আমি

বিম্ববতী: [পিরিতি-আরকরুমনা] আমার ওয়ালটা দেখছিলাম কত্ত ঃখে তাম আমি ! হি হি হি এখন আমার দুঃখ নাই কেন !!! কি আশ্চর্য !!!!!!!!!!

*দুঃখ* *আমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি তোমার মধ্য রাতে—ডুকরে কাঁদার কারণ, আমি তোমার 'সেই কথা' যা—কাউকে বলা বারণ! আমি তোমার ভাগ্য রেখা—আমিই সেটার গণক, আমি তোমার প্রতি ফোঁটা—অশ্রু জলের জনক!

*আবেগ* *আমি* *অশ্রু*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকি........ যদি সে কিছু বলে এই আশায়

*আবেগ* *সে* *আমি*

Lutfun Nessa: *আমি* আমার দুর্বলতা মেনে নেই আনন্দের সাথে,,, আমি হুবহু বা একটু সাজিয়ে গুছিয়ে নিজে নাম কেনার জন্য কোন কিছু নকল করিনা,,, আমি মিথ্যে অহংবোধে কাউকে কষ্ট দেইনা,,, আমি কোন সর্বজান্তা নই, আমার জ্ঞান, বিদ্যা-বুদ্ধি খুবই সীমিত!!!

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন, আপনি বা আমি নেই,মরে গেছি। কিন্তু চারপাশে সব কিছুই ঠিকঠাক চলছে। তা মনে করে কি বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো?
এটাই নিয়ম। অর্থ বিত্ত সহায় সম্পদ সন্তান প্রিয়জন সব থেকে যাবে, শুধু থাকবো না আমি বা আপনি।

আমার বা আপনার মৃত্যুর পর প্রিয় মোবাইলটি পড়ে আছে টেবিলে,অনেকটা অযত্নে অবহেলায়।সকালে উঠে কেউ চার্জ দেয়ার তাগিদ অনুভব করে না। রাতে আসা অনেকগুলি মেসেজ আনরিড রয়ে গেছে। আদৌ এগুলি কেউ পড়বে বলে মনে হয় না!

আপনার প্রিয় পড়ার ঘরটি এলোমেলো হয়ে আছে।মেলা থেকে কেনা বইগুলি প্যাকেটবন্দী রয়ে গেছে। কেউ একবারও খুলে দেখেনি, পাতা উল্টেপাল্টে নতুন বইয়ের ঘ্রান শুকেনি।পড়ার টেবিলের এককোনে পড়ে আছে ট্যাব ও ল্যাপটপ। প্রিয় ল্যাপটপের গায় ধুলোর আস্তরন।দুর থেকে সিলভার কালারে dell লেখাটা এখন আর চকচকে করে না।
সকাল ৯টা বেজে গেল। অথচ জানালার ভারীপর্দায় সরিয়ে সকালের মিস্টি রোদ ঘরে প্রবেশের পথ করে দেয়াটা কেউ খেয়াল করলো না।
বারান্দায় ফুলের টবগুলিতে পানি না দেয়ায় গাছের গোড়ার মাটি শুকনো হয়ে গেছে।দু' একটা শুকনোপাতা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।পরিচর্যাহীন টবগুলি কেমন বিবর্ণ লাগছে।
পাখিদের বিশাল খাচাটা কেউ এখন পরিস্কার করার সময় হয়তো পায় না । পানি, খাবার পড়ে খাচার নীচের ট্রে' টা নোংরা হয়ে আছে।পরিস্কার করার কারো সময় নেই! আহা কিচির মিচির শব্দে এখন কারো ঘুম ভাংগে না।
পিছনের বারান্দায় ইজি চেয়ারটা অযত্নে পড়ে আছে।আমি নেই বলে এখন আর কেউ গভীর রাতে ইজিচেয়ারে বসে পা দুলিয়ে জ্যোৎস্না দেখে না।
ফ্রিজে রাখা মুস্টিগুলি কেউ আগ্রহ দেখিয়ে ডাইনিংয়ে নিয়ে আসে না। সাদা রসগোল্লাগুলি জমে শক্ত হয়ে আছে। ডায়াবেটিক হাউজে আমি ছাড়া আর কেউতো মিস্টি খায় না।
প্রতিবছর বইমেলা হবে। বিকেল হলে মেলায় যাবার জন্য বুকটা কেমন কেমন করে উঠবে না। প্রিয় প্রকশনীগুলি নতুন বই নিয়ে মেলায় অংশ নিবে অথচ আমি বা আপনি নেই!
আহা মনটাই খারাপ হয়ে যাওয়া ভাবনা!
কেউ একজন রুমে এসে মনে করিয়ে দিবে না, আজ কি কি জরুরী কাজ আছে।তাড়াও দিবে না অফিস শেষে দ্রুত বাসায় ফিরে এসো।
-আচ্ছা।
শব্দটি শুনে অগাধ বিশ্বাসে ফিরে যাওয়া মানুষটিও ''আমি বা আপনিহীনা'' সময়ে বেচে আছে।
জগতের সব ঠিকঠাক চলছে, শুধু আমি বা আপনি নেই!
এখনো ডোরবেল বাজলে দৌড়ে কেউ একজন দরোজা খুলবে। কিন্তু দরোজায় দাঁড়ানো মানুষটি আমি বা আপনি নই, অন্যকেউ একজন।

 

*বাস্তবতা* *আবেগ* *মরন* *কষ্ট* *নীলাদ্রি* *আমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

“তুই কি আমার সব হবি” ?

• তুই আমার সাথে এমন করিস কেন?
কি করি?

• বুঝিস না কি করিস?
না! বুঝিনা! বুঝাইয়া দে?

• আমাকে সব সময় কষ্ট দিস কেন?
হাহা! পরে মিষ্টি পাবি বলে!

• তোর মাথা! তুই কি পাগল?
হু! ক্ষ্যাপাটে পাগলা! জানিস না?

• জানি তো! তা অন্য কারো জন্য বুঝি?
লাত্থি চিনিস?

• না চিনি না! তোর দোস্ত আর জিএফ রা চিনে!
তাহলে একটা লাত্থি দেই?

• দূর! তোর মাথা নষ্ট! তুই পাগল! বদ্ধ উম্মাদ!
হু! তোর কারনেই! বুঝলি গাধি!

• তুই একটা হারামী!
তুই হারামীর বউ!

• মাথা! তুই খারাপ! ফাজিল!
হু!

• ভালবাসিস আমাকে? না কি অভিনয় করিস?
জুতাটা কই?

• কেন?
কেন আবার? তোরে পিটামু তাই?

• কি করছি?
ভালবাসি কি না জিগাইলি কেন? সন্দেহ আছে তোর?

*থাকতেই পারে! তুই না বলছিস, তুই চাইলে মেয়ের অভাব হবে না! যদি…?
যদি কি? সন্দেহ আর কি নিয়ে বল?

• ওই তুই তো আমাকে ভুলে যাবি! আমি জানি একদিন তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি! আমি জানি তুই আমার আনন্দ কিন্তু এটাও জানি একদিন তুই আমার দুঃখের কারন হবি!
আর কিছু বলবি?

• হু! বলবো !আমি জানি তুই আর ফিরবি না…আমাকে মিস করবি না… অন্য কারো হয়ে যাবি!
বলতে থাক?

• আর জানি না…!
কেন জানিস না কেন? তুই এত বেশি বুঝিস কেন?

• কি বেশি বুঝলাম?যা সত্যি তাই বললাম! মিথ্যে বলছি না কি?
এসব তুই কি বলিস পাগলী?

• ঠিক-ই তো বলছি!
আয় কাছে আয়!

• না যাবো না…! আজ আমায় ডাকছিস! কাল হয়তো আমার জায়গা অন্য কাউকে দিয়ে দিবি!
কাছে আসতে বলছি তোকে ! আয়, বুকের সাথে একদম লেপ্টে থাক! এসে দেখ, কেমন করছে আমার বুকের ভেতরটা তোর এইসব কথা শুনে! তুই আমাকে বুঝিস না কেন?

বুঝে কি হবে? তুই আমাকে ভালবাসিস?
হারামী! কুত্তি! আয় বুকে আয় বলছি- কান পেতে শোন- ভালবাসি, ভালবাসি!

*তুমি* *তুই* *আমি* *ভালোবাসা* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: পৃথিবীতে যে সবচেয়ে বেশি আমাকে বোঝে, সে হল আমি নিজেই। আমিই জানি, আমি কাকে প্রকৃত ভাবে ঘৃণা করি এবং পছন্দ করি। আমি নিজেকে ভীষণ ভালো একটা ছেলে মনে করি। এবং এ ব্যাপারে আমি ১০০% নিশ্চিত।

*আমি* *ভালো* *বাস্তবতা* *খারাপ*

কাজী আব্দুল মান্নান মোহাম্মদ মহসীন মান্না: পৃথিবীতে ‘আমি’ ও ‘আমার’ শব্দ দু’টির ব্যবহার যতো বেশি হয়, হয়তো আর কোন শব্দের ব্যবহার এতো বেশি হয় না।

*আমি*

কাজী আব্দুল মান্নান মোহাম্মদ মহসীন মান্না: আমার আমিকে আমি আমার মতো করে চেনার আগেই, জানার আগেই, বোঝার আগেই অনেকেই আমাকে চিনে ফেলে, জেনে ফেলে, বুঝে ফেলে...!!

*আমি*
ছবি

এরশাদুল বারী সিদ্দিকী ফারাবী: ফটো পোস্ট করেছে

(কুল)(কুল)(শয়তানিহাসি)

(খিকখিক)

*বাংলাদেশ* *পতাকা* *আমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কানি,

এই "আই লাভ ইয়্যু" যে কেউ তোমাকে বলতে পারে,যখন তখন,যে কেউ মানে কিন্তু যে কেউ ই!সকাল বিকেল এমনকি কখনও কথা হয়নি সেও।
রাস্তা দিয়ে হাটছ, কোন সুদর্শন যুবক গোলাপ হাতে এক নিঃশ্বাসে বলে ফেলবে "আই লাভ
অনার্স লাইফের সেকেন্ড দিনেই ডিপার্টমেন্টের বড় ভাইটা ডেকে বলবে, "মেয়ে, আমার কাছে সকল নোট-শিট পাবা! কল মি। আর শোন, তুমি বড্ড কিউট"
তুমি ভার্সিটি পড়! রোজ তোমার পিছনে বহু ছেলের আনাগোনা থাকবে,সে হতে পারে ডিএমসি বয়, বুয়েট সুপুরুষ কিংবা ঢাবিয়ান। আল্টিমেটলি, সবাই তোমাকে বলবে, "আই লাভ ইয়্য"
"অথবা "
ঠিক কোন এক রাতে এরকম কোন মূহুর্তে প্রত্যেক দিন যে মানুষটি তোমার ছবি দেখে ঘুমতে যায় আবার তোমার ছবি দেখেই ঘুম থেকে উঠে। কোনদিন দেখা হয়নি তারপরও যখন বন্ধুরা তার প্রিয়াকে নিয়ে বাইরে যায়,তখন দাতে দাত চেপে বলে আমারও আসবে সময় আথবা সবার থেকে ভাল হবে সেই দিন,তৈমার ছবি হাতে নিয়ে মুখে অস্পস্ট ভাবে বলে"তোমাকে ছাড়া পৃথিবীতে বাঁচে থাকা কি দুঃসহ !!"
অনেকগুলা রাত চোখের পানি মুছে চলে যায় তুমিহীনতায়।হয়তোবা রবীন্দ্রসঙ্গীতের সবথেকে মধুর গানটাও মন ভাল করে না। সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে তোমার মায়ামুখটুকু কথা ভেবে ঐ কাল্পনিক তোমার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা যুদ্ধ করে কাটিয়ে দেয় নিরন্তর।কতটা কষ্টকর সময় ছিলো ওটা, কতটা তুমি নামক অনুভূতি বাসা বেঁধেছিল তার বুঁকের ভেতরটায়, শুধু তুমিই জানো !!
অথচ দেখো, তুমি এখনো নিশ্চুপ থাক।তবে সে ভালোই আছে,সত্যি ভালই আছে।কারন তার ভাল থাকার কারন তুমিময়তা।
এই মূহুর্তের জন্য ঐ ছেলেটির আফসোস হয়না যখন সে তোমায় ভেবে সারা রাত কাটিয়ে ছিল বরং গর্ব হয় কারন তুমি নামক মেয়েটার ঘাতক চাহুনীতে মরে যেতে থাকে সেই ছেলেটা প্রতিদিন। গর্ব কারন এ নিশ্চিত আগস্ত যাত্রা শুধু তোমারই কারন। কারন সকাল বিকাল একহালি ভালবাসি বলার জন্যে পাওয়া যায় কিন্তু কয়জন পারে প্রিয়তমার জন্য অনন্ত অপেক্ষা করতে?
জীবনটা এমনই হুট করে জীবনে ঝড় আসে ।সেই ঝড়ে সব ওলটপালট হয়ে যায়।এই ছেলেটাও কি আগে ভেবেছিল এমন করে কোন এক অসম্ভব মায়াবতীর চোখের কাজলে প্রতিদিন খুন হবে।
মাঝে মাঝে কি মনে হয় জানো তোমার সাথে যখন ছেলেমানুষিগুলো করি হঠাৎ করে ভেবে নিজেকে ভীষণ বোকা বোকা লাগে।হঠাৎ করে দু গাল হেসে নি।তবে,মাঝে মাঝে বোকা হতেও বড্ড ভালো লাগে।সেটা তুমি বলেই লাগে।
আমি জানি শুধু ভালোবাসলেই হয়না,ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার চেষ্টা করতে হয় পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়।অপেক্ষার শেষ মূহুর্তেও যদি না পাওয়া হয় তবুও সেখানে একধরনের আত্মতৃপ্তি কাজ করে ভালোবাসার তৃপ্তি,অপেক্ষার তৃপ্তি।
গর্ব হয় কারন সেই হাসি অপেক্ষার হাসি,ভালোবাসার হাসি ও অনেকদিনের দৃঢ়তার হাসি।
তোমাকে ভালোবাসায় আমার ব্যর্থতা বলতে কিছু নেই।আছে দৃঢ় প্রত্যয়,একাগ্র কামনা,অদম্য চাওয়া আর আছে অপেক্ষা শুধু তোমার জন্যে অনন্ত এ অপেক্ষা।
প্রথম গুলো অনেকেই পারে কিন্তু তোমাকে যে খুব সাধারন ছেলেটির কথা বললাম যে তোমাকে স্বপ্নের মধ্যে নিয়েই দিন অতিবাহিত করে।সে যে আমি তা হয়তো বলার অপেক্ষা রাখে না তবে যেটা বলার অপেক্ষা রাখে সেটা হলো ছেলেটির আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে অদ্ভুত তুমিময়তা।আজন্ম তোমাকে চাওয়া হে আমর চির কাঙ্খিতা।

*ভালোবাসা* *চশমিশ* *আমি* *যন্ত্রনা* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রেস্টুরেন্টের ভেতর খুব নরম আলো। মেয়েটা খুব শান্ত হয়ে বসে মোবাইলের দিকে তাকিয়ে আছে। আমান দূর থেকে মেয়েটাকে দেখে একটু থমকে গেলো। ছবির চেয়েও সামনা সামনি মেয়েটা অনেক বেশি সুন্দর। সে লম্বা একটা শ্বাস ফেলে মেয়েটার দিকে এগিয়ে গেলো।
.
- আপনার নাম নাদিয়া, রাইট?
- জ্বি, আপনি আমান?
- ইয়া... সরি, একটু লেট হয়ে গেলো
- সমস্যা নেই, আমিও বেশিক্ষণ আগে আসিনি
- অর্ডার করি কিছু?
.
মেয়েটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আমানকে দেখে। নাহ, আসলেই কিউট আছে। কথায় আঞ্চলিক কোন টানই নেই! বেশ স্মার্ট লাগছে। শুধু শুধুই আগে থেকে নাক সিঁটকাচ্ছিলো সে। এ্যরেঞ্জড ম্যারিজে তার আপত্তি ছিলো না তবে তার বাপের পছন্দ করা একটা ছেলের সাথে প্রাইভেটলি কথাবার্তা বলার আইডিয়াটা খুব উইয়ার্ড লাগলেও এখন মনে হচ্ছে কথা বলে দেখাই যায়।
.
অর্ডার নিয়ে ওয়েটার চলে গেলো, আমান মেয়েটার দিকে তাকিয়ে একটা নার্ভাস হাসি দিলো। তারপর হঠাৎ সে মেয়েটার দু হাত ধরে ব্যাকুল ভাবে বলে উঠলো " আফা! আপনার দোহাই লাগে, আপনার যদি কোন বয়ফ্রেন্ড, প্রেমিক, নাগর, ক্রাশ... কিছু একটা যদি থাকে প্লিজ বলেন। আপনি এখন আমার বইন লাগেন। আমি আপনার পায়ে পড়ি- বিয়ের কথাবার্তা অনেক দূর আগাবার পর মাঝরাতে নক দিয়ে ফিচফিচ করে কেঁদে "ভাইয়া আমাকে বাঁচান" আর শুনতে চাইনা... আমি অতিষ্ঠ! আপনার কোন পছন্দের মানুষ থাকলে এক্ষুণি বলেন- দরকার হলে আমি উকিল বাপ হয়ে আপনাদের বিয়ে পড়ানোর ব্যবস্থা করবো- তাও বিয়ের পর কোন "এক্স" বয়ফ্রেন্ডের উৎপাত সহ্য করতে পারবোনা- মাফ চাই আফা!!"
.
.
প্রায় ঝাড়া কয়েক সেকেন্ড মেয়েটা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো। তারপর খুব সাবধানে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বললো "বাসায় জানে আপনি যে পাগল?"
.
আমান খুব ক্লান্ত গলায় বললো "কি আসে যায়? এই জমানায় প্রেম না করে বিয়ে করতে গেলে যে কেউ পাগল হয়ে যাবে। ক্লাস সিক্সের মেয়ের পর্যন্ত ২ টা করে বিএফ থাকে!" তার মুখ কুচকে গেলো।
.
নাদিয়া মুখ টিপে হেসে বললো "প্রেম করেন নি কখনও?"
.
আমান হাত উলটে বললো "আট বছর আগেই ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে গেছি, এরপর আর কাউকে মনে ধরে নি। এখন বিয়ে করতে এসে দেখি কিছু খালি নাই"
.
নাদিয়া শব্দ করে হাসলো এবার। প্রথমে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু এখন বুঝছে- ছেলেটা অন্যরকম হলেও খারাপ না। বেচারা বাস্তবতার আঘাতে ক্লান্ত।
.
"বললেন না তো, গোপন-প্রকাশ্য বয় ফ্রেন্ড আছে কিনা?" আমান আবার জিজ্ঞেস করে।

"থাকলে কি করবেন?"

"খেয়ে দিয়ে অর্ধেক বিল দিয়ে ভাগবো, দোয়া থাকবে আপনাদের জন্য, বিয়ের দাওয়াত চেয়ে নিবো পরে"

"অর্ধেক বিল দিবেন মানে- আচ্ছা কিপটা তো আপনি!"

আমান একটা চোখ টিপে বললো "ইউ হ্যাভ নো আইডিয়া"

"কিপটা জামাই অবশ্য সংসারের জন্য ভালো- যাস্ট আমার খরচ ঠিকঠাক দিলেই হলো"
.
আমানের বুকে ছ্যাঁত করে উঠলো। রংচঙে হিজাব পরা নম্র মত মেয়েটা তার দিকে তাকিয়ে মিটমিট করে হাসছে। সে হঠাৎ বুঝে গেলো- এই মেয়ের কোন অতীত নিয়ে তার ভাগ্যবান স্বামীকে কখনই দুশ্চিন্তিত হতে হবে না। এই টাইপের মেয়েরা নিজের সকল মুগ্ধতা সঠিক সময়ের অপেক্ষায় অচেনা কারো জন্য যত্ন করে রেখে দেয়- অপচয় করে না এদিক উদিক।
.
আমান খুব ধীরে ধীরে বলে "আজ বিলটা সম্ভবত ভাগাভাগি না করলেও চলবে"। মেয়েটার একটা ভ্রু উঁচু হয়ে গেলো। মুখে যদিও একটা দুষ্ট হাসি।

*বিয়ে* *মেয়ে* *বয়ফ্রেন্ড* *গার্লফ্রেন্ড* *গল্প* *আমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

Im Not Virgine My Life Fucks Me Everyday
*জীবন* *বাস্তবতা* *আমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ধর একদিন হঠাৎ- আমি নেই কোথাও! তোমার পরিপাটি বিছানা, ঝকঝকে বাথরুম, টুথব্রাশ, তোয়ালে, রকিং চেয়ার, বারান্দায় ফুলের টব, অথবা ক্যাকটাস! সব ঠিক আগের মতোই, শুধু আমি নেই কোথাও। তোমার আলমিরায় গোছানো কাপড়ের ভাঁজ, ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখা অন্তর্বাস, ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় লাগিয়ে রাখা লাল-নীল টিপ, তোমার সেলফোন, টিভি- মেগা সিরিয়াল, বন্ধু, হাসি- ঠাট্টা, হৈ রৈ, সব আগের মতোই- শুধু আমি নেই কোথাও!

*আবেগ* *আমি* *হারিয়েযাওয়া* *দুঃখ*

বিম্ববতী: এখন এইখানে দাঁড়িয়ে আমি পৃথিবীর কিছুই যেন চিনতে পারছি না আর,,, যে পথে আমার নগ্ন পা ধূলো উড়িয়ে চুল শুকোতে রোদ্দুরে আর বৃষ্টিতে গড়িয়ে "হারে রে রে রে রে আমায় ছেড়ে দেরে দেরে যেমন হারা বনের পাখি মনের আনন্দে রে ঘনশ্রাবণধারা যেমন বাঁধনহারা বাদল বাতাস যেমন ডাকাত আকাশ লুটে ফেরে,,,,," আজ রবিঠাকুরের আবিষ্কৃত জুতো পড়া পা সে চেনা অচেনা পথে ঘঁষটে ঘঁষটে চলতে গিয়ে হঠাৎ যেন হাঁটুমুড়ে পরে যায়,,, ,,,,,,(বৃষ্টি),,, প্রশ্ন জাগে- আগেও কি এইসব দগ্ধ পথের গন্ধ আদৌ চিনতাম?

*পথ* *আমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: অনেক অনেক বিষন্ন সন্ধ্যা শেষে, এই শহরে বৃষ্টি নামে.... কোন এক বৃষ্টি ফোঁটার নাম হয়ে যায় 'তুমি' কোনটা হয়ত 'আমি', কোনটা বা মেঘের সাথে মিশে হারিয়ে যায় দূর থেকে দূরে,আরো কিছু দূরে.....

*প্রিয়কবিতা* *তুমি* *আমি* *বৃষ্টি*

বিম্ববতী: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

"সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন,,,, তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল,, সব পাখি ঘরে আসে- সব নদী ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন,,, থাকে শুধু অন্ধকার মুখোমুখি বসিবার,,,,," ,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,আমি,,,(বৃষ্টি),,,(বৃষ্টি),,,,,,
*আমি* *জীবনদা*

প্যাঁচা : আমি যখন মায়ের গর্ভে আমার সাইজ ছিল ০.১মিঃমিঃ,বর্তমানে প্রায় ৫০ট্রিলিয়ন সেল প্রতিনিয়ত নানা কাজ করছে আমার শরীরে।আমি যদি ৫০ট্রিলিয়ন সেল দ্বারা গঠিত হই,তাহলে আমার "আমি" আসলে কোথায়? ডি,এন,এ!!! এই ডিএনএ দ্বারাই আমি আমার পূর্বসরীদের সাথে সংযুক্ত অর্থাৎ প্রথম লাইফ থেকে শুরু করে আমি পর্যন্ত এবং তা প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন বছর। সুতরাং,আমার 'আমি' আসলে আমার পূর্বসরীদের সমন্বয় প্লাস;কিছুটা G+ র মত..হাহাহাহা.আর আমার উত্তরসরী না থাকলে ইহা আমাতেই সমাপ্ত।নো মোর প্যাঁচা(হাসি-৩)

*আমি* *ডিএনএ* *পূর্বসরী* *উত্তরসরী* *আমিত্ব* *জীবন*

বিম্ববতী: Society, have mercy on me I hope you're not angry if I disagree,,,,,,,(বৃষ্টি),,, Society, crazy indeed,,, ,,,,,(বৃষ্টি),,,,,I hope you're not lonely without me,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,, Society, you're a crazy breed,,, I hope you're not lonely without me,,,,(বৃষ্টি),,,,,,(বৃষ্টি),,,,, https://goo.gl/qDkw54

*সমাজ* *সোসাইটি* *আমি*

বিম্ববতী: ,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,, ,,,হোক আভরণময় আবরণের অবসান !,,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,(বৃষ্টি),,, (বৃষ্টি),,,হোক তোমার ইচ্ছের পরাগায়ন আমাতে !,,(বৃষ্টি),,, ,,,,,,(বৃষ্টি),,,হোক নিশ্চুপ'র জয়,,,,,,,(বৃষ্টি),,, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,হোক,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,

*জল-ডুব* *আমি* *জয়-হোক*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★