আন্দোলন

আন্দোলন নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্কুল থেকে বেরিয়ে বাসের জন্য সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো কয়েকজন শিক্ষার্থী ও তাদের গার্জিয়ানসহ আরও অনেকেই। জাবালে নূর দুই বাসের প্রতিযোগিতায় এক বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উঠে গেলো তাদের উপর। স্পটেই প্রাণ গেলো তিন শিক্ষার্থীর! ১০ জনের মতো আহত। রেডিসনের সামনে এখন স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা পথরোধ করে ভাঙচুড় করছে, চলছে প্রতিবাদ। ঢাকায় একের পর এক এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এখন প্রতিবাদের ঝড়।

কিন্তু আমরা এই প্রতিবাদ কার কাছে জানাচ্ছি? মন্ত্রী-মিনিস্টারদের কাছে? বড় বড় আমলাদের কাছে? কিন্তু তাদের সন্তান বা নাতি পুতিদের তো কখনই এভাবে রাস্তার পাশে বাসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হয়নি, হবেও না। তাহলে তারা কি এই সমস্যাগুলো উপলব্ধি করতে পারবেন? বা পারেন কখনও?

জ্যামে পড়ে আমাদের কতোটা সময় নষ্ট হয়। কতোগুলো এম্বুল্যান্সের ভেতরে রোগীদের স্বজনরা আটকা পড়ে ছটফট করতে থাকেন, কতোগুলো গুরতর আহত মানুষ হসপিটাল যেতে যেতে পথেই মারা যান। যারা কোনোদিন জ্যামে পড়েননি এবং পড়বেও না, তারা কি সে যন্ত্রণাটা কিঞ্চিত উপলব্ধি করতে পেরেছেন কখনও?

তারা কখনও চিন্তিত হন এভাবে যে, আমার ছেলেটা বা নাতিটা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে পারছে তো? রাস্তায় কোনো বাস চাপা দেয়নি তো? এভাবে কি তারা কোনোদিন ভেবেছেন? আমি জানি না। এসব বাস চাপা, দুর্ঘটনা, মৃত্যু, ধর্ষণ তাদেরকে কি আসলেই কখনও চিন্তিত করেছিলো? নাকি উপদেষ্টার শেখানো বয়ান মিডিয়ার সামনে দিয়ে তারা দায় ঝেরে ফেলেন?

আপনি পাঁচটা কাচামরিচ চিবিয়ে খেয়ে মুখ লাল করে ঘামে ভিজে আরেকজনকে যতোই লিখে আর চিৎকার করে ঝালের বিবরণ দেন না কেনো! মরিচে কামড় না দেয়া পর্যন্ত কেউ আসলে বুঝতে পারবে না, ঝাল ব্যাপারটা কেমন! বরং যে কখনও মরিচে কামড় দেয়নি, তারকাছে মনে হতে পারে, দু একটা মরিচে কামড় দিলে কী এমন হয়ে যায়!

আমরা তাই সারাজীবন ঝাল খেয়ে এভাবে প্রতিবাদই করে যাবো, ঝাল ঝাল বলে চিৎকার করে যাবো। কিন্তু যারা কখনও ঝাল খায়নি, তাদেরকে কখনও ঝালের ভয়াবহতা বুঝাতে পারবো না আমরা। তারাও কখনো ঝাল খেতে আসবেন না আমাদের সাথে। তাদের ঝাল খেতে হয় না। ঝালের পাশ দিয়েও যেতে হয় না তাদের..

*ছাত্র* *আন্দোলন* *ইতিহাস* *মৃত্যু*

বিম্ববতী: [বাকের-কুনোচিন্তাকরবানা] (ডুগডুগি) (দেবী) (আতশবাজি) Saturday, August 20 at 10 AM - 7 PM in UTC+06 (ঢাক) (দেবী) (প্রদীপ) https://www.facebook.com/events/534489970087710/

*সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন* *গণ-অবস্থান* *প্রতিবাদ* *আন্দোলন*

বিম্ববতী: "উন্নয়ন’ শব্দটা আমাদের নিকট যতটা পরিচিত ঠিক ততটাই অনুচ্চারিত-প্রকৃত অবস্থা জেনে নিতে অতি জরুরী প্রশ্নগুলো,কার উন্নয়ন?কীসের উন্নয়ন?উন্নয়ন কী কেবলই আকাশ চুম্বী দালান?নাকি শুধুই ছুটে চলা ফ্লাইওভার?নাকি বন উজাড় করা বিদ্যুৎ প্রকল্প?উন্নয়নের বেলুনে চড়ে ভেসে বেড়ানোর কালে অতি জরুরী এই প্রশ্নগুলো করা দরকার বার বার" (দেবী) পারলে ঠেকা (দেবী),,,ইতিহাস দেবে অমরতা নিরবধি (দেবী) https://www.facebook.com/deceptionofdevelopment/videos/210283232707616/?pnref=story

*উন্নয়ন* *ফুলবাড়ী* *উচ্ছেদ* *আন্দোলন* *প্রতিবাদ* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১৭৩০ সালে মহারাজা অভয় সিংহের শখ হলো একটি নতুন প্রাসাদ বা দুর্গ নির্মাণের। এ জন্য প্রয়োজন হয় প্রচুর কাঠের। ভাদ্রের এক দুপুরে রাজ-কাঠুরেদের দল গাছ কাটতে গেল রাজস্থানের খেজরালি গ্রামের এক বনে। কিন্তু জঙ্গলের গাছকে বিশনোই সম্প্রদায়ের মানুষ তো তাদের সন্তান হিসেবে দেখে । রাজ-কাঠুরেরা জঙ্গলে পা দিতেই তাই খেজরি গ্রামের অমৃতাদেবী বেনিওয়াল ছুটে গিয়েছিলেন বৃক্ষ-নিধন রুখতে। তিনি কাঠুরেদের গাছ না কাটার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু কাঠুরেরা শোনে না। তখন অমৃতাদেবী গাছকে জড়িয়ে ধরে -বলে, তার ওপর কুড়াল না চালিয়ে কেউ গাছ কাটতে পারবে না। রাজস্থানের লোকগীতিতে এখনও ভেসে বেড়ায় তাঁর সেই উক্তি ‘এক জনের প্রাণ দিয়ে যদি বন বাঁচে, তবে তাই হোক’। এর পর কাঠুরেরা আর দেরি করেনি। ওই মহিলার উপরেই কুড়ুল চালিয়ে শুরু হয় গাছ কাটা। বন বাঁচাতে মায়ের আত্মদান দেখে অমৃতাদেবীর তিন মেয়ে, আশু, রত্নি, ভাগুও দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরেছিল গাছ ও আশপাশের ৮৩টি গ্রামের মানুষ একই ভাবে এগিয়ে আসে বন-বাঁচাতে। কুড়ুলের ঘা নেমে আসে তাদের উপরেও - রক্তে ভিজে যায় খেজরির জঙ্গল। একে একে প্রাণ হারান ৩৬৩ জন গ্রামবাসী।


রাজস্থানের এই রূপকথাটি ভারতের উত্তরখণ্ডের গারওয়াল হিমালয় উপত্যকাবাসী নারীদের জানা ছিল কি না কে জানে! কিন্তু ১৯৭৪ সালে তারাই ঘটিয়ে ফেলে এমন একটি ঘটনা। আজকের দিনে ১৯৭৪ সালের ২৬শে মার্চ উত্তরাখণ্ডের গাড়োয়াল হিমালয় অঞ্চলে রাজ্য বনদফতরের গাছ কাটার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন রেনি গ্রামের ২৭ জন মহিলা। এঁদের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় বাসিন্দা গৌরা দেবী। এটি চিপকো আন্দোলন নামে পরিচিত।সেখানকার বন বিভাগ টেনিস রেকেট তৈরির জন্য এলাহাবাদের খেলাধুলার সামগ্রী তৈরির প্রতিষ্ঠান সাইমন্ড কম্পানির ঠিকাদারদের ৩০০ গাছ কাটার অনুমতি দেয়। ঠিকাদাররা গাছ কাটতে এলে এ অঞ্চলের চামোলি জেলার হেমওয়ালঘাটি এলাকার রেনি গ্রামের একদল গরিব কৃষিজীবী নারী রুখে দাঁড়ায়। তাদের নেতৃত্ব দেন ৫০ বছর বয়সী বিধবা নারী গৌর দেবী। তিনি ছিলেন ওই দলের প্রধান। প্রথম প্রতিরোধের দিন পুরুষরা কেউ বাড়িতে ছিল না। নারীরা প্রথমে ঠিকাদারের লোকজনকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে গাছ কাটতে নিষেধ করে। কিন্তু তাতে কাজ হয় না, উল্টো ঠিকাদারের লোকজন তাদের গালাগাল করে এবং গুলি করার ভয় দেখায়। তখন নারীরা কাটার জন্য চিহ্ন দেওয়া গাছগুলো জড়িয়ে ধরে ঘোষণা করে, তাদের হত্যা না করে কেউ একটি গাছও কাটতে পারবে না। এভাবে সারা রাত তারা গাছগুলো আগলে রাখে। নারীদের নিরস্ত্র-ঐক্যবদ্ধ-দৃঢ় প্রতিরোধের মুখে ঠিকাদারের লোকজন শেষ পর্যন্ত পিছু হটে। চার দিন পর তারা এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এ আন্দোলন চিপকো নামে ছড়িয়ে পড়ে। চিপকো গাড়োয়ালি ভাষার শব্দ। এর অর্থ আলিঙ্গন।

----------------------------------------(সংগৃহীত)

 

,,,,,(বৃষ্টি),,,পৃথিবীর কোনো কিছু ই প্যাশন ছাড়া হয় না,,,,,আমরা কি আদৌ পারবো এইভাবে আলিঙ্গন করে আমাদের সুন্দরবন বাঁচাতে???,,,,নাকি আমরা শক্তিহীন,,,,অথর্ব???,,,(বৃষ্টি),,,,,,

*সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন* *আলিঙ্গন* *আন্দোলন*

দস্যু বনহুর: [বাঘমামা-কোপা] *সুন্দরবন* বাঁচাতে *গনপ্রতিরোধ* চাই। স্থানীয় জনতার সাথে *বুদ্ধিবৃত্তিক* ফোর্স এর মেলবন্ধনেই তা একমাত্র সম্ভব। মূল ধারার *রাজনীতিবিদ*রা যখন এর *প্রতিবাদ* করবেনা, আর কথিত *বুদ্ধিজীবি*রা যখন এসব নিয়ে লিখলে তাদের বুদ্ধি ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকায় আছেন তখন স্থানীয় গণমানুষের *দেশপ্রেম* আর *সচেতন* নাগরিক শক্তির *ঐক্যবদ্ধ* *আন্দোলন* ছাড়া সুন্দরবন রক্ষা করা যাবেনা।

*গনপ্রতিরোধ* *বুদ্ধিবৃত্তিক* *প্রতিবাদ* *দেশপ্রেম* *সচেতন* *ঐক্যবদ্ধ* *আন্দোলন*

অন্তু: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ছোট ছোট কোমলমতি ছেলেদের যারা রাজপথে নিয়ে আসে তাদের মনমানসিকতা কেমন হবে সেটা অজানা নয় (রাগী)
*আন্দোলন*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

(মেঘ),,সময়টা ১৯৮৩। ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ছাত্র জমায়েত। মজিদ খানের শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দী মুক্তি ও জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে এই ছাত্র জমায়েত। সেটাই পরিণত হল বুট ও বুলেটের দমনে পিষ্ট জসতার এক বিরাট প্রতিরোধে। জাফর, জয়নাল, কাঞ্চন, দিপালীসহ সারাদেশে প্রাণ দিল ১০ জন। সেই থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি হয়ে ওঠে মুক্তিকামী মানুষের প্রতিরোধ চেতনার দিন। দিনটি পালিত হতে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসাবে,,(মেঘ),,,

একাত্তরে মানুষ অকাতরে রক্ত দিল মুক্তির জন্য। কিন্তু বিনিময়ে পেল নতুন এক ফ্যাসিস্ট শাসন। শাসক শ্রেণীর দল-উপদলগুলোর মধ্যে প্রথম দিন হতে শুরু হয় ক্ষমতার জন্য কামড়াকামড়ি। বাকশালী শাসন, সামরিক গণতন্ত্র শেষে শাসক শ্রেনী জনগণকে উপহার দিল সামরিক স্বৈরাচার। দেশে এখন চলছে পার্লামেন্টারি স্বৈরাচারের দিন। আগুনে পুড়িয়ে ও নির্বিচারে গুলি করে শ্রমিক হত্যা, ক্রসফায়ারের নামে আইনি খুন, রূপগঞ্জ-আড়িয়াল বিলে ভুমি দখল, পাহাড়ে গনহত্যা, উপনিবেশিক শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন, ভারতের সাথে তাবেদারীর চুক্তি, কয়লা নীতি, মডেল পিএসসি-র মধ্য দিয়ে বিদেশীদের হাতে দেশের জাতীয় সম্পদ তেল-গ্যাস-কয়লা তুলে দেয়া দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, পাকিস্তান কালেও এ দেশে যা সম্ভব হয়নি সেই মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এমন নতুন নতুন আইটেম যুক্ত হয়ে শাসক শ্রেনীর স্বেচ্ছাচারিতা চরমে পৌঁছেছে। 

দেশে যখন জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম দানা বাঁধতে শুরু করেছিল তখন পাকিস্তানি শাসক শ্রেণী জাতির চেতনাকে নড়বড়ে করে দেয়ার চেষ্টা করেছে। ভাষা-শিক্ষা-সংস্কৃতির উপর আগ্রাসন চালিয়ে। তারা বিজাতীয় ভাষা উর্দু চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমরা লক্ষ্য করলাম, তেমনি ভাবে পার্লামেন্টারি স্বৈরাচারের আমলে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস-এর চেতনাকে ধ্বংস করতে উদ্যত হল শাসক শ্রেণী,,,(মেঘ),,

,,,(মেঘ),,সামরিক স্বৈরাচারের কয়েক বছর না যেতেই ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসাবে পালনের জন্য শাসক শ্রেণীর অন্যতম মুখপত্র যায়যায় দিন প্রচার শুরু করে। পাকিস্তানিরা ’৫২তে ব্যর্থ হলেও, ক্যাবল আর স্যাটেলাইট চ্যানেলের কল্যাণে এবার শাসক শ্রেণী সফল হয়েছে। তারা ‘আমি আর তুমি’-র মত চরম স্বার্থপর, সমাজ বিচ্ছিন্ন চেতনা যুব সমাজের মধ্যে চাপিয়ে দিতে পেরেছে। প্রেম-ভালবাসার মত স্বাভাবিক সম্পর্ককে অতিপ্রাকৃত বিষয়ে পরিণত করে আফিম নেশার মত বুঁদ করে ফেলেছে। ভোগবাদ আজ তাদের আদর্শ। 

শাসক শ্রেণী এ থেকে লাভ তুলে নিচ্ছে দু’ভাবে; সমাজের সবচেয়ে প্রাণবন্ত লড়াকু অংশ যুব সমাজকে মুক্তির লড়াই থেকে বিচ্ছিন্ন, নির্জীব করে ফেলে এবং দিনটিকে বাণিজ্যের মহোৎসবে পরিণত করে,,,(মেঘ),,

এদেশ, জাতি ও জনগণ মুক্তি পায় নাই কিন্তু তার মুক্তির আকাঙ্খা কখনো দমে নাই। তার লড়াই কখনো থামে নাই। তাই মুক্তিকামী জনতা, আসুন, 

,,,(বৃষ্টি),,,,,ভ্যালেন্টাইনস ডে নামক গণবিরোধী, সাম্রাজ্যবাদী সংস্কৃতি প্রত্যাখান করি,,,,,(বৃষ্টি),,,,,

,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,বিপরীতে ১৪ ফেব্রুয়ারি “স্বৈরাচার প্রতিরোধ” দিবস হিসাবে পালন করি,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,,,

,,(বৃষ্টি),,,,,স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই ও মুক্তির চেতনাকে উঁচুতে তুলে ধরি,,,,,(বৃষ্টি),,,,,

,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য নির্মাণ করি নতুন সংস্কৃতি,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,

--------প্রগতির পরিব্রাজক দল (প্রপদ) 
কেন্দ্রীয় কার্যালয়: ডাকসু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। 

হতে - http://www.somewhereinblog.net/blog/Propod/29325334
*স্বৈরাচার-প্রতিরোধ-দিবস* *স্বৈরাচার* *প্রতিরোধ* *দিবস* *সংস্কৃতি* *ভাষা* *আন্দোলন*

Risingbd.com: ধর্ষণের পরের জীবন... ২০১২ সালে দিল্লিতে এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার পর দেশটিতে আন্দোলনের ঝড় ওঠে। সে সময় দেশটিতে...বিস্তারিত- http://bit.ly/1VqIC29

*ধর্ষণ* *যান্ত্রিকজীবন* *ভাগ্য* *আড্ডা* *আন্দোলন*
ছবি

নিউজ ফ্ল্যাশ: ফটো পোস্ট করেছে

ভ্যাট নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ (নাআআআ)(ব্যাপকটেনশনেআসি)(ব্যাপকটেনশনেআসি৩)

টিউশন ফি থেকে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের দাবি ও আন্দোলনরত ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ‘শিক্ষা কি পণ্য, ভ্যাট কি জন্য’—ব্যানার নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ধানমন্ডির স্টেট ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় ও সিলেট সুরমা পয়েন্টে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসহ সারা দেশে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষার্থীরা।

*বিক্ষোভ* *আন্দোলন* *ভ্যাট-বিরোধী-আন্দোলন* *চটখবর*

রং নাম্বার: আমাদের পুলিশ ভাইয়েরা বরই বেরসিক| ফুলের টব ছোরার বদলে কেউ এমন করে চুল ধরে ! আচ্ছা সভ্য দেশে পুলিশের গাড়িতে আক্রমন করলে তার তাত্ক্ষণিক পুলিশের অ্যাকশন কি হতো? ১/ আন্দোলনের নামে মানুষের সম্পদ নষ্ট করা এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ ২/ আন্দোলন কারিনীর প্রতি পুলিশের আচরণ কোনটাই সমর্থন যোগ্য নয় |

*আন্দোলন* *বিক্ষোভ* *নারী* *আইন*

উদয়: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 জানতে চাই ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের অবদানের কথা?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*প্রীতিলতাওয়াদ্দেদার* *ব্যক্তিত্ব* *আন্দোলন* *নারীশক্তি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

1973 - থাইল্যান্ড ("অক্টোবর রাইজিং";)
1974 - পর্তুগাল (কার্নেশন বিপ্লব)
1981-1989 - পোল্যান্ড (সংহতি)
1986 - ফিলিপিনো (মানুষ-ক্ষমতা বা হলুদ বিপ্লব)
1987-1989 - এস্তোনিয়া-লিত্ভা-লাটভিয়া (গাওয়া বিপ্লব বা বাল্টিক ওয়ে)
1989 - চেকোস্লোভাকিয়া (মখমল বিপ্লব)
1989 - বুলগেরিয়া
1989-1990 - পূর্ব জার্মানি
2000 - যুগোস্লাভিয়া (বুলডোজার বিপ্লব)
2003 - জর্জিয়া (রোজ বিপ্লব)
2004 - ইউক্রেন (কমলা বিপ্লব)
2005 - লেবানন (সিডার বিপ্লব)
1976 - থাইল্যান্ড
1988 ও 2007 - মায়ানমার
1989 - চীন (তিয়েনআনমেন স্কয়ার)
2008 - তিব্বত
1960-1994 - বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা সংগ্রাম
1978-1979 - ইরান (ইসলামী বিপ্লব)
2005 - কিরগিজস্তান (টিউলিপ বিপ্লব)
1978-88 - আফগানিস্তান (সোভিয়েত ইউনিয়ন বনাম)
1979 - নিকারাগুয়া 
1989 - রুমানিয়া
*বিপ্লব* *আন্দোলন* *অজানাতথ্য*
*আন্দোলন*

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
২০ দলের এনালগ আন্দোলনঃ অবরোধ, হরতাল, ছাত্র ধর্মঘট, জাব্লাও, পোড়াও ইত্যাদি। সরকারের ডিজিটাল আন্দোলনঃ ভাইবার, লাইন, হোয়াটস এপ ইত্যাদি বন্ধ; মিডিয়া প্রচার, ডিজিটাল টক শো, ডিজিটাল অস্ত্রের ব্যবহার ইত্যাদি। জনগণের আন্দোলনঃ এখনো শুরু হয় নাই পুরাপুরি!!!!!!!!!!!!!!!!
*রাজনীতি* *আন্দোলন* *জনগণ*
জোকস

নাহিয়ান সেজান: একটি জোকস পোস্ট করেছে

মেয়েরা আন্দোলনকারী জাতি! (থাম্বসআপ) তারা তাদের জন্মলগ্ন থেকেই সমঅধিকারের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে! (ভালো) কিন্তু শুধুমাত্র 'রেষ্টুরেন্টের বিল পের' ক্ষেত্রেই তারা ছেলেদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে! (হাসি২) এই একটা ব্যাপারেই তারা কখনো সমঅধিকার দাবি করেনা! (বেইলনাই) এতে সূত্রেরও পরিবর্তন ঘটে , পরিবর্তিত সূত্রটি হয় 'Boys first' !! (খিকখিক)
*আন্দোলন* *রেস্টুরেন্ট* *অধিকার*

রুপন্তি: বেগম রোকেয়া *নারীশিক্ষার* জন্য আপনার *আন্দোলন* বৃথা হয়ে গেল ...কেননা বাংলাদেশের ২ নেত্রীর বদৌলতে বর্তমানে মেয়েদের *স্কুল* কলেজে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে (ফুঁপিয়েকান্না)

*নারীশিক্ষার* *আন্দোলন* *স্কুল*
সাক্ষী

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি ঘটনা জানাচ্ছে

আবারো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে ফের সোচ্চার হয়েছে সেখানকার শিক্ষকদের একাংশ। এভাবে বার বার আন্দোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষা পদ্ধতি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা জীবন।
*আন্দোলন* *বিশ্ববিদ্যালয়*

নাকিব ওসমান : আজ ১১ই আগস্ট, *ব্রিটিশবিরোধী* *আন্দোলন* এর সর্বকনিষ্ঠ *বাঙালি* *বিপ্লবী* ক্ষুদিরাম বসু -এর ১০৪তম *মৃত্যুবার্ষিকী* (শোক)। ১৯০৮ সালের এই দিনে তাঁর ফাঁসি হয়...(মনখারাপ) এই মহান বিপ্লবী বীর কিশোরকে বিনম্র *শ্রদ্ধা* ও স্বশ্রদ্ধ সালাম জানাই (শ্রদ্ধা-১)(শ্রদ্ধা-২)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★