ইন্টারনেট

ইন্টারনেট নিয়ে কি ভাবছো?

Lutfun Nessa: ১১০৭৯৯০৪০৫৬৯৬১৭১ কি ধরণের নাম্বার? আমার ইমোতে কয়দিন যাবৎ এই নাম্বারটি অনলাইন দেখাচ্ছে, কিন্তু আমি যখন কল করি বা এস এম এস দেই তখন একটি পরিচিত আইডিতে চলে যায় এবং পূর্বের সব এসএমএস দেখা যায় যে আইডিটি আমি ব্লক করে দিয়েছি! এই আইডিটা শত চেষ্টা করলেও ব্লক করতে পারিনা! কেউ দয়া করে জানালে উপকৃত হতাম:)

*কম্পিউটার* *মোবাইল* *ইন্টারনেট*

আসিফ আমিন: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 স্যাটেলাইট ইন্টারনেট কি এবং এটা কিভাবে কাজ করে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*স্যাটেলাইট* *ইন্টারনেট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ইন্টারনেট স্লো...।।
সৃজনশীলঃ 'প্রশ্ন আপলোডের পূর্বে পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলো' এর ইংরেজী অনুবাদ কি হবে?
উত্তরঃ স্যার ফাঁস হওয়া প্রশ্নে তো ছিলো, ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেলে! 'ধূর বেটা! ঐ প্রশ্ন ফাঁসকারী গত বছর ফেসবুকে আপলোড দিছিলো আপলোডিং হতে হতে এক বছর লাগছে....!
*রসিকতা* *প্রশ্ন* *স্যার* *ইন্টারনেট* *বাস্তবতা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইন্টারনেটে সন্তানের নিরাপত্তায় আপনি কতটা তৎপর?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ইন্টারনেট* *সন্তানেরনিরাপত্তা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে কি করণীয়?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*সাইবারআক্রমণ* *ইন্টারনেট* *টেকনোটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 র‍্যানসমওয়্যার কি? র‍্যানসমের হাত থেকে বাঁচতে কি ধরণের ব্যবস্থা নেয়া জরুরি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*র‍্যানসমওয়্যার* *ইন্টারনেট* *সাইবারক্রাইম* *টেকনোটিপস*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল কুয়াকাটায় ১০ একর জমিতে স্থাপন করা হয়েছে। এখান থেকে ঢাকার মগবাজার টেলিফোন ভবন পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি তুরঙ্কের ইস্তানবুলে সি-মি-ইউ-৫ কনসোর্টিয়ামের বৈঠক শেষে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের মালিক দেশগুলোতে সংযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এই সংযোগ শুধুমাত্র ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রয়েছে। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সরবরাহের কাজটি করবে স্ব স্ব দেশ। দ্বিতীয় সাবমেরিন
কেবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশন। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযুক্ত হওয়ায় দেশে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে আরও ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব আছে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪শ’ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪শ’ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস বিএসসিসিএলের প্রথম সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আসছে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আইটিসির মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। বর্তমানে কুয়াকাটা-ঢাকা ব্যাকহোল লিংক বা কেবল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বিটিসিএলের এই ব্যাকহোল লিংক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন ও টেস্টিং সম্পন্ন হওয়ার পরে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হবে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় দেশে ইন্টারনেট সেবার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে গেল। একটি কেবল কোন কারণে বিকল হলে অন্য কেবলটি ব্যাকআপ হিসাবে কাজ করবে। দেশে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা থাকবে। ফলে ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের কাজকর্মে গতি বাড়বে। দেশে বিনিয়োগও বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল দেশের মানুষের কাছে একটি বড় সুখবর। এই কেবল দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগের একটি সাবমেরিন কেবলে থাকায় কোন কারণে কাটা পড়লে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হত। তখন ভারত থেকে আমদানি করে চাহিদা মেটাতে হতো। দ্বিতীয় সাবমেরিনে যুক্ত হওয়ার ফলে এখন একটা ব্যাকআপ তৈরি হলো। প্রতিটি সাবমেরিন কেবলের লাইফ টাইম ১০ থেকে ১৫ বছর। এখনই উচিত তৃতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপনের চিন্তা হবে। ভারত অন্তত ২০ সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সদস্য দেশগুলো হচ্ছে, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর, ইতালি, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া ও ফ্রান্স। সি-মি-উই-৫ কনসোর্টিয়ামে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ নিয়ে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের মালিকও দ্বিতীয় কনসোর্টিয়ামের সদস্য দেশগুলো। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ ইন্টারনেট সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

*বেশটেক* *সাবমেইন* *ক্যাবল* *কুয়াকাটা* *ইন্টারনেট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্যাথেরিন জনসন ১৯১৮ সালের ২৬ই অগাস্ট হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন. তিনি ১৯৫৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসারি কমিটি ফর এরোনটিক্সএ (NACA) যোগ দেন, যা পরবর্তীতে ন্যাশনাল এরোনটিক্স এন্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA) নামে পরিচিত হয়.

ক্যাথেরিন ১৯৩৭ সালে সর্বোচ্চ সম্মান সহ স্নাতক হন এবং ভার্জিনিয়াতে একটা কালোদের স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন. জেমস গোব্লেকে বিয়ে করার পর এবং তিন মেয়েকে দেখাশুনা করার জন্য তিনি শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে দেন. মেয়েরা বড়ো হওয়ার পর ১৯৫৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসারি কমিটি ফর এরোনটিক্সএ (NACA) যোগ দেন. ১৯৫৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তার স্বামী মারা যান.

১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক স্যাটেলাইটে উৎক্ষেপণ করার পর মহাকাশ বিজ্ঞনের ইতিহাস যেমন পাল্টে যেতে থাকে তেমনি পাল্টে যেতে থাকে ক্যাথেরিন জনসনেরও জীবন. তিনি ১৯৫৮ সালে চালক বিহীন বিমান চালনার ক্ষত্রে কিছু গাণিতিক সমাধান প্রদান করেন. ১৯৬১ সালে আমেরিকার প্রথম মানুষ্য চালিত মহাকাশ ভ্রমণ, ফীডম ৭ মিশনের, গতি পথের গাণিতিক বিশ্লেষণ করেন.

১৯৬২ সালে নাসা সিদ্ধান্ত নেয়, জন গ্লেনকে কক্ষপথ পরিভ্রমনে পাঠাবে. কিন্ত এটা ছিল খুবই জটিল একটা কাজ. কারণ কম্পিউটার তখন এত উন্নত ছিলোনা. আই বি এম কম্পিউটারের মাধ্যমে একটা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে যুক্ত থাকবে ওয়াশিংটন ডিসি, কেপ ক্যানাভেরাল, এবং বারমুডা. কম্পিউটারে প্রোগ্রাম করা হলো, উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে মহাকাশযানের সমুদ্র-অবতরণ পর্যন্ত কক্ষপথকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য. কিন্তু মহাকাশচারীরা ভরসা করতে পারছিলেননা, তাদের জীবন শুধুমাত্র কম্পিউটার প্ৰগগ্রামের উপর ছেড়ে দিতে. গ্লেন ইঞ্জিনীরদেরকে বললেন "সেই মেয়েকে নিয়ে আসো", ক্যাথেরিন জনসন যে কম্পিউটারের পাশাপাশি তার মেকানিকাল ক্যাল্কুলেটিং মেশিন দ্বারা গানিতিক বিশ্লেষণ করবে. মহাকাশচারী গ্লেন বললেন, হিসাব করার পর ক্যাথেরিন জনসন যদি বলে কম্পিউটারের হিসাব ঠিক আছে, তাহলেই আমি মহাকাশ অভিযানে যেতে প্রস্তুত. গ্লেনের অভিযান সফল হয়ে ছিল, যা মহাশূন্য অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে এগিয়ে দেয়.
ক্যাথেরিন জনসনের সবচে বড়ো অবদান হচ্ছে এপোলোর লুনার ল্যান্ডের মডিউল ও সার্ভিস মডিউলকে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপনের ক্ষত্রে সঠিক হিসাব নির্ণয় করা. তিনি স্পেস শাটল এবং আর্থ রিসোর্সেস স্যাটেলাইটও কাজ করেছেন. তিনি এ পর্যন্ত ২৬টা গবেষণা রিপোর্টের লেখক অথবা সহ-লেখক. তিনি ১৯৮৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছেন. ২০১৫ সালে ৯৭ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট ওবামা তাকে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম পদকে ভূষিত করেন, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ সম্মামনা পদক.

*তথ্য* *ব্যাক্তি* *ক্যাথরিন* *ইন্টারনেট* *নাসা* *যুক্তরাষ্ট্র* *সম্মান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ অমর একুশে ফেব্রুয়ারী। আমরা যারা ইন্টারনেটের আগের প্রজন্ম তাদের কাছে একুশে ফেব্রুয়ারীর মর্মটাই ছিল অন্যরকম। স্কুলে আমরা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস পড়েছি।তারুন্যে এসে জহির রায়হানের '' আরেক ফাল্গুন'' পড়ে একুশ নিয়ে আবেগে উদ্বেলিত হয়েছি।আর তাই আমাদের সময়ে খালি পায়ে ফুল হাতে '' প্রভাত ফেরী'' তে অংশ নিয়ে শহীদ মিনারে যাওয়াটা ছিল ছিল ভাষা সৈনিকদের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের বেশির ভাগই জানে না একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস। ফেসবুক ও ইন্টারনেটের এই যুগে তারা যে ম্যসেজ পাচ্ছে তা হলঃ
''একুশ মানে সাদা কালর ফ্যাশন শো''

*একুশ* *২১* *ভাষা* *সাদা* *কালো* *ইন্টারনেট* *শ্রদ্ধ্বা* *তরুন* *বাস্তবতা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইন্টারনেটের ডিএনএ ডাটা স্টোরেজ সম্পর্কে কেউ কি বিস্তারিত জানাতে পারবেন?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ডাটা* *ডাটাস্টোরেজ* *ইন্টারনেট* *ডিএনএ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★