আত্ম বিশ্বাস

আত্মবিশ্বাস নিয়ে কি ভাবছো?

সাদাত সাদ: ব্যবসা করব কিন্তু পুঁজি কোথায়? এই কঠিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে না পেয়ে ইচ্ছার মরন হয় হাজার উদ্যোক্তার। এটা সত্য ব্যবসার শুরুতে সবার হাতে পুঁজি থাকেনা তবুও তাঁরা এগিয়ে যান অদম্য সাহস নিয়ে, এবং অনেকে সফলতার মুখ ও দেখেন ঠিক তাই যদি ব্যবসার প্রতি আসলেই আগ্রহ থাকে তবে শুরু করুণ আজই কাল নয়, এই আজকাল করতে করতে দেখা যাবে যুগ পেরিয়ে গেছে। আমার মতে ব্যবসার মূল মন্ত্র হল আত্মবিশ্বাস। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন এবং এগিয়ে যান আপনার সপ্নের পথে, শুভকামনা সবার জন্য।

*ব্যবসা* *ক্যারিয়ার* *আত্মবিশ্বাস* *সাহস* *উদ্যোক্তা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 প্রতিদিন নতুন করে কি উপায়ে আমি আমার সেলফ কনফিডেন্স বা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারি?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

.
*আত্মবিশ্বাস* *সেলফকনফিডেন্স* *লাইফস্টাইলটিপস*

সাদাত সাদ: পুঁজি নয় সফল উদ্যোক্তা হতে চাই আত্মবিশ্বাস প্রথম অবস্থায় খুব ছোট করেই শুরু করা যায় নিজের ক্ষুদ্র প্রতিষ্টান, আসতে শ্রম ও মেধার বিকাশ ঘটিয়ে সেটাকে নিয়ে যাওয়া যায় অনেক দূর তার জন্য চাই সাহস এবং আত্মবিশ্বাস সবার জন্য শুভকামনা (খুকখুকহাসি)

*ব্যবসা* *উদ্যোক্তা* *ক্যারিয়ার* *আত্মবিশ্বাস*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে আমি আত্মবিশ্বাসী হতে পারি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*আত্মবিশ্বাস* *টিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১. যদি স্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ পড়া ছেলেটি পরের দুই যুগে বাস্কেটবল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম প্লেয়ার মাইকেল জর্ডান হতে পারে তাহলে আপনার অনেক কিছু করে দেখানো এখনো বাকি।


২. যদি ইউনিভার্সিটিতে সিনেম্যাটিক আর্টসে ভর্তি হতে না পারা ছেলে আজকের ইনস্টিটিউট অফ সিনেমা লেজেন্ডারি স্টিভেন স্পিলবার্গ হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা করে দেখাতে পারবেন।


৩. যদি নয় বছর বয়সে চাচাতো ভাইদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের স্বীকার হওয়া দরিদ্র মায়ের কালো মেয়েটি একদিন টিভি লিজেন্ড অপরা উইনফ্রে হতে পারে তাহলে আপনি কেন নিঃশেষ হয়ে যাবেন?!


৪. যদি মাথায় ক্রিয়েটিভিটির অভাবের দুর্নাম নিয়ে চাকরি থেকে ব্যর্থ যুবকটি পরবর্তীতে নিজেকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট ওয়াল্ট ডিজনিতে পরিণত করতে পারে তাহলে আপনিও বাদ যাবেন না।


৫. যদি ওয়েইট্রেসের কাজ করা সিঙ্গেল মাদার মহিলাটি নিজের লেখা পান্ডুলিপি নিয়ে ২৭ জন প্রকাশকের কাছে ঘুরে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত এক প্রকাশকের আট বছরের বাচ্চা মেয়ের অনুরোধে বই প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বই হ্যারি পটার আর লেখিকার নাম জে কে রাওলিং হতে পারে তাহলে আপনার হতাশ হওয়ার মতো তেমন কিছু ঘটেনি।


৬. যদি চার বছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতে না পারা, সাত বছর বয়স পর্যন্ত রিডিং পড়তে অক্ষম মানসিক প্রতিবন্ধি হিসেবে ধরে নেয়া বালকটি একদিন আলবার্ট আইনস্টাইন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।


৭. যদি ছেলেবেলায় হরমোন ডেফিশিয়েন্সি, অপুষ্টির স্বীকার ছেলেটি যার বাবার চিকিৎসা করানোর মতো টাকা ছিলনা সে একদিন সাফল্যে আকাশ ছুতে পারা লিওনেল মেসি হতে পারে তাহলে আপনার সামনেও নিশ্চিত অনেক দরজা খোলা আছে।


৮. যদি পেটে ভাত জোগাতে প্রিয় কুকুরটিকে ৫০ ডলারে বিক্রি করে দেয়া লোক, যার স্ত্রী অভাবের কারণে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল সে আজকে সর্বকালের অন্যতম সেরা অ্যাকশন হিরো সিলভেস্টার স্ট্যালোন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।


৯. যদি নিজের কোম্পানি থেকে নিজেই বরখাস্ত হওয়া দুর্ভাগা ব্যক্তিটি পরবর্তীতে বিশ্বকে পাল্টে দেওয়া স্টিভ জবস হতে পারে তাহলে আপনারও অনেক কিছু করে দেখাবার বাকি আছে।


১০. যদি কালো হওয়ার কারণে শেতাঙ্গদের ট্রেনে জায়গা না পাওয়া ছোটখাট লোকটি একদিন মহাত্মা গান্ধী হতে পারে তাহলে আপনি কেন দমে যাবেন!?


১১. যদি সাতাশ বছর নির্জন দ্বীপে কারাবাস করার পর ফিরে আসা লোকটি দেশের প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল বিজয়ী নেলসন ম্যান্ডেলা হতে পারে তাহলে আপনিও নিশ্চয়ই থেমে যাওয়ার পাত্র নন।


১২. যদি দু’পায়ে সাত বার সার্জারি করা ছেলেটি, সবাই যার ক্যারিয়ার শেষ ধরে নিয়েছিল সে ফিরে এসে নিজের দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা হতে পারে তাহলে আপনারও উচিৎ.....

লম্বা একটা দম নিয়ে আবার কাজের মাঠে নেমে যাওয়া।
সুতরাং হতাশ হবেন না

সংগৃহিত

*আত্মবিশ্বাস*

ফ্রেশ ফ্রজেন: [পিরিতি-তোমারজন্য]নেতিবাচক চিন্তাধারা

*আত্মবিশ্বাস*

দীপ্তি: "আত্মবিশ্বাসই হলো আসল স্মার্টনেস। আত্মবিশ্বাস এমনই এক দ্যুতি, যার প্রভাব একজন মানুষের পুরো আচরণে প্রতিফলিত হয়" (খুকখুকহাসি)

*আত্মবিশ্বাস*

Mahi Rudro: [টি২০-মারঘুরিয়ে]অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ব্র্যাড হজ যেদিন প্রথমবার শচীন টেন্ডুলকারের উইকেট পেলেন, সেদিন ইনিংস শেষে বলটি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন শচীনের দিকে, অটোগ্রাফের জন্য। শচীন স্বাক্ষর করবার আগে বলটিতে লিখেছিলেন “It Will Never Happen Again”!. শচীন কিন্তু তাঁর কথা রেখেছেন, ব্র্যাড আজ পর্যন্ত দ্বিতীয়বার তাঁকে আউট করতে পারেননি! . –- এটা হলো আত্মবিশ্বাসের গল্প।

*আত্মবিশ্বাস*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাফল্যকে ছুঁতে গেলে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। শুধু ধৈর্য আর শ্রমের মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব না। দরকার নিজের আত্মবিশ্বাস। আবার অনেক সময় কেবল নিজের আত্নবিশ্বাসের জোরেই যে কোনো কাজে সফল হওয়া সম্ভব হয়। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কিছু বিষয় জেনে নেই।

সৃষ্টিকর্তাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমেই আপনার দিন শুরু করুন। খুব ছোটখাটো বিষয়েও আপনি আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন। আপনি যদি দিনের শুরুতেই এসব বিষয় আপনার দৃষ্টিভঙ্গীতে প্রবেশ করাতে পারেন, তাহলে তা নিঃসন্দেহে আপনার সারাদিনের কার্যক্রমে ভালো প্রভাব ফেলবে। সেই সাথে আপনার মনে হবে, দিনটি আপনার ভালই যাবে। বাস্তবেও তাই ঘটে থাকে।

কাজে ব্যর্থতাই আমাদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করার জন্য দায়ী। সেক্ষেত্রে হাল ছেড়ে দিয়ে বসে থাকলে চলবে না। আবারও নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করুন। কারণ একটি কাজে যখন আমরা ব্যর্থ হয় তখন একটু চিন্তা করলেই আমরা আমাদের ব্যর্থতার কারণগুলো খুব ভালোভাবে ধরতে পারি। আর ব্যর্থতাগুলো থেকেই আমরা আমাদের জীবনকে ভালোভাবে বোঝার শিক্ষা নিতে পারি। জীবনে যত বেশি উত্থান-পতন ঘটবে, মনে রাখবেন, আপনার লক্ষ্য ততই নিকটে। আর এতে করে আপনার আত্মবিশ্বাস আবারও নতুন করে গড়ে উঠবে।

যে কোনো কাজেই সফল হতে চাইলে অবশ্যই একজনকে আদর্শ মানতে হয়। কারণ নিজে নিজে সব ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয় না। তখন পরামর্শদাতাই আপনাকে সঠিক পথের সন্ধান দেবে। তাই আগেই একজন পরামর্শদাতার খোঁজ করুন। কারণ পরামর্শদাতার পরামর্শই আপনার আত্মবিশ্বাসকে বাড়াতে অনেক বেশি সাহায্য করবে।

জীবনে চলার পথে অনেক মানুষের সাথেই মিশতে হয়। সেক্ষেত্রে আদর্শ সঙ্গী বাছাই করার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। কারণ কিছু লোকের নেতিবাচক কথাবার্তা আপনার আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট করে দিতে পারে। তাই আগে থেকেই সাবধান হোন। যেসব মানুষ আপনাকে উৎসাহ দেয় এবং উচ্চ স্থানে যেতে উৎসাহিত করে তাদের সঙ্গে সবসময় চলাফেরা করুন। তাতে বরং আপনার আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি হবে না।

প্রতিদিন অন্তত একবার নিজের গণ্ডির বাইরে বের হলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। কারণ জ্ঞাণের পরিধি যত বেশি সমৃদ্ধ হবে আপনার আত্মবিশ্বাসই নিজে থেকে ততটাই বেড়ে যাবে। তাই ঘরে বসে না থেকে আপনার প্রয়োজনের তাগিদেই প্রতিদিন অন্তত একবার বাড়ির বাইরে যান।

আপনি শুধু সামনের দিকে এগোতে থাকলে বিরোধীপক্ষ আপনাকে প্রশ্ন, সমালোচনা, সন্দেহ করবে। সেক্ষেত্রে চিন্তার কোনো কারণ নেই। পাছে লোকে কিছু বলে-এই নীতিতে কান না দিয়ে এগিয়ে চলুন। তাতে আপনার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে। সবসময় মনে রাখবেন, আপনি ভালো কিছু করছেন বলেই মানুষ আপনাকে নিয়ে এত কিছু বলাবলি করছে। তাই পিছনের দিকে না তাকিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলুন, সফলতা আসবেই।

কোনো কাজ করতে গেলে সব যোগ্যতাই যে আপনার মাঝে থাকবে এমন কোনো কথা নেই। বরং নিজের দক্ষতা আর আত্মবিশ্বাসের জোরেই যে কোনো কাজে সফলতা লাভ করা যায়। কাজেই আপনার কোনো যোগ্যতা কম থাকলেও আত্মবিশ্বাসের জোরেই এগিয়ে যান। দেখবেন, সফলতা আপনার হাতে এসে ধরা দেবেই।

পর্যাপ্ত ঘুম, অনুশীলন ও পর্যাপ্ত পুষ্টিসম্পন্ন খাবার আপনার মুড ভালো করবে। একই সাথে আপনার কর্মক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাসকেও বাড়িয়ে তুলবে। আবার প্রতি সপ্তাহে তিনদিন ২০ মিনিটের শারীরিক অনুশীলন আপনাকে বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি দেবে।

বড় করে শ্বাস নিলে আপনার রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবেশ করে। এতে আপনার মস্তিষ্কের চেতনা বৃদ্ধি পায়। ফলে যে কোনো কাজ করতে গেলে এতে করে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। এমনকি কোনো শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতেও বড় করে শ্বাস নেয়া এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রত্যেক পরিস্থিতিতেই আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখলে আত্মবিশ্বাস অনেক গুণ বেড়ে যায়। আবার অনেকবার অনুশীলন করা বা শুনলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। তাই যে কোনো কাজ আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন তাহলে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি আপনি মোকাবেলা করতে পারবেন
*আত্মবিশ্বাস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যখন আমরা আমাদের নিজেদের উপর ভরসা করতে পারি না, কোনো কিছু কূল কিনারা খুঁজে পাই না,  ঠিক তখনই আমরা আমরাদের পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক, গুরুদের শরণাপন্ন হয়ে থাকি। আমরা তাদের কাছে সুপরামর্শ চেয়ে থাকি যে আমাদের এখন কি করা উচিত, কেন করা উচিত বা কিভাবে করা উচিত। জানতে চাই কিভাবে গুছিয়ে নেয়া যেতে পারে সম্পর্ক, ক্যারিয়ার, কিভাবে সাজানো উচিত পরিকল্পনা, কিভাবে বেছে নেয়া উচিত সুযোগ আর কিভাবেই বা মনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সিদ্ধান্ত নেবার ব্যাপারে আমরা সব সময় মেজরিটিকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি, তাদের মতামত, তাদের দর্শনকে নিজের জীবন দর্শন বলে ভেবে নেই । নিজেরদের এসেসমেন্ট করে থাকি অন্যের যুক্তির দ্বারা, প্রভাবিত হই অন্যের মতাদর্শনে। তবে সর্বক্ষেত্রেই যে অন্যের যুক্তি জীবনে মঙ্গল বয়ে আনবে তা কিন্তু ভাবা অনুচিত, এতে করে হারিয়ে ফেলতে পারেন নিজের স্বতন্ত্রতা। 
 
 
সাধারণত আমরা তাদের কাছেই পরামর্শ নিতে পছন্দ করি, যাদেরকে আমরা ভালবাসি বা পছন্দ করি, যাদের উপর আমরা নির্দ্বিধায় ভরসা করতে পারি। ভালবাসার জায়গাতে তাদের স্থান উঁচুতে হলেও তারা যে সবসময় আমাদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হবে তা কিন্তু মনে কত অনেক বড় ভুল। প্রকৃতপক্ষে এটা সত্যিই বড্ড কঠিন কাজ যে কারো জন্যেই, কারণ অন্যের জন্য প্রযোজ্য সঠিক সিদ্ধান্ত খুঁজে এনে তাকে একাই সমধান দিয়ে দেয়া। একজনের পাশে দাড়িয়ে তাকে গাইড লাইন দেয়া আর সম্পূর্ণই অন্যের চালিকা শক্তি হয়ে তার পাশে দাঁড়ানো এ দুইয়ের মধ্যে রয়েছে বিস্তর তফাৎ। আর সে কারণেই গ্রেট মেন্টরস বা কোচরা একরকম গেম-চেঞ্জার: তারা সমাজের সোরগোল, সমালোচনা থেকে আপনাকে দূরে রাখতে সাহায্য করে এবং আপনার নিজের সত্য উদঘাটন নিজেকেই কাজে লাগাতে সাহায্য করে থাকে। তাদের ভূমিকা প্রায়শই নীরব। 
 
 
আমি মনে করি, কি হবে আর কি হবে না এই চিন্তা চেতনা বা অন্যের কাছে সাহায্যের আশা না করে বরং নিজেরাই নিজেদের জন্য সমাধানের পথ খুঁজে নিতে পারি।  এটা বরঞ্চ বেশি সহজ। আমাদের নিজেদেরকে ঘিরে যে কোনো সমস্যার, যে কোনো প্রশ্নের জবাব আমাদের নিজেদের কাছেই রয়েছে এবং নিজের চেয়ে ভালো আর কেউ জানতেই পারেনা, শুধু সমস্যার সমাধান খনন করতে একটু বেশি সময় আর ধৈর্য্য লাগে এই আর কি। কারণ নিজের সমস্যার কথা আমি, আপনি যতই চাই পুরোপুরি খোলসা করে কাউকেই বলতে পারি না, জড়তা, লজ্জা থেকেই যায়। কিন্তু নিজের কাজ থেকে তো আড়াল করার কিছু নেই, কেউ নিজেকে কখনই মিথ্যে বলতে পারে না।  নিজেদের উপর পূর্ণ ভরসা ফিরিয়ে আনতে, নিজেরাই নিজেদেরকে এসেস করতে, নিজেকে পুনরায় আবিষ্কার করতে, নিজের আলটিমেট লক্ষ্যে শেষ পর্যন্ত অটুট থাকতে শুধু নিজের সাথে নিজের যোগাযোগ রাখলেই চলে, তাহলেই সামনে বেরিয়ে আসে সুস্পষ্ট জবাব।  আর এই যোগাযোগের মাধ্যম হলো প্রশ্ন ; হুম, প্রশ্ন, নিজের সাথে নিজের প্রশ্ন। 
 
 
আমি যখনি এরকম দ্বিধাদ্বন্দ্বে জড়িয়ে গেছি নিজের সাথে নিজেই, তখনই নিজেকে কিছু প্রশ্ন করে এবং নিজেই সেই প্রশ্নের জবাব দিয়ে বেরিয়ে এসেছি সেই বিড়ম্বনা থেকে। উদাহরণ প্রসঙ্গে আমরা ক্যারিয়ার নিয়েই বরং খানিক আলোচনা করলেই পেয়ে যেতে পারি নিজেদের ক্যারিয়ার বিষয়ক যে কোনো সমস্যার সমাধান কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে। আসলে অনেক প্রশ্নই করা যেতে পারে, তবে যে কোনো বিষয়ের জন্য নিজেকে নিচের ১০০টি প্রশ্ন করে দেখুন তো একবার, ফল পান কি না মিলিয়ে নিন।  এই প্রশ্নগুলি বলে দেবে আপনার বর্তমান অবস্থান আর সত্যি কোথায় আর কতটা দূর পর্যন্ত নিজেকে দেখতে চান। প্রতিটি প্রশ্নই অনেক শক্তিশালী ভূমিকা রাখে কারণ এগুলিই আপনাকে আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে আপনাকে সাহায্য করবে।  এই অ্যাকশেনেবল স্টেপসগুলিই ধাপে ধাপে আপনাকে পৌছে দিবে আপনার স্বপ্নের পথে। তবে একটা দিক, স্বচ্ছতা অতি আবশ্যক এক্ষেত্রে।  ওই যে, নিজেকে নিজে ফাঁকি দিলে চলবে না।  সৎ থেকে প্রত্যেকটা প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে হবে, এখানে কিছু হারানোর ভয় নেই, সন্মান খোয়ানোর আশংকা নেই। এভাবে প্রত্যেকটা স্টেপে নিজের উত্তর খুঁজে নিতে হবে শেষ পর্যন্ত। এখানেই কিন্তু শেষ নয়, এভাবে যেতে যেতে একসময় পুনরায় ফিরে আসতে হবে আর সকল প্রশ্নের জবাবগুলো ফ্রেশ করে লিপিবদ্ধ করতে হবে। তারপর একবার রিভিউ করুন, দেখবেন বুঝে যাবেন ঠিক কি করতে হবে আপনাকে, পেয়ে যাবেন সমধান, কেটে যাবে সকল ধোয়াশা, অস্থিরতা, আর বাই ডিফল্ট পুনর্জ্জীবিত হবে আপনার নিজের উপর আস্থা, বিশ্বাস আর ভরসা, খুঁজে পাবেন নিজেকে। তাহলে চলুন প্রশ্ন করি নিজেদের :
 
১. আপনি কি জানতে চান? 
২. আপনি আপনার অবসর সময়টাতে কতটা মজা করে থাকেন? 
৩. আপনি কি কোনো নির্দিষ্ট কাজ বার বার করেন কারণ কারণ আপনি মনে করেন যে এটা আপনার করা উচিত?
৪.আপনি আপনার কর্মজীবন বা বর্তমান কর্মক্ষেত্র বেছে নিয়েছেন আপনার পরিবারের চাপে বা জন্য, মা-বাবাকে খুশি করতে, সমাজে নিজের অবস্থান তৈরী করতে, বেছে নিয়েছেন কারণ আপনি নিজেকে চেয়েছিলেন এই কাজে দেখতে নাকি আপনাকে এই কাজ করতে হচ্ছে শুধুই টাকা রোজগারের জন্য? 
৫. আপনি কি মনে করেন যে, শুধু কাড়াকাড়ি টাকা উপার্জন করলেই আপনি সুখী মানুষ হতে পারবেন? 
৬. আপনি কিভাবে কাজকে সংজ্ঞায়িত করবেন?
৭.আপনি কি বিশ্বাস করেন যে আপনি যে কোনো কাজই ভালোবেসে করতে পারেন আর সেটা করেই আপনি টাকা উপার্জন করতে পারেন?
৮. আপনার স্বপ্ন কি?
৯. বাস্তবতার সাথে সেই স্বপ্নের মিল আছে কি? থাকলে কতটুকু?
১০. আপনি আপনাকে বিশ্বাস করেন তো? কতটা ভরসা আছে আপনার নিজের উপর? কতটা কনফিডেন্ট আপনি?
১১. আপনার বর্তমান জীবন যাপনে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জগুলো আপনাকে বেশি প্রভাবিত করে? কিসে উত্তেজিত হয়ে যান আপনি?
১২. আপনি আপনার কাজের দ্বারা কিভাবে অন্যদের জীবনযাত্রা আর পুরো বিশ্বকে প্রভাবিত করতে চান? 
১৩. আপনি কি ওভার কনফিডেন্ট যে কোন এক বিশেষ বিষয়ে আপনি অনেক বেশি পারদর্শী? আপনার কম্পেটেটিভ অ্যাডভান্টেজেস কি?
১৪. আপনি কাকে আপনাকে সমর্থন করার যোগ্য মনে করেন? 
১৫. আপনি কি বিশ্বাস করেন কে কঠোর পরিশ্রম আর লক্ষ্যে অবিচল থেকে আপনি যাই চান তাই হাসিল করে নিতে পারেন? 
১৬. আপনি কি মনে করেন আপনার যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তা রয়েছে? বা ঈশ্বর প্রদত্ত বিশেষ প্রতিভা রয়েছে?
১৭. যদি তাই মনে করে থাকেন, তাহলে আপনার ক্যারিয়ার গঠনে এটা কিভাবে আর কতটা সাহায্য করেছে?
১৮. আর যদি তাই মনে না করে থাকেন, তাহলে এই বুদ্ধিমত্তার অভাবে ক্যারিয়ারে আপনাকে কি কি হেঁপা পোহাতে হয়েছে?
১৯. আপনি মূলত কার বা কাদের থেকে ক্যারিয়ার বিষয়ক পরামর্শ নিয়ে থাকেন?
২০. তাদের পরামর্শ কি আপনার লক্ষ্যের সাথে যায়? তারা কি আপনার পক্ষে কথা বলে নাকি বিপক্ষে? কেন বলে? (যেমন : পরিবার, বন্ধু ইত্যাদি) 
২১. যখন আপনি কলেজে পড়তেন তখন আপনার নিজের জীবন আর ক্যারিয়ার নিয়ে কি ধরনের কল্পনা মনে মনে করেছিলেন?
২২. আপনি কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে গিয়ে কি চান : অধিক আনন্দ নাকি অধিক ক্ষমতা?
২৩. আপনি কি একেবারে আপনার পিতামাতার মতই হতে চান?
২৪. কেন বা কেন নয়?
২৫. নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য আপনি কি কি করেছেন?
২৬. সেই পদ্ধতিগুলো কি আপনি প্রায়ই চেষ্টা করে দেখেন?
২৭. যদি না হয়ে থাকে, তাহলে কেন পারেন না সবসময় সেগুলো প্রাকটিস করতে?
২৮.আপনি কি নিজের উপর যত্নশীল? সুস্বাস্থ্যের অধিকারী? হেলদি ফুড খান, নিয়মিত ব্যায়াম করেন?
২৯. যদি না হয়ে থাকে এসব তাহলে কেন নয়?
৩০. আপনি কি আপনার কাজকে পছন্দ করেন, সেই কাজ করতে ভালোবাসেন?
৩১. আপনার কি মনে হয় যে আপনার অবদানকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে?
৩২. আপনি কি আপনার উধস্তন কর্মকর্তা এবং আপনার সহকর্মীদের বিশ্বাস করেন?
৩৩. আপনি কি সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস মাইন্ডে অফিসে যাবার জন্য সদা প্রস্তুত থাকেন?
৩৪. যদি না হয়ে থাকে তাহলে এর পেছনে কি কারণ?
৩৫. আপনার কাজের কোন বিষয়গুলো আপনাকে বেশি টানে?
৩৬. আপনি কত ঘন ঘন উদাস বা বোরড ফিল করেন?
৩৭.আপনার নিজের মতামত বা আইডিয়াগুলো আপনার কলিগ বা ম্যানেজারদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনি কতটা প্রোএকটিভ থাকেন?
৩৮.আপনার কাজের ক্ষেত্র এবং সেখানকার পরিবেশ বা কালচারকে আপনি কিভাবে বর্ণনা করবেন?
৩৯. আপনি ওই কালচার বা সংস্কৃতির সাথে মেলাতে পারেন সাবলীলভাবে?
৪০. আপনি কি আপনার কাজের জায়গায় প্রায়শই প্রাণ খুলে হাসতে পারেন?
৪১. প্রতিষ্ঠানের লিডার বা উধস্তন কর্মকর্তাদের কাজকর্ম আপনাকে কতটা ইন্সপায়ার করে থাকে? 
৪২. প্রতিষ্ঠানের লিডার বা উধস্তন কর্মকর্তাদের সাথে আপনার কি সরাসরি কথা হয় বা যোগাযোগ আছে?
৪৩. আপনার কাছে এটা পরিষ্কার তো যে উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনার জন্য পরবর্তিতে কোন লেভেলটি অপেক্ষা করে আছে?
৪৪. সেটা মনে করে কি আপনি খুশি নাকি খুশি নন?
৪৫. শুধু দায়িত্বের জন্য নয় বরং ভালোবেসে কাজ করাটা আপনার জন্য কতটা গুরত্বপূর্ণ?
৪৬. আপনি যাদের সাথে কাজ করছেন তারাও ভালোবেসে কাজ করবে এই বিষয়টা আপনার কাছে কতটা গুরত্বপূর্ণ এবং কেন?
৪৭. আপনার কি সুনির্দিষ্ট ক্যারিয়ার ভিশন রয়েছে?
৪৮. আপনি কি আপনার সেই ভিশনের জন্য লক্ষ্যে অবিচল?
৪৯. জব সিকিউরিটি আপনার জন্য কতটা ভাববার বিষয়?
৫০. আপনি আপনার ক্যারিয়ারে কতটা পর্যন্ত রিস্ক নিতে আগ্রহী এবং আপনার কমফোর্ট জোন কি?
৫১. শেষ কখন ক্যারিয়ারে আপনার সাথে এমন কিছু হয়েছিল যে আপনি ভয় পেয়েছিলেন?
৫২. কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? শেষ পর্যন্ত সেটি কি ছিল? উল্লাসজনক নাকি আশংকাজনক?
৫৩. আপনি আপনার কাজের দ্বারা কতটা স্বয়ংসম্পূর্ণ?
৫৪. কাজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নিয়ে আপনি কতটা যত্নশীল?
৫৫. পারপাস ড্রাইভেন হয়ে কাজ করার সুবিধাগুলো কি কি, যদি কি না আপনি এমনটা না হয়ে থাকেন?
৫৬. কাকে সবচেয়ে বেশি আপনি তারিফ বা প্রশংসার দাবি মনে করেন?
৫৭. তারা কি প্যাশন আর উদ্দেশ্য চালিত বা পারপাস ড্রাইভেন হয়ে কাজ করে?
৫৮. আপনি কি মনে করেন আপনা যে ধরনের কাজ পছন্দ করেন আপনি ঠিক সেই ধরনের ক্যা পাবার যোগ্য এবং সেই সাথে ভালো মাইনে বা বেতন পাবার মত যথেষ্ট যোগ্যতা আপনার আছে?
৫৯. আপনি কি অধিকাংশ সময়েই আত্মবিশ্বাসী থাকেন নিজের এবং নিজের কাজের সমন্ধে?
৬০. আপনার আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যাবার ক্ষেত্রে কোন জিনিষটা সব থেকে বেশি দোষী?
৬১. সেই জিনিষটা রিকভার করার চেষ্টা করেছেন কখনো, কিভাবে?
৬২. আপনি সবথেকে বেশি কিসে ভয় পান?
৬৩. লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য কি ধরনের নতুন আচরণ আপনাকে সাহায্য করতে পারে? 
৬৪. আপনি কি মনে করেন নতুন কিছু করার জন্য আপনি প্রস্তুত?
৬৫. কেন বা কেন নয়?
৬৬. অন্যেরা আপনার সফলতা নিয়ে আসলে কি ভাবে না ভাবে এসব বিষয়গুলো কি আপনি নিজের মনে প্রশ্রয় দেন?
৬৭. আপনি যখন আপনার ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো প্রকার সিদ্ধান্ত নেন, তখন কি এসব চিন্তা মাথায় আসে যে আপনার সিদ্ধান্ত অন্যেরা কি চোখে দেখবে?
৬৮. আপনি কি টাকার কাঙ্গাল নাকি ক্ষমতার?
৬৯. কেন বা কেন নয়?
৭০. আপনি আপনার ক্যারিয়ারে ঠিক যা চেয়েছিলেন আর আজ আপনি যেখানে আছেন এই দুটি বিষয় তুলনা করলে আপনি আপনার নিজেকে কি পরামর্শ দেবেন?
৭১. আপনি যদি উদ্দ্যোক্তা হয়ে থাকেন, তাহলে নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করুন যে আপনি সত্যি কি একজন উদ্দ্যোক্তা হবার যোগ্যতা রাখেন?
৭২. আপনার নিজের এই ব্যবসাটি পরিচালনার ক্ষেত্রে আপনার সবথেকে পছন্দের বিষয়টি কি?
৭৩. আর সবথেকে কোনটি বেশি অপছন্দের?
৭৪. আপনি কি সত্যি আপনার স্বপ্নের জবে নিযুক্ত?
৭৫. যদি না হয়ে থাকে, তাহলে আপনি এবার নিজেকেই প্রশ্ন করে দেখুন যে আপনার স্বপ্নের জব কি আসলে?
৭৬. আপনি কি অধিকাংশ সময়ই অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসি থাকেন নাকি আপনাকে এর পেছনে অনেক বেশি স্ট্রাগল করতে হয়?
৭৭. আপনি কি একা কাজ করতে ভালবাসেন?
৭৮. সেরা চিন্তাগুলো আপনার মাথায় কিভাবে আসে?
৭৯. কোথায় বসে এই সেরা চিন্তাগুলো আপনার মাথায় আসে?
৮০. আপনি যেই কাজ করেন সেই কাজে আপনি নিজেকে কতটা স্বয়ং সম্পূর্ণ মনে করেন?
৮১. যদি উত্তর না হয়ে থাকে, তাহলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কেন নয়?
৮২. কোনো কিছু চিন্তা করার জন্য আপনি নিজেকে কি যথেস্ট সময় দেন?
৮৩. সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে আপনি নিজেকে কতটা দক্ষ এক্সিকিউটিভ বলে মনে করেন?
৮৪. যদি আপনার সত্যি অর্থে দক্ষ না হয়ে থাকেন, তাহলে এই না হওয়ার পেছনে নিশ্চয় কোনো ক্ষোভ আছে আপনার, কি সেই ক্ষোভ?
৮৫. আপনি কি কখনো চেষ্টা করেছেন নিজের মন সেই ক্ষোভ তাড়াতে? কিভাবে?
৮৬. আপনার নিজের সমন্ধে সেই সাথে আপনার নিজের ব্যবসা নিয়ে আপনার কি স্বচ্ছ ধারণা আর সুস্পষ্ট দূরদৃষ্টিতা রয়েছে?
৮৭. আপনি যে কাজটি করেন সেটা কি আপনার সর্ব বৃহৎ শক্তিকেই প্রকাশিত করে?
৮৮. যদি তা না হয়ে থাকে তাহলে আপনি কি আপনার দুর্বলতার জায়গাগুলোতে অন্যদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে থাকেন?
৮৯. আপনার কর্মদক্ষতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধাগুলো কি কি? কোন ধরনের বাধাগুলো আপনাকে সব কিছু থেকেই পিছিয়ে রাখে?
৯০. কর্মক্ষেত্রের এই ধরনের বাধাগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য আপনি কি কোনো পরিকল্পনা বা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন?
৯১. যদি না হয়ে থাকে, তাহলে কেন নেয়া হয়নি এখনো?
৯২. যদি হ্যা হয়ে থাকে, তাহলে সেই পরিকল্পনা আর পদক্ষেপগুলো কি কি? শুরু করে দিয়েছেন নাকি এখনো হয় নি? আজ থেকে শুরু করতে পারবেন?
৯৩. সপ্তাহে একদিনের জন্য হলেও কি আপনি নিজেকে নিজের কমফোর্ট জোনে নিয়ে যান?
৯৪. আপনি কিভাবে বুঝতে পারেন যে আপনি দিনের পর দিন নিজের জন্য সময় বের করতে পারেন নি? নিয়ে যেতে পারেন নিজেকে নিজের কমফোর্ট জোনে?
৯৫. আপনি নিজেকে কতটা সফল মনে করেন?
৯৬. আপনার মতে সফলতার সংজ্ঞা কি?
৯৭. সেই সংজ্ঞা কি আপনাকে প্রভাবিত করে? সেটা কি আপনার চালিকাশক্তি?
৯৮. আপনার ব্যবসাতে বা কর্মক্ষেত্রে সেই চালিকাশক্তিগুলো কি কখনো কাজে লাগিয়েছেন?
৯৯. যদি না এনে থাকেন, তাহলে প্রতিদিনের কাজে বা কর্মক্ষেত্রে সেগুলো আনতে বলা হলে আপনি কিভাবে সেগুলোর প্রয়োগ করবেন?
১০০. নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করে আপনি কি শিখলেন নিজের জীবন সমন্ধে? এবং উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তরের মধ্যে দিয়ে কি চিত্র পেলেন শেষ পর্যন্ত নিজের বর্তমান অবস্থান সমন্ধে? জানতে পারি কি?
 
জানাতে না চাইলে দরকার নেই, তবে অন্যকে না জানালেও নিজে জানুন, ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন বর্তমান অবস্থান সমন্ধে।  যাচাই করে দেখুন নিজেকে, বদলে ফেলুন যা কিছু বদলানোর, ভালো প্রাপ্তিগুলোকে উন্নত করুন আরো বেশি, অন্তত ধরে রাখার চেষ্টা করুন। দেখবেন, কতটা শান্তি পাচ্ছেন মনে। ব্যাস ! আর কি, হয়ে গেলো না মুশকিল আসান। 
*আত্মবিশ্বাস* *সাফল্য* *আত্মৌন্নয়ন*

নিরাপদ নিউজ: আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলুন বিজ্ঞানের সাহায্যে! আয়নার সামনে দাড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা দৃঢ় কন্ঠে নিজের সামনে কথা বলে যেতে পারলেও মঞ্চে ওঠার পরপরই হাতের আঙ্গুলগুলো কেমন যেন ঠান্ডা হয়ে যায় অনেকের... আসুন আত্মবিশ্বাস বাড়াই - http://bit.ly/1ZMQIn9

*আত্মবিশ্বাস* *যান্ত্রিকজীবন* *আড্ডা* *বেশম্ভব*

দস্যু বনহুর: [বোতলবাজি-আউলাইসনামামা] একজন পিছিয়ে পরা মানুষ, যার কোন উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নেই কিন্তু একটি আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি আছে, বিশ্বাস করতে পারে যে, সে দ্রুত কর্মদক্ষতার উন্নয়ন ঘটিয়ে সামনে আসবে। তার এই বিশ্বাস যদি সত্যে পরিণত হয়, তবু বলা যাবে না- মানুষটি নিশ্চিত করে ‘জানতো’ সে জয়ী হবে। কেননা এটি ছিলো মানুষটির যাচাইশূন্য বিশ্বাস। এটাই আত্মবিশ্বাস।

*আত্মবিশ্বাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

না না সোনা আর কাঁদে না। ওলে ওলে আমার বাবুটা কি হয়েছে বাবা? শিশু কাঁদলেই বাবা মা এধরনের আদর সোহাগ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কি করলে শিশুর কান্না বন্ধ হবে সেই নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বাড়ির সবাই। খেলনা দিয়ে, খাবার দিয়ে, কোলে নিয়ে, যতভাবে সম্ভব শিশুকে থামানোর চেষ্টা করা হয়। 

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বিষয়টির সম্পূর্ণ বিপরীতে।  তাঁদের মতে কান্না শিশুকে করে আত্মবিশ্বাসী। শুনতে অবাক লাগলেও এই কথাই প্রমান করেছেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক।

তাঁরা বলেছেন, শিশুরা কাঁদতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে শান্ত না করে কিছুক্ষণ কাঁদতে দেওয়া ভালো। তাতে পরে শিশুর ঘুম ভালো হয়। শিশুকে মাঝে মাঝে প্রতিকুল অবস্থাতেও ফেলে দিতে হয় এবং পর্যবেক্ষণ করতে হয়। তাতে শিশুরা নিজে সেই অবস্থার মোকাবিলা করে আত্মনির্ভর হতে শেখে। ‘পেডিয়াট্রিকস’ নামক একটি জার্নালে একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার সাত মাস থেকে ছয় বছর বয়সী ৩২৬টি শিশুর উপরে একটি গবেষণা করা হয়। গবেষকদের মধ্যে প্রধান মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডক্টর আন্না প্রাইস জানিয়েছেন, কোনও ধরণের প্রতিকূল অবস্থা ছাড়া যেসব শিশু বেড়ে উঠেছে তাদের আচরণে কিছু অস্বাভাবিকত্ব রয়েছে যা বাধাপ্রাপ্ত শিশুদের মধ্যে নেই।

(গবেষণা তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া)
*আত্মবিশ্বাস* *শিশুরযত্ন* *কান্না* *গবেষণা*

মুস্তাফা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে আত্ম-বিশ্বাস বাড়ানো যায়?

উত্তর দাও (১৪ টি উত্তর আছে )

*আত্মবিশ্বাস* *মনোবল*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আত্মবিশ্বাস
কেউ যখন নিজের প্রতি নিজেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে তখন তাহার দ্বারা অতি সহজ কাজও কঠিন হয়ে পড়ে
*বিশ্বাস* *আত্মবিশ্বাস*

অর্ঘ্য কাব্যিক শূন্য: একটি বেশব্লগ লিখেছে

  

  

  
*আত্মবিশ্বাস* *পার্থক্য*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★