উপগ্রহ

উপগ্রহ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গ্রহ ও উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

.
*গ্রহ* *উপগ্রহ* *পার্থক্য*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ এর আগেই মহাকাশে যাচ্ছে বাংলাদেশের ন্যানো স্যাটেলাইট !!!

অনেকেই জানেন যে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠতে যাচ্ছে। কিন্তু অনেকের কাছেই এটা অজানা যে, বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ এর আগেই মহাকাশে যাচ্ছে বাংলাদেশের ন্যানো স্যাটেলাইট। ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটি এর সহযোগিতায় বাংলাদেশের প্রথম পদচিহ্ন অঙ্কিত হতে যাচ্ছে মহাকাশে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে, লো আর্থ অরবিটে ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ছোট আকৃতির কম ব্যয়ে নির্মিত স্যাটেলাইট কে ন্যানোস্যাট বলে, যা বিভিন্ন গবেষণা আর একাডেমিক কাজে গুরুত্বপুর্ন অবদান রাখে। ব্যয়বহুল কনভেনশনাল স্যাটেলাইটের তুলনায় ন্যানোস্যাট বেশ ছোট, ওজন হয় ১-১০ কেজি এবং একে বিষুবরেখার ৫০০-১৫০০ কিলোমিটার এর ভিতর স্থাপন করা যায়; যেখানে জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইটগুলো (যেমন, বঙ্গবন্ধু-১) ৩৬০০০ কিলোমিটার দূরে স্থাপন করা হয় এবং এদের উৎক্ষেপণ ও উৎপাদন ব্যয় অত্যন্ত বেশি। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং জাপানের কাইউশু ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (KIT) এর একটা দল ন্যানোস্যাট টি আগামী বছরের মে মাসে উৎক্ষেপণ করবে বলে জানা গেছে। Japan Aerospace Exploration Agency (JAXA) and the International Space Station (ISS) এর সহযোগিতায় কাইউশু ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (KIT) ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এর সাথে উৎক্ষেপণের ব্যাপারে একটা চুক্তিসই করেছে।

*জানা-অজানা* *ছায়াবতী* *বাংলাদেশ* *তথ্যপ্রযুক্তি* *স্যাটেলাইট* *উপগ্রহ*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছায়াপথ মহাকর্ষীয় শক্তি দ্বারা আবদ্ধ একটি অতি বৃহৎ সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা যা তারা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাসমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু দ্বারা গঠিত। একটি আদর্শ ছায়াপথে ১০ মিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন পর্যন্ত তারা থাকে যারা সবাইএকটি সাধারণ মহাকর্ষীয় কেন্দ্রের চারদিকে ঘূর্ণায়মান। বিচ্ছিন্ন তারা ছাড়াও ছায়াপথে বহুতারা ব্যবস্থা, তারা স্তবক এবং বিভিন্ন ধরনের নীহারিকা থাকে। অধিকাংশ ছায়াপথের ব্যস কয়েকশ আলোকবর্ষ থেকে শুরু করে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ পর্যন্ত এবং ছায়াপথসমূহের মধ্যবর্তী দূরত্ব মিলিয়ন আলোকবর্ষের পর্যায়ে।

ছায়াপথের শতকরা ৯০ ভাগ ভরের জন্য দায়ী করা হয় অদৃশ্য বস্তুকে যদিও এদের অস্তিত্ব এবং গঠন সম্পর্কে অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে। ছায়াপথের অভ্যন্তরে অতিবৃহৎ কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আন্তঃছায়াপথীয় স্থান হালকা প্লাসমা দ্বারা পূর্ণ। আমাদের পর্যবেক্ষণিক সীমার মধ্যে একশ বিলিয়নেরও বেশী ছায়াপথ রয়েছে।

*ছায়াপথ* *মহাকর্ষ* *শুকতারা* *কক্ষপথ* *সৌরজগত* *সূর্য* *গ্রহ* *উপগ্রহ*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুক্র গ্রহ ( Venus ) : খুব ভোরে সূর্য উঠার
আগে পূর্ব দিকের আকাশে যে উজ্জ্বল
জ্যোতিস্ক দেখা যায় তাকে আমরা শুকতারা
বলি। আবার কখনো সূর্যাস্তের পর সন্ধ্যার
সময় পশ্চিম দিগন্তে একটি উজ্জ্বল
জ্যোতিস্ক দেখা যায়, তাকে আমরা বলে থাকি
সন্ধ্যাতারা। শুকতারা ও সন্ধ্যাতারা আসলে
একটি বস্তুরই দু'টি আলাদা নাম এবং আসলে
এটি কোন তারা নয়, এটি একটি গ্রহ। যার নাম
শুক্র গ্রহ। ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে,
দৈত্যদের গুরু শুক্রাচার্য শুক্রগ্রহে পরিণত হয়ে
যায়। এ গ্রহের আকার পৃথিবীর মতনই। পৃথিবীর
মতই এ গ্রহের ম্যান্ট সিলিকেট দ্বারা এবং
কেন্দ্রভাগ লৌহ দ্বারা গঠিত। পৃষ্ঠতলের
তাপমাত্রা 400 ডিগ্রী সেলসিয়াস হওয়ায় এটি
সৌরজগতের উত্তপ্ত গ্রহ। শুক্র গহের
মুক্তিবেগ সেকেন্ডে 6.5 মাইল হওয়ায়
শুক্রপৃষ্ঠের পুঞ্জীভূত গ্যাসের অনু পরমানুর দল
এই প্রচন্ড বেগে পালিয়ে যেতে পারেনি। তাই
এগুলো শুক্রের আবহমন্ডলে বন্দী হয়ে রয়েছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, শুক্রের আবহমন্ডলের প্রয়
সবটাই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস। এখানে
মাত্র 0.4 ভাগ অক্সিজেন গ্যাস রয়েছে।
এছাড়াও কিছু নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন,
অ্যামোনিয়া ও সামান্য কিছু জলীয়বাস্পের
অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই স্তুপকৃত গ্যাসের
মধ্য দিয়ে সূর্যালোক শুক্রগ্রহের পিঠের উপর
গিয়ে পৌঁছায় এবং তাকে উত্তপ্ত করে। কিন্তু
শুক্র গ্রহের পিঠ থেকে বিচ্ছুরিত তাপরশ্মির
বাইরে আসার উপায় নেই। ফলে এ গ্রহের পিঠের
তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। এ ঘটনাকে বলে গ্রীন
হাউজ এফেক্ট। আজ পর্যন্ত শুক্র গ্রহের
খবরাখবর জানার জন্য যেসকল মহাকাশযান
পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে পাইওনিয়ার ১ ও ২
এবং ভেনেরা ১১ ও ১৪ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসকল
শুক্রাভিযানের ফলেই আমরা শুক্রের বায়ুমন্ডলে
অবস্থিত গ্যাস এবং পৃষ্ঠস্থিত পাহাড়, সমতল
ভূমি, আগ্নেয়গিরি ও লাভার নদী সম্পর্কে
জানতে পেরেছি। নিজ কক্ষপথ বেয়ে সূর্যকে
একবার পরিক্রমণ করতে শুক্রের সময় লাগে 225
দিন। সূর্য থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১১ কোটি
কিলোমিটার, যা পৃথিবীর দূরত্বের ০.৭২ গুণ।
পৃথিবীর সাপেক্ষে এর অবস্থানের দরুন একে
আমাদের আকাশে সবসময় সূর্যের কাছাকাছি
দেখা যায়; সূর্য থেকে এর সর্বোচ্চ কৌণিক
দূরত্ব হতে পারে ৪৮ ডিগ্রি। শুক্র থেকে পৃথিবীর
দূরত্ব অন্য সব গ্রহের দূরত্বের মতোই
পরিবর্তিত হয়— সর্বোচ্চ ২৫.৭ কোটি আর
সর্বনিম্ন ৪.২ কোটি কিমি। ধীর প্রতীপ ঘূর্ণন
ও আবর্তন গতির কারণে শুক্রের পৃষ্ঠে এক
সৌরদিন, অর্থাৎ দুই সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী
সময়, ১১৭ ( পৃথিবীর হিসেবে )। এই গ্রহের
কক্ষপথের উৎকেন্দ্রিকতা এবং ঘূর্ণন ও
আবর্তন তলের মধ্যবর্তী কোণ দু'টোই খুব
কম, যে কারণে সেখানে বড় কোন ঋতু পরিবর্তন
ঘটে না। আসলে আমাদের সৌরজগতে শুক্রের
কক্ষপথই সবচেয়ে বেশি বৃত্তাকা

*শুকতারা* *কক্ষপথ* *সৌরজগত* *সূর্য* *মহাকর্ষ* *গ্রহ* *উপগ্রহ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★