ঈদে বেড়ানো

ঈদেবেড়ানো নিয়ে কি ভাবছো?

বিডি আইডল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কয়েকদিন পর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদ। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজধানী ছেড়ে ছুটে চলেন নিজ নিজ গন্তব্যের দিকে। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ঈদে বাড়ি যাওয়ার আগে বেশকিছু সতর্কতা মেনে চলা উচিত। সামান্য সাবধানতা আপনার ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দেবে বহুগুন।

তাই ঈদে বাড়ি যাওয়ার আগে ১০টি প্রয়োজনীয় সতর্কতা দেয়া হল।

♦ বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সব কিছু ঠিকমতো তালা দিয়েছেন কিনা, তা ভালো করে পরীক্ষা করুন।

♦ প্রথমেই বাস কাউন্টার বা ট্রেন স্টেশন পর্যন্ত যাত্রাটি সতর্কতার সঙ্গে করুন। রাস্তাঘাটে ঈদের আগে নানা ধরনের অরাজকতা বেড়ে যায়। বর্তমানের মূল যেই সমস্যাটি হয়ে থাকে তা হলো- রিকশা যাতায়াতের সময়ে ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনাটি। তাই রিকশা আরোহণ করার সময়ে এমনভাবে উঠুন যেন আপনার ব্যাগের কোনো অংশ বাহিরে ঝুলে না থাকে। শক্তভাবে ব্যাগটিকে আড়াল করে রাখুন। লক্ষ্য রাখুন আশেপাশের বিভিন্ন যানবাহনের দিকে।

♦ ঈদে বাড়িতে যাওয়ার সময় যে বিষয়টি সবার আগে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত সেটি হলো কোনো অবস্থাতেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস, ট্রেন বা লঞ্চে আরোহন না করা। সময়ের চাইতে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। 

♦ বাস কাউন্টারে বা ট্রেনের স্টেশনে গিয়ে মালামাল সাবধানে নিরাপদ কোনো জায়গায় রাখুন।

♦ সম্ভব হলে আপনার পাশের সিটে যে ব্যক্তি থাকবেন সেই ব্যক্তির সম্পর্কে জেনে নিন।

♦ ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় সঙ্গে নিতে হবে। বাস, ট্রেন ও লঞ্চের ভ্রমণে জানালার পাশে অতিরিক্ত বাতাসের ঝাপটা থেকেও সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ধরনের ছোটখাটো বিষয়গুলোও মাথায় রাখা উচিত। বিশেষ করে শিশুরা জানালার ধারের সিটটি পছন্দ করে থাকে। এ কারণে হঠাৎ করেই শিশুরা অতিরিক্ত বাতাসের ঝাপটার মুখোমুখি হয়, যা অনেকেরই সহ্য ক্ষমতার বাইরে। এর ফলে শিশুরা অনেকেই ঠিক ভ্রমণের পর আক্রান্ত হয় সর্দিজ্বর কিংবা কাশিতে।

♦ ছিনতাই- চুরি রোধে মোবাইল, মানিব্যগ ও মালামাল সাবধানে রাখতে হবে।

♦ বাচ্চারা বসলে তাদের হাত যেন জানালার বাইরে না থাকে সেদিকটা খেয়াল রাখতে হবে।

♦ অবশ্যই বাইরের কেনা কোনো খাবার কিংবা পানীয় খাবেন না। এতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পর থেকে বাঁচার সঙ্গে সঙ্গে আপনি থাকবেন সুস্থ। খাবারের প্রয়োজন হলে বাসা থেকে খাবার এবং পানীয় নিয়ে বের হোন।

♦ প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ সঙ্গে রাখুন। যা আপনার চলার পথে কাজে লাগতে পারে। এছাড়া আপনার ব্যবহারের নিত্যদিনের ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। কারণ গ্রামের ওষুধের দোকানে সব ওষুধ পাওয়া নাও যেতে পারে। ঈদের ভ্রমণে অধিকাংশ মানুষই গ্রামের বাড়িতে যান। যেখানে অনেক সাধারণ ওষুধও পাওয়া যায় না। তাই সম্ভাব্য অসুস্থতার কথা বিবেচনায় রেখে সাধারণ কিছু ওষুধপত্র সঙ্গে নিয়ে যাওয়া খুবই বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া একটি ফার্স্টএইড বক্স নিজের মতো তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে।

♦ ভ্রমণে খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধের ব্যাপারে সচেষ্ট থাকতে হবে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া অনেকেই আছেন বাসে চড়লে সঙ্গে সঙ্গে বমিভাব কিংবা বমি শুরু হয়। ভ্রমণজনিত বমি বা মোশন সিকনেস প্রতিরোধে স্টেমেটিল/ভার্টিনা ট্যাবলেট ভ্রমণের আধা ঘণ্টা আগে গ্রহণ করা যেতে পারে।

♦ যাত্রায় ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।

একটু সতর্কতা আপনার ঈদ আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আর সামান্য একটু অসতর্কতা আপনাকে ঈদের দিন অসুস্থ হয়ে বিছানায় শুইয়ে রাখতে পারে কিংবা প্রিয়জনকে ডাক্তারের কাছে ছোটাছুটি করাতে পারে। ভ্রমণে যতটুকু পারা যায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

 

*ঈদেবেড়ানো* *ঈদভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস* *ভ্রমণগাইড* *সতর্কতা*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রূপবৈচিত্র-হ্রদের জল-পাহাড় আর অরণ্যের অপার সৌন্দর্যের কোল ঘেঁষে রয়েছে প্রকৃতির রূপসী কন্যা রাঙামাটি। চট্টগ্রাম বিভাগের পার্তব্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার মধ্যে অন্যতম এই রাঙামাটি জেলা। আকা-বাকা পথ আর উঁচু-নিচু পাহাড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাঙামাটি। রাঙামাটিতে রয়েছে অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে কাপ্তাই লেক, পর্যটন মোটেল, ডিসি বাংলো, দেশের দীর্ঘতম ঝুলন্ত ব্রিজ, পেদা টিংটিং, সুবলং ঝর্ণা, রাজবাড়ি, রাজবন বিহার, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই হাইড্রো ইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান উল্লেখযোগ্য।

অপরূপ দৃশ্যে মন রাঙ্গাতে এবারের ঈদে ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি থেকে। আপনার ঈদ হয়ে উঠবে আনন্দময়ী। একবার ঘুরে আসলেই যাত্রাপথ, কাপ্তাই, রাঙামাটি, রাজবন বিহার, জাফলং ঝরনা, কালিট্যাং-এর ছবি আঁকা হয়ে যাবে আপনার মানসপটে। বার বার স্মৃতি হয়ে খেলা করবে হৃদয় মাঝে।




কিভাবে যাবেন:

রাজধানীর সায়েদাবাদ থেকে বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির বেশ কয়েকটি গাড়ি প্রতিদিন রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। চট্টগ্রামের বিআরটিসি, অক্সিজেন মোড় ও বিভিন্ন বাসস্টেশন থেকেও রাঙামাটির গাড়ি পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাইভেট গাড়ি নিয়েও ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি। সেক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন অভিজ্ঞ চালক।

হোটেল ও গেস্ট হাউজ:

রাঙামাটিতে রাত যাপনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অনেকগুলো হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে; রয়েছে বোডিংও। বোডিংয়ের খরচ কম হলেও খুব ভালো ব্যবস্থা নেই।

কয়েকটি হোটেলের বর্ণনা:

(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স: ১২টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষসহ বেশ কয়েকটি সিঙ্গেল ও ডাবল রুম রয়েছে এই হোটেলে।

(২) হোটেল সুফিয়া: এতে রয়েছে ২৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া ছোট-বড় সাধারণ কক্ষ রয়েছে আরও ৩৫টি।

(৩) হোটেল নিডস হিল ভিউ: ১৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও ১০টি সাদারণ রুম রয়েছে এতে।

(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল: এই হোটেলে রয়েছে ৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া সিঙ্গেল ও ডাবল রুমতো রয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে হোটেল জজ, হোটেল আল মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল ডিগনিটি, হোটেল সাফিয়া, হোটেল ড্রিমল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি মধ্যম মানের হোটেল।

এর সবকটি হোটেল-ই রাঙামাটি জেলা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত। তাই এখানে অবস্থান করেই খুব সহজেই ঘুরে বেড়াতে পারেন জেলার সবকটি দর্শনীয় স্থানে।

*রাঙামাটি* *ঈদেবেড়ানো* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *অল্পতেভ্রমন*

রয়েল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকার আশে পাশে সারাদিনের জন্য পরিবার/বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়?

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

.
*ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ঈদেবেড়ানো* *ঢাকাবেড়ানো*

নাহিন: ঈদে সচরাচর খুব বেশি বেড়ানো হয়না, কিন্তু এবারের ঈদটা ছিল ব্যতিক্রম, অনেক ঘোরাঘুরি আর মজা করে কেটেছে ঈদের পরের দিনগুলো (খুকখুকহাসি)

*ঈদেবেড়ানো*

বেশতো Buzz: বন্ধুরা কেমন কাটলো আপনাদের ঈদ ও পূজা। ঈদ ও পূজার ছুটিতে কোথায় কোথায় ঘুরলেন আর ভিন্ন ভিন্ন রেসিপির কে কি খাবার খেলেন? ঝটপট লিখে আমাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন। লিখুন *ঈদেবেড়ানো* *কোরবানীঈদ* *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *ছুটিতেভ্রমন* *ঈদেরখাওয়া* দিয়ে।

*ঈদেবেড়ানো* *কোরবানীঈদ* *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *ছুটিতেভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ* *অল্পতেভ্রমন* *বিদেশভ্রমন* *অতিভোজ* *পূজারসাজ* *ঈদেরখাওয়া* *ঈদফিস্ট* *ঈদেবেড়ানো* *কোরবানীঈদ* *পূজারখাবার* *ঈদরেসিপি* *ছুটিতেভ্রমন* *ঈদেরখাওয়া*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের পদধূলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। প্রতিদিনই সমুদ্র সৈকতের আনন্দ উপভোগ করতে এখানে আসছে অসংখ্য পর্যটক। আর পর্যটকদের বরণে বর্ণিল সাজে সেজেছে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলো। পর্যটকদের নিরাপত্তায় টু্রিস্ট পুলিশের পাশাপাশি প্রস্তুত রয়েছে ‘লাইফ গার্ড’ কর্মীরাও। তবে দীর্ঘ যানজটের কারণে অনেক পর্যটক আসার ইচ্ছা থাকলেও আসছেন না বলে মনে করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, পর্যটন নগরীতে ছোট-বড় মোট ৩ শতাধিক হোটেল-মাটেল, শতাধিক গেস্ট হাউস ও কটেজ রয়েছে। এসব স্থানে প্রতিদিন দেড় লক্ষাধিক মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। কেবল স্থানীয় পর্যটক নয়, দেশী-বিদেশী পর্যটকদের জন্য রয়েছে থাকার সুব্যবস্থা। কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার জানান,”টানা ছুটি মানেই কক্সবাজারের পর্যটকের ঢল। এবার ঈদ ও দূর্গপূজার কারণে এ ছুটি অনেক দীর্ঘ। ফলে ব্যাপক পর্যটকের সমাগম দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য বছরের মতো অগ্রীম বুকিং নেই। তারপরও দেশি-বিদেশি পর্যটক আসছে প্রচুর।”
ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েন অব কক্সবাজার (টুয়াক) এর সভাপতি কিবরিয়া খান জানান, ”কক্সবাজারে এসেই পর্যটকরা ছুটছেন সৈকতে। নীল জলরাশিতে গা ভাসাতে যেন তাদের উচ্ছাসের শেষ নেই। ঈদের ছুটিতে সৈকতে আসতে পেরে বেজায় খুশি পর্যটকরা।” হোটেল দি কক্স টুডে জেনারেল ম্যানেজার শাহাব উদ্দিন জানান, ”পর্যটকদের আনন্দ দিতে হোটেল-মোটেল গুলো সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। এছাড়া হোটেলগুলোতে আয়োজন করা হয়েছে নানা অনুষ্ঠানেরও।” কক্সবাজারের নয়নাভিরাম দৃশ্য এবং হোটেলের বিভিন্ন আয়োজন দেখে মুগ্ধ বেড়াতে আসা হাজার হাজার পর্যটক। পর্যটকরা ঘুরছেন হিমছড়ি, দরিয়া নগর, পাথুরে বীচ ইনানীতে। এছাড়া তাদের অনেকে ছুটছেন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় তারা নিরাপদে গিয়ে ফিরে আসছেন। ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠান ট্রাভেল টিউন’র নির্বাহী পরিচালক বেলাল আবেদীন ভুট্টো জানান, ”বিগত বছরগুলোতে এমন দিনে দুই হাজারের বেশি পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতেন। এবছর অনেক কমে গেছে। দৈনিক কেবল ৭/৮ শ’ পর্যটক এখন সেন্টমার্টিন যাচ্ছেন।”
এদিকে সৈকতে গোসল তথা গা ভেজাতে গিয়ে পর্যটকরা যেন প্রাণহানির শিকার না হয়-সে বিষয়ে প্রস্তুত রয়েছে লাইফ গার্ড সংস্থা গুলো। রবি লাইফ গার্ডের ইনচার্জ ছৈয়দ নুর জানিয়েছেন, ”আমরা প্রস্তুত। সৈকতের সী ক্রাউন, সী ইন, সী গাল, লাবণী, শৈবাল ও ডায়াবেটিকসহ সব পয়েন্টে ‘লাইফ গার্ড’ কর্মীরা রয়েছে। তারা প্রতি মুহুর্তে পর্যটকের সেবায় কাজ করছে। তবে নিজেকে বাঁচতে হলে আগে নিজেকেই ‘সজাগ’ থাকতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ”জোয়ার-ভাঁটার সময় দেখেই সৈকতে নামতে হবে। ভাঁটায় সৈকত কম নিরাপদ। সাঁতার না জানলে সমুদ্রের বেশি গভীরে না যাওয়া ভাল। ” লাইফ গার্ড কর্মীর পাশাপাশি নিরাপত্তাদানে প্রস্তুত সৈকতের ট্যুরিস্ট পুলিশও। তারা সব ক’টি পর্যটন স্পটে নিরাপত্তাদানে কাজ করছে। কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার শ্যামল কানি্ত নাথ জানান, ”সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশ আছে। পর্যটকরা যেন হয়রানি শিকার না হয়। তারা সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখবে। এছাড়া চুরি, ছিনতাই এবং ইভটিজিং ঠেকাতেও পুলিশ কড়া সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
*ভ্রমন* *কক্সবাজারভ্রমন* *কক্সবাজার* *ঈদেবেড়ানো* *ছুটিতেবেড়ানো*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঢাকার কাছেই ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন স্থাপনা সমৃদ্ধ একটি জায়গা নবাবগঞ্জ । যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে এ জায়গাটিতে খুব অল্প সময়েই পৌছানো যায় ঢাকা থেকে । নবাবগঞ্জের মূল আকর্ষণ হলো এ এলাকার প্রাচীন কিছু জমিদার বাড়ি ।
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শহরের মহাকবি কায়কোবাদ মোড় থেকে পশ্চিম দিকে কলাকোপায় অবস্থিত । নবাবগঞ্জ যেতে হয় দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা ব্রিজ দিয়ে কেরানীগঞ্জ হয়ে । চারপাশে চিরায়ত সবুজের সমারোহ দেখতে দেখতে চলে যাওয়া যাবে ২০০ বছরের ইতিহাস সংবলিত নবাবগঞ্জে জমিদার ব্রজেন সাহার জমিদার বাড়িতে । যা এখন জজ বাড়ি নামে খ্যাত । জজবাড়ির সামনে রয়েছে খানিকটা বাগান, বিভিন্ন ফল ও ফুল গাছে পরিপূর্ণ । 
কলাকোপার মূল আকর্ষণে এই জজবাড়ি যা আগে জমিদার ব্রজেন সাহার সময়ে ব্রজ নিকেতন হিসেবে পরিচিত ছিল । পরে আশির দশকে এক বিচারক পরিবার এখানে বসবাস শুরু করলে এটি জজবাড়ি হিসেবে পরিচিতি পায় । জজ বাড়ি এখন কলাকোপার প্রাণ । বাড়িটির চোখ ধাঁধানো নির্মাণশৈলী দেখে যে কোন পথিকের পা থমকে যাবে । কিছুক্ষণের জন্য হলেও নিয়মিত পরিচর্যা করা হয় বাড়িটিকে । প্রচুর গাছ গাছালির সমারোহ, পাখির কিচির মিচির শব্দ আর চিত্রা হরিণের পাল দেখতে দেখতে কখন যে আনেকটা সময় পার হয়ে যাবে টেরও পাওয়া যাবে না ।
কলাকোপায় রয়েছে আরেকটি দর্শনীয় স্থান গান্ধী মাঠ । সর্বভারতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গান্ধীজি ১৯৪০ সালে এই মাঠে এসেছিলেন । সেই থেকে এই মাঠের নাম গান্ধী মাঠ । এখান থেকে কিছুদূর এগোলেই আরেকটি প্রাচীন বাড়ি আরএন হাউস । বাড়িটির অন্যতম মালিক রাধানাথ সাহা মুর্শিদাবাদ থেকে এসে প্রায় আড়াইশ বছর আগে এ বাড়ি তৈরি করেছিলেন । চরিদিকে কক্ষ ঘেরা এ বাড়ির সামনের অংশে ছিল অতিথিশালা, পেছনে অন্দরমহল এবং পাশেই মন্দির । বাড়িটির বয়স প্রায় ২০০ বছর ।
রাধানাথ সাহার বাড়ি ফেলে একটু সামনে গেলেই চোখে পড়বে খেলারামের বিখ্যাত বিগ্রহ মন্দিরটি । জনশ্রুতি রয়েছে খেলারাম দাতা বজরাম ধনীদের ধনদৌলত ডাকাতি করে গরিবদের মাঝে দান করতেন । আরও শোনা যায় একরাতে এই তিনতলা বিশিষ্ট বিশাল মন্দিরটি মাটি থেকে উপরে উঠে এসেছে । কয়েকটি গম্বুজ বিশিষ্ট কয়েকশ বছরের কুঠিরের ভিতরের পরিবেশ অন্ধকার । এ বাড়ি থেকে একটি সুড়ঙ্গ পথ ছিল ইছামতির পাড়ে । নদীপথে ধন সম্পদ এসে এ সুড়ঙ্গ পথেই বাড়িতে নিয়ে আসত খেলারাম দাতা । বাড়ির পাশেই বিশাল পুকুর। প্রচলিত আছে যে, মাকে বাঁচাতে খেলারাম দাতা এই পুকুরে নেমেছিলেন । আর উঠে আসেননি ।
বান্দুরার একটি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান হলো জমপালা রানীর গির্জা । খ্রিস্টানদের এ উপাসনালয়টি সর্বপ্রথম নির্মিত হয় ১৭৭৭ সালে । পরে ১৮৮৮ ও ২০০২ সালে এর সংস্কার করা হয় । গির্জার পরিবেশ ও নির্মাণশৈলী নজর কাড়ার মতো । পুরো গির্জাটি হলুদ বর্ণের সুন্দর কারুকাজে ভরা । গির্জার সামনেই জমপাল দেবীর নামাঙ্কিত ফলক তার স্মৃতি ধরে রেখেছে । বর্তমানে একজন ফাদার ও একজন ডিকন দ্বারা পরিচালিত হয় এ গির্জার কার্যক্রম । বড়দিন স্টার সানডেতে এখানে বড় উৎসবের আয়োজন থাকে ।
উল্লিখিত স্থানসহ এখানে দেখার আছে আরও অনেক কিছু । পোদ্দার বাড়ি, কালীবাড়ি, কলাকোপার কাছে সামসাবাদ তাঁতপল্লী, আলানপুর তাঁতপল্লী, জমিদার বাড়ি, জগবন্ধু সাহা হাউস প্রভৃতি । ভগ্ন বিলুপ্তির পথে এসব দালান কোঠা এখনই দেখতে যেতে পারেন । সংরক্ষণের অভাবে কালের আবর্তনে ইতিহাসের মতোই হারিয়ে যাবে এসব কালের সাক্ষী ।
যাতায়াতঃ কলাকোপা বান্দুরায় দিনে এসে দিনেই ফেরা যায় । ঢাকার জিরো পয়েন্ট থেকে মাত্র ৫৫ কিলোমিটার পথ । নিজস্ব পরিবহন থাকলে জায়গাগুলো বেড়ানো সহজ হবে । মাত্র দেড় ঘণ্টায় পৌছে যেতে পারেন । অথবা বাসে করে ঢাকার গুলিস্তান, বাবু মাজার কেরানীগঞ্জ, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী থেকে সরাসরি বাস সার্ভিস আছে । বাংলালিংক, মল্লিক, যমুনা ইত্যাদি পরিবহনে ভাড়া পড়বে মাত্র ৫০ টাকা ।
*ঈদেবেড়ানো* *ট্যুরপ্যাকেজ* *অল্পতেভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টংগীর পুবাইলের প্ক্যইলট বাড়ির কথা হয়তো অনেকে জানেন। প্রাকৃতিক এক ভুমিকে অবিকৃত রেখে আরো প্রাকৃতিক করা হয়েছে ডিজাইনারের নিপুণ ছোয়ায়। এক জোসনা রাতে আগে থেকে থবর দিয়ে চলে যান সেখানে। প্রাকৃতিক গাছপালা আর শান্তু বিলের পারে বসে কাটিয়ে দিন ১ টা দিন।

যেভাবে যাবেন : মহাখালি থেকে নরসিংদি বা কালিগন্জগামী যে কোন বাসে উঠুন। ১ ঘন্টা পর পুবাইল কলেজ গেট এলাকায় নেমে পড়ুন। ভাড়া নেবে ৪০ টাকা। এরপর একটা ব্যাটারীচালিত রিক্সায় করে পাইলট বাড়ি। গেলে এসে ফোন করুন, গেট খুলে দেবে। তবে অবশ্যই আগে বুকিং থাকতে হবে।

খরচ : এখানে জনপ্রতি নেয়া হয় ২০০০ টাকা নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার সহ। শুধু দুপুর ও রাতে খাবার সহ ১৫০০ টাকা। যোগাযোগ - ০১৯১৯৭৮২২৪৫

জল জঙ্গলের কাব্যর ওই টাকার মধ্যেই খাবার ব্যবস্থা থাকা। খাবার মেনুগুলো দারনু : ভাত, পোলাও, চালতা দিয়ে ডাল, মুরগির মাংশ, রুই মাছ, গুড়া মাছ, তেতুল দিয়ে কচুমুখি, আলু ভর্তা, ডাল ভর্তা, ঘন ডাল আরো বেশ কটি আইটেম।

*ঈদেবেড়ানো* *ট্যুরপ্যাকেজ* *অল্পতেভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নরসিংদির উয়ারী বটেশ্বর এ বিরাট ধানক্ষেতের পাশে একটি সরকারী গেষ্ট হাউস আছে। এটির বৈশিষ্ট হলো ২ য় তলায় বিশাল রুমটির সামনে বিরাট একটি খোলা ছাদ। অসাধারন একটি জায়গা। এই গেষ্ট হাউজটিতে বুকিং দেয়া একদম সোজা, ভাড়াও কম। বাজার ও রান্নার দায়িত্ব অনায়াসে দেয়া যায় এর কেয়ারটেকারের ওপর।

এক সকালে চলে যান সেখানে। সারাদিন কাটিয়ে বিকেলের দিকে গ্রামটা ঘুরে দেখুন। একফাকে দেখে নিন উয়ারী প্রত্নতাত্বিক স্থানটি। রাতে ফিরে আসুন বাংলোয়। রাতের খাবার খেয়ে রুমের সামনে খোলা জায়গাটিতে বসে যান। রাত কখন শেষ হবে টেরও পাবেন না।

যেভাবে যাবেন : মহাখালি থেকে বিআরটিসির ভৈবগামী বাসে বা চলনবিল/অন্যনা সুপার পরিবহণের বাসে উঠুন। ভৈরবের মরজাল বাসস্ট্যান্ডে নেমে যান। সময় লাগবে দুই ঘন্টা ভাড়া ১০০ টাকা। সেখান থেকে খনন কার্যের জায়গা যাওয়া যায় সিএনজি করে। প্রতিজন ৩০ টাকা, রিজার্ভ ১২০-১৫০ টাকা। আপডেট - অক্টোবর ১৯, ২০১৩ - খননকার্য অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ এর কাজ চলছে। তাই খনন কার্যের জায়গাগুলো মাটি দিয়ে আবার ঢেকে দেয়া হয়েছে। এভাবে থাকবে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ডিসেম্বর এ আবার নতুন করে খনন করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। যেসব জিনিস খনন করে তোলা হয়েছে তার বেশিরভাগ আছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। একটি মিউজিয়াম করার পরিকল্পনা হচ্ছে। সেটি হলে সব আবার বটেশ্বর এ নিয়ে আসা হবে। (আপাতত প্রত্নতাত্বিক স্থানটি্তে দেখার কিছু নেই)

ডাক বাংলোর ভাড়া ৫০০ টাকা ও ১২০০ টাকা (এসি রুম)। কেয়ারটেকার লিটনের ফোন নম্বর ০১৯৩৩২৫১২৪২

*ঈদেবেড়ানো* *অল্পতেভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন*

দীপ্তি: ঈদের ছুটির যেকোনো বিকেলে ঘুরে আসুন আগারগাওয়ে অবস্থিত শেরে বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে l চীন মৈত্রির সামনে থেকে পশ্চিম দিকে । দক্ষিন দিকের গেট দিয়ে ঢুকে একেবারে উত্তর দিকে যেতে হবে। পুব দিকে এগোলেই একটা বড় পুকুর। পুকুরের জংলা ঘাটটায় বসে পরুন। মুল ভবনের সামনে ধান ক্ষেতের মাঝে বড় বাধানো চত্বরটায় l লেডিস হলের কাছে গাছ পালা ঘেরা জায়গাটায় l

*ঈদেবেড়ানো* *অল্পতেভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

বালিয়াটি জমিদারবাড়ি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন বালিয়াটি জমিদারবাড়ি থেকে চট করে ঘুরে আসতে পারেন এই ঈদে l

*ঈদেবেড়ানো* *অল্পতেভ্রমন* *ঘোরাঘুরি* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি জমিদারবাড়ি । ঢাকা থেকে প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম দিকে এবং মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার পূর্ব দিকে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কিছু সুরম্য প্রাচীন স্থাপনা । অনেক দূর থেকেএখনও দালানগুলোর চূড়া মন কাড়ে আগতদের । সময়ের ব্যবধানে ভবনগুলো ধ্বংসের প্রহর গুনলেও আজও ঠায় দাঁড়িয়ে জানান দেয়া বালিয়াটির জমিদারদের সেকালের সেই বিত্ত আর বৈভবের কথা । বালিয়াটি জমিদারবাড়ি বালিয়াটির জমিদাররা আঠারো শতকের প্রথম ভাগ থেকে বিশ শতকের প্রথমভাগ—প্রায় দুইশ বছরের এ দীর্ঘ সময়টাতে বালিয়াটির জমিদারদের সুখ্যাতি ছিল বিস্তর । এ সময়ে তারা নানা রকম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা তৈরি করেন এ এলাকায় । বালিয়াটি জমিদারবাড়ি সেগুলোর অন্যতম । জানা যায়, আঠারো শতকের মধ্যভাগে জনৈক লবণ ব্যবসায়ী জমিদার গোবিন্দরাম শাহ বালিয়াটি জমিদারবাড়ি নির্মাণ করেন । আর ক্রমান্বয়ে তার উত্তরাধিকারীরা এখানে নির্মাণ করেন আরো বেশ কিছু স্থাপনা । এখানে পূর্ববাড়ি, পশ্চিমবাড়ি, উত্তরবাড়ি, মধ্যবাড়ি এবং গোলাবাড়ি নামে বড় আকারের পাঁচটি ভবন  । জমিদারবাড়ির এই বিভিন্ন অংশ বালিয়াটি জমিদার পরিবারের উত্তরাধিকারীরাই তৈরি করেন বলে জানা যায় । মূল প্রাসাদ কমপ্লেক্সটির একই রকম পাঁচটি অংশ আলাদাভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল । পূর্ব দিকের একটি অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেলেও বাকি চারটি টিকে আছে এখনও । মূল ভবনগুলোর সামনের দেয়ালজুড়ে নানা রকম কারুকাজ আজ মূর্তি চোখে পড়ে । বালিয়াটি জমিদারবাড়ির বিশাল কমপ্লেক্সটি উঁচু দেয়ালে ঘেরা । প্রাচীন আমলের সেই প্রাচীর এখনও টিকে আছে । এ চার দেয়ালের মাঝে এখন রয়েছে চারটি সুদৃশ্য ভবন । আর ভবনগুলোর সামনের প্রাচীর দেয়ালে রয়েছে চারটি প্রবেশ পথ । আর চারটি ভবনের পেছন দিকে আছে আরো চারটি ভবন । চারটি প্রবেশ পথের চূড়ায় রয়েছে পাথরের তৈরি চারটি সিংহমূর্তি । সিংহ দরজা পেরিয়ে বাইরে বেরোলেই দীর্ঘ পুকুর । পুকুরের জলে বালিয়াটি প্রাসাদের প্রতিচ্ছবি আজো মন ভরে দেয় সবার । বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মূলত পাঁচটি মহলে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে টিকে আছে প্রায় একই রকম চারটি মহল । আর এ চারটি মহলের মাঝের দুটি দোতলা আর দু পাশের দুটি তিন তলা । প্রায় বিশ একরেরও বেশি জমির উপরে নির্মিত এ জমিদারবাড়িতে রয়েছে ছোট-বড় দুশোর বেশি কক্ষ । পেছনের দিকে আছে বড় একটি পুকুর । শান বাঁধানো ছয়টি ঘাট আছে এ পুকুরের চার পাশে । পুকুরের চারপাশের সারিবদ্ধ কক্ষগুলো ছিল পরিচারক, প্রহরী ও অন্যান্য কর্মচারীদের থাকার জন্য । বর্তমানে বালিয়াটি জমিদারবাড়ির অবস্থা খুবই করুণ । সংস্কারের অভাবে দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে মূল্যবান এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি । বর্তমানে জমিদারবাড়ির ভবনগুলোতে বালিয়াটি কলেজ, ভূমি অফিসের কার্যক্রম । এ ছাড়া পেছনের দিকে পুরো বাড়িটিই রয়েছে নানাজনের দখলে। কিভাবে যাবেন ঢাকার গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি সাটুরিয়া যায় ‘জনসেবা’ বাস । ভাড়া ৪০-৫০ টাকা । এ ছাড়া যেকোনো জায়গা থেকে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের কালামপুর স্টেশনে এসে সেখান থেকেও লোকাল বাসে সাটুরিয়া আসতে পারেন । সাটুরিয়া স্টেশন থেকে বালিয়াটি জমিদারবাড়ির রিকশা ভাড়া ২০ টাকা ।
*ঈদেবেড়ানো* *অল্পতেভ্রমন* *ঘোরাঘুরি* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: ভাবছি ঈদে বেড়াতে বের হব, কিন্তু কোথায়? ভাবতেই মাথায় চলে আসল রাজা-রাণীর দেশ নামে খ্যাত রাজশাহী পুঠিয়ার কথা। যে খানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ী, শিব মন্দির সহ আরো অনেক পুরানো স্থাপনা।

*ঈদ* *ঈদেবেড়ানো*

দীপ্তি: একটি টিপস পোস্ট করেছে

নিঝুম দ্বীপ হাতিয়া এবং মনপুরা দ্বীপ ভ্রমণ
http://tech.jakir.me/1627
ঈদের ছুটিতে নির্জন কোনো স্থান থেকে ঘুরে আসা যায় l ...বিস্তারিত
*ঈদেবেড়ানো* *অল্পতেভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*
৪৩২ বার দেখা হয়েছে

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বেসরকারিভাবে প্রায় ১শ’ একর জমির উপর গড়ে ওঠা এই বিনোদন কেন্দ্রটি সারাক্ষণ নানা জাতের পাখির কোলাহলে মুখরিত থাকে। এর গাছে গাছে দেখা যায় নানান প্রজাতির পাখি। সন্ধ্যা হলেই তারা তাদের নীড়ে ফিরে আসে। ভিন্নজগতে শোভা পাচ্ছে দেশি-বিদেশি হাজারও বৃক্ষ। এখানে দর্শনার্থীরা গাছের ছায়ায় সারাটা দিন ঘুরে বেড়াতে পারেন। ভিন্নজগতের প্রধান ফটক পার হলেই তিন দিকের বিশাল লেক ঘেরা নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখা শেষ হলেই সামনে পড়বে লোহার ১টি ব্রিজ। ব্রিজটি পার হলেই ভিন্নজগতের ভেতর যেন আরেকটি ভিন্নজগত।
এখানে রয়েছে আধুনিক বিশ্বের বিস্ময় এবং দেশের প্রথম প্লানেটোরিয়াম। রয়েছে রোবট স্ক্রিল জোন, স্পেস জার্নি, জল তরঙ্গ, সি প্যারাডাইস, আজব গুহা, নৌকা ভ্রমণ, শাপলা চত্বর, বীরশ্রেষ্ঠ এবং ভাষা সৈনিকদের ভাস্কর্য, ওয়াক ওয়ে, থ্রিডি মুভি, ফ্লাই হেলিকপ্টার, মেরি গো রাউন্ড, লেক ড্রাইভ, সুইমিং পুল স্পিনিং হেড, মাছ ধরার ব্যবস্থা। একই সঙ্গে রয়েছে অন্তত ৫শ’টি পৃথক দলের পিকনিক করার ব্যবস্থা। শুধু ভেতরেই রয়েছে অন্তত ৮/৯শ’ গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা। কটেজ রয়েছে ৭টি। রয়েছে থ্রি স্টার মডেলের ড্রিম প্যালেস।
এখানকার জলাশয়ে রয়েছে নৌভ্রমণের সুবিধা। শিশুদের জন্য রয়েছে ক্যাঙ্গারু, হাতি, ঘোড়াসহ নানা জীবজন্তুর মূর্তি।
ভিন্নজগতের জলাশয়ের চারধার জুড়ে রয়েছে পরিকল্পিতভাবে রোপিত  নানা জাতের শোভাবর্ধনকারী গাছ।
দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন, বাস, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, রিকশা, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে প্রচুর মানুষ বেড়াতে আসেন এখানে।
বগুড়া থেকে ভিন্নজগতে বেড়াতে আসা দম্পতি ফারহানা কবীর ও আহসান কবীর জানান, উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রের চেয়ে এই বিনোদন কেন্দ্রে নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সব কিছুই সুন্দর। ভিন্নজগতে থাকা-খাওয়ারসহ সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। একই কথা জানান, পঞ্চগড়, নাটোর থেকে আসা অনেকেই।

রাপত্তা ব্যবস্থা: ভিন্নজগতে রয়েছে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এখানে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় বেশকিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত আছেন।
এ ব্যাপারে ভিন্নজগতের মালিক মোস্তফা কামাল জানান, ভিন্নজগত উত্তরাঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিনোদন কেন্দ্র।
তিনি বলেন, এখানে যারা বেড়াতে আসেন তাদের নিরাপত্তার দায়দায়িত্ব এখানে যারা কর্মরত আছেন তাদের।
প্রবেশ মূল্য: ভিন্নজগতের প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা। এছাড়া ভেতরের প্রতিটি রাইডের জন্য আলাদা করে ৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়।

থাকা-খাওয়া: রংপুরে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল রয়েছে। এখানে থ্রি স্টারসহ বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক হোটেল রয়েছে। ভাড়া ৩শ’ থেকে ৫ হাজার টাকার পর্যন্ত।
এ ব্যাপারে ভিন্নজগতের মালিক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘‘দর্শনার্থীদের থাকার জন্য ১টি প্যালেস রয়েছে, যার কক্ষগুলো অত্যাধুনিক। এখানে রাত্রি যাপন ও খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।’’
*ঈদেবেড়ানো* *ঘোরাঘুরি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★