আঞ্চলিকখাবার

আঞ্চলিকখাবার নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 প্যালকা কি ধরণের খাবার? কিভাবে বানাতে হয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*প্যালকা* *শাক* *রেসিপি* *আঞ্চলিকখাবার* *রংপুর*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। এসব রেস্তোরাঁর সেহরি ও ইফতারের আয়োজন জানা জানা যায় তাদের ফেইসবুক পেইজ থেকে। তবুও সবগুলোর আয়োজন জেনে নিন। 

 


চই ঝাল: খুলনা অঞ্চলের খাবারের স্বাদ নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ঢোকার রাস্তার মাঝামাঝি অবস্থিত এই রেস্তোরাঁয় ৬৫৪ টাকায় থাকছে ‘যত খুশি তত খাও’ সুযোগ। বেলা সাড়ে তিনটা থেকে সেহরি পর্যন্ত খোলা। তাদের এই ‘আনলিমিটেড’ আয়োজনের মধ্যে আছে চই মাটন, চই বিফ, চই চিকেন, চই কলিজা, ভাত, ডাল, কোমল পানীয়, পানি ও ফিরনি বা দই।

নওয়াব চাটগাঁ: চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের এই রেস্তোরাঁয় ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা রয়েছে। রাজধানীর গুলশান এক নম্বরের রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের উল্টা পাশের এই রেস্তোরাঁয় ইফতারের জন্য রয়েছে তিনটি সেট মেন্যু। প্রতিটি সেটের মূল্য ৩৪৯ টাকা। এছাড়া আলাদা করেও ইফতারের পদ অর্ডার করা যায়। সেহরির আয়োজনে আছে- ভাত/পরোটা, মেজবানি মাংস, কালাভুনা, ঝুরা মাংস, চনার ডাল, মসুর ডাল, সবজি, চিকেন রেজালা, লইট্যা ফ্রাই, রূপচাদা ফ্রাই ও চিংড়ি ফ্রাই।

প্রিমিয়াম সুইটস: মিষ্টির দোকান হিসেবে পরিচিত হলেও তাদের উত্তরা সেক্টর সাত ও গুলশান দুই শাখাতে চলছে সেহরি ফেস্টিভল।

চিটাগং এক্সপ্রেস: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পেছনে ঢালিবাড়ি মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁয় ইফতার ও সেহরির আয়োজন আছে। বিশেষ কোনো মেন্যুর ব্যবস্থা না করে তাদের প্রচলিত খাবারই থাকছে আয়োজনে। প্রতি জন হিসেবে সেট মেনুর দাম ২২০ টাকা- যাতে থাকবে মেজবানি মাংস, মেজবানি ডাল, পায়া কারি ও ভাত।


মেজবান বাড়ি:  বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পেছনে কুয়েতি মসজিদ রোডে আরেকটি চাটগাঁইয়া খাবারের রেস্তোরাঁ। তাদের ইফতারে রয়েছে একটি প্ল্যাটার। ১৯৯ টাকার এই আয়োজনে থাকবে- খেজুর/মাল্টা/কলা, আখনি, হালিম, জিলাপি, লেবুর শরবত ও সালাদ। সেহরির জন্য রয়েছে দুটি প্ল্যাটার। দুই জনের প্ল্যাটারের দাম সাড়ে ৫শ’ টাকা, চার জনের প্ল্যাটারের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা। পদগুলো হল- মেজবানি গোশ, নলা কাঁজি, ভাত, সালাদ ও কোমল পানীয়।

*আঞ্চলিকখাবার* *রেস্টুরেন্ট* *ইফতার* *সেহেরি*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জামতলার রসগোল্লার আসল নাম সাদেক গোল্লা। এই সাদেক গোল্লা এখন জামতলার মিষ্টি হিসেবে দেশ-বিদেশে সমাদৃত। প্রতিদিন হাজার হাজার পিস জামতলার মিষ্টি তৈরি হচ্ছে; কিন্তু দুপুরের আগেই তা ফুরিয়ে যাচ্ছে। যশোরের শার্শা উপজেলার জামতলার এই রসগোল্লা দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য ধরে রেখে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে।

ইতিহাস :
একটি বিশাল জামগাছের নিচে অর্ধশত বছর আগে একটি ছোট্ট বাজার গড়ে উঠেছিল। ঐ গাছের নিচে ছিল সাদেক আলীর একটি ছোট্ট চায়ের দোকান। সে সময়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো সাদেক আলীর। একদিন একজন বৃদ্ধ এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন সাদেক আলীর কাছে। সেই বৃদ্ধ এক ধরনের স্পঞ্জ জাতীয় রসগোল্লা তৈরির ফর্মূলা দিয়েছিলেন সাদেক আলীকে। সেটি ছিল পঞ্চাশের দশকের কথা। সেই থেকে সাদেক আলী মিষ্টি বানানো শুরু করেন।

কথাগুলো জানা যায় সাদেক আলীর ছেলে শাহজাহান কবির এর কাছ থেকে। তিনি বলেন, প্রথম দিকে মিষ্টিটি স্থানীয়ভাবে নাম কাড়ে। পরবর্তীতে আশির দশকে মিষ্টিটি দেশ জোড়া খ্যাতি অর্জন করে।

আজ সাদেক আলী বেঁচে নেই। কিন্তু তার উদ্ভাবিত মিষ্টি পুরোনো ঐতিহ্যকে ধারণ করে আজো সে খ্যাতি ধরে রেখেছে।

সুত্র : ইন্টারনেট

*সাদেকগোল্লা* *জামতলারমিষ্টি* *মিষ্টি* *রসগোল্লা* *প্রসিদ্ধখাবার* *বিখ্যাতখাবার* *আঞ্চলিকখাবার*

নাহিন: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকায় কি যশোরের ঐতিহ্যবাহী জামতলার মিস্টি সাদেকগোল্লা পাওয়া যায় ? কারো জানা আছে কি ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*সাদেকগোল্লা* *মিষ্টি* *ডেজার্ট* *ঐতিহ্যবাহী-খাবার* *প্রসিদ্ধখাবার* *বিখ্যাতখাবার* *আঞ্চলিকখাবার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★