঘুম থেকে উঠে আপনার মোবাইল ফোনের কল লিস্ট কিংবা মেইল চেক করেন ঠিক তখনই আপনি আপনাকে কাজের আর চিন্তার দুনিয়াতে প্রবেশ করিয়ে ফেলেন। চেষ্টা করুন এসব ছাড়াই সকালটি শুরু করতে কোনো বই পড়ে কিংবা কোনো ভালো কিছু, নয়তো সৃষ্টিশীল চিন্তার মাধ্যমে। তাই মোবাইল নয়, চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী ঘড়িতে অ্যাল্যার্ম  দিন। 

রাতেই করুন নতুন দিনের পরিকল্পনা:
আপনি সারা দিন কি কি  কাজ করবেন বা করতে চাচ্ছেন তার একটি ছোট্ট লিস্ট তৈরি করে ফেলুন রাতেই। আর তা সকালে উঠে দেখে নিন যে সারা দিনের পরিকল্পনার সঙ্গে যাচ্ছে কি না।

হালকা মেজাজের গান শুনুন এবং পত্রিকা পড়ুন:
আপনি আপনার দিন শুরু করতে পারেন যে কোনো পজিটিভ এবং হালকা মেজাজের গান শুনে, প্রয়োজনে ইন্সট্রুমেন্টালও শুনতে পারেন। তাছাড়া পত্রিকা পড়তে পারেন তবে শুরুতেই ভেতরের দিককার পাতা পড়ুন, যাতে ভালো কিছু লেখা আছে এবং তারপর প্রথম পাতা পড়ুন।

সকালের নাশতা অতীব জরুরি: 
সকালের নাশতা শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন সকালের নাশতা করে বের হবেন আপনি নিজেকে প্রাণবন্ত অনুভব করবেন, সময় না থাকলেও অন্তত একটি বিস্কুট খেয়ে এক গ্লাস পানি পান করেই তবে বের হোন এবং অফিসে বা গন্তব্যস্থলে পৌঁছেই নাস্তা করবেন । অনেকেই তাড়াহুড়ায় সকালের নাশতা না করে খালি পেটে বের হয়ে যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

সকালে পানি পান অত্যাবশ্যক: 
আপনি যখন ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পর ঘুম থেকে ওঠেন তখন আপনার শরীরে পানি শূন্যতার সৃষ্টি হয়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করুন সবার আগে। এটি আপনাকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে। তার সাথে লেবু ও মধু যোগ করতে পারেন। এটি আপনার ঘুমের ভাব দূর করবে।

শুরুতে এসব অনেক ঝামেলার কাজ মনে হতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। সকলেরই হয়, মনে হবে এটি কিছু না করে বরং আরো খানিক্ষন ঘুমিয়ে নেই। তবে মানুষ তো অভ্যাসের দাস, চেষ্টা করে দেখুন। একবার চেষ্টা করে অভস্ত্য হয়ে দেখলে দেখবেন সকালটা কত রোমান্টিক ও রোমাঞ্চকর হয়ে উঠবে আপনার জন্য আর আপনি প্রতিদিন নতুন উদ্যমে দিন শুরু করতে পারবেন। বিশ্বাস করুন, এই নিয়মে আমি চলি আর প্রতিদিন ভালো থাকি শারীরিক ও মানসিক ভাবে। আর তাই হাজারো কাজের ভিড়ে আমি থাকি সজীব ও সতেজ।

*সকাল* *শুভসকাল* *অভ্যাস* *লাইফস্টাইলটিপস*

Mahi Rudro: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

(নাআআআ)
কী-বোর্ডে লিখতে লিখতে হাতের-লেখা জঘণ্য হয়ে যাচ্ছে। এরপর একমাত্র স্বাক্ষর ছাড়া আর কিছুই লিখতে পারবো না।
*কী-বোর্ড* *অভ্যাস*

ফাহীমা: মানুষের সাথে মানুষের জীবনভর জানাশোনা হবে,বন্ধুত্ব হবে,প্রতিনিয়ত আরেকটি মানুষের উপর নির্ভর করতে হবে-এই হচ্ছে জীবনের অবিচ্ছেদ্য,চির স্বাভাবিক নিয়ম...কারো আগমন ক্ষনিকের জন্য,কারো হয়তবা ক্ষনিকের চেয়ে একটু বেশিই থাকা হয়...কিন্তু কেউই চিরজীবন সাথী থাকেনা...প্রিয় বন্ধু,মা-বাবা,ভাই বোন,আত্বীয়...এমনকি জীবনসাথী' বিশেষত্বের মানুষটিও.... একদিন হোক একাধিক প্রহর হোক,বর্তমান থেকে অতীত হলেই কি সে আর মস্তিষ্কের পুরাতন বাকসো টা থেকে বেরিয়ে যায়?হারিয়ে যায়?ভুলে যাওয়া হয়?নাকি কোনো এক সকালে,বিকেলে চা খেতে খেতে,কিংবা রাতে হঠাত ঘুম ভেঙ্গে গেলে বাকসো টা থেকে টোকা দিতে থাকে এক একটি মানুষ,এক একটা স্মৃতি স্বতন্ত্র ভঙ্গিমায়! মনে হয় যেন চলে গিয়েই মানুষগুলো থেকে যায় জীবনজুড়ে...স্থায়ীভাবে ....! "চ'লে গেলে মনে হয় তুমি এসেছিলে, চ'লে গেলে মনে হয় তুমি সমস্ত ভুবনে আছো" মানুষের এ এক চির পুরাতন অভ্যাস!নিষ্ঠুর অভ্যাস ...!

*আবোল-তাবোল-নিজ* *হীমালাপ* *স্মৃতি* *অভ্যাস* *মানুষ*

নাবিক সিনবাদ: [শেয়ালপণ্ডিত-বিরক্তকরিসনা]ভাল চিন্তা করুন, কারন আমাদের চিন্তা এক সময় প্রতিজ্ঞায় পরিণত হয়.. দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করুন, কারন আমাদের প্রতিজ্ঞা এক সময় আচরনে পরিণত হয়.. ভাল আচরন করুন, কারন আমাদের আচরন এক সময় অভ্যাসে পরিণত হয়.. ভাল অভ্যাস করুন, কারন আমাদের অভ্যাস এক সময় মর্যাদায় পরিণত হয়.. মর্যাদা ধরে রাখুন, কারন এই মর্যাদা এক সময় আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়... মহাত্মা গান্ধী, যিনি কথা গুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বলেছিলেন। আমি একত্র করে সাজিয়ে দিলাম মাত্র।

*চিন্তা* *প্রতিজ্ঞা* *আচরণ* *অভ্যাস* *মর্যাদা* *লক্ষ্য*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এরকম হলে ঠিক করছেন না কিন্তু l  জানি তো ঠান্ডা লাগার ভয় ছোটবেলার জুজুর ভয়ের চেয়েও অনেকের কাছে বেশি l নাম মাত্র শীত তবুও এখনই অনেকেই সকালের হাঁটা বাদ দিয়েছেন, বিশেষ করে যারা রোজ হেঁটে থাকেন। দৈনিক হাঁটার অভ্যাস বাদ দেওয়াটা মোটেও ভালো কথা নয়। ঠান্ডা এড়াতে বরং আপনি কিছু ট্রিকস মেনে হাঁটতে পারেন। যেমন হিমকুয়াশা ও শিশিরের হাত থেকে বাঁচতে খুব ভোরে বা সন্ধ্যায় না হেঁটে সময়টা পাল্টে নিন। সকালের নরম রোদটা ওঠার পর বা বিকেলে হাঁটতে বেরোন কিনবা অফিস শেষেও কিন্তু হাঁটার প্রিপারেশন নিয়ে হাঁটতে যেতে পারেন। হাঁটার সময় প্রয়োজনে শীতের পোশাক দুই স্তরে পরুন। মাথায় অবশ্যই একটা টুপি বা স্কার্ফ বা মাফলার জড়িয়ে নিন। কেননা এই সময় দেহের এক-তৃতীয়াংশ তাপ মাথা থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। পায়ে পরুন মোজা ও হাঁটার উপযোগী কেডস। হাঁটা শুরুর আগে ওয়ার্মআপ করে নেওয়া দরকার। দেখবেন, আবার শিশিরভেজা পিচ্ছিল রাস্তা বা ফুটপাতে পা পিছলে পরে যাবেন না, সাবধান। কুয়াশায় চারদিক অন্ধকার হয়ে এলে ওই সময় বের না হওয়াই ভালো, চুরি/ছিনতাইয়ের আশঙ্কা থাকে। আর মনে রাখবেন শীতেও কিন্তু আপনার দেহে যথেষ্ট পানি চাই। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন, হাঁটার উদ্যম পাবেন। 


আর যদি আমার মত হোন, মানে শীতের কারণে বাইরে বেশি বের না হতে চাইলে ঘরেও ব্যায়াম সেরে নিতে পারেন। শীতে বাড়ির সামনে বা পাড়ার রাস্তায় ব্যাডমিন্টন খেলাধুলার প্রচলন প্রায় উঠে যাচ্ছে। আপনিই উদ্দ্যোগ নিয়ে চালু করে ফেলুন l শীতে শরীর ঠিক রাখার জন্য কাজে বাইরে বের হলে যানবাহন না নিয়ে বেশ খানিকটা হাঁটুন, হেঁটে বাজার করুন, সিঁড়ি ভাঙুন। আলস্য কাটাতে বাড়িতে কায়িক পরিশ্রম করুন। যেমন ছাদে বাগান করুন বা ঘর পরিষ্কার করুন। করতে পারেন যোগব্যায়াম বা অ্যারোবিক। জানেন তো, আমি অফিসের আগে এবং অফিসের পর এত এত গৃহস্থালি কাজ করি অর্থাত এতই কায়িক শ্রম হয় যে, আমার আর বাড়তি ব্যায়ামের সেই ভাবে প্রয়োজন পরে না l 


দেখুন, যে যাই বলুক শীতকাল মানেই জমিয়ে খাওয়ার সময় l আর আমার মত ভোজন রসিক মানুষ যারা তাদের মুখ আটকে রেখে কোনো লাভ নেই, কারণ ওই চেষ্টাই করি না l ফাটিয়ে খাই, তবে রয়ে সয়ে l প্রচুর নেমতন্ন লাগে না, এমনিতেই বাড়িতে হর হামেশাই মহাভোজের আয়োজন করে ফেলি আর জমিয়ে খাই। তা ছাড়া পিঠাপুলি, পায়েস খাওয়ার এই তো সময়। আপনারাও খাবেন বটে, তবে ঐ যে একটু রয়ে-সয়ে। খাবারের হিসাব রাখুন। ফ্যাটবিহীন পুষ্টিকর খাবার খান এবং প্রচুর সবজি রাখুন খাবারের তালিকায়। ঘন ঘন চা-কফির নেশা এড়িয়ে চলুন। একটা তথ্য জানিয়ে রাখি, শীতের মধ্যে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য ‘শ্বেত’ চর্বি ‘বাদামি’ চর্বিতে রূপান্তরিত হতে থাকে। ‘শ্বেত’ চর্বির কারণে শরীর স্থূল হয়। এ জন্য এটি বেশি ক্ষতিকর। সেই তুলনায় ‘বাদামি’ চর্বি শরীরের জন্য কম ক্ষতিকর। 


দেখুন যারা সচেতন তারা আবার আমাকে রাগ করবেন না, আসলে গড়পড়তা বেশির ভাগ মানুষই শীতকালে একটু কম চলাফেরা ও হাঁটাহাঁটি করেন, সকাল-বিকেল নিয়ম করে কিছু সময় হাঁটার অভ্যাস, কায়িক শ্রম ভালো রাখবে শরীরটাকে l আর যেহেতু খাবারের পরিমাণও যায় বেড়ে তাই হাত পা গুটিয়ে বসে থাকলে কিন্তু ক্যালরি ক্ষয় হবে কম। বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ফলে শরীরে মেদ জমে তাড়াতাড়ি। এবার বুঝলেন তো, কেন শীতে মানুষের ওজন বাড়ে, আর এই ওজনকে পরে কন্ট্রোল করতে গরমকালে বেশি ঘাম ঝরাতে হয় l  

আমি তো যা জানানোর জানিয়েই দিলাম, এবার ভেবে দেখুন কি করবেন বাক্সে ভরিয়ে রাখবেন অভ্যাসকে নাকি অভ্যাসকে নিজের বশে আনবেন l 
*শীতকাল* *অভ্যাস* *হাঁটাহাঁটি* *কায়িকশ্রম* *ব্যায়াম* *ওজনসমস্যা* *লাইফস্টাইলটিপস* *দীপ্তিবচন*

রোদেলা বসন্ত: [বাঘমামা-আমিকিসুজানিনা]পিচ্ছিকালে আমাদের তিন ভাই বোনের তিনটা অভ্যাস ছিলো(খিকখিক) আমি সারাদিন আঙ্গুল দিয়ে নিজের নাক খোঁচাতাম(শয়তানিহাসি) মাছুম সুযোগ পেলেই দাঁত দিয়ে নখ কাটতো(ভেঙ্গানো) সোহান দিন রাত ২৪ ঘন্টা বুড়ো আঙ্গুল চোষত(খুশী২) আমার আর মাছুমের অভ্যাস যদিও বিলুপ্ত কিন্তু সোহান @sohansorker আজও ঘুমের সময় নিজের অজানতেই(শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)(চুপ২)

*অভ্যাস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
দেয়ালে সাঁটানো পোস্টার পড়াটা অনি ভাইয়ের @Mehatab অভ্যাস হয়ে গেছে। সেদিন রাতের বেলায় সড়কবাতির খুঁটির একটু ওপরে একটি পোস্টার দেখে থমকে দাঁড়াল অনি। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সে কিছুতেই ওই পোস্টারটি পড়তে পারছিল না।সকাল হলে কেউ না কেউ পোস্টারটি ছিঁড়ে ফেলবে, এই ভয়ে সে ভাবল, খুঁটির ওপরে উঠে মোবাইলের আলো দিয়েই সে পোস্টারটি পড়বে।
যেই ভাবা সেই কাজ। অনি তরতর করে ওই খুঁটির ওপরে উঠে গেল। খুঁটির ওপরে উঠেই মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে অনি পোস্টারে পড়ল, . . . . এই খুঁটিতে আজকেই নতুন রং করা হয়েছে। দয়া করে কেউ হাত দিবেন না।
*খুঁটি* *রং* *অভ্যাস* *পোস্টার* *কমেডিয়ানহাফিজ* *রসিকতা*

সাইফ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

জীবনের সমস্যা অর্ধেক কমিয়ে ফেলতে চান? চর্চা করুন মাত্র ৩টি অভ্যাস |
http://www.priyo.com/2015/05/10/147033
নানান কারণে জীবনে অশান্তি লেগেই আছে? আজ এর সাথে সমস্যা তো কাল তাঁর সাথে? তাহলে একটু শান্ত হয়ে বসুন আর নিজেকে নিয়ে একটু ভাবুন। সামান্য ভাবলেই বুঝতে পারবেন যে এইসব সমস্যার অনেকগুলোর পেছনে আপনি নিজেই দায়ী। নিজের অজান্তেই আপনি এমন কিছু কাজ করে ফেলেছেন যা চেইন রি-অ্যাকশনের মত একের পর এক সমস্যা তৈরি করে চলেছে। আর এইসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার একটাই উপায় আর সেটা হচ্ছে এই ৩টি অভ্যাস রপ্ত করে নেয়া। ...বিস্তারিত
*অভ্যাস*
১০৩ বার দেখা হয়েছে

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একবার এক পাগল মহিলাকে বাজারের কিছু
বখাটে ছেলেপুলে মিলে ধর্ষণ করল,এতে ধর্ষিত
মহিলা বাজারে হেটে হেটে ওই ছেলেগুলোর নাম
বলতে লাগল আর তারা যে তাকে ধর্ষণ করেছে, এই
কথাটিও বলতে লাগল।বখাটে দলের প্রধান ভীষণ
চিন্তায় পড়ে গেল, সে তার কৃতকর্মে লজ্জিত
হতে লাগল, আর তখনি তার মাথায় বুদ্ধিটি আসল।
সে তার সাঙ্গোপাঙ্গোদের ­ আবার সেই
মহিলাটিকে ধরে আনতে বলল।তারা ধরে নিয়ে আসল
ঠিক, তবে এবার নেতা তাকে ধর্ষণ না করে পেছন
দিকে লাথি মেরে ছেড়েদিল। আর মহিলা ধর্ষণের
কথা বেমালুম ভুলে গেল, এবার
সে বাজারে হেটে হেটেবলতে লাগল অমুক লোক
আমাকে লাথি মেরেছে।এবার মুল কথায় আসি,
আমরা বাঙালিরা এভাবে প্রতিদিন ধর্ষিত হচ্ছি আর
পরমুহুর্তে তা ভুলে আবার নতুন ভাবে ব্যাবহৃত
হওয়ার পথে চলছি.....
*বাঙ্গালী* *অভ্যাস*
*অভ্যাস*

শুভাশীষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মানুষের জীবনের প্রতিটি দিনই নতুন। প্রতিটি দিনের শুরুতেই ভাবুন, আজকের দিনটি আপনার বাকি জীবনের প্রথম দিন। এমনও হতে পারে, আপনার আজকের কোনো সিদ্ধান্তে পাল্টে যেতে পারে গোটা জীবনটাই। তাহলে দেরি কেন, লেগে পড়ুন কাজে! অলসতা এক প্রকার অভ্যাস। আপনি যদি দীর্ঘদিন কাজ করা থেকে বিরত থাকেন তাহলে হঠাৎ কোনো কাজই আপনার ভালো লাগবে না। তাই নিজেই কাটিয়ে উঠুন অলসতা। অনেকে বলে, আমার কোনো কাজ নেই তাই আমার কোনো সময় নেই। পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত মানুষটিকে যদি কোনো কাজ দেওয়া হয়, তা তিনি যথাসময়েই করে ফেলবেন। সময় নেই কথাটা শুধু অজুহাত মাত্র। দিনের বরাদ্দ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেদিনের সমস্ত কাজ করে ফেলা সম্ভব। ব্যাপারটিকে মাথায় রেখে চললেই দেখবেন জমবে না কোনো কাজ। সময় এমনই এক অমূল্য সম্পদ যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না। তাই সময়কে যথাসম্ভব মূল্যায়ন করুন। কখনও অবসন্ন মন নিয়ে বসে থাকবেন না। মনে রাখবেন, আপনার দুশ্চিন্তা বা মন খারাপ কোনো নেতিবাচক পরিস্থিতিকে বদলে দিতে পারবে না। তাই উঠে দাঁড়ান এক্ষুনি। পরিস্থিতি মোকাবেলায় তৈরি করুন নিজেকে। জীবনে সমস্যা ও সমাধান দু’টোই পাশাপাশি চলে। মনে রাখবেন, সব সমস্যারই সমাধান রয়েছে। হয়তো তা এক্ষুনি সমাধান হবে না, তবে কোনো সমস্যাই চিরন্তন নয়। তাই ধৈর্য্য ধরুন। কাজে ভুল হতেই পারে। আমরা প্রতিদিনই কোনো না কোনো ভুল করি। কিন্তু তাই বলে থেমে গেলে চলবে না বা মন খারাপ করা যাবে না। একবার ভুল হয়েছে তো কী হয়েছে! আবার চেষ্টা করুন এবং সেটা আজই। সমস্যা চিরন্তন নয় l 
*জীবনেরভাবনা* *লাইফস্টাইলটিপস* *অলসতা* *চেষ্টা* *ধৈর্য্য* *অভ্যাস* *দুশ্চিন্তা* *মানসিকঅবসাদ* *হীনমন্যতা* *বিষণ্ণতা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★