অলংকার

অলংকার নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গয়না ছাড়া কি পূর্ণতা পায় পূজার সাজ। পূজার পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে থাকতে হবে গয়না, তবেই না পূর্ণ হবে পূজার  সাজ।পূজা প্রায় আসন্ন হওয়াতে এখন চলছে গয়না বা অলঙ্কার কেনার পালা। নারীদের প্রধান অনুষঙ্গ অবশ্যই গয়না। শপিংমলগুলোতে পাবেন ইমিটেশন জুয়েলারির বিশাল কালেকশন। এখানেও পুঁতির নানা ধরনের গয়না পাবেন। লম্বা মালা, চিক, দুল, চুড়ি থেকে শুরু করে কোমরবন্ধ পর্যন্ত পাবেন পুঁতির তৈরি। তবে এসব গয়না খুবই আকর্ষণীয়। যারা একটু অন্য রকম গয়না কিনতে চান, তারা কিনতে পারেন পুঁতির কালেকশন থেকে। চেইনের মতো লম্বা মালা এখন বেশ চলছে। এ ছাড়া দুই বা তিন লহরের মুক্তা বা পুঁতির একপাশে গোল্ডের ডিজাইন করা লকেটের মতো লম্বা মালাগুলোও এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে স্বর্ণের অলঙ্কারের মধ্যে আংটি, কানের দুল, লকেট, ছোট সেটগুলোই ক্রেতারা বেশি কিনে থাকেন।

(আজকের ডিলের সকল প্রকার গয়নার কালেকশন দেখতে ও কিনতে উপরের ছবিতে ক্লিক করুন)

গয়নার রং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমানে যেসব রং বেশি চলছে তার মধ্যে আছে ‘অলিভ, গোল্ডেন হলুদ, জাম, লাল, কমলা, মেরিগোল্ড, মেরুন, সাদা, অফহোয়াইট, কালো, পিচ, পেঁয়াজ, কাঁঠালি হলুদ, বটল গ্রিন, নীল, সবুজ, ফিরোজাসহ আরও অনেক ধরনের রং। বর্তমান গয়নার ডিজাইন শুধু নান্দনিক দিকটি ফুটে ওঠে না। একেকটি গয়না যেন সৃজনশীলতার প্রকাশ। এবারের ঈদে লম্বা কামিজ বেশ জাঁকিয়ে এসেছে। এই লম্বা কামিজের সঙ্গী হচ্ছে লম্বা লম্বা কানের দুল। সোনা, রুপা, ব্রাসো, কাঠ, কড়ি, পুঁতি উপাদান যা-ই হোক, ফ্যাশন কিন্তু একটাই লম্বা দুল।

কানের দুল, গলার মালা বা গয়না, যা-ই বলি না কেন, কয়েক পরতের ডিজাইন অথবা একটু বড় ডিজাইন, এই হলো এবারের পূজার গয়নার ফ্যাশন। কানের দুলে যেমন থাকছে লম্বাটে ভাব, তেমনি গলার গয়না হতে পারে ছড়ানো, লম্বাটে লকেট অথবা তিন, পাঁচ, সাত লহরের মালা। হাতে ব্যাঙ্গেলস বা বালার ব্যবহার তো এখন হাই-ফ্যাশন। শুধু এক রঙের একটি বালাতেই হবে না, চাই তিন-চার রকমের, তিন-চার রঙের বালা।


এবারের পূজা ফ্যাশনে গয়না হবে মূলত দুই ধারার। ফ্যাশন বা কস্টিউম গয়না এবং গতানুগতিক গয়না। গয়নাতেও এবার প্রাধান্য পেয়েছে একটু বড় ডিজাইন। একটির সঙ্গে আরেকটি উপাদান মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে কানের দুল ও গলার গয়না। বাজাওে এবারের গয়নাসম্ভারে প্রতিটি গয়নাই স্বতন্ত্র নকশার। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে হয়তো একটি কানের দুল পরলেই পরিপূর্ণতা পাবে সাজ। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে জুয়েলারিতে। ব্যবহার করা হয়েছে ব্রাসো, সিরামিক, কাঠ, সুতা, পুঁতি, কড়ি, রাদ্রা। আর বিশেষভাবে ব্রাসোতে খোদাই করা কাজ, যা 'ছিলার কাজ' নামে পরিচিত তা বেশ প্রাধান্য পেয়েছে। রুপার কানের দুলে বরফি, চার কোনা, গোলাকার এই ধরনের আকৃতি প্রাধান্য পেয়েছে। সোনার গয়নায় মেশানো হয়েছে পুঁতি ও পাথর।

তামাটে বা অক্সি রঙে থাকলেও অনেক বেশি প্রাধান্য পেয়েছে ব্রাসোতে সোনালি রঙের গয়না। কানের দুলেও ঝুলানো নকশার গয়না বেশি দেখা যাচ্ছে। উপাদান যা-ই হোক, ব্রাসো কিংবা সোনা এগুলো হবে রত্নখচিত। কখনো দামি পাথর আবার কখনো ফ্যাশন পাথরই হবে এবারের ফ্যাশনের ধারা। সব সময়ের মতো এবারের পূজার  গয়নাতেও অনেক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে গোল্ড প্লেটেড গয়না। এবারের পূজার  গয়নার বেশির ভাগ নকশাই পুরনো আমলের। অনেকটা মোগল সময়ের নকশা। আর এই নকশায় প্রাধান্য রয়েছে সোনালির পাশাপাশি কপার বা অ্যান্টিক রঙের। পাথরের ক্ষেত্রে পলকি কুন্দনের পাশাপাশি থাকছে ডায়মন্ড ডাস্টের ব্যবহার।


কস্টিউম বা ফ্যাশন জুয়েলারির ক্ষেত্রে কমলা, মিষ্টি গোলাপি ও হলুদ এই ধরনের সব রং ফ্যাশন। মালা বা দুলের পাশাপাশি হাতের বালা ও আংটিও এবারের ফ্যাশন ট্রেন্ড। পাথরের ক্ষেত্রে সব সময়ের মতো এবারও প্রাধান্য পাবে গার্নেট। পূজা এলেই সোনা কিনতে হবে। এমন ধারণা এখন অনেকের মধ্যেই কমতে শুরু করেছে। তার পরও সোনার গয়নার চাহিদা লক্ষ্য করা যায় ঈদ এলেই। এবারের পূজাতে  তাই সোনার নকশায় পুরনোর ছোঁয়া এসেছে। হীরার গয়নাও কয়েক বছর ধরে নজর কেড়েছে বাঙালির। ছোট ছোট নকশার হীরার গয়না এখন ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

(কন্টেন্টের গয়নাগুলো কিনতে ছবিগুলোতে ক্লিক করুন)

যেসব শোরুমে নিজস্ব ডিজাইনের গয়না পাওয়া যাবে তার মধ্যে আছে অঞ্জন’স, কে ক্র্যাফট, দেশাল, নিপুণ, বাংলার মেলা, পিরান অন্যমেলা, নিত্যউপহারসহ আরও বেশকিছু ব্রান্ড আইটেমের দোকান। এছাড়া চাঁদনিচক, গাউছিয়া, নিউমার্কেটে পাওয়া যায় ইমিটেশনের গয়না। অন্য দিকে ফুটপাথেও রয়েছে গয়নার বিশাল সম্ভার। চুলের কাঁটা থেকে শুরু করে পায়ের নূপুর পর্যন্ত সবই পাবেন এসব দোকানে। দামও হাতের নাগালেই। ডিজাইনেরও কমতি নেই। তাই অনেকে এখান থেকেও কিনতে পারেন পছন্দের গয়না। পাবেন অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও, তাই এই গরমে ভিড় ঠেলে শপিংয়ে যেতে না চাইলে আজকের ডিলের গহনার সম্ভার থেকে দেখে শুনে পছন্দমতো গয়না অর্ডার করুন।

*ঈদফ্যাশন* *গয়না* *গহনা* *অলংকার* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খুব সাধারণ ও হালকা সাজে আভিজাত্য আনতে চাইলে মুক্তার গয়নার কোনো জুড়ি নেই। এই উপমহাদেশে অনেক বছর ধরেই মেয়েরা মুক্তার গয়না পরে আসছেন। ছিমছাম, কিন্তু অভিজাত, যা সবাইকে প্রায় সব পোশাকের সঙ্গেই মানায়, একবাক্যে এভাবেই মুক্তার গয়নার বৈশিষ্ট্য বলে দেওয়া যায়। আগে এর সঙ্গে সোনাই বেশি ব্যবহৃত হতো। আশির দশকের শেষে দিকে ও নব্বইয়ের শুরুতে মুক্তার সঙ্গে রুপার ব্যবহার শুরু হলো। এরপর দিনে দিনে মুক্তার সঙ্গে আরও নানা রকম উপাদান দিয়ে গয়না তৈরির চল এসেছে।
 
 
কিনতে ক্লিক করুন l  এখনো নানাভাবে এটি উপস্থাপিত হচ্ছে। তবে এখনো রয়ে গেছে এক লহরের মুক্তার মালা ও কানে ছোট টপ পরার চল। মুক্তার ছোট মালা ও টপ মানিয়ে যায় ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, কামিজ এমনকি আনুষ্ঠানিক সাজে পশ্চিমা ঘরানার পোশাক ব্লেজার কিংবা কোটের সঙ্গেও। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কয়েক রঙের মুক্তার গয়নাও আজকাল পরতে দেখা যাচ্ছে মেয়েদের। মুক্তার আসল রং চাপা সাদা, কিছু মুক্তা আছে, যার মধ্য থেকে হালকা গোলাপি অথবা বেগুনি একটা আভা আসে। তবে এখন প্রযুক্তির বদৌলতে একে কালো, সোনালি, লাল, সবুজ, ধূসর—ইচ্ছেমতো রঙ্গে রাঙানো যাচ্ছে। 
 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন l তবে যত যা-ই হোক, প্রাকৃতিক রঙে মুক্তার যে রূপ, তার আবেদন অমলিন। সব রঙের পোশাকের সঙ্গেই এটি মানানসই। মুক্তার আংটি, কয়েক লহরের মালা, প্যাঁচানো মালা ও কানের ছোট টপ এখন বেশ চলছে। এ ছাড়া দেখা যাচ্ছে মুক্তার পেনডেন্ট ও টাইনি বা খুব ছোট দানার মুক্তার মালা। লম্বা গলার মেয়েদের ছোট মালা ও ছোট গলায় লম্বা মালা পরলে ভালো দেখাবে। কোন পোশাকের সঙ্গে কেমন গয়না মানাবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে পরিবেশ ও ব্যক্তিত্বের ওপর। 
 
 
 
আসল মুক্তা চিনতে
বিশেষজ্ঞরা জানালেন আসল মুক্তার গায়ে কখনো আঁচড় পড়বে না। আগুনের সংস্পর্শে আনলেও এটির রঙে কোনো পরিবর্তন আসবে না। নকল মুক্তার গায়ে দানা দানা দাগ দেখা যেতে পারে। আসল মুক্তা বেশি দীপ্তিমান ও গোল হয়। পরার পর মুছে পরিষ্কার পাতলা কোনো সুতির কাপড় দিয়ে মুড়ে রাখলে আসল মুক্তার গয়না নষ্ট হবে না।
 
 
 
মুক্তার গয়নার দাম
মুক্তার গয়নার দাম নির্ভর করে এর মান ও দানার আকারের ওপর। চাইলে আলগা মুক্তা কিনে নিজেও গয়না বানাতে পারবেন। এ ছাড়া অনেক দোকানে নকশা দেখিয়ে দিলে তারা কারিগর দিয়ে তা তৈরি করে দিতে পারবেন।
*মুক্তারগহনা* *মুক্তারগয়না* *গহনা* *গয়না* *অলংকার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আংটির প্রতি মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। আংটি এমন একটি অলঙ্কার যে নারী-পুরুষ সবাই এটা হাতে পরতে পারেন। বিয়েতে তো বটে, বিগত কয়েক হাজার বছর ধরে এটি পুরুষদের ফ্যাশন স্টেটমেন্টের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। কখনও সেটা সম্পত্তির আড়ম্বর, কখনও বা সেটা একটি মেসেজ বহন করে। হাতের গয়না বলতে এখন নজর কাড়ছে আংটিই। 
 
 
হালের ফ্যাশনে একটু বড় ও অসমান বা আঁকাবাঁকা আকৃতির আংটির চল এসেছে। কুর্তা বা ফতুয়ার সঙ্গে এ ধরনের আংটি বেশ মানিয়ে যায়। পরা যেতে পারে শাড়ি বা কামিজের সঙ্গেও। তবে দেশি পোশাকের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী নকশার বড় আংটিই বেশি মানানসই। পোশাকের রঙের সঙ্গে না মিলিয়ে বরং বিপরীত রঙের পাথর ও নকশার আংটি পরলেই বেশি ভালো দেখাবে। 
 
 
এ ক্ষেত্রে যেহেতু আংটিটাই বেশি দৃষ্টিগোচর হবে, তাই হাতে মোটা বালা, চুড়ি বা অন্য কিছু না পরাই ভালো। আর পরলেও তা হতে হবে খুব সাধারণ ও ছিমছাম। তবে চাইলে অন্য হাতে বালা অথবা ঘড়ি পরা যেতে পারে। অন্য সময় অনামিকাতে পরা হলেও আকারে বড় হওয়ায় এ ধরনের আংটি মধ্যমা, অর্থাৎ মাঝের আঙুলে পরা উচিত। কারণ, এটি দুই পাশের দুই আঙুলেরও কিছু অংশ ঢেকে রাখে।
 
 
গয়না ও পোশাক দুটিই জমকালো নকশার হলে ভালো দেখায় না। তাই পোশাক ও অনুষঙ্গের মধ্যে সব সময় ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত। একটি জমকালো হলে আরেকটি হওয়া চাই ছিমছাম। লম্বা আঙুলে এ ধরনের আংটি দেখতে খুব সুন্দর। যাদের হাত বেশি রোগা এবং আঙুলগুলো ছোট, তাঁদের বড় আংটি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কাঠের বড় আংটিগুলো দেখতে ভারী মনে হলেও তা আসলে অনেক হালকা। আকারে বড় হলেও যেন কাজের সময় অসুবিধা না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই আংটিগুলোর নকশা করা হয়েছে। শাহিদার মতে, পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের সঙ্গে নতুনত্ব আনতে এ রকম বড় ও ভিন্নধর্মী নকশার আংটি পরা যেতে পারে। চুড়ি বা ব্রেসলেটের বদলে আংটিতেই এখন বেশি স্টাইলিশ দেখাবে।
 
 
কোন পোশাকের সঙ্গে কী ধরনের আংটি ভালো দেখাবে, তা নির্ভর করে পোশাক ও আংটির নকশার ওপর। আজকাল অনেককে ফাংকি টাইপের কিছু আংটিও পরতে দেখা যাচ্ছে। অনলাইন দোকান অরেঞ্জ থিওরির সংগ্রহে আছে বেশ মজার ও ভিন্নধর্মী কিছু আংটি। এ ধরনের আংটিগুলো বেশির ভাগই গোল, বরফি, তিন কোনা ও ডিম আকৃতির। এতে ধাতু ও রং-চঙে পাথরই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলো পাওয়া যাচ্ছে বিবিয়ানা, আড়ং, রঙ, অঞ্জনস, আইডিয়াস ইত্যাদি ফ্যাশন হাউসে। এ ছাড়া পাওয়া যাবে অনলাইন শপ আজকের ডিলেও। 
 
 
 
 
অনামিকায় নয়, আংটি এখন পরা হচ্ছে হাতের সব কটি আঙুলেই।
ছোট্ট পাথর বা মুক্তা বসানো সোনার আংটির চলও কমে গেছে।
এর বদলে দেখা যাচ্ছে কাঠ, পিতল, পুঁতি, মুক্তা, মিনা করা ও পাথরে নজরকাড়া নকশার বড় আংটি।  
 
 
চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন আঙুলে পরা আংটি কোন স্টেটমেন্ট বহন করে।
 
 
বুড়ো আঙুল: সাধারণত এই আঙুলটি আংটি পরার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনকার শহুরে পুরুষদের মনস্ততত্ত্ব অনুযায়ী, অর্থের প্রাচুর্য, পরিবারের বিরাট সম্পত্তির বহিঃপ্রকাশ করতে অনেকেই এই আঙুলকে আংটি পরার জন্য বেছে নিচ্ছেন। আপনিও পরতে পারেন তবে খেয়াল রাখবেন, আংটি যেন বিরাট আকৃতির না হয়। এমনিতেই সব থেকে মোটা আঙুল এটি। তার ওপর যদি পাথর দেওয়া মোটা আংটি হয়, তবে দেখতে খুবই বেমানান মনে হতে পারে। 
 
 
কড়ে আঙুল : সাধারণ যাঁরা রিং পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য কড়ে আঙুলে আংটি পরাই আদর্শ। এ আঙুলে আংটি পরার আরও কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। সাধারণত, এ আঙুলের আংটির পরার সঙ্গে বিশেষ কোনও রীতি জড়িয়ে নেই। তাই ইচ্ছে হলে পরে ফেলুন। তাছাড়া, এই আঙুলে আংটি থাকার দরুণ ভারি কাজ করার সময় বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না। 
 
অনামিকা আঙুল: সাধারণত ডান বা বাঁ হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন রীতি তৈরি হয়েছে। 
 
মধ্যমা আঙুল: হাতের সব থেক বড় আঙুল। মনস্ততত্ত্ববিদরা বলে, যাঁরা প্রথমবার আংটি পরেন, তাঁরা মধ্যমাকেই প্রথমে বেছে নেন। কারণ একটাই, এটা দেখতে 'ম্যানলি' লাগে। তবে যে কোন ভারি কাজের সময় একটু অসুবিধা হতে পারে, তাই ছোট আংটি পরাই ভালো। 
 
তর্জনী আঙুল: বুড়ো আঙুলের পরে আমাদের দৈনন্দিন কাজে যে আঙুলটি সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেটা হল তর্জনী আঙুল। গবেষণায় দেখা গেছে, এই আঙুলটি বেশিরভাগ পুরুষই ফাঁকা রাখতে পছন্দ করেন। তবে এটা সাম্প্রতিক ধারণা। কয়েক শো বছর আগে পর্যন্ত এ আঙুলেই আংটি পরতে বেশি পছন্দ করতেন পুরুষরা। এই আঙুল ফ্যামিলি রিং, ফ্রেটারনাল রিং প্রভৃতি পরার জন্য আদর্শ।
 
আংটি বরাবরই ফ্যাশনের একটি বিশেষ অনুষঙ্গ। ডিজাইনের বাহার না থাকলেও আগেকার দিনে নারীরা আংটি ব্যবহার করতেন। হালফ্যাশনে ডিজাইনের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে আংটি পরার ধরনে। 
 
অনলাইনেও অর্ডার দিয়ে কিনতে পারেন নানান ডিজাইন অার শেপের ফিংগার রিং আজকের ডিলের বিশাল কালেকশন থেকে।
*আংটি* *গহনা* *গয়না* *অলংকার*

মারিয়া আক্তার অর্পিতা: শ্রদ্ধা নষ্ট হয়ে গেলে বন্ধুত্বের শ্রেষ্ট অলংকারটিই খোয়া যায় সিসেরো

*বন্ধুত্ব* *শ্রদ্ধা* *কথাসত্য* *কথাঅমৃত* *অলংকার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★