আফ্রিকা

আফ্রিকা নিয়ে কি ভাবছো?

আড়াল থেকেই বলছি: [বল্টু-স্ক্রুঢিলা]সব কিছুই পাবেন তবে একটা সুন্দরী খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট করতে হবে বৈকি ..

*আফ্রিকা*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। উঁচু পর্বত আর মরুভূমি দিয়ে গড়া একটি রুক্ষ দেশ। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৭০টিরও বেশি জাতিগত ও ভাষাগত গোষ্ঠীর মানুষের বাস।

বিংশ শতাব্দী পর্যন্তও দেশটি আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল। আফ্রিকার অন্যান্য দেশের তুলনায়, ইথিওপিয়া আফ্রিকার প্রাচীনতম স্বাধীন রাষ্ট্র। প্রথম শতাব্দীতে এখানে আকসুম নামের একটি শক্তিশালী খ্রিষ্টান সাম্রাজ্যের পত্তন হয়। ১৬শ শতকের পরে ইথিওপিয়া অনেকগুলি ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত হয়ে যায়। ১৮৮০-র দশকে রাজা ২য় মেনেলিক-এর অধীনে এগুলি পুনরায় একত্রিত হয়। ১৯৫০-এর দশক থেকে ইরিত্রিয়া ইথিওপিয়ার একটি অংশ ছিল, কিন্তু ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে ইরিত্রয়া বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে।

দেশটি নয়টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত। প্রতিটি অঞ্চলে একটি করে প্রধান জাতিগত গোষ্ঠী বাস করে। আদ্দিস আবাবা ইথিওপিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।

ইথিওপিয়ার উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া এবং জিবুতি, পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে সোমালিয়া, দক্ষিণ-পশ্চিমে কেনিয়া এবং পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে সুদান। এর মোট আয়তন ১১,০৪,৩০০ বর্গ কিলোমিটার। এর ভিতরে স্থলভাগের আয়তন প্রায় ১০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার আর জল ভাগের আয়তন ১,০৪,৩০০ বর্গ কিলোমিটার। সীমান্তরেখা ৫,৩২৮ কিলোমিটার। এর ভিতরে জিবুতির সাথে ৩৪৯ কিলোমিটার, ইরিত্রিয়ার সাথে ৯১২ কিলোমিটার কেনিয়ার সাথে ৮৬১ কিলোমিটার, সোমালিয়ার সাথে ১,৬০০ কিলোমিটার, দক্ষিণ সুদানের সাথে ৮৩৭ কিলোমিটার এবং সুদানের সাথে ৭৬৯ কিলোমিটার। দেশটির সাথে কোনো সমুদ্রের যুক্ত নাই। এই অর্থে দেশটি ভূবেষ্টিত। দেশটিকে গ্রেট রিফ উচ্চ মালভূমি দ্বারা বিভাজিত। দেশটির সর্ব নিম্নাঞ্চল দানাকিল ডিপ্রেশান (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২৫ মিটার নিচে) এবং সর্বোচ্চ স্থান রাজ দেজেন (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪,৫৩৩ মিটার)।

২০১২ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই হিসাব অনুসারে দেশটির মোট জনসংখ্যা, ৯,৩৮,৭৭,০২৫। ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের হিসেব অনুসারে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ছিলো ওরোমো। সমগ্র দেশের ৩৪.৫% এই জাতিগোষ্ঠীর লোক। এরপর দ্বিতীয় বৃহৎ জনগোষ্ঠী হলো আমারা, জনসংখ্যা ২৬.৯%। এছাড়া রয়েছে সোমালি (৬.২%), টিগারাওয়ে (৬.১%), সিডামা (৪%), গুরেজ (২.৫%), ওয়েলাইটা (২.৩%), হাদিয়া (১.৭%), আফার (১.৭%), গেডো (১.৩%)।

দেশটির সরকারি ভাষা ওরোমিগ্না এবং আমারিগ্না। এছাড়া রয়েছে সোমালিগ্না, টিগ্রিগ্না, সিডামিগ্না, গুরাগিগ্না, আফারিগ্না, হাডিয়িগ্না। বাইরের ভাষা হিসেবে প্রচলিত আছে আরবি এবং ইংরেজি। 

দেশটির ৪৩.৫% ইথিওপিয়ন অর্থোডক্স, মুসলমান ৩৩.৯%, প্রোটেস্ট্যান্ট ১৮.৬%, প্রথাগত ২.৬% এবং ক্যাথোলিক ০.৭%।

দেশটির গ্রেট রিফ অঞ্চলে জীবন্ত আগ্নেয়গিরি আছে। সেখান থেকে প্রায়ই লাভা স্রোত প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চলকে প্লাবিত করে।

খনিজ সম্পদ : প্লাটিনাম, তামা, পটাশ, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং সামান্য স্বর্ণ রয়েছে।

যোগাযোগ : দেশটিতে ৫৮টি বিমানবন্দর আছে (২০১২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)। রেলওয়ের দৈর্ঘ্য ৬৮১ কিলোমিটার। সড়কপথ ৩৬,৪৬৯ কিলোমিটার।

প্রাণিকূল: ইথিওপিয়াকে মানবগোষ্ঠীর সূতিকাগার বলা যেতে পারে। ইথিওপিয়া অঞ্চলে প্রায় ২ লক্ষ বৎসর আগে আদি মানুষ  (Homo sapiens (হোমো স্যাপিয়েন্স)-এর আবির্ভাব ঘটেছিল। ক্রমে ক্রমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আফ্রিকার থেকে মানুষ অভ্যন্তর ভাগে এবং অন্যান্য মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।

প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার বৎসর আগে আদিম মানুষ ইউরোপ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়া শুরু করে। এই দলটি আরব উপদ্বীপ ও পারশ্য অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছেছিল ১ লক্ষ ২০ হাজার থাকে ১ লক্ষ বৎসরের ভিতরে। এরপর এদের কিছু মানুষ মঙ্গোলিয়া ঘুরে চীন হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রবেশ করেছিল। অপর দলটি পারশ্য হয়ে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। ভারতবর্ষে এরা প্রবেশ করে প্রায় প্রায় ৭৫-৬০ হাজার বৎসর আগে। ভারতবর্ষে প্রবেশ করা আদি মানবগোষ্ঠীকে নেগ্রিটো নামে অভিহিত করা হয়।

বর্তমানে এই দেশে পাওয়া যায়, গ্রেভি জেব্রা (Equus grevyi), পার্বত্য নিয়ালা, নুবিয়ান আইবেক্স, আফ্রিকান বন্য কুকুর, আফ্রিকান হাতি, এ্যামোডাইল, এ্যান্টিলোপ, চিতা, সিংহ, বিভিন্ন ধরনের বাদুর ইত্যাদি।

ইথিওপিয়াতে নিজেদের পঞ্জিকা আছে। একে বলা হয় গে'এজ পঞ্জিকা। এটি প্রাচীন  মিশরীয় পঞ্জিকা' অনুসরণে তৈরি হয়েছিল। আধুনিক গ্রেগোরিয়ান পঞ্জিকা'র পাশাপাশি স্থানীয় লোকেরা এই পঞ্জিকা অনুসরণ করে থাকেন

*ইথিওপিয়া* *কালোমানুষ* *আফ্রিকা*

দস্যু বনহুর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কালোদের দেশে আছি। আমিও কালো কিন্তু এরা ঝিম কালো, পাতিলের উল্টা দিকের মত :P এদের সমাজ আর আমাদের সমাজে অনেক পার্থক্য কিংবা আসলে বোঝাই মুশকিল এরা কোন সমাজে বসবাস করছে!! প্রায় মেয়েদেরই ছেলেপুলে আছে কিন্তু বাবা নাই আবার প্রায় ছেলেদেরই ছেলেপুলে আছে কিন্তু মা নাই এবং এই বিষয়ে তাদের কোনো উদ্বেগও নাই। অল্প বয়সি ছেলে- মেয়েরা মা-বাবা হয়ে বসে আছে এবং তাতে তারা মোটেও বিচলিত নয় বরং নতুন নতুন বয়ফ্রেন্ড- গার্লফ্রেন্ডদের সংগ নিয়ে তারা বেশ ফুর্তিতেই থাকে আর তাদের বাচ্চাদের লালন-পালন করে নানি-দাদি'রা।  একটা মজার ব্যাপার, এইসব মেয়েরা তরুনদের চেয়ে বুড়াদের পেছনেই ঘুর ঘুর করে বেশি। কারন বেশির ভাগ বুড়ারাই এখানে নিসঃঙ্গ। তারা ৪/৫ টা করে বিয়ে করে এবং সব বউ গুলিই বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে বুড়ার গাড়ী-বাড়ী-সম্পত্তি নিয়ে টানা হেচড়া করে যতটুকু পারে তাই নিয়ে ভেগে পড়ে। আর বুড়া পড়ে থাকে একা একা। এভাবেই ছোটো বড় বিভিন্ন টাইপের সামাজিক ফোড়া নিয়ে বেড়ে উঠেছে কালোদের বিশাল রাজ্য....তারপরও কিন্তু এরা নিজেদেরকে যথেষ্ট করে গড়ে তুলছে, সারা বিশ্বে একটা বৈশিষ্ঠ উদযাপন করছে। আমি সোয়াজিল্যান্ড এ গত  কয়েক বছর যাবৎ এসেছি এবং দেশটির আয়তন ছোটো বলে এবং একটা ভাল সোসাইটির সাথে চলা ফেরার কারনে আমি এদের সম্বন্ধে বেশ একটা আন্দাজ করতে পারছি, এরা কেমন, কি পছন্দ, কি আশা করে কিংবা এদের মনোভাব।
আজ ফ্রাইডে, এই দেশে আজকের দিনটা প্রতি সপ্তাহের মতই ক্রেজী ফ্রাইডে, উন্মত্ত শুক্রবার। আজ সকাল থেকেই সব কালোরা খোশ মেজাজে আছে। রং চং এর জামা কাপড় পড়ে ঘোরাঘুরি করছে। ছেলেদের কখন খাবে কখন খাবে আর মেয়েদের কাকে খসাবে কাকে খসাবে এই ভাব চোখে মুখে প্রকাশ হচ্ছে। বলা বাহুল্য এই দেশে মদ-বীয়ারের দাম শিশুদের নাগালের বাইরে নয়, বরং যেখানে সেখানে রাস্তার ধারে সিভাস-রিগাল, জ্যাক ডেনিয়েল কিংবা বাকার্ডি লেমন এর মত দামী দামী মদ পাওয়া যাচ্ছে। বিকেল ৫টা বাজবে, সব অফিস খালি হয়ে যাবে! সব দোকানী তাদের দোকান গুটিয়ে ফেলবে! রাস্তার মোড়ে মোড়ে জটলা, সাই সাই করে হাই ভ্যলুমে গাড়ী যাবে আসবে, সবার চেহারায় একটা ঈদ ঈদ ভাব বিরাজ করবে। সবাই কেন জানি অস্থির হয়ে, ছুটবে আর ছুটবে... রাত বাড়বে, আলো আধারি আরো বেশি রহস্যময় হয়ে উঠবে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে আগুন জ্বলবে, টুং টাং শব্দ, হাসি, মিউজিক আর মাংশ পোড়া গন্ধে মৌ মৌ করবে সারা ম্বাবানে.....
*সোয়াজিল্যান্ড* *ম্বাবানে* *আফ্রিকা*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাহারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মরুভূমি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর উঁচু নিচু ছোট ছোট বালুকাময় পাহাড়ের সমন্বয়ে সাহারা মরুভূমি গড়ে উঠেছে। ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের ইচ্ছা এই মরুভূমিটি খুব কাছ থেকে ঘুরে দেখার কিন্তু  আগ্রহ থাকলেও অনেকের পক্ষেই তা সম্ভব হয়ে উঠে না। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলে মরুভূমি ভ্রমন খুবই কষ্টকর। আর বিশেষ করে, অন্যান্য মরুভূমির চাইতে সাহারা মরুভূমিটি নিঃসন্দেহে দুর্গম। তাই নির্দিষ্ট শ্রেণীর পর্যটকরাই কেবল সাহারায় বেড়াতে আসেন।


সাহারা মরুভূমির সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ
সাহারা মরুভূমি পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি। এই মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৯০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। এখানকার লোকসংখ্যা ২০ লক্ষের বেশী হবে না। পাহাড়, মালভূমি, বালি ও অনূর্বর ভূমি দ্বারা সাহারা মালভূমি গঠিত। বেশ কিছু মরূদ্যানও আছে। কূপ ও প্রস্রবণ থেকেই কিছু জল পাওয়া যায়। মিশর, মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, চাদ, সুদান, নাইজার, মালি প্রভৃতি দেশ পর্যন্ত সাহারা মরুভূমি বিস্তৃত। সাহারার লিবিয়া ও আলজেরিয়া অংশে প্রচুর তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গেছে। তা ছাড়া এই মরুভূমিতে তামা, লোহা, ফসফেট ইত্যাদি অনেক খনিজ দ্রব্যও আছে। জায়গাটি অত্যন্ত গরম ও শুকনো। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০ সেমি-র বেশী হয় না। দিনে প্রচন্ড গরম ও রাতে ঠান্ডা। কখনো কখনো পাহাড়ের চূড়ায় বরফও জমে থাকতে দেখা যায়। শীতকাল থেকে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রী সে থেকে ৪৩ ডিগ্রী সে পর্যন্ত ওঠানামা করে।

সাহারা মরুভূমির জীবন প্রকৃতিঃ
এখানকার মানুষ অধিকাংশই যাযাবর। তারা ছাগল, ভেড়া, ও উট পালন করে এবং জলের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়। খেজুর, গম, বার্লি ইত্যাদি চাষ করে ।মরুভূমির কোনো কোনো জায়গায় ঘাস, গুল্ম ও ছোট গাছ জন্মে।জলের সন্ধানে গাছ গুলোর মূল মাটির খুব গভীরে পৌঁছায় এবং অনেক ক্ষেত্রেই বাতাস থেকে পাতার মাধ্যমে জল গ্রহণ করে।সাপ, গিরগিটি ও খেঁকশিয়ালের মত প্রাণী বাস করে। যাযাবর ও পণ্যবাহকেরা যাতায়াতের জন্য উট ব্যবহার করে। ১০,০০০ বছর আগে সাহারার আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত আর্দ্র ও শীতল ছিল, বেশ কিছু হ্রদ ও ছোট নদীর অবস্থানের প্রমাণ পাওয়া যায়। বর্তমানে শুষ্ক মরুভূমি,এমন কিছু অঞ্চলের পাহাড়ের গুহায় আদিম মানুষের বসবাসের চিহ্ন (গুহাচিত্র ও পাথরের যন্ত্রপাতি)পাওয়া গেছে যা থেকে বোঝা যায় ঐ এলাকা থেকে এক সময়ে সহজে জলের নাগাল পাওয়া যেত। এই এলাকায় হাতি জিরাফ ও অন্যান্য প্রাণী বাস করত। জায়গাটি নিঃসন্দেহে দুর্গম। তাই নির্দিষ্ট শ্রেণীর পর্যটকরাই কেবল সাহারায় বেড়াতে আসেন।

বন্ধুরা, নতুন জায়গা ভ্রমন করা নিঃসন্দেহে খুবই আনন্দের। তবে নতুন জায়গা ও নতুন আবহাওয়ার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন কিনা? সে দিকে লক্ষ্য রেখেই ভ্রমনের জন্য জায়গা নির্ধারণ করতে হবে। মনে রাখবেন, মরুভূমি ভ্রমন খুব কষ্টকর তাই ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *আফ্রিকা* *সাহারা-মরুভূমি* *মরুভূমি* *ভ্রমনটিপস*

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইউরোপ আর আমেরিকা এরা সবসময় ই আফ্রিকা মহাদেশ টাকে চাপে রেখেছে। তাদের কখনো জেগে উঠতে দেয় নি। ইউরো এর মতন আফ্রিকানরা একটি স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করতে চেয়েছিলো তাও দেয় নি। যা কিনা হতে পারতো বিশ্বের দামি মুদ্রা। প্রস্তাব উত্তাপন করেছিলেন গাদ্দাফি সাবেক লিবিয়া এর প্রেসিডেন্ট। আফ্রিকা কে সব সময়ই পিছে ঠেলে দেয়া হয়। এবারো ইবোলা এর নামে আফ্রিকা কে আরেক বার শেষ করার পায়তারা চলছে।

আমি ইবোলা এর ব্যাপারে এখনো সন্দিহান। নাইজেরিয়া এর একজন বন্ধু বলছে আসলে সবি নাকি ভুয়া। সেখানকার মানুষের সাধারন জ্বর হলেও নাকি তাদের কে ইবোলা এর রোগী বানিয়ে দেয়া হচ্ছে। মানুষ আক্রান্ত কম বিভ্রান্ত বেশি সাথে অনেক বিচলিত। এমনিতেই রোগ টা অপরিচিত অনেকের জীবনি শঙ্কা তে কাটছে কারন তারা রোগের ব্যাপারে কিছুই জানে না।

আমি আসলেই সন্দিহান, ইবোলা কি আসলেই ছড়িয়েছে নাকি আফ্রিকা কে পিছে ফেলার এ আরেক নতুন কৌশল?

*ইবোলা* *রোগ* *আফ্রিকা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★