আদা

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে আদা অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি ভেষজ। নিয়মিত কাঁচা আদা খাওয়ার অভ্যাসের নানা প্রকার উপকারী দিক রয়েছে। কাঁচা আদা চিবিয়ে ও রস করে মধুর সাথে এবং রান্নায় ব্যবহার করা ছাড়াও আদা বিভিন্নভাবে খাওয়া যেতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে শরীরের বেশ কিছু সমস্যা প্রতিরোধ ও নিরাময় করে আদা। তবে সুফল যেমন আছে কয়েকটি ক্ষেত্রে আবার আদার ব্যবহার হানিকারকও । এমনও আছে যাদের আদা খাওয়াই উচিত নয়।

আসুন জেনে নেই কারা তারা –

♦  কম ওজন : আদা ওজন কমাতে সাহায্য করে। ক্ষুধা কমায় এবং দেহের অত্যধিক ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। কম ওজনের ব্যক্তিদের তাই আদা খাওয়া উচিত নয়। এতে তাঁদের স্বাস্থ্য আরও ভেঙে পড়তে পারে।

♦ চিকিৎসা চলছে যাদের: ডায়াবেটিস যাদের আছে তাদের বেশি আদা খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া যারা রোগের কারণে চিকিৎসাধীন তাদের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থেকেই আদা খাওয়া উচিত কারণ আদা সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

♦ অন্তঃসত্ত্বা:  গর্ভবতী মায়েদের সকালবেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে সকালবেলা শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করবে এ সমস্যা। তবে এই আদা অনেকসময় জরায়ুর সংকোচন ঘটাতে সাহায্য করে। অপরিণত অবস্থায় জরায়ুর সংকোচন মা এবং বাচ্চা দু’জনের পক্ষেই ক্ষতিকর। তাই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের আদা এড়িয়ে চলাই ভাল। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া যেতে পারে।

♦ রক্তের সমস্যা : রক্তের প্রবাহ অনেকাংশে আদার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আদায় রয়েছে ক্রোমিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্ক। এ উপাদানসমূহ রক্ত প্রবাহের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। তাই যাদের রক্তের সমস্যা আছে,বিশেষ করে হিমোফিলিয়ায় আক্রান্তরা আদা এড়িয়ে চলুন।

*আদা* *কাঁচাআদা*

ABDUL AOAL: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কাচা আদা খেলে কি হয়?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*আদা* *কাঁচাআদা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আদায় কি কি পুষ্টি উপাদান রয়েছে? আদার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*আদা* *স্বাস্থ্য-উপকারিতা* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আদা মানেই নানা গুণে ভরপুর। কেন? জেনে নিন তাহলে ডায়েটে আদা কতটা জরুরি।
সর্দি-কাশি উপশমে
• জ্বর, ঠান্ডা লাগা, ব্যথায় আদা উপকারী। কারণ আদায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা বডি টেম্পারেচারে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। শীতকালে ঠান্ডার সময় তাই জিঞ্জার টি খেতে পারেন।
• সিজ়ন চেঞ্জের সময়ে অ্যাজ়মা, মাইগ্রেনের মতো সমস্যা প্রায়শই দেখা যায়। এই সময়ে ডায়েটে আদা রাখুন। সর্দি-কাশির প্রকোপের সময় মুখে আদা রাখলে, আরাম পাবেন।
• গা গোলানো ও বমিভাব থেকে রেহাই পেতে কয়েক কুচি আদা চিবিয়ে খেয়ে দেখুন। সমস্যা অনেকটা কমবে।
হার্ট ভাল রাখতে
• আর্টারি ওয়ালে ব্যাড কোলেস্টেরল ও ফ্যাটি অ্যাসিড জমে করোনারি হার্ট ডিজ়িজের সমস্যা দেখা যায়। ফলে রক্ত চলাচলে অসুবিধে দেখা যায়। আদা রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। লিভার ও ব্লাডে কোলেস্টেরল অ্যাবজ়র্বশন কম রাখতে আদা সাহায্য করে।
• গবেষণায় জানা গিয়েছে যে অতিরিক্ত ওজন ঝরাতেও আদা সাহায্য করে। টিস্যু বেশি এনার্জি ব্যবহার করায়, বেশি ক্যালরি বার্ন হয়।
• অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আদা ক্যানসার ও হার্টের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ওভারিয়ান ক্যানসার প্রতিরোধে আদা উপকারী।
অন্যান্য পজ়িটিভ দিক
• আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় ভুগলে সারা দিনের খাবারে অল্প পরিমাণে আদা রাখার চেষ্টা করুন। আদা দিয়ে চা খেতে পারেন, স্যালাডে আদার সরু, লম্বা কুচি মেশাতে পারেন। ব্যথার সমস্যা ধীরে ধীরে কমবে। ঘন ঘন পেনকিলার খাওয়ার অভ্যেস কমিয়ে হার্বাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি হিসেবে আদা খেয়ে দেখতে পারেন।
• পিরিয়ডের সময় পেটে ক্র্যাম্পের সমস্যায় প্রায় নাজেহাল হতে হয়। সে ক্ষেত্রে আদা থেঁতো করে, সামান্য নুন দিয়ে খেতে পারেন।
• প্রেগনেন্ট মহিলাদের মর্নিং সিকনেসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
• হজমে সাহায্য করে।
• গবেষণায় জানা গিয়েছে হার্বাল ওষুধ তৈরিতে জিঞ্জার রুটস ব্যবহার করা হয়। আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে জিঞ্জার অয়েল উপকারী।

১০০ গ্রাম আদায় রয়েছে
এনার্জি ৮০ ক্যালরি
কার্বোহাইড্রেট ১৭ গ্রাম
ফ্যাট ০.৭৫ গ্রাম
পটাশিয়াম ৪১৫ মিলিগ্রাম
ফসফরাস ৩৪ মিলিগ্রাম

সার্ভিং টিপস
• আদায় সামান্য জল দিয়ে থেঁতো করে নিন। এই থেঁতো করা আদার রস ও পাল্প গরম জলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। চা বা কারি বানানোর জন্যে এই জল ব্যবহার করুন।
• আদা কুরিয়ে, সামান্য লেবুর রস মেশান। ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক ভাল রাখতে এই মিশ্রণ খুব ভাল কাজ করে।
• সারা দিনে ৫০ গ্রাম আদা খেতে পারেন।পাউডারড জিঞ্জার ১/২ চামচ করে দিনে ৩ বার খেতে পারেন।
স্টোরেজ টিপস
আদার খোসা ছাড়িয়ে, ধুয়ে নিয়ে প্লাস্টিকে র্যাপ করে বা এয়ারটাইট বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখুন। বেশিদিন ফ্রেশ থাকবে। ব্যবহারের সময়ও সুবিধে হবে।

সতর্কতা
•গলস্টোনের সমস্যা থাকলে কত পরিমাণ আদা খাবেন, ডাক্তারের থেকে জেনে নিন। কারণ আদা বাইল ফ্লো বাড়াতে সাহায্য করে।
•প্রেগনেন্সির সময় সারাদিনে ২৫০ গ্রামের বেশি আদা খাবেন না। এবিষয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
(সংকলিত)
*আদা* *হেলদিফুড*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চা আমার প্রিয় পানীয়। প্রতিদিন সকালে এককাপ চা ছাড়া আমার  চলেই না। বাড়িথেকে বের হওয়ার আগে এককাপ গরম গরম রং চা চাই-ই-চাই। বিশেষ করে আদা, পুদিনা ও লেবু রস মিশিয়ে রং চা তৈরী করা হয়। চলুন রং চা তৈরীর উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালি জেনে নেই।


প্রয়োজনীয় উপকরনঃ
(পরিমান আপনি কাপের সাইজ বা কত কাপ বানাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করবে)
- চা পাতা (লিকার কড়া হলে ভাল)
- আদা কুচি
- পুদিনা পাতা
- লেবু কুচি
- চিনি (চিনি কম ব্যবহার ভাল)
- চরম গরম পানি


প্রণালীঃ

কাপ নিয়ে তাতে পরিমান মত চিনি, আদা কুচি, পুদিনা এবং লেবু কুচি দিয়ে হাফ কাপ চরম গরম পানি দিয়ে সামান্য কিছুক্ষন রাখা হয় (দুই তিন মিনিট তো হবেই, তাড়া না থাকলে আরো কিছুক্ষন রাখলে আরো স্বাদ বের হবে)।

এবার চা পাতা থেকে বানানো কড়া লিকার নিয়ে হাফ কাপ দেয়া হয় এবং চামচ দিয়ে এবার কড়া একটা ঘুর্নি (ভাল শব্দ পাচ্ছি না) দেয়া হয়, ভাল করে মিশানোর জন্য এটা করা হয়ে থাকে।

ব্যস আদা, পুদিনা ও লেবু চা প্রস্তুত। ফু দিয়ে মুখে  চুমুক দিয়ে দেখুন।
জীবনে অনেক চা খেয়েছেন, এমন চা খেলে আমি নিশ্চিত ভুলতে পারবেন না। আর মাঝে মাঝে মুখে যাবে আদা কুচি (চিবান), পুদিনা পাতা (চিবান), লেবু কুচি (চিবান)। আহ…।
*সংকলিত*
*গরমপানীয়* *আদা* *চা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★