আমার শৈশব

আমারশৈশব নিয়ে কি ভাবছো?

সাদাত সাদ: ছোটবেলা ঔষধ খেতে চাইতাম না, মা অনেক জোর করে খাওয়াতো। টাকা না দিলে খেতাম না, তাই মা দশ টাকা দিত (খুশী২)... ১৯৯৯ সালে সেই রোজগার একটু দিগুণ হল (তালি) ২০০২ এ উচ্চবিদ্যালয়ে পা রাখার পরও আমার অবস্থার অবনতি হয়নি সেই আগের মতোই রয়ে গেলাম, অত:পর মা ক্লান্ত আর জোরাজুরি করতেন না। এইবার দেশে যাবার পর জ্বরে আক্রান্ত হলাম 'মা ঔষধের সাথে কিছু টাকা ও রাখল, ঔষধের সাথে টাকা দেখে একটু অবাক হয়ে বললামঃ মা টাকা কেন? " মা বললেন,, টাকা ছাড়া কোনদিন ঔষধ খেয়েছিস তুই?

*আমারমা* *মা* *আদর* *স্মৃতিচারণ* *শৈশব* *আমারশৈশব* *ছেলেবেলা*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

আমার ছেলে বেলা এমনটাই ছিল। খুব মিস করি টুপ টাপ আম পরার শব্দ। কত সুন্দরেই না ছিল আমার শৈশব।

*নষ্টালজিক* *আমারশৈশব*

আড়াল থেকেই বলছি: [বেশবচন-ঝালআছেমামা]আম্মার আঁচলের কোণায় গিট্টু দেওয়া টাকা থেকে অনেক কষ্ট করে ২টাকা চুরি করে আবার আঁচলে গিট্টু দেওয়া, সেই সময়ে ইম্পসিবল কে পসিবল করা.

*স্মৃতি* *আমারশৈশব* *ছোটবেলার-স্মৃতি* *মায়েরআঁচল*

আড়াল থেকেই বলছি: [কাকতাড়ুয়া-হায়রেকপাল]যখন মেট্রিক পাশ করেছিলাম তখন থেকে লিখালিখির একটা অভ্যাস ছিল কিন্তু...আমি বেশ সুন্দর একটা গল্পের বেশ কয়েকটি পাতা লিখেছিলাম,গল্পটির নাম ও রেখেছিলাম, ''কক্সসৈকতের হাঁটু জলে তুমি আর আমি'' লিখা শেষ ও করেছিলাম বেশ কয়েকটি ছাপাখানায় ঘুরেছি,কোনো লাভ হয়নি,বরং ..জুতোখান শেষ..কিন্তু গল্পের শেষ পৃষ্টায় কে যেন লিখে দিয়েছিল I Hate You তারপর থেকে আর লেখা হয়নি(মনখারাপ)(মনখারাপ)(মনখারাপ)(মনখারাপ)

*আমারশৈশব*

আড়াল থেকেই বলছি: ছোট বেলায় বন্ধুদের সাথে একটা খেলা বেশ খেলতাম, আমি ঐ খেলার নাম ও দিয়েছিলাম ''হঠাত রেগে যাওয়া'' মানে টা খুব সহজ,কয়েকটা বন্ধু একসঙ্গে খেলতাম,এদের মধ্য থেকে কেউ একজনকে রাগিয়ে দেওয়ার জন্য শুধু শুধুই অন্য আরেকজন বন্ধুর কানে কানে(যেন সে দেখতে পায়) জাস্ট কানাকানির ভঙ্গি করতাম,এতেই সে তেলে-বেগুনে (রাগারাগি)(রাগারাগি)

*শৈশব* *আমারশৈশব* *আমারছোটবেলা*

জোবায়ের রহমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা অধিকাংশই একটা যন্ত্রের জীবন পার করছি। দম দেয়া ঘড়ির মত যন্ত্রের জীবন। এবং আশ্চর্য হইলেও সত্যি আমরা এতে পুরোদমে অভ্যস্ত। রোজ আমাদের ইচ্ছের ট্রেন স্টেশনে এসে চলে যায়। আর আমরা বিহবলের মত প্ল্যাটফর্মে বসে দেখি। খুবই সামান্য মানুষ এই ট্রেন চড়ে ছুট দিতে পারে।.... কারো কারো ট্রেন ছুটে যায়। আর কারো কারো.... কখন ও ট্রেন আসে না। 
আমি একজন প্রচন্ড স্মৃতি কাতর মানুষ। শুধু ইচ্ছের বেলায় আমি জল্লাদের মত নিষ্ঠুর হয়ে উঠি। ঠোটের আগায় ক্রুর হাসি রেখে আমি গলা টিপে হত্যা করি অগণিত সপ্ন। আর দলা পাকানো কাগজের মত মুচড়িয়ে ফেলে দেই জঞ্জালে। ইচ্ছেগুলো ও তিরস্কারের হাসি হেসে জানায়, 'আমি নাহয় আস্তাকুড়ে গেলাম। কিন্তু তোমার, তোমার কি হবে বলো তো?' 
ছোটবেলার দিনগুলো মনে পড়ছে  আজ হঠাৎ। কি দিনগুলোই না ছিল। আমার দস্যিপনায় বিচিত্র কাটতো এক একটা দিন।  স্কুল কামাই দিয়ে সারাবেলা ঘুড়ি উড়ানো আর ফড়িং ধরা ছিল আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ। মাঝে মাঝে ভর দুপুরবেলা বাসা থেকে বেরিয়ে পড়তাম পাখির বাসা খুঁজতে। ফাঁক পেলেই গিয়ে গিয়ে দেখে আসতাম কত বড় হয়েছে পাখির বাবুগুলা। স্কুল করতে যে মন্দ লাগতো তা কিন্তু না। স্কুলে গিয়ে পড়ার চেয়ে খেলা আর দুষ্টুমি করা হত বেশী। বৃষ্টির পরদিন স্কুলে যাওয়ার মাঝে ছিল আমার অন্যরকম আনন্দ। স্কুল থেকে ফেরার পথে মাটির রাস্তার নিচের মাঠগুলোতে জমে থাকা পানিতে মাটির চারা পানিতে ছুড়ে দিয়ে ব্যাং লাফ খেলতাম। 
মাঝে মাঝে আসতো আইসক্রিমওয়ালা। শিশুমনের কাছে আইসক্রিম ছিল অতিমানের পুষ্টিকর খাদ্য। 
২ ধরণের আইসক্রিমওয়ালা ছিল। একদল আসতো টুনটুন করে ঘন্টা বাজিয়ে।  আরেকদল আসতো বাক্সে বাড়ি দিয়ে। আইস্ক্রিম ওয়ালার ঘন্টার শব্দ শুনলেই ওর পেছনে ছুটতে থাকতাম। ১ টাকা দামের রং বেরঙের পাইপ আইসক্রিম কিনে কিনে খেতাম আর পাড়া বেড়াতাম। 
বৃষ্টির দিনে এলেই হত ফুটবল খেলা। আমাকে ঘরে বেঁধে রাখা কঠিন হয়ে পড়তো। প্রায়ই বাসা থেকে পালিয়ে যেতাম। বৃষ্টির মাঝে ফুটবল খেলে জামা কাপড় কাদামাখা করে বাড়ি ফিরতাম । এরপর জুটতো মায়ের হাতের বকুনি আর পিটুনি। 
শিশু মন হলে কি হবে? মাঝে মাঝে বকা পিটুনি খেয়ে খুব মন খারাপ হতো। তখন দোকান থেকে ৫০ পয়সা দামের গোলাপি রঙের একটা চুষ কাঠি মুখে দিয়ে উঁচু পাচিলে উঠে পা ঝুলিয়ে বসে থাকতাম, যেখান থেকে আকাশের বিশালতা দেখা যেত।  
শুক্রবার দিন ছিল সাইকেল চালানোর দিন । সারা সপ্তাহ ১টাকা ১টাকা করে ৫টাকা জমাতাম, এরপর শুক্রবার দিন সাইকেল ভাড়া করে ঘুরে বেড়াতাম । তখন ৫ টাকাই ছিল অনেক কিছু। এ পাড়া সে পাড়া করে অনেক দূরে চলে যেতাম। ৪০ মিনিটের জন্য নিয়ে ১ ঘন্টা পরে ফেরা হতো।
কি করে যে কেটে যেত সারাদিন টেরই পেতাম না। 
এখন মাঝে মাঝে খুব অনুভব করি দিনগুলো। মাঝে মাঝে মনে হয় একদিনের জন্যে হলেও ছেলেবেলায় ফিরে যাই। কাটিয়ে আসি একটি দিন।
মানুষের একটা গভীর সমস্যা হচ্ছে, সে সময় থাকতে সময়ের মূল্য এবং সেই সময়টাকে বুঝতে পারে না। অনুভব ও করতে পারে না। ইফেক্ট টা টের পায় পরে। 
আমার ও বোধ করি তাই হয়েছে। এই রাত বিরাতে স্মৃতির খাতার ধুলো ঝেড়ে পাতাগুলো উলটে পালটে দেখছি গভীর দীর্ঘশ্বাসে...


*আমারকথা* *শৈশব* *আমারছেলেবেলা* *আমারশৈশব*
ছবি

সুমি রহমান: ফটো পোস্ট করেছে

কেমন সুন্দর আহা ঘুমায়ে রয়েছে চাঁদের জোছনা এই সমুদ্রবেলায় !

আমার প্রিয় ফুল

*প্রিয়ফুল* *আমারছেলেবেলা* *আমারশৈশব*
ছবি

সুন্দরের পূজারি: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি শেয়ার করেছে

ছোট্টবেলাকার প্রিয় কার্টুন সিরিয়ালগুলোর একটি ..

*কার্টুনসিরিয়াল* *আমারশৈশব*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★