আবেগ

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কখনো ভালোবাসি না শোনা মেয়েটাও
বছরের পর বছর
প্রতিক্ষায় থাকে।

তারপর একদিন অপেক্ষার পথ ছেড়ে
সেও হয়তো শক্ত হাতে জীবন গোছায়
বুকের গহীন তিরতিরে বয়ে চলা নদীটা
শুকায়না কখনো
লুকিয়ে থাকে গহীনে, গোপনে

রিমঝিম কাঁচের চুড়িগুলো হয়ত
আর হাতে পড়া হয়না
কিন্তু চুরি ভাঙ্গার যন্ত্রণাটা
মাথার ভেতরে ঠিকি গেঁথে থাকে।

সেই যে সেদিন ভিড়ের ছুতায়
আলতো ছুঁয়ে দিয়েছিলো কেউ
সেই গা ঘিনঘিনে অনুভুতিও
সে মাথায় সাজিয়ে রাখে যত্নে ।

আনমনা কোন বিকেলে
তার ঠিকি ইচ্ছে হয়
ঝুম বৃষ্টিতে ভিজতে।
ইচ্ছেগুলো সামনে আসার আগেই
চাপা দিয়ে দেয় খুব গোপনে।

মেয়েরা সব সাজিয়ে রাখে
মনের প্রকোষ্ঠে।
যে আঘাত আপনি মনেও রাখেননি
সে হয়তো এখনো কাঁদে সে কথা ভেবে,
যে হাত সে পায়নি কখনো
হয়তো এখনো হাতড়ে খোঁজে ,
রোজ বিকেলের চায়ের কাপে
হয়তো মিশে থাকে
একটুকরো দীর্ঘশ্বাসের ধোঁয়া ।

*প্রিয়কবিতা* *নারী* *আঘাত* *আবেগ* *বাস্তবতা* *সমাজ*

সাদাত সাদ: [বসন্ত-সুখপাখি] কেউ যখন দূরে চলে যায় তখনই তাকে বেশি মনে পড়ে কাছে থাকলে সেই মানুষকে নিয়ে এতটা গুরুত্ব থাকেনা 

*মানুষ* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: সবটুকু সময় জুড়ে থাকো তুমি, তুমিহীনতায় নিঃস্ব হয় আমি। তোমারও কি এমন হয়? নাকি প্রত্যহ জীবনের ব্যস্ততার, ভীড়ে ভুলে যাও আমায়।

*কবিতা* *ভালোবাসা* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি ছেলে তাই............... বিয়ের আগে মেয়ের বাড়িতে প্রমান দিতে হয় আমার মাইনে কতো

*ছেলে* *আবেগ* *মাইনে* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কাকাকে একটু সাইড দিন

হ্যাঁ এরকম ভাবেই বলতো সুকুমার কাকা। মানে আমাদের খাঁচা গাড়ির চালক আর কি। খাঁচা গাড়ি শুনে ঘাবড়ে যাবেন না। মানে ইশকুল যাওয়া কচিকাঁচাগুলোকে যে টিনের গাড়ি করে আসা যাওয়া করানো হত, দুর থেকে দেখলে মনে হত এক বাক্স মুরগির ছানাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে খাঁচায় করে, এই সেই গাড়ি। খাঁচা গাড়ি। টিনের একটা গাড়ি, দুটো কাঠের তক্তা আড়াআড়ি। আর অনর্গল আমাদের দুষ্টুমি, চিৎকার, কাকার সাথে বিচিত্র বিষয়ে কথোপকথন এবং অতি অবশ্যই নানাপ্রকার খেলা। কাকা চালাত নিজের মেজাজে, আমাদের নানা গল্প শোনাত, এবং রাস্তায় ভিড় ভারের মধ্যে সেই হাঁক-‘ কাকাকে একটু সাইড দিন’। আমরা কখনো কুইজ খেলে, কখনো ট্র্যাম্প কার্ড খেলে ( আমাদের সময়ে এই খেলাটির সদ্য আগমন হয়েছে) সময়টা দিব্যি কাটিয়ে দিতাম। মাঝে মাঝে কাকাকে সাহায্য করতে পেছনের টিনের দরজা খুলে নেমে ঠেলতাম। কাকার কাছে আমরা সকলেই বুড়ো। মানে এই ছিল আমাদের ডাকনাম। একটু বেগ পেলেই গাড়ি কাকা বলতো বুড়ো এবার উঠে পড়ো। গাড়ির মধ্যে কাকাকে নকল করে আমরাও মাঝে মাঝে একসাথে বলে উঠতাম-‘কাকাকে একটু সাইড দিন’।

তখন আমার ছিল উদ্ভট মাথা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমার বিচিত্র খেয়াল মাথায় চাপত। সবথেকে বেশি আগ্রহ ছিল রেল লাইনের পাথরের প্রতি। সেগুলোকে বাড়ি নিয়ে এসে এক প্লাস্টিকের ম্যাগ্নিফাইং গ্লাস দিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে কিসব পরীক্ষা করতাম ভগবান জানে। ছোট থেকেই আমার অলৌকিক সবকিছুর প্রতি এক অদ্ভুত বিশ্বাস ছিল, মনে হত কিছু একটা সবকিছুর আড়ালে হচ্ছে, সবাই ঠিক ধরতে পারছে না, আমি ঠিক আবিষ্কার করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেবো। বড় হয়েও সে অভ্যাস যে খুব বেশি গেছে এমনটা হলফ করে বলতে পারি না। যাক গে, যেটা বলছিলাম, একবার লাইন পার থেকে প্রচুর পাথর কুড়িয়ে কাকার গাড়িতে উঠেছি। কাকা ব্যাপারটা খেয়াল করেও একটা কথা আমাকে বলেনি, যদিও কাকা জানত আমি বাড়িতে কেবল একটাই পাথর নিয়ে যেতে পারবো, অতগুল নয়।সেগুলো গাড়ি থেকে কাকাকেই নামাতে হত। সেই প্রশ্রয়ে আমি কাকার ভেতরের পিতৃ সত্তাটাকে চিনে গিয়েছিলাম। এই সুকুমার কাকার বড় মনের পরিচয় আমি শুধু সেদিন পাইনি। একদিন বাড়ি ফেরার সময় বড় রাস্তার মোড়ে একটা দুর্ঘটনা ঘটে আমাদের খাঁচা গাড়ির ঠিক পাশেই। বাইক থেকে পড়ে গুরুতর চোট লাগে এক মহিলার। সবাই এগিয়ে এসে কি হয়েছে, কি হয়েছে বললেও কেউ কাজের কাজটা আর করে না। ‘কাকাকে একটু সাইড দিন’- ভিড়ের মধ্যে থেকে একটা মানুষ এসে বাইক সামলে, সেই মহিলাকে খাঁচা গাড়ি করেই নিয়ে যায় সামনের হাসপাতালে, সঙ্গে তার স্বামীও ছিল, আমরাও ছিলাম। সেইদিন রাস্তায় ‘কাকাকে একটু সাইড দিন’- যেন অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেনের মতো বাজছিল। ডাক্তার ডেকে পুরো ব্যবস্থা করে তারপর কাকা আমাদের সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিল। কোনও কর্তব্যেই গাফিলতি করেনি।

সুকুমার কাকার সঙ্গে শেষ যে বার দেখা হল বুঝলাম সুকুমার কাকার খাঁচা গাড়ি একটাও আর নেই। খাঁচা গাড়ির চল উঠে গেছে আমাদের এখানে। সুকুমার কাকা এখন ভ্যান চালায়। ব্যাটারি ভ্যান। রোজ আমি যখন রাত করে বাড়ি ফিরি দেখি বড় রাস্তার মোড়ে সুকুমার কাকা ভ্যান নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একদিন উঠেছিলাম, তারপর থেকে মুখ লুকিয়ে কোনক্রমে অতিক্রম করে চলে আসি কারণ কাকা কিছুতেই পয়সা নেয় না। কিছুতেই না। প্রথম দিনই শুনেছিলাম কথাটা যে কাকার নাকি গভীর অসুখ। কোমরে কি একটা হয়েছে কাকা নাম বলতে পারলো না, গাড়ি চালানো বারণ। কিন্তু আমি বুঝলাম কাকার একটা গাড়িও আর নেই। মেয়ের বিয়ে অনেক আগে হয়ে গিয়েছিল, কথাবার্তায় বুঝলাম ছেলে নিতান্তই অমানুষ হয়েছে। যেটা বুঝলাম না যে কাকার সেই বিখ্যাত- ‘কাকাকে একটু সাইড দিন’ কথাটা বদলে ‘কাকাকে একটু জায়গা দিন’ কেন হয়ে গেছে? এই সংসারের কাছে সারাজীবন খেটে কাকা কি একটুখানি জায়গাই চেয়েছিল, পায়নি, তাই কাকার এই নিদারুণ আকুতি? সে আর সাইড চেয়ে অতিক্রম করতে চায় না, সে এবার বসতে চায়? জায়গা চায়? তাই এ বদল। কাকাকে দেখে ‘ভালো মানুষের সঙ্গে সবসময় ভালো হয়’ –এই উক্তিটাকে লাথি মারতে ইচ্ছে করে। এখনো বড় রাস্তার মোড়ে যাত্রীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা কাকার চোখের দিকে তাকিয়ে মনে হয়- কাকা তোমার আর সাইড লাগবে না, সবাইকে ছাড়িয়ে তুমি সবার আগেই রয়ে গেলে, তোমার জায়গায়। আমরা পুঁথি-পত্র পড়ে, প্রতিদিন একে অপরকে লেঙ্গি মারার ছক কষে বরং এখন সাইড চেয়ে মরি।তারপর বাড়ি এসে অভ্যাস করি আয়নার সামনে রোজ এক বুলি…

‘আমাকে একটু সাইড দিন।’

কাকা আমাকে একটু তোমার বড় মনটা দেবে?

 

চুরি করা পোষ্টঃ https://bibornoaakash.blogspot.com/2018/06/blog-post_3.html

*কাকা* *আবেগ* *গল্প* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: " আব্বু তুমি কান্না করতেছো যে " শুধু একটা লাইন তার মাঝে কতো আবেগ ।।

*আবেগ* *আব্বু*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ঠিক কেউ একজন আগোচরে ভালোবাসা কি জিনিস সেটা বুঝিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছিল ।। তার ৠণ আজও বয়ে বেড়াচ্ছি ।। তুই আছিস তুই থাকবি গোপনে আগোচরে মনের কোন কোনায় ।। যেখানে থাকিস ভালো থাকিস ।।

*ভালোবাসা* *আবেগ* *মায়া*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: তাকে বিদায় দিয়ে দিলাম ভার্চুয়াল লাইফ থেকে।। কখনো বলাই হলো না তাকে ভালোবাসি।। বলাই হলো না রাতে ঘুমাতে পারি না তার কথা ভেবে। আমার নিঃশ্বাস এ মিশে থাকে সে জানতেই পারলো না সে।। ভালো থাক সাতসাগর এর ওপারে।। ভালো থাকুক আমার ভালোবাসা তোর মাঝে।।

*আবেগ* *ভালোবাসা* *নীলাদ্রি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আর যদি নাই বা ফিরি কি হবে ? বড় জোর এক দুই দিন তুমি ভাববে তারপর তারপর হুট করে ভূলে যাবে আমি ছিলাম । আমি আর তখন তোমার মাঝে থাকবো না তুমি তখন আমরা থেকে সম্পুর্ন তুমি হয়ে যাবে ।

*আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: মেয়েঃ আমি কি অনেক মিষ্টি একটা মেয়ে ? ছেলেঃ না । মেয়েঃ তুমি কি আমার সাথে থাকবে ? ছেলেঃ না । ... মেয়েঃ আমি যদি তোমাকে ছেড়ে চলে যাই , তাহলে তুমি কাঁদবে না ? ছেলেঃ না । মেয়েটি অনেক কষ্ট পেলো , এবং কাঁদতে সুরু করলো । তখন ছেলেটি তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল, এবং বললঃ ♥ তুমি অনেক মিষ্টি নও, কিন্তু সুন্দর ...... আমি তোমার সাথে থাকতে চাই না , কিন্তু বেঁচে আছি তোমার জন্য ... যখন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে তখন আমি কাঁদবো না , কিন্তু মরে যাব.....।।

*প্রেমকাহিনী* *ছেলে* *মেয়ে* *ভালোবাসা* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আর কখনো কিছু বলবনা মনেতেই রেখে দেবো, যখন পারবনা তোমাকে ঠিক চেয়ে নিব। অচেনা তুমি কেনো তোমাকে কিভাবে চিনি এই অনুভবে তোমাকে কিভাবে ফিড়িয়ে আনি। ... না না কাঁদবনা আর তো স্বান্তনা না বলেও সব বলা হয়ে যাবে। মনে মনে কথা, কথার আকুলতা নিরবতাটুকু প্রেম হয়ে রবে। এসময় তোমায় ফিড়ে চায় কখনও পেয়ে যাবে এভাবে স্বভাবে তুমি যে রয়ে যাবে।।

*প্রিয়গান* *আবেগ* *অনুভূতি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি তোমাকে কোনোদিন দেখিনি কিন্তু মনের ভিতরে তোমার একটা ছবি একে ফেলেছিলাম। আমার ভালবাসার মানুষ যতই থাকুক না কেন যেদিন তোমাকে আমার সামনে পাবো ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে তুমিই হবে আমার সবচেয়ে আদরের। আমি না দেখেই সত্যি তোমাকে অনেক ভালবেসে ফেলেছি

*আবেগ* *ভালোবাসা* *ছবি* *তোমাকে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটি দুষ্টুমিষ্টি পাগলির নাম। পাগলের মতো এঁদের জটলা চুল না থাকলেও পাগল করে দেয়ার মতো সুরভিত রেশমি চুল ঠিকই থাকে...+

উপকারিতা:

----------------

এঁদের দ্বারা উপকার ছাড়া অপকার সম্ভব নয়। কেননা, এঁদের বক্র চাহুনিতেও হৃদয় প্রশান্ত হয়। যেটা আপনার হার্টের জন্য উপকারী...+

ক্রেডিট:

-----------

এঁদের মাঝে কথা বলার যাদুকরি শক্তি বিদ্যমান। দিন শেষে ক্লান্ত বদনে ঘরে ফিরলেও এঁদের দুষ্টু হাসির মিষ্টি কথায় মুহূর্তেই মনঃসমুদ্রে ভালোবাসার প্রাণোচ্ছল ঢেউ তুলবে...+

এঁদের_শখ:

----------------

এঁদের কাছে চটপটি-ফুচকা, আইস্ক্রিম, আমসত্তা আর চকলেট সোনার চেয়ে দামি হলেও দিন শেষে প্রিয় স্বামীর একটু সান্নিধ্য এঁদের কাছে হীরার চেয়েও দামি..+

চাহিদা:

----------

অন্তত সপ্তাহে ১ বার হলেও রাতে বাসায় ফিরবার সময় একটি অর্ধফুটন্ত গোলাপ এনে খোঁপায় গুজে দিতে হবে। আর মাঝেমাঝেই চাঁদনিরাতে পরষ্পর হেলান দিয়ে তারা গুনতে হবে...(অনেকের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নও হতে পারে)

কার্যকারিতা:

-----------------

সারাদিন প্রিয় স্বামীর ঘরে ফিরবার অপেক্ষায় মনটা আকুপাকু (ছটফট) করতে থাকবে, আর ঠিক সময়ে ঘরে ফিরে এলেও অভিমানী কণ্ঠে 'আজ এতো দেরি করেছেন কেন? এই বলে একাএকাই কিছুক্ষণ ঝগড়া করে গাল-নাক ফুলিয়ে কান্না জুড়ে দিবে, কারণ কিছুই নয়, কারণ আপনার একটু ভালবাসা পাওয়া...+

অধিকার:

--------------

স্বামী সত্যি-সত্যিই একটু দেরি করে ফিরলে, সেদিন রাত্রিকালীন রোজা ফরজ করে ছাড়বে। আর নাকের পানি ও চোখের পানির স্রোতে চোখের কাঁজল দিয়ে এলিয়েন সাজবে। খবরদার! তখন কিন্তু আপনি তার প্রতি মনোনিবেশ ছাড়া অন্য কিছু ভুলেও করতে যাবেন না, তখন তার সাথে Compromise করুন লাভ আপনারই হবে .....+

স্বভাব:

----------

ধার্মিকা স্ত্রীরা খুবই বিনম্র। তবে স্বামীর সাথে দুষ্টুমিতেও চ্যাম্পিয়ন। যা আপনার কল্পনাকেও হয়ত হারিয়ে দেবে...+

Extra কিছু:

----------------

সে আপনাকে নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে খুবই আগ্রহী। তাই সকাল-দুপুর কিম্বা বিকেল যেকোনো সময় বৃষ্টি নামলে তাকে নিয়ে ছাদে বা উঠনে বৃষ্টিতে ভিজুন, দেখবেন এ এক অন্যরকম অনুভূতি...+

ইবাদত:

-----------

নফল ইবাদত গুলো এক সাথে করবেন। মনে রাখবেন 'ওজু শেষে স্ত্রীকে Lip-Kiss করাও কিন্তু সুন্নৎ'।

আরো হাজারটা Options লেখা যায়! আর লিখলেও তা হবে না শেষ।

তাই মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী দিয়েই ইতি টানি:

وَمِنْ ءَايٰتِهِۦٓ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوٰجًا لِّتَسْكُنُوٓا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ إِنَّ فِى ذٰلِكَ لَءَايٰتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে- তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের স্ত্রীদের- যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন, চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে।

(সূরা রূম আয়াত ২১)

অতএব যারা এখনো অবিবাহিত তারা বিয়ে করে ফেলুন

মহান আল্লাহ বলেন:

----------------------------

وَأَنكِحُوا الْأَيٰمٰى مِنكُمْ وَالصّٰلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَآئِكُمْ ۚ إِن يَكُونُوا فُقَرَآءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ ۗ وَاللَّهُ وٰسِعٌ عَلِيمٌ

আর তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিত নারী-পুরুষ ও সৎকর্মশীল দাস-দাসীদের বিবাহ দাও। তারা অভাবী হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও মহাজ্ঞানী।

(সূরা নূর আয়াত ৩২)

কপিপোষ্ট

*বৌ* *উপকার* *ভালোবাসা* *পাগলী* *পাগল* *আবেগ* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: খুব জানতে ইচ্ছে করে, ওখানে তুমি কেমন আছো? এখনো কি হঠাৎ করে উচ্চ কন্ঠে হেসে ওঠো?

*আবেগ* *ভালোবাসা* *জানা* *ইচ্ছা* *হাসি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: শোন মেয়ে, কতবার তোমার নামে মরে গেলে,তোমার নামে সুখ নিদ্রা গেলে তবে তোমায় আমার পাশে ঘুমরত অবস্থায় পাবো? মেয়ে দেশ ভাল নেই জাতী ভাল নেই,আমি নিশ্চই এর বাইরে নই?তারাতারি চলে আসো।

*মেয়ে* *আবেগ* *ভালোবাসা* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি কাউকে ম্যানেজ করে চলতে পারিনি পটাতেও পারিনি তাই বলে কি আমার প্রেম হবে না? আমাকে ও কেউ ম্যানেজ করে চলে না পটাতে ও চেষ্টা করে না করেওনি কোনদিন তাই বলে কি আমার কোন দিন প্রেম হবে না?

*আবেগ* *প্রেম* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: তুমি চলে গেছ নীলাদ্রিতা কিন্তু হৃদয়ের খুব কাছে থেকে গেছ নিঃশব্দে শুধু স্পন্দনে স্পন্দনে কথা হয় আমাদের.......

*হৃদয়* *আবেগ* *ভালোবাসা* *কথা*
ছবি

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ফটো পোস্ট করেছে

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি তোমার মধ্য রাতে—ডুকরে কাঁদার কারণ, আমি তোমার 'সেই কথা' যা—কাউকে বলা বারণ! আমি তোমার ভাগ্য রেখা—আমিই সেটার গণক, আমি তোমার প্রতি ফোঁটা—অশ্রু জলের জনক!

*আবেগ* *আমি* *অশ্রু*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: “ আমার কিছু কথা ছিলো কিছু দুঃখ ছিলো আমার কিছু তুমি ছিলো তোমার কাছে ” #নীলাদ্রি_ফ্যাক্ট

*তুমি* *প্রিয়* *আবেগ* *ভালোবাসা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★