আবিস্কার

আবিস্কার নিয়ে কি ভাবছো?

Risingbd.com: ‘ফ্লু’ ভাইরাস খুবই ধুরন্ধর (ভিডিও) ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস ছদ্মবেশ ধরতে ও ধোঁকা দিতে ওস্তাদ! এই ধোঁকা দেওয়ার ছল-চাতুরিটা মোটেই ধরতে পারে না আমাদের শরীরের কোষ।আর কেন ধরতে পারে না, সেটাই আবিস্কার করেছেন ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় নামের এক বাঙালি ভাইরাস বিশেষজ্ঞ।.... বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/23PoWZd

*ইনফ্লুয়েঞ্জা* *ইনফ্লুয়েঞ্জা_ভাইরাস* *ভাইরাস* *বাঙালি* *আবিস্কার* *আড্ডা*
ছবি

Risingbd.com: ফটো পোস্ট করেছে

আবিষ্কৃত হলো টেনিস বল আকৃতির হীরা ভিডিও দেখুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হীরার রং ও স্বচ্ছতা অসাধারণ। কাটার পর এই হীরের গুণগত মান অন্য সব হীরাকে ছাড়িয়ে যাবে...ভিডিও দেখুন - http://bit.ly/1s71gnC

*সবচেয়েবড়হীরা* *হীরা* *বড়হীরা* *ভাগ্য* *আবিস্কার*
ছবি

Risingbd.com: ফটো পোস্ট করেছে

বিশ্বরেকর্ড গড়ল বিস্ময়কর সেই হোভারবোর্ড (ভিডিও)

সাম্প্রতিক সময়ে যতগুলো প্রযুক্তিপণ্য উদ্ভাবন করা হয়েছে, তার মধ্যে জনপ্রিয়তায় প্রথম সাঁরিতে রয়েছে হোভারবোর্ড। এর ওপর দাড়িয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচল করা যায়...বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1WHoLP7

*বিশ্বরেকর্ড* *ভাগ্য* *বিজ্ঞানওপ্রযুক্তি* *আবিস্কার* *আড্ডা* *হোভারবোর্ড* *জানাঅজানা*

Risingbd.com: ‘পিঁপড়া’ আসছে বিস্ময়কর শক্তি নিয়ে! শিরোনাম দেখে ভাববেন না যেন সত্যিকারের পিঁপড়ার আক্রমন হতে চলেছে। বাস্তবে এমন কোনো ঘটনা আছে কিনা জানা নেই। তবে যারা সেই এপিসোড দেখেছেন, তাদের উদ্দেশ্যেই বলা এই লেখার বিষয়বস্তু মোটেও তেমন নয়। আসলে পদার্থবিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের আশা বোধহয় পূরণ হতে চলেছে.... বিস্তারিত পরুন- http://bit.ly/1UxFCDN

*ন্যনোটেকনোলজি* *পিপড়া* *আবিস্কার* *বিজ্ঞানওপ্রযুক্তি* *আড্ডা* *পদার্থবিজ্ঞান*

Risingbd.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিজ্ঞানের আবিস্কার যেন দিন দিন আকাশ ছুয়ে চলছে । হরহামেশাই যেন সব সব নতুন নতুন তথ্য নতুন নতুন সব অজানা কথা । ঠিক এমনি কিছু অজানা ও বিষ্ময়কর বিঞ্জানের কথা জানাবো আপনাদের …


বিড়ালের ভাষা
সম্প্রতি বিড়ালের ভাষাকে মানুষের ভাষায় রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন, এমনই একটি অভিনব স্মার্ট কলার বেল্ট নির্মাণ করছে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যাডাম অ্যান্ড ইভ ডিডিবি। তাদের গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য টেম্পটেশন্স ল্যাব তৈরি করছে ‘কেটারবক্স’ নামক এই অভিনব স্মার্ট কলার বেল্ট। যা আপনাকে দিবে নতুন এক চমক

ভিডিও দেখুন এখানে- বিড়ালের মিউ মিঊ ডাকের মানে কি ?


কুকুরের ভাষা
আবার এদিকে কুকুরের ভাষাকেও মানুষের ভাষায় রুপান্তর করতে সক্ষম হবেন আরেকদল বি ঞগ, এমনই একটি অভিনব স্মার্ট বেল্ট নির্মাণে কাজ করছে অনলাইন পেট স্টোর ফেচ। পোষ্য প্রাণীদের খাবার সরবরাহকারী যুক্তরাজ্যের অনলাইন সাইট ফেচ জানিয়েছে, তারা এমন একটি স্মার্ট বেল্ট নির্মাণ করতে যাচ্ছে যেটা কুকুরের গলায় লাগানোর ফলে, পোষ্য কুকুর তার মালিকের সঙ্গে মানুষের ভাষায় যোগাযোগ করতে পারবে!
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন-টি পড়ুন এখান থেকে-  মানুষের ভাষায় তথ্য জানাবে কুকুর

*বিড়ালেরডাক* *কুকুরেরভাষা* *বিড়ালেরভাষা* *কুকুরেরডাক* *বিজ্ঞানওপ্রযুক্তি* *আড্ডা* *আবিস্কার*

নিরাপদ নিউজ: কোকা-কোলার জন্মরহস্য: শুনলে চমকে উঠবেন আপনিও! আর্মির একজন লেফটেনেন্ট কর্নেল জন পেম্বারটন কোকা-কোলার আবিষ্কারক ছিলেন। ১৮৬৫ সালে আহত হয়ে বাহিনী থেকে ....বিস্তারিত পড়ুন - http://www.nirapadnews.com/2016/04/29/news-id:149979/

*কোকা_কোলার_জন্মরহস্য* *কোকা_কোলার_রহস্য* *কোকাকোলা* *আড্ডা* *আবিস্কার*

নিরাপদ নিউজ: আবিস্কার হল ক্যান্সারের টিকা! ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা ক্যান্সারের এই টিকা আবিস্কার করছেন যা শরীরের যে কোন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম হবে...বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2016/03/11/news-id:137876/

*ক্যান্সারের_টিকা* *আবিস্কার* *ভাগ্য* *টিকাআবিস্কার* *জানাঅজানা* *আড্ডা* *বেশম্ভব*

ফ্রেশ ফ্রজেন: [বাঘমামা-অত্যান্তখুশী]ভুল করতে করতেই মানুষ আবিস্কার করতে শেখে ! "জেমস জয়েস"

*আবিস্কার*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি  কম্পিউটার ইনপুট সিস্টেমের অন্যতম অংশ কম্পিউটার মাউস সম্পর্কে । তুলে ধরছি এর ইতিহাস ।।

আমাদের সকলেরই জানা আছে যে, একটি কম্পিউটার নিজে নিজে চলতে পারে না। এটি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন ব্যবহারকারির নির্দেশনার। আর এই নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আমরা কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করি। এবং মাউস এবং কিবোর্ড হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস। সুতরাং কম্পিউটার পরিচালনায় মাউস এবং কিবোর্ড এর গুরুত্ব নিশ্চয়ই আপনাদের বুঝিয়ে বলতে হবে না। আর তা বুঝিয়ে বলা যাবেও না। কিবোর্ড সম্পর্কে ফাহাদ ভাই একটি অসাধারণ টিউন আমাদের উপহার দিয়েছেন। তাই আজ আমার বিষয় হল মাউস।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মাউস কম্পিউটার পরিচালনায় ব্যবহৃত একটি ইনপুট ডিভাইস। ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ডুগলাস এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস আবিষ্কার করেন। কিন্তু সত্তরের দশকের দিকে এটি কেবল জেরক্সের কম্পিউটার ছাড়া অন্য কথাও জনপ্রিয়তা পায়নি। ১৯৮০ এর দশকে অ্যাপল কম্পিউটার তাদের ম্যাকিন্টশ সিরিজে প্রথম এটি উপস্থাপন করে। এটির নাম দেয়ার ইতিহাস প্রায় সবাই জানেন। তারপরও যাদের অজানা তাদের জন্য আবারও বললাম। আবিষ্কারের পর এর আকৃতি ইঁদুরের মত হওয়ায় এর নাম মাউস হয়েছিল।

মাউস আবিষ্কারের ইতিহাস

আমরা ইতিমধ্যে জেনে গেছি মাউসের জনক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট। তিনি ১৯৬৩ সালে তিনি তৈরি করেছিলেন বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার-মাউস। তার ছিল এ বিশ্বকে বদলে দেয়ার জন্য অদম্য ইচ্ছা ও প্রয়াস। আর তার এই ইচ্ছা ও প্রয়াসই কাজ করেছে মাউস আবিষ্কারের পিছনে। তিনি যখন মাউস উদ্ভাবন করেন, তখন তিনি ছিলেন ৩০ বছরের এক যুবক। আবার তখন তিনি নব্য বিবাহিত। তিনি তখন স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে গবেষক হিসেবে কাজ করতেন। সেখানে তিনি বিশাল এক প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। ডগলাস এঙ্গেলবার্ট একাধারে মাউসের উদ্ভাবক, আবার হাইপারটেক্সট, নেটওয়ার্ক কম্পিউটার ও গ্রাফিকস ইউজার ইন্টারফেসেরও গবেষক

ডগলাস এঙ্গেলবার্ট সাথে তার আবিষ্কৃত মাউস

স্ট্যানফোর্ড থেকে প্রাপ্ত প্রকল্পটি

তিনি যে প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন, সে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল কম্পিউটারের বড় বড় অংশকে কিভাবে ছোট ছোট অংশে পরিণত করা যায়। ভাবনায় নাড়া দেওয়া জিনিসগুলোকে কীভাবে বাস্তবে রূপ দেওয়া যায় তাও এ প্রকল্পের উদ্দেশ্যের একটি অংশ ছিল। সেই প্রকল্পটির একটি ক্ষুদ্রাংশ এই মাউস উদ্ভাবন করা হয়। কাজে লেগে থাকতে থাকতে এক ধরনের বিষণ্ণতা আর হতাশা পেয়ে বসেছিল তাকে। বিয়ের পর তিনি হিসাব করে দেখলেন, তাঁর জীবনের লক্ষ্য সীমিত হয়ে এসেছে। অফিসে গবেষণা ও চাকরি ছাড়া আর কোনো লক্ষ্য বাকি ছিল না। এ উপলব্ধি থেকে মানুষের কল্যাণে কিছু করার কথা ভাবেন। একই সঙ্গে বিশ্বকে সুন্দর করার বিষয়টিও ভাবেন। এ জন্য মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগাতে হবে তাঁর। লক্ষ্য পূরণে কম্পিউটার হতে পারে আদর্শ। এবার তিনি শুরু করেন কাজ। ভ্যানেভার বুশের লেখা ‘অ্যাজ উই মে থিংক’ নামের বইটি থেকে অনুপ্রাণিত হন তিনি।

ভ্যানেভার বুশের অ্যাজ উই মে থিংক

এঙ্গেলবার্টের পরিচিতি

ডুগলাস ১৯২৫ সালের ৩০শে জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের পোর্টল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ওরেগন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে তড়িৎ কৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে থেকে এমএস এবং পিএইচডি সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি এসআরআই ও অগমেন্টেশন গবেষণা কেন্দ্রে কাজ শুরু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি একজন রাডার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৩ সালে কম্পিউটারের জন্য বিশ্বের প্রথম মাউসটি তৈরি করেন এঙ্গেলবার্ট। স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে এটি তৈরি করেন তিনি। এটিকে ব্যবহারের সুবিধার্থে ইদুরের আকৃতি দেওয়া হয়েছিল। ফলে এর নাম হয় মাউস। মাউসের ফলে কম্পিউটারের গ্রাফিক্স ইউজার ইন্টারফেস বা অপারেটিং সিস্টেম জনপ্রিয় হয়। স্ট্যানফোর্ডে গবেষণার সময় মাউস আবিষ্কার করায় এর সব সুনাম যায় স্ট্যানফোর্ডের নামে। তাই মাউস আবিষ্কারের মত এত বড় অর্জন থেকে কোনো অর্থ পাননি তিনি। মাউস আবিষ্কারের পর স্ট্যানফোর্ডের গবেষকেরা একে ‘বাগ’ নামে ডাকতে শুরু করেন। তবে মাউসের সঙ্গে ইঁদুরের লেজের মতো তার যুক্ত থাকায় এর নাম ‘মাউস’-ই রাখেন এঙ্গেলবার্ট। তাঁর দেওয়া নামটিই জনপ্রিয় হয়। প্রথম সেই মাউসটির আকার আজকের পরিচিত মাউসের মতো ছিল না, বরং এটি তৈরি করা হয়েছিল একটি বাক্সের মধ্যে। মাউস নাড়াচড়া করার মতো বিশেষ চাকা ছিল বাক্সে। আকারে এটি ছিল বর্তমান মাউসগুলোর তুলনায় বেশ খানিকটা বড়। এ মাউসটি তৈরি করতে কাঠ ব্যবহার করা হয়েছিল।

এঙ্গেলবার্টের মাউস

এঙ্গেলবার্টের মাউস

১৯৮০ সালে অ্যাপল কম্পিউটার তাদের ম্যাকিনটোশ সিরিজে প্রথম মাউসের ব্যবহার শুরু করে। এঙ্গেলবার্ট ২ জুলাই ৮৮ বছর বয়সে নিজ বাড়িতে মারা যান। তাঁর মেয়ে ক্রিস্টিনা এক ই-মেইল বার্তায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আধুনিক পথে মাউসের যাত্রা

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর অ্যাসপেন শহরের মাটির নিচে হারিয়ে গিয়েছিল প্রযুক্তির ইতিহাসের এক অমূল্য সম্পদ। কিন্তু অনুসন্ধানকারীরা খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন অ্যাপলের তৈরি সেই অমূল্য সম্পদ ‘লিজা মাউস’। তিন দশক ধরে মাটির নিচে গোপনে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল অ্যাপলের তৈরি লিজা কম্পিউটারের এই মাউস। ১৯৮৩ সালে অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস এক সম্মেলনে এই মাউসটি দেখিয়েছিলেন। এটি অ্যাপলের তৈরি প্রথম মাউস। কাঠ খোদাই করে তৈরি এই মাউসের নিচে মোশন ট্র্যাক করার জন্য দুটি চাকা রয়েছে।

অ্যাপলের লিজা মাউস

১৯৭৯ সালে প্রথম যখন অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস বিজনেস কম্পিউটার বাজারে আনার কথা ভাবতে শুরু করেন তখন তিনি জেরক্স পার্ক রিসার্চ সেন্টারে যান এবং সেখানে যেসব প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা চলছিল তা পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানেই কাজ চলছিল ডগলাস এঙ্গেলবার্টের তৈরি প্রথম মাউসটি নিয়ে। সত্তরের দশকে জেরক্সের কম্পিউটারে মাউসের ব্যবহার শুরু হয়। তখন এক সাক্ষাৎকারে অ্যাঙ্গেলবার্ট জানিয়েছিলেন,

‘আমার তৈরি মাউসটি পেটেন্ট করানোর সময় এর মূল্য বোঝা যায়নি। পরে অ্যাপল যখন এর পেটেন্ট করে তখন এর মূল্য বোঝা যায়। অ্যাপল মাউস দেখে এত বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছিল যে পুরো নকশা বদলে দিয়েছিল।’

অ্যাপলের লিজা কম্পিউটার সাথে লিজা মাউস

১৯৮৩ সালে অ্যাপল লিজা কম্পিউটার বাজারে আনার সময় তার সঙ্গে যে মাউসটির পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল তা মাউসকে আমূল বদলে দিয়েছিল। ১৯৮৩ সালে অ্যাসপেন ইন্টারন্যাশনাল ডিজাইন কনফারেন্স নামের সম্মেলনে প্রযুক্তি জগতের ভবিষ্যৎদ্রষ্টা স্টিভ জবস আইপ্যাড, ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং অ্যাপ স্টোরের মতো বিষয়গুলো এই লিজা মাউসের সাহায্যে দেখিয়েছিলেন। পরে ‘অ্যাসপেন টাইম টিউব’ নামের একটি ক্যাপসুলে করে এই মাউসটিসহ আরও বেশ কিছু জিনিস অ্যাসপেন শহরের কোথাও মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিল সম্মেলনের আয়োজকেরা। পরে এই গোপন টাইম টিউবটি ‘স্টিভ জবস টাইম ক্যাপসুল’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। কিন্তু এই টাইম ক্যাপসুলটি কোথায় পুঁতে রাখা হয়েছিল সে স্থানটির কথা একেবারেই ভুলে গিয়েছিলেন তারা।

পুঁতে রাখার সময়কালের ছবি

২০০০ সালে আয়োজকেরা স্টিভ জবসের টাইম ক্যাপসুলটি মাটির নিচে থেকে তুলে আনার কথা চিন্তা করলেও তারা সেটি খুঁজে পাননি। এরপর ১৪ বছর ধরে হারিয়ে যাওয়া এই ক্যাপসুলটির খোঁজ চলেছে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট এক খবরে জানিয়েছে, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের ‘ডিগার্স’ প্রোগ্রামের কর্মীরা গত বছরের সেপ্টেম্বরে অ্যাসপেন মিউজিক্যাল ফেস্টিভাল অ্যান্ড স্কুলের মাঠে এই ক্যাপসুলটি উদ্ধার করেছেন।

আবার খুঁজে পাওয়ার সময়

এই টাইম ক্যাপসুলে অ্যাপলের লিজা মাউসটি ছাড়াও ব্যালান্টিন বিয়ারের ক্যান, মুডি ব্লু টেপ, রুবিক কিউবের মতো বেশ কিছু জিনিস প্লাস্টিক ব্যাগে সংরক্ষিত ছিল।

অনেকক্ষণ ধরেতো মাউসের ইতিহাস সম্পর্কে। চলুন এখন অন্য কিছু সম্পর্কে আলোচনা করি।

মাউসের প্রকারভেদ

মেকানিক্যাল মাউস

যে মাউসে নিচের দিকে একটি গোলাকার বল লাগানো থাকে এবং সেটির নড়াচড়ার প্রেক্ষিতে মাউস পয়েন্টার নড়াচড়া করে তাকে মেকানিক্যাল মাউস বলে। এই ধরনের মাউস ব্যবহার করার জন্য কোন সমান জায়গা বা মাউস প্যাডের প্রয়োজন হয়।

লেজার মাউস

লেজার মাউস হল একধরণের নতুন প্রজন্মের মাউস। এই মাউসটির দুইটি অংশ আছে। অংশ গুলো হলো লাইট ইমিটার ও লাইট ডিটেক্টর। একটি লেজার মাউস তার লেজারকে লাইট ইমিটার হিসাবে ব্যবহার করে এবং মাউসের নাড়াচাড়া লক্ষ্য করে মাউসের কাজকে পরিপূর্ণ করে।

অপটিক্যাল মাউস

এই ধরনের মাউস আমরা সবাই চিনি। এবং দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি। এর সম্পর্কে কিছু বলা লাগবে বলে আমার মনে হয় না।

ব্লু-ট্র্যাক মাউস

এটি মাউসের জন্য এক ধরনের সেন্সর। এই সেন্সরটি মাইক্রোসফট দ্বারা উদ্ভাবিত। এই সেন্সরটি মাউসকে যে কোন স্থানে সঠিক ও কোন সমস্যা ছাড়া চলতে সাহায্য করে।

চলুন কিছু আকর্ষণীয় ও ডিজিটাল মাউস দেখি

আজ আর না। টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে অন্য কোন বিষয় নিয়ে।

*মাউস* *বেশটেক* *কম্পিউটার* *বিজ্ঞান* *আবিস্কার* *সংগৃহীত* 

*বেশটেক* *কম্পিউটার* *বিজ্ঞান* *আবিস্কার*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মানুষের সর্বশ্রেষ্ট আবিষ্কার কোনটি ?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

.
*মানুষ* *আবিস্কার*

নিরাপদ নিউজ: বাংলাদেশের প্রথম ‘সোলার সাইকেল’ তৈরী হলো চার্জের খরচ নেই। দিনের বেলায় এটি সুর্যের আলোয় চার্জ হয় এবং যদি রাতে চালায় তবে রাস্তায় অন্যান্য যানবাহনের হেড লাইটের আলোতেও এটি চার্জ হবে..বিস্তারিত - http://www.nirapadnews.com/2015/11/06/news-id:103914/

*বিজ্ঞান* *আবিস্কার* *দিনাজপুর* *সোলারসাইকেল* *সাইকেল* *বেশম্ভব* *জানাঅজানা* *আড্ডা*

Risingbd.com: ক্যানসার রুখবে গ্রেনেড ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, টিউমার বা ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে যে গ্রেনেডটিকে তারা ব্যবহার করতে যাচ্ছেন তার নাম-‘লাইপোজোম’। কিভাবে এই ‘লাইপোজোমস’ দিয়েই এ বার টিউমার বা ক্যান্সার কোষ ও কলাগুলিকে ধ্বংস করা যাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন ....বিস্তারিত- http://bit.ly/1HmBGf2

*জানাঅজানা* *টিউমার* *ক্যানসার* *গ্রেনেড* *আবিস্কার* *সম্প্রতিবিশ্ব* *যান্ত্রিকজীবন* *বেশম্ভব*
ছবি

উদ্ভট কিন্তু সত্যি: ফটো পোস্ট করেছে

নিজের অাবিস্কৃত ‘গ্যালাক্সি বাইক’ বাজারজাতে প্রত্যাশী বিস্ময় বালক মুন্না (কিলক্ষ্মী)(জোস)(কিমজা)(তালি)

নিজের আবিষ্কৃত জ্বালানি সাশ্রয়ী ‘গ্যালাক্সি বাইক’ বাজারজাতকরণে সুযোগ চান খুদে বিজ্ঞানী মনোয়ারুল ইসলাম মুন্না। মুন্না চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র। বিভিন্ন কিছু আবিষ্কারের জন্য তার কলেজ ও এলাকায় তিনি ‘বিস্ময় বালক’ হিসেবে পরিচিত। মুন্নার দাবি, বৈদ্যুতিক চার্জে চালিত তার অাবিষ্কৃত গ্যালাক্সি বাইকে কিলোমিটার প্রতি খরচ হবে মাত্র ৩৫ পয়সা। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেলে খরচ হতো ২ পয়সা।

*আবিস্কার* *চটখবর* *মুন্না* *বিস্ময়বালক* *গ্যালাক্সীবাইক*
৫/৫

ওম: টেকনোলজি আমাদের কে সামনের দিনগুলোতে এমন ও কিছু যুগান্তকারী উপহার দিবে তাতে বুঝি ভবিষ্যতে স্পেস শীপে চাঁদে যাওয়ার কথা বললে টিকিট কাউন্টার থেকে আপনাকে বলা হবে এখানে লোকাল টিকিট পাওয়া যায় না .... কেন বলছি একথা দেখুন তাহলে নিউজটা- http://bit.ly/1HiHz1h

*আবিস্কার* *মঙ্গল* *অভিযান* *টেকনোলজি* *স্পেসশীপ*

ওম: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
যুগান্তকারী আবিস্কারের ফলাফল- ২৪ ঘণ্টায় মঙ্গল গ্রহে!
মামা স্পেস-শীপ কাউন্টার এ গেছিলাম চাঁদে যামু বইলা কিন্তু হেরা আমারে খেদায় দিছে_!!!! কইছে কি ___
যা ভাগ এইখান থাইকা_ আমরা লোকাল টিকিট বিক্রি করি না _ ডাইরেক্ট মঙ্গল ২৪ ঘন্টায় - http://bit.ly/1HiHz1h
*আবিস্কার* *টেকনোলজি* *ভবিষ্যত* *বিজ্ঞান*
জোকস

মেঘবালক: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৪/৫
(ব্যাপকটেনশনেআসি)
*আবিস্কার*

Risingbd.com: প্রযুক্তির চমকপ্রদ কিছু উদ্ভাবন গাছ আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব কিছুই দেয়। কিন্তু বিদ্যুৎ? সেটাও দেবে! এমন ছোট যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছে, যা গাছ থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করছে....বিস্তারিত - http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=99079

*টুকিটাকি* *আবিস্কার* *জানাঅজানা* *বিজ্ঞান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা এখন সবাই মুদ্রাকে দ্বিতীয় গড বলি , আবার অনেকের কাছে এটাই প্রথম । চাইনাতে যখন প্রথম বিনিময় মুদ্রার আবিস্কার হল তখন থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ এটার সুষ্ঠু ব্যাবহারের চেয়ে ক্ষমতার ক্ষেত্রে বেশী ব্যবহার করছে । এটার জন্যই কি মুদ্রার আবিস্কার হয়েছিল ? আজ যাদের কাছে যত মুদ্রা আছে সে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে , তাঁর জন্য কোনও আইন কানুন প্রয়োজন হয়না । সে চাইলেই সব আইন কানুন কিনতে পারে , এমনকি একটা মিথ্যাকেও সে কিনে সত্য করতে পারে । আজ আমার দেশে কি হচ্ছে ক্ষমতার জন্য মানুষের জীবন কিনছে এবং সেই রক্ত দিয়ে তাঁরা স্পা করছে , কারণ মানুষের রক্তের স্পা নাকি চিরদিন কুমারী করে রাখবে । আল্লাহ্‌ মানুষকে সবার চেয়ে আলাদা করেছেন এইজন্য যে তাঁর মধ্য মায়া, মমতা ও মানবিকতা আছে , কিন্তু আজ এই সব গুলো মুদ্রা দিয়ে বিকিকিনি হয় । যাকে আমি শিষ্টই করলাম সেই আমাকে আজ গ্রাস করছে , হায়রে মুদ্রা.
*মুদ্রা* *মানুষ* *আবিস্কার*
*মানুষ* *আবিস্কার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★