অল্পতে ভ্রমন

অল্পতেভ্রমন নিয়ে কি ভাবছো?

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রূপবৈচিত্র-হ্রদের জল-পাহাড় আর অরণ্যের অপার সৌন্দর্যের কোল ঘেঁষে রয়েছে প্রকৃতির রূপসী কন্যা রাঙামাটি। চট্টগ্রাম বিভাগের পার্তব্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার মধ্যে অন্যতম এই রাঙামাটি জেলা। আকা-বাকা পথ আর উঁচু-নিচু পাহাড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাঙামাটি। রাঙামাটিতে রয়েছে অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে কাপ্তাই লেক, পর্যটন মোটেল, ডিসি বাংলো, দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত ব্রিজ, পেদা টিংটিং, সুবলং ঝর্ণা, রাজবাড়ি, রাজবন বিহার, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই হাইড্রো ইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান উল্লেখযোগ্য।

অপরূপ দৃশ্যে মন রাঙ্গাতে এবারের ঈদে ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি থেকে। আপনার ঈদ হয়ে উঠবে আনন্দময়ী। একবার ঘুরে আসলেই যাত্রাপথ, কাপ্তাই, রাঙামাটি, রাজবন বিহার, জাফলং ঝরনা, কালিট্যাং-এর ছবি আঁকা হয়ে যাবে আপনার মানসপটে। বার বার স্মৃতি হয়ে খেলা করবে হৃদয় মাঝে।




কিভাবে যাবেন:

রাজধানীর সায়েদাবাদ থেকে বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির বেশ কয়েকটি গাড়ি প্রতিদিন রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। চট্টগ্রামের বিআরটিসি, অক্সিজেন মোড় ও বিভিন্ন বাসস্টেশন থেকেও রাঙামাটির গাড়ি পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাইভেট গাড়ি নিয়েও ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি। সেক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন অভিজ্ঞ চালক।

হোটেল ও গেস্ট হাউজ:

রাঙামাটিতে রাত যাপনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অনেকগুলো হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে; রয়েছে বোডিংও। বোডিংয়ের খরচ কম হলেও খুব ভালো ব্যবস্থা নেই।

কয়েকটি হোটেলের বর্ণনা:

(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স: ১২টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষসহ বেশ কয়েকটি সিঙ্গেল ও ডাবল রুম রয়েছে এই হোটেলে।

(২) হোটেল সুফিয়া: এতে রয়েছে ২৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া ছোট-বড় সাধারণ কক্ষ রয়েছে আরও ৩৫টি।

(৩) হোটেল নিডস হিল ভিউ: ১৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও ১০টি সাদারণ রুম রয়েছে এতে।

(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল: এই হোটেলে রয়েছে ৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া সিঙ্গেল ও ডাবল রুমতো রয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে হোটেল জজ, হোটেল আল মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল ডিগনিটি, হোটেল সাফিয়া, হোটেল ড্রিমল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি মধ্যম মানের হোটেল।

এর সবকটি হোটেল-ই রাঙামাটি জেলা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত। তাই এখানে অবস্থান করেই খুব সহজেই ঘুরে বেড়াতে পারেন জেলার সবকটি দর্শনীয় স্থানে।

*রাঙামাটি* *ঈদেবেড়ানো* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*

মুস্তাফা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বগালেকে কিভাবে যেতে হয় এবং সেখানে থাকার ব্যবস্থা কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন* *বান্দরবান* *বগালেক*

কামরুল হাসান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কুমিল্লায় একদিনে ঘুরে দেখার মত কি কি আছে?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

*ভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *কুমিল্লা* *ভ্রমনটিপস* *ট্রাভেল*

রয়েল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকার আশে পাশে সারাদিনের জন্য পরিবার/বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়?

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

.
*ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ঈদেবেড়ানো* *ঢাকাবেড়ানো*

শাহ ফিদা আল-গনী: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকা আর ভাল লাগে না, কোথায় যাওয়া যায়?

উত্তর দাও (১১ টি উত্তর আছে )

*ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

নীলছায়া ইকো রিসোর্ট

বান্দরবান

*বান্দরবানভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ* *অল্পতেভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *রিসোর্ট*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্থানীয়ভাবে পরিচিত পঞ্চবটীর বন নিয়ে নানান কাহিনীও প্রচলিত আছে।

দিনাজপুর জেলায় নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এই উদ্যানের অবস্থান।

নবাবগঞ্জ বনবিটের জগন্নাথপুর, হরিল্যাখুর, বড় জালালপুর, আলোকধুতি, তর্পনঘাট, রসুলপুর ও খটখটিয়া কৃষ্টপুর মৌজা নিয়ে উদ্যান গঠিত। এই জাতীয় উদ্যান আসলে একটি শালবন। স্থানীয়ভাবে পঞ্চবটীর বন নামেও পরিচিত।

২০১০ সালের ২৪ অক্টোবর নবাবগঞ্জ বনবিটের এই অঞ্চলকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আয়তন ৫১৭ দশমিক ৬১ হেক্টর বা ১২৭৮ দশমিক ৫০ একর।

২০১০ সালে জাতীয় উদ্যানের মর্যাদা পেলেও এই বনাঞ্চল বেশ পুরানো। এ জঙ্গল নিয়ে নানান কাহিনীও প্রচলিত আছে স্থানীয়দের কাছে।

জানা যায়— কুশদহ, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট পর্যন্ত এ বনের ৫টি শাখা ছিল। তাই এর আরেক নাম পঞ্চবটী। জনশ্রুতি আছে শিবের কৈলাশবাস আর সীতার বনবাস এই বনেই হয়েছিল। এছাড়া দস্যু রত্নাকর সিদ্ধিলাভ করে বাল্মীকি মুনিরূপে খ্যাতিলাভ করেন এই বনে।

নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যানের প্রধান বৃক্ষ শাল ও সেগুন। এছাড়াও আছে গামার, ইউক্যালিপটাস, জাম, আকাশমনি ও নানান শ্রেণির অর্কিড। বনের বাসিন্দা বন্যপ্রাণীর মধ্যে আছে বনবিড়াল, শিয়াল, মেছো বাঘ, নানান রকম সাপ। নানান জাতের পাখিও আছে এ বনে।

কীভাবে যাবেন

প্রথমে যেতে হবে দিনাজপুর জেলা শহর। সেখান থেকে বাসে চড়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরে। এরপর রিকশা কিংবা অটো রিকশায় যাওয়া যাবে নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যানে।

রাজধানী থেকে দিনাজপুর সড়ক ও রেলপথে যাওয়া যায়।

ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী বাসগুলো সাধারণত ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। এ পথে নাবিল এন্টারপ্রাইজের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ১ হাজার টাকা।

এছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, নাবিল এন্টারপ্রাইজ, বাবলু এন্টারপ্রাইজ, কেয়া পরিবহন,  সেফ লাইনের নন এসি বাস চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৬শ’ থেকে সাড়ে ৬শ’ টাকা।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ যথাক্রমে মঙ্গল ও বুধবার।

ভাড়া শোভন সিট ৩৬০ টাকা। শোভন চেয়ার ৪৩০ টাকা। প্রথম শ্রেণি চেয়ার ৫৭০ টাকা। প্রথম শ্রেণি বার্থ ৮৫৫ টাকা।

দিনাজপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে আর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৯টা ২০ মিনিটে। দিনাজপুর থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেসের বন্ধ যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার।

কোথায় থাকবেন

দিনাজপুর শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হচ্ছে পর্যটন মোটেল (০৫৩১-৬৪৭১৮)। এছাড়া ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এই মোটেল বুকিং দেওয়া যায়। ফোন- ৯৮৯৯২৮৮-৯১।

দিনাজপুরের পর্যটন মোটেলে এসি টুইনবেড ১ হাজার ৯শ’ টাকা এবং এসি ডিলাক্স টুইনবেড ২ হাজার ৩শ’ টাকা। ইকনোমি বেড ৪শ’ টাকা, ইকনোমি কাপল বেড ৭শ’ টাকা।

এছাড়া দিনাজপুরের অন্যান্য সাধারণ মানের  হোটেলে ১শ’ থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকায় রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে। কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল হল- মালদহ পট্টিতে হোটেল ডায়মন্ড,  নিমতলায় হোটেল আল রশিদ, হোটেল নবীন, হোটেল রেহানা, নিউ হোটেল।

প্রয়োজনীয় তথ্য

নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান বেশ নির্জন। পর্যটন সুবিধা এই বনে নেই বললেই চলে। ভ্রমণে গেলে দলবলে যাওয়া উচিৎ।

*ভ্রমনটিপস* *ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনগাইড*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পেখম মেলে দাঁড়িয়ে আছে ময়ূর পাখি। টিয়া পাখিগুলো করছে ওড়াউড়ি। ওদের পাশে আরও আছে টারকি, কালিম, ককটেল, গোল্লা কবুতরসহ নানা প্রজাতির পাখি। কেবল পাখি নয়, পাখির পাশাপাশি এখানে রয়েছে মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, সাম্বার হারিণ, খরগোশ, গিনিপিগসহ অনেক প্রজাতির প্রাণী। তোমরা নিশ্চই ভাবছ, আমি ঢাকা চিড়িয়াখানার কথা বলছি? -না, এটি ঢাকা চিড়িয়াখানার কথা নয়, তবে এটিও একটি চিড়িয়াখানা। এর নাম অরণ্যালয়। ঢাকার গাবতলী থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে সাভার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই এ চিড়িয়াখানাটি অবস্থিত। কেবল চিড়িয়াখানা নয়, এটি একটি পিকনিক কেন্দ্রও। তাই চিড়িয়াখানার পশুপাখি দেখার পাশাপাশি চাইলে এখানে তোমরা পিকনিক করতেও যেতে পার।

তুমি কি যেতে পারবে?

এ চিড়িয়াখানা ও পিকনিক কেন্দ্রটি মূূলত সাভার মিলিটারি ফার্মের একটি প্রতিষ্ঠান। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর উদ্বোধন হয় ১৯৯৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। অবশ্য ঢাকা চিড়িয়াখানার মতো এ চিড়িয়াখানাটি এত বড় নয়। তবে এখানে যেসব প্রাণী আছে, তা দেখে তুমি বেশ মজাই পাবে। এছাড়া বিশাল বনের মাঝে এ চিড়িয়াখানা ও পিকনিক কেন্দ্রটি তোমার বেড়াতেও ভালো লাগবে। চিড়িয়াখানার পাশাপাশি এখানকার বনের গাছগাছালি থেকে পাখির কিচিরমিচির ডাকও শুনতে পাবে। তোমরা যারা ঢাকায় বসবাস করছ, তাদের জন্য এটি বেড়ানোর জন্য বেশ আদর্শ জায়গা।

দেখার মত আছে যাঃ
প্রবেশমূল্য প্রতি জন ১০ টাকা। এ চিড়িয়াখানায় তুমি দেখতে পাবে নানা প্রজাতির পাখি, হরিণ, খরগোশ, গিনিপিগ, বানর, হনুমান, ভাল্লুক, অজগর সাপ, তিথির মুরগিসহ ইত্যাদি। পশুপাখি দেখা হলে একটু বিশ্রাম নিতে পার। এখানে বিশ্রাম নেয়ার জন্য দারুণ বৈঠকখানা আছে। বিশাল একটি পুকুরও আছে। আরও আছে খেলাধুলার ব্যবস্থা। আর এখানে তোমার জন্য চা, চটপটি, চকোলেট, আইসক্রিমের দোকান আছে। চাইলে সেখান থেকে কিনে খেতে পারবে। সব মিলিয়ে বনের মাঝে এ নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে তোমার সময়টা কাটবে ভালো। এটা খোলা থাকে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৬টা এবং অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

যাওয়ার বন্দবস্তঃ
ঢাকার মতিঝিল, গুলিস্তান, শাহবাগ, ফার্মগেট থেকে হানিফসহ বিভিন্ন বাস ছেড়ে যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে। বাস থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে নেমে সেখান থেকে হেঁটে মাত্র ৫ মিনিটেই যাওয়া যাবে অরণ্যালয়ে।
 সূত্রঃ ইন্টারনেট
*ভ্রমন* *চিড়িয়াখানা* *বনভোজন* *ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ট্রাভেল*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যান্ত্রিক এই শহরে যে যার মত ব্যস্ত সময় পার করেন। শত কাজের ভিড়ে একটু খোলামেলা জায়গায় দম ফেলার বিন্দুমাত্র সুযোগ হয়তবা অনেকেরই হয়ে ওঠেনা। তারপরেও কাজের ফাঁকে একটু ছুটি পেলে অনেকেই ছুটেন বিনোদনের জন্য। একটু খোলা পরিবেশে ঘুরে বেড়ানো, সন্তানদের ছোটা-ছুটি, প্রাণ খোলে নিঃশ্বাস নেওয়ার মত বেশ কিছু জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানও রয়েছে রাজধানী ঢাকায়। কিন্তু দর্শনীয় স্থান গুলো কোন কোন দিন খোলা থাকে আর কোন কোন দিন বন্ধ থাকে সে সম্পর্কে ঠিক ঠাক না জানা থাকলে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট হতে পারে। তাই ঢাকার ভেতরে কখন কোথায় ঘুরতে যাবেন তা আগে থেকে জেনে যাওয়ায় ভাল। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সমূহ সম্পর্কে জানিয়ে দিতেই আজকের এই আয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নেই...

আহসান মঞ্জিল জাদুঘর, সদরঘাট

সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬
 
জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৮৬১৯৩৯৬-৯৯
 
লালবাগ কেল্লা, লালবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
সোমবার খোলা থাকে দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। মঙ্গল থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
জুমার নামাজের জন্য শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি ১০ টাকা; তবে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১০০ টাকা।
ফোন: ৯৬৭৩০১৮

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, ধানমন্ডি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার।
অন্য দিনগুলোতে খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন খোলা থাকে।
ফোন: ৮১১০০৪৬

ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর-১
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার (তবে রোববার অন্য কোনো সরকারি ছুটি থাকলে খোলা থাকে)।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (অক্টোবর-এপ্রিল)। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (মে-সেপ্টেম্বর)।
প্রবেশমূল্য: ১০ টাকা। আগে আবেদন করলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের জন্য ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়।
ফোন: ৮০৩৫০৩৫, ৯০০২০২০, ৯০০২৭৩৮, ৯০০৩২৫২

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সেগুনবাগিচা
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি); সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর)।
ফোন: ৯৫৫৯০৯১-২

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি পাঁচ টাকা। এ ছাড়া শনি ও রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৯১১২০৮৪

নভোথিয়েটার, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
প্রদর্শনী শুরু হয় প্রতিদিন বেলা ১১টা, দুপুর একটা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায় (শনি থেকে মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার)।
শুক্রবার প্রদর্শনী বেলা সাড়ে ১১টা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায়।
টিকিট: সকালের প্রদর্শনীর এক ঘণ্টা আগে এবং অন্যান্য প্রদর্শনীর দুই ঘণ্টা আগে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যায়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের ক্ষেত্রে অগ্রিম টিকিট নেওয়ার সুযোগ আছে।
টিকিটের মূল্য: ৫০ টাকা।
ফোন: ৯১৩৯৫৭৭, ৯১৩৮৮৭৮, ৮১১০১৫৫, ৮১১০১৮৪

সামরিক জাদুঘর, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটি ও সেনাবাহিনীর ঐচ্ছিক ছুটির সময় বন্ধ থাকে।
ফোন: সেনানিবাস এক্সচেঞ্জ-৯৮৭০০১১, ৮৭৫০০১১

শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
বুধবার শুধু দুস্থ ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য খোলা থাকে। দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); দুপুর দুইটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
বুধবার ছাড়া সোম থেকে শনিবার খোলা দুপুর একটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি আট টাকা এবং প্রতি রাইডের টিকিট মূল্য ছয় টাকা।
ফোন: ৮৬২৩৩০৪

শিশু একাডেমী জাদুঘর

সাপ্তাহিক বন্ধ: শুক্র ও শনিবার।
রবি থেকে বৃহস্পতিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৯৫৫৮৮৭৪

জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন), মিরপুর
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)।
প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। শিশুদের জন্য প্রবেশমূল্য দুই টাকা। কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
ফোন: ৮০৩৩২৯২
 
বলধা গার্ডেন, ওয়ারী
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)
প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। অনূর্ধ্ব-১০ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে প্রবেশমূল্য দুই টাকা। আর শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
 
নন্দন পার্ক, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। যেকোনো সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে খোলা থাকে।
ফোন: ৯৮৯০২৮৩, ৯৮৯০২৯২, ০১৮১৯২২৩৫২৯

ফ্যান্টাসি কিংডম, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শুক্রবারসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
ফোন: ৯৮৯৬৪৮২, ৮৮৩৩৭৮৬, ৭৭০১৯৪৪-৪৯

*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ঘুরেএলাম* *ভ্রমনগাইড* *ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ট্রাভেল* *ঢাকা*

মুস্তাফা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সেন্টমার্টিনে হানিমুনের জন্য কোনো ভালো হোটেল কি কি আছে? থাকলে যোগাযোগের জন্য ডিটেলসগুলো দিলে খুশি হবো।

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

*হানিমুন* *ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *সেনমার্টিন* *সেন্টমার্টিন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সিলেটের লালাখাল অঞ্চলে নাজিমগর রিসোর্ট ব্যতিত আর কি কি মধ্যম মানের হোটেল বা রিসোর্ট আছে ?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*অল্পতেভ্রমন* *সিলেটভ্রমন* *শীতেভ্রমন* *বনভোজন* *ছুটিতেভ্রমন*

hasib rahman: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাংলাদেশে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমনের জন্য কোন ট্রাভেল প্যাক্যাজ আসে নাকি ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*বিদেশভ্রমন* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মধুচন্দ্রিমায় দেশের উত্তরে যাওয়া মানুষের সংখ্যা নেহাত হাতে গোনা। তবে বিশ্বাস করুন, যারা গেছেন এই শীতের কালে, তারা দেখেছেন, প্রকৃতি তার ঐশ্বর্য দেখিয়েছে অকৃপণভাবে। মন্দিরের শহর রাজশাহীর পুঠিয়া, বগুড়ার মহাস্থানগড়, নওগাঁর পাহাড়পুর, দিনাজপুরের কান্তজীর মন্দির দেখে শেষ আশ্রয় হতে পারে পঞ্চগড়ের চা-বাগান। মাঝে অবশ্য দিনাজপুরের নওয়াবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান, আশুরার বিল, রামসাগর জাতীয় উদ্যান, বীরগঞ্জ জাতীয় উদ্যান, সিংড়া জাতীয় উদ্যান, জয়পুরহাটের আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যান ঘুরে নিতে পারেনÑ যদি জঙ্গল, সাঁওতাল আদিবাসীদের জীবনধারা দেখার আগ্রহ থাকে। শীতকালেই ভোর আর সন্ধ্যাবেলায় দিগন্ত রাঙিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা হাজির হয় পঞ্চগড়ের আকাশে। 
দিনাজপুর, বগুড়া, জয়পুরহাটে আবাসিক হোটেলগুলো বেশ নিরাপদ ও সস্তা। পঞ্চগড়ে বেশ কয়েকটি রিসোর্ট তৈরি হয়েছে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে। তবে আগে থেকে অনুমতি নিয়ে রাখলে পঞ্চগড়ের সীমান্তে মহানন্দার কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ডাকবাংলোতে উঠে যেতে পারেন অনায়াসে। 

সূত্র: ম্যাগাজিন 
*মধুচন্দ্রিমা* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 তুরাগ নদীর পাড়ে বেড়াতে যাওয়ার পরিবেশ কেমন ? ঢাকা থেকে কিভাবে তুরাগ পাড়ে যাব ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*অল্পতেভ্রমন* *ঘোরাঘুরি* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★