উৎসব

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনদু’দিন বাদেই খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড় দিন। বড় দিন মানে বাড়তি আনন্দ আর বড় বড় গিফট পাওয়া। মহা আনন্দের এই দিনটিকে ঘিরে সকল প্রস্তুতি যারা শেষ করেছেন তারা একটু ফুরফুরা কিন্তু এখনো যারা কেনাকাটা ও অন্যান্য আয়োজন সারতে পারেননি তাদের খানিকটা টেশনটা আমাদের হাতে ছেড়ে দিন। আমরা অন্তত্ব আপনার কেনাকাটার কাজ সহজ করে দেই। হ্যাঁ বন্ধুরা, বড়দিনকে সামনে রেখে বড় অফার নিয়ে এসেছে আজকেরডিল। ঘরে বসেই আজকের ডিল থেকে কিনে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পণ্যটি। দু’দিনের মধ্যে পণ্য হাতে পেতে এক্ষনি অর্ডার করুন।

উৎসব মানেই আনন্দ। আর উৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ বেড়ে যায় উপহার পেলে। সামনে আসছে আনন্দের দিন বড়দিন। বড়দিন ঘিরে কত জল্পনা আর কল্পনা থাকে। প্রিয়জনকে খুশি করতে সবাই নানা ধরনের উপহার দিয়ে থাকেন। সময়টা শীত, তাই উপহার হিসেবে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন শীতের পোশাক।

পোশাক ছাড়াও কিন্তু দোকান আর গিফট শপগুলো ঝলমল করছে নানা উপহারসামগ্রীতে। শিশুদের জন্য খেলনা, পুতুল, ডেকোরেশন পিস—আরও কত কী। শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার জন্য কার্ড আর পছন্দের চকলেট তো চাই-ই।

বড়দিনে উপহার হিসেবে ইলেকট্রিক গ্যাজেট দিতে পারেন অথবা কিনে নিতে পারেন নিজের জন্য। আজকের ডিলে রয়েছে নানা রকমের স্মার্টওয়াচ, ভিআরবক্স, ওটিজি ডিভাইস ও মোবাইল ট্যাবসহ আরও অনেক কিছু। আপনার পছন্দেরটি এখনি কিনে নিন।

শীতের এই সময়টায় উষ্ণতার পরশ পেতে কিনে নিতে পারে ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের শীতের প্রশাধনী ও উইন্টার কসমেটিক্স। এছাড়াও বড় দিনের উৎসবে সেজে উঠতে নিয়ে নিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের মেকআপ  আইটেম। 

বড়দিনে ঘর সাজানোর জন্য নিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বেডশীট।

বড়দিনের উপহার হিসেবে মিক্স চকলেট বক্স বেশ আগে থেকেই জনপ্রিয়। এই দিনে বড়রা ছোটদের জন্য বিভিন্ন ধরনের চকলেট আইটেম সমৃদ্ধ বক্স মিশুদের উপহার দিয়ে থাকেন। আপনিও ইচ্ছে করলে এখান থেকে চকলেট কিনে নিতে পারেন। 

এতো গেল সামান্য কিছু আইটেম-এগুলো ছাড়াও উপহার হিসেবে দেবার ও কেনার মত অনেক সামগ্রী আজকের ডিলে পেয়ে যাবেন। আপনি ইচ্ছে মত, শার্ট, প্যান্ট, শীতের সোয়েটার, শাড়ি, ঘড়ি, ফুলস্লিফটিশার্ট, সানগ্লাস, ফুলদানি, শীতের শু, থ্রিপিস, কুর্তি ও ট্রাভেল ব্যাগসহ গৃহস্থালি সব রকমের পণ্য পাবেন। 

কিনতে ক্লিক করুন

বন্ধুরা, আপনি দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই বড়দিনের আকর্ষণীয় সব পণ্য কিনে নিতে পারবেন। সাথে দ্রুত ডেলিভারী তো থাকছে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে বড়দিনের আগেই পন্য পেতে চাইলে এখনি এখানে ক্লিক করুন

*বড়দিন* *উৎসব* *কেনাকাটা* *শপিং* *অফার* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিথিদের কি কি আইটেম দিয়ে আপ্যায়ন করা যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*গায়েহলুদ* *হলুদসন্ধ্যা* *অতিথিআপ্যায়ন* *উৎসব* *টিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 প্রবারণা পূর্ণিমার মূল বাণী, গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই l

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*প্রবারণাপূর্ণিমা* *উৎসব* *বৌদ্ধধর্ম* *ধর্মীয়অনুষ্ঠান*
ছবি

প্যাঁচা : ফটো পোস্ট করেছে

ছেলেদের রান্নাবান্না

ফ্রি-তে জমপেশ খানা...(ভেঙ্গানো২)...আমি এসব কিছুই করতে পারি না তবে আমার ছোট বোনের হাবি পারে।হাহাহাহা..ঘরের পোলারা একদিন মেয়েদের করে খাওয়ালে ক্ষতি কি?শর্ত যা করে দিমু সেটাই খাইতে হবে,বেশি খুঁত ধরলে খবর আছে।হাহাহাহা...

*ভুরিভোজ* *রসনাবিলাস* *রিচফুড* *বিরিয়াণী* *উৎসব* *পার্টি* *পাটিসাপটা* *পিঠা* *রান্নাবান্না* *রান্নাঘর* *চুলারগরমে* *ক্লিকক্লিক-প্যাঁচা*
ছবি

খেলাধুলা: ফটো পোস্ট করেছে

আজ পুরান ঢাকায় হবে জমকালো 'সাকরাইন উৎসব'

পুরান ঢাকায় চলছে ঐতিহ্যবাহী ‘সাকরাইন’ উৎসব। পৌষ সংক্রান্তি ও মাঘ মাসের শুরুর এ দিনটিতে আগুন নিয়ে খেলা ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে প্রথম প্রহর। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গান বাজনার তালে তালে শুরু হয়েছে ঘুড়ি ওড়ানোর উন্মাদনা। ছোট-বড় সবার অংশগ্রহণে মুখরিত হচ্ছে প্রতিটি বাড়ির ছাদ, চলছে ঘুড়ির সাম্যবাদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উৎসবের মুখরতা। বাড়ছে আকাশে ঘুড়ির সংখ্যাও। এদিনে পুরান ঢাকার শাঁখারি বাজার, রায়সাহেব বাজার, বংশাল, সূত্রাপুর, বাংলাবাজার, সদরঘাট এলাকার মানুষ সারাদিন ঘুড়ি ওড়ান। আয়োজন করা হয় পুরান ঢাকার নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের। এদিনটিতে পুরান ঢাকার আকাশে শোভা পায় নানা রং আর বাহারি আকৃতির ঘুড়ি। এছাড়াও আগুন নিয়ে খেলা, আতশবাজি ফোটানো এ উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ। তবে সকালের তুলনায় বিকালে এ উৎসব বেশি মুখরিত হয়। সাকরাইন উৎসবকে পৌষ সংক্রান্তি বা ঘুড়ি উৎসবও বলা হয়। এ উৎসবে অংশ নেন সব ধর্ম, পেশার বিভিন্ন বয়সের মানুষ।

*সাকরাইন* *উৎসব*
ছবি

নিউজ ফ্ল্যাশ: ফটো পোস্ট করেছে

পুরান ঢাকায় শুরু হয়েছে সাকরাইন উৎসব

পুরান ঢাকায় চলছে ‘সাকরাইন’ উৎসব। দিনটি পুরান ঢাকার জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী দিন। পৌষ সংক্রান্তি ও মাঘ মাসের শুরুর এ দিনটিতে আগুন নিয়ে খেলা ও আতশবাজীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে প্রথম প্রহর। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে গান বাজনার তালে তালে শুরু হয়েছে ঘুড়ি ওড়ানোর উন্মাদনা। ছোট-বড় সবার অংশগ্রহণে মুখরিত হচ্ছে প্রতিটি বাড়ির ছাদ, চলছে ঘুড়ির সাম্যবাদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উৎসবের মুখরতা। বাড়ছে আকাশে ঘুড়ির সংখ্যাও।-বাংলানিউজ

*সাকরাইন* *উৎসব* *পৌষসংক্রান্তি*

Mahi Rudro: একটি বেশব্লগ লিখেছে


গল্পটি আমার প্রিয়, আপনার কেউ
সে-গল্প জানেন কিনা জানি না, যদিও দীর্ঘকাল
আগেই শুনেছি আমি,
শুনেছি অনেকবারপ্রকৃত প্রস্তাবে, বলা যায়,
গল্পটি পুরানো খুব, লোক মুখে প্রকাশিত, ভিন্ন ভিন্ন দেশে
ভিন্ন ভিন্ন এর রূপ, সারবস্তু অভিন্ন যদিও
.
গল্পটি রাজার বটে, তবু
সেটাই আসল কথা নয়রাজার জায়গায় অন্য
কোনো প্রভু, রে নিলে
ক্ষতি নেই, হেরফের হবে না কিছুই
গল্প বলবার কলাকৌশল আমার
অনায়ত্ত, তাই
যদি হয় ভুলচুক, যদি বাদ পড়ে যায় কোনো
গূঢ় কথা কিংবা খুঁটিনাটি,
তাহলে মিনতি করি, আমাকে মার্জনা
করবেন
.
শুনুন তাহলে বলি, একদা কোথাও কোনো দেশে-
দেশটির নাম পেটে আছে, মুখে নেই-
ছিলেন সুকান্ত এক রাজা, মস্ত বড় রাজ্যপাটে
তাঁর ছিল শান্তি মৃত পায়রার মতোরাজদণ্ড
ধরতে ছিলেন তিনি দড়, যদি কেউ
বলতো সে দণ্ড
ঈষৎ রয়েছে ঝুঁকে ডানে, তা হলেই
দ্বিধাহীন তিনি পাঠাতেন তাকে কারাগারে হাওয়া
খেতে, বিবেচনা ছিল তাঁর;
না হলে শূলেই চড়াতেন হেসে খেলেসে-দেশের
কারাগার ছিল বড়োসড়ো,
কানায় কানায় ভরা বানডাকা নদীর মতন
.
প্রজারা একান্ত বশম্বদ, বিশেষত
আমাত্য প্রবর যারা -ব্যাপারে তারা
তুলনা-রহিত আর কবিরা দাক্ষিণ্যে তাঁর, সকলেই নয়,
পুষ্ট, অতি তুষ্ট; ধনী মহিলার কোলাশ্রয়ী সুশ্রী
কুকুরের মতো ওরাকলাবিৎদের
ছলাকলা দেখে তাঁর
কাটতো সময় বেশ, দিতেন বাহবা প্রায়শই,
কখনো হতেন হেসে কুটি কুটি, যেন কৌতূহলে
দেখছেন মঞ্চে সুসজ্জিত রঙচঙে
ভাঁড়ের মিছিল
.
আবার মার্জনা চাই, গল্পটি মূল
বিষয়ের থেকে আমি এসেছি কিঞ্চিৎ দূরে সরে
আসলে সে মহারাজ দানখয়রাতে
ছিলেন উৎসাহী বড়ো, দয়ার শরীর তাঁর, দীন
দুঃখীদের কষ্টে অতিশয়
বিচলিত হয়ে নিয়মিত গণভিক্ষা
দিবস পালন রে মনোভাব কমাতেন কিছুমহারাজ
অকাতরে বিলোতন ধন
প্রজাদের মাঝে, ধনী কি নির্ধন সকলেই খুব
হন্তদন্ত হয়ে
জুটতো বিশাল দানসত্রে যথারীতিকাড়াকাড়ি
শুরু হতো প্রসাদলোভীর সে দঙ্গলে
.
একদিন
একটি বালক ছিল সেই সম্মিলনে, তার চোখে
দুপুরের রৌদ্র-ঝলসিত
নদীর পানির মতো দৃষ্টি ছিল, সমস্ত শরীরে
আরণ্যক রহস্যের স্পর্শ ছিলকেউ তাকে

আমলে আনে নি,
উটকো বালক ভেবে দিয়েছে সরিয়ে দূরে তবু
সে বালক ঘোরে আশেপাশে,
দ্যাখে জমকালো দৃশ্যাবলিকখনো-বা
বাজায় সে ভেঁপু,
নদীর ঢেউয়ের মতো আসে আর যায়,
যেনবা মজার খেলা পেয়ে গেছে ভিক্ষার উৎসবে

*উৎসব*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আলোর উৎসব দীপাবলি। হিন্দু ধর্মালম্বীরা প্রতিবছরই এই উৎসকে ঘিরে আলো আর শব্দবাজিতে মেতে উঠেন। আতশবাজি, পটকা আর ঢোলের শব্দে মুখরিত হয় চারপাশ। আনন্দের একটুকুও যেন কমতি থাকে না। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন ডেসিবলের তোয়াক্কা না করে পাড়ার পাড়ায় দেদারছে ফাটানো নানা ধরনের আতশবাজির শব্দ আপনার জন্য কতবড় ক্ষতিকর? আপনি হয়তবা জানেনই না, শব্দবাজির ছোবলে হৃদরোগ কিংবা শ্বাসনালীর সমস্যা নিয়ে প্রতিবছরই হাসপাতালে ভর্তি হন কেউ না কেউ। তাই বাজি ফাটানোর এই মরশুমে সুস্থ থাকতে বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা। মানব শরীরে শব্দবাজির কী কী প্রভাব পড়তে পারে? এ ব্যাপারে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জেনে নেই। 

কী কী ক্ষতি হতে পারে?
১. ৯০ ডেসিবেলের উপর বাজি ফাটলে  কানের ভিতরের নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। হাড়ে চিড় ধরতে পারে, এমনকি কানের পর্দা ফেটে গিয়ে মানুষ শোনার ক্ষমতাও  হারিয়ে ফেলতে পারে।

২. মাইগ্রেনের সমস্যা যাঁদের আছে, তাদের বাজির আওয়াজে মাথার প্রবল যন্ত্রণা হতে পারে।

৩. রক্তচাপ বৃদ্ধি, হৃদরোগের প্রকোপ। শব্দবাজির আওয়াজে অতিরিক্ত অ্যাড্রেনালিন  হরমোন ক্ষরণ হওয়ার ফলেই হৃদরোগের সমস্যা বাড়ে। বয়স্কদের তো বটেই,এছাড়াও যাঁদের হার্টের সমস্যা আছে, তাঁদের শব্দবাজির আওয়াজে হার্ট ফেল হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

৪. শব্দবাজিতে সালফার- ডাই- অক্সাইড, হোয়াইট ফসফরাস থাকার ফলে ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানির সমস্যা বাড়তে পারে।

৫. বারুদ থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। এমনকি বাজি পোড়ানোর সময় একটু অসতর্ক হলেই হাতের চামড়া পুড়ে যেতে পারে। এছাড়াও অসতর্কতার ফলে বোম ফেটে চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৬. এছাড়াও মাথাব্যাথা ও বমি হতে পারে।

শরীরের কোনও অংশ পুড়ে গেলে কী করবেন?
১. শরীরের কোনও অংশ পুড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গায় ঠান্ডা পানি দিন৷ যদি  আলু থেঁতো করে সেই রস পোড়া জায়গায় লাগানো যায়, তাহলে জ্বালা কিছুটা তাড়াতাড়ি কমে যাবে।

২. ডিমের সাদা অংশও খুব ভালো কাজ করে জ্বালা কমাতে৷ এতে জ্বালা, ব্যাথা দুইই কমে।

৩. সিলভার সাফলাডায়াজিন ক্রিম লাগালেও উপকার পাবেন।

৪. শরীরের কোনও ভাঁজের অংশ পুড়ে গেলে সেই অংশটা সোজা রাখার চেষ্টা করবেন। তা না হলে ভবিষ্যতে ওই জায়গাটা কুঁচকে যেতে পারে।

৫. গায়ে আগুন লাগলে সঙ্গে সঙ্গে কম্বল জড়িয়ে নিন।

চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ:
১. শিশুদের যতটা সম্ভব শব্দবাজি থেকে দূরে  রাখলে ভালো। সুরক্ষার স্বার্থে শিশুদের কানে হালকা চাপা দিলে ভালো হয়। যাতে আওয়াজ কানের পর্দাকে ক্ষতিগ্রস্থ না করতে পারে। বড়রাও একই উপায় অবলম্বন করতে পারেন।

২. বাজি পোড়ানোর সময় অবশ্যই উচিত সতর্ক এক বালতি জল ও কিছুটা  বালি সামনে রাখা। কোথাও আগুন লাগলে সঙ্গে সঙ্গে যাতে জল ঢালা বা বালি চাপা দেওয়া যায়।

৩. খালি পায়ে বাডি পোড়াবেন না৷ অবশ্যই জুতো পরে নেবেন।

৪.  অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা যেখানে সহজে মিলবে একমাত্র সেরকম জায়গায়তেই বাজি পোড়ানো উচিত।

৫. নির্দিষ্ট জায়গায় বাজি ফাটান। লোকালয় থেকে একটু দূরে গিয়ে শব্দবাজি ফাটানো উচিত।

৬. ৯০ ডেসিবেলের উপর কখনই শব্দবাজি ফাটানো উচিত নয়।

(সংকলিত)
*দীপাবলি* *উৎসব* *আলোরউৎসব* *সর্তকতা* *দেওয়ালি* *দীপাবলী* *কালীপূজা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দীপাবলি সনাতনধর্মীদের উৎসব বিশেষ। এটি দেওয়ালি, দীপান্বিতা, দীপালিকা, সুখরাত্রি, সুখসুপ্তিকা এবং যক্ষরাত্রি নামেও অভিহিত হয়। মহালয়ায় শ্রাদ্ধগ্রহণের জন্য যমলোক ছেড়ে যে পিতৃপুরুষগণ মর্ত্যে আগমন করেন বলে, তাঁদের পথ প্রদর্শনার্থে উল্কা জ্বালানো হয়। এ কারণে ঐ দিন আলোকসজ্জা ও বাজি পোড়ানো হয়। কেউ কেউ রাত্রিতে নিজগৃহে দরজা-জানালায় মোতবাতি জ্বালায়; কেউ বা লম্বা বাঁশের মাথায় কাগজের তৈরি ছোট ঘরে প্রদীপ জ্বালায়; একে আঞ্চলিক ভাষায় বলা হয় আকাশপ্রদীপ। দীপাবলি মানে আলোর উৎসব। প্রতি বছরই দুর্গাপূজার আনন্দ-উচ্ছাস মিইয়ে যাবার আগেই দীপাবলি আসে। বিজয়ার ভাসানে- পাঁচদিনের আনন্দ-বিদায়ে অবচেতনে হলেও যে বিয়োগ-বিধূর চেতনায় আবিষ্ট হয় মন সেই মন দীপাবলিকে সামনে রেখেই আবার আনন্দের স্বপ্ন দেখে।


দীপাবলি- শুধু সনাতনধর্মীদের নয়, শিখ এবং জৈন ধর্মাবলম্বীদেরও অনুষ্ঠান। আর এখন- এই অনুষ্ঠান সার্বজনীন; গ্লোভালাইজড সমাজে এখন একে আর সীমাবদ্ধ রাখা যায় না; এই অনুষ্ঠান আমার- আপনার- সবার; এদেশের- সেদেশের- ওই দেশের; এ জাতির- সে জাতির- ঐ জাতির। বাংলাদেশে দীপাবলি দিনে কালী পূজা হয়- তাই দীপাবলি আর কালী পূজা একসাথে গাঁথা। মালোয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত, নেপাল, গুয়ানা, ত্রিনিদাদ-টোব্যাগো, মারিশাস, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ফিজি এবং সুরিনামে দীপাবলি দিন, সরকারী ছুটির দিন।

বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে দীপাবলিতে কালী পূজা হয়। অন্যান্য অঞ্চলে এই দিনে গণেশ পূজা এবং লক্ষ্মী পূজাও করা হয় । সনাতনদের মাঝে কেউ কেউ দীপাবলি দিনকে বিষ্ণুদেব এবং লক্ষ্মীদেবীর বিবাহ বার্ষিকি হিসেবে পালন করেন। জৈন ধর্মের প্রবর্তক মহাবীর ৫২৭ অব্দে দীপাবলি দিনে মোক্ষ (নির্বাণ) লাভ করেন। দীপাবলি দিনে শিখ ধর্মগুরু গুরু হরগোবিন্দ জী অমৃতসরে ফিরে আসেন; সম্রাট জাহাঙ্গীরকে পরাজিত করে গোয়ালিওর দুর্গ থেকে বায়ান্ন হিন্দু রাজাকে মুক্ত করে- তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে শিখগণ পালন করেন; তারা এই দিনকে ‘বন্দী ছোড় দিবস’ও বলেন।

রামায়ন অনুসারে দীপাবলি দিনে ত্রেতা যুগে শ্রী রাম রাবণ বধ করে চৌদ্দ বছরের বনবাস শেষে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন করেন। শ্রী রামের চৌদ্দ বছর পরের প্রত্যাবর্তনে সারা রাজ্য জুড়ে প্রদীপ জ্বালানো হয়। প্রজারা খুশীতে শব্দবাজি করে। অনেকে মনে করেন দীপাবলীর আলোকসজ্জা এবং শব্দবাজি ত্রেতাযুগে রাম-রাজ্যে ঘটে যাওয়া সেই অধ্যায়কে সামনে রেখেই অন্যসব অঞ্চলে প্রচলিত হয়েছে, পরিচিত হয়েছে, বিস্তৃত হয়েছে।

দীপাবলী মূলত পাঁচদিন ব্যাপী উৎসব। দীপাবলীর আগের দিনের চতুর্দশীকে (এই দিনকে দীপাবলি উৎসবের প্রথম দিন বলা হয়) বলা হয় ‘নরকা চতুর্দশী’; এই দিনে শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁর স্ত্রী সত্যভামা নরকাসুরকে বধ করেছিলেন। চতুর্দশী পরের অমাবস্যা তিথি দীপাবলি উৎসবের দ্বিতীয় দিন, কিন্তু এই দিনই মূল হিসেবে উদযাপিত হয়। এই দিন রাতে শাক্ত ধর্মের অনুসারীগণ শক্তি দেবী কালীর পূজা করেন। তাছাড়া এই দিনে লক্ষীপূজাও করা হয়, কথিত আছে এই দিনে ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মী বরধাত্রী রূপে ভক্তের মনোকামনা পূর্ণ করেন। বিষ্ণুপুরান মতে, বিষ্ণুর বামন অবতার অসুর বলিকে পাতালে পাঠান; দীপাবলি দিনে পৃথিবীতে এসে অন্ধকার ও অজ্ঞতা বিদূরিত করতে, ভালবাসা ও জ্ঞানের শিখা প্রজ্বলিত করতে অসুর বলিকে পৃথিবীতে এসে অযুদ অযুদ প্রদীপ জ্বালানোর অনুমতি দেওয়া হয়। দীপাবলীর তৃতীয় দিন- কার্তিকা শুদ্ধ; এই দিন অসুর বলি নরক থেকে বেরিয়ে পরিশুদ্ধ হয়ে বিষ্ণুর বরে পৃথিবী শাসন করে।চতুর্থ দিন হচ্ছে ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া; একে যম দ্বিতীয়াও বলা হয়; এই দিন বোনেরা ভাইকে নিমন্তণ করে, কপালে ফোটা দেয়, হাতে রাখী বেঁধে দেয়।

প্রত্যেক সার্বজনীন আনন্দের উৎসব মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর জয়কে উদযাপন করে। আলোকসজ্জার এই দিবস অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলো জ্বালার দিন। নিজের ভেতরের বাহিরের সকল অজ্ঞতা ও তমঃকে দীপ শিখায় বিদূরিত করার দিন। প্রেম-প্রীতি-ভালবাসার চিরন্তন শিখা প্রজ্বলিত করার দিন। দেশ থেকে দেশে, অঞ্চল থেকে অঞ্চলে- এই দিনের মাহাত্ম্য ভিন্ন ভিন্ন; তবু মূল কথা এক। আর আধ্যাত্মিকতার গভীর দর্শনে এই দিন- আত্মাকে প্রজ্বলিত করে পরিশুদ্ধ করে সেই পরমব্রহ্মে লীন হওয়ার দিন। 
*দেওয়ালি* *দীপাবলী* *উৎসব* *কালীপূজা*
ছবি

রং নাম্বার: ফটো পোস্ট করেছে

আমাদের শৈশব। শৈশব মানে অপরুপ কিছু দেখলে চেয়ে থাকা।

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম

*শৈশব* *উৎসব*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা

ছবি-ফোকাস বাংলা

*দূর্গাপূজা* *উৎসব* *প্রতিমা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★