ঈদের সাজ

ঈদেরসাজ নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাহারি গহনার সেরা কালেকশন নারীর রূপের ঝলকানি সচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে শাড়ি আর গহনায়। বাহারি গহনাতে সাজের ভিন্নতা তো থাকবেই কিন্তু ঈদের সাজ হওয়া চাই আরও স্টাইলিশ ও ফ্যাশনেবল। এই ঈদে রাজ কুমারীর সাজে সেজে উঠার জন্য এবং আপনার সাঁজের পূর্ণতা পেতে গহনার কোন বিকল্প নাই। সব ধরনের পোশাকের সাথে মিলিয়ে হালকা কিছু গহনা আপনাকে আরও আকর্ষণীও করে ফুটিয়ে তুলতে পারে। চলুন এবারের ঈদের স্টাইলিশ কিছু গহণা কালেকশন দেখে নেই।

বাহারি গহনা:

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

কোন ধরনের পোশাকের সাথে আপনি কোন ধরনের গহনা পরবেন সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি শাড়ি পরেন তাহলে শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে আপনি হাতে চুড়ি, কানে দুল এবং গলায় কিছু একটা পরুন। তবে কানের দুল যদি আপনি বড় পরেন তাহলে গলায় হালকা কিছু পরুন আর যদি কানে ছোট কোন দুল পরেন তাহলে গলায় ভারী কোন গহনা পরুন। এগুলোর সাথে হাত ভর্তি কাঁচের চুড়ি বেঁছে নিতে পারেন।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনফতুয়া ও কামিজের সঙ্গে আপনি যেকোনো ধরনের গহনা ব্যাবহার করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি কোন উপলক্ষে সেগুলো ব্যাবহার করছেন। তবে যে গহনাটি পরবেন সেটি যেন মান্ধাত্বা আমলের না হয়। অবশ্যই আপনাকে আধুনি সাজের নতুন নতুন গহণা পরতে হবে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনসবসময় যে সোনা, রুপা অথবা হীরের গয়না পরতে হবে এমনটি নয়। আপনি ইচ্ছে করলে অনেক কম দামের মধ্যে কিছু ফ্যাশনাবল গহনা বেঁছে নিতে পারেন। আজকাল বিভিন্ন ধরনের গহনা বাজারে মাটি, কাঠ, তালপাতা, কড়ি, ড্রাই ফ্লাওয়ার, স্টোন ইত্যাদি দিয়েও অনেক আকর্ষণীও গহনা আপনি পেয়ে যাবেন। এগুলো যেমন আপনার ফ্যাশনের অংশ হবে ঠিক তেমনি আরামও পাবেন। বিভিন্ন দামের মধ্যে এসব গহনা পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনআপনি যদি কোন জমকালো অনুষ্ঠানে যান তবে আপনাকে বেশ ভারী গহনা ব্যাবহার করাই উচিৎ হবে। তাতে আপনাকে সকলের চেয়ে আলাদা লাগবে। গহনা আপনার ফ্যাশন ও রুচির প্রকাশ করে থাকে। তাই গহনা নির্বাচনের আগে আপনাকে আপনার পোশাক ও পরিবেশের দিকে নজর রাখতে হবে।

কোথায় থেকে কিনবেন:

কিনতে ক্লিক করুন
রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশেই গহনার মার্কেট পেয়ে যাবেন। তবে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ভালমানের স্টাইলিশ গহনা কিনতে নক করতে পারেন অনলাইন শপগুলোতে। ঈদ উপলক্ষ্যে দেশের সেরা অনলাইনশপ আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে নজরকাড়া বাহারি গহনা। শেষ মহুর্তে গহনার সাজে নিজেকে সাজিয়ে নিতে এখনি এখানে ক্লিক করুন

*গহনা* *ঈদেরসাজ* *স্মার্টশপিং*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিনে নিজেকে ফ্রেশ আর সুন্দর রাখতে শেষ মুহূর্তের কিছু টিপস জেনে নেই চলুন –

♦ উৎসবের আগের রাতে হেয়ার প্যাক দিয়ে চুলের ট্রিটমেন্ট করে রাখতে পারলেই ভালো হয়। পরের দিন সময় পাওয়া নাও যেতে পারে। তাই আগের রাতেই মাস্ট, পরের দিন শ্যাম্পু। শ্যাম্পু করার আগে নারিকেল তেল একটু গরম করে মাথায় ভালো করে মাসাজ করতে হবে। তারপরে মাথাটাকে একটা তোয়ালে দিয়ে ৩০ মিনিট ঢেকে রেখে শ্যাম্পু করে নিতে হবে। শ্যাম্পুর পরে চুলটা একটু শুকনো হলে হেয়ার সেরাম লাগিয়ে নিলে পরের দিন চুলটা খুব সিল্কি আর সফট লাগবে।

♦ রাতে মুখ পরিষ্কার করে টোনার লাগানোর পরে আন্ডার আই ক্রিম লাগিয়ে নিতে হবে। এরপরে নাইট ক্রিম লাগিয়ে নিতে হবে। এতে পরের দিন চোখের তলায় কোন কালি পড়বে না আর মুখটা খুব স্মুথ দেখাবে, টক দই দিয়ে মুখ ধুতে পারেন। টক দই মুখকে উজ্জ্বল করে তোলে।

♦ সকালে যে পোশাক, গয়না পরবেন সেটা আগে থেকেই রেডি রাখু্ন।

♦ সকালে মেকআপের জন্য খুব বেশি ডার্ক বেইস মেক-আপ করবেন না। একটু ফেস প্রাইমার লাগিয়ে তারপরে একটু ম্যাট ফাউন্ডেশন লাগান। তার উপরে মিনেরাল ফেস পাউডার লাগিয়ে নিন। এই রুটিনটা মেনে চললে ঘাম হলেও মেকআপ গলে যাবার সম্ভাবনা থাকে না। বেইস মেক-আপ অর্থাৎ ফাউন্ডেশন লাগাবার আগে মুখে একটু বরফ দিয়ে ৫ মিনিট মাসাজ করুন তাহলে মুখে ঘাম হবে না।

♦ চোখের মেক-আপের জন্য কালো আইলাইনার ছাড়াও লাগাতে পারেন অন্য রঙের আই লাইনার। দিনের বেলাতে লাগাতে পারেন নীল রঙের আইলাইনার। যাদের চোখের রঙ একটু বাদামি তাদের সবুজ রঙের আইলাইনার পরলেও খুব ভালো লাগবে। এটা চোখকে খুব কমপ্লিমেন্ট করবে। রাতের জন্য কালো আইলাইনারের উপরে অরেঞ্জ আইলাইনার দিয়ে একটা লাইন করতে পারলে সেটা একটা গরজিয়াস পার্টি লুক এনে দেবে।

♦ চোখের পাতা মানে আইল্যাসে মাস্কারা লাগানোর আগে একটু ক্রিম প্রাইমার লাগিয়ে নিয়ে মাস্কারা দিন। তাহলে সেটা আইল্যাসকে আরও প্রমিনেন্ট করে তুলবে আর মাস্কারা অনেক্ষণ স্টে করবে।

♦ ঠোঁটে প্রাইমার লাগানোটা কিন্তু মাসট। ঈদের দিনটায় ন্যুড শেডের লিপস্টিক ঠিক মানাবে না। আজকের এই স্পেশাল দিনটায় ডার্ক রঙ যেমন লাল, ডার্ক পিঙ্ক, অরেঞ্জ এই রঙ গুলো বেস্ট লাগবে। লাইট রঙ পরতে চাইলে পার্পল, ভায়োলেট,বারগেন্ডি এই রঙ গুলো ভালো লাগবে।

♦ ঠোঁটে ডার্ক রঙের লিপস্টিক পরে বাকি মেক-আপ টাকে সিম্পল রাখতে পারেন। এতে আপনাকে সবার থেকে আলাদা ও স্পেশাল দেখাবে।

♦ নিজের বডি ক্রিমের সাথে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে হাতে পায়ে গলায় লাগিয়ে নিন। এতে একটা ইভেন টোন পাবেন।

♦ যদি নখ খুব পাতলা বা ভেঙে যাবার সম্ভাবনা থাকে তাহলে উৎসবের আগের রাতে নখে তাজা রসুন ঘষে নিতে পারেন এতে নখ ভাঙার সম্ভাবনা কমে যায়।

♦ সারাদিনের অনেক অ্যাক্তিভিটির ফলে চুলটা অনেকটা ফ্ল্যাট দেখায়। তাই চুল যেভাবেই বাঁধুন না কেন শেষে একটু হেয়ার স্প্রে লাগিয়ে নিলে চুল একদম সেট থাকবে। হেয়ার স্প্রে না থাকলে হেয়ার জেল আর পানি একসাথে মিশিয়ে নিয়ে লাগালেও চুল সেট থাকবে।

♦ সবচেয়ে জরুরী হলো সারাদিন প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। নাহলে কিন্তু নিজেকে খুব শুকনো দেখাবে। আর্দ্রতা চলে গেলে কিন্তু নিজেকে খুব কালো দেখাবে। পানি ছাড়াও লাস্যি, জুস এগুলো খাওয়া যেতে পারে তাহলে শরীরের আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর সারাটাদিন আপনাকে খুব ফ্রেশ দেখাবে।

*ঈদেরসাজ* *ত্বকেরযত্ন* *বিউটিটিপস* *সৌন্দর্য্যচর্চা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতিদিনকার সাজ হোক বা ঈদ, গরমকালে আপনার মেক আপ করলেই কিছুক্ষন পরে তা ঘেমে একেবারে ধুয়েমুছে একাকার হয়ে যায়, এই ঈদে যাতে মেকআপের অনেকক্ষণ পরেও ঠিক থাকে আপনার মেকআপ আর  বিশেষ দিনে দিনভর যাতে আপনাকে সুন্দরী দেখায় তারই সমাধান নিয়ে আসছি।

আসুন জেনে নেই এর গরমে মেকাপ অটুট থাকতে কিছু মেকআপ ট্রিকস –

♦ প্রাইমার: মেক আপ শুরু করুন প্রাইমার লাগিয়ে । সব থেকে ভালো হয় সানস্ক্রিন যুক্ত প্রাইমার ব্যবহার করলে । প্রাইমার লাগানোর ফলে মেক আপ অনেক্ষণ অবধি ঠিক থাকবে । এটা লাগালে ঘাম ও অনেক কম হবে । উপরন্তু আপনার ত্বক অনেকটা উজ্জ্বল দেখাবে । মেক আপ শুরু করার আগে ময়শ্চাইজারে অল্প একটু প্রাইমার ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন ।

♦ ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ: এই সময় ওয়াটারপ্রুফ মেক আপ লাগানো খুবই জরুরী। আপনি নিশ্চই চাইবেন না বিয়ে বাড়িতে গেছেন এবং একটু পরে দেখলেন ঘামের সঙ্গে আপনার পুরো মেক আপ ঘেঁটে গেছে। চোখের জন্য অবশ্যই ওয়াটারপ্রুফ মাসকারা এবং আই লাইনার পছন্দ করুন। এইসময় আই শ্যডো না লাগালেই ভালো। একান্ত যদি লাগাতেই হয় তাহলে ক্রিম আই শ্যাডো লাগান। পাউডার আই শ্যাডো ঘামের সঙ্গে খুব সহজেই মুছে যেতে পারে।

♦ হালকা মেকআপ: গরমকালে হেভি মেক আপ একেবারেই এড়িয়ে চলুন। হেভি মেক আপ সহজেই মুছে যায়। এছাড়াও হেভি মেক আপ করলে ঘামবেনও বেশি। আপনার ত্বকের রঙের কাছাকাছি বেস মেক আপ লাগান। এই সময় ত্বক খুব তেলতেলে হয়ে যায় তাই অয়েল কন্ট্রোল প্রডাক্ট ব্যবহার করুন। সব সময় খেয়াল রাখবেন আপনার ত্বক যেন শুকনো থাকে।

♦ পাউডার ব্লাশন: ক্রিম ব্লাশন অনেক্ষণ থাকে । এছাড়াও পাউডার ব্লাশনের তুলনায় ক্রিম ব্লাশনা অনেকটাই স্মুদ দেখায় । তাছাড়াও ঘামে ভেজা ত্বকে এটা লাগানো অনেক সহজ । প্রথমে ক্রিম ব্লাশন লাগান এরপর তার ওপর ফেস পাউডার লাগিয়ে নিন । আঙুলের ডগা দিয়ে ক্রিম ব্লাশন লাগাবেন ।

♦ সানস্ক্রীন: বাইরে বের হতে হলে মেকআপের আগে উচ্চ এস পি এফ যুক্ত সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সানস্ক্রিন লোশন লাগানোর পর ত্বক তেলেতেলে হয়ে যায় । তাই বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে ত্বকের সঙ্গে মানানসই ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন।

তাহলে ট্রিক্সগুলো তো জেনেই নিলেন, এই ঈদে আপনার মেকআপ হোক ঘামমুক্ত।

*ঈদেরসাজ* *পার্টিসাজ* *মেকআপ* *বিউটিটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিন সকালে হাজার ব্যস্ততার মাঝে খুব সহজ এবং মাত্র ৫ মিনিটেই আপনি নিজেই কোন পার্লারে না গিয়েই ঘরে বসে এই হেয়ার স্টাইলটি ট্রাই করে দেখতে পারেন। হেয়ারস্টাইলের নাম ব্যালেরিনা বান।

আসুন জেনে নেই সুন্দর ব্যালেরিনা বান কিভাবে করতে হয় –

হেয়ার স্টাইল উপকরনঃ

  • চিরুনি
  • কিছু ববি পিন
  • দুটি ইলাস্টিক হেয়ার ব্যান্ড
  • মিডিয়াম হোল্ড হেয়ার স্প্রে

পদ্ধতিঃ

সবার প্রথমে আবশ্যই চুল অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে। কোন হেয়ার স্টাইল করার আগে চুলের সব জট ছাড়িয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে চুলগুলো দুই ভাগে বা তিনভাগে ভাগ করে জট ছাড়িয়ে নিন। এতে চুলের জট ছাড়াতে কোনোরকম ঝামেলা হবে না। মাথার সামনের এক সাইডে বা চাইলে মাঝে ২ ইঞ্চির মত সিঁথি করে কিছু চুল আলাদা করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিতে পারেন। আর বাকি চুলগুলো সব আঁচড়ে পিছন দিকে ছবির মত করে উচুতে একটি পনিটেল করুন। চুলের কালারের সাথে মিলিয়ে কাল বা ট্রান্সপারেন্ট ইলাস্টিক ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারে।

  • এই ধাপে পনিটেল এবং সামনের আলাদা করা চুল নিয়ে আমরা ফ্রেঞ্চ বেণী করব। বেণী করার জন্য তো তিন ভাগ চুল লাগে, সেই মোতাবেক আমরা সামনের চুল থেকে দুই ভাগ চুল এবং পনিটেল থেকে একভাগ চুল নিব। এবার বেণীর করতে থাকেন। সামনের থেকে একটু চুল নিয়ে আর পনিটেল থেকে সামান তালে চুল নিয়ে ফ্রেঞ্জ বেণী করুন।
  • দুপাশ থেকে ফ্রেঞ্চ বেণী করে আসতে আসতে দেখবেন সামনের চুল আর অবশিষ্ট নেই। তখন কেবল পনিটেল থেকে একভাগ নিয়ে বেণীটি করে যেতে হবে। ছবিটি দেখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে ব্যাপারটি।
  • এভাবে একপেশি ফ্রেঞ্চ বেণীটি ঠিক ছবির মত রাউন্ড শেপে করতে থাকুন। বেণীটি করার সময় খুব বেশি টাইট করে করবেন না তাহলে খোঁপাটি ছড়িয়ে যাবে। দেখতে তখন আর ভাল লাগবে না। তবে বেণী করার সময় আস্তে আস্তে বেণীর চুল টেনে টেনে দিবেন এতে করে বেণীটি মোটা এবং সুন্দর লাগবে।
  • বেণী একেবারে চুলের আগা পর্যন্ত করুন এবং শেষ হয়ে গেলে আরেকটি ইলাস্টিক ব্যান্ড দিয়ে আটকে নিন। এরপর খোঁপার চারপাশ দিয়ে পেছিয়ে শেষ অংশটুকু ববি পিন দিয়ে আটকে নিন।
  • ব্যস, মাত্র ৫ মিনিটেই হয়ে গেল সুন্দর এই ব্যালেরিনা বান। তেমন ঝামেলা ছাড়াই হাতের কাছে থাকা জিনিসগুলো দিয়েই আপনি এই হেয়ার স্টাইলটি নিজেই করতে পারবেন।
*ব্যালেরিনাবান* *হেয়ারস্টাইল* *ঈদেরসাজ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদ তো প্রায় চলেই এলো। আর ঈদ মানেই নতুন কাপড় আর নতুন ডিজাইন। প্রতিটি ঈদেই কাপড়ের এই ট্রেন্ডের কথা তো জানাই থাকে। তাইতো সবার লক্ষ্য লেটেস্ট ঈদ ফ্যাশনের রকমারী বাহারী পোষাক থেকে পছন্দের সেরা পোষাকটিতে নিজেকে সাজিয়ে নিতে। এবারের ঈদেও গতবারের মত সেই সত্তর দশকের জনপ্রিয় লম্বা কামিজের ফ্যাশনটাই নতুন আংগিকে উপস্থাপিত হচ্ছে। তাছাড়া বাঙ্গালী রমনীর প্রিয় পোষাক শাড়ীতেও থাকছে বৈচিত্র্যতা। এমনি সব ঈদের সাজের কিছু দিক আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো।

লম্বা কামিজ কাটে ভিন্নতা

(কামিজের বিশাল সংগ্রহ দেখুন ছবিতে ক্লিক করে) 

গতবারের মতো এবারও কামিজের ঝুল দীর্ঘই থাকছে। তবে নিচের হেমের কাটিংয়ে বৈচিত্র্য দেখা গেছে। কোনাকুনি, এরোপ্লেন কাট ও একটু লম্বাটে কাটের কামিজ কিনছেন তরুণীরা।আবার কামিজ বা কুর্তায় প্লিটের আধিক্যও চলছে। সাধারণ কাটের সালোয়ারের থেকে লেগিংস ও চুড়িদারই বেশি পছন্দ করছে মেয়েরা।

শাড়ির পাড়ে বৈচিত্র্য আর ব্লাউজটা ভিন্নধর্মী

(এক্সক্লুসিভ ও আকর্ষণীয় দেশি-বিদেশি শাড়ির কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

এবারের ঈদে সুতি শাড়ির দিকেই ঝোক বেশী। তবে শাড়ি হালকা হলেও তার ঝলক কম নয়। শাড়ির আঁচল, কুঁচিতে ভিন্নতা এসেছে। শাড়িতে দু-তিনটি শেডের মিশ্রণ চলছে। দেখা যাচ্ছে কুঁচিতে একধরনের কাজ, আবার আঁচলে আরেক রকম।এ ছাড়া শাড়ির পাড়ে প্যাচওয়ার্ক ও লেইসের ব্যবহার চলছে, জরি, সাটিন ও এমব্রয়ডারি কাজও থাকছে শাড়িতে।শাড়ির সঙ্গে বাহারি কাটের ব্লাউজ।সুতির পাশাপাশি মসলিন, জামদানি ও হাফ সিল্কও চলছে।এবারের শাড়িতে যেহেতু খুব জমকালো কাজ থাকছে না, তাই সাজ ও গয়না হতে হবে জাঁকজমক।

গয়নায় স্বর্ণালি ছোঁয়া

(এক্সক্লুসিভ ও আকর্ষণীয় গয়নার কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

গোল্ড প্লেটেড গয়নার চাহিদা বেড়েছে। কোনোটাতে থাকছে কুন্দনের কাজ, কোনোটাতে কৃত্রিম রং-বেরঙের মুক্তা। গয়নায় অ্যান্টিক কাজের ব্যবহারও দেখা গেছে।কম বয়সের মেয়েরা পুতির গয়না ব্যবহার করতে পারেন। হাতে পরতে পারেন উজ্জ্বল রঙের বিভিন্ন রকমের বালা। এবারের ঈদ ফ্যাশনের নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে হালকা ও ভারী মেটালের তৈরি গয়না।

পোশাকে বৈচিত্র্য

(কিশোরীদের পোশাকের কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

উজ্জ্বল রং, পরীক্ষাধর্মী কাট আর আরামদায়ক কাপড়—এই তিনের সমন্বয়ে বানানো হয়েছে কিশোরীদের পোশাক। কিশোরীদের ঈদ পোশাকের সম্ভারে আছে স্কার্ট, পালাজ্জো বা ডিভাইডারের মতো প্যান্ট, লম্বা ও খাটো কামিজ। প্লিটেড, ড্রেপিং, অসম কাট, বিভিন্ন রকমের ফ্লেয়ার ও লেয়ার কাটের মাধ্যমে ফতুয়া, পনচো, টিউনিক ও ড্রেস তৈরি করা হয়েছে।

জমকালো জুতা 

(এক্সক্লুসিভ ও আকর্ষণীয় জুতার কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

হালফ্যাশনের ঈদের পোশাকের সঙ্গে জুতা-ব্যাগ যদি মানানসই না হয়, তাহলে কি আর ঈদ জমে? লম্বা কামিজ ও শাড়ির সঙ্গে উঁচু হিল জুতা বেশি মানানসই।প্রয়োজনে প্ল্যাটফর্ম হিল পরতে পারেন।

বাহারি ব্যাগ

Handbag

(আকর্ষণীয় সব ব্যাগের কালেকশন দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন)

জমকালো পোশাক আর মানানসই জুতার সঙ্গে দেশীয় মোটিফের ব্যাগ ভালো মানাবে। পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে চটি জুতা ও ফিতাদার কিংবা পেছনে চেইন দেওয়া চটি জুতা এবং বড় ঝোলা ব্যাগ বেছে নিতে পারেন।

 

*ঈদেরসাজ* *ঈদফ্যাশন*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিনে পোশাকের পাশাপাশি যারা সাজের চমক দিয়ে অন্যকে চমকে দিতে চান তাদের জন্য পারফেক্ট মেকওভারের অন্যতম শর্ত হচ্ছে পারফেক্ট হেয়ারস্টাইল। নট পনিটেইল একটি অতি সিম্পল এবং আকর্ষণীয় একটি হেয়ারস্টাইল। এটি একটি টিনএজ লুক হেয়ারস্টাইল, টিনেজার মেয়েদের সিম্পলভাবে হেয়ারস্টাইল করলেই বেশি ভালো দেখায়।

এতে বিশেষ কিছুই লাগবে না, চুল একটু লম্বা হতে হবে আর সাথে হেয়ার ব্রাশ ও হেয়ার ক্লিপ থাকলেই আপনি এটি করে ফেলতে পারবেন।

চলুন পদ্ধতিগুলো সমন্ধে জেনে নেই:
(১) প্রথমে চুল ভালোভাবে আঁচরে নিতে হবে, এক্ষেত্রে আপনি উষ্কখুষ্ক ভাব সরাতে হেয়ার ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এরপর চুল একপাশে এনে একে দুটিভাগে ভাগ করে নিতে হবে।

(২) এবার চুলে নট বাঁধার মত করেই নট করতে হবে। প্রথম নটটি দেয়ার পর দ্বিতীয়টি দিয়ে ফেলতে হবে।

(৩) নটের শেষ মাথায় ইলাস্টিক ব্যান্ড দিয়ে আঁটকে দিতে হবে। এবার নটটি পিন দিয়ে আঁটকে দিতে হবে।

(৪) এবার কিছুটা ট্রেন্ডি ভাব নিয়ে আসতে নটের নিচের চুলে হালকা টিজিং করে ফেলতে হবে।

 

*ঈদেরসাজ* *হেয়ারস্টাইল* *চুলেরসাজ* *বিউটিটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের সকাল গৃহিণীর কাটে হেঁশেল ঘরে। আর তাই বেশীরভাগ গৃহিণীই মনে করেন ঈদের সকালে সাজের কোন দরকার নেই। কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার প্রিয় মানুষগুলো চায় আপনি সাজুন। আর এই সাজগোজের জন্য আপনাকে যে খুব বেশি সময় ব্যয় করতে হবে তাও কিন্তু নয়। ঈদের দিন সবাই চায় নিজেকে স্নিগ্ধ-কোমল সাজে সুন্দরভাবে নিজেকে সাজাতে, নিজেকে সুন্দরভাবে অপরের কাছে উপস্থাপন করতে। ঈদের আনন্দের পূর্ণতা পায় নতুন জামা-কাপড়, সাজসজ্জা, আত্মীয়-স্বজনের বাসায় বেড়াতে যাওয়া এবং বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর মধ্য দিয়ে। আর এসবের জন্য ঈদের অন্তত ৭ দিন আগে থেকেই ঈদের প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়ে।

এক সপ্তাহ তথা ৫-৭ দিন আগেই হেয়ারকাটটি করিয়ে নিন, কারণ হেয়ারকাটটি সেট হতে ৫-৭ দিন সময় লেগে যায়। আগের দিন পেডিকিউর-মেনিকিউর, ২-৩ দিন আগে প্রয়োজন অনুযায়ী হেয়ার ট্রিটমেন্ট এবং হেয়ার স্ট্রেটনিং করাতে চাইলে ৭-৮ দিন আগেই করাতে পারেন। হেয়ার কালার ২-৩ দিন আগেও করা যেতে পারে। আইব্রো, ওয়াক্সিং থ্রেডিং ২-১ দিন আগে। মেহেদি চাঁদ রাতে লাগানোটাই ভালো। ঈদের সারাটা দিন মূলত অতিথি আপ্যায়ন করে ব্যস্ততায় দিন কাটে। তাই সাজের মধ্যে একটা স্নিগ্ধভাব থাকা চাই, যাতে সারা দিনের ক্লান্তি চেহারায় ফুটে না ওঠে। সেক্ষেত্রে সকালের সাজে স্নিগ্ধতা ও সতেজতা বেশি জরুরি। সকালে সাজে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হলো পরিচ্ছন্ন একটি সাওয়ার। তাছাড়া ময়েশ্চারের সঙ্গে ঠোঁটে ভেসলিনই যথেষ্ট। দুপুরে রোদটা বেশি পড়ে। তাই এ সময়ে জমকালো সাজ দৃষ্টিকটু লাগবে। এক্ষেত্রে হাল্কা সাজই মানানসই। সাজের ক্ষেত্রে ন্যাচারাল আই শ্যাডো ব্যবহার করা যায়

♣ সালোয়ার কামিজ পরলে, আরাম পাবেন এবং কাজে সুবিধা হবে এমনটা পরুন। ফুলহাতার থ্রিপিস না পরাই ভালো।
♣ শাড়ি পরলে সুতি শাড়ি পরুন। সকালের সাজে সুতি শাড়ি বা কাপড় ভালো লাগে
♣ হালকা করে কাজলের রেখা টেনে নিন দুই চোখে। সাজে অন্যরকম মাত্রা আসবে।
♣ চুলের ক্ষেত্রে কাজের সঙ্গে সুবিধা হয়, স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, সেভাবে বেঁধে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সকালের দিকে চুল ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। পরে বোল্ড বা খোঁপা করে নেওয়া যেতে পারে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে।
♣ টিপ পরলে, কপালে ছোট্ট একটা টিপ পরুন শাড়ির রঙে মিলিয়ে।
♣হালকা কিছু সোনার গয়না পরুন।

ঈদের সকালে হালকা সাজে সাজিয়ে নিন নিজেকে। ভালো কাটুক আপনার ঈদের সারাটি দিন।

*ঈদেরসাজ* *সকালেরসাজ* *গৃহিনীরসাজ* *সাজসজ্জা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিন কি পরবো বা কি ধরনের পোশাক পরবো এই ভাবনা আমরা প্রায় ভেবে থাকি কারণ বাঙালীর আনন্দের সবচেয়ে বড় উৎসব হল ঈদ। ঈদের দিনের পোষাকটি হবে কেমন। সেই সঙ্গে সাজবেনই বা কেমন। দিনের পোষাকের সঙ্গে রাতের পোষাকের ও সাজের বৈচিত্র কেমন হবে।ঈদের পর দিন,তার পরের দিন কী পরবেন। সাজবেন ই বা কেমন। কতসব জল্পনা কল্পনা। ফ্যাশন সচেতন মানুষের বেলায় তো কথায় নেই। তাই কেমন হবে ঈদে আপনার সাজগোজ বা কোন পোষাকের সঙ্গে কি রকম সাজবেন এ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরছি।
কেমন হবে পোশাকঃ
এবার ঈদ প্রচন্ড গরমে হওয়ায় একটু বেশীই অস্থির করে তুলতে পারে। তাই ঈদের দিন একটু আরাম দায়ক পোশাক পরতে হবে। রূপ বিশেষজ্ঞ শারমিন তহুরী বলেন, ঈদের দিন শিফন, জর্জেট, সুতি, ঢাকাই জামদানি, মসলিন, টাঙ্গাইলের জামদানি কাপড় গুলো পরতে পারেন। কারণ এ গুলো হালকা হওয়ায় খুব আরাম দায়ক হবে।
সামলে নিন নিজেকে:
ঈদের দিনে এতো কাজের ভিড়েও নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে হলে আপনাকে একটু সচেতন হতে হবে। যেন সবাই আপনার দিকে আড় চোখে চেয়ে দেখে কেমন করে এতো সব সামলে চলেন তার পরও এতো ফ্রেশ। আসুন জেনে নেই কি ভাবে সুন্দর করে নিজেকে উপস্থাপন করবেন। ঈদের দিনে সাজটাকে তিন ভাগে ভাগ করে নিতে পারেন। সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করুন সকাল, দুপুর এবং রাতের সাজ এবং পোশাক কী হবে। সাকালে একটু-আধটু কাজের চাপ থাকে, তাই চলাফেরা করতে সহজ হয় এমন কোনো ফেব্রিক বেছে নিন। সকালের আবহাওয়ার সাঙ্গে মানানসই কোন হালকা কালারের পোশাক পরতে পারেন।মেকাপের শুরুতে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর টোনার ও ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে স্কিন টোনের সঙ্গে মিলিয়ে ফাউন্ডেশন দিয়ে ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। সকাল বেলায় ভারি মেকাপ না নেয়ায় ভালো। এসময় চোখে কাজল পরতে চাইলে কালো না পরে ব্রাউন কালার বেছে নিতে পারেন । এছাড়া সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে কেমন সাজ নেবেন এ প্রসঙ্গে বিউটি এক্সপার্ট শারমিন তহুরী বলেন, সকালে সুতির সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সাজটা একেবারে শুভ্র ও ন্যাচারাল হবে। চোখে কাজল এবং ঠোঁটে ন্যাচারাল কালারের লিপিস্টিক লাগিয়ে নিলে চেহারায় সকালের শুভ্রতার একটা প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠবে। চুলটা এ সময় বাঁধা থাকবে। গরমের সময় ঈদ হয়ে থাকে দুপুরে তাই বাড়িতেই থাকার চেষ্টা করুন। তারপরেও সাজতো আরেকটু ঠিক করে নিতে হবে। দুপুরে হালকারঙ এর পোশাক বেছে নিন। আর সাজের ক্ষেত্রে ফাউন্ডেশনের সঙ্গে পাউডার মেখে হালকা করে ব্লাশন বুলিয়ে নিন দুই গালে। আর একে দিতে পারেন লিপগ্লাস। চোখের সাজে ভিন্নতা আনতে স্যাডো আর আইলাইনার দিন। পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কানে আর গলায় ছোট গয়না পরুন।
দুপুরে আইশ্যাডোর রঙ সঙ্গে ম্যাচ করতে পারেন, আবার কন্ট্র্যাস্টও করতে পারেন।চোখের পুরোটা পাতায় বেজ কালার করে নিন। তারপর অন্য কালারগুলো লাগান। তার পর অন্য কালারগুলো লাগান। চোখের লেশের কোল ঘেঁষে পেন্সিল আইলানারের টান আবার আউটার কর্নারটাও একটু টেনে দিতে পারেন। গালে আলতো করে একটু ব্লাশন ছুঁইয়ে নিন। লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁট এঁকে লিপিস্টিক লাগিয়ে নিন।
রাতটি শুধু আপনার ইচ্ছেমতো সাজুন। বাইরে গেলে শাড়ি পরুন। বাঙ্গালি নারীর শাড়িতেই পূর্ণ সৌন্দর্য প্রকাশ পায়। মুখ, গলায় ফাউন্ডেশন কমপ্যাক্ট পাউডার দিন। সাজ বেশি সময় স্থায়ী করতে স্পঞ্জ পানিতে ভিজিয়ে মুখে চেপে মেকাপ বসিয়ে নিন। চোখে মাশকারা, আইলাইনার এবং গাঢ় রঙ এর স্যাডো ব্যবহার করুন। রাতের সাজে শাড়ি খুব বেশি গর্জিয়াস হলে মেকাপটা পরিচ্ছন্ন ও উজ্জ্বল হবে। চোখের ওপরে অ্যাকোয়া ব্লু এবং গ্রে আইশ্যাডো একসঙ্গে মিলিয়ে লাগান। শাইনি মভ বা সিলভার কালারে হাইলাইট দিন। চোখের ইনার কর্নারে গোল্ড বা শিমারি পিঙ্ক আইশ্যাডো স্মাজ করে লাগিয়ে নিন। তবে ব্লাশনের রঙ বেশি উজ্জ্বল না হওয়াই ভালো। হালাকা রঙে লিপিস্টিক রাতের সাজের জন্য বেশি মানানসই হবে।
*ঈদেরসাজ* *ফ্যাশন*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

কমলা সুতি পাঞ্জাবির সঙ্গে নামাবলি কটি অথবা সাদা সুতি পাঞ্জাবিতে এম্ব্রয়ডারি

মেয়েদের শাড়ি, লংকামিজ আর ছেলেদের পাঞ্জাবি ছাড়া কোন উৎসবই জমে উঠে না। তাইতো উৎসবে আর ফ্যাশনে শাড়ি পাঞ্জাবির কোন জুড়ি নেই।

*ফ্যাশন* *শাড়ি* *ঈদফ্যাশন* *ঈদেরসাজ* *পূজারসাজ* *পাঞ্জাবি*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★