আংটি

Mahi Rudro: . বুঝি না কারও বাগদান হলে আংটি পরায় কেনো ? বন্ধু কৌশিক বললো, আগে বল্ বেচা গরুর পিছনে সিল মারে কেনো ? ছি ছি... ! কী সব বাজে কথা বলে ! . আসলে আমি জানতে চাইছিলাম, আংটি না পরালে কি বাগদান হয় না ?

*আংটি* *বাগদান*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আকর্ষণীয় আংটি কিনতে ক্লিক করুনএকটা সময় ছিল সম্পর্কের পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হলেই কেবল মেয়েরা আংটি পরত। সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই রীতি। আঙুলের স্টাইলিশ আংটি এখন তরুণীদের নিয়মিত সজ্জায় চোখে পড়ে। আঙুলে আংটি সাজের অন্যান্য জিনিসের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে স্বর্ণ পরার রীতি থেকে বেরিয়ে মেয়েদের রুচি গড়িয়েছে ম্যাটেরিয়ালে। মেয়েদের ফ্যাশনে বাহারি এসব আংটি তৈরি হচ্ছে কাঠ, পিতল, পুঁতি, মুক্তা, পাথরের মধ্যেই।

বাজার ঘুরলেই চোখে পড়ে বিভিন্ন নকশা ও আকারের আংটি। অ্যান্টিক, ব্রোঞ্জ, রুপা, পাথর, পুঁতি, গোল্ড প্লেটেড, ডায়মন্ড কাট, অক্সিডাইজড, বেত ও কাঠের তৈরি আংটি পাওয়া যাচ্ছে। নতুনত্ব আনতে আংটির আকৃতিও বদলে গেছে। ত্রিভুজাকৃতি, ডিম্বাকৃতি, গোলাকার, চৌকোণা, গম্বুজাকৃতি এমন পশুপাখির মুখের আদলেও আংটি পাওয়া যাচ্ছে।

চলুন হাল ফ্যাশনের আকর্ষণীয় ১০টি আংটি দেখে নেই।

০১. লেডিজ স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০২. লেডিজ জিঙ্ক অ্যালয় স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৩. লেডিজ জিঙ্ক অ্যালয় স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৪. লেডিজ হোয়াইট স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৫. ফ্যাশনেবল লেডিজ ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৬. লেডিজ পার্পেল স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৭. লেডিজ সিলভার স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৮. লেডিজ হোয়াইট স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৯.LOVE ONLY YOU কাপল ফিঙ্গার রিং(২ টি)

কিনতে ক্লিক করুন

১০.লেডিজ হোয়াইট স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

 

আকর্ষণীয় আংটি কিনতে ক্লিক করুন

বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজের এক্সেসরিজ সেকশনে দেখা মেলে ট্রেন্ডি এবং ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের আংটি। পোশাকের সঙ্গে এক্সেসরিজও এখন ট্রেন্ডি। আকর্ষণীয় এই আংটি আপনি ইচ্ছে করলে ঘরে বসেও কিনতে পারবেন। ঘরে বসে অনলাইনে আংটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*আংটি* *ফ্যাশনেআংটি* *হালফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আংটির প্রতি মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। আংটি এমন একটি অলঙ্কার যে নারী-পুরুষ সবাই এটা হাতে পরতে পারেন। বিয়েতে তো বটে, বিগত কয়েক হাজার বছর ধরে এটি পুরুষদের ফ্যাশন স্টেটমেন্টের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। কখনও সেটা সম্পত্তির আড়ম্বর, কখনও বা সেটা একটি মেসেজ বহন করে। হাতের গয়না বলতে এখন নজর কাড়ছে আংটিই। 
 
 
হালের ফ্যাশনে একটু বড় ও অসমান বা আঁকাবাঁকা আকৃতির আংটির চল এসেছে। কুর্তা বা ফতুয়ার সঙ্গে এ ধরনের আংটি বেশ মানিয়ে যায়। পরা যেতে পারে শাড়ি বা কামিজের সঙ্গেও। তবে দেশি পোশাকের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী নকশার বড় আংটিই বেশি মানানসই। পোশাকের রঙের সঙ্গে না মিলিয়ে বরং বিপরীত রঙের পাথর ও নকশার আংটি পরলেই বেশি ভালো দেখাবে। 
 
 
এ ক্ষেত্রে যেহেতু আংটিটাই বেশি দৃষ্টিগোচর হবে, তাই হাতে মোটা বালা, চুড়ি বা অন্য কিছু না পরাই ভালো। আর পরলেও তা হতে হবে খুব সাধারণ ও ছিমছাম। তবে চাইলে অন্য হাতে বালা অথবা ঘড়ি পরা যেতে পারে। অন্য সময় অনামিকাতে পরা হলেও আকারে বড় হওয়ায় এ ধরনের আংটি মধ্যমা, অর্থাৎ মাঝের আঙুলে পরা উচিত। কারণ, এটি দুই পাশের দুই আঙুলেরও কিছু অংশ ঢেকে রাখে।
 
 
গয়না ও পোশাক দুটিই জমকালো নকশার হলে ভালো দেখায় না। তাই পোশাক ও অনুষঙ্গের মধ্যে সব সময় ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত। একটি জমকালো হলে আরেকটি হওয়া চাই ছিমছাম। লম্বা আঙুলে এ ধরনের আংটি দেখতে খুব সুন্দর। যাদের হাত বেশি রোগা এবং আঙুলগুলো ছোট, তাঁদের বড় আংটি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কাঠের বড় আংটিগুলো দেখতে ভারী মনে হলেও তা আসলে অনেক হালকা। আকারে বড় হলেও যেন কাজের সময় অসুবিধা না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই আংটিগুলোর নকশা করা হয়েছে। শাহিদার মতে, পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের সঙ্গে নতুনত্ব আনতে এ রকম বড় ও ভিন্নধর্মী নকশার আংটি পরা যেতে পারে। চুড়ি বা ব্রেসলেটের বদলে আংটিতেই এখন বেশি স্টাইলিশ দেখাবে।
 
 
কোন পোশাকের সঙ্গে কী ধরনের আংটি ভালো দেখাবে, তা নির্ভর করে পোশাক ও আংটির নকশার ওপর। আজকাল অনেককে ফাংকি টাইপের কিছু আংটিও পরতে দেখা যাচ্ছে। অনলাইন দোকান অরেঞ্জ থিওরির সংগ্রহে আছে বেশ মজার ও ভিন্নধর্মী কিছু আংটি। এ ধরনের আংটিগুলো বেশির ভাগই গোল, বরফি, তিন কোনা ও ডিম আকৃতির। এতে ধাতু ও রং-চঙে পাথরই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলো পাওয়া যাচ্ছে বিবিয়ানা, আড়ং, রঙ, অঞ্জনস, আইডিয়াস ইত্যাদি ফ্যাশন হাউসে। এ ছাড়া পাওয়া যাবে অনলাইন শপ আজকের ডিলেও। 
 
 
 
 
অনামিকায় নয়, আংটি এখন পরা হচ্ছে হাতের সব কটি আঙুলেই।
ছোট্ট পাথর বা মুক্তা বসানো সোনার আংটির চলও কমে গেছে।
এর বদলে দেখা যাচ্ছে কাঠ, পিতল, পুঁতি, মুক্তা, মিনা করা ও পাথরে নজরকাড়া নকশার বড় আংটি।  
 
 
চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন আঙুলে পরা আংটি কোন স্টেটমেন্ট বহন করে।
 
 
বুড়ো আঙুল: সাধারণত এই আঙুলটি আংটি পরার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনকার শহুরে পুরুষদের মনস্ততত্ত্ব অনুযায়ী, অর্থের প্রাচুর্য, পরিবারের বিরাট সম্পত্তির বহিঃপ্রকাশ করতে অনেকেই এই আঙুলকে আংটি পরার জন্য বেছে নিচ্ছেন। আপনিও পরতে পারেন তবে খেয়াল রাখবেন, আংটি যেন বিরাট আকৃতির না হয়। এমনিতেই সব থেকে মোটা আঙুল এটি। তার ওপর যদি পাথর দেওয়া মোটা আংটি হয়, তবে দেখতে খুবই বেমানান মনে হতে পারে। 
 
 
কড়ে আঙুল : সাধারণ যাঁরা রিং পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য কড়ে আঙুলে আংটি পরাই আদর্শ। এ আঙুলে আংটি পরার আরও কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। সাধারণত, এ আঙুলের আংটির পরার সঙ্গে বিশেষ কোনও রীতি জড়িয়ে নেই। তাই ইচ্ছে হলে পরে ফেলুন। তাছাড়া, এই আঙুলে আংটি থাকার দরুণ ভারি কাজ করার সময় বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না। 
 
অনামিকা আঙুল: সাধারণত ডান বা বাঁ হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন রীতি তৈরি হয়েছে। 
 
মধ্যমা আঙুল: হাতের সব থেক বড় আঙুল। মনস্ততত্ত্ববিদরা বলে, যাঁরা প্রথমবার আংটি পরেন, তাঁরা মধ্যমাকেই প্রথমে বেছে নেন। কারণ একটাই, এটা দেখতে 'ম্যানলি' লাগে। তবে যে কোন ভারি কাজের সময় একটু অসুবিধা হতে পারে, তাই ছোট আংটি পরাই ভালো। 
 
তর্জনী আঙুল: বুড়ো আঙুলের পরে আমাদের দৈনন্দিন কাজে যে আঙুলটি সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেটা হল তর্জনী আঙুল। গবেষণায় দেখা গেছে, এই আঙুলটি বেশিরভাগ পুরুষই ফাঁকা রাখতে পছন্দ করেন। তবে এটা সাম্প্রতিক ধারণা। কয়েক শো বছর আগে পর্যন্ত এ আঙুলেই আংটি পরতে বেশি পছন্দ করতেন পুরুষরা। এই আঙুল ফ্যামিলি রিং, ফ্রেটারনাল রিং প্রভৃতি পরার জন্য আদর্শ।
 
আংটি বরাবরই ফ্যাশনের একটি বিশেষ অনুষঙ্গ। ডিজাইনের বাহার না থাকলেও আগেকার দিনে নারীরা আংটি ব্যবহার করতেন। হালফ্যাশনে ডিজাইনের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে আংটি পরার ধরনে। 
 
অনলাইনেও অর্ডার দিয়ে কিনতে পারেন নানান ডিজাইন অার শেপের ফিংগার রিং আজকের ডিলের বিশাল কালেকশন থেকে।
*আংটি* *গহনা* *গয়না* *অলংকার*

Mahi Rudro: বুঝি না কারও বাগদান হলে আংটি পরায় কেনো ? . বন্ধু কৌশিক বললো, আগে বল্ বেচা গরুর পিছনে সিল মারে কেনো ? ছি ছি... ! কী সব বাজে কথা বলে ! . আসলে আমি জানতে চাইছিলাম, আংটি না পরালে কি বাগদান হয় না ?(ব্যাপকটেনশনেআসি)

*আংটি* *বাগদান*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাত ও আঙুলের গড়ন অনুযায়ী আংটি পরলে ভালো দেখায়। বড় পরতে চাইলে যেকোনো একটি আঙুলে একটি আংটিই পরুন, ভালো দেখাবে। একটা সময় ছিল, যখন শুধু অনামিকাতেই আংটি পরা হতো। আজকাল সব আঙুলে, এমনকি বৃদ্ধাঙ্গুলেও আংটি পরার চল রয়েছে। হাত ও আঙুলের গড়ন খাটো হলে চারকোনা, গোলাকার বা এক ফুলবিশিষ্ট আংটি পরলে ভালো দেখাবে। চিকন ও লম্বা গড়নের আঙুলে সব ধরনের আংটিই মানিয়ে যায়। বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠা আঙুলের জন্য যতটা সম্ভব সমতল ডিজাইনের আংটি নির্বাচন করুন। বৃদ্ধাঙ্গুলে জিগজ্যাগ, পেঁচানো বা কয়েকটা চিকন আংটি একসঙ্গে নিয়ে বড় আংটির মতো করে পরতে পারেন। তর্জনী, মধ্যমা আর অনামিকায় পরতে পারেন যেকোনো ডিজাইনের আংটি।

কোন আঙুলে কেমন আংটি
আঙুলের ধরন ও সাইজ ভেবে রিং বেছে নিতে হবে। গয়নার ডিজাইনার লায়লা খাইর কনক জানালেন, হাতের আঙুলের আকার যদি লম্বাটে হয়, তাহলে পার্ল কিংবা ওভাল আকারের রিংগুলো সব সময় ভালো নাও লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাউন্ড চাংকি রিং ভালো মানাবে। অন্যদিকে ওভাল শেপের রিং বেশি মানায় ছোট আঙুলে। এ ছাড়া জিওম্যাট্রিক শেপের রিংগুলো ছোট আঙুলের জন্যও মানানসই। এতে আঙুলের আকার বড় দেখাবে। অনেকের আঙুল সরু হতে পারে। তাদের জন্য রাউন্ড শেপের স্টোন রিং হাতের সৌন্দর্যকে আকর্ষণীয় করে তুলবে। মোটা ও পুরু রিংও সরু আঙুলকে কিছুটা মোটা দেখাতে সাহায্য করবে। বড় সাইজের স্টোন দিয়ে তৈরি চাংকি রিং একটু মোটা আঙুলের জন্য ভালো। কেননা এতে আঙুল সরু দেখাবে।

এ তো গেল আঙুলের শেপ অনুযায়ী রিংয়ের কথা। যাদের শুধু আঙুল নয়, পুরো হাতটিও বড় ধরনের, তাদের ছোট স্টোন অথবা ছোট ধরনের যেকোনো রিং ব্যবহার করা উচিত নয়, সেখানে পরা উচিত বড় সাইজের স্টোনের চাংকি রিং। ছোট আকারের হাতের জন্য সব সময় ওভারসাইজড রিং এড়িয়ে চলা দরকার। বোঝা যাচ্ছে, আংটি বাছাইয়ের কাজে হাত ও আঙুলের ধরন গুরুত্বপূর্ণ।

অনেকে হার্ট, ওভাল কিংবা রাউন্ড শেপের চাংকি রিং পছন্দ করেন না। তারা বিভিন্ন অক্ষর, শব্দ অথবা সিম্বলিক ডিজাইনের রিং পরতে পারেন।

তবে এটি যেন অবশ্যই আপনার ব্যক্তিত্ব, বয়স ও পরিবেশ উপযোগী হয়।

পাশাপাশি আংটিটি মানানসই হতে হবে আপনার হাতের গড়ন ও পোশাকের সঙ্গেও।

ফ্যাশন ডিজাইনার লিপি খন্দকার বলেন, আজকাল সব আঙুলে আংটি পরতে দেখা যায়। ফুল, তারা, প্রজাপতি- সব কিছুই চলতে পারে আংটির ডিজাইনে। আংটি থেকে ঝালরের মতো ঝুলতে পারে ঝুনঝুনি কিংবা চাবির গোছার মতো নকশাও। তবে ঝালরের মতো আংটিগুলো তরুণ বয়সীদের জন্যই অধিক মানানসই। আর পাথরের কারুকাজ করা আংটি সব বয়সীরাই পরতে পারেন।’

কোন পোশাকে কেমন আংটি

ফতুয়া-জিনসের মতো পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে নানা রঙের জিগজ্যাগ আংটিও বেশ মানিয়ে যায়। জমকালো অনুষ্ঠানে সোনার প্রলেপ দেওয়া আংটি পরতে পারেন। এতে থাকতে পারে কুন্দন ও পাথরের কারুকাজ। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ উভয়ের সঙ্গেই মানিয়ে যায় এ আংটিগুলো। রঙিন মিনা করা আংটিও পরতে পারেন। এ সময়ে বেশ চলছে ডায়মন্ড কাটের আংটিগুলো। ফতুয়া ও জিনসের সঙ্গে দেশি ঢঙের রঙিন পুঁতি, নারিকেলের মালা, বোতামের একটি বড় আংটি বেশ ভালো লাগবে। শুধু একটি বড় পাথরের আংটি হতে পারে। বড় আংটির সঙ্গে নিশ্চয়ই হাতভর্তি চুড়ি পরলে ভালো দেখাবে না। সেক্ষেত্রে অন্য আঙুলে আংটি না পরাই ভালো। হাতটা বরং খালি হলেই সুন্দর দেখাবে। *সংগৃহীত*
*আংটি* *ফ্যাশনটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★