আজব

ছবি

শ্যামল মিত্র: ফটো পোস্ট করেছে

একসঙ্গে ৩৯ স্ত্রী ৯৪ সন্তান! (ওইসর)

বৃহৎ পরিবার আর কাকে বলে! একসঙ্গে ৩৯ স্ত্রী, ৯৪ সন্তান আর ১৪ পুত্রবধূ! হ্যাঁ, এই নিয়েই ভারতের মিজোরাম রাজ্যের বাসিন্দা জিয়ানো চানার সংসার। নাতি-নাতনি মিলে পরিবারের মোট সদস্য দুই শতাধিক। মিজোরাম শহর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে বখতয়াং গ্রামের একটি চারতলা বাড়িতে থাকেন জিয়ানো চানার পরিবারের সদস্যরা। বাড়িটিতে ঘর আছে প্রায় ১০০টি। হাতের কড় গুনে স্ত্রীদের নাম বলেন জিয়ানো চানা। তিনি জানান, মাত্র ১৭ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের সময় প্রথম স্ত্রী জাথিয়াংগিরের বয়স ছিল ১৯ বছর। এর পর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। ২০০০ সালে শেষ বিয়ে করেন তিনি। সেটাও হয় মাত্র ১৯ বছর বয়সী সিয়ামির সঙ্গে। খাবারের জন্য জিয়ানোর পরিবারে প্রতিদিন লাগে ২০০ পাউন্ড চাল এবং ১৩০ পাউন্ড আলু। ভ্যানে চাপিয়ে প্রতিদিন বাজার করতে হয়। দূর থেকে এলে কারো মনে হবে, প্রতিদিনই যেন এ বাড়িতে আয়োজন হয় বিশাল ভোজ অনুষ্ঠানের।

*আজব* *বেশম্ভব*
খবর

পরশ পাথর: একটি খবর জানাচ্ছে

‘বাঙালি হবে স্বাস্থ্যবান প্রতিদিন ডিম খান’
http://www.prothom-alo.com/economy/article/649705/%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E2%80%99
বিশ্বে দিবসের কোনো শেষ নেই। ডিম নিয়েও আছে একটি দিবস। আজ সেই দিন ‘বিশ্ব ডিম দিবস’। দিবসটি পালিত হচ্ছে বাংলাদেশেও। দেশের পোলট্রি খাতের সংগঠনগুলোর সম্মিলিত জোট বাংলাদেশ পোলট্রি শিল্প সমন্বয় কমিটি পালন করছে দিবসটি। এবারের স্লোগান ‘বাঙালি হবে স্বাস্থ্যবান প্রতিদিন ডিম... ...বিস্তারিত
*দিবস* *ডিম* *আজব*
৩২৩ বার দেখা হয়েছে

মারগুব: মানুষের জ্বর-ঠোসা বলে এক ধরনের ঘা মুখের ভিতর হয় যেতে অনেককেই কাতর হতে দেখেছি | আমার একই জিনিস হয়েছে ৩টি তবে এগুলি গলার ভিতর - একটি আলজিভের উপর, একটি টনসিলের জায়গায় আর একটি মনে হয় গলা আর নাকের মাঝামাঝি | ঠিক মত কোথায় বলতে পারছিনা, হাই তুলতে গেলেই এত ব্যাথা হয় যে গত তিনদিন ধরে হাই তোলা কেন, হাঁচি বা কাশিও দিতে পারছি না (ফুঁপিয়েকান্না)

*আজব* *অসুস্থতা*

হাফিজ উল্লাহ: সত্যি কি আজব দেশ আমাদের! যেখানে এমপি, মন্ত্রীদের শত কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ী কিনতে ট্যাক্স দিতে হয় না কিন্তু লেখাপড়া করতে শিক্ষার্থীদের ভ্যাট দিতে হয়।

*আজব* *নোভ্যাট-অনএডুকেশন*

মাইরালা: গভির রাত আমি একা একা হেঠে যাচ্ছি রাজপথে। হঠাৎ একটা ভিষণ জুরে কান্নার আওয়াজ পেয়ে ভয়ে শিহরিত হলাম।।কে এইভাবে কান্নার আওয়াজ করলো তা ভেবে আমি আতংকিত। এমন সজোরে কোন মানুষ চিতকার করতে পারেনা, তবে সেটা কি তাও ভাবার বিষয়। অবশেষে জানতে পারলাম এটা একটা

*আষাঢ়েগল্প* *আজব*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

যখন কোন জিনিস হারিয়ে যায় ঠিক তখনই সেই জিনিসের ধরকার হয় . যখন কেউ মারা যায় তারপরই সেই মানুষের গুনাগুন প্রকাশ পায় . (আম্মুউউউ)(আম্মুউউউ)(আম্মুউউউ)(আম্মুউউউ)
*আজব* *মানুষ*

দীপ্তি: দুপুর ২টো থেকে ৫টা। স্পেনের এক শহরে এই সময়টা হল দুপুরে একেবারে পা ছড়িয়ে ঘুমনোর সরকারী সময়। শহরের মেয়রের কাছে এক রিপোর্ট জমা পড়েছে, যাতে বলা আছে দুপুরে সঠিক বিশ্রাম পেলে শহরবাসী চাঙ্গা হন, উত্‍পাদনক্ষমতাও বাড়ে। এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তড়িঘড়ি 'মধ্যাহ্নকালীন নিদ্রা'-কে সরকারী সিলমোহর দিয়ে দিয়েছেন মেয়র। নির্দেশিকা জারি হলেও তা বাধ্যতামূলক নয় l

*ঘুম* *আজব*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জিন্সের প্যান্ট এখন এতই প্রচলিত যে, কাউকে কটনের প্যান্ট পরতে দেখলেই আমাদের আশ্চর্য লাগে 
grin emoticon
 । আগে একহারা নীল রঙের জিন্সের প্রচলন থাকলেও যুগে যুগে কাটা, ফাটা, ফেইড শেড আর বিভিন্ন রঙের জিন্সের ফ্যাশন আমরা দেখেছি। কিন্তু এই জিন্সের জন্মস্থল কোথায়? আর নামটাই বা কীভাবে এলো?

অনেকেই ভাবেন, জিন্সের জন্ম আমেরিকায়। কিন্তু কথাটা ভুল। 
... 
অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে আমেরিকায় জিন্সের তুমুল ব্যবহার শুরু হয়। তখন থেকে দেশটি জিন্সের প্রসার ঘটিয়েছে, একে জনপ্রিয় করেছে সত্যি, কিন্তু জিন্স ফেব্রিকটা প্রথম বোনা হয়েছিলো ফ্রান্সের নিম (Nîmes) শহরে। আর ডেনিম নামটাও এসেছে "de Nîmes" থেকে, যার অর্থ "নিম-এর জিনিস"! 
আর এই জিন্স (Jeans) নামটা এসেছে ইতালির জেনোয়া শহরের ফরাসী উচ্চারণ "Gênes" থেকে। এতো শহর থাকতে কেন এই শহরের নামেই ফেব্রিকটির নামকরণ হল? কারণ এই শহরেই বিশ্বের প্রথম ডেনিম ট্রাউজারটি তৈরি হয়েছিলো!

সেই থেকে ডেনিম/জিন্স মিলেমিশে একাকার।

*হালেরফ্যাশন* *জিন্স* *প্যান্ট* *কৌতুহল* *জ্ঞান* *আজব*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

(হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)(হার্ট)

যেখানে পৃথিবী পরিবর্তনশীল
সেখানে মানুষের পরিবর্তন
হলেও অবাক হওয়ার কিছু নাই....
তবে বাস্তবিকই নিজের চোখের দেখা
মানুষের কথা বলছি ...
এখনো কিছু কঠিন মানুষ আছে পৃথিবীতে
যারা নিজেকে সারাদিন ব্যস্ত রেখে
হাসিখুশি দিন কাটায় ....অথচ 
রাতের অন্ধকারে সবার আড়ালে কাদে...
একমাত্র সেই জানে আর,
তার বালিশ জানে
কতটা কষ্টে আছে সেইসব
মুখোশে ঢাকা মানুষগুলো .....
কত রাগ,কত অভিমান,ভালবাসা
তার পর সরে আশা কতইনা
কিছু দেখলাম,তারপরও সেই
একেই বিন্দুতে .....
সত্যি ভালবাসা এমন কিছু বহন করে
থাকে যা কখনোই ভুলা যায় না,
মানুষ বড়ই আজব
*আজব* *ভালবাসা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★