ইবাদত

ইবাদত নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সালাতুল তাসবিহ নামাজ আদায়ের নিয়ম কি? এ নামাজ কখন পড়তে হয়?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*নামাজ* *সালাতুলতাসবিহ* *ইবাদত*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইতিকাফের নিয়ত করে তা পূরণ করতে না পারলে করণীয় কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*ইতিকাফ* *ইবাদত* *মাসায়ালা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 তারাবিহ নামাজের নিয়ত ও দোয়া জানতে চাই?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*তারাবিহনাজাম* *তারাবি* *নামাজেরনিয়ত* *ইবাদত*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকার কোন কোন মসজিদে নারীরাও তারাবির নামাজ পড়তে পারবে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*তারাবিনামাজ* *নামাজ* *রমজানমাস* *ইবাদত*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 “নামাজ কায়েম কর” এখানে কায়েম করা কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কায়েম* *নামাজ* *ইবাদত*
ছবি

Lutfun Nessa: ফটো পোস্ট করেছে

ইবাদত করুনতো যৌবেনে।

*ইবাদত*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পণ্যগুলো দেখতে ক্লিক করুনআসছে রমজান মাস। এমাসের ইবাদত অন্য সব মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম। ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে প্রত্যেকটি মুসলমান এই মাসেই অশেষ সওয়াব হাসিল করে চায়। কিন্তু সমস্যা হল, আপনি একজন নামাজি ব্যাক্তি, গাড়িতে ভ্রমণকালে হঠাৎ নামাজের সময় হয়ে গেল, আসে পাশে কোন পরিচিত মসজিদ নেই, অথবা গাড়ী থামিয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজও পরতে পারছেন না। কোন জায়গায় গেলেন কিন্তু নামাজের জায়গা নেই। তখন কি করবেন? এই সমস্যা দূর করার জন্য নামাজিরা সাথে রাখাতে পারেন পকেট জায়নামজ আর সবসময় জিকিরের জন্য সাথে রাখতে পারেন ডিজিটাল তসবি।

পকেট জায়নামাজ:

জায়নামাজের জন্য ক্লিক করুন
একজন মুসলিম হিসেবে আপনি যেখানেই, যেভাবেই থাকুক না কেন নামায পড়তে হবেই। নামাজের ওয়াক্তে যদি আপনি মসজিদের বা বাসার কাছাকাছি না থাকেন তাহলে আপনাকে যেকোনো জায়গাতেই কিন্তু নামাজ পড়তে হবে। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান সবসময় চেষ্টা করে সঠিক ওয়াক্তে নামাজ আদায় করতে। তাই বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে বহনযোগ্য এই জায়নামটি সবসময় সাথে রাখতে পারেন। বাড়িতে,হোটেলে,অফিস,পার্ক,যানবাহন,শপিংমল সর্বোপরি সবখানে আপনি এই জায়নামাজ ব্যবহার করতে পারবেন।

ডিজিটাল কোরআন শরীফ:

কোরআন শরীফের জন্য ক্লিক করুন
কোরআন শরীফ শুদ্ধ ভাবে তেলাওয়াত, শুনতে কিংবা শিখতে আগ্রহীদের জন্য রয়েছে ডিজিটাল আল কোরআন শরীফ। এবং এর সাথে রয়েছে একটি স্পিকার পেন। কোরআন শরীফের জন্য ক্লিক করুনসাথের এই কলমটি কোরআন শরীফের যে কোন অক্ষরে, আয়াতে, পৃষ্ঠা ও সুরার উপর স্পর্শ করা মাত্রই আরবীতে তেলাওয়াত করবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে স্পর্শ করলে বিশ্ব বরেণ্য ৭ জন ক্বারির কন্ঠে আল কোরআন তেলাওয়াত করবে এবং ইংরেজী, বাংলা, উর্দু, ফার্সি সহ মোট ৭টি ভাষায় তর্জমা করবে। সাথে রয়েছে আরো আকর্ষণীয় সব ফাংশন।

ডিজিটাল তসবীহ:

ডিজিটাল তসবীর জন্য ক্লিক করুন
রমজান মাসে যারা সবসময় জিকিরে মগ্ধ থাকতে চান তারা নিয়ে নিতে পারেন ডিজিটাল তসবী। এই ডিজিটাল তসবীহ দিয়ে খুব সহজে হিসাব রাখা যায় নির্ভুলভাবে। আপনি কতবার জিকির করলেন কতবার আল্লাহর নাম জপলেন কিংবা কতবার কালেমা পড়েছেন এই ডিজিটাল তসবী তার হিসেব রাখবে।ডিজিটাল তসবীর জন্য ক্লিক করুন

রমজান মাস উপলক্ষ্যে এই ইবাদতের অনুসঙ্গ গুলি কিনতে পাবেন দেশের সেরা অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*কোরআনশরীফ* *জায়নামাজ* *তসবী* *ইবাদত* *রমজান* *মাহেরমজান*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মহান আল্লাহ তাআলা আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতদের জন্য ইবাদতের বিশেষ কিছু সুবিধা প্রদান করেছেন। এর মধ্যে পাঁচটি রাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ইবাদতের এই বিশেষ পাঁচটি রাত হলো: শবে জুমা বা জুমার রাত, শবে ঈদাইন বা দুই ঈদের রাত্রিদ্বয়, শবে বরাত বা মুক্তির রাত তথা নিসফ শাবান বা শাবান মাসের মধ্য রাত, শবে কদর বা কদরের রাত অর্থাৎ মর্যাদাপূর্ণ রজনী।


শবে বরাতের নফল নামাজ ও ইবাদত
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসবে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত করবে ও দিনে রোজা পালন করবে। (ইবনে মাজাহ)। ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নামাজ। সুতরাং নফল ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নফল নামাজ। প্রতিটি নফল ইবাদতের জন্য তাজা অজু বা নতুন অজু করা মোস্তাহাব। রাতের নিয়মিত নফল ইবাদতের মধ্যে রয়েছে; বাদ মাগরিব ছয় থেকে বিশ রাকাত আউওয়াবিন নামাজ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: যে ব্যক্তি মাগরিবের নামাজের পর ছয় রাকাত নামাজ আদায় করবে; এসবের মাঝে কোনো মন্দ কথা না বলে, তার এই নামাজ ১২ বছরের ইবাদতের সমতুল্য গণ্য হবে। হজরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত: যে ব্যক্তি মাগরিবের পর বিশ রাকাত নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন। (তিরমিজি, মিশকাত, ফয়জুল কালাম, হাদিস: ৪৪৯-৪৫০)। রাতের শ্রেষ্ঠতম ইবাদত হলো তাহাজ্জুদ নামাজ। (আল কোরআনুল করিম, পারা: ১৫, সুরা-১৭ ইসরা-বনি ইসরাইল, আয়াত: ৭৯)। এ ছাড়া সালাতুস তাসবিহ এবং অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা যায়। রজব শাবান মাসের রাতের নফল নামাজ তারাবিহ নামাজ বা কিয়ামুল লাইলের প্রস্তুতি।

মধ্য শাবানের নফল রোজা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত কর ও দিনে রোজা পালন কর। (সুনানে ইবনে মাজাহ)। এ ছাড়া প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ আইয়ামে বিজের নফল রোজা তো রয়েছেই, যা আদি পিতা হজরত আদম (আ.) পালন করেছিলেন এবং আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদও (সা.) পালন করতেন, যা মূলত সুন্নত। সুতরাং তিনটি রোজা রাখলেও শবে বরাতের রোজা এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। তা ছাড়া, মাসের প্রথম তারিখ, মধ্য তারিখ ও শেষ তারিখ নফল রোজা গুরুত্বপূর্ণ; শবে কদরের রোজা এর আওতায়ও পড়ে। সওমে দাউদি বা হজরত দাউদ (আ.)-এর পদ্ধতিতে এক দিন পর এক দিন রোজা পালন করলেও সর্বোপরি প্রতিটি বিজোড় তারিখ রোজা হয়; এবং শবে কদরের রোজার শামিল হয়ে যায়। সর্বোপরি রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসের পর রজব ও শাবান মাসে বেশি নফল ইবাদত তথা নফল নামাজ ও নফল রোজা পালন করতেন; শাবান মাসে কখনো ১০টি নফল রোজা, কখনো ২০টি নফল রোজা, কখনো আরও বেশি রাখতেন। রজব ও শাবান মাসের নফল রোজা রমজান মাসের রোজার প্রস্তুতি।

একটি রোজার মাসআলা
হাদিস শরিফে আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনা শরিফে হিজরতের পরে দেখতে পেলেন মদিনার ইহুদিরাও আশুরার একটি রোজা পালন করেন। তখন তিনি সাহাবিদের বললেন, আগামী বছর থেকে আমরা আশুরার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখব, ইনশা আল্লাহ! যাতে তাদের সঙ্গে মিল না হয়। তাই আশুরার রোজা অর্থাৎ মহররম মাসের দশম তারিখের রোজার সঙ্গে তার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখা মোস্তাহাব। শবে বরাতসহ বছরের অন্য নফল রোজাগুলো একটি রাখতে বাধা নেই; বরং এক দিন পর এক দিন রোজা রাখা হজরত দাউদ (আ.)-এর সুন্নত বা তরিকা; যা নফল রোজার ক্ষেত্রে উত্তম বলে বিবেচিত এবং সওমে দাউদি নামে পরিচিত। অনুরূপভাবে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজাও আলাদা আলাদা বা একত্রেও রাখা যায়।

শবে বরাত ও হালুয়া-রুটি
শবে বরাতের সঙ্গে হালুয়া-রুটির একটি সম্পর্ক পরিলক্ষিত হয়। হালুয়া আরবি শব্দ। অর্থ হলো মিষ্টি বা মিষ্টান্ন। রাসুলুল্লাহ (সা.) মিষ্টি পছন্দ করতেন এ কথা সুবিদিত; তিনি গোশতও পছন্দ করতেন তাও অবিদিত নয়। যা-ই হোক শবে বরাত হলো ইবাদতের রাত। দান-খয়রাত করা ও মানুষকে খাওয়ানো এক প্রকার ইবাদত। তবে এই দিন ও রাতকে হালুয়া-রুটিতে পরিণত করে ইবাদত থেকে গাফেল হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তেমনি হালুয়া-রুটির ওপর ফতোয়া প্রদান করাও উচিত নয়।

যাদের গুনাহ ক্ষমা হবে না
হাদিস শরিফে আছে, শবে বরাতে আল্লাহ তাআলা সবাইকে মাফ করবেন, তবে শিরককারী (অংশীবাদী) ও আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারীকে ক্ষমা করবেন না। অন্য বর্ণনায় এসেছে, শবে বরাতে আল্লাহ তাআলা সবাইকে মাফ করবেন। তবে শিরককারী (অংশীবাদী) ও হিংসাকারীকে ক্ষমা করবেন না। অহংকার পরিত্যাগ করুন; অহংকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। (বায়হাকি, শুআবুল ইমান)।

গুনাহ মাফ পাওয়ার সহজ পথ
বান্দার হক বা সৃষ্টির পাওনা পরিশোধ করে দিন; আত্মীয়স্বজনের হক আদায় করুন; মহান প্রভু আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন। পিতা-মাতার হক আদায় করুন; আল্লাহ আপনার প্রতি করুণা করবেন। সৃষ্টির প্রতি দয়াশীল হোন; আল্লাহ আপনার প্রতি দয়ালু হবেন। আপনি সবাইকে ক্ষমা করে দিন; নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন। খাঁটি তওবা করুন; তওবাকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন। বেশি বেশি ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করুন; আল্লাহ ইস্তিগফারকারীকে পছন্দ করেন। (বুখারি ও মুসলিম)।

লেখাটি প্রথম আলোতে লিখেছিলেন:
মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী: যুগ্ম মহাসচিব: বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি;

সহকারী অধ্যাপক: আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম।
usmangonee9@gmail.com

*শবেবরাত* *ইবাদত* *আমল*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★