এসি

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখের এই তীব্র গরমে ঘরে টিকে থাকা দায়। ফ্যানের বাতাসেও শরীর ঠান্ডা করতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাই এই গরমে শান্তির পরশ পেতে ঘরে থাকা চাই এয়ার কন্ডিশনার। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই যন্ত্র চালিয়ে দিলেই কয়েক মিনিটে আপনার শরীর ও মন ঠান্ডা হয়ে যাবে। কিন্তু এয়ার কন্ডিশনারের দামতো অনেক বেশি, একবারে এতো টাকা কোথায় পাব? এই চিন্তা যারা করছেন তাদের জন্য সুখবর! বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল দিচ্ছে কিস্তিতে এয়ার কন্ডিশার কেনার দুর্দান্ত সুযোগ! এখন যে কেউ ইচ্ছে করলেই ৩ অথবা ৬ মাসের কিস্তিতে কিনে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের ব্যান্ডের এয়ার কন্ডিশনার

এই গরমে আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এয়ার কন্ডিশনার, যার মধ্যে প্যানাসনিক, ক্যারিয়ার, জেনারেল, ফুজিসসু, সিগো, ডাইকিন, সুপ্রিম অন্যতম। চলুন কয়েকটি এয়ার কন্ডিশানার দেখে নেই।

এয়ার কন্ডিশনার কেনার আগেঃ

প্রথমতো বাড়ির ধরন বুঝে এসি কিনতে হবে। যে রুমে এসি লাগাবেন তাতে যদি জানালা থাকে তবে পছন্দ অনুসারে ভালো ব্র্যান্ড দেখে ‘উইন্ডো এসি’ কিনে নিতে পারেন। ঘরের আকার যদি ছোট হয় তবে এই ধরনের এসি কেনা যেতে পারে। এক্ষেত্রে দামটাও তুলনামূলক কম।

তবে ঘরের আকার যদি বড় হয় কিংবা ঘরে যদি কোনো জানালা না থাকে তবে ‘স্প্লিট এসি’ কিনতে হবে। মূলত বসার ঘর কিংবা অফিসের বড় রুমে ব্যবহারের জন্য ‘স্প্লিট এসি’ কেনা হয়।

এছাড়াও এয়ার কন্ডিশনার কেনার আগে অবশ্যই ঘরের আকার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। এসি কেনার আগে ঘর কত স্কয়ার ফিট তা জানা দরকার। ঘরের আকার সর্বোচ্চ ১৪০ স্কয়ার ফিট পর্যন্ত হলে এক টন ক্ষমতাসম্পন্ন এসি কিনলেই চলবে। তবে ঘরের আকার ১৪০ থেকে ১৯৬ স্কয়ার ফিটের মধ্যে হয় তবে দেড় টন কার্যক্ষমতার এসি কিনতে হবে।

যে রুমে এসি লাগাবেন তা যদি টপ ফ্লোরে হয় তবে ঘর আকারে ছোট হলেও তুলনামূলক বেশি ক্ষমতার এসি লাগাতে হবে। কারণ সাধারণত ভবনের উপরের তলায় সূর্যরশ্মির তেজ বেশি থাকে এবং ঘর বেশি গরম থাকে। তাছাড়া এয়ার কন্ডিশনারে ইনভার্টার কিংবা ইকোন্যাভি নামক পাওয়ার সেভিং অপশন থাকে। এ সম্পর্কেও ধারনা থাকা দরকার।

আজকেরডিল থেকে কিনতেঃ


আজকেরডিল থেকে আপনি বাজার দরের চাইতেও কিছুটা কমদামেই ঘরে বসে অর্ডার করে পছন্দের এয়ার কন্ডিশনার কিনতে পারবেন। সবেচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি আজকেরডিল থেকে কিস্তিতেও কিনতে পারবেন। এজন্য আপনি বেছে নিতে পারেন ৩ কিংবা ৬ মাসের কিস্তি। তবে অবশ্যই আপনার কাছে নির্দিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে। বিল পরিশোধ করা যাবে ব্র্যাক, ইস্টার্ন ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। এই সুবিধা পেতে একজন গ্রাহককে ৫০০০ টাকার উপরের পণ্য অর্ডার করতে হবে।
অনলাইনে কিস্তিতে এয়ার কন্ডিশনার কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*এয়ার-কন্ডিশনার* *এসি* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 হঠাৎ গরম থেকে এসেই ঠান্ডা পানি খেতে নিষেধ করা হয় কেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*গরম* *ঠান্ডাপানি* *লাইফস্টাইলটিপস* *এসি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাড়িতে এসি কিভাবে পরিষ্কার করা যায়? কতদিন পর পর এসির সার্ভিসিং করে নেওয়া উচিৎ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*এসি* *পরিষ্কার* *যত্নআত্তি* *গৃহস্থালিটিপস* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমে শীতল অনুভূতি এনে দিতে পারে এসি। ভ্যাপসা গরম তাড়াতে কিনতে পারেন এয়ার কন্ডিশনার বা এয়ার কুলার।  আমাদের দেশে অনেকের কাছে উচ্চ তাপমাত্রার কারণে এয়ার কন্ডিশনার একটি অতি প্রয়োজনীয় ঘরের কাজে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র। এসি কেনার সামর্থ্য না থাকলে কিনতে পারনে এয়ার কুলার। মাত্র ৬ হাজারেও পেতে পারেন এয়ার কুলার। এয়ার কুলার ঘর ঠাণ্ডা না রাখলেও, ঠাণ্ডা বাতাস দেয়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এয়ার কুলার বাজারে পাওয়া যায়। দরদাম, ব্যবহার পদ্ধতি এবং কিছু প্রাথমিক জ্ঞান থাকলে এয়ার কন্ডিশনার কেনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।
 
 
প্রাথমিক ধারণা
প্রথমতো বাড়ির ধরন বুঝে এসি কিনতে হবে। যে রুমে এসি লাগাবেন তাতে যদি জানালা থাকে তবে পছন্দ অনুসারে ভালো ব্র্যান্ড দেখে ‘উইন্ডো এসি’ কিনে নিতে পারেন। ঘরের আকার যদি ছোট হয় তবে এই ধরনের এসি কেনা যেতে পারে। এক্ষেত্রে দামটাও তুলনামূলক কম। তবে ঘরের আকার যদি বড় হয় কিংবা ঘরে যদি কোনো জানালা না থাকে তবে ‘স্প্লিট এসি’ কিনতে হবে। মূলত বসার ঘর কিংবা  অফিসের বড় রুমে ব্যবহারের জন্য ‘স্প্লিট এসি’ কেনা হয়। এছাড়াও এয়ার কন্ডিশনার কেনার আগে অবশ্যই ঘরের আকার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
কিন্তু এয়ার কন্ডিশনার কেনার পূর্বে বেশ কিছু বিষয় খেয়াল করা উচিত। যাতে করে বাজেটের মধ্যে আপনি আপনার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী পণ্যটা পেতে পারেন। কেমন এসি চাই বাসাবাড়ি, অফিস, শ্রেণীকক্ষ বা হলরুমে ব্যবহার করা হয় এয়ার কন্ডিশনার বা এসি। কত বড় এসি দরকার তা নির্ভর করে ঘরের আকার-আয়তনের উপর। কক্ষের আয়তন ১০০-১২০ বর্গফুট হলে ১ টন এসি। সর্বনিম্ন দাম ৪৭ হাজার টাকা। আয়তন ১৫০-২০০ বর্গফুট হলে দেড়টন এসি। সর্বনিম্ন দাম ৫১ হাজার টাকা। ১৮০-২২০ বর্গফুট আয়তনের কক্ষের জন্য প্রয়োজন হবে ২ টন এসি। সর্বনিম্ন দাম ৬১ হাজার টাকা। ৩৫০ বর্গফুট আয়তনের কক্ষের জন্য ৩ টন এসির প্রয়োজন হবে। দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা থেকে শুরু। পোর্টেবল এয়ার কন্ডিশনারের দাম ৪৫ হাজার টাকা থেকে শুরু। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের উপর দাম কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। 
এয়ার কন্ডিশনারের দরদাম এলজি, সিঙ্গার, ওয়ালটন, সিমেন্স, গ্রি, ট্রান্সটেক, হাইয়ার, জেনারেল ইলেক্ট্রনিক্সসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের এয়ার কন্ডিশনার বাজার ভর্তি। সিলিং, স্প্লিট ও উইন্ডো ছাড়াও পোর্টেবল এয়ার কন্ডিশনার বাজারে পাওয়া যায়। একেক ব্র্যান্ডের এয়ার কন্ডিশনারের দাম একেকরকম। এয়ার কুলারের দরদাম ঘরের আদ্রতা স্বাভাবিক রাখতে এয়ার কুলারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দামও কম। সহজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা যায়। এয়ার কুলারের মাধ্যমে ঘরের আদ্রতা সহনীয় মাত্রায় রাখা হয়। এজন্য বরফ কিংবা পানি ব্যবহার করে এয়ার কুলারের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাতাস বের করা হয়। এতে ঘর ঠাণ্ডা হয় কম, তবে বাতাস দেয় ঠাণ্ডা। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এয়ার কুলার বাজারে পাওয়া যায়। মডেল ভেদে দাম ৬ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা।
 
 
নিম্নে এয়ার কন্ডিশনার কেনার আগের ১০ টি লক্ষ্যণীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে যা আশা করি আপনার কাজে আসবে। 
 
১. অফার বা কম দামের জন্য শীতকালে এয়ার কন্ডিশনার কিনুনঃ সাধারণত শীতকালে কম মানুষ এয়ার কন্ডিশনার কিনে। তাই যদি আপনি শীতকালে এয়ার কন্ডিশনার কিনেন সাধারণত কিছু ব্র্যান্ড অফার পাবেন কিংবা কোন ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান থেকে কিনেন তাহলে তারা কিছুটা কম লাভে পণ্যটা দিবেন । কারণ এই সময়ে খুব বেশী মানুষ এয়ার কন্ডিশনার কিনেন ।
 
২. কেনার পূর্বে আপনার রুমটা পরিমাপ করে নিনঃ আসলে রুমটা বড় হলে বেশী ক্যাপাসিটির এয়ার কন্ডিশনার লাগবে আর ছোট হলে কম ক্যাপাসিটির এয়ার কন্ডিশনার হলেও চলবে ।
 
৩. এরপর ক্যাপাসিটিটা যাচাই করে নিনঃ রুম পরিমাপ ঠিকভাবে করলে কত ক্যাপাসিটির এয়ার কন্ডিশনার লাগবে এটা বুঝা সহজ হয়ে যাবে। এটা মূলত টনে হিসাব হয়। যত বেশী টনের এয়ার কন্ডিশনার তত বেশী জায়গা এটি ঠান্ডা রাখতে সক্ষম ।
 
৪. এয়ার কন্ডিশনারের ই.ই.আর রেটিং চেক করে নিনঃ ই.ই.আর রেটিং মূলত বুঝায় এয়ার কন্ডিশনার কত কম শক্তিক্ষয় করবে । ই.ই.আর রেটিং যত বেশী হবে তত কম এটি শক্তিক্ষয় করবে। তাই এয়ার কন্ডিশনার কেনার আগে এর ই.ই.আর রেটিংটা চেক করে নিন।
 
৫. বাতাস যাতে রুমের সব অংশে পৌঁছায়ঃ এয়ার কন্ডিশনারের বাতাস যেন রুমের সব অংশে পৌঁছায় এই বিষয়টা এয়ার কন্ডিশনার কিনার আগে খেয়াল করতে হবে।
 
৬. এয়ার কন্ডিশনারের কোন বিশেষ ফিচার থাকলে সেটা দেখুনঃ কিছু কিছু এয়ার কন্ডিশনারের বিশেষ ফিচার থাকে যা বেশ কাজের। এর মধ্যে একটা কাজের ফিচার হচ্ছে টাইমার। এর দ্বারা দিনের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তাপমাত্রা সেট করতে পারেন । এমন কি আপনি কাজ থেকে ঘরে ফেরার আগে এয়ার কন্ডিশনারটা চালু করে দিতে পারেন যার ফলে আপনি এয়ার কন্ডিশনার ঠান্ডা হওয়ার অপেক্ষা না করে ঘরে আসা মাত্রই সুন্দর বাতাস উপভোগ করতে পারেন ।
 
৭. পূর্বে ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন করুন এবং মতামত নিনঃ আপনার আগে যারা এয়ার কন্ডিশনার কিনেছেন এমন কাউকে প্রশ্ন করুন তাদের কি ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে । তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিন এবং সেই অনযায়ী সিদ্ধান্ত নিন।
 
৮. ইকমার্স সম্পর্কিত সাইট দেখুন এবং এই বিষয়ক ফোরাম সাইটে প্রশ্ন করুনঃ আপনি ঘরে বসে বিভিন্ন ইকমার্স সম্পর্কিত সাইটে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এয়ার কন্ডিশনারের ফিচারগুলো যাচাই করতে পারেন। এছাড়া আপনি আমাদের দাম.কম.বিডি এর পাগল কমিউনিটিতে আপনার এয়ার কন্ডিশনার বিষয়ক কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন, যেখানে আপনি অনেক প্রযুক্তি প্রেমিক পাবেন যাদের থেকে একটা ভালো উত্তর আপনি আশা করতে পারেন। প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে এই পেইজের বামদিকে ফেসবুক আইকনে ক্লিক করার মাধ্যমে ফেসবুক দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন ।
 
৯. কেনার পূর্বে দোকানে এয়ার কন্ডিশনারটা একবার চেক করে নিনঃ কেনার আগে দোকান থেকে একবার চেক করে নেয়া ভালো । তাহলে কোন সমস্যা পেলে সরাসরি দোকানদারকে দেখাতে পারবেন এবং প্রয়োজনে চেঞ্জ করে নিতে পারবেন ।
 
১০. কেনার পূর্বে নিশ্চিত হয়ে নিন কিভাবে এটা ইন্সটল করবেনঃ ইন্সটল কিভাবে করতে হবে এটা কেনার পূর্বেই নিশ্চিত হয়ে নিন। যদি নিজে নিজে ইন্সটল করতে সমস্যা অনুভব করেন তাহলে যে দোকানে ইন্সটলেশন সার্ভিস দেয়া হয় এমন দোকান থেকে কিনুন কিংবা ভালো ইন্সটলেশন করতে পারে এমন প্রফেশনালের সার্ভিস নিন ।
 
আশা করি এই লেখাটি পরে বুঝতে পেরেছেন এয়ার কন্ডিশনার কিনার পূর্বে কি কি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়া জরুরী। এসব বিষয় মাথায় রেখে কিনলে আশা করা যায় সাধ্যের মধ্যে ভালো জিনিসটা কিনতে পারবেন।
 
 
যত্নআত্তি
শহরের বিভিন্ন এয়ার কন্ডিশনার শো রুমের বিক্রয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল এসির ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হল ‘কুলিং’ বা ঠাণ্ডা করার ক্ষমতা কমে যাওয়া। এক্ষেত্রে এসির ভেতরের নেট খুলে ডাস্ট ক্লিনিং করে নিতে হবে। ব্যবহারকারী নিজেই সাধারণ উপায়ে এসির ইনডোর খুলে নেট ওয়াশ করে নিতে পারেন। এছাড়া কুলিং একেবারে বন্ধ হয়ে গেলে বুঝতে হবে এসির ভেতরে গ্যাস ফুরিয়ে গেছে। এক্ষেত্রে সংশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক সেবা প্রদানকারী প্রতিনিধিদের মাধ্যমে গ্যাস রিফিল করে নিতে পারেন। বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের সময় পার হয়ে গেলে সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হবে।
 
কোথায় পাবেন: আপনার নিকটস্থ যে কোনো ইলেকট্রনিক্স দোকানেই পেয়ে যাবেন l দেশী-বিদেশী নানান ব্র্যান্ড আছে এসির l ব্র্যান্ড অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়ে থাকে l অনলাইনে কিনতে চাইলে খোজ করে দেখতে পারেন আজকের ডিলে l তাদের রয়েছে এয়ার কন্ডিশনের বিশাল কালেকশন l
*এয়ারকন্ডিশনার* *এয়ারকুলার* *এসি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোগবালাই এড়িয়ে চলতে পারলে শীত আপনার জন্য হতেপারে অন্যতম একটি ঋতু। কিন্তু শীতের ঠান্ডায় যদি নিজেকে ঠিকমত উষ্ণ না রাখতে পারেন তাহলে শীত ঋতু আপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বয়ে আনতে পারে শীতকালীন নানান রোগ। আর শীতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র বা এসি ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। যাঁরা শীতের সময় বেশির ভাগ সময় এসিতে থাকেন, তাঁদের স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যা হয়। এটি শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তাই শীতে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এসি বন্ধ রাখাই উচিত। চলুন জেনে নিন শীতে এসি ব্যবহারের সমস্যাগুলোর কথা।

অ্যাজমা
শীতে অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যা এমনিতেই বেড়ে যায়। আর যদি কক্ষের মধ্যে সব সময় এসি চলতে থাকে, তাহলে সমস্যাটি বেড়ে যায় অনেকগুণে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অ্যাজমার রোগীদের শীতের সময় এসির মধ্যে না থাকাই ভালো। এই সময়ে এসির মধ্যে বেশি ধুলা এবং ময়লা জমে। আর এসি পুনরায় ছাড়ার পর ধুলা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এটি শ্বাস নিতে সমস্যা তৈরি করে।

শুষ্ক ত্বক
শীত এমনিতেই ত্বককে শুষ্ক করে তোলে। শীতের সময় এসি ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা আরো বেড়ে যায়। এসির শুষ্ক ও শীতল বাতাস ত্বককে শুষ্ক করে, পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতাও নষ্ট করে।

সংক্রমণ
শীতের সময় এসি ব্যবহার করলে ঘর দূষিত হয়ে পড়ে। এই সময় ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ও ভাইরাস বেশি বৃদ্ধি পায়। এসি ব্যবহার করলে ঘরের মধ্যে এগুলোর পরিবহন বেড়ে যায়। এতে সংক্রমণ তৈরি হয়।

চুলকানি
শীতে এসি ব্যবহার করলে চুলকানির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। ত্বক বেশি শুষ্ক হয়ে যাওয়ার জন্য এই চুলকানি হয়।

শরীরে পানির পরিমান কমে যাওয়া
শীতের সময় টানা এসির ব্যবহার শরীরে পানির পরিমান কমে যায়। পানির পরিমান কমে গেলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এই সময় এসি এড়িয়ে যেতে পারলেই ভালো।
*এসি* *স্বাস্থ্যঝুঁকি* *স্বাস্থ্যসমস্যা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★