ওজন

Shariful Islam Shourav: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে ওজন কমানো যায়?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *বাড়তিওজন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ডায়েট? না এক্সারসাইজ? ওজন কমাতে কোনটা বেশি জরুরী?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*ডায়েট* *এক্সারসাইজ* *ব্যায়াম* *ওজনসমস্যা* *ওজন* ****সংকলিত*****

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ওজন কমাতে জিরাপানি কতটা কার্যকর?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *ওজনসমস্যা* *জিরাপানি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নারী-পুরুষভেদে বয়স অনুযায়ী আদর্শ ওজন কেমন হওয়া উচিৎ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *হেলথটিপস* *আদর্শওজন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকাতে কি ধরণের খাবার রাখা উচিৎ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *খাদ্যতালিকা* *হেলদিফুড* *স্বাস্থ্যতথ্য* *পুষ্টি* *ওজনসমস্যা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ওজন কমাতে দারুচিনি মধু পানি কিভাবে কাজ করে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *দারুচিনিমধুপানি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শরীরের ওজন অনুযায়ী কতটা পানি পান করা উচিৎ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ওজন* *পানিপান* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনি নিজেকে কি পরিমাপ করেন ?? এক কথায় উত্তর দিন ??

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*আপনি* *পরিমাপ* *ওজন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করে এমনকি ব্যায়াম করেও অনেকে ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন না কেন?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*খাদ্যাভ্যাস* *ব্যায়াম* *ওজন* *ওজননিয়ন্ত্রণ* *ওজনসমস্যা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মধু নিয়ে মধুর কথা অনেক। তার চেয়েও বেশি প্রচলিত মধুর মধুরতর গুণের কথা। নিয়মিত মধু খেলে সৌন্দর্য বাড়ে এ কথা অনেকেই জানেন, মানেনও। তাই সকাল সকাল মধু মুখে দিলে শরীর, মনের জন্য ভালো বৈ মন্দ হবে না। জেনে রাখুন কেন সকালবেলা উঠেই মধুর শরণাপন্ন হবেন।

  • মধুতে বিদ্যমান শর্করা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে। তাই এটি রেডি এনার্জি হিসেবে কাজ করে। আধা গ্লাস হালকা গরম লেবুপানিতে এক চা-চামচ মধু ভোরবেলায় খালি পেটে পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
  • সকালে মধুমিশ্রিত পানি দিয়ে কুলি করলে মাড়ির প্রদাহ কমে। এ ছাড়া দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। হজমের গোলমালেও মধুর উপকারিতা আছে। এটি পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ক্ষরণ কমায় বলে অরুচি, বমিভাব, বুক জ্বালা দূর হয়। মধু বিপাকজনিত তাপ উৎপাদন বাড়ায় বলে শীতকালে দেহের উষ্ণতা বাড়ায়।
  • রক্তস্বল্পতায় মধু বেশ কার্যকর ওষুধ। কেননা, এতে কপার, ম্যাঙ্গানিজ ও আয়রন রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। এটা প্রমাণিত যে দেহের ক্ষত নিরাময়ে মধু চমৎকার কাজ করে।
  • তবে ওজন ওজন কমানোর বেলায় মধুর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। তবে লেবু ও গরম পানির সাথে মধু মিশিয়ে খেলে পেটের মেদ কমে। মধু এবং লেবুতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদানে ভরপুর মধু ও লেবু ওজন কমাতেও বেশ কার্যকরী।
  • লেবু-মধু পানীয় বানানোর প্রণালী: এক গ্লাস হালকা বা কুসুম গরম পানি, অর্ধেক/২ চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু। গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন লেবু-মধু পানীয়। আপনি চাইলে এর সাথে সবুজ চা (Green Tea) মেশাতে পারেন।
  • লেবু-মধু পানীয় লক্ষ্য রাখবেন: আগে পানি হালকা গরম করে, তারপর তাতে লেবু ও মধু মেশাবেন। মধু কখনই গরম করতে যাবেন না।

 

*মধু* *লেবু* *ওজন* *স্বাস্থ্যতথ্য* *লাইফস্টাইলটিপস* *হেলদিফুড*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোরবানির মাংস বন্টননীতি : 

আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন-
فَكُلُواْ مِنۡهَا وَأَطۡعِمُواْ ٱلۡبَآئِسَ ٱلۡفَقِيرَ ٢٨ [الحج: ٢٨]
অত:পর তোমরা তা হতে আহার কর এবং দুঃস্থ, অভাব গ্রস্থকে আহার করাও। [সূরা হজ্জ্ব,:২৮]।


রাসূলুল্লাহ (সা.) কোরবানির গোশত সম্পর্কে বলেছেন-
«كلوا وأطعموا وادخروا»
তোমরা নিজেরা খাও ও অন্যকে আহার করাও এবং সংরক্ষণ কর। (বুখারি, হাদিস নং ৫৫৬৯; সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৯৭১)।


"আহার করাও" বাক্য দ্বারা অভাবগ্রস্থকে দান করা ও ধনীদের উপহার হিসেবে দেয়াকে বুঝায়। কতটুকু নিজেরা খাবে, কতটুকু দান করবে আর কতটুকু উপহার হিসেবে প্রদান করবে এব পরিমাণ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত ও হাদিসে কিছু বলা হয়নি। তাই উলামায়ে কেরাম বলেছে, কোরবানির গোশত তিন ভাগ করে একভাগ নিজেরা খাওয়া, এক ভাগ দরিদ্রদের দান করা ও এক ভাগ উপহার হিসেবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের দান করা মুস্তাহাব (উত্তম)।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কোরবানির মাংস তিনভাগে ভাগ করে এর একভাগ গরীব ও ইয়াতিম-মিসকিনদের দান করা, একভাগ আত্মীয়-স্বজনকে দেয়া এবং অন্য ভাগ নিজে রাখা মুস্তাহাব। তবে ইচ্ছা করলে আপনি পুরো মাংসই খেতে পারেন এতে দোষের কিছু হবেনা। কোরবানির পশু জবেহকারী ও মাংস প্রস্তুতকারীকে কোরবানির পশুর মাংস থেকে পারিশ্রমিক স্বরূপ দেয়া যাবে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

তাই কোরবানির মাংস সঠিকভাবে নিক্তিতে পরিমাপ করাটা সঠিক কাজ। একাধিক শরিকের ক্ষেত্রে কোরবানির পশুর মাংস দাঁড়িপাল্লা দিয়ে মেপে বণ্টন করতে হবে, অনুমান করে বণ্টন করলে চলবে না। তাই কোরবানির ঈদের অন্যতম প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হলো দাঁড়িপাল্লা বা নিক্তি। দাঁড়িপাল্লা দিয়ে মেপে সমান সমান ভাগ করা উচিত। অন্যথায় যদি ভাগের মধ্যে তারতম্য হয়ে যায়, তবে সুদ হয়ে যাবে এবং গোনাহগার হবে। কোরবানির মাংস সমভাবে বণ্টনের জন্য তাই আগে থেকেই  দাঁড়িপাল্লা জোগাড় করে রাখুন। তবে আজকাল ইলেক্ট্রনিক ওয়েট স্কেলও পাওয়া যায়, সেখানেও এই বন্টনের কাজটি সঠিকভাবে করে নিতে পারেন। এছাড়াও রয়েছে কিচেন ডিজিটাল ওয়েট স্কেলসমূহ। আজকের ডিলে অনেক ধরণের ওয়েট স্কেল পাওয়া যাচ্ছে, ছবিতে ক্লিক করে দেখে কিনে নিতে পারেন।

 

https://youtu.be/68AXGRaP2Rc টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন

বস্তুত কোরবানি একটি পবিত্র এবাদত। কোরবানি আমাদের সব ধরনের লোভ-লালসা, পার্থিব স্বার্থপরতা ও ইন্দ্রিয় কামনা-বাসনার জৈবিক আবিলতা থেকে মুক্ত ও পবিত্র হতে উদ্বুদ্ধ করে। স্রষ্টার সামনে নিজেকে আত্মোৎসর্গিত করার প্রেরণা জোগায় কোরবানি। নিছক পশু জবাইয়েই কোরবানির সার্থকতা নয়, নিজেকে স্রষ্টার সামনে নিঃশর্ত পেশ করে দেয়াই হলো এই এবাদতের সার্থকতা। এ জন্য সবার উচিত পরিশুদ্ধ অন্তরে একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশে কোরবানি করা। 

 

*কোরবানিরমাংস* *বণ্টননীতি* *ওজন* *ওয়েটস্কেল*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই নির্ণয় করে কাউকে রোগা বা মোটা বলা হয়ে থাকে। উচ্চতার সাপেক্ষে প্রতিটি মানুষের আছে একটি আদর্শ ওজন। আদর্শ ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়। এবার ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকে বলে বিএমআই। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক। ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫-এর ওপরে হলে অত্যন্ত ও অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে।

অতিরিক্ত ওজন কিংবা অতি কম ওজন কারোই কাম্য নয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন বেঁটে কিন্তু মোটা, আবার অনেকে খুব লম্বা কিন্তু যেন তালপাতার সেপাই। এরকম অবস্থা মানে উচ্চতা অনুযায়ী তাঁদের ওজন ঠিক নেই। আপনার ওজন বেশি না কম, নাকি তা ঠিকই আছে তা বুঝতে হলে জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কত -


 উচ্চতা      পুরুষ(কেজি)    নারী(কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬

►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮

►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০

►৪’১০” —— ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২

►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩

►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫

►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭

►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯

►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১

►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩

►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫

►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭

►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯

► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১

► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১

►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫

►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭

►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০

►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২

►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪

শরীর অতিরিক্ত রুগ্ন হলে দেখতে খারাপ তো লাগেই, সাথে চেহারায় দ্রুত বলিরেখা পড়ে। অতি রুগ্ন মানুষ অপুষ্টির শিকার। ফলে পুষ্টি জনিত নানাবিধ রোগ, যেমন- অ্যানিমিয়া বা রক্ত শুন্যতা, শারীরিক দুর্বলতা, নানান রকম চর্মরোগ ইত্যাদি হওয়ার প্রবল সম্ভাবন থাকে। অপুষ্টির শিকার হলে চুল পড়ে যাওয়া, দাঁত নষ্ট হয়ে যাওয়া, হাড় খয়ে যাওয়া সহ নানা রকম রোগ হতে পারে।

আবার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ আয়তনে বাড়ে তখন শরীরে চর্বি জমে। পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি খরচ হচ্ছে না-এ কারণেও দেহে মেদ জমতে পারে। এগুলো শোনার বা জানার পর অনেকে হয়তো বলবেন, সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের পরও ওজন বেশি। তাদের অভিযোগ সঠিক। বংশগত কারণেও মানুষ মোটা হতে পারে।

(সংগৃহীত)

*বয়স* *ওজন* *উচ্চতা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★