আবিষ্কার

আবিষ্কার নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 উদ্ভাবন ও আবিষ্কার এর মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*উদ্ভাবন* *আবিষ্কার*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাত্র বিশ ত্রিশ বছর আগের কথা, চায়নাতেও বিশ্বায়নের ছোঁয়া লেগেছে কিন্তু অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে বাণিজ্যের মহারথীরা চিন্তায় পড়ে গেছে, 'এখন কি হবে রে চান্দু! পুরো বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে! কেমনে কি!'

.

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অগ্রানাইজেশনে (WTO) অংশগ্রহণ নিয়ে শুরু হলো বিতর্ক,

.

একদল বিশ্বায়নের পক্ষে আরেকদল বিপক্ষে! চলছে টক্ শো!

.

মাত্র ত্রিশ বছর পরের ইতিহাস, আমেরিকার পতাকার নিচের স্ট্যান্টে 'মেইড ইন চায়না' খোদায় করা,

.

জনসংখ্যার দিক দিয়ে কেনো বিশ্বে প্রথম চায়না তার উত্তরে মজা করে বলা হয় তাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীগুলো 'মেইড ইন চায়না'

.

চীন এমন একটি দেশ যে দেশে বিপ্লবের পর এক যুগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বন্ধ ছিলো কারণ এতো উচ্চশিক্ষিতদের জন্য কর্মসংস্থান কে করবে? তারচেয়ে বরং তাদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হয়েছিলো!

.

তাই হয়তো আজ আমার জাইঙ্গার লেভেলের পিছনেও 'মেইড ইন চায়না' লেখা,

.

২৬ লক্ষ শিক্ষিত বেকার! বেকারত্বের চিপায় প্রেমিকা হাওয়া হয়ে গেছে!

.

প্রতিনিয়ত চার লক্ষ সোনার ছেলে চারশ পোস্টের জন্য যৌবন জীবন পণ রেখে দৌড়াচ্ছে তো দৌড়াচ্ছে,

.

ভাবা যায়!!!

.

কথায় আছে,

.

জীবন স্বর্গ- যখন আপনার কাছে জার্মান গাড়ি, আমেরিকান সেলারি, চাইনিজ ফুড আর বাঙ্গালী বউ থাকে,

.

জীবন নরক- যখন আপনার কাছে চাইনিজ গাড়ি, জার্মানির খাবার, আমেরিকান ওয়াইফ আর বাঙ্গালী সেলারি থাকে,

.

চায়না পুরো পৃথিবীর এক বিস্ময়কর জাতীর নাম,

.

৯০ দশকের পর যে জাতী মাত্র কয়েক দশকে পুরো বিশ্ব দখল করে নিয়েছে! কম দামে আপনি যা চাইবেন তারা আপনাকে তা ই বানিয়ে দিবে! তাদের তৈরী জিনিসে আপনি আপনার ব্রান্ড লাগিয়ে দিলেও তার কোন আপত্তি নেই!

.

কি এমন আছে চীনে? সহজ উত্তর, ১৩০ কোটি মানুষের ২৬০ কোটি কর্মদক্ষতাসম্পন্ন হাত এবং কর্মমুখী শিক্ষার সাথে সঠিক পরিকল্পনা,

.

এহেন অবস্থায়,

চীন সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজ দেশে ঢুকছেন এমন সময় তাকে বিমান বন্দরে থামিয়ে দেওয়া হলো! তখন তিনি চটে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের সাহস তো কম না! আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে সার্চ করা শুরু করেছো! তখন পাশ থেকে একজন জবাব দিলো, মাননীয় প্রেসিডেন্ট, পরীক্ষা করে দেখছি চীন থেকে প্রকৃত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রেখে কপি কিংবা ক্লোন ট্রাম্পকে পাঠিয়ে দিয়েছে কি না!

*চীন* *আবিষ্কার* *বাস্তবতা* *বেকার*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সেলাই মেশিন কিভাবে আবিষ্কার হয়েছিল?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*সেলাইমেশিন* *আবিষ্কার* *ইতিহাস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেক্ষন ধরে ঘুমানোর চেষ্টা করছেন কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছে না। একটু শান্তি মত ঘুমানোর জন্য কত কিছুই করলেন তবুও কিছুতেই কিছু হল না। এবার আপনার ঘুমানোর সাহায্য করবে আপনার নিজের স্মার্টফোন। স্মার্টফোনে থাকা অ্যাপ্লিকেশন চালু করলে নিমেষেই চোখজুড়ে নেমে আসবে শান্তির ঘুম। এমনই একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছেন কানাডার গবেষকেরা। কানাডার সিমন ফ্রাশার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লুক বেদুইন ‘মাই স্লিপ বাটন’ নামের ওই অ্যাপটি তৈরি করেছেন। এ অ্যাপটি নিয়ে তিনি ১৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষাও চালিয়েছেন। গবেষক লুক দাবি করেন, যাঁদের ঘুম কম হয়, তাঁদের অভিযোগ, এর জন্য দুশ্চিন্তা, নিয়ন্ত্রণহীন চিন্তা আর চঞ্চল মন দায়ী। এ অবস্থা থেকে মনকে শান্ত করতে ‘সিরিয়াল ডাইভার্স ইমেজিং’ (এসডিআই) বা ‘কগনিটিভ শাফল’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তিনি। এর মাধ্যমে মনকে দুশ্চিন্তা থেকে বের করে নতুন কিছু ভাবতে নির্দেশ দেয়। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব স্লিপ মেডিসিন ও স্লিপ রিসার্চ সোসাইটিতে এর কথা তুলে ধরেন গবেষকেরা।

তথ্যসূত্র: কলকাতা২৪*৭

*তথ্যপ্রযুক্তি* *আবিষ্কার*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমানে অনেক অকেজো জিনিস যা কাজে লাগবে না বলে ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু হয়ত অনেকে জানেন না এই ফেলে দেওয়া জিনিস থেকে তৈরি করা যায় অনেক মূল্যবান জিনিস। এই অকেজো জিনিসের তালিকায় যোগ করা হল আরও একটি নাম। যা অকেজো হলেও অনেকবেশী কার্যকারী তা হল শ্যাওলা থেকে জ্বালানি তেল তৈরি করার উপায়। সম্প্রতি এই উপায় আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। খনিজ তেল মাটির নিচেই তৈরি হয়। সে কথাকে মাথায় রেখে ইরানের ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করেছেন, যা শ্যাওলা থেকে খনিজ তেল ও গ্যাস তৈরি করতে পারে, তাও আবার মাত্র ২০ মিনিটে!

গবেষক দলের প্রধান ফরিস্তা ঘোরবানি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে তারা বেশ কয়েকটি জলাশয়ের শ্যাওলা থেকে তেল উৎপাদন শুরু করেছেন। প্রথমে তারা শ্যাওলাকে শুকিয়ে নিচ্ছেন। সেটিকে গুড়ো করে নিয়ে তা থেকে নতুন তৈরি যন্ত্র দিয়ে তেল উৎপাদন করছেন। জানা গিয়েছে, প্রথমে শ্যাওলার গুড়ো থেকে অপরিশোধিত তেল তৈরি হবে। তারপর সেটি শোধন করে তা থেকে ল্যাম্প অয়েল তৈরি করা যাবে। এটিকে ভবিষ্যতে শিল্পের আকারে নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। উদ্ভিদ থেকে যে প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক উপায়ে মাটির তলাতেই খনিজ তেল তৈরি হয়, সেভাবেই যন্ত্রের মাধ্যমে তেমন প্রক্রিয়াতেই তেল উৎপাদন হবে। অত্যন্ত বেশি তাপমাত্রা ও চাপ সৃষ্টি করে শ্যাওলা থেকে তেল বার করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

তথ্য সূত্রঃ  ইন্টারনেট

*আবিষ্কার* *গবেষণা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্মার্টফোনের চার্জিং সমস্যা সমাধানে এসে গেলো যুগান্তকারী সমাধান। বিদ্যুৎ ছাড়াই পানিতে চার্জ হবে স্মার্টফোন। আর এরজন্য বিজ্ঞানীরা ছোট্ট একটি চার্জিং ডিভাইস আবিষ্কার করেছেন। যেটি দেখতে অনেকটা ক্রেডিট কার্ডের মত। এই চার্জিং ডিভাইসটিতে লবনাক্ত পানি রয়েছে। যা কিনা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে। ফলে পাওয়ার ব্যাংকের মতই ফোনে চার্জ দেওয়া যাবে।

এই চার্জ ডিভাইসটির আবিষ্কর্তারা জানিয়েছেন, ডিভাইসটি লবনাক্ত পানি দ্বারা পূর্ণ থাকে। এই জল রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। ফোনে চার্জ দেওয়ার জন্য ডিভাইসটিতে স্ট্যান্ডার্ড ক্যাবল রয়েছে। ফলে খুব সহজেই ফোনে চার্জ দেওয়া যাবে।

এই চার্জিং ডিভাইসটি তৈরি করেছ জেএকিউ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ডিভাইসটির নাম দেওয়া হয়েছে পাওয়ার কার্ড। এই পাওয়ার কার্ড ১৮০০ মিলিঅ্যাম্পায়ার আওয়ার ব্যাটারির সমমানের বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে। ফলে একটি আইফোন ৬ এস সম্পূর্ণ ভাবে চার্জ দেওয়া যাবে। এছাড়াও ট্যাবলেট কম্পিউটারকে এটি দিয়ে চার্জ দেওয়া যাবে। পাওয়ার কার্ডটির দাম করা হয়েছে ১.৫ ডলার।

(সংকলিত)

*আবিষ্কার* *চার্জার*

এস.এম.মুন্না: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইন্টারনেট কে আবিষ্কার করেন? কত সালে এবং কোন দেশে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ইন্টারনেট* *আবিষ্কার*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অবশেষে ক্যান্সারের টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। এই টিকা শরীরের যেকোনো অংশে ছড়িয়ে থাকা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করবে বলে দাবি করছেন গবেষকেরা।

তবে ইতিহাস সৃষ্টিকারী এই টিকা এখনও পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে। আর প্রথমবারের মত এক রোগীর শরীরে এই টিকা প্রয়োগ করার পর ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লন্ডনের বেকেনহ্যাম এলাকার বাসিন্দা কেলি পটার (৩৫) নামের এক নারীর শরীরে প্রথম ওই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল। জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ওই নারী। তার শরীরে যখন ক্যান্সারের টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল সে সময় তার ক্যান্সার চতুর্থ পর্যায়ে ছিল।

তার লিভার এবং ফুসফুসের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছিল ক্যান্সারের জীবাণু। টিকা দেওয়ার পর তার শরীরে ক্যান্সারের ব্যাপ্তি এখন অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে। একইসঙ্গে লিভার ও ফুসফুসের মধ্যে জীবাণু ছড়িয়ে পড়াও বন্ধ হয়েছে। আগের চেয়ে এখন অনেক ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন কেলি।

ক্যান্সার শরীর থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে এই টিকার সঙ্গে কম মাত্রার কেমোথেরাপি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ জেমস স্পাইসার। এই টিকা শরীরে প্রবেশ করলে তা ভাল কোষ গুলোকে অক্ষুণ্ণ রেখে ক্যান্সারের  ক্ষতিকর কোষগুলোকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করতে সক্ষম

*ক্যান্সার* *টিকা* *আবিষ্কার*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সম্প্রতি মার্কিন রসায়নবিদ ও গবেষকরা এক ধরনের ‘ট্যাটুর স্টিক’ তৈরি করেছেন যা দিয়ে শারীরিক পরিশ্রম বা ট্রেনিং-এর মাত্রা পরিমাপ করা যায়। শুধু তাই নয়, তার পাশাপাশি তৈরি করা যায় বিদ্যুৎও। তাও আবার কিনা ঘাম থেকে৷বিশ্বাস না হলেও এটাই সত্যি!
ধরুণ আপনি ‘জগার’ হিসাবে দৌড়াচ্ছেন৷ সেই সঙ্গে শুনছেন এমপিথ্রি প্লেয়ারে গান। আর এই জন্য যে বিদ্যুৎশক্তির প্রয়োজন, তা প্রস্তুত করছেন আপনি নিজেই৷ শুনে অবাক লাগছে? কথাটা কিন্তু সঠিক। শুধু ঘামের মাধ্যমেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর একদল গবেষক এই মজার আইডিয়াটা বাস্তবায়িত করেন৷ তাঁরা এর নাম দিয়েছেন ‘ট্যাটু বায়োব্যাটারি’। ‘‘ঘামের মতো শরীর থেকে নির্গত তরল পদার্থ দ্বারা যে শক্তি উত্পাদন করা যায় তার একটা দৃষ্টান্ত এটা।”

ল্যাকটেট মাপা হয়

ঘামের ল্যাকটেট মাপা হয় একটি সেন্সর দিয়ে৷ল্যাকটেট হল এক প্রকার অণু, যা গ্লুকোজ থেকে মেটাবলিজমের মাধ্যমে প্রস্তুত হয়। শারীরিক পরিশ্রমের সময় কোষে ল্যাকটেট-এর ঘনত্ব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ট্রেনিং-এর সময় শারীরিক অবস্থা কেমন হয় সেটা মাপা যায় ল্যাকটেট-এর পরিমাণ দেখে, জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর ডক্টরেটের গবেষক ভেনঝাউ জিয়া। অতিরিক্ত ল্যাকটেট তৈরি হলে দেহে চাপ পড়ে। এতদিন চিকিত্সকরা খেলোয়াড়দের দেহে ল্যাকটেট-এর পরিমাণ মাপার জন্য রক্ত পরীক্ষা করতেন। এখন তো বেশ সহজ পদ্ধতি বের হলো। ত্বকের ওপর ঘামেও থাকে ল্যাকটেট-এর অণু। একটি নতুন সেন্সর দিয়ে এটি মাপা যায়। অন্যান্য আধুনিক যন্ত্রপাতির চেয়ে এটা বিশদভাবে ফিটনেসের মাত্রা পরিমাপ করতে পারে।

শর্করা মাপার মতো

এই সেন্সর ডাইবেটিস রোগীদের রক্তের শর্করা মাপার মতো কাজ করে। এটি ‘এনজাইম’ বা এক ধরনের প্রোটিন, যা ল্যাকটেটকে পাইরুভিক বা পিরুভিক অ্যাসিড-এ রূপান্তর করে৷ এর ফলে দুটি ইলেকট্রন উন্মুক্ত হয়। ইলেকট্রন অর্থ চার্জ, যা থেকে বৈদ্যুতিক শক্তি উত্পন্ন হয়।

ঘামে যত বেশি ল্যাকটেট থাকে, তত বেশি বৈদ্যুতিক শক্তি উত্পন্ন হয়। একটি যন্ত্রের সাহায্যে এই বিদ্যুৎ মাপা যায়। তা থেকে ঘামে ল্যাকটেট-এর ঘনত্বও বোঝা যায়৷ পাতলা সেন্সরটি স্টিকারে ঢুকিয়ে ত্বকের ওপরে লাগিয়ে দেওয়া যায়৷ ল্যাকটেট থেকে পাওয়া বিদ্যুৎ দিয়ে ছোট ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্রও চালানো যায়৷ যেমন হার্টরেট মনিটর, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি।

আরাম প্রিয়রা এগিয়ে

তবে সেন্সরটি খুব ছোট বলে চার মাইক্রোওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। একটি ঘড়ি চালাতে কমপক্ষে ১০ মাইক্রোওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এই প্রসঙ্গে জিয়া বলেন, ‘‘উত্পাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ খুব বেশি নয়। আমরা তা বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি।” গবেষকরা জানান সব মানুষ সমান বিদ্যুৎ উত্পন্ন করেন না। যাঁরা সপ্তাহে তিন দিন খেলাধুলা করেন তাঁদের চেয়ে যাঁরা সপ্তাহে একদিনেরও কম খেলাধুলা করেন তাঁরা বেশি বিদ্যুৎ উত্পাদন করেন। গবেষকদের ধারণা, অল্প ট্রেনিং নেওয়া মানুষরা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়, ঘামও ঝরে বেশি। ফলে ল্যাকটেট উত্পাদনের পরিমাণও বাড়ে। অন্যদিকে কর্মক্ষম মানুষরা যদি জগিং-এর সময় এমপিথ্রি প্লেয়ার চালাতে চান, ঘরকুনোদের চেয়ে অনেক বেশি ঘাম ঝরাতে হবে তাঁদের। তবে ঘরকুনোরা হয়ত জগিং করতে যাবেনই না।

*গবেষণা* *আবিষ্কার*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বড়সড় সাফল্য পেলেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ বছর ধরে লাগাতার গবেষণা শেষে সাফল্যের হাসি বিজ্ঞানীদের মুখে। পৃথিবীর বাইরেও মানব বসবাসযোগ্য তিনটি গ্রহের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। একটি নক্ষত্রকে ঘিরে ধরে ঘুরছে আবিস্কার হওয়া নতুন গ্রহগুলি। তাপমাত্রা ও আকৃতিতে গ্রহগুলি একেবারেই পৃথিবীর কাছাকাছি বলেও গবেষণায় তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আকৃতি এবং তাপমাত্রায় গ্রহগুলি পৃথিবীর কাছাকাছি হলেও এগুলি অন্তত ৩৯ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। কিন্তু আবার অন্যদিক থেকে বিবেচনা করলে এখনও পর্যন্ত সৌরজগতের বাইরে এই গ্রহগুলিই সবদিক থেকে পৃথিবীর কাছাকাছি বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞানীদের তরফে।


বেলজিয়ামের যে বিজ্ঞানীদল এই সন্ধান চালাচ্ছেনে, তাঁদের প্রধান মাইকেল গিলন জানিয়েছেন, পৃথিবীর বাইরে এই প্রথম রাসায়নিকের সন্ধান মিলল। সেদিক থেকে এই আবিষ্কার যুগান্তকারী। তিনি জানিয়েছেন, এতদিন গোটা ব্যাপারটাই ছিল শুধু তত্ত্বে। এই প্রথম অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে গ্রহগুলির অস্তিত্ত্ব প্রমাণিত হল। যে নক্ষত্রটিকে ঘিরে ধরে এই গ্রহগুলি পাক খাচ্ছে, তা আকৃতিতে সূর্যের এক অষ্টমাংশ।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

*আবিষ্কার* *গ্রহ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইসরোর রকেট সায়েন্সকে কাজে লাগিয়ে শীঘ্রই তৈরি করা সম্ভব হবে কৃত্রিম হৃদযন্ত্র। এমনটাই জানাচ্ছেন গবেষকরা। ভারতে রকেট তৈরি করার জন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, সেই প্রযুক্তিতেই হৃদযন্ত্র তৈরি করা সম্ভব বলে জানানো হয়েছে। হৃদযন্ত্রকে সাপোর্ট দেওয়ার মেশিন আগেই তৈরি হয়েছে এবং তা বিভিন্ন প্রাণীর উপর সফলভাবে পরীক্ষাও করা হয়েছে।

যারা মহাকাশ বানাতেই অভ্যস্ত তারাই এবার অবসর সময়ে মানুষের শরীরের কৃত্রিম অঙ্গও বানাতে চলেছে। এই বিষয়ে অত্যন্ত উৎসাহী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা। হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন এখনও অনেকের কাছেই আয়ত্তের বাইরে হওয়ায় অনেক রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয় না।

এমন একটি যন্ত্র বানানোর চেষ্টা চলছে ইসরো, যার মাধ্যমে প্রতি মিনিটে ৩ থেকে ৫ লিটার রক্ত পাম্প করা সম্ভব। এতে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এটির ওজন হবে ১০০ গ্রাম। যা দেহের মধ্যে সহজেই প্রতিস্থাপন করা যাবে। এটি ছয় প্রাণীর উপর পরীক্ষা করা হয়েছে। ৬ ঘণ্টা ধরে পরীক্ষা চালানো হয়। তারপরও সুস্থ রয়েছে তারা।

এটি এমন প্রযুক্তিতে তৈরি যা দীর্ঘসময় কাজ করার পরও গরম হয়ে যাবে না বা থেমে যাবে না।

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট 

*হৃদযন্ত্র* *আবিষ্কার*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নয়া ইকো-ফ্রেন্ডলি ইলেকট্রিক বাইক আনল বোল্ট মোটরবাইকস। যেটি চলবে ইলেকট্রিক ব্যাটারিতে। এমনকি প্রয়োজনে প্যাডল করেও এটি চালানো যাবে। এই ইলেকট্রিক বাইসাইকেলটি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪০ মাইল বেগে চালানো সম্ভব বলে জানিয়েছে সংস্থা।


বোল্ট মোটরবাইকস এর সিইও জশ র‌্যাসমুসন জানিয়েছেন, ‘বোল্ট’ কে সাধারণ সাইকেল এর মতো যে কোনও জায়গাতেই পার্ক করা যায়। নিরাপত্তার জন্য এতে রয়েছে জিপিএস এর সুবিধা। তাই সাইকেলের অবস্থান পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার স্মার্টফোনটিতে চলে আসবে নোটিফিকেশন। চাইলে এতে সাধারণ সাইকেলের জন্য ব্যবহৃত ‘ইউ-লক’ও ব্যবহার করা যায়। বোল্ট-এ থাকছে না কোনও ‘কি-হোল’। চাবির পরিবর্তে এটি চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে নিরাপদ ‘পাসওয়ার্ড’ ব্যবস্থা। স্মার্টফোন থেকে কোড লিখে বা সরাসরি বাইসাইকেলের ড্যাশবোর্ডেই গোপন কোডটি লিখে চালু করা যাবে বাইকটি। এতে আরও থাকছে ইকোনমি মোড থেকে স্পোর্ট মোডে পরিবর্তনের সুবিধা। ইকোনমি মোডে প্রতি ঘন্টায় ২০ মাইল চালানো গেলেও, স্পোর্ট মোডে প্রতি ঘন্টায় ৪০ মাইল বেগে চালানো সম্ভব হবে। একবার চার্জ দিলে পাহাড়ি রাস্তায় এটি ৩০ মাইল চলতে সক্ষম হলেও, সমতল রাস্তায় আরও বেশি চলবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বোল্ট ইলেকট্রিক বাইকটি পেতে হলে ক্রেতাকে গুণতে হবে ৫৫০০ মার্কিন ডলার। শিপিং এবং অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সেটা আরও কয়েকশো’ ডলার বৃদ্ধি পাবে। ব্যাটারি খুলে ঘরে নিয়ে রিচার্জের সুবিধা পাওয়ার জন্য ক্রেতাকে আরও ২৫০ ডলার খরচ করে অ্যাডাপ্টার কিনতে হবে। আপাতত বোল্ট শুধু অনলাইনেই পাওয়া যাচ্ছে।

ভিডিও

https://www.youtube.com/watch?time_continue=27&v=pL-zgSwIR-w

*ই-বাইক* *আবিষ্কার* *তথ্যপ্রযুক্তি*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 নাম ৫৫ ক্যানসেরি-ই। এর তাপমাত্রা কয়েক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াসয়। পাশে রয়েছে বিস্তৃত লাভার একটি সাগর। দেখতে লাল টকটকে। এরকম গঠনের কারণে বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন নরক। বিজ্ঞানীরা এর নাম নরক তো রাখবেই! কেননা যে কেউ প্রথমে এই ৫৫ ক্যানসেরি-ই কে দেখলে মনে পড়ে যাবে গণগণে আগুনের দোযখের কথা। 

হ্যাঁ, বিজ্ঞানীরা ৫৫ ক্যানসেরি-ই নামের এই গ্রহকেই নরক নামকরণ করেছেন। 

নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অদ্ভুত বৈশিষ্ট্যের কারণে ৫৫ ক্যানসেরি-ই নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে জ্যোতির্বিদের একটি দল যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে একত্রিত হন। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা নাসার স্পিটজার মহাকাশ টেলিস্কোপে তোলা ৫৫ ক্যানসেরি-ই এর তথ্য নিয়ে চলে বিস্তর গবেষণা ।

৪০ আলোকবর্ষ দূরে ক্যানসার নক্ষত্রপুঞ্জে অবস্থিত ৫৫ ক্যানসেরি-ই গ্রহকে অনেকেই হীরার তৈরি বলে মনে করতেন। এখানে মূল্যবান তরল পদার্থ থাকতে পারে বলেও ধারণা করতেন কেউ কেউ । এটা ছিল প্রথমদিকের গবেষণার ফলাফল। 

তবে সম্প্রতি গবেষণায় পূর্বের ধারণা সম্পর্কে ভুল ভাঙে বিজ্ঞানীদের। গবেষণায় জানা যায়, গ্রহটি সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রের দিকে মুখ করে আছে। আর পুরো গ্রহ ডুবে আছে লাভার সাগরে। এর উপরিতলের তাপমাত্রা দুই হাজার ৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গ্রহের পেছনের দিকের অবস্থাও খারাপ।

পৃথিবীতে যেমন সাগরময় ঢেউ, তেমনটি ৫৫ ক্যানসেরি-ই জুড়ে আছে লাভার ঢেউ বলে মনে করেন জ্যোর্তিবিদরা ।
*নরক* *তাপমাত্রা* *বিজ্ঞান* *আবিষ্কার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★