ইন্টেরিয়র

ইন্টেরিয়র নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইট কিংবা মাটির তৈরি এবড়ো-খেবড়ো দেয়ালের সৌন্দর্য বর্ধনে ব্যবহার হতো পোড়ামাটি বা টেরাকোটা। বলা হয়ে থাকে, আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে প্রাচীন এ শিল্প। শ্রীহীন অসমান দেয়ালটিকে ঢেকে রাখতে এবং এর গায়ে উদ্দিষ্ট কিছু বিবৃত করতে সেকালে পোড়ামাটির ফলক ব্যবহার হতো। সময়ের পরিবর্তনে ইট-পাথরের দেয়ালের অমসৃণ রূপটাকে ঢেকে তাকে মসৃণ ও চকচকে করার বিভিন্ন উপাদান তৈরি হলেও টেরাকোটার কদর কমেনি এতটুকুও। বর্তমানে দেয়ালকে ঢাকতে নয়, বরং দেয়ালের পাশাপাশি ঘরের সৌন্দর্যে অতিরিক্ত মাত্রা সংযোজনের লক্ষ্যেই টেরাকোটার ব্যবহার করা হয়। ঘর সাজানোর অনুষঙ্গ হিসেবে বর্তমানে অনেকেই বেছে নেন পোড়ামাটির ফলক। ঘর সাজানো মানেই অনেক খরচ নয়। স্বল্প খরচেই সাজিয়ে তুলতে পারেন আপনার ঘরের পরিবেশ। একটুখানি বুদ্ধি খাটালে আপনার সাদামাটা ঘরটিও হয়ে উঠবে জমকালো। সেইসঙ্গে মিলবে আপনার রুচিশীলতার পরিচয়। চলুন জেনে নিই কিছু উপায়-
 
 
বাড়ির প্রধান ফটক থেকে শুরু করে শোয়ার ঘর সর্বত্রই বেশ মানিয়ে যায় টেরাকোটার নকশা। ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা কিংবা চরিত্র পোড়ামাটির ফলকে রূপায়িত টেরাকোটা যে শুধু ঘরের সৌন্দর্যই বাড়াবে তা নয়, বরং নান্দনিক রূপ দিতেও সক্ষম। তবে এক্ষেত্রে ঘরের আয়তন ও সাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তবেই বেছে নেয়া উচিত। সদর দরজা দিয়েই শুরু হোক মাটির অভ্যর্থনা। দরজার বাইরের দেয়ালের পাশে মাটির বড় চাড়িতে স্বচ্ছ পানিতে কিছু ফুল, গোলাপের পাপড়ি ছেড়ে দিন। হালকা মিষ্টি সুবাসে ভরে থাকবে পুরো সিঁড়িঘর। দরজার পাশে নামের ফলকটি হতে পারে পোড়া মাটির তৈরি।
সিঁড়ি ল্যান্ডিংয়ে দেয়ালে টেরাকোটার ওয়াল হ্যাংগিংয়ের আবেদনই অন্য রকম। কিংবা টেরাকোটায় বাঁধানো একটা আয়নাও বসাতে পারেন দেয়ালে। সদর দরজার বাইরে একটু জায়গা পাওয়া গেলে ছোট পরিসরে একটা ল্যান্ডস্কেপ করে ফেলতে পারেন। জায়গা অনুযায়ী কয়েকটি ছোট-বড় ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। মাটির চাড়ি রাখতে পারলে খুবই ভালো। ফুল না পেলে কিছু ছোট কচুরিপানা ছেড়ে দিন। সঙ্গে রঙিন কয়েকটি ভাসমান মোম। কৃত্রিম কয়েকটি ফুলও শোভা বাড়াতে পারে। এর সঙ্গে ইনডোর প্ল্যান্টের ফাঁকে দু-একটি মাটির পুতুল, হাতি-ঘোড়া রাখলে সদরের আবহটাই বদলে যাবে।  
 
ঘরের সবখানেই মানিয়ে যায় মাটির ফুলদানি, শোপিস, হ্যাংগিং পিস। মাটির ফুলদানি বিভিন্ন আকারে পাওয়া যায়। মাটির গায়ে খোদাই আর রিলিফের কাজ করা ডেকোরেশন পিসের কদরই আলাদা। হালকা আর গাঢ় রঙে পোড়ানো এই শোপিসগুলো বেছে নিতে পারেন। সুন্দর সুন্দর মাটির শোপিস পাওয়া যায়। টেপা পুতুল, ছোট হাতি, ঘোড়া থেকে শুরু করে ফোক-মোটিফের নানা শোপিস কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো দিয়ে সাজাতে পারেন আপনার শোকেস। অথবা বসার ঘরের কোনো এক কোণে ছোট একটি নিচু টেবিল রেখে সাজাতে পারেন মাটির শোপিসে। বসার ঘরের এক কর্নারে ঝুলিয়ে দিন মাটির ল্যাম্প শেড আর কেবিনেটে রাখুন ছোট ছোট শোপিস l 
দেশীয় সাজ তো আছেই। আধুনিক সাজেও সমান জনপ্রিয় টেরাকোটা। ফুল-লতা-পাতা, গ্রামীণ জীবনের ছবি আঁকা আর বিমূর্ত নকশার পছন্দসই টেরাকোটা বেছে নিন। বসার ঘরের দেয়ালের কোনো একটা পাশে এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত লাগিয়ে নিতে পারেন টানা একটা টেরাকোটার কাজ। আবার শোবার ঘরের পেছনের দেয়ালেও রাখতে পারেন টেরাকোটা। টেরাকোটার বৈচিত্র্য এখন ফার্নিচারে। কাঠ, বেশ বা বাঁশের ফার্নিচারের সঙ্গে টেরাকোটার ফলকজুড়ে নিয়ে নতুনত্ব আনা হচ্ছে গৃহসাজে। সোফা, খাট, কেবিনেটের পাল্লায় এসব টেরাকোটার নকশা শোভা বাড়াচ্ছে।
মাটির ব্যবহার বলে শেষে হবার নয়। ঘরোয়া আড্ডায়-অনুষ্ঠানে ঘরের কোণে, তাকের কোণে, খাবার টেবিলে সারি বেঁধে জ্বালিয়ে দিন মাটির ছোট্ট প্রদীপ। সঙ্গে থাকতে পারে মাটির মোমদানিতে রঙিন মোম। বসার ঘরের সিলিংয়ে কিংবা প্যাসেজের দরজায় ঝুলিয়ে দিতে পারেন টুংটাং মাটির ঘণ্টি। দুই বা তিনটি ঘণ্টি অথবা বেশকিছু ঘণ্টি দিয়ে একটি সুন্দর চাইমও। বিভিন্ন আকৃতির আয়না পাওয়া যায় মাটির ফ্রেমে। খাবার ঘরে হাত ধোয়ার স্থানে কিংবা প্যাসেজেও রেখে দিতে পারেন একটা ছোট মাটির ফ্রেমের আয়না।
আধুনিক জীবনযাপনে আমরা নানা কারণেই এসব থেকে দূরে সরে এসেছি। কিন্তু অনেক কিছু ছেড়ে এলেও সব তো আর ভোলা যায় না। তাই এখনো ঐতিহ্য হাতড়ে ফেরে নাগরিক মন। আর এভাবেই একসময় যা ছিল ঐতিহ্য, এখন তা ফিরে আসে হাল আমলের স্টাইল হয়ে। এখন কুমারপাড়ার সব মাটির তৈজসপত্রেরই যেন একটা নাগরিক সংস্করণ পাওয়া যায় রাজধানীসহ বড় বড় নগর-বন্দরে। আটপৌরে প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর নানা উপকরণ বিক্রি হচ্ছে পথের ধারের ফুটপাত, বিপণিবিতান আর বিশেষায়িত পটারি শপগুলোতে। কেউ চাইলেই ঘরের মেঝে থেকে শুরু করে দেয়াল পর্যন্ত সাজাতে পারেন মাটির জিনিস দিয়ে।
ফুলদানি
ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে ফুলদানি কে না পছন্দ করে। আর মাটির ফুলদানি তো ধ্রুপদি সুন্দর। মাটির ফুলদানি ছোট, মাঝারি ও বড়—সব আকারেরই পাওয়া যায়। কিছু ফুলদানিতে মাটির গায়ে খোদাই আর রিলিফের কাজ। হালকা আর গাঢ় রঙে পোড়ানো। আর কিছু মাটির ফুলদানিতে গাঢ় রঙের ওপর জরির কাজ করা। কেউ চাইলে কৃত্রিম ফুলও রাখতে পারেন। আবার পানি দিয়ে তাজা ফুলও রাখতে পারেন মাটির ফুলদানিতে। শোবার ঘর, বসার ঘর—যেকোনো স্থানেই রাখতে পারেন সুদৃশ্য মাটির ফুলদানি। ৬০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে নানা আকৃতির ভিন্ন ভিন্ন নকশার মাটির ফুলদানি।
 
টেরাকোটা
বাহারি নকশা করা পোড়ামাটির ফলক ঘরের দেয়ালে। আছে ফুল-লতা-পাতা, আছে গ্রামীণ জীবনের ছবি আঁকা। এ ছাড়া পাওয়া যায় বিমূর্ত নানা নকশার টেরাকোটাও। ছোট ছোট বিভিন্ন মাপের টেরাকোটা প্রস্তুত অবস্থায় পাওয়া যায় মৃিশল্পের দোকানে। এ ছাড়া এমন মৃিশল্পের দোকান বা শিল্পীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নিজের পছন্দমতো বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো টেরাকোটাও। সে ক্ষেত্রে খরচ করতে হবে প্রতি বর্গফুট হিসাবে। বসার ঘরের দেয়ালের কোনো একটা পাশে এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত লাগিয়ে নিতে পারেন টানা একটা টেরাকোটার কাজ। আবার শোবার ঘরের পেছনের দেয়ালেও রাখতে পারেন টেরাকোটা।
 
শোপিস
এখন সুন্দর সুন্দর মাটির শোপিস পাওয়া যায়। টেপা পুতুল, ছোট হাতি, ঘোড়া থেকে শুরু করে লোক-মোটিফের পোড়ামাটির নানা কাজ কিনতে পাওয়া যায় দোকানগুলোতে। কেউ চাইলেই এগুলো দিয়ে সাজাতে পারেন আপনার শোকেস। অথবা বসার ঘরের কোনো একটি কোনায় ছোট একটি নিচু টেবিল রেখে সাজাতে পারেন মাটির শোপিসে। এগুলোর দাম ৪০-৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকার মধ্যেই।
 
মাটির ব্যাংক
শুধু শখের বশে খুচরা পয়সা বা টাকা জমানোর জন্যই নয়, মাটির ব্যাংক দিয়ে সাজাতে পারেন ঘরও। বিভিন্ন ফল, ব্যাঙ, হাতি, ঘোড়াসহ নানা আকৃতির ব্যাংক পাওয়া যায় মাটির। এগুলোতেও ঘরের শোভা বাড়াতে পারেন আপনি। দাম পড়বে ২০ টাকা থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। 
 
ঘরোয়া নানান আড্ডায়-অনুষ্ঠানে জ্বালিয়ে দিন মাটির কয়েকটা ছোট্ট প্রদীপ। এ ছাড়া ব্যবহার করতে পারেন মাটির মোমদানিও।
 
দেয়াল সাজানো
অনেকেই ঘরে মাটির জিনিস রাখতে না চাওয়ার কারণ হিসেবে বাড়িতে ছোট ছেলেমেয়ে থাকার কথা বলেন। তাঁরা চাইলেই কিন্তু দেয়ালে টাঙানোর উপযোগী মাটির নানান জিনিস কিনে সাজাতে পারেন ঘরের দেয়াল। পর পর তিনটি তিন সাইজের মাটির মাছ দিয়েই সাজানো যেতে পারে দেয়ালের একটা দিক। তার আগে শিশুর ছবি আঁকার প্যাস্টেল রঙে কয়টা ঢেউ এঁকে নিতে পারেন দেয়ালে। আর মাছের ওপরেই উড়িয়ে দিতে পারেন মাটির রঙিন প্রজাপতি। যেকোনো ঘরেই এগুলো ভালো লাগবে। দাম পড়বে ৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।
 
মাটির ঘণ্টি
বসার ঘরের সিলিংয়ে কিংবা প্যাসেজের দরজায় ঝুলিয়ে দিতে পারেন টুংটাং মাটির ঘণ্টি। দুই বা তিনটি ঘণ্টি অথবা অনেকগুলো ঘণ্টি দিয়ে একটি সুন্দর চাইমও। ঘণ্টিগুলো সুতা বা ফিতে দিয়ে বেঁধে নিজের মনের মতো করে যেমন সাজাতে পারেন, তেমনি কিনে নিতে পারেন নানান ডিজাইনে বানানো এমন চাইমও। মিষ্টি একটা টুংটাং আওয়াজের এই মাটির ঘণ্টির দাম ২০ টাকা থেকে ১৫০-২০০ টাকার মধ্যে।
 
অ্যাশট্রে
ধূমপান না করাই ভালো। কেউ যদি এখনো এই অভ্যাস ছাড়তে না-ই পারেন, আর অতিথি হয়ে আসেন আপনার বাড়িতে, তাহলে কী করবেন। একটা কর্নার টেবিলে রেখে দিতে পারেন একটা মাটির অ্যাশট্রে। এই অ্যাশট্রেও কিন্তু এখন পাওয়া যায় নানান জিনিসের আকৃতিতে। আছে বাহারি নকশা করা মাটির অ্যাশট্রেও। এতে যেমন সৌন্দর্য বাড়বে, তেমনি হঠাত্ প্রয়োজনও মিটবে। ২০ টাকা থেকে ১০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায় মাটির অ্যাশট্রে।
 
বড় চাড়ি ছোট বাটি
মাটির পাত্রে স্বচ্ছ টলটলে পানি রেখে দিয়ে ঘর ঠান্ডা করার পদ্ধতি অনেক পুরোনো হলেও এখন তা আবার ফিরে এসেছে নগর জীবনেও। গরমের দিনে একটা বড় চাড়িতে পানি দিয়ে তা ঘরের মাঝখানে রেখে দিতে পারেন। আর তাতে ছোট ছোট ফুল ও ফুলের পাপড়ি ছেড়ে দিতে পারেন। ভাসাতে পারেন দু-একটা কাগজের নৌকাও। সন্ধ্যায় কয়েকটি মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে দিলে ঘরের পরিবেশই পাল্টে যাবে।
 
আর ছোট ছোট মাটির বাটি অনেক কাজেই লাগে। ড্রেসিং টেবিলের সামনে বাটিতে রাখতে পারেন টুকিটাকি নানা জিনিস। বিভিন্ন আকৃতির একদম সাধারণ বা কিছুটা নকশা করা মাটির বাটির দাম ২০ টাকা থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।
 
ফুলের টব
টব তো মাটিরই হওয়া দরকার। এখন অনেক আকৃতির আর নানা নকশার টব পাওয়া যায়। আছে গোল ও চৌকো আকৃতির মাটির টবও। ওপরে-নিচে কিংবা সারা গাজুড়ে নকশা করা মাটির টব পাওয়া যায় বিভিন্ন রঙের। এসব টবে শুধু ফুল কিংবা পাতা বাহারই নয়, বারান্দাটা একটু বড় হলে লাগিয়ে দিতে পারেন কোনো একটা ফলের গাছও। ১৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন আপনার মনের মতো টব।
 
আয়না
দিনের মধ্যে সবারই একবার হলেও আয়নার সামনে যেতেই হয়। আর আয়নাতেও রাখতে পারেন মাটির কারুকাজের ছোঁয়া। গোল, চার কোনা—নানা আকৃতির আয়না পাওয়া যায় মাটির ফ্রেমে। খাবার ঘরের হাত ধোয়ার স্থানে কিংবা প্যাসেজেও রেখে দিতে পারেন একটা ছোট মাটির ফ্রেমের আয়না। এ ধরনের আয়নার দাম ৩০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে।
 
মাটির থালা-বাসন
পুরো ঘরদোরই যদি মাটির জিনিসে সাজিয়ে ফেলেন এই গরমের দিনে, তাহলে আবার খাবার টেবিলটাই বা বাদ যাবে কেন! আপনি চাইলেই বাসায় রেখে দিতে পারেন একটা মাটির ডিনার সেট। বিশেষ দিনে অতিথি আপ্যায়নে ব্যবহার করতে পারেন এই মাটির থালা-বাসন-গ্লাস বা কাপ-পিরিচ।
 
মাটির জিনিস ব্যবহারে সতর্কতা ও যত্ন
মাটির জিনিস ব্যবহারে একটু তো সতর্ক থাকতেই হবে। মাটির চাড়ি বা ফুলদানিতে পানি রাখলে তা অবশ্যই নিয়মিত পালটাতে হবে। কারণ পানি নোংরা হলে তাতে মশা হতে পারে। আবার চাইলে ফুলদানির ভেতরে একটা পলিথিন দিয়ে তাতে পানি দিতে পারেন। এতে পাত্রে সামান্য পানি চুঁইয়ে পড়ার সুযোগ থাকলে সেটাও বন্ধ হয়ে যাবে। আর মাটির জিনিসে ধুলোবালি একটু বেশিই চোখে পড়ে। তাই নিয়মিত শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে রাখতে হবে মাটির জিনিস। এসবে ভেজা কাপড় ব্যবহার না করাই ভালো।
 
যেখানে পাবেন
মাটির জিনিস এখন অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়। শিশু একাডেমির সামনে দোয়েল চত্বর, নিউ মার্কেট, ঢাকা কলেজের সামনে, ধানমন্ডি ৬ নম্বর সড়কের ফুটপাত, কলাবাগান, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটেও পাওয়া যায় মাটির জিনিস। তবে কিনতে হবে একটু দরদাম করে। এছাড়া আজক্বের ডিলেও পেয়ে যাবেন l 
 
 
 
*গৃহসজ্জা* *মাটিরসাজ* *টেরাকোটা* *পাকাদালান* *ইন্টেরিয়র* *গৃহস্থালিটিপস*

পূজা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গরমে ঘরের জন্য কোন ধরনের রং উপযোগী?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*গৃহসজ্জা* *ইন্টেরিয়র* *গৃহস্থালিটিপস*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে


আপনার অন্দরমহলে আমন্ত্রণ জানান রঙের উষ্ণতাকে। ঘরে আর মনে-এ দু জায়গায়ই নিয়ে আসুন ভাললাগার আমেজ

লাল, নীল, ফুশিয়া, সানশাইন ইয়েলো বা গ্রাস গ্রিনের মত রংগুলো শুধুমাত্র চোখের সামনে ভিজ়ুয়ালাইজ় করলেই দেখবেন মন ভাল হয়ে গিয়েছে মনের কোণে জমে ওঠা শরতের মেঘ সরিয়ে ঝকঝকে রোদের অবাধ আনাগোনায় ভরে উঠবে মন, মেজাজ আর আপনার অন্দরমহলের আনাচে কানাচে যদি থাকে এই সব রঙের অবাধ আনাগোনা তা হলে ত সোনাই সোহাগা আসলে অন্দরসাজের মূল মন্ত্রই হল সঠিক ব্যালেন্স তবে বদলে যাওয়া মুডের সঙ্গে তাল রাখতে হলে মনের ইচ্ছে মতো রঙের ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখুন এতে সব থেকে বড় সুবিধে হল যখন ইচ্ছে বদল আনতে পারবেন শুধু পর্দা অথবা বেডকভারেই নয়, ইচ্ছে মতো রঙে রঙিন করে দিন কুশন কভার, ডাইনিং টেবল স্প্রেডটিও।(সংকলিত)


*ইন্টেরিয়র* *গৃহসজ্জা* *টিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★