আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা নিয়ে কি ভাবছো?

গাজী আজিজ: গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়াকে হারানোর পরে মেসি-- '' ঈশ্বর আমাদের দিকে তাকিয়েছেন''।

*আর্জেন্টিনা* *জয়*
ছবি

ফ্রেশ ফ্রজেন: ফটো পোস্ট করেছে

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজান এল গেল, ঈদও চলে গেল। দুয়ারে ফুটবল বিশ্বকাপের দৌড়াদৌড়ি চলছে। অনেকদিন কিছু প্রকাশ করা হয় না তবে পড়া হয়। পড়তে আমার ভাল লাগে, জানতে ভাল লাগে। সেই ভাল লাগা থেকেই নতুন কিছু অংশ আপনাদের মাঝে দিতে এসেছি। ঈদের দিন কাজ থাকায় শুভেচ্ছাটা দিলাম না। কর্মজীবনে প্রবেশ করার পর থেকে ঈদের আনন্দটা প্রকাশ সেভাবে করা সম্ভব হয় না। যেভাবে বাচ্চারা করে থাকে, যে সময়টাকে আমি খুব খুজেঁ ফিরি।

পুরো নাম দিয়েগো আরমানদো মারাদোনা ফ্রাঙ্কো, যে যেভাবে ডাকতে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করুন। খেলার মাঠে অবস্থান বলতে গেলে মধ্যমাঠের খেলোয়াড়, তবে ধাচেঁ আক্রমণাত্নক।

অনেকে পরিসংখ্যান দিয়ে অনেক কিছু যাচাই করেন। সে চিন্তা করলে তো একাধিক আরব ইসরাঈল যুদ্ধে আরবের তো শুরু থেকেই জয় পাবার কথা! আপনি সংখ্যা, উপাত্ত দিয়ে বিশ্লেষণ করলে ধারণা পাবেন এর থেকে বেশি কিছু নয়। তেমনি গোল ও বিশ্বকাপ দিয়েই ব্যবচ্ছেদ করে, একেই সেরা মনে করা উচিত নয়। যদিও ইতিহাসে জয়ীকে নিয়েই স্তুতি প্রস্তুত হয়।

নাম না জানা কত খেলোয়াড় এসেছে, গিয়েছে। তার মধ্য থেকেই কয়েকটি তারা জ্বল জ্বল করে। মারাদোনার নাম তুললে একটি নক্ষত্র সর্বদাই পিছু আসে সেটা হল পেলে। মানুষ যে দল বা সংঘকে পচ্ছন্দ করবে; তারই গুনগান গাইবে। এটাই স্বাভাবিক। আমিও ব্যতিক্রম নই। তবে সঠিক পর্যালোচনা করাই উদ্দেশ্য।

প্রথমেই মারাদোনার কৈশর এর একটি ভিডিও, যারা ভক্ত তাদের জন্য

https://www.youtube.com/watch?v=xr7SfOC6X_U


মারাদোনা শারীরিকভাবে খুব শক্তিশালী ছিল যে কোন ফাউল উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে পারত। ফাউল হলেও বড় কোন ইনজুরিতে বারবার পড়তে হয় নি। আর ড্রিবলিং ছিল অসাধারণ। বলকে নিয়ে কিভাবে খেলা যায় আর তা দিয়ে প্রতিপক্ষকে কিভাবে নাঁচাতাে হয় তা সে ভালভাবেই রপ্ত করেছিল। আর আরেকটা কথা হল ক্ষিপ্রতা। এগুলো মিশিয়ে গতিময় ফুটবল যদি একজনই বল ঠেলে এগিয়ে যেতে থাকলে তাকে আপনি কি বলবেন? যার কোন বারতি আক্রমণভাগের খেলোয়াড়কে দিতে হচ্ছে বলকে গোল দিতে। যদিও ১১*২ সদস্যের খেলা ফুটবল তবুও এই প্রতিভাকে শ্রেষ্ঠ রূপ দিতে সমস্যা কই?

আমার হাসি পায় সবচেয়ে বেশি একজন মধ্যমাঠের আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড় এর সাথে শুধু আক্রমণভাগের খেলোয়াড় এর সাথে পরিসংখ্যান মিলিয়ে একটি ফলাফলে আসা। পেলের একা দল টানতে হয় নাই, আর তার মাঠে অবস্থাটাও সেরকম ছিল না কখনো। যেখানে মারাদোনা করে গিয়েছে। Mid মারাদোনা Attacking striker(Forward) এ পেলে যদি একটি দলে খেলতেন তাহলে আমার বিশ্বাস তারা প্রতিপক্ষকে কাপিঁয়ে ফেলতেন। মারাদোনাকে অনেকে playmaker উপাধি দেন, আমি বলব সে রিখুয়েলমে বা জিদান থেকে অনেক বেশি বলব। মেসিকেও অনেকে একজন playmaker বলে কিন্তু আমি মনে করি তার মাঠের অবস্থান এর সাথে এটি যায় না।

মারাদোনা অন্ধকার জীবনের একটি হল কোকেইন তবে অনেকে এটিকে শক্তি বৃদ্ধিকারী মাদক মনে করলেও করতে পারেন; যা ভুল। কোকেইল কোন কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ঔষধ বা মাদক নয়। এটি শুধুই একটি মাদক যা মানুষকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এতে স্বল্প সময়ের জন্য মানুষ মাদকের নেশায় থাকে এর থেকে বেশী কিছু নয়।

আর শেষটুকু বলা যায় হাত দিয়ে গোল দেওয়া, এই একটি বিষয় যা ব্রাজিল ভক্তদের খুব প্রিয়। একটি মানুষের ১০০ গুন থাকলেও ১ দোষই যথেষ্ট চেপে ধরার।

একজন সফল খেলোয়াড় একজন সফল কোচ হবেন বা ব্যক্তি জীবনের অনুপ্রেরণা হবেন তার নিশ্চয়তা নেই। সুতরাং মারাদোনার খেলার শৈলী অপ্রতিরুদ্ধ।

*খেলা* *ফুটবল* *বিশ্বকাপ* *আর্জেন্টিনা* *মারাদোনা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১৯৫২ সালে আর্জেন্টিনার দুই যুবক ঠিক করল তারা ল্যাটিন আমেরিকা ভ্রমণ করবে।ভ্রমণ শুরু হবে বুয়েনোস আইরেস থেকে। আন্দিজ থেকে চিলি, সেখান থেকে পেরু,পেরু থেকে কলম্বিয়া, তারপর ভেনিজুয়েলা গিয়ে শেষ করার প্লান দুই যুবকের। ভ্রমনে তাদের নীতি হবে ইম্প্রভাইজেশন।তাদের বাহন হচ্ছে সিঙ্গেল সিলিন্ডার ১৯৩৯ নরটন ৫০০ সিসি মোটর সাইকেল, তাদের ভাষায় “দা মাইটি ওয়ান” !!

তাদের ইচ্ছা চার মাসে ৮০০০ কিলোমিটার ভ্রমণ করা। দুই জনের মধ্যে মূল চালক,যিনি একজন বায়ো কেমিস্ট, তার ইচ্ছা তার ৩০তম জন্মদিনে ভ্রমণ শেষ করা। কো পাইলট হিসেবে আছেন অন্য বন্ধু যিনি মেডিকেলের ছাত্র,কুষ্ঠ রোগে যার বিশেষজ্ঞতা,যার আর একটা সেমিস্টারই বাদ আছে ডাক্তারি পড়াশোনার।যিনি অপেশাদার রাগবি খেলোয়াড় আর অকেশনাল অ্যাজমা রোগী!! তাদের ইচ্ছা যে ল্যাটিন আমেরিকাকে শুধু বই পত্র দিয়ে চেনে তারা তা নিজের চোখে দেখা, বৃদ্ধ হয়ে রেস্টুরেন্টে বসে ঝিমিয়ে জীবন শেষ করার ইচ্ছা তাদের নাই।

এই রকম পাগলাটে ভ্রমণ প্লান করা দুই বন্ধু একদিন সত্যি সত্যি ভ্রমনে বের হয়ে গেল। এবং ভ্রমণ করে ফেলল ৮০০০ কিলো মিটারের জায়গায় প্রায় ১২০০০ কিলোমিটার। চার মাসের জায়গায় সময় লেগে গেল প্রায় এক বছর। তাদের মাঝে শিক্ষানবিশ ডাক্তার যিনি তিনি এই ভ্রমণ কাহিনী তার ডাইরিতে লেখে ফেললেন। আর পৃথিবী পেল এক ঐতিহাসিক ভ্রমণ কাহিনী যা যে কোন সময়ের জন্যই বিরল।আর এই ভ্রমনের পরেই বদলে গেল নাম না জানা ওই যুবকের জীবন।জন্ম নিল কিংবদন্তী মার্ক্সবাদী এক গেরিলার। যার নাম ছিল এর্নেস্তো গেভারা ডে লা সেরনা এবং পরবর্তীতে যাকে পৃথিবীবাসী চিনেছে এক নামে - চে গুয়েভারা।

চে গুয়েভারা আর তার বন্ধু আলবের্তো গ্রানাদোর সেই ভ্রমনের উপরে লেখা চে’র লেখা দিয়ারিওস দি মোতোসিক্লেতা বা দা মোটর সাইকেল ডাইরিস নিয়ে ২০০৪ সালে ব্রাজিলের পরিচালক Walter Salles তৈরি করেন স্প্যানিস ভাষায় এক সিনাম দা মোটর সাইকেল ডাইরি নামেই।মেক্সিকান প্রতিভাবান অভিনেতা গেল গার্সিয়া বের্নাল চে গুয়েভারার চরিত্রে আর রডরিগো দে লা সেরনা আলবার্তো গ্রানাদোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন।দুই জন অভিনেতাই এত দারুন অভিনয় করেছে যে মনে হবে সত্যি যেন ৫২ সালের দুই ক্ষ্যাপা যুবক যেন তারা।

পরিচালক ল্যাটিন আমেরিকার সৌন্দর্য কে সেলুলয়েডে তুলে এনেছেন চমৎকার ভাবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ল্যাটিন আমেরিকা কে আমাদের চোখের সামনে এনে দাঁড় করিয়েছেন তিনি। আর হচ্ছে এই ছবির সংলাপ। এক কথায় অসাধারণ। যেহেতু সরাসরি চে’র ডাইরি থেকেই এই ছবি বানানো হয়েছে তাই এর আসল কৃতিত্ব দিলে চে কেই দিতে হয়। রসবোধে পরিপূর্ণ দুই বন্ধুর কথাবার্তা ছবির প্রাণ বলা যেতে পারে।

দক্ষিন আমেরিকার মানুষের দুঃখ কষ্ট চলে এসেছে অবধারিত ভাবেই। যে দুঃখ কষ্ট গুলাই চে’র জীবন কে পরিবর্তন করে দিয়েছিল। মানুষের জন্য কিছু করার তীব্র স্পৃহা তৈরি হয় তার।আর যার ফলেই জন্ম নেয় এক নয়া ইতিহাসের।
শুধু এই ছবি বা তার লেখা ডাইরি পড়ে চে কে বোঝা সম্ভব না। তারপরেও চে’র চরিত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যে যাবে তা বলা যায় কোন সংশয় না করেই। নিজের জন্মদিনে কুষ্ঠ রোগীদের সাথে থাকার জন্য নৌকা না পেয়ে রাতের উত্তাল নদী সাঁতার দিয়ে পার হওয়ার মাঝে ফুটে উঠে অনেক কিছু।ফুটে উঠে ভবিষ্যতের এমন এক নেতার চরিত্র যে শুধু মাত্র মানুষের জন্য।

চে’র চরিত্র ব্যাখ্যা করা আমার জন্য দুঃসাধ্য কাজ। সেই চেষ্টাও করব না আমি। সিনামা হিসেবে এই ছবি যে অতি উচ্চ মানের তা বলা যায় সহজেই। পরিচালনা, অভিনয় বা দৃশ্যায়ন সব মিলিয়েই এক মনমুগ্ধকর সিনামা দা মোটর সাইকেল ডাইরি।

*মুভিখোর* *মুভিরিভিউ* *মোটরসাইকেল* *ভ্রমনকাহিনী* *আর্জেন্টিনা* *চেগুয়েভারা*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১০ বছর, ১০ মাস, ১০ দিনের দীর্ঘ যাত্রায় এসব অর্জন আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সিধারী মেসিকে যতটা পুলকিত করে, চারটি ফাইনালে পরাজয় (তিনবার কোপা আমেরিকা ও একবার বিশ্বকাপ) তার চেয়ে বেশি যন্ত্রণা দেয় তাঁকে। সেই যন্ত্রণার ভার বইতে না পেরেই গত পরশু কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হেরে আন্তর্জাতিক ফুটবলকেই বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট থেকে ২০১৬ সালের ২৭ জুন—সময়ের হিসেবে ১০ বছর, ১০ মাস, ১০ দিন। লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দৈর্ঘ্য। আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ডের জাদুকরি সব গোলের মতো সংখ্যাতাত্ত্বিক মিলটাও বেশ বিস্ময়কর!

হাঙ্গেরির বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর অভিষেক অবশ্য হয়েছিল ভুলে যাওয়ার মতোই। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমেই দেখেছিলেন লাল কার্ড! অভিষেক ম্যাচে তাঁর বিচরণ ক্ষণিকের জন্য হলেও ক্যারিয়ারটা হয়েছে দীর্ঘ সময়ের। এ সময়ে একমাত্র আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় হিসেবে কনমেবল অঞ্চলের বাকি ৯ দলের বিপক্ষেই গোল করার রেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে এক বছরে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডও তাঁর ১২ (গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার সঙ্গে যৌথভাবে)। হয়েছেন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে কম বয়সী গোলদাতা (২০০৬ বিশ্বকাপে সে সময়ের সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে)। কনমেবল অঞ্চলে সবচেয়ে কম, ২৭ বছর ৩৬১ দিন বয়সে ১০০ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন। জিতেছেন পাঁচবার ব্যালন ডি’অর (২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২ ও ২০১৫)। হয়েছেন ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়।

*মেসি* *আর্জেন্টিনা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একের পর এক পরাজয়ের গ্লানিতে ক্রন্দনরত মেসি আর্জেন্টিনার জার্সি আর গায়ে পড়বেন না, আর ফিরবেন না আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় হয়ে। আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সির অভিব্যক্তি, "অনেক তো হলো, আর নয়",  আর্জেন্টিনার হয়ে আর খেলবে না সে। মেসি দলে আছেন আর আর্জেন্টিনা জিতেছে এমন ঘটনা খুব একটা মনে পরে না, সেই ২০০৭ কোপা আমেরিকা রানার্স। ২০১৪ বিশ্বকাপ রানার্স। ২০১৫ কোপা আমেরিকা রানার্স। ২০১৬ আবারও রানার্স আর্জেন্টিনা। ১১৩ ম্যাচ, ৫৫ গোলের মালিক, আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি গায়ে তিনিই সর্বকালের সেরা গোল স্কোরার।

ব্যাক্তিগত সাফল্যে একেবারে 'এভারেস্টে' মেসি। ৯বার দেশের বর্ষসেরা ফুটবলারও তিনি। কোপা আমেরিকার সেরা ফুটবলার, বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার, সবই পাওয়া হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেশ নাকি তার থেকেই কিছুই পেলো না, এই আক্ষেপ তার আজন্মের। এরমধ্যে এমন দুটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে মেসি দলে আর সাফল্যের চূড়ায় আর্জেন্টিনা।

২০০৫ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন (অনুর্ধ্ব ২০)


 

২০০৮ সালে অলিম্পিকে সোনা

 

*আর্জেন্টিনা* *জার্সি* *মেসি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আজকে ব্রাজিল পেরুর সাথে একমাত্র কারন হচ্ছে ার্জেন্টাইন ম্যাচ রেফারি ।। তিনি হাতের গোলটা দেখেন নি ।। আমি আর্জেন্টাইন সমর্থক হিসেবে এর প্রতিবাদ করছি ।। (শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)(খুশী২)

*ফুটবল* *আর্জেন্টিনা* *ব্রাজিল* *কোপা-আমেরিকা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আমি আর্জেন্টিনার ডাই হার্ড ভক্ত তাতে তোর বাপের কি ???
*ফুটবল* *আর্জেন্টিনা* *ভক্ত*

Risingbd.com: আর্জেন্টিনার সর্বকালের সেরা ১০ গোলদাতা (পর্ব-১) লাখো ভক্তের জনপ্রিয় এই আর্জেন্টিনা দলটির সর্বকালের সেরা দশ গোলদাতা সম্পর্কে জানাব। আজ থাকছে প্রথম পর্ব.... পড়ুন বিস্তারিত- http://bit.ly/1FANbUP

*খেলাধুলা* *বিনোদন* *ফুটবল* *আর্জেন্টিনা* *জনপ্রিয়* *বেশম্ভব*
ছবি

খেলার খবর: ফটো পোস্ট করেছে

মেসির পরিবারের ওপর চিলির সমর্থকদের হামলা

খেলার মাঠে লিওনেল মেসিকে একাধিকবার ফাউল করেছেন চিলির ফুটবলাররা। আর মাঠের বাইরে মেসির পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে চিলির একদল দাঙ্গাবাজ সমর্থক। ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা শেষ হওয়ার কিছু সময় আগে গ্যালারিতে মেসির ভাই রদ্রিগোসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উত্তক্ত করতে শুরু করে স্বাগতিক চিলির সমর্থকরা। এ সময় রদ্রিগোর সঙ্গে তাদের বাক-বিতণ্ডা হয়। এক সময় তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করে চিলিয়ানরা। পরবর্তীতে নিরাপত্তা কারণে মেসির পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী একটি টেলিভিশন কেবিনে আশ্রয় গ্রহণ করে।

*মেসি* *চিলি* *আর্জেন্টিনা* *সমার্থক* *খেলাধুলা* *কোপাআমেরিকা* *চটখবর*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

প্যারাগুয়েকে হাফডজন হান্দিয়ে দিয়ে,,, আমাদের জাতীয় ভাই,ব্রাজিলকে প্যাকেট করার প্রতিশোধ নিলাম। আশা করি ব্রাজিলিয়ান সাপোর্টারেরা আমাদের ধন্যবাদ দিয়ে ছুডু করবে না । ভাই ভাইয়ের জন্যে। ভামোস আর্হেন্তিনা
*ফুটবল* *আর্জেন্টিনা* *প্যারাগুয়ে*
ছবি

তোফায়েল আহমদ: ফটো পোস্ট করেছে

আর্জেন্টিনা বনাম সালভেডর প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রাথমিক একাদশ (ভালো)

লাইভ দেখুনঃ- http://www.stream2utv.eu/watch/27643/1/Friendly-Match-Argentina-vs-El-Salvador.html

*খেলাধুলা* *ফুটবল* *আর্জেন্টিনা* *প্রীতিম্যাচ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★