এগিয়ে আসুন

এগিয়েআসুন নিয়ে কি ভাবছো?

বিম্ববতী পোস্টটি শেয়ার করেছে ""আমি সত্যি দুঃখিত যে একই পোস্ট আবার শেয়ার করছি। আমার বাপ্পা আবার মরনাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে এ ভর্তি হয়েছেন। জরুরী ভিত্তিতে ২ ব্যাগ বি+ রক্ত প্রয়োজন। কেউ কি আছেন সাহায্য করার জন্য!! নীচের এই নম্বরে যোগাযোগ করলে কৃতজ্ঞ থাকব। ধন্যবাদ।""

দস্যু বনহুর: = জরুরি ভিত্তিতে আমার বাবা'কে বিআইএইচএস হাসপাতাল, মিরপুর এ ভর্তি করা হয়েছে। দূর্বলতা, ডা্যবেটিক, প্রেশার সব মিলিয়ে উনি বেশ অসুস্থ্য। এরই মধ্যে আজকে ডাক্তার বলছেন শিঘ্রই বাবা'র রক্ত প্রয়োজন। ৩ ব্যাগ রক্ত লাগবেই। তিনদিনে তিন ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন। রক্তের গ্রুপ B+ ! কেউ কি আছেন এমন সুহৃদ, রক্ত দিয়ে আমার বাবা'কে সাহায্য করবেন? যোগাযোগঃ ০১৯৩৭০৪৫২০৮

অনুভূতিহীন: মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে মানুষ হওয়া হলো না.আমরা ধীরে ধীরে অমানবিকতার পথে ধাবিত হচ্ছি.আমাদের মাঝে মানবিক হওয়ার চাইতে অমানবিক হবার প্রতিযোগিতাই স্পষ্ট এখন.সবার প্রতি আহ্ববান*এগিয়েআসুন* মানবিকতার পথে..*এগিয়েআসুন*সুন্দরের পথে.. *এগিয়েআসুন* ভালোবাসার পথে...

নিরাপদ নিউজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুগ যুগ ধরে বাবা, দাদা ও আমরা যে কবিতা গুলো পড়ে এসেছি তার মধ্যে, কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তালগাছ কবিতা অন্যতম। যার চরন গুলো ছিলো এমন যে–


তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে সব গাছ ছাড়িয়ে উঁকি মারে আকাশে,
মনে সাধ কালো মেঘ ফুঁড়ে যায় একে বারে উড়ে যায় কোথা পাবে পাখা সে।

আজ কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই তাল গাছ বিলিনের পথে। আকাশে উঁকি মারার ক্ষমতা হারিয়ে কিছু তাল গাছ এখনও এক পায়ে দাঁড়িয়ে। আকাশে উঁকি মারার আর কোন ক্ষমতা নেই।

এর পিছনে কারন শুধু একটাই তা হলো বিদেশী কিছু গাছ। ইউক্যালিপটাস ও লম্বু নামের গাছ বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য। আমার আপনার সবার জানা উচিত ইউক্যালিপটাস গাছ অন্যান্য গাছের চেয়ে শত গুন বেশি পানি শোষন করে। যা ভুমি হতে পানির স্তরকে অনেক নিচে নামিয়ে দিতে সক্ষম। কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী এই রাক্ষসী ইউক্যালিপটাস গাছ ২৪ ঘন্টায় ৯০ লিটার পানি শোষন করে।

মাটিকে নিরস ও শুস্ক করে ফেলে। এই গাছ মানুষের মতই অক্সিজেন গ্রহন করে। ফলে অক্সিজেনের ঘাটতিতেও এই গাছ বিশেষ ভাবে দায়ী। বিভিন্ন অনলাইন তথ্য মাধ্যম তালাশ করে দেখা যায়, যে বাড়ীতে অধিক পরিমান ইউক্যালিপটাস গাছ রয়েছে সে বাড়ীতে শিশু ও বয়োষ্কদের শ্বাষ কষ্ট হতে পারে।

সরকারী ভাবে একাধিকবার ইউক্যালিপটাস গাছ রোপনে নিরুৎসাহিত করার পরেও, অল্প দিনে বেশি আয়ের নেশায় এ গাছের রোপন আজও বন্ধ হয়নি।

“জ্ঞানীর জন্য সংকেতই যথেষ্ট” এই প্রবাদকে সামনে রেখে আমি কারিমুল হাসান লিখন অন্তত এটুকু বলতেই পারি যে, যারা এই ক্ষতি কারক গাছ নিজের স্বার্থে রোপন করে তারা মাতৃভূমীকে নষ্ট করে। যে তালগাছ আকাশ ছুঁয়ে থাকার কথা আজ সেই তালগাছকে পদতলে পৃষ্ট করে স্বাধীন ফলজ বৃক্ষের বুকে তরতরিয়ে আকাশ ছোঁয়ার পানে আজ বিদেশী গাছ “ইউক্যালিপটাস”।

আহাঃ। আমার সোনার বাংলাদেশের মানুষদের সরকারী নিষেধাজ্ঞা মানতে যদি অসুবিধাই হয়, তাহলে আসুন না কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তাল গাছকে সামনে রেখে বিদেশী ইউক্যালিপটাস গাছকে ত্যাগ করি।

আসুন আমরা প্রত্যেক বাড়ীতে একটি করে ফলজ, বোনজ ও ঔষধী গাছের পাশাপাশি একটি করে তাল গাছ রোপন করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করি। আমরা আবার ফিরিয়ে আনতে পারি কি সেই তালগাছ?? আসুন না! আমি আপনি আমরা সবাই মিলে একবার চেষ্টা করি?
লেখক-
সাংবাদিক, কারিমুল হাসান লিখন
সরুগ্রাম, ধুনট, বগুড়া।

*যান্ত্রিকজীবন* *আড্ডা* *বৃক্ষরোপন* *পরিবেশ* *স্মৃতি* *এগিয়েআসুন*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

আমরা একটু চাইতে চাই, আমাদের চাওয়া মিলে চেষ্টা করলে মাতৃভূমির দরিদ্র মানুষ গুলো শীতের প্রকোপ থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পাবে

(প্লিইইজ)ওদের হক আদায় করুন আর আপনার দ্বায়িত্ব পালন করুন(খুকখুকহাসি) পারস্পারিক সহযোগীতার মাধ্যমে কিছু মানুষ উষ্ণতা পেতে পারে (খুকখুকহাসি) (এদিকেআসো) শামিল হই উষ্ণতা দিতে, শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী আপনার আমার সহায়তা ছাড়া সম্ভব (না) তাই আবারো বলছি প্লিজ এগিয়ে আসুন, কন্ট্রিবিউট করুন(মিশনেআছি)

*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

সময়ত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে....

শীত কড়া নেড়ে ফেলেছে আপনি কন্ট্রিবিউট করেছেনত?(প্লিইইজ)

*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*

★ছায়াবতী★: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

স্বার্থ ভুলে অন্যের কষ্ট কে নিজের কষ্ট ভেবে নিপীড়িত মানুষ এর পাশে গিয়ে তাদেরকে সাহায্য করতে পারার নাম ও মানবতা
মানুষ কে মানবতার দৃষ্টি দিয়ে দেখতে পারা, ভালবাসতে , সম্মান করতে , সুখে দুঃখে সাহায্য করতে, সততার সাথে নিরপেক্ষ ভাবে ন্যায় ও কে প্রতিহতকরা- মানবতা কে জাগিয়ে তুলে।মানবতাবোধ,এর আরেক টা রুপ ই হলো স্বেচ্ছাসেবক হওয়া।সেই মানবতার প্রেক্ষিতেই এবার আমরা একটু চাইতে চাই, আমাদের চাওয়া মিলে চেষ্টা করলে মাতৃভূমির দরিদ্র মানুষ গুলো শীতের প্রকোপ থেকে কিছুটা
পরিত্রাণ পাবে, আমাদের সাহায্য পাঠানোর বিস্তারিত --বিকাশ নম্বর: ০১৯১২৫৬২০৭২ (পার্সোনাল) বিকাশ নম্বর: ০১৮২০৫৮২৬৩৬ (পার্সোনাল) ডাচ বাংলা মোবাইল একাউন্ট ০১৬৭৪৫৬৫৮৯৮০ ব্যাংক এ্যাকাউন্ট- Name of the Account: MD. YASEEN KHAN Account No: 105 -101 -70249 Dutch-Bangla Bank Ltd Foreign Exchange Br. Motijheel, Dhaka. হটলাইন নম্বর-০১৯১২৫৬২০৭২
*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 সাহায্য নয় দায়িত্ব পালুন করুন
একটি পথশিশু, শুয়ে আছে ফুটপাথে।
ছেলেটি রাস্তার পাশে হাজারো কোলাহলের
মাঝেই দিব্যি ঘুম দিচ্ছে। মাথার নিচে বালিশের কাজ করছে নিজের ছোট্ট হাতটি। আমি তো টানা ৫ মিনিট  হাতের ওপর মাথা রেখে শুতে গেলেই হাত
ব্যাথা করে,ঝিরঝির করে। ও কিভাবে পারে?

এইসব না খেয়ে না পড়ে থাকা পথশিশুগুলি দিনে-রাতে আমাদের সামনে এসে যখন হাত পেতে দাঁড়ায়, কিংবা জামা-কাপড় ধরে টানাটানি করে,ওদেরও নিশ্চয়ই ভালো লাগে না। ভালো লাগে না ওদের ফিরিয়ে দিতেও। কিন্তু, বাস্তবতা হল, এরাই একদিন
খিদের জ্বালা সইতে না পেরে একসময় সমাজের বোঝা থেকে শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। এদের এই পরিণতির জন্য আমরা নিজেরাও দায়ী।

কেননা...
আমরা ওদের মানুষ করতে পারিনি।
শীতের আগমনী বার্তা চলে এসেছে, কিন্তু আমরা কি কিছু করেছি তাদের জন্য? আমাদের কি কোনই দায়বদ্ধতা নেই? ওরা ত আমরাই আজকে ওর জায়গায় আমি নিজেও থাকতে পারতাম। শীতের কনকনে কষ্টে যখন রুম হিটারে বসে থাকেন তখন তারা এক টুকরা কাপড়ের অভাবে শীতের সাথে যুদ্ধে রত থাকে। আসুননা এবার একটা চাদর/জ্যাকেট/বাহারি কোরট না কম কিনে ওদের কে গিফট করি। বেশতো তে কত্ত ইউজার সবাই যদি একটু করেও সাহায্য করেন তাহলে অনেক শিশুর একটি শীত একটু ভাল কাটবে।

 আপনাদের নিজেরদের দায়িত্ব ওদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেবার। আর বেশি সময় নেই নিজের বিবেক টাকে একটু জাগ্রত করুন। যে যেভাবেই পারবেন কাপড় বা আর্থিকভভাবে সহায়তা করুন। মানুষ কে খুশি করার মত এহেন করম / তৃপ্তি ইহজগতে নেই। আসুন আমরা বেশতো পরিবার এক প্ল্যাটফর্ম থেকে সুবিধা বঞ্চিতদের একটু সুবিধা দেই। মনে রাখবেন ওরাই আমরা। 

মনে রাখবেন একদিন বার্গার না খেলে একদিন মোবাইল রিচার্জ না করলে একদিন বিলাসিতা কম করলে একদম মানুষ সানন্দ্যে থাকতে পারবে।  আমাদের দেশ,আমাদের শিশু আগামির ভবিষ্যৎ,  এদের দেখভাল করার দায়িত্ব আপনার উপরেও বর্তায়। আপনারা  উপরের নিয়মে সাহায্য করতে পারেন। 
সাহায্য নয় দায়িত্ব পালুন করুন
*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*

মারগুব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

--অনেকেই জানেন যে সময় সময় বাংলাদেশের এক ফেইসবুক ব্যক্তিত্য আরিফ হোসেন দেশের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে বলেন - এই ভ্যালেন্টাইন্স ডে এর জন্য তার সেইরকম একটি আবেদন আমিও তার সাথে সাথে সবাইকে করছি--


মাসুদ পপকর্ণ বিক্রি করতো

গত মঙ্গলবার সে যে বাসে যাচ্ছিল সেই বাসে পেট্রোল ছুড়ে মারা হয়

সাথে সাথে তার শরীরের ৮০% অংশ পুড়ে যায়

তার মুখ তো পুড়ে কালো হয়ে গেছেই, সাথে তার পুরো ফ্যামিলির ভবিষ্যৎও কালো হয়ে গেছে

তার ছোট ২ টা ভাই আছে; হারুন আর চুন্নু

মাসুদ তার আয় দিয়ে তাদের মাদ্রাসায় পড়াতো...

তারা হয়তো খুশিতে নড়তে নড়তে ‘আলিফ বা তা সা’ শিখতো

রাস্তায় পপকর্ণ বিক্রি করে সে রাতে বাসায় ফেরার সময় যে তার ভাইদের জন্য ঠোঙ্গায় করে পপকর্ণ নিয়ে আসতো, তা কিন্তু না

নিয়ে আসতো চাল

পপকর্ণ খেয়ে সংসার চললে তো হতোই

বিয়ের বয়স হয়ে যাবার পরেও মাসুদ বিয়ে করেনি

৩ ভাই রাতে ১ খাটে ঘুমাতো ... রাতেও ঘুমাতে যাবার সময় এরকম একটা বড় ভাই পাওয়ার খুশিতে, ফাযিল দুটো খুশিতে নড়তো নাকি জানি না... এই ব্যাপারে কোনও তথ্য নাই

পিচ্চি দুটা এখন হাসপাতালে, বার্ন ইউনিটের বারান্দায় হাঁটাহাঁটি করছে

মানুষ আসছে ... টিভি চ্যানেলস আসছে ... ছবি তুলছে ... চলে যাচ্ছে

হয়তো কালকে আমিও ভুলে যাব... আপনিও ভুলে যাবেন

ভুলবে না মাসুদের সেই ২ ভাই

আবার তারা কিছু বলবেও না

তাদের অবস্থাটাই এমন... না পারবে বলতে খিদা লাগসে... না পারবে কারও কাছে হাত পাততে

বিশ্বাস করেন কেউ যদি সেখানে যেয়ে পিচ্চি ২টা কে শুধু খালি হাতেই জিজ্ঞেস করে যে, “কিছু খেয়েছিস?”

তারা লজ্জায় দৌড় দিবে

... আমাদের যেমন মাসুদের থেকে খারাপ লাগছে তার ২ ভাইয়ের জন্য

আমি শিওর মাসুদের কাছেও তার এই ভাইদের জন্য খারাপ লাগছে

দুদিন পরে ‘ভালবাসা দিবস’

আমি বলছি না আপনার যে প্ল্যান আছে সেদিন সেটা ক্যান্সেল করে দেন

আমি শুধু চাচ্ছি সেদিন ঢাকা ইউনিভার্সটিতে আকাশী রঙের টিশার্ট পরা কিছু ছেলে মেয়ে দেখতে পাবেন ... তাদের হাতে লাল গোলাপ থাকবে বিক্রির জন্য

যদি সেদিন আপনার গোলাপ কিনতেই হয়, প্লিজ এদের কাছ থেকে কিনবেন

স্বপ্ন নামের একটা সংগঠনের ছেলে মেয়ে এরা ... অনেক বেহুদা স্বপ্ন তাদের... দেশটা ঝাটকা দিয়ে পরিবর্তন করে ফেলতে চাচ্ছে

কিন্তু ১ পা আগাচ্ছে... ২০ পা পিছাচ্ছে

তার পরেও তারা ঝাঁকে ঝাঁকে সেদিন ঢাকা ইউনিভার্সিটি থাকবে

যারা ভাবছেন; ‘এতো ভিড়ের মধ্যে আকাশী রঙের টিশার্ট না পরে, যে কোনও ব্রাইট কালারের টিশার্ট পরলে তো তাদের খুঁজে পাওয়া সহজ হতো’ ... তারা সম্ভবত আকাশটাকে ভাল করে দেখেনি

এই “স্বপ্ন” জিনিসটা কিন্তু এরকমই হতে হয়; রঙটা ব্যাপার না... বিশালত্বটাই তাকে আলাদা করে

তাদের ক্যাল্কুলেশান সিম্পল.. পাইকারি দরে তারা সাভার থেকে গোলাপফুল কিনে নিয়ে এসে সেদিন তারা ২০/৩০/৫০ যে যাই দেয়, সেই টাকায় তা তারা বিক্রি করবে

যে টাকা উঠবে, সেই টাকা দিয়ে তারা মাসুদকে এমন কিছু একটা হয়তো করে দিবে যাতে সে সারা জীবন বসে বসে কিছু একটা করে সংসার চালাতে পারে...

তা হতে পারে তাকে একটা মুদির দোকান করে দেয়া... বা, হতে পারে তার বোনকে ১ টা গাভী কিনে দেয়া... বা সেলাই মেশিন কিনে দেয়া

এখন পর্যন্ত খুঁজে আমরা ১১ টা মাসুদকে পেয়েছি; যাদের শুয়ে পরায়, পুরো ফ্যামিলি বসে পড়েছে

আপনার একটা স্টেপ যদি একজন মাসুদেরও কালো হয়ে যাওয়া মুখে হাসি ফুঁটাতে পারে, সেটাই বা কম কি?

তবে হ্যাঁ... ভালবাসা দিবসে একদিন শুধু ভালবাসা দেখাবো আর ৩৬৪ দিন চুপ থাকবো.. এটাও আমি বলছি না

তবে শুধু বলছি, let Bangladesh be our valentine this time

... শুরুটা হোক, আপনি থেমে থাকতে পারবেন না নিশ্চিত

সুত্র: https://www.facebook.com/arifRhossain.TheVoices/posts/10153121516115844

*এগিয়েআসুন* *মানুষেরজন্য*

নিপু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নভেম্বরের ৩ তারিখ রনি ভাইয়ের বেশব্লগ "শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান" পড়ে বেশ ভালো লাগলো, নিজেকে বললাম আমিও এই উদ্যোগের অংশ হবো ! কিন্তু কাজের চাপে প্রথম মিটিংটা মিস করলাম... 
নিজের অফিসের কিছু কলিগদের কাছে বললাম আমাদের এই উদ্যোগের বিষয়ে সবাই তাদের মত করে হেল্প করলো.... এর পর বিস্তারিত আমি জানতে পারলাম অপু ভাই, সালাম ভাই এর পোস্ট থেকে 
এর পরের ধাপে আমরা রাজশাহীতে বিতরণের  জন্য কম্বল, কান টুপি আর মাফলার কিনি- আমি সঙ্গী ছিলাম- অপু ভাই, সালাম ভাই, মুকতাদির ভাইএর- 
বেশ মজা করতে করতে অনেক "খোঁজ দ্যা সার্চ" এবং মুলামুলি করার পর আমরা সব কিছু কিনতে সফল হই। সেই রাতেই কম্বল গুলো পাঠিয়ে দেয়া হয় রাজশাহী...
প্রথমবার নতুন একটা  জায়গায় যাবো ভেতরে বেশ উত্তেজনা কাজ করছিলো, অপু ভাই আমাদের সবার জন্য ট্রেনের টিকেটের ব্যবস্থা করেন...
 যাই হোক অপেক্ষার পালা শেষ হয়- ৪ ডিসেম্বর রাত ১১ টায় আমরা সবাই রাজশাহী গামী ধূমকেতু ট্রেনে উঠে পরি ।
ট্রেনে উঠার পর থেকে শুরু হয় ভিন্ন ভাবে খুনসুটি আর মজা । 
ভোঁর ৫.৪৫ এর দিকে আমরা রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনে পোঁছাই এবং হোটেল "ডালাসে" উঠি, রুমে কিছু ক্ষণ রেস্ট নেবার পর নাস্তা সেরে নেই " বিন্দুর " হোটেলে...
এর পর আমরা যাত্রা শুরু করি, গন্তব্য জগপুর ( গোদাগাড়ী ) আমরা নতুন ৪  জন সঙ্গী পাই এখানে, যারা আমাদের যাত্রাপথ মসৃণ করে রেখেছিলেন- রিঙ্কু, সাদিয়া আপু এবং উনার দুই ছোট ভাই ।
আমরা গ্রামে পৌছাই দুপুর ১২ টার দিকে... যা দেখতে পাই, বহু বয়স্ক মানুষ অপেক্ষা করছিলেন আমাদের আগমনের, বিতরণের প্রথম পর্ব থামাতে হয়, নামাজের বিরতির কারনে। 
জম্পেশ দুপুরের খাবারের পর আমরা এবং স্থানীয় ভলেন্টিয়াররা ঝাঁপিয়ে পরি বিতরন কার্যক্রমে, বয়স্কদের জন্য কম্বল আর মাফলার, 
বাচ্চাদের জন্য কানটুপি । বিতরন শেষে আমরা রওনা দেই আধাকাচা আর আধাপাকা রাস্তা ধরে চারপাশের সরিষার ক্ষেত আর সবুজ তার সাথে সালাম ভাইয়ের গান এবং শীতের কাঁপুনি । 
সাদিয়া আপু এবং স্থানীয়দের দক্ষতায় আমরা রাজশাহীর বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করতে পারি ।

এই পুরো কার্যক্রমে আমাদের সাথে অদৃশ্য ভাবে ছিলেন মারগুব ভাই, কখনো ফোনে কখনো অন্যকোন ভাবে সবার মনবল বাড়িয়ে দিয়েছেন উনি ! 
আলদা করে বলতে চাই রিঙ্কুর কথাও,  ও চুপচাপ কাজ করে গেছে সবার পাশে ! 
কেমন ছিলো- জগপুর ( গোদাগাড়ী )? আমি যখন ভাবতে বসি, অধিকাংশ ঘড় মাটির,  চাষাবাস ছাড়া মনে হয় না আর কোন ইনকাম সোর্স আছে গ্রামে বসবাস কারীদের ! মাটির ওই ঘড়ের শীতের তীব্রতা আমার নিজের কল্পনার
বাইরে, কম্বল আর গরম কাপড় পাবার পর কিছু বৃদ্ধ মানুষের চোখের ভাষা আর মুখের অভিব্যক্তি ছুঁয়ে গেছে আমাদের মন !
হুম ! আপনি সেই মানুষ... জী আপনার জন্যেই আমরা পেরেছি, এই মানুষ গুলোর জন্য রাতের উষ্ণতা তাদের হাতে তুলে দিতে, আমরা সবাই মিলে ছুঁয়ে দিতে চাই আরও এমন মানুষদের যারা একটু উষ্ণতার জন্য রাতের ঘুম,  
দিনের স্বাভাবিক কাজ করতে পারেন না। আশা করি আজ রাত থেকে সেই মানুষগুলোর তৃপ্তির নিঃশ্বাস আপনাকে স্পর্শ করবে, যদি আপনি একটু ভাবেন !
*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*
ছবি

মারগুব ফটোটি শেয়ার করেছে
"*শীতার্তদের-জন্য* আমরা ৩০ তারিখ পর্যন্ত টাকা ও গরম কাপড় সংগ্রহ করব | আর আছে মাত্র দুই দিন - *এগিয়েআসুন* (খুকখুকহাসি)"

ছবি

রোমেল বড়ুয়া: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

শীতার্তদের জন্য আমরা (খুকখুকহাসি)

যে যেভাবেই পারুন সাহায্য করুন। (খুকখুকহাসি) বিস্তারিত- http://beshto.com/contentid/473248

*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*

মারগুব: https://www.facebook.com/video.php?v=10152304579387254 মানুষকে সাহায্য আমরা কেন করি? তাদের মুখে একটু হাসি দেখার জন্য, আর কোনো কারণ নেই (খুকখুকহাসি) তবে হ্যা, এক গোত্রের মানুষ করে দেখানোর জন্য - তাদের একটা নামও আছে - বেহায়া বা রাজনীতিবিদ (চিন্তাকরি)

*মানুষের-জন্য* *এগিয়েআসুন*

শাকিল আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘরে ডুকতেই চোখ গেল অসুস্থ্য পোয়াতি বউটার দিকে। বহু দিনের পুরোনো সেই ছেঁড়া কাঁথা গায়ে দিয়ে কেমন গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছে মাটিতে পাতা মাদুরের বিছানার এক কোণে। দিন দিন যেন আরো কাহিল হয়ে পরছে বউটা। কি করারই বা আছে তার? প্রথম বার পোয়াতী হয়েছে, কোথায় তার একটু যত্ন আত্তি নেয়া দরকার বরং শয্যাশায়ী শশুরের খেদমত আর সংসারের দিনকার খাটাখাটুনিতেই ব্যস্ত থাকতে হয়। মাঝে মাঝে আবার উত্তর পাড়ার সিদ্দিক আলীর বৌ ডাকলে সেখানে গিয়েও হাত লাগিয়ে আসতে হয়, টানাটানির সংসার বলে কথা। কিন্তু এই অসুস্থ্য অবস্থায় রহিমুদ্দির কড়া বারণ থাকায় মাস দুয়েক ধরে সেখানেও যায় না জুলেখা।

ঘরের এক কোণে গোটাকয়েক হাড়ি পাতিল রাখা আছে। তার পাশেই পানির কলসি। বাপ দাদার রেখে যাওয়া এই ভিটেবাড়িতে আর তেমন কিছুই নেই। সেখানে বসেই খেয়ে নিল রহিমুদ্দি। খাওয়া শেষে কুপির বাতিটা নিভিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই সাড়া দিনের হাড় ভাঙ্গা খাটুনিতে ক্লান্ত চোখ দুটো বুজে আসে।

ভোর হতেই কনকনে শীতের মাঝে পুরনো সেই ছেড়া জামাটা গায়ে চড়িয়েই বেরিয়ে পরে সে। মহাজনের কাছে থেকে কিছু টাকা কর্জ চাইবে ভাবছে, হাতটা একেবারে খালি। ঘরে পোয়াতি বউ, কখন কি হয়ে যায় বলা যায় না। যদিও গত মাসে বাপের অসুখের সময় মহাজনের কাছ থেকে কিছু টাকা কর্জ নিয়েছিল, সেটাও এখনো পুরো শোধ দেয় নি। তাই কাজ করে মহাজনকে খুশি করতে চাইছে সে। 

বেলা শেষে হাটের দিকে পা বাড়াল রহিমুদ্দি, সকালে বের হবার সময় জুলেখা বারবার বলে দিয়েছে ঘরে বাজার সদায় কিছু নাই। হাটে ঢুকতেই জটলা চোখে পড়ল তার। উত্তর পাড়ার সিদ্দিক নাকি দেশে ফিরেছে। কাল ছেলের জন্মদিনে গ্রামের মান্যগণ্য সকলকে নেমন্তন্ন করেছে। এজন্যে গঞ্জ থেকে বেশ বড়সড় একটা গরুও কিনেছে আজ। এ নিয়েই হাটের সবাই বলাবলি করছে।

হাট থেকে বের হতে হতে অন্ধকার নেমে এলো। শীতটা যেন একেবারে জেঁকে বসছে তাকে, কোন গরম কাপড়ও নেই যে গায়ে দেবে। উত্তর পাড়ার কাছাকাছি আসতেই চোখে পড়ল সিদ্দিক আলীর বাড়ির উঠোনে বাতি জ্বলছে। গঞ্জ থেকে কেনা গরুটা উঠোনেই বাঁধা আছে। শীত থেকে বাঁচাতে চটের নতুন ছালা দেয়া হয়েছে পিঠে। একবার মনে করল যাবে ওদিকটায়, বলে কয়ে যদি কিছু পুরনো কাপড়ের ব্যবস্থা করা যায়। পরক্ষনেই ভাবতে থাকে, হাটে যাবার কারনে আজ এমনিতেই বেশ দেরী করে ফেলেছে সে। তাই তাড়াতাড়ি বাড়ির দিকেই পা বাড়াল সে।

ঘরের কাছে আসতেই গোঙানির আওয়াজ কানে এলো। দৌরে ঘরে ঢুকল সে। প্রশব ব্যথ্যায় রিতিমত কাতরাচ্ছে বউটা। ছুটে বেড়িয়ে গেল পাশের বাড়ির চাচীকে ডেকে আনতে। 

রাত তখন বেশ গভীর হয়ে গেছে, দুয়ারের বাইরে মাদুর পেতে বাপকে শুইয়ে তার পাশে বসেই অপেক্ষা করছে রহিমুদ্দি। এমনিতেই অসুস্থ্য শরীর উপরন্তু শীতে আর ঠান্ডা বাতাসের প্রকোপে একেবারে জমেই যাচ্ছে রহিমুদ্দির বাপ। হঠাত নবজাতকের কান্নার ধ্বনি কানে আসে। ঝাঁপ ঠেলে বেরিয়ে আসে চাচী। রহিমুদ্দি মেয়ের বাপ হয়েছে। ঘরে ঢুকেই দেখতে পেল মেয়ের ছোট্ট দেহটিকে কোনোমতে ছেড়া কাপড়ের টুকরো দিয়ে ঢেকে, নিজের বুকের কাছে নিয়ে শরীরের উত্তাপ দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছে জুলেখা। 

সদ্য বাপ হওয়া রহিমুদ্দির চিন্তায় সারারাত আর ঘুম আসে না। তাকে যে কিছু একটা ব্যবস্থা করতেই হবে।  (বাকিটুকু শেষ অংশে...  http://beshto.com/contentid/473246
 )
*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *আমারব্লগ*

শাকিল আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাইরে আলো হয়ে আসলেই বেরিয়ে পরে সে। তাকে যে মহাজনের মন গলাতেই হবে। দিন শেষে বেশ আশা নিয়ে মহাজনের কাছে যায় রহিমুদ্দি। কিন্তু আগের ধার করা টাকা এখনো পুরো শোধ না হওয়ায়, মহাজন নতুন করে কর্জ দিবে না বলে ঠায় জানিয়ে দেয়। রহিমুদ্দির কোনো আকুতি মিনতিতেই কর্ণপাত করে না। আর কোনো উপায়ান্ত না পেয়ে পাগলের মত ছুটে চলে সে। 

বেশ হইহুল্লড় হচ্ছে সিদ্দিক আলীর বাড়িতে। সব মান্যগণ্য লোক আসছে একে একে, সে এক এলাহি কান্ড! রহিমুদ্দি হতদরিদ্র দিন মুজুর, ছোটলোক; তাই সামনে এগোতে সাহসে কুলোয় না তার। উঠোনের কোণে দাঁড়িয়েই সিদ্দিক আলীর বউকে খুঁজতে থাকে। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো আশার আলো না দেখে কাছে এগোতেই সিদ্দিক আলীর সাথে দেখা হয়। বিস্তারিত বলতেই সিদ্দিক আলী জানালো, তার বউ বাচ্চাকে নিয়ে অতিথিদের আপ্যায়নে ঘরে ব্যস্ত। এখন দেখা হবে না, পরে একসময় আসতে।

আশাহত হয়ে মাথা নিচু করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে থাকে রহিমুদ্দি। উঠোনের শেষ প্রান্তে আসতেই ফেলে দেয়া চটের ছালাটা চোখে পরে তার। কাছে গিয়ে তুলে নেয় সেটা। বেশ স্যাতস্যাতে হয়ে আছে, গরুর গায়ে থাকার কারনে উৎকট দুর্গন্ধও আসছে। কিন্তু নিরুপায় পিতার আর যে কোন গতি নেই। 

জুলেখা ছালাটা মাদুরের উপরে বিছিয়ে আবার শুইয়ে দিল মেয়েকে। সাঁঝের পর থেকেই কেমন যেন শব্দ করে ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছে, বুকের দুধও খাচ্ছে না। রহিমুদ্দি কিছু খাবে না বলে, চুপচাপ শুয়ে পড়ল মাদুরের এক পাশে। কিন্তু মেয়ের দুশ্চিন্তায় জুলেখার চোখে ঘুম নেই। শেষ রাতে মেয়েটাকে আরেকবার খাওয়ানোর বৃথা চেষ্টা করে, বুকের কাছে নিয়েই শুয়ে আছে সে।

ফজরের আযান পরতেই জুলেখার ঘুম ভেঙ্গে গেল। কখন যে চোখ দুটো লেগে এসেছে টেরই পায়নি সে। মেয়ের দিকে চোখ পরতেই জুলেখার বুকটা ধুক করে উঠল। কেমন যেন চুপচাপ নিস্তেজ হয়ে শুয়ে আছে, কোন সাড়াশব্দ পাচ্ছে না। জুলেখা দ্বিকবেদ্বিক শুন্য হয়ে স্বামীকে ডেকে তুলে। ঠান্ডায় নিথর হয়ে যাওয়া শরীরটাতে হাত দিতেই কিছু বুঝার আর বাকি রইল না রহিমুদ্দির। 

জুলেখা মেয়েকে বুকে জড়িয়ে চিৎকার করে কেদেঁ উঠল। মাথায় দু-হাত দিয়ে বসে অস্ফুস্ট স্বরে প্রলাপ বকে চলেছে আর দুচোখ বেয়ে অবিরত জল গড়িয়ে পরছে আমার গল্পের নায়ক রহিমুদ্দির; না না ওকে নায়ক বলা চলে না, সে যে খুনি...!

নবজাতকের এই নিদারুণ কষ্ট হয়ত উপরওয়ালার সহ্য হয়নি, তাই নিজের কাছেই নিয়ে গেছে... আমরা সৃষ্টির সেরা জীব বলেই হয়তো আমাদের সহ্য হয়... সয়ে যায়। নতুবা একই ভুখন্ডে দুই মেরুতে বিভক্ত কেন আমরা?? 



এমন হাজারো নাম না জানা ভাগ্যাহত রহিমুদ্দি আর জুলেখার পরিবার আমাদের সমাজে অভাব হবে না। আর মাত্র দুটি দিন বাকি, চলুন এগিয়ে আসি এসব হতদরিদ্র শীতার্তদের পাশে। যে যার জায়গা থেকে সাধ্যমত চেষ্টা করি। 

Name of the Account: MD. YASEEN KHAN
Account No: 105-101-70249
Dutch-Bangla Bank Ltd
Foreign Exchange Branch
Motijheel, Dhaka

Bkash No: 01820582636

যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগঃ ০১৮২০৫৮২৬৩৬ । 

*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *আমারব্লগ*
ছবি

যারিন তাসনিম ফটোটি শেয়ার করেছে

ছবি

বাংলার বেদুঈন: ফটো পোস্ট করেছে

বাংলার বেদুঈন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

                         প্রতি বছর হাওয়া বিবি আমায় হিমালয় থেকে তাড়িয়ে নিয়ে আসে, আমি ঝাকিয়ে বসি তোমাদের উপর। না উচ্চ বিত্তদের ঘরে আমার ঠাই নেই। প্রযুক্তির নানা আয়োজনে তারা আমাকে তাদের কাছেই ঘেষতে দেয় না। তাই আমি ঝাকিয়ে বসি ওই রাস্তার ধারে শুয়ে থাকা মানুষগুলোর উপরে। প্রকৃতির শৃঙ্খল ভাঙ্গে যে মানুষেরা তাদের কষ্ট দিতে নয় বরং আমাদের নিয়ম রক্ষার তাগিদে আমরা আসি যুগ যুগ ধরে তোমার কাছে।
              উচ্চবিত্তদের ঘরে আমার ঠাই যেহেতু নাই তাই আমাকে ছুটে যেতে হয় অসহায় মানুষের দিকে। আমি না এলে তোমারা হয়তো ভুলে যেতে যে শীত নামের কোন ঋতু আছে, তাই আমি আসি প্রতি বছর ফিরে আসি। যেদিক আমি প্রচণ্ডভাবে আসি সেদিন কষ্ট হয় ওই সব পথের মানুষের যাদের সম্বল বলতে একটু পুঁটলি। আমার হিমে তারা সারারাত কাঁপতে থাকে আর সূর্যের অপেক্ষা করে, সেই কখন সকাল হবে, কখন রবি তার প্রখর তাপ নিয়ে ওদের পাশে দাঁড়াবে, আমিও এই নিরীহ মানুষের চাই ওদের অপেক্ষার  পালা যেন যত দ্রুত শেষ। অনেক সময় আমি নিরুপায় হিমালয় কন্যা লু হাওয়া পাঠিয়ে আমাকে হুকুম করে, আমি যেন সমস্ত কিছু জমিয়ে ফেলি বরফের মত ?? আমি শুধু হুকুমের চাকর, আমার খুব কষ্ট হয় কিন্তু নিরুপায়। সেদিন যখন ভিখারি মেয়েটার বাচ্চাটা আমার প্রবল হিমে ঠাণ্ডায় জমে মরে গেল, মেয়েটি অনেকদিন ধরে কেঁদেছিল । আমি দেখছি মেয়েটি প্রতি রাতে মনের ভুলে, ঘুমের ঘোরে হাত দিয়ে বাচ্চাটাকে খুঁজত !! আমি প্রকৃতির একটি উপলক্ষ মাত্র আমার চোখে শিশির কণা রয়েছে আমি শুধু তাই ঝরাতে জানি, তোমাদের মত কাঁদতে পারি না। যদি পারতাম তবে চিৎকার করে বলতাম হে মানুষ, সামর্থ্যবান মানুষ তোমরা তোমাদের প্রজাতিকে বাঁচিয়ে রাখ, তোমাদের সামান্য সাহায্য অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারে, তোমাদের একটু সহানুভূতি ওদের শীতহীন রাত উপহার দিতে পারে। হে মানব জাতি তোমাদের মাঝে থেকেই তো কেউ বলেছেন " সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপর সত্য নাই "। হে মানুষের বিবেক তোমার একটুখানি ছাড় একটি দান ফিরিয়ে দিতে পারে কিছু মানুষের রাতের আরাম। পবিত্র কোরআনে সুরা আর রহমান এর ৬০ আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন " ভাল কাজের প্রতিদান ভাল ছাড়া আর কি হতে পারে "
তোমার এই আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। তুমি একদিন সব ফেরত পাবে, খুব ভালভাবেই ফেরত পাবে।
এগিয়ে এসো হে মানব সম্প্রদায় তোমার ভাইয়ের দুঃখে তোমারই এগিয়ে আসবে।আমি প্রকৃতির একটি খেয়াল মাত্র আমার আবেগ নেই, হাসি নেই, কান্না নেই কিন্তু তোমরা তো সৃষ্টির সেরা জীব তোমরা কেন মানব সেবায় পিছিয়ে থাকবে ? তোমাদের একটু সহযোগিতার হাত আমাকে কিছুদিনের তরে অসহায় মানুষের কাছে থেকে দূরে সইয়ে রাখতে পারে।তোমরা তোমাদের অসহায় ভাইদের জন্য এই ত্যাগটুকু করবে না ?

*শীতবস্ত্র* *এগিয়েআসুন* *শীতার্তদের-জন্য*

শাকিল আহমেদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"এই উদ্যোগে আপনাকেই আমাদের পাশে চাই... সেটা যত সামান্যই হোক না কেন। "

জ্বী আপনাকেই বলছি...

ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন আমরা বেশতো পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে এবার শীতে দুস্থ মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের এই উদ্যোগে আপনাকে আমাদের পাশে চাই। আমাদের একটু সদিচ্ছা পারে অনেক গুলো মুখে হাসি ফোটাতে, দিতে পারে উষ্ণতার ছোঁয়া।
আমাদেরকে আপনি নিজে গরম কাপড় কিনে দিতে পারেন অথবা আমাদের সাথে গিয়েও কিনতে পারেন। কেউ যদি আর্থিক সাহায্য করতে চান তাহলে নিচের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে অথবা বিকাশ নম্বরে আপনার সাহায্য পাঠাতে পারবেন। টাকা পাঠানোর সময় নিচের নম্বরে আপনার নাম ও টাকার পরিমাণ SMS করে দিয়েন। আপনি চাইলে আমাদের সাথে দেখা করেও হাতে হাতে আপনার সাহায্য দিতে পারবেন। এছাড়া যে কোন প্রয়োজনে নিচের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলেই হবে।
আপনি যদি বাসার ব্যাবহৃত পুরাতন গরম কাপড় দিতে চান তাহলে প্লীজ অবশ্য খেয়াল রাখবেন সেটা যেন ছেড়া না হয়। আমরা মুলত ছোট বাচ্চা আর বয়স্কদের জন্যই কাপড় নেয়ার কথা ভাবছি।
আর হ্যা বিদেশ থেকে কেউ যদি পেপ্যাল এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে চান তাহলে তাকে অনুরোধ করবো মন্তব্যের ঘরে আমাকে ট্যাগ করে সেটা জানানোর জন্য।

আমরা ২৫শে নভেম্বরের মধ্যে সংগ্রহ বন্ধ করে বিতরণের কাজে যাব - এর পর শুরু হবে বিতরণের কাজ। 

বি.দ্র : আমাদের কাজের প্রতিদিনের আপডেট প্রতিদিন বেশতোতেই দেয়া হবে। তাহলে আর দেরি না করে শুরু করেদিন।

ব্যাংক বিবরণ:
Name of the Account: MD. YASEEN KHAN
Account No: 105-101-70249
Dutch-Bangla Bank Ltd
Foreign Exchange Branch
Motijheel, Dhaka

Bkash No: 01820582636

যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগঃ 01820582636
*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*

মারগুব বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"একটু এগিয়ে আসুন, একজনের জন্য শীতকে করে তুলুন সহনীয়"

খুলনায় গেট টুগেদারের দিন সালাম ভাই ফোনে বলেছিলেন বেশতোর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরনের উদ্যোগের কথা। এরপর মাসুম আর রনি ভাইয়াও বললেন। খুবই ভালো এবং অবশ্যই মহৎ একটি উদ্যোগ। প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটছে গত কয়েকদিন ধরে। বেশতোতেও আসা হয়নি সেভাবে। গতকাল একবার এসে এই বিষয়ক সবার পোস্টগুলো দেখলাম। ইতিমধ্যে সবাই-ই মোটামুটি জেনে গিয়েছেন, কাজও অনেকদূর এগিয়ে গেছে। অনেকে অলরেডি কন্ট্রিবিউটও করেছেন। যারা করেননি, এখনো যেহেতু বেশ কিছুদিন সময় আছে, করে ফেলুন। আপনার একটু চেষ্টাতেই কিছু মানুষের শীতের কষ্ট দূর হবে, হাসি ফুটবে কিছু মানুষের মুখে, যে হাসি অমুল্য। সে হাসি আপনাকে যে প্রশান্তি দেবে তা আপনি লাখ টাকা দিয়েও কিনতে পারবেন না। 

আপনি হয়তো শীতের ফ্যাশন ট্রেন্ড বজায় রাখার জন্য, নিজেকে স্মার্ট এবং স্পেশাল লুক দেয়ার জন্য অনেক বাড়তি কাপড় কিনবেন। আর গত সব বছরের পুরনোগুলো হয়তো ফেলেই রাখবেন। যেখানে কিছু মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় ন্যুনতম কাপড়টাও জোগাড় করতে পারে না! এই মানুষদের কষ্ট দূর করার দায়িত্ব আমাদেরই। আমরা দিব্যি ঘুরে বেড়াই, আড্ডা দেই, বন্ধুদের নিয়ে এখানে সেখানে খেতে যাই, পার্টি দেই, শপিং করি। এইসবের মাঝ থেকেই অল্প কিছু টাকা বাঁচিয়ে আলাদা করে পাঠিয়ে দিন না! কিংবা ব্যবহৃত পুরনো কাপড়গুলোই দিয়ে দিন! আপনি-আমি একা বা দু'চারজন মিলে হয়তো খুব বেশি কিছু করতে পারবনা, কিন্তু অনেকে মিলে সম্মিলিত পরিসরে অনেক বড় কিছু করা সম্ভব, একসাথে অনেক মানুষকে এই শীতে একটু উষ্ণতা দেয়া সম্ভব। 

অনেকে হয়তো কন্ট্রিবিউট করতে চাচ্ছেন কিন্তু স্বল্প অ্যামাউন্ট বলে সঙ্কোচ বোধ করছেন এমন কেউ থেকে থাকলে বলব সঙ্কোচের কিছু নেই। বিন্দু বিন্দুতেই সিন্ধু হয়। আর আপনার অংশগ্রহনটাই সবচেয়ে বড় কথা। নিজে দেয়ার পাশাপাশি চেষ্টা করুন পরিবার, বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকেও কিছু নেয়ার। প্রয়োজনে নাম গোপন রেখে অংশগ্রহণ করুন, তবু করুন। টাকা পাঠানোর জন্য বিকাশ নাম্বার বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সবাই এরইমধ্যে জেনে গিয়েছেন নিশ্চয়ই, তবু আরেকবার এখানে দিয়ে দিলাম। 

বেশতোর এই মহান উদ্যোগ সফল হোক। 
*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*

বাংলার বেদুঈন: (মনখারাপ)(হার্ট)(হার্ট)(এদিকেআসো)(হ্যান্ডশেক) পথের ধারে অবহেলায় রাতে যারা ঘুমায়, তুমি কি জান তারা কেমন কস্ট পায় ? শীত তো আছেই ,আছে দারোয়ানের লাঠির বাড়ি, কোনদিন মার খায়, কোনদিন বাপ মায়ের নাম ঝারি . ঘন কুয়াশার দিনে ভীসন ঠান্ডায়, গায়ের রক্ত যখন একেবারে জমে যায় , দুইহাত তুলে ফরিয়াদ জানায় . হে খোদা শীতের ঠান্ডা সরিয়ে নাও, তা না হলে আমাদের তুলে নাও

*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★