ইরান

সগীর খান: পছন্দের দলগুলো হয় ড্র করছে নাহলে হেরে যাচ্ছে। একমাত্র *ইরান* জিতেছে দেখে ইজ্জত বেঁচেছে।

*ইরান*
ছবি

নিউজ ফ্ল্যাশ: ফটো পোস্ট করেছে

ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি ঠেকাতে নানা তৎপরতা (ব্যাপকটেনশনেআসি৩)

দীর্ঘ ও জটিল আলোচনা-প্রক্রিয়ার পর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ১৪ জুলাই ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির পরমাণু চুক্তি হয়। এর আওতায় পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা। তবে এই পরমাণু চুক্তি কংগ্রেসে অনুমোদন হওয়া ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রে নানা তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইরানেও এই চুক্তির বিরোধিতাকারী কট্টরপন্থীদের সামলাতে হচ্ছে দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিকে।

*চটখবর* *বিশ্বরাজনীতি* *ইরান* *পরমাণুচুক্তি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


ইরানের ইতিহাসে সবচে ব্যায়বহুল চলচ্চিত্র ‘মোহাম্মাদ । দি মেসেঞ্জার অব গড’ উৎসব উদ্ভোধনের আগে গতকাল বাতিল করা হয়। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির আশীর্বাদপুষ্ট ৩০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের ছবিটি শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে তবে ঠিক কি কারনে তা জানা যায়নি। মজিদ মজিদির তৈরি এই ছবির শুটিং দেখতে খামেনি একদফা শুটিং স্পটে গিয়েছিলেন ২০১২তে। তেহরান এবং কোম শহরের মাঝামাঝি জায়গায় মক্কা ও মদিনার আদলে এক বিশাল রেপ্লিকা তৈরি হয়েছিল ছবিটির শুটিং এর জন্য। নবী মোহাম্মদের ১২ বছর বয়স পর্যন্ত এ ছবি সম্পূর্ণ করা হয়েছিল। ছবির আরও দুটি পর্ব পরবর্তীতে তৈরি চূড়ান্ত ছিল। মজিদ এই ছবি তৈরির আগে সুন্নি ও শিয়া শিক্ষাবিদদের সাথে গভীর আলাপ করেন। তার মতে যিশু,মুসাকে নিয়ে শত ছবি নির্মিত হয়েছে তোঁ মোহাম্মাদকে নিয়ে ছবি তৈরি হলে মুসলিমদের সন্মন্ধে কিছু ভুল ধারনা ও নবীর আসল কাজের প্রতিফলন ঘটত পশ্চিমা সমাজে।আমার বিশ্বাস এছবি মুসলিমদের নিয়ে তামাশা করার স্পর্ধা বন্ধ করতো। ( দি গার্ডিয়ান)। কাতার এই ছবির বিপরীতে মোহাম্মাদের জীবনি নিয়ে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প ঘোষণা দিয়েছিল আগেই। ওরা কতদুর এগিয়েছে তা এই মুহূর্তে জানা যায়নি।
সোর্সঃhttp://rt.com/news/228207-biopic-prophet-mohammed-tehran/
*মুহাম্মদ(সঃ)* *চলচিত্র* *ইসলাম* *ইরান*
*চলচিত্র* *ইসলাম* *ইরান*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর উপকূলীয় জীব বৈচিত্র্য, স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল আর সৈকত জুড়ে মুক্ত ছড়িয়ে থাকা অনন্য সুন্দর দ্বীপটির নাম ‘কীশ’। কীশ ইরানের একটি দ্বীপ। পারস্য উপসাগরে ইরানের যতোগুলো দ্বীপ রয়েছে তাদের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এটি। সমগ্র বিশ্বের সাথে ইরানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এই দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চমৎকার আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমণ্ডিত হওয়ায় দ্বীপটি সারা বছর দেশি বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত থাকে। আপনিও চাইলে ঘুরে আসতে পারেন ইরানের অনন্য সুন্দর দ্বীপ ‘কীশ’ থেকে।

কীশ দ্বীপটির অবস্থানঃ
ইরানের দক্ষিণ উপকূল হতে ২০ কিলোমিটার দূরে পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে ৯১ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে অনেকটা ডিম আকৃতির একটি দ্বীপ রয়েছে। দ্বীপটির নাম কীশ। পূর্ব-পশ্চিমে কীশ দ্বীপের দৈর্ঘ্য হলো ১৫ কিলোমিটার। আর উত্তর দক্ষিণে দ্বীপটির প্রস্থ প্রায় ৮ কিলোমিটারের মত।

কীশ দ্বীপের সৌন্দর্য্য কথনঃ
কীশ দ্বীপ নৌচালনা এবং মুক্তা কুড়ানোর জন্যে বিখ্যাত। এর চমৎকার আবহাওয়াও পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। শীতকালেও কীশের আবহাওয়ায় উষ্ণতার পরিমাণ ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচে নামে না। বছরের ছয় মাস গরম থাকলেও বাকি ছয়মাসের আবহাওয়া বেশ উপভোগ্য।

এই দ্বীপে প্রচুর পরিমাণ প্রবাল রয়েছে। খ্রিষ্টপূর্ব দুই হাজার বছর আগে থেকে এখানে মানব বসতি গড়ে ওঠে। ফলে কীশের সংস্কৃতিতে রয়েছে প্রাচীনত্ব আর বেশ সমৃদ্ধও। তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবেও প্রাচীনকাল থেকেই কীশের খ্যাতি রয়েছে।

ইরানের কালজয়ী কবি সাদি সপ্তম শতকে তাঁর বিখ্যাত ‘গোলেস্তান’ কাব্যগ্রন্থে কীশ দ্বীপ প্রসঙ্গে লিখেছেন। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে তৎকালীন কীশের মর্যাদা, বিস্তৃতি এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের বিষয়গুলো।

কীশ দ্বীপ ইরানের সর্বপ্রথম ফ্রি ট্রেড জোন। কেবল বাণিজ্য নয় টুরিস্ট স্পট হিসেবেও কীশ দ্বীপটির খ্যাতি রয়েছে। সমগ্র দ্বীপের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ এলাকা পর্যটনের জন্যে নির্দিষ্ট। পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্যে গড়ে উঠেছে নান্দনিক স্থাপনা, চমৎকার হোটেল। প্রকৃতির সৌন্দর্য আর স্থাপনার নান্দনিকতায় কীশ হয়ে উঠেছে দর্শনীয় একটি দ্বীপ।

কীশ দ্বীপে রয়েছে উপকূলীয় বৈচিত্র্য, রয়েছে স্ফটিক স্বচ্ছ পানি, বহুরকমের প্রবাল, বিচিত্র রঙের অ্যাকুরিয়ামের মাছ এবং সর্বোপরি কীশে রয়েছে মন কেড়ে নেওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এগুলো কীশ দ্বীপ দেখতে যাওয়া যে কোনো দর্শক বা পর্যটককেই কীশ দ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হলো ‘হারিরা’ নামক পুরনো শহর। হারিরা শহরের প্রাচীন নিদর্শনগুলো দর্শকদের নিয়ে যায় সময়ের পর্দা ভেদ করে ইতিহাসের অনেক গভীরে। যেখানে এই চমৎকার প্রবাল দ্বীপের প্রাচীন বাসিন্দাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।

কীশের আরেকটি দর্শনীয় স্থাপনা হলো শেইখ আলে আলি ভবন। শেখ আলে আলি ছিলেন কীশ দ্বীপের সাবেক শাসক। সমুদ্রের পাড়ে যে সুরম্য প্রাসাদ তিনি গড়ে তুলেছেন তা অনন্য। যদিও অনেকের অভিমত স্থাপত্য কৌশলের দিক থেকে কাজারি রাজবংশের শাসনামলের স্থাপত্যের সাথে মিলে রয়েছে।

বন্ধুরা, তবে আর দেরি কেন ঘুরে আসুন ইরানের অনন্য সুন্দর  কীশ দ্বীপ থেকে। আর আপনার ভ্রমনের খুটিনাটি অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে একদম ‍ভুল করবেন না।


*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *বিদেশভ্রমন* *ইরান* *দ্বীপ* *কীশ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাখি দেখতে আমাদের সবারই ভাল লাগে। অনেকেই আবার মনের আবেগে পাখির মত ডানা মেলে উড়তে চায় নিজ দিগন্তে। পাখি দেখার সবচেয়ে উপযোগী সময় হচ্ছে শীতকাল। কারণ শীতের সময়টাতে অতিথি পাখিরা শীত প্রধান দেশেগুলোতে এসে ভিড় জমায়। আমাদের দেশে তো পাখি দেখার মত অনেক জায়গা রয়েছে কিন্তু আমরা যারা বিদেশ ভ্রমন করি তাদের জন্য বলছি। ইরানে অতিথি পাখির দেখার জন্য বিখ্যাত একটি স্থান রয়েছে। অতিথি পাখি সমৃদ্ধ জায়গাটির নাম মজান্দারান প্রদেশ। শীতকালে ইরানের এই মজান্দারান প্রদেশ অতিথি পাখির মিলন মেলায় মুখরিত হয়। দেশি বিদেশি পর্যটকরা ইরানেরএই প্রদেশটাতে অতিথি পাখি দেখার জন্য ভিড় জমান। আপনি চাইলে ঘুরে আসতে পারেন ইরানের মজান্দারান প্রদেশ থেকে।

ইরানের মজান্দারান প্রদেশে তোলা অতিথি পাখির ছবিঃ
পাখিরা আপনাকে ঘিরে ধরতে দ্বিধা করবে না...









আপনারও উড়তে ইচ্ছে করবে!!









এদের মত আপনারও অলস সময় কাটানের ইচ্ছে জাগতে পারে...








পাখা মেলে নতুন দিগন্তে



*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *অতিথিপাখি* *পাখি* *বিদেশভ্রমন* *ইরান* *ভ্রমনটিপস*
জোকস

মনুষ্য: একটি জোকস পোস্ট করেছে

গতকালের আর্জেন্টিনা আর ইরানের খেলায় মাঠের অবস্থা এমনি ছিল... (মানিনা)(মাইরালা২)
*আর্জেন্টিনা* *ইরান*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★