ঈদ ফ্যাশন

ঈদফ্যাশন নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 এবারের ঈদের ট্রেন্ড কি? কোন পোশাকগুলো বেশি চলছে?

উত্তর দাও (৯ টি উত্তর আছে )

.
*ঈদফ্যাশন* *ঈদেরপোশাক*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদে সবকিছুই নতুন চাই। পোশাক-আশাকের বাইরেও ঈদে ফ্যাশন বাড়িয়ে দেয় ছোট খাট প্রয়োজনীয় সব অনুসঙ্গ। ফ্যাশনের গণ্ডি এখন পোশাক-আশাক ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে হাতের ব্রেসলেট, চোখের চশমা, গলার বিশেষ মালা, এমনকি পকেটের মানিব্যাগ পর্যন্ত। বিশেষ করে মানিব্যাগের ফ্যাশন বর্তমান সময়ে জমে উঠেছে দারুণভাবে। তাছাড়া ঈদে নতুন টাকা নতুন মানিব্যাগ ভাবই আলাদা। মানিব্যাগের ফ্যাশনে মজেনি এমন তরুণ-তরুণী এখন খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এখন আর শুধু টাকা রাখার জন্যই মানিব্যাগ ব্যবহার করা হয় না। সুন্দর ও আধুনিক একটি মানিব্যাগ ব্যক্তিকে যেমন ফ্যাশনেবল করে তোলে, তেমনি প্রকাশ করে মর্যাদাপূর্ণ আভিজাত্য। সেই সঙ্গে সহজে বহনযোগ্য মানিব্যাগে টাকা-পয়সা নিরাপদ তো থাকেই, সঙ্গে রাখা যায় প্রয়োজনীয় ভিজিটিং এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডও।

তরুণ কিংবা বয়স্ক সবাইকে এখন নানা প্রকৃতির মানিব্যাগ ব্যবহার করতে দেখা যায়। মানিব্যাগগুলোর মডেল নির্ধারিত হয় ডিজাইন, রঙ ও কাঁচামালের ভিন্নতায়। বেশির ভাগ মানিব্যাগ তৈরি হয় চামড়া দিয়ে। সেই সঙ্গে রেকসিনের সুনিপুণ ব্যবহারও থাকে। বাজারে আরও পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রাণীর চামড়া, আর্টিফিশিয়াল লেদার ও খাঁটি চামড়ার মানিব্যাগ। এছাড়া কিছু মানিব্যাগে আজকাল নামি ব্র্যান্ডের ধাতব, বিভিন্ন লোগোও সংযুক্ত করতে দেখা যায়, যার মাধ্যমে মানিব্যাগগুলো দেখতে দৃষ্টিন্দন হয়ে ওঠে। সুন্দর ও আকর্ষণীয় মানিব্যাগ এখন অনেকটাই শিল্পের মতো।


ছেলে ও মেয়েদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মডেলের মানিব্যাগ পাওয়া যায়। যেমন ছোট, মাঝারি, বড় ও লম্বাটে মানিব্যাগ। ব্র্যান্ডভেদে এগুলোর আকার আলাদা আলাদা। ছোট ব্যাগগুলো সাধারণত ছেলেরাই ব্যবহার করে। দুই স্তরবিশিষ্ট ব্যাগগুলোতে অল্প কাগজের নোট, ছবি ও ভিজিটিং কার্ড রাখা সুবিধাজনক।


তুলনামূলক অনেক চেম্বারবিশিষ্ট মানিব্যাগের প্রচলন বেশি। এটাকে বলা হয় ফোল্ডিং মানিব্যাগ। বাজারে ট্রাই ফোল্ডিং মানিব্যাগও আছে। আকারে খুব বড় না হলেও এগুলো তিনটি ভাঁজ করা যায়। মানুষের নানারকম চাহিদার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রঙের মানিব্যাগ দেখা যায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় হল কালো ও কফি রঙেরগুলো। সেই সঙ্গে লালচে, গ্রে ও গাঢ় অফহোয়াইট রঙের মানিব্যাগও প্রচুর বিক্রি হয়। ছেলেদের মানিব্যাগ দুই-তিনটি রঙের হলেও মেয়েদের মানিব্যাগে রঙের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ফলে বাজার ঘুরে দেখেশুনে বাছাই করে সুন্দর একটি মানিব্যাগ আজই কিনে ফেলুন। নান্দনিক ডিজাইনের অভিজাত মানিব্যাগে বাড়িয়ে নিন নিজের ব্যক্তিত্ব!

পাবেন কোথায় ও দরদাম :

ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ড দুই রকম মানিব্যাগই পাওয়া যায় বাজারে। ব্র্যান্ডের মানিব্যাগের জন্য যে কোনো শপিংমলে যেতে পারেন। বড় ফ্যাশন হাউসগুলোও এখন নিজেদের সংগ্রহে মানিব্যাগ রাখছে। চাইলে সেখান থেকেও বেছে নিতে পারেন নিজের পছন্দের মানিব্যাগ। দেশী ব্র্যান্ডের মানিব্যাগগুলোর দাম পড়বে ৩০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। আর বিদেশী ব্র্যান্ডের মানিব্যাগের দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। অনলাইন প্লাটফর্ম থেকেও মানিব্যাগ কিনতে পারেন। অনলাইনে ঘরে বসে মানিব্যাগ কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ওয়ালেট* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ পাঞ্জাবি হলেও বর্তমানে শার্টের আবেদন মোটেও কম নয়। ফ্যাশন, স্মার্টনেস আর ব্যক্তিত্ব সবকিছুই ফুটে ওঠে শার্টের মাধ্যমে।ছেলেদের ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো শার্ট। শার্টের ট্রেন্ডটা একটু দ্রুতই পরিবর্তিত হয়। লং শার্টের ফ্যাশনকে পেছনে ফেলে বর্তমান সময়ে শর্ট আর সেমি লং শার্টের প্রাধান্য বেড়েই চলেছে। হাল ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখে ছেলেদের শার্টে প্রতিনিয়তই নতুনত্ব আনছে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো। এই ঈদে গর্জিয়াস ও স্টাইলিশ শার্টগুলো পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। তাই পছন্দের শার্ট কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন অনলাইন শপিংমল কিংবা অফলাইন শোরুমে। চলুন এবারের ঈদ ফ্যাশনের কিছু গর্জিয়াস শার্টের কালেকশন দেখে নেই।


ঈদে গর্জিয়াস শার্ট:

ঈদ আসছে। জমে উঠছে শার্টের বাজার। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ঈদের প্রস্তুতি নিয়ে তোড়জোড়। ঈদের কেনাকাটার পরিকল্পনায় মেয়েদের চেয়ে পিছিয়ে নেই ছেলেরাও। ঈদ আয়োজনে প্রথমেই প্রাধান্য পায় মার্জিত রুচির ও সবার আবেদন আছে এমন একটি গর্জিয়াস শার্ট।


ছেলেদের ফ্যাশনে অন্যতম আবেদন এই শার্টকে ঘিরেই। ছেলেদের পোশাকের তালিকায় প্রথমেই আসে শার্টের ব্যাপারটি। তাই উৎসবের এ আনন্দে ছেলেদের শার্ট কেনা চাই-ই চাই। ছেলেদের ফ্যাশন, স্মার্টনেস আর ব্যক্তিত্বই বলুন, সবকিছুই ফুটে উঠে শার্টের মাধ্যমে। তাই পরনের শার্টটি হতে হবে সবচেয়ে আধুনিক ও ফ্যাশনেবল।


বাজারে আসা শার্টগুলো এক কালারের বা কনট্রাস্ট লাইট কালারের। শতভাগ দেশীয় কটন কাপড় দিয়ে তৈরি এসব শার্ট তরুণদের পছন্দের শীর্ষে। এবার ঈদে লাইট কালারের কিছুটা লুজ ফিটিং এবং একটু লং শার্ট বেশি চলবে বলে আশা করা যায়। তবে বডি ফিটিং শার্টগুলোর চাহিদাও কম নয় বলে জানান বিক্রেতারা।


এবারের ঈদে গরম ও বর্ষার কথা মাথায় রেখে সুতি শার্টের ওপর বেশি নজর দেওয়া হয়েছে। আর সে সঙ্গে ফ্যাশন সচেতন তরুণদের থাকছে স্ট্রাইপ, কালারফুল স্ট্রাইপ ও বিভিন্ন ধরনের চেক শার্টের সমাহার। ঈদে পাঞ্জাবির পর ছেলেদের পছন্দের তালিকায় থাকে একটা ভালো শার্ট কেনা। কেননা বছরের বেশিরভাগ সময়ই ছেলেদের সঙ্গী শার্ট। আর তাই শার্টের ব্যাপারে তাদের পছন্দ গর্জিয়াস ও স্টাইলিশ লুকের শার্ট বেশি কিনছে।


কোথায় যাওয়া যাবে

শার্ট পাওয়া যাবে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, মালিবাগ, মগবাজার রোডের বিভিন্ন শো-রুম, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স, নিউমার্কেট, গ্লোব শপিং সেন্টার, মিরপুর-১০, এলিফ্যান্ট রোড এবং বিভিন্ন অভিজাত শপিং মলগুলোতে। একটু গর্জিয়াস শার্ট কিনতে আপনাকে খরচ করতে হবে ৫০০ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা। উপরের শপিংমল গুলো ছাড়াও এই ঈদে ঘরে বসেই আপনি আপনার পছন্দের শার্ট কিনে নিতে পারবেন। এজন্য ঈদের কেনাকাটায় আস্থা রাখতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের উপর। তাদের কালেকশনে হাজারও শার্ট রয়েয়ে আপনি আপনাার পছন্দের শার্ট বেছে নিতে এখানে ক্লিক করুন

*ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *গর্জিয়াসশার্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লেটেস্ট পাঞ্জবি কালেকশনঈদ ফ্যাশনে ছেলেদের কমন পোশাক পাঞ্জাবি। আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় ঈদে কি কিনলেন? আমার মনে হয়, উত্তরে পাঞ্জাবির পাধান্যই বেশি থাকবে। আর সে কারণেই ঈদকে সামনে রেখে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউস ও বর্তমান সময়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া অনলাইনশপগুলো সাজিয়েছে পাঞ্জাবির পসরা। পাঞ্জাবি যেন হয়ে উঠেছে ডিজাইনারের রংকরা ক্যানভাস। ফ্যাশন হাউসগুলোর পাঞ্জাবির সংগ্রহে থাকছে নতুন নকশা, নতুন রং। কাটিংয়েও এসেছে পরিবর্তন, বাজার দখল করে আছে শর্ট আর সেমি লং পাঞ্জাবি। তবে যাদের সাধ বেশি কিন্তু পুঁজি কম তারা কমদামেও কিনে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় এসব পাঞ্জাবি। চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক এবারের ঈদের ছেলেদের কমদামী ফ্যাশনেবল পাঞ্জাবি কালেকশন।

কমদামে আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাঞ্জাবি:

পাঞ্জাবি কিনতে ক্লিক করুন
ঈদে নতুন পাঞ্জাবি না হলে একেবারেই চলে না। তাই এবারের ঈদেও পিছিয়ে নেই কোনো ফ্যাশন হাউস। বিশেষ করে অফলাইন মার্কেট গুলোর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেট প্লেস আজকের ডিলের এক কর্মকর্তা সাথে কথা বলে জানা গেল, তাদের কালেকশনে বিভিন্ন ডিজাইনের হাজারও পাঞ্জাবি রয়েছে। যেহেতু দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে সবধরনের মানুষ অনলাইনের পোশাক কিনছেন তাই সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তারা দামি এবং কমদামি সব ধরনের পোশাক আইটেম সংগ্রহে রেখেছেন। যে কেউ সাধ্যমত পছন্দের দামে ঘরে বসে অডার করেই পোশাক কিনতে পারবেন।

 পাঞ্জাবি কিনতে ক্লিক করুন

এবারে কমদামি পাঞ্জাবিগুলোর মধ্যে কটন পাঞ্জাবীর পাধান্যই বেশি। তাছাড়া চেক ও স্টাইলিশ ডিজাইনের পাঞ্জাবির দামও খুব একটা বেশি না। অবশ্য গরম এবং বৃষ্টি দুটোর কথাই মাথায় রেখে এবারের ঈদে পাঞ্জাবির কাপড়ে এসেছে ভিন্নতা। প্রতিবারের মতোই নতুন সব ডিজাইনের পাঞ্জাবি দেখা যাচ্ছে সব স্থানেই। বর্ষার ম্যাড়ম্যাড়ে আবহাওয়াকে দূর করতেই যেন রঙিন সব কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে পাঞ্জাবিতে।

পাঞ্জাবি কিনতে ক্লিক করুনপাঞ্জাবি কিনতে ক্লিক করুনঅনলাইন মার্কেটপ্লেস ছাড়াও পাঞ্জাবি কেনার জন্য ঢাকার অন্যতম বড় পাঞ্জাবির বাজার পীর ইয়ামেনি মার্কেট। এছাড়াও নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড মার্কেট, মালিবাগ, মৌচাক, সদরঘাট, গুলিস্তানসহ নানা ব্র্যান্ডের ফ্যাশন হাউসগুলোর শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রঙের পাঞ্জাবি। বেশ কিছু ফ্যাশন হাউসে কথা বলে জানা যায়, তরুণরা পছন্দ করছেন টিউনফিট পাঞ্জাবি। লম্বা বা খাটো দুই ধরনেরই টিউনফিট পাঞ্জাবি আছে বাজারে। পাঞ্জাবির কাপড়ে ব্যবহার করা হয়েছে নানা ধরনের সুতি, জামেবার, তসর, সিল্ক, খাদি, তাঁতের কাপড়, মটকা, জয় সিল্ক, কাতান ইত্যাদি। বুকের দিকে ডাবল পকেট বা জরি সুতার কাজ করা। কোনো পাঞ্জাবিতে আবার ব্যবহার করা হয়েছে থ্রি-কোয়ার্টার হাতা।

পাঞ্জাবি কিনতে ক্লিক করুনপাঞ্জাবি কিনতে ক্লিক করুনএবারের ঈদের আকর্ষণীয় এসব পাঞ্জাবি কিনতে পারবেন ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। কনটেন্টের পাঞ্জাবি ভালো লাগলে অনলাইনে অর্ডার করে কিনে নিতে পারেন। বাজার যাচাই করে ঈদের লেটেস্ট ও স্টাইলিশ কালেকশন গুলো কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাশ্রয়ী মূল্যে নজরকাড়া পাঞ্জাবিঈদে ছেলেদের আকর্ষণীয় পোশাকের অন্যতম অনুসঙ্গ পাঞ্জাবি। ঈদের নামাজ পড়া, আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া থেকে শুরু করে সব ধরনের ঘোরাঘুরিতেই পাঞ্জাবি উপযোগী। সাধ থাকলে যাদের সাধ্যের ঘাটতি রয়েছে তাদের জন্য আজকের এই পোষ্ট। আপনার দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই মাত্র ১০০০ হাজার টাকার নিচে কিনতে পারবেন এবারের ঈদের অন্যরকম স্টাইলশ পাঞ্জাবি। চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক এবারের ঈদের ছেলেদের কমদামী ফ্যাশনেবল পাঞ্জাবি কালেকশন।

কমদামে আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাঞ্জাবি:

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

ঈদে নতুন পাঞ্জাবি না হলে একেবারেই চলে না। তাই এবারের ঈদেও পিছিয়ে নেই কোনো ফ্যাশন হাউস। বিশেষ করে অফলাইন মার্কেট গুলোর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেট প্লেস আজকের ডিলের এক কর্মকর্তা সাথে কথা বলে জানা গেল, তাদের কালেকশনে বিভিন্ন ডিজাইনের হাজারও পাঞ্জাবি রয়েছে। যেহেতু দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে সবধরনের মানুষ অনলাইনের পোশাক কিনছেন তাই সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তারা দামি এবং কমদামি সব ধরনের পোশাক আইটেম সংগ্রহে রেখেছেন। যে কেউ সাধ্যমত পছন্দের দামে ঘরে বসে অডার করেই পোশাক কিনতে পারবেন।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনএবারে কমদামি পাঞ্জাবিগুলোর মধ্যে কটন পাঞ্জাবীর পাধান্যই বেশি। তাছাড়া চেক ও স্টাইলিশ ডিজাইনের পাঞ্জাবির দামও খুব একটা বেশি না। অবশ্য গরম এবং বৃষ্টি দুটোর কথাই মাথায় রেখে এবারের ঈদে পাঞ্জাবির কাপড়ে এসেছে ভিন্নতা। প্রতিবারের মতোই নতুন সব ডিজাইনের পাঞ্জাবি দেখা যাচ্ছে সব স্থানেই। বর্ষার ম্যাড়ম্যাড়ে আবহাওয়াকে দূর করতেই যেন রঙিন সব কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে পাঞ্জাবিতে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনঅনলাইন মার্কেটপ্লেস ছাড়াও পাঞ্জাবি কেনার জন্য ঢাকার অন্যতম বড় পাঞ্জাবির বাজার পীর ইয়ামেনি মার্কেট। এছাড়াও নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড মার্কেট, মালিবাগ, মৌচাক, সদরঘাট, গুলিস্তানসহ নানা ব্র্যান্ডের ফ্যাশন হাউসগুলোর শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রঙের পাঞ্জাবি।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনএবারের ঈদের আকর্ষণীয় এসব পাঞ্জাবি কিনতে পারবেন ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে। কনটেন্টের পাঞ্জাবি গুলো ভালো লাগলে অনলাইনে অর্ডার করে কিনে নিতে পারেন। বাজার যাচাই করে দাম বাড়ার আগে ঈদের লেটেস্ট ও স্টাইলিশ কালেকশন গুলো কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*পাঞ্জাবি* *ঈদফ্যাশন* *ঈদশপিং* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অন্যরকম ফ্যাশনেবল পোশাক কালেকশনঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাঁকি। এই দিনটিকে ঘিরে উৎসাহ উদ্দীপনার কোন কমতি নেই। কিভাবে ঈদের এই সময়টাতে নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করে প্রিয় মানুষটির কাছে আরও বেশি প্রিয় হয়ে ওঠা যায় সে চেষ্টা সকলের মাঝেই থাকে। কিভাবে নিজেকে আরও একটু ফ্যাশনবেল করা যায় তাই নিয়ে তরুণ-তরুণীদের জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। তবে যে যাই বলুক এই দিনটাতে পোশাকে একটু ভিন্নতা থাকতেই হবে। তাই এই ঈদে অসাধারণ আকর্ষণীয় লুক আনতে পরুন নিচের ড্রেস গুলো।

শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

বাঙালি ললনাদের নাকি শাড়িতে বেশি মানায়। কাথায় বলে, শাড়িতে অনন্যা বাঙালি ললনা। তাই ঈদে সত্যিকারের ললনা হয়ে উঠতে আকর্ষণীয় শাড়ি পরুন। বিশেষ করে যারা একেবারেই শাড়ি পরেন না তারা এই ঈদে বাঙালিয়ানা শাড়ি পরে ভালোবাসার মানুষটিকে চমকে দিতে পারেন। তবে শাড়ি পরার সময় অবশ্যই মাচিং করে ব্লাউজ পরবেন।

পাঞ্জাবি

কিনতে ক্লিক করুন

ঈদে ছেলেদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় পোশাক হচ্ছে পাঞ্জাবি। আকর্ষনীয় ডিজাইনের সব নান্দনিক পাঞ্জাবি আপনি হয়ে উঠতে পারেন আরও স্টাইলিশ। যেহেতু ঈদে নতুন পোশাকের দিকে একটা ঝোঁক সবারই থাকে সেজন্য আপুরা ভাইয়াদের উপহার হিসেবেও পাঞ্জাবি দিতে পারেন। বর্তমান বাজারে ভাল মানের অনেক বৈশাখী পাঞ্জাবি পাওয়া যাচ্ছে পছন্দ অনুযায়ী সেরাটি কিনে নিন।


টি-শার্ট

কিনতে ক্লিক করুন
টি-শার্টেই যদি ভালো বাসার বহিপ্রকাশ ঘটে তাহলে দোষ কোথায়? ঈদে ঐতিহ্যবাহী টি-শার্ট আপনাকে দিতে পারে আরও আকর্ষণীয় লুক। তাছাড়াও এই গরমে আবহাওয়ার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে হলে টিশার্টের বিকল্প নেই। তাই আর দেরী না করে আজই কিনে নিন আকর্ষণীয় টি-শার্ট।

ফ্যাশনেবল কূর্তি

কিনতে ক্লিক করুন
ঈদে ফ্যাশন মানেই অন্যরকম ফূর্তি। ঈদ আনন্দে যেন ভাটা না পড়ে সে কারনেই নারীরা আগে থেকেই সচেতন। ফ্যাশন সচেতন নারীরা মনে করেন, ভালো একটি স্টাইলিশ পোশাক যদি পরনে থাকে তাহলে তো ফূর্তির কোন অভাব থাকে না। বিশেষজ্ঞদেরও একই কথা, কারো মন খারাপ থাকলে ভাল পোশাক পরলেই নাকি মনটা অটোমেটিক ভাল হয়ে যায়। যদি তাই হয় তাহলে বর্তমান সময়ের স্টাইলিশ পোশাক কুর্তি পরলে ফূর্তিতো এমনিতে মনের ভেতর আকডুম বাগডুম করবে।

শার্ট

কিনতে ক্লিক করুন
ফ্যাশনপ্রিয় ছেলেরা কিসে তুষ্ট শার্ট নাকি টিশার্টে? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই শার্টকে এগিয়ে রাখবে । কারণ অফিস কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাসায় বেড়াতে গেলে শার্টকেই ১নম্বর তালিকায় রাখতে হয়। তাছাড়াও শার্ট ছেলেদের ফ্যাশনে সর্বাধিক পরিধেয় পোশাক। তাই এই ঈদে ফ্যাশনের অন্যরকম একটু ঝলক দিতে কিনে নিন স্টাইল কিংবা ফর্মাল শার্ট।

থ্রী পিস

কিনতে ক্লিক করুন
থ্রী পিস হতে পারে এই ঈদে আপনার সেরা পরিধেয়। স্টাইলিশ এই থ্রী পিস গুলো আপনার আউটলুক দিগুণ করে তোলবে। প্রিয় মানুষটির সাথে ঘুরে বেড়াতে ফ্যাশনেবল স্টাইলিশ থ্রী পিস কিনে নিতে পারেন। বর্তমানে বাজারে ঈদ উপলক্ষে আকর্ষণীয় থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে। আপনি আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন।

প্যান্ট

কিনতে ক্লিক করুন
জিন্স প্যান্ট বর্তমান তরুণ তরুণীদের ফ্যাশনের অন্যতম অনুসঙ্গ । ঈদকে সামনে রেখে জিন্স প্যান্টের বাজার বেশ নড়ে চড়ে বসেছে। স্টাইলিশ সব জিন্সের পশরা সাজিয়ে পসেছে ফ্যাশন হাউজ গুলো। এবারে বিভিন্ন বয়সের লোকেরা পছন্দের পোশাকের তালিকায় একটি বড় জায়গা দখল করে আছে আঁটসাঁট-প্রকৃতির জিন্স। অনেকেই আবার একটু ঢিলেঢালা প্যান্ট পরতেই বেশি পছন্দ করে। কেউ বা আবার গ্যাবাটিন প্যান্টের দিকে ঝোঁক দিচ্ছে। ফ্যাশনে আকর্ষণ বাড়িয়ে দিতে আপনিও আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন।

বিঃ দ্রঃ- বন্ধুরা ঈদের আকর্ষণীয় কালেকশন আপনি এখন ঘরে বসে কিনতে পারবেন। ঘরে বসে ঈদের কেনাকাটা করতে এখানে ক্লিক করুন

*ঈদফ্যাশন* *ফ্যাশনটিপস* *ঈদশপিং* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্মার্টওয়াচ কালেকশনসবাই চায় ঈদে নিজেকে আরও ফ্যাশনেবল ও স্মার্ট করে সাজাতে। এজন্য নতুন নতুন পোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন জনপ্রিয় গ্যাজেটকেও ফ্যাশনের অনুসঙ্গ করে নিয়েছে নব প্রজন্মের তরুণ তরুণীরা। এবারের ঈদে আপনার জন্য সেরকমই একটি জনপ্রিয় জনুসঙ্গ হতে পারে স্মার্টওয়াচ। চলুন বাহারি কিছু স্মার্ট ওয়াচের কালেকশন দেখে নেই্ এবং স্মার্টওয়াচ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে  নেই। 

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুনপ্রযুক্তি এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। তাই কষ্ট করে পকেটের স্মার্টফোনটি এখন আর বারবার বের করার প্রয়োজন হয় না। হাতের স্মার্ট ওয়াচটিই স্মার্ট ফোনের সব কাজ করে দেয়। যদিও এটি একটি ঘড়ি তারপরেও এর এক্সট্রা সুবিধা হলে এটার মধ্যে পুরা একটা অপারেটিং সিস্টেম লোড করা আছে। স্মার্ট ওয়াচটি আপনার স্মার্ট মোবাইলের এক্সট্রা গিয়ার হিসেবে কাজ করবে এবং চাইলে এতে সিম ভরে মোবাইল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।

কেন কিনবেন স্মার্ট ওয়াচ

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুন

ধুরুন আপনি অফিসে কোন গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এ ব্যস্ত, এমন সময় আপনার বাসা থেকে কোন জরুরী বার্তা (Message) এল। মিটিং চলাকালীন তো আর মুঠোফোন বের করে মেসেজের রিপ্লাই দেয়া যায় না। আবার মেসেজের রিপ্লাই দেয়াটাও হয়তো খুব জরুরী হতে পারে। অগত্যা আপনার কিছু করার নেই। আবার ধরুন, নিজেই গাড়ি চালাচ্ছেন এমন সময় বেজে উঠলো ফোন। ব্যস্ত রাস্তায় গাড়ি চালাতে চালাতে তো আর পকেট থেকে মোবাইল বের করে কল রিসিভ করা যায় না।ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুন হয়তো বেশ ভীড়ের মাঝে আছেন, এমন সময় যদি বেরসিক ফোনখানা বেজে ওঠে তবে ভীড়ের মাঝে পকেট বা ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে কল রিসিভ করাটা রীতিমতো দুঃসাধ্য ব্যপার। এমন সব মুহূর্তে বেশ অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। আপনি না পারেন মোবাইলের বিড়ম্বনা এড়াতে, না পারেন চলমান কাজে মনোযোগ দিতে। আধুনিক যুগে প্রায় প্রত্যেকেরই স্মার্ট ফোন রয়েছে। কল রিসিভ অথবা মেসেজ চেক করার জন্য প্রত্যেককেই পকেট কিংবা পার্স থেকে ফোন বের করতে হয়। কিন্তু এমন বিড়ম্বনায় পড়লে, প্রায়ই গুরুত্বপূর্ণ কল রিসিভ বা ম্যাসেজের রিপ্লাই দেয়া প্রায়ই সম্ভব হয় না। এসব ক্ষেত্রে সমাধান হতে পারে আপনার হাতের স্মার্টওয়াচটি। একটি স্মার্ট ওয়াচ আপনি আপনার হাতে পড়ে এমন সব বিড়ম্বনা খুব সহজেই এড়াতে পারেন।


যা কিছু করতে পারবেন স্মার্ট ওয়াচ দিয়ে

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুন

আপনার ফোন পকেটে আছে হেডফোন কানে লাগিয়ে গান শুনছেন, গান চেঞ্জ করবেন ঘড়ির মিউজিক অ্যাপটা ওপেন করেন তারপর গান চেঞ্জ করেন, ভলিউম বাড়ান কমান, প্লে পজ করেন। নতুন ম্যাসেজ আসছে কিন্তু মোবাইল পকেট থেকে বের করতে ইচ্ছা করছে না সমস্যা নেই ম্যাসেজিং অ্যাপ দিয়ে ঘড়িতেই পড়ে ফেলতে পারবেন ম্যাসেজটি। এমনকি প্রিডিফাইন্ড রিপ্লাই বা কল ব্যাক ও করতে পারবেন যাস্ট টাচ করেই। যার অর্থ এইটা একটা ঘড়ি হলেও আপনার মোবাইলের রিমোট কন্ট্রোল হিসাবে কাজ করবে। আর চাইলে আপনি অনেক স্মার্ট ওয়াচে সিমও লাগিয়ে নিতে পারবেন। অ্যালার্ম দিয়ে রাখতে পারবেন, ক্যালেন্ডার ও ক্যালকুলেটর সুবিধা পাবেন। ছবি উঠাতে পারবেন, ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন। অডিও রেকর্ড করতে পারবেন। ইমেজ ভিউ ও ভিডিও প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।


কোথা থেকে কিনবেন

ভালো লাগলে ক্লিক করুন

বর্তমান বাজারে দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রিক এক্সেসরিজ, কম্পিউটারশপ গুলোতেই স্মার্ট ওয়াচ কিনতে পারবেন। তবে বিশ্বস্থতার সাথে ঘরে বসে ভাল মানের স্মার্টওয়াচ কিনতে চাইলে ভরসা রাখতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল এর উপর। আজকের ডিলে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অনেকগুলো স্মার্টওয়াচের কালেকশন রয়েছে। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে আপনি আপনার পছন্দমত স্মার্টওয়াচ কিনে নিতে পারবেন। আজকের ডিল কর্তৃপক্ষ আপনার অর্ডারকৃত পণ্যটি দ্রুত আপনার ঠিকানা বরাবার পৌঁছে দেবে। আজকের ডিল থেকে স্মার্ট ওয়াচ কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ঈদফ্যাশন* *স্মার্টওয়াচ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্যান্ডেলের আকর্ষণীয় কালেকশনঈদে আসতে আর কয়েকদিন বাঁকি। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ঈদের জোর কেনাকাটা শরু হয়েছে। গরম ও বৃষ্টির এই সময়টাতে ফ্যাশনের সাথে তাল মিলেয়ে যে যার মত নিজেকে সাজিয়ে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। এবারের ঈদে পোশাকের সাথে তালমিলেয়ে তরুণ-তরুণীরা স্যান্ডেলকে বেছে নিয়েছে। কেননা এই গরমে স্বস্তিতে বাইরে বের হওয়ার জন্য অনেকেই চান একজোড়া মনের মতো স্যান্ডেল। তরুণরা এখন নানা রংয়ের জিন্স ও টিশার্টের সঙ্গে মানিয়ে স্যান্ডেল পরছে। আর পাঞ্জাবির সাথে স্যান্ডেল না পরলে নিজেকে পরিপাটি মনে হয় না। চলুন ছবিতে এবারের ঈদের বাহারি কিছু স্যান্ডেল কালেকশন দেখে নেই।

স্যান্ডেলে ঈদ ফ্যাশন:

ভালো লাগলে কিনুনভালো লাগলে কিনুন
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে দেশের নামিদিমি ফ্যাশন হাউস ও সুষ্টোর গুলো বাহারি কালেকশন নিয়ে হাজির হয়েছে। হাল সময়ে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নানা ডিজাইনের স্যান্ডেল। তাই এখনকার ছেলেদের পছন্দের তালিকা স্থান পেয়েছে স্বস্তির জন্য নান্দনিক ডিজাইনের স্যান্ডেল। পাঞ্জাবি ও পায়জামার সাথে কিছুটা খোলামেলা চামড়ার স্যান্ডেল পরতে বেশ আরামদায়ক। আর তা যদি হয় ফ্যাশনেবল তো কথাই নেই।

ভালো লাগলে কিনুনভালো লাগলে কিনুনরাজধানীর বিভিন্ন শপিং মলসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আউটলেটে ঘুরে দেখা গেছে, নান্দনিক ডিজাইনের ও বাহারি রংয়ের স্যান্ডেল। এসব স্যান্ডেলে ব্যবহূত মোটিফে রয়েছে বৈচিত্র্য এবং নানা রঙের ব্যবহার। গতানুগতিক কালো, ঘিয়া, চকলেট ইত্যাদি রং তো আছেই। কিছু স্যান্ডেল আবার দারুণ বর্ণিল। বর্তমানে বিভিন্ন ব্র্যান্ড তরুণদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে স্যান্ডেলের ডিজাইন করছেন।

ভালো লাগলে কিনুনভালো লাগলে কিনুনসময়ের সাথে চলনসই অর্থাৎ যখন যে ট্রেন্ড চলে সেই অনুযায়ী জুতা ও স্যান্ডেলের ডিজাইন করেন তারা। সময় ও ফ্যাশনের সাথে মিলিয়ে পরা যায় এমনি সব জুতা ও স্যান্ডেল দিয়ে বিক্রেতারা তাদের আউটলেটগুলো সাজিয়েছেন। শপিং সেন্টারগুলো দেখা যায়, বিদেশি ব্র্যান্ডের স্যান্ডেলের ডিজাইনের মতো কিছু ডিজাইন আছে যেগুলো অনেক বাহারি রঙের। তরুণরা জিন্স ও টিশার্টের সাথে ম্যাচিং করে এগুলো পরতে পারবেন। ঢোলা জিন্স বা চাপা জিন্সের সাথে যেমন এগুলো পরা যায়, তেমনি চোস পায়জামার সাথেও পরা যায়। আবার গরমের কথা মাথায় রেখে দুই ফিতার স্যান্ডেলেও রয়েছে নান্দনিক ডিজাইন। আর হালকা সোলের এই স্যান্ডেলগুলো পরতে যেমন আরাম তেমনি দেখতেও যথেষ্ট ফ্যাশনেবল।

ভালো লাগলে কিনুনভালো লাগলে কিনুনবাজারে বিভিন্ন দামের স্যান্ডেল রয়েছে। ব্র্যান্ড ও ডিজাইন ভেদে স্যান্ডেল কিনতে পাবেন ২০০ থেকে ৫০০০ টাকায়। দেশের যে কোন সুষ্টোর থেকেই আপনি আপনার পছন্দের স্যান্ডেল কিনে নিতে পারেন। তবে যারা ঘরে বসে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে হাজারও কালেকশনের মধ্য থেকে পছন্দের পণ্যটি কিনতে চান তারা এখনি এখানে ক্লিক করুন

*স্যান্ডেল* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বেল্টের নান্দনিক সব কালেকশনবর্তমান সময়ে ফ্যাশনের অন্যতম আকর্ষণ বেল্ট। ঈদে ফ্যাশনেও তরুণদের কাছে বেল্টের আকর্ষণ কম নয়। ফরমাল শার্ট,প্যান্ট ও জিন্সের সাথে রঙ বেরঙের বাহারি বেল্ট আপনার পোশাকের সৌন্দর্য্যই বদলে দিতে পারে। মূলত ঢিলেঢালা পোশাকের ফিটিংটা ঠিক করতেই বেল্ট ব্যবহার হতো , যা অনেক আগে থেকেই ফ্যাশন অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। বেল্ট যদি পরা হয় মানানসইভাবে, তবে তা সাধারণ একটি পোশাকের চেহারাই পাল্টে দেবে আর আপনার ফ্যাশনে যুক্ত করবে অসাধারণ লুক। আজকের আয়োজন ফ্যাশনেবল মেনজ বেল্ট নিয়ে।

ফ্যাশনেবল ফর্মাল বেল্ট

পছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুনপছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুন

অফিস কিংবা চাকরির ভাইভায় ফ্যাশনেবল ফর্মাল বেল্ট যেমন উপযোগী এই ঈদে নতুন কোন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলে এটি হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। ফর্মাল ড্রেসের এই বেল্ট গুলো কালো প্যান্ট ও সাদা শার্টের সাথে মিলে যায়। ফর্মাল ড্রেসের সঙ্গে এ ধরনের বাকল্ বেল্ট সবচেয়ে ভালো যায়। গোল্ডেন বা সিলভার কালারের বেল্ট অফিস ড্রেসের সঙ্গে পারফেক্ট। এগুলো বেশ স্টাইলিশ । ফর্মাল এই বেল্ট চাইনিজ লেদারে তৈরী। বেল্ট এর বাকল স্টেইনলেস স্টিল এ তৈরী।

জেন্টস বেল্ট

পছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুনপছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুন

বর্তমান সময়ে একটু এলোমেলোভাবেই বাহারি ঢঙে সাজসজ্জার পোশাকে ফ্যাশনেবল স্টাইলিশ বেল্ট গুলো ব্যবহার করছে তরুনরা। জিন্স প্যান্টের সাথে এ ধরনের বেল্ট বেশ ভালো মানায়। যারা স্টাইলিশ ফ্যাশনে বিশ্বাসী তারা নিঃসন্দেহে এ ধরনের বেল্ট ব্যবহার করতে পারেন।

ক্যাজুয়াল ফেব্রিক বেল্ট

পছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুনপছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুন

ক্যাজুয়াল ফেব্রিক বেল্ট গুলো বর্তমান প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এই বেল্টের বাকল গুলো বেশ স্টাইলিশ। জিন্স প্যান্ট ও টি শার্টের সাথেও এটি পরা যায়। ভারী ডেনিমের প্যান্টের সঙ্গে ক্যাজ়ুয়াল লুকের বেল্ট খুব ভালো খাপ খায়। খুব বেশি সাহসী লুক আনতে চাইলে একটু অন্য লুকের এই বেল্ট পরতেই পারেন।

লেদার বেল্ট

পছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুনপছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুন

চামড়ার বেল্টের বেশ কদর রয়েছে আমাদের দেশে। চামড়ার স্টাইলিম ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বেল্ট গুরো তরুণ ও বয়স্ক সবার কাছেই বেশ জনপ্রিয়। চামড়ার মোটা বা চিকন বেল্ট দুটোই এখন চলছে। তবে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নিতে হবে সঠিক আকারের বেল্ট। করপোরেট পোশাকের সঙ্গে চামাড়ার এই বেল্ট গুলো বেশ মানানসই।

ফর্মাল লেদার বেল্ট

পছন্দ হলে কিনতে ক্লিক করুন

অফিসিয়াল ড্রেসের সাথে চামড়ার বেল্টগুলো বেশ যায়। যে কোন অনুষ্ঠানে ফর্মাল প্যান্ট ও ফুল স্লিভ ফর্মাল শার্টের সাথে এটি বেশ মানায়। তবে বর্তমানে অনেকেই নানা রকমের প্যান্ট ও পোশাকের সাথে এ ধরনের বেল্ট ব্যবহার করছেন। বাজারে ফর্মাল লেদার বেল্টের বেশ কিছু কালেকশন রয়েছে। তাছাড়াও ভিন্ন ভিন্ন কালারে এ ধরনের ফর্মাল লেদার বেল্ট পাওয়া যায়। এই বেল্টগুলো পুরোটাই লেদার আর বাকল মেটালে তৈরী ।

উপরের বেল্ট গুলো ছাড়াও ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের নান্দনিক সব বেল্ট কালেকশন দেখতে ও কিনতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে ঘুরে আসুন

*বেল্ট* *মেনজফ্যাশন* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টি-শার্টে ঈদঈদের সকাল বেলায় পাঞ্জাবি কিন্তু দুপুর বা বিকেলে কোনটা পরবেন? শার্ট নাকি টি-শার্ট? আমার মনে হয় অনেকেই টিশার্টকেই ১ম পছন্দের তালিকায় রাখবেন। কারণ এই গরেমে স্বস্তি ও স্মার্টনেস দুটোই ধরে রাখতে টিশার্টের বিকল্প নেই। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন অনলাইনশপ ও ফ্যাশন হাউসগুলো টিশার্টে ভিন্নভিন্ন ঐতিহ্য ও মোটিভ ফুটিয়ে তুলেছে। রঙ বে রঙের ডিজাইন আর ছাপায় অন্যরকম ভাব উঠে এসেছে এবারের  ঈদের টিশার্ট ফ্যাশনে। চলুন  ঈদের ট্রেন্ডি কিছু টিশার্ট দেখে নেই। 

টি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুনটি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুনঅনেক ফ্যাশন হাউস ও অনলাইন শপিংমল গুলো ঈদের জন্য আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়েই করেছে তরুণদের জন্য শার্ট বা টি-শার্ট। তরুণদের চাহিদামতোই সবগুলো ফ্যাশন হাউসেই ক্যাজুয়াল শার্ট, পোলো টি-শার্ট পাওয়া যাচ্ছে।  প্রাচ্যের সঙ্গে এখানে পাশ্চাত্যের স্টাইলের মিশেল ঘটিয়ে করা হয়েছে পোশাকের কাট ও নকশা।’

টি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুনটি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুনতরুণদের পোশাকে টি-শার্টের চাহিদা যে একটা বড় জায়গা দখল করে আছে, সেটা ফ্যাশন হাউসগুলোতে ঘুরলেই চোখে পড়বে। কাপড়ের ক্ষেত্রে সুতিকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে ফ্যাশন হাউসগুলো। আর এসব পোশাকের কাটে ও নকশায় বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। শার্ট বা টি-শার্টে বরাবরই এক রঙ বেশি চলে। সুতি ও লিনেন কাপড়ের শার্ট বা টি-শার্ট এবার বেশি চলছে। ক্রেতারাও গরমের কথা ভেবেই বেছে নিচ্ছেন এমন কাপড়। রঙের ক্ষেত্রে গোলাপি, নীল, সাদা, লেবু, হলুদ, কমলা, ছাই বা সবুজ চলছে।


দরদাম ও কেনাকাটা:

টি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুনটি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুন

টি-শার্ট পাওয়া যাবে গোল গলা হলে ২৮০ থেকে ৭০০ টাকায়, পোলো টি-শার্ট (কলার যুক্ত) হলে ৩৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়। টিশার্ট কিনতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সবগুলো ফ্যাশান হাউসে ঢুঁ মারতে পারেন। তাছাড়াও হাজারও কালেকশনের মধ্য থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে চাইলে অনলাইন মার্কেটপ্লেস আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে নক করতে পারেন। ঘরে বসে স্বাচ্ছন্দে ঈদের কেনাকাটা করতে এখানে ক্লিক করুন। 

টি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুনটি-শার্টটি কিনতে ক্লিক করুন

*ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জামদানির ঈদ কালেকশন:

নারীর পছন্দের তালিকায় জামদানির স্থান প্রথম ধরা চলে। কেননা যেকোনো ধরনের আচার অনুষ্ঠানে নারীরা এই শাড়িটি পরতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। গরমের ঋতুতে জামদানি শাড়ি বেশ আরামদায়ক হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতি বছর বিভিন্ন রঙ এবং নকশার বাহারি কাজে ভরপুর এই জামদানির কালেকশন নারীদের এর প্রতি আকর্ষণ আর বাড়িয়ে তোলে।

 

এবার ঈদে নারীদের পছন্দমত বিভিন্ন ধরনের কালেকশন পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন রংয়ের যেমন লাল, হলুদ, নীল, সাদা, সবুজ, বেগুনি, আকাশি রংয়ের সুতি, হাফসিল্ক, সিল্ক জামদানির পাশাপাশি এবার ঈদে বেশ কিছু স্পেশাল জামদানি এসেছে যেগুলো কিনতে নারীদের ঢল নেমেছে শাড়ির দোকানগুলোতে। কুচি জামদানির ঈদ কালেকশনগুলো এবারের ঈদে নারীদের বেশ নজরে কাড়ছে। এগুলোতে জমিন, আঁচল, পাড় এবং কুচিতে আলাদা রং লক্ষণীয়। দেখা যায় যে আঁচল আর জমিন একই ধরনের হলেও কুচিতে ভিন্ন রং বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে শাড়িটিকে। চেরি কোটা নামে আরও একটি জামদানি শাড়ির কালেকশন এবারে ঈদে বেশ বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা এই শাড়িগুলো সুলভমূল্যেই কিনছেন। এছাড়া বেশ রমরমা বাজার ঢাকায় এপ্লিক জামদানি শাড়ি।

কিনতে ক্লিক করুন                                                   কিনতে ক্লিক করুন


মাল্টিকালারের আরেকটি জামদানি বাজরে এসেছে যেগুলোকে কয়েকটি রংয়ের কাজ লক্ষ্য করা যায়। 
আরেক ধরনের জামদানি রয়েছে যেগুলোকে নকশী বুনন করা হয়েছে। এর ফলে শাড়ির আকর্ষণীয়তা খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া রয়েছে বয়স্কদের জন্য লাইট কালার কালেকশন। অর্থাৎ বয়স্করা যেহেতু হালকা কালারের শাড়ি পরেন এই বিষয়কে মাথায় রেখে শুধু তাদের জন্যই এই লাইট কালার ঈদ কালেকশন। 

কিনতে ক্লিক করুন                                           কিনতে ক্লিক করুন

কোথায় পাবেন :

বিভিন্ন কালেকশনের এই জামদানি শাড়িগুলো রুপগঞ্জের জামদানি পল্লীসহ রাজধানীর যেকোনো শাড়ির দোকানে পেতে পারেন। মিরপুরের বেনারসি পল্লীর কয়েকটি জামদানির দোকানেও এই শাড়ির কালেকশন পাওয়া যাবে। পাবেন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও।

কিনতে ক্লিক করুন                                         কিনতে ক্লিক করুন 

দরদাম :

সুতি বিভিন্ন ধরনের নকশা করা জামদানিগুলোর দাম মোটামুটিভাবে ৩০০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে কাজের উপরে দাম অনেকটা নির্ভর করে। যেমন বেশি কাজ হলে বেশি দাম, আর কম কাজ হলে কম দাম। এছাড়া পছন্দমত অর্ডার দিয়েও জামদানি শাড়ি কিনতে পাওয়া যায়।

(আজকের ডিলের জামদানি শাড়িগুলো দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন ছবিগুলোতে)

 

 

*ঈদফ্যাশন* *জামদানিশাড়ি* *শাড়ি* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদ তো প্রায় চলেই এলো। আর ঈদ মানেই নতুন কাপড় আর নতুন ডিজাইন। প্রতিটি ঈদেই কাপড়ের এই ট্রেন্ডের কথা তো জানাই থাকে। তাইতো সবার লক্ষ্য লেটেস্ট ঈদ ফ্যাশনের রকমারী বাহারী পোষাক থেকে পছন্দের সেরা পোষাকটিতে নিজেকে সাজিয়ে নিতে। এবারের ঈদেও গতবারের মত সেই সত্তর দশকের জনপ্রিয় লম্বা কামিজের ফ্যাশনটাই নতুন আংগিকে উপস্থাপিত হচ্ছে। তাছাড়া বাঙ্গালী রমনীর প্রিয় পোষাক শাড়ীতেও থাকছে বৈচিত্র্যতা। এমনি সব ঈদের সাজের কিছু দিক আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো।

লম্বা কামিজ কাটে ভিন্নতা

(কামিজের বিশাল সংগ্রহ দেখুন ছবিতে ক্লিক করে) 

গতবারের মতো এবারও কামিজের ঝুল দীর্ঘই থাকছে। তবে নিচের হেমের কাটিংয়ে বৈচিত্র্য দেখা গেছে। কোনাকুনি, এরোপ্লেন কাট ও একটু লম্বাটে কাটের কামিজ কিনছেন তরুণীরা।আবার কামিজ বা কুর্তায় প্লিটের আধিক্যও চলছে। সাধারণ কাটের সালোয়ারের থেকে লেগিংস ও চুড়িদারই বেশি পছন্দ করছে মেয়েরা।

শাড়ির পাড়ে বৈচিত্র্য আর ব্লাউজটা ভিন্নধর্মী

(এক্সক্লুসিভ ও আকর্ষণীয় দেশি-বিদেশি শাড়ির কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

এবারের ঈদে সুতি শাড়ির দিকেই ঝোক বেশী। তবে শাড়ি হালকা হলেও তার ঝলক কম নয়। শাড়ির আঁচল, কুঁচিতে ভিন্নতা এসেছে। শাড়িতে দু-তিনটি শেডের মিশ্রণ চলছে। দেখা যাচ্ছে কুঁচিতে একধরনের কাজ, আবার আঁচলে আরেক রকম।এ ছাড়া শাড়ির পাড়ে প্যাচওয়ার্ক ও লেইসের ব্যবহার চলছে, জরি, সাটিন ও এমব্রয়ডারি কাজও থাকছে শাড়িতে।শাড়ির সঙ্গে বাহারি কাটের ব্লাউজ।সুতির পাশাপাশি মসলিন, জামদানি ও হাফ সিল্কও চলছে।এবারের শাড়িতে যেহেতু খুব জমকালো কাজ থাকছে না, তাই সাজ ও গয়না হতে হবে জাঁকজমক।

গয়নায় স্বর্ণালি ছোঁয়া

(এক্সক্লুসিভ ও আকর্ষণীয় গয়নার কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

গোল্ড প্লেটেড গয়নার চাহিদা বেড়েছে। কোনোটাতে থাকছে কুন্দনের কাজ, কোনোটাতে কৃত্রিম রং-বেরঙের মুক্তা। গয়নায় অ্যান্টিক কাজের ব্যবহারও দেখা গেছে।কম বয়সের মেয়েরা পুতির গয়না ব্যবহার করতে পারেন। হাতে পরতে পারেন উজ্জ্বল রঙের বিভিন্ন রকমের বালা। এবারের ঈদ ফ্যাশনের নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে হালকা ও ভারী মেটালের তৈরি গয়না।

পোশাকে বৈচিত্র্য

(কিশোরীদের পোশাকের কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

উজ্জ্বল রং, পরীক্ষাধর্মী কাট আর আরামদায়ক কাপড়—এই তিনের সমন্বয়ে বানানো হয়েছে কিশোরীদের পোশাক। কিশোরীদের ঈদ পোশাকের সম্ভারে আছে স্কার্ট, পালাজ্জো বা ডিভাইডারের মতো প্যান্ট, লম্বা ও খাটো কামিজ। প্লিটেড, ড্রেপিং, অসম কাট, বিভিন্ন রকমের ফ্লেয়ার ও লেয়ার কাটের মাধ্যমে ফতুয়া, পনচো, টিউনিক ও ড্রেস তৈরি করা হয়েছে।

জমকালো জুতা 

(এক্সক্লুসিভ ও আকর্ষণীয় জুতার কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

হালফ্যাশনের ঈদের পোশাকের সঙ্গে জুতা-ব্যাগ যদি মানানসই না হয়, তাহলে কি আর ঈদ জমে? লম্বা কামিজ ও শাড়ির সঙ্গে উঁচু হিল জুতা বেশি মানানসই।প্রয়োজনে প্ল্যাটফর্ম হিল পরতে পারেন।

বাহারি ব্যাগ

Handbag

(আকর্ষণীয় সব ব্যাগের কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

জমকালো পোশাক আর মানানসই জুতার সঙ্গে দেশীয় মোটিফের ব্যাগ ভালো মানাবে। পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে চটি জুতা ও ফিতাদার কিংবা পেছনে চেইন দেওয়া চটি জুতা এবং বড় ঝোলা ব্যাগ বেছে নিতে পারেন।

 

*ঈদেরসাজ* *ঈদফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গয়না ছাড়া কি পূর্ণতা পায় পূজার সাজ। পূজার পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে থাকতে হবে গয়না, তবেই না পূর্ণ হবে পূজার  সাজ।পূজা প্রায় আসন্ন হওয়াতে এখন চলছে গয়না বা অলঙ্কার কেনার পালা। নারীদের প্রধান অনুষঙ্গ অবশ্যই গয়না। শপিংমলগুলোতে পাবেন ইমিটেশন জুয়েলারির বিশাল কালেকশন। এখানেও পুঁতির নানা ধরনের গয়না পাবেন। লম্বা মালা, চিক, দুল, চুড়ি থেকে শুরু করে কোমরবন্ধ পর্যন্ত পাবেন পুঁতির তৈরি। তবে এসব গয়না খুবই আকর্ষণীয়। যারা একটু অন্য রকম গয়না কিনতে চান, তারা কিনতে পারেন পুঁতির কালেকশন থেকে। চেইনের মতো লম্বা মালা এখন বেশ চলছে। এ ছাড়া দুই বা তিন লহরের মুক্তা বা পুঁতির একপাশে গোল্ডের ডিজাইন করা লকেটের মতো লম্বা মালাগুলোও এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে স্বর্ণের অলঙ্কারের মধ্যে আংটি, কানের দুল, লকেট, ছোট সেটগুলোই ক্রেতারা বেশি কিনে থাকেন।

(আজকের ডিলের সকল প্রকার গয়নার কালেকশন দেখতে ও কিনতে উপরের ছবিতে ক্লিক করুন)

গয়নার রং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমানে যেসব রং বেশি চলছে তার মধ্যে আছে ‘অলিভ, গোল্ডেন হলুদ, জাম, লাল, কমলা, মেরিগোল্ড, মেরুন, সাদা, অফহোয়াইট, কালো, পিচ, পেঁয়াজ, কাঁঠালি হলুদ, বটল গ্রিন, নীল, সবুজ, ফিরোজাসহ আরও অনেক ধরনের রং। বর্তমান গয়নার ডিজাইন শুধু নান্দনিক দিকটি ফুটে ওঠে না। একেকটি গয়না যেন সৃজনশীলতার প্রকাশ। এবারের ঈদে লম্বা কামিজ বেশ জাঁকিয়ে এসেছে। এই লম্বা কামিজের সঙ্গী হচ্ছে লম্বা লম্বা কানের দুল। সোনা, রুপা, ব্রাসো, কাঠ, কড়ি, পুঁতি উপাদান যা-ই হোক, ফ্যাশন কিন্তু একটাই লম্বা দুল।

কানের দুল, গলার মালা বা গয়না, যা-ই বলি না কেন, কয়েক পরতের ডিজাইন অথবা একটু বড় ডিজাইন, এই হলো এবারের পূজার গয়নার ফ্যাশন। কানের দুলে যেমন থাকছে লম্বাটে ভাব, তেমনি গলার গয়না হতে পারে ছড়ানো, লম্বাটে লকেট অথবা তিন, পাঁচ, সাত লহরের মালা। হাতে ব্যাঙ্গেলস বা বালার ব্যবহার তো এখন হাই-ফ্যাশন। শুধু এক রঙের একটি বালাতেই হবে না, চাই তিন-চার রকমের, তিন-চার রঙের বালা।


এবারের পূজা ফ্যাশনে গয়না হবে মূলত দুই ধারার। ফ্যাশন বা কস্টিউম গয়না এবং গতানুগতিক গয়না। গয়নাতেও এবার প্রাধান্য পেয়েছে একটু বড় ডিজাইন। একটির সঙ্গে আরেকটি উপাদান মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে কানের দুল ও গলার গয়না। বাজাওে এবারের গয়নাসম্ভারে প্রতিটি গয়নাই স্বতন্ত্র নকশার। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে হয়তো একটি কানের দুল পরলেই পরিপূর্ণতা পাবে সাজ। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে জুয়েলারিতে। ব্যবহার করা হয়েছে ব্রাসো, সিরামিক, কাঠ, সুতা, পুঁতি, কড়ি, রাদ্রা। আর বিশেষভাবে ব্রাসোতে খোদাই করা কাজ, যা 'ছিলার কাজ' নামে পরিচিত তা বেশ প্রাধান্য পেয়েছে। রুপার কানের দুলে বরফি, চার কোনা, গোলাকার এই ধরনের আকৃতি প্রাধান্য পেয়েছে। সোনার গয়নায় মেশানো হয়েছে পুঁতি ও পাথর।

তামাটে বা অক্সি রঙে থাকলেও অনেক বেশি প্রাধান্য পেয়েছে ব্রাসোতে সোনালি রঙের গয়না। কানের দুলেও ঝুলানো নকশার গয়না বেশি দেখা যাচ্ছে। উপাদান যা-ই হোক, ব্রাসো কিংবা সোনা এগুলো হবে রত্নখচিত। কখনো দামি পাথর আবার কখনো ফ্যাশন পাথরই হবে এবারের ফ্যাশনের ধারা। সব সময়ের মতো এবারের পূজার  গয়নাতেও অনেক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে গোল্ড প্লেটেড গয়না। এবারের পূজার  গয়নার বেশির ভাগ নকশাই পুরনো আমলের। অনেকটা মোগল সময়ের নকশা। আর এই নকশায় প্রাধান্য রয়েছে সোনালির পাশাপাশি কপার বা অ্যান্টিক রঙের। পাথরের ক্ষেত্রে পলকি কুন্দনের পাশাপাশি থাকছে ডায়মন্ড ডাস্টের ব্যবহার।


কস্টিউম বা ফ্যাশন জুয়েলারির ক্ষেত্রে কমলা, মিষ্টি গোলাপি ও হলুদ এই ধরনের সব রং ফ্যাশন। মালা বা দুলের পাশাপাশি হাতের বালা ও আংটিও এবারের ফ্যাশন ট্রেন্ড। পাথরের ক্ষেত্রে সব সময়ের মতো এবারও প্রাধান্য পাবে গার্নেট। পূজা এলেই সোনা কিনতে হবে। এমন ধারণা এখন অনেকের মধ্যেই কমতে শুরু করেছে। তার পরও সোনার গয়নার চাহিদা লক্ষ্য করা যায় ঈদ এলেই। এবারের পূজাতে  তাই সোনার নকশায় পুরনোর ছোঁয়া এসেছে। হীরার গয়নাও কয়েক বছর ধরে নজর কেড়েছে বাঙালির। ছোট ছোট নকশার হীরার গয়না এখন ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

(কন্টেন্টের গয়নাগুলো কিনতে ছবিগুলোতে ক্লিক করুন)

যেসব শোরুমে নিজস্ব ডিজাইনের গয়না পাওয়া যাবে তার মধ্যে আছে অঞ্জন’স, কে ক্র্যাফট, দেশাল, নিপুণ, বাংলার মেলা, পিরান অন্যমেলা, নিত্যউপহারসহ আরও বেশকিছু ব্রান্ড আইটেমের দোকান। এছাড়া চাঁদনিচক, গাউছিয়া, নিউমার্কেটে পাওয়া যায় ইমিটেশনের গয়না। অন্য দিকে ফুটপাথেও রয়েছে গয়নার বিশাল সম্ভার। চুলের কাঁটা থেকে শুরু করে পায়ের নূপুর পর্যন্ত সবই পাবেন এসব দোকানে। দামও হাতের নাগালেই। ডিজাইনেরও কমতি নেই। তাই অনেকে এখান থেকেও কিনতে পারেন পছন্দের গয়না। পাবেন অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও, তাই এই গরমে ভিড় ঠেলে শপিংয়ে যেতে না চাইলে আজকের ডিলের গহনার সম্ভার থেকে দেখে শুনে পছন্দমতো গয়না অর্ডার করুন।

*ঈদফ্যাশন* *গয়না* *গহনা* *অলংকার* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাহারি জুতার কালেকশন দেখুনএকজোড়া মানানসই জুতা কিংবা স্যান্ডেল ছাড়া ঈদের সাজ অপরিপূর্ণ থেকে যায়। সেজন্য ঈদে ফ্যাশনেবল পোশাকের সঙ্গে থাকা চাই মানানসই স্টাইলিশ জুতা। ফ্যাশনের অন্যান্য পন্যের সঙ্গে জুতার চাহিদাও সমান। ঈদকে সামনে রেখে দোকানি ও অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো পসরা সাজিয়ে বসেছেন বাহারি ডিজাইনের জুতা নিয়ে। তাই পছন্দের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কিনতে পারেন ফ্যাশনেবল জুতা বা স্যান্ডেল। চলুন এই ঈদের ফ্যাশনেবল লেটেস্ট কিছু জুতার কালেকশন দেখে নেই।


যা চলছে এই ঈদে

জুতাটি কিনতে ক্লিক করুনজুতাটি কিনতে ক্লিক করুন
একজোড়া ফ্যাশনেবল জুতা ছাড়া আপনার ফ্যাশনের পুরোটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। এ সময়ে নানা রকমের কনভার্স, লোফার, স্নিকার, স্যান্ডেলে জিন্স ও লেদারের কম্বিনেশন ও পাঞ্জাবির সঙ্গে মানানসই স্টাইলিশ শু সবচেয়ে বেশি চলছে। ইদানীংকালে এসে জুতার রঙের ক্ষেত্রেও এসেছে দারুণ বৈচিত্র্য। আগের মতো শুধু কালো, সাদা, খয়েরিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না ছেলেদের জুতা। লাল, নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা ইত্যাদি সব রং-ই পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে অনায়েসেই পরছে ছেলেরা। তাই দোকানিরা ব্র্যান্ডগুলোর ক্ষেত্রে তরুণদের ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখে গতানুতিক জুতার পাশাপাশি রঙচঙের কালেকশনও রেখেছে। বিশেষ করে সব জুতার দোকানেই আছে রঙিন লোফারের অনেক রকম ডিজাইনের কালেকশন।


জুতাটি কিনতে ক্লিক করুনজুতাটি কিনতে ক্লিক করুনএকটা দামি পোশাকের সঙ্গে যে কোনো জুতা পরে নিলেই হলো। জুতার দিকে আর কে তাকাবে। জুতা নিয়ে টেনশন নেই। এই যদি হয় আপনার ধারণা, তবে এখনই এ ধারণাটাকে আপনার মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। কারণ জুতাতেও আপনার ব্যক্তিত্ব ও রূপসচেতনতার প্রকাশ ঘটে। মেয়েরা আজকাল থ্রিপিস-সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে লেডিস শু, পাম্প শু, স্যান্ডেল শু ব্যবহার করছে। শাড়ির সঙ্গে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সামনে শুয়ের ডিজাইন অথচ পেছনে বেল্ট-ফিতা, শাড়ি, কোট-ব্লেজারের সঙ্গে এ ডিজাইনের জুতা দারুণ ফ্যাশনেবল। শাড়ির সঙ্গেও এ ধরনের জুতা বা স্যান্ডেল শু মেয়েদের প্রিয় ফ্যাশন। যারা ফতুয়া, জিন্স শার্ট, কামিজ-সালোয়ার, ব্লেজার, কোট, শাল, কার্ডিগান ব্যবহার করেন তাদের ফ্যাশনে বুট বা লেডিস শু বেশি মানানসই।

জুতাটি কিনতে ক্লিক করুনজুতাটি কিনতে ক্লিক করুনআর ছেলেরা সাধারণত অফিস বা শিক্ষাঙ্গনে, কর্মক্ষেত্রে ব্লেজার, কোট-প্যান্ট, টাই এসবের সঙ্গে অর্থাৎ ফর্মাল ড্রেসের সঙ্গে ফর্মাল শু অথবা পার্টি শু পরতে পছন্দ করে। তাছাড়া এই গরমে হালকা ও স্টাইলিশ শু বেশি পছন্দ করছেন। যারা নিয়মিত জিন্স পরেন তারা কেডস ও মানানসই স্যান্ডেল বেশি পরছেন। এ ছাড়া মেয়েদের জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নানা রং ও ডিজাইনের জুতা পাওয়া যাচ্ছে। ছেলেদের জন্যও এক্সক্লুসিভ শুয়ের চাহিদা মেটানোর জন্য রয়েছে নতুন নতুন জুতার বাহারি কালেকশন। তরুণ বা প্রবীণের জন্য বর্ণিল ও হালকা রং-ডিজাইনের দিকে খেয়াল রেখে শোরুমগুলো সাজানো হয়েছে অনলাইনেও তাদের জন্য রাখা হয়েছে ভিন্নতা। শিশুরা আজকাল আরও ফ্যাশনসচেতন হয়ে উঠেছে। বাবা-মা তাদের সাজিয়ে-গুছিয়ে দেওয়ার আগে তাদের রুচিকেও প্রাধান্য দেন।

দরদাম ও কেনাকাটা

জুতাটি কিনতে ক্লিক করুনজুতাটি কিনতে ক্লিক করুন
মার্কেট ও শোরুম গুলোতে ভিড় ঠেলে যারা জুতা কিনতে চান তারা রাজধানীর বৃহত্তম জুতার মার্কেট এ্যলিফ্যান্ট রোড থেকে ঘুরে আসতে পারেন। পল্টন, গুলিস্তান, নিউমার্কেট, ফার্মগেটসহ অন্যান্য মার্কেটেও ভাল মানের জুতা পাওয়া যায়। এছাড়াও জুতা কিনতে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ড গুলোর শোরুশে ঢুঁ মারতে পারেন। যারা এই গরমে গা না ঘামিয়ে বুদ্ধিমানের মত শপিং করতে চান! তারা ঘুরে আসতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইট থেকে। অনলাইনে সব ধরনের জুতা স্যান্ডেলের কালেকশন পাবেন আজকের ডিলে। ব্র্যান্ড ভেদে দাম পড়বে ২০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। অনলাইনে আপনার কেনাকাটা সেরে নিতে এখানে ক্লিক করুন। 

*জুতা* *শু* *স্মার্টশপিং* *ঈদফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাহারি কুর্তির লেটেস্ট কালেকশনঈদে ফ্যাশন মানেই অন্যরকম ফূর্তি। ঈদ আনন্দে যেন ভাটা না পড়ে সে কারনেই নারীরা আগে থেকেই সচেতন। ফ্যাশন সচেতন নারীরা মনে করেন, ভালো একটি স্টাইলিশ পোশাক যদি পরনে থাকে তাহলে তো ফূর্তির কোন অভাব থাকে না। বিশেষজ্ঞদেরও একই কথা, কারো মন খারাপ থাকলে ভাল পোশাক পরলেই নাকি মনটা অটোমেটিক ভাল হয়ে যায়। যদি তাই হয় তাহলে বর্তমান সময়ের স্টাইলিশ পোশাক কুর্তি পরলে ফূর্তিতো এমনিতে মনের ভেতর আকডুম বাগডুম করবে। চলুন স্টাইলিশ পোশাক কুর্তি সম্পর্কে জেনে নেই।

কুর্তি

পণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুনপণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুন

"কুর্তা" বা "কুর্তি" শব্দটি মূলত পার্সিয়ান, যার অর্থ "কলারবিহীন শার্ট"। "কুর্তা" আসলে মধ্য, পশ্চিম এবং দক্ষিন এশিয়ায় প্রচলিত একটি ছেলেদের পোশাক। কিন্তু এটি বর্তমানে "কুর্তি" নামে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশে মেয়েদের একটি জনপ্রিয় পোশাক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের দেশে বর্তমানে এটি অধিক জনপ্রিয় পোশাকে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে তরুণীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে এটি।


কুর্তি ফ্যাশন

পণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুনপণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুন

হাল সময়ের তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে স্লিভলেস ও লং সাইজের কুর্তি। কুর্তি এমন একটি পোশাক যা বেশ ঢিলেঢালা এবং আরামদায়ক। নানা রঙে এবং ডিজাইনে তৈরি কুর্তি আজকাল ফ্যাশন সচেতন কিংবা আরামপ্রিয় সবার মাঝেই অনেক জনপ্রিয়। ক্যাজুয়াল অথবা ফর্মাল যেকোনো স্টাইলের সাথেই এই পোশাকটি বেশ মানানসই। জিন্স, লেগিংস ছাড়া ঢিলে স্যালোয়ারের সাথেও কুর্তি পরা যায় অনায়াসেই। বাজারে লাল থেকে শুরু করে সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, কমলা, মেজেন্ডা থাকছে সব কটা রঙেই। এক রঙা পোশাকের ফ্যাশন বদলে একই পোশাকে কয়েক রঙের ব্যবহার এখন বেশি জনপ্রিয়।
স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

লম্বা ও ঢিলেঢালা কুর্তি:

পণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুনপণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুন

লং কামিজের মতো লম্বা আর ঢিলেঢালা কুর্তিও এখন অনেকের পছন্দ। সুতি কিংবা লিনেন কাপড়ের হওয়ায় কুর্তিগুলো পরেও আরাম। এগুলোর সামনের দিকটায় থাকে এক রঙের কোনো কাপড় আর পেছনের দিকটায় জবরজং প্রিন্টের কাপড়। হাইনেক কলার ও ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি-কোয়ার্টার হাতার কুর্তিগুলোর জমিনজুড়ে থাকে নানা মোটিফ।


শর্ট কুর্তি:

পণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুনপণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুন

শর্ট ও স্লিভলেস কুর্তিও বর্তমানে বেশ ভাল চলে। সাথে হাতাকাটা কুর্তিরও বেশ চাহিদা আছে। ফ্যাশনটা কে একটু স্টাইলিশ করে তুলতে হবে এ ধরনের কর্তির বিকল্প নেই। এই ধরনের কর্তি যেমন আরামদায়ক তেমনই মানানসই। বাজারে লাল থেকে শুরু করে সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, কমলা, মেজেন্ডা থাকছে সব কটা রঙেই। আপনি আপনার পছন্দমত রঙের টি কিনে নিন। তবে এগুলোতে কয়েকটি রংয়ের কমবিনেশন থাকলে ভাল লাগে।

কোথায় পাবেন?

পণ্যটি ভালো লাগলে ক্লিক করুন

দেশের প্রায় সব ধরনের পোশাকের মার্কেটে মিলবে দেশী বিদেশী বিভিন্ন ডিজাইনের পছন্দসই কুর্তি। আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি ঘরে বসে কিনতে পারেন পছন্দের কুর্তি এজন্য আপনি দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে অর্ডার করতে পারেন। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে একটি অনলাইন লিংক শেয়ার করলাম।
সব ধরনের ফ্যাশনেবল কুর্তির কালেকশন দেখতে ক্লিক করুন

*কুর্তি* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তরুণদের পছন্দ ও রুচিভেদে চুলের ছাঁটের ভিন্নতা আসতে পারে। শুধু তা-ই নয়, ব্যক্তিত্বের দিকটি খেয়াল রেখেও অনেকে চুলের ছাঁট দিয়ে থাকেন। এ ছাড়া মাচো লুক, লং-শর্ট হেয়ার কাট, লেয়ার কাট, লং স্পাইক ও হট স্পাইকের মতো চুলের কাট বেশ চলছে। ঈদের পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারেন চুল। খেয়াল রাখতে হবে, তা যেন আপনার ব্যক্তিত্ব ও চেহারার সঙ্গে মানানসই হয়। এ ছাড়া অনেকে চুলটাকে স্ট্রেইট করে দুই পাশে অাঁচড়ে রাখতে পারেন। কেউ কেউ আবার স্ট্রেইট চুলকে সামনের দিকে ব্যাংগস কাট করতে পারেন। ঈদে এ কাট বেশ ট্রেন্ডি।


ঈদ উপলক্ষে শুধু চুলের ছাঁটের দিকে নজর দিলেই হবে না, চুলের যাতে যত্নআত্তি ভালো হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। হেয়ার জেল বা ক্রিম ব্যবহার করার প্রবণতা তরুণদের মধ্যে বেশি বলে চুল সহজেই ময়লা হয়। কেননা, তেল বা জেল দেয়া চুলে ধুলোবালু বেশি লাগে। তাই নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল পরিষ্কার করতে হবে। তবু অনেক সময় চুলের গোড়ায় ময়লা থেকেই যায়। এতে চুল ঝরে পড়ার সমস্যা দেখা দেয় অথবা চুলের গোড়া আলগা হয়ে পড়ে। এসব সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে সপ্তাহে অন্তত একবার হেয়ার স্পা করানো উচিত, যাতে আপনার চুলের মূল শক্ত হয় এবং পরিষ্কার থাকে। এ ছাড়া অলিভ স্পা করালেও চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

*ঈদফ্যাশন* *চুলেরযত্ন* *হেয়ারস্টাইল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আরামদায়ক আর ঐতিহ্যবাহী শাড়ির জন্য সব বয়সি নারীরা ঈদে একটা হলেও টাঙ্গাইল শাড়ি কিনে থাকেন। সুপ্রাচীন কাল থেকে টাঙ্গাইলের দক্ষ কারিগররা তাদের বংশ পরম্পরায় তৈরি করছেন তাঁতের নানা ধরনের কাপড়। বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ও হিউয়েন সাং- এর ভ্রমণ কাহিনীতে টাঙ্গাইলের বস্ত্র শিল্প অর্থাৎ তাঁত শিল্পের উল্লেখ রয়েছে। সে দিক থেকে বলা যায় এটি আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অংশ।

কিনতে ক্লিক করুন                                                       কিনতে ক্লিক করুন 

ঈদ কিংবা পূজা পার্বণে আবহমান বাঙ্গালী নারীর পছন্দ এই টাঙ্গাইল শাড়ি। বলা যেতে পারে, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির প্রতি রয়েছে নারীর আলাদা টান। বাহারি রঙ আর আধুনিক কারুকার্যের টাঙ্গাইল শাড়ি সহজেই নারীর মন আকর্ষণ করে। ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির বাজার। টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির বৈচিত্র আর নতুনত্ব ঈদকে উপলক্ষ করে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এসব শাড়ি ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশ এবং দেশের বাইরেও।

কিনতে ক্লিক করুন                                                   কিনতে ক্লিক করুন

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমানে বাহারি ডিজাইন ও আধুনিক কারুকার্যের শাড়ি তৈরি হচ্ছে টাঙ্গাইলে। যা নারীদের মন সহজেই আকর্ষন করে। দেখতে পছন্দনীয়,পরনেও আরামদায়ক। মাপে ১৪ হাত এবং নরম মোলায়েম এবং পরতে আরাম। ঐতিহ্যবাহী এই তাঁত শিল্পের বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে টাঙ্গাইলের সফট সিল্ক ও কটন শাড়ি। এই শাড়ির বুনন ও ডিজাইন দৃষ্টি কাড়ে।

কিনতে ক্লিক করুন                                                        কিনতে ক্লিক করুন

টাঙ্গাইলের শাড়ির বৈশিষ্ট্য হলো- পাড় বা কিনারের কারু কাজ। ঈদের সময় এসব শাড়ি ছড়িয়ে পড়ছে দেশ-বিদেশে। মন জয় করে নিচ্ছে দেশ বিদেশের সৌন্দর্য পিপাষুদের। তাহলে আপনি পিছিয়ে থাকবেন কেন, এবার ঈদের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে পুরোনো নকশায় নতুন রঙের বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইল শাড়ীগুলোতে, তাই দেরী না করে কিনেই ফেলুন একটি। এছাড়া সময় ও চাহিদার সাথে তাল রেখে দিন দিন পাল্টে যাচ্ছে টাঙ্গাইল শাড়ির আকর্ষণ ও নকশার নতুননত্ত। ঈদের মার্কেটে এবার যোগ হয়েছে সফট সিল্ক, জামদানি, সুতি, ধানসিঁড়ি, আনারকলি, গ্যাস সিল্ক, একতারি, দোতারি নতুন ডিজাইন।

কিনতে ক্লিক করুন                                                     কিনতে ক্লিক করুন

তবে এবারের ঈদে সারাদেশে রমনিদের নজর কেড়েছে টাঙ্গাইলের জামদানি। দেশের মার্কেট গুলোতে ব্যাপকভাবে বেচাকেনা হচ্ছে এ শাড়ি। শাড়ির দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে, সফ্ট সিল্ক, হাফ সিল্ক, টাঙ্গাইল বি.টি, বালুচরি, জরিপাড়, হাজারবুটি, সূতিপাড়, কটকি, স্বর্ণচুড়, নীলাম্বরী, ময়ুরকন্ঠীসহ সাধারণ মানের শাড়ি। শাড়ির মান, হাতের কাজ ও শাড়ির জমিনের রঙভেদে দামও ভিন্ন রকম। ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এসব টাঙ্গাইল তাতেঁর শাড়ি। নকশা, বুনন, ও রঙয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে ব্যাপক বৈচিত্রতা। টাঙ্গাইল শাড়ি এখন নিম্নমধ্যবিত্তের সীমানা পেরিয়ে উচ্চবিত্ত ও ফ্যাশনসচেতন নারীদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

কিনতে ক্লিক করুন                                                  কিনতে ক্লিক করুন

‘টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির’ মানেই তাঁত ও সুতির শাড়ির সমাহার। তবে রাজধানীর যেকোনো মার্কেট আর শপিংমলের শাড়ির দোকানগুলোতে পেয়ে যাবেন আকর্ষনীয় ডিজাইনের টাঙ্গাইল শাড়ি, এছাড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিং মল আজকের ডিলেও রয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ির এক্সক্লুসিভ সব কালেকশন। উপরের ছবিগুলোতে ক্লিক করে অর্ডার তো করতেই পারেন, সাথে আজকের ডিলের টাঙ্গাইল শাড়ির বিশাল সংগ্রহ দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ঈদ উপলক্ষে দেশের ঐতিহ্যবাহী সব তাঁত অঞ্চলের অন্তত দেড় শতাধিক নতুন ডিজাইনের শাড়ি তোলা হয়েছে এখানে।
 

*টাঙ্গাইলশাড়ি* *শাড়ি* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং* *ঐতিহ্যবাহীশাড়ি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিশুরা সারাবছর ধরে ঈদের দিনটির জন্য অপেক্ষা করে। আর নতুন পোশাক কেনার বায়না শুরু হয়ে যায় রমজানের আগেই। এ বায়না বড়দের ঈদ আনন্দের একটা অংশ হয়ে গেছে। কারণ ছোটদের আনন্দের মধ্য দিয়েই তারা শিহরিত হন। ঈদ আয়োজনে মেয়েদের জন্য রয়েছে ফ্রক, টপ স্কার্ট, থ্রি পিস, বেবি টপস স্কার্ট, ডিভাইডার, জিনস প্যান্ট, ফতুয়া, পাঞ্জাবি ও গেঞ্জি সেট। আর ছেলেদের জন্য রয়েছে জিনস প্যান্ট, নরমাল প্যান্ট, থ্রি কোয়ার্টার সেট, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, বাবা সেট, গেঞ্জি, শার্ট ও গেঞ্জি সেট। আজ আমরা আলোচনা আপনার ছোট সোনামনি বা রাজকুমারীর ঈদ পোশাক নিয়ে l

কিনতে ক্লিক করুন                                                কিনতে ক্লিক করুন 

ঈদের এখনও ঢের বাকি। কিন্তু এর মাঝে পড়ে গেছে কেনা-কাটার ধুম।ঈদের সময় শিশুদের আনন্দ অন্য সবাইকে হার মানায়। তাই শিশুদের কথা মাথায় রেখে রাজধানীর শপিংমলগুলো সেজেছে রঙিন সাজে। আর এই আয়োজন থেকে বাদ পড়েনি দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলো, সাথে অনলাইন শপিং সাইটগুলোও। এসব পোশাকে ডিজাইন ও কাঁটছাটের পাশাপাশি নামেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। ঈদটা হবে খানিকটা গরমেই। তাই এ সময় দরকার আরামদায়ক পোশাক। গরমকে বিবেচনা করে হাতাসহ ও হাতা কাটা দুই ধরনের পোশাকই থাকছে।

 

কিনতে ক্লিক করুন                                                   কিনতে ক্লিক করুন

বরাবরের মতো এ বছরও শিশুদের জন্য বিশাল আয়োজন নিয়ে হাজির হয়েছে শপিংমলগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর মিরপুরের বুটিক পল্লী, বসুন্ধরা সিটি, ধানমন্ডির রাপা প্লাজা, জেনেটিক প্লাজা, অর্কিড প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, আড়ং, এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া মার্কেট, ইস্টার্ন প্লাজা, ইস্টার্ন মল্লিকা, মৌচাক মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট, মাসকাট প্লাজা, বনানী, গুলশান ও উত্তরার অভিজাত ফ্যাশন হাউসগুলোর প্রতিটি দোকানে বড়দের পাশাপাশি হাতের কাজ করা ছোটদের বাহারি রং ও ডিজাইনের পোশাক সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নিউমার্কেট, পল্টন, মিরপুর, গুলিস্তানসহ সব বাণিজ্যিক এলাকা সংলগ্ন রাস্তায়ও ব্যবসায়ীরা সাজিয়ে রেখেছেন বাচ্চাদের পোশাক। পিছিয়ে নেই দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল।  

কিনতে ক্লিক করুন                                                কিনতে ক্লিক করুন

এবার ঈদে মেয়েদের জন্য রয়েছে ফ্রক, লেহেঙ্গা, এক্সটা টপস, ঘাঘরা সেট, রেডি শাড়ি, থ্রিপিচ ও পার্টি ড্রেস। আর ছেলেদের বিশেষ আয়োজনে রয়েছে, জিন্স, টি-শার্ট, ফতুয়া, পাঞ্জাবি ও ধুতি পাজামা। বাচ্চাদের পার্টি ফ্রক এবার সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে খুদে ক্রেতাদের। পোশাকে ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের নকশা। বস্নক, স্প্রে, টাইডাই, স্ক্রিনপ্রিন্ট এগুলো মিডিয়া হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে এপলিক, অ্যামব্রয়ডারি, কারচুপি, আড়ি, লেস, কাতান ও হাতের ভরাট কাজ।

কিনতে ক্লিক করুন                                               কিনতে ক্লিক করুন

এছাড়াও দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোর মধ্যে নগরদোলা, আড়ং, সাদাকালো, অন্যমেলা, নিত্য উপহার, রঙ, দেশাল, প্রবর্তনা, নিপুণ, অঞ্জন’স, ওটু, চাঁদের হাসি, ইনফিনিটিসহ প্রায় সব ধরনের ফ্যাশন হাউজেই বড়দের পাশাপাশি বাচ্চাদের পোশাক রয়েছে। এবার ঈদের অন্যতম আকর্ষণ মেয়ে শিশুদের বিভিন্ন ফ্রক ও ফ্রিলের পার্টি ফ্রক। আরও রয়েছে সালোয়ার-কামিজ, ঘাঘড়া চোলি ও নকশা করা বিভিন্ন ধরনের প্যান্ট।তবে সব কাজেই উজ্জ্বল রঙকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ড্যান্ডির ও সুতির কাপড়কে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ভিন্নতা আনতে মেয়েদের পোশাকে ব্যবহার করা হয়েছে রঙিন রঙিন সব বেল্ট।

কিনতে ক্লিক করুন                                                  কিনতে ক্লিক করুন

অনেক শিশুই ঈদের দিন বড়দের মতো করে সাজতে ভালোবাসে। মা-খালাদের মতো সালোয়ার-কামিজ ও শাড়ি, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বড় বোনের মতো লং স্কার্ট বা টপসও চাই শিশুদের। বয়স কম হলেও শখ তো আর কম নয়। তাই শিশুদের ফাঁকি দেওয়ার জো নেই। মেয়েদের সালোয়ার-কামিজের দাম পড়ছে ৮৫০ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফ্রক পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে। একে তো তো গরম তারপরে আবার মার্কেটে যে ভিড়, তাই ভিড় এড়াতে আপনার সোনামণিকে পাশে নিয়ে আজকের ডিলের কিডস কালেকশন থেকে বাসায় বসেই থেকে তার পছন্দের পোশাকটি কিনে দিন।

*ঈদফ্যাশন* *শিশুদেরঈদ* *ফ্রক* *বাচ্চাদেরঈদপোশাক* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাঞ্জাবির লেটেস্ট কালেকশনঈদ ফ্যাশনে ছেলেদের কমন পোশাক পাঞ্জাবি। আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় ঈদে কি কিনলেন? আমার মনে হয়, উত্তরে পাঞ্জাবির পাধান্যই বেশি থাকবে। আর সে কারণেই ঈদকে সামনে রেখে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউস ও বর্তমান সময়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া অনলাইনশপগুলো সাজিয়েছে পাঞ্জাবির পসরা। পাঞ্জাবি যেন হয়ে উঠেছে ডিজাইনারের রংকরা ক্যানভাস। ফ্যাশন হাউসগুলোর পাঞ্জাবির সংগ্রহে থাকছে নতুন নকশা, নতুন রং। কাটিংয়েও এসেছে পরিবর্তন, বাজার দখল করে আছে শর্ট আর সেমি লং পাঞ্জাবি। তবে যাদের সাধ বেশি কিন্তু পুঁজি কম তারা কমদামেও কিনে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় এসব পাঞ্জাবি। চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক এবারের ঈদের ছেলেদের কমদামী ফ্যাশনেবল পাঞ্জাবি কালেকশন।

কমদামে আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাঞ্জাবি:

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুন
ঈদে নতুন পাঞ্জাবি না হলে একেবারেই চলে না। তাই এবারের ঈদেও পিছিয়ে নেই কোনো ফ্যাশন হাউস। বিশেষ করে অফলাইন মার্কেট গুলোর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেট প্লেস আজকের ডিলের এক কর্মকর্তা সাথে কথা বলে জানা গেল, তাদের কালেকশনে বিভিন্ন ডিজাইনের হাজারও পাঞ্জাবি রয়েছে। যেহেতু দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে সবধরনের মানুষ অনলাইনের পোশাক কিনছেন তাই সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তারা দামি এবং কমদামি সব ধরনের পোশাক আইটেম সংগ্রহে রেখেছেন। যে কেউ সাধ্যমত পছন্দের দামে ঘরে বসে অডার করেই পোশাক কিনতে পারবেন।

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুন

এবারে কমদামি পাঞ্জাবিগুলোর মধ্যে কটন পাঞ্জাবীর পাধান্যই বেশি। তাছাড়া চেক ও স্টাইলিশ ডিজাইনের পাঞ্জাবির দামও খুব একটা বেশি না। অবশ্য গরম এবং বৃষ্টি দুটোর কথাই মাথায় রেখে এবারের ঈদে পাঞ্জাবির কাপড়ে এসেছে ভিন্নতা। প্রতিবারের মতোই নতুন সব ডিজাইনের পাঞ্জাবি দেখা যাচ্ছে সব স্থানেই। বর্ষার ম্যাড়ম্যাড়ে আবহাওয়াকে দূর করতেই যেন রঙিন সব কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে পাঞ্জাবিতে।

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুনঅনলাইন মার্কেটপ্লেস ছাড়াও পাঞ্চাবি কেনার জন্য ঢাকার অন্যতম বড় পাঞ্জাবির বাজার পীর ইয়ামেনি মার্কেট। এছাড়াও নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড মার্কেট, মালিবাগ, মৌচাক, সদরঘাট, গুলিস্তানসহ নানা ব্র্যান্ডের ফ্যাশন হাউসগুলোর শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রঙের পাঞ্জাবি। বেশ কিছু ফ্যাশন হাউসে কথা বলে জানা যায়, তরুণরা পছন্দ করছেন টিউনফিট পাঞ্জাবি। লম্বা বা খাটো দুই ধরনেরই টিউনফিট পাঞ্জাবি আছে বাজারে। পাঞ্জাবির কাপড়ে ব্যবহার করা হয়েছে নানা ধরনের সুতি, জামেবার, তসর, সিল্ক, খাদি, তাঁতের কাপড়, মটকা, জয় সিল্ক, কাতান ইত্যাদি। বুকের দিকে ডাবল পকেট বা জরি সুতার কাজ করা। কোনো পাঞ্জাবিতে আবার ব্যবহার করা হয়েছে থ্রি-কোয়ার্টার হাতা।

ভালো লাগলে ক্লিক করুনএবারের ঈদের আকর্ষণীয় এসব পাঞ্চাবি কিনতে পারবেন ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। কনটেন্টের পাঞ্চাবিগুলো ভালো লাগলে অনলাইনে অর্ডার করে কিনে নিতে পারেন। বাজার যাচাই করে দাম বাড়ার আগে ঈদের লেটেস্ট ও স্টাইলিশ কালেকশন গুলো কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*পাঞ্জাবি* *ঈদফ্যাশন* *ঈদেরপাঞ্জাবি* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★