অমর একুশ

অমরএকুশ নিয়ে কি ভাবছো?

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইট-পাথর-সিমেন্ট-বালু আর টাইলস্ এর শহীদ মিনার ফুল মালা দিয়ে কী লাভ....
এর চেয়ে ভাল কিছু কি আমরা করতে পারি না?
শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাভাষার রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে। কিন্তু সেই শহীদ রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত শফিউর দের মত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আমরা একটি দিবসে শুধু ফুল দিয়ে কথিত শ্রদ্ধা জানাচ্ছি....
কিন্তু বাস্তবতা বড়ই কঠিন....
আমরা কী ভাষা শহীদদের পরিবারের খোঁজ-খবর রাখি। তারা কিভাবে দিনাতিপাত করে...তাদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়া হয়েছে কিনা? আমরা সেই জাতি ...যারা মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার জন্য জীবন উৎসর্গ করে পৃথিবীতে এর নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।
আচ্ছা একটা কাজ করলে কেমন হয়....
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়/সমাজকলাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা যে প্রতিষ্ঠানের নাম হবে
“ভাষা শহীদ পরিবার কল্যাণ ট্রাস্ট”
এই ট্রাস্টের মাধ্যমে সরকার ভাষা শহীদ পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন।
অর্থের উৎস : ফুল দিতে গেলে পাঁচ টাকার নিচে গোলাপ ফুল হয় না....শহীদ মিনার নির্মাণের প্রকল্প পাঁচ লাখ টাকার নিচে হয় না। কিন্তু পাঁচ পয়সাও উপকার হয় না....ভাষা শহীদদের ও শহীদ পরিবারগুলোর।আচ্ছা ঐ ট্রাস্টকে প্রতি একুশে ফেব্রুয়ারিতে ষোল কোটি জনগন যদি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালবাসার স্বরূপ হিসেবে 1 (এক) টাকা ডোনেট করি তাহলে তা বার্ষিক ষোল কোটিতে দাঁড়াবে। 
কিভাবে সংগ্রহ কর যাবে : এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটর রা ভূমিকা রাখতে পারে যে প্রতি গ্রাহকের কাছে 1 (এক)টাকা ব্যালেন্স থেকে কেটে ট্রাস্টে জমা দিতে পারে।এছাড়া অফিস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পৃষ্টপোষকতায় অফিসার-অন্যান্যদের নিকট থেকে অর্থের যোগান আসবে।
একুশ অজুহাতে কত শ্রেণির লোক নিজেদের স্বার্থে অনেক কাজ করে, লেখক বই লেখে, প্রকাশক বই প্রকাশ করে, সরকারি আমলা আর রাজনীতিবিদরা নিজেদের সুবিধা নিয়ে নেয়....শহীদ মিনার প্রকল্পে প্রকৌশলী/ ঠিকাদাররা নিজেদের সুবিধা বুঝে নেন। কিন্তু ভাষা শহীদ পরিবারের কী উপকার হয়....শুধু মরণোত্তর একুশে পদক দিয়ে দায়িত্ব খালাস....ছি আমাদের নেতৃত্ব আর নীতি নির্ধারকরা এতটা অকৃতজ্ঞ।
*অমরএকুশ*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সবাইকে অমর ২১ এর অগ্রিম শুভেচ্ছা (খুকখুকহাসি)
*অমরএকুশ* *২১ফেব্রুয়ারী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ মানে নব উদ্যোমে সামনে চলা।  একুশ হলো উদযাপনের প্রেরণা। একুশের স্মরণে বাঙালি আজ নানাভাবেই এ পুরো ফেব্রুয়ারি মাসকে শ্রদ্ধাভরে উদযাপন করে। একুশ উদযাপনের  এমনই এক অনুসঙ্গ হলো পোশাক। পোশাকে যদি থাকে একুশের সাজ তাহলে গর্বে বুকটা ভরে ওঠে। বন্ধুরা আজকের আয়োজন একুশের পোশাক আয়োজন নিয়ে । 
 
(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে একুশের পোশাক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন)
 
একুশের পোশাক ফ্যাশন
একুশে ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে বাংলাদেশের দেশীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করে থাকে এ সময়ের উপযোগী পোশাক। নতুন করে পথচলায় বাহারি পোশাকে উদযাপন করছে ফেব্রুয়ারি। এবারের ফেব্রুয়ারির পোশাক ও বর্ণমালা এক সুতায় গাঁথা। ইতোমধ্যে কমে এসেছে শীতের প্রকোপ। তাই একুশের কালেকশনটি সাজানো হয়েছে পুরোপুরি সুতি কাপড়ে। সাদা আর কালোর সৌকর্যে বিনির্মিত এই কালেকশনে ডিজাইনাররা প্রয়াস পেয়েছেন ফ্যাশনপ্রিয়দের পছন্দকে ছোঁয়ার। স্ক্রিনপ্রিন্ট, ব্লকপ্রিন্ট, এম্ব্রয়ডারি, কারচুপি, প্যাচওয়ার্ক আর মিক্স মিডিয়ায় সুষম আর দৃষ্টিনন্দন ব্যবহারে প্রতিটি পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। 
 
শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, টি-শার্ট, শার্ট প্রভৃতি পোশাকে বিভিন্ন একুশের মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এবারের ডিজাইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বাংলা সাহিত্যের উদ্ধৃতি, আবার অক্ষর বিন্যাসে তৈরি করা হয়েছে চেক বা স্ট্রাইপ। পাশাপাশি বিভিন্ন মাধ্যমেও ব্যবহার করা হয়েছে একুশ লেখাটিকে। 
 
 
 
 
 
 
যেহেতু শোকাবহ একটি দিন সে কারণে কালোকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাকগুলো ডিজাইন করা হয়েছে। তবে এ বছরে গতানুগতিক সাদা-কালোর কম্বিনেশনের বাইরে বেশ কিছু গাঢ় রঙ দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে পোশাকগুলো। যেমন এ্যাশ, কফি কালার, পীত কালারসহ আরও কিছু নতুন রঙ। বেশিরভাগ ড্রেসই ফুলস্লিভ।  শাড়িতে হ্যান্ড স্প্রে এবং হাতের কাজ এবং কারচুপির কাজ লক্ষণীয়। সরাসরি কিংবা প্রতীকীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে একুশের ভাবাবেগ। ডিজাইনে তুলে ধরা হয়েছে শহীদ মিনারের প্রতিকৃতি, স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ। ডিজাইনের ভেরিয়েশন লক্ষ্য করা যায় টিশার্টে। মিছিল, বিভিন্ন অক্ষর, শহীদ মিনার, বজ্রমুঠি ইত্যাদি স্কেচ, এ্যাম্বুস, স্ক্রিনপ্রিন্ট, হ্যান্ড পেইন্টের মাধ্যমে টিশার্টগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তবে শুধু মাত্র কালার কম্বিনেশন দিয়েই পোশাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে একুশ। অর্থাৎ সাদা এবং কালো রঙের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে পোশাক। 
 
কোথায় পাবেন দাম কেমন?
রাজধানীর অঞ্জনস, নগরদোলা, এড্রয়েট, অবরা,রং, বালুচর, সাদাকালোর মত ফ্যাশন হাউজ গুলোতে একুশের সব আয়োজন এক সাথে পেয়ে যাবেন। এছাড়াও দেশের ছোট বড় সব ধরনের ফ্যাশন হাউস গুলোতেও একুশের পোশাক কালেকশন রয়েছে। দাম ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকার মধ্যে। ও আরেকটি কথা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলে রয়েছে একুশের চমকপ্রদ সব আয়োজন। যারা ঘরে বসে একুশের পোশাক কিনতে চান তারা অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দমত অর্ডার করে কিনে নিতে পারবেন। আপনার চাহিদা মত দেশের যে কোন প্রান্তে তারা আপনার পন্যটি পৌঁছে দেবে।
 
একুশের পোশাক কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন
*একুশেরফ্যাশন* *পোশাকফ্যাশন* *অমরএকুশ* *শপিং* *কেনাকাটা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আসছে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি। ভাষার এই মাস আমাদের কাছে একদিকে যেমন শোকের আরেক দিকে অনেক গর্বের। তাই একুশের প্রভাতফেরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের জন্য আপনি পরতে পারেন এই দিনের জন্য ডিজাইনকৃত পোশাক আশাক। সব বয়সী নারী পুরুষের জন্য তাই দেশের নামকরা সব ফ্যাশন হাউসগুলো নিয়ে এসেছে বিভিন্ন ধরনের পোশাক। যেগুলোর রঙে প্রাধান্য পেয়েছে শোকের কালো রঙ।  সাদাকালোর সংমিশ্রনে এমন কিছু পোশাক ও সেগুলোর খুটিনাটি দেখে নিই চলুন ।
 
 
২১শে ফেব্রুয়ারী টি-শার্ট
 
 
 
২১শে ফেব্রুয়ারী টি-শার্ট
ফেব্রিক: সিঙ্গেল জার্সি 
ফ্যাশনেবল ডিজাইন
ফেব্রিকেশন: ১৬৫ GSM
স্টাইলিশ ও আরামদায়ক
সাইজ: M, L, XL
মূল্য ২৫০ টাকা
 
 
ব্লক প্রিন্টেড সুতি শাড়ি
ব্লক প্রিন্টেড সুতি শাড়ি
ফেব্রিক: সুতি ব্লক প্রিন্টের কাজ করা
সাথে নজর কাড়া ব্লক 
স্ক্রীন প্রিন্ট করা
১২ হাত শাড়ি
আকর্ষনীয় ডিজাইন
মূল্য ১,৩০০ টাকা
 
 
২১শে ফেব্রুয়ারী টি-শার্ট
 
২১শে ফেব্রুয়ারী টি-শার্ট
ফেব্রিক: সিঙ্গেল জার্সি
স্টাইলিশ ও আরামদায়ক
ফেব্রিকেশন: ১৬৫ GSM
আকর্ষনীয় ডিজাইন
সাইজ: M, L, XL
M (লেংথ - ২৭, চেষ্ট - ১৯)
মূল্য ২৫০ টাকা
 
 
 
কটন জামদানি শাড়ি
 
 
 
কটন জামদানি শাড়ি
ফেব্রিক: কটন জামদানি শাড়ি 
সাথে ম্যাচিং আনস্টিচড ব্লাউজ পিস
স্টাইলিশ ও আরামদায়ক
আকর্ষনীয় ডিজাইন
মূল্য ৩,৮০০ টাকা
 
 
 
সুতি সরলা শাড়ি
সুতি সরলা শাড়ি
ফেব্রিক: কটনজরি আচল
সাথে ম্যাচিং আনস্টিচড ব্লাউজ পিস
কালো রঙের চওড়া পাড়ের শাড়ি
অ্যাশ ও কালো সুতার লম্বা টানা চেক 
ড্রাই ওয়াশ করা 
মূল্য মাত্র ৯৮০ টাকা
 
এসবে পোশাক থেকে আপনার পছন্দেরটি কিনতে ছবির উপরে ক্লিক করুন অথবা ভিজিট করুন এই লিংকে 
*একুশেরপোশাক* *ফ্যাশনেএকুশ* *অমরএকুশ*

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: আমেরিকান শিশুর কন্ঠে শুনুন একুশের গান https://www.facebook.com/video.php?v=314506498606098&set=vr.314506498606098&type=2&theater

*অমরএকুশ* *ভাষাদিবস* *শহীদদিবস*

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান তিনি। এসময় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মমতা বলেন, তার হৃদয় আলোড়িত হয়েছে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পেরে।

বাঙালি হিসেবে আজকের দিনে নিজেকে গর্বিত ভাবছেন জানিয়ে পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামীতে কোলকাতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আরও উৎসবমুখর ভাবে পালন করা হবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

ভাষা শহীদদের স্মরণে পূবের সাথে শামিল হলো পশ্চিম। সালাম রফিক বরকত আর জব্বারদের শ্রদ্ধা জানাতে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজির পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্যদের শ্রদ্ধা জানানো শেষ হলে বেদিমূলে আসেন মমতা। সঙ্গে ছিলেন চলচ্চিত্রকার গৌতম ঘোষ, অভিনয় শিল্পী মুনমুন সেন, প্রসেনজিৎ, গায়ক নচিকেতাসহ ভারত থেকে আসা প্রতিনিধি দল। যাদের সবার মাতৃভাষা বাংলা।

শ্রদ্ধা জানানোর পর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বেশ খানিকটা সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কুশল বিনিময় করেন এই তৃণমূল নেতা। আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতের আগেই শহীদ মিনারে কথা হলো দুই বাংলার দুই নেতার। সাংবাদিকদের সাথে আলাপে মমতা জানান, শহীদ মিনারে তার অভিজ্ঞতা অতুলনীয়।

মমতা ব্যানার্জী বলেন, এখানে উপস্থিত থেকে, এই ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকা আমাদের হৃদয়ে আবেগ সঞ্চার করে। ফিরে আসা দিনগুলোকে ফিরে দেখতে সাহায্য করে। আমি গর্বিত।

অভিভূত মমতার সফর সঙ্গীরাও। তারা বলেন, আমরা সবাই যেহেতু বাংলা ভাষাভাষী, তাই আজকের এই দিনে এখানে উপস্থিত হতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করছি।

২১ এখন বাংলার গণ্ডি পেরিয়ে সারা পৃথিবীর মানুষের। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। তাই পৃথিবীর সকল ভাষাভাষী মানুষকে অভিবাদন জানালেন বিদেশি এই অতিথিরা। 

*শ্রদ্ধাঞ্জলি* *অমরএকুশ* *মাতৃষাভা*
৫/৫

Mahbubul Alam: বাঙালির রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলনের স্বীকৃতি দিয়ে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এরপর থেকেই যথাযোগ্য মর্যাদায় সারা বিশ্বে একযোগে পালিত হয়ে আসছে দিনটি।

*অমরএকুশ* *২১ফেব্রুয়ারি* *মাতৃভাষা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর মাত্র একদিন পর মহান ভাষা দিবস ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি’। বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এদিন স্মরণ করবে বাঙ্গালী জাতির সূর্য সন্তান ৫২-র ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের।

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হচ্ছে আমাদের গর্বের প্রতীক জাতীয় শহীদ মিনার। সারা বছর অবহেলায় ও অযত্নে পড়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটিকে এখন যেন নতুনভাবে রূপ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কেন একটি বছর পরে  এই সাজ সজ্জা? বাঙ্গালি হিসেবে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের প্রতিদিনের দ্বায়িত্ব। তাই ভাষা শহীদের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে সব সময় একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটির মত করে সাজিয়ে রাখা উচিৎ।



*অমরএকুশ* *একুশেফেব্রুয়ারি* *মাতৃভাষা* *শহীদদিবস* *শহীদমিনার* *২১শেফেব্রুয়ারি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাতৃভাষা বাঙালির মহা গৌরবের অর্জন। ১৯৫২ সালে অর্জিত বাঙালির রক্তাক্ত অমর একুশে জাতিসংঘ এবং ইউনেস্কোর স্বীকৃতি লাভের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করতে যাচ্ছে। আগামী ২০ ফ্রেব্রুয়ারি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক স্টেট গভর্ণর এই সংক্রান্ত স্বীকৃতির একটি সনদ প্রদান করবেন। সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের স্টেট গভর্ণর এন্ড্রু এম কুমো নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে অনুমোদনের পর এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

শনিবার ঢাকায় প্রাপ্ত নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২০১৪ সালে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিশ্বজিত সাহা আমেরিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভের জন্য নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর হোজে রোল্টার কাছে প্রস্তাবটি পেশ করেন এবং নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট আলবেনিতে গত ১০ জানুয়ারি ২০১৫ প্রস্তাবটি পাশ করা হয় (রেজ্যুলুশন-৪৬৯)। এরপর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি পাশকৃত প্রস্তাবটি গেজেটে অর্ন্তর্ভুক্ত হয়।

২০ ফ্রেব্রুয়ারি বিকেল ৫ টায় নিউইয়র্ক গভর্ণরের অমর একুশেকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদানের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল বাঙ্গালিকে উপস্থিত থাকার জন্যও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে দুই সপ্তাহব্যাপী একুশের গ্রন্থমেলা আয়োজনেরও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন।
(সংকলিত) 

*মাতৃভাষা* *বাংলাভাষা* *বাংলা* *অমরএকুশ* *২১শেফেব্রুয়ারি*

পাগলী: যাঁদের হারালাম তাঁরা আমাদেরকে বিস্তৃত করে দিয়ে গেল। দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত, কণা কণা করে ছড়িয়ে দিয়ে গেল। দেশের প্রাণের দীপ্তির ভেতর মৃত্যুর অন্ধকারে ডুবে যেতে যেতে। আবুল বরকত,সালাম, রফিকউদ্দিন,জব্বার কী আশ্চর্য,কী বিষন্ন নাম।একসার জ্বলন্ত নাম

*কবিতা* *অমরএকুশ*

পাগলী: [একুশে-আমারচেতনা]আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি? http://www.youtube.com/watch?v=StU35eYRE_8

*অমরএকুশ* *একুশেরইতিহাস*

পাগলী: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি? যাঁদের জীবনের বিনিময়ে বাংলা আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা পেয়েছে তাঁদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। (শ্রদ্ধা-১)

*একুশেরইতিহাস* *আরনয়ভাষাবিকৃতি* *অমরএকুশ*

মনুষ্য: [একুশে-রক্তেঅর্জিতভাষা] "ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু গড়ায়ে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি..." ১৯৫২ সালের সকল ভাষাশহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। (শোক)(শ্রদ্ধা-২)

*অমরএকুশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★