ওয়েট স্কেল

ওয়েটস্কেল নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোরবানির মাংস বন্টননীতি : 

আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন-
فَكُلُواْ مِنۡهَا وَأَطۡعِمُواْ ٱلۡبَآئِسَ ٱلۡفَقِيرَ ٢٨ [الحج: ٢٨]
অত:পর তোমরা তা হতে আহার কর এবং দুঃস্থ, অভাব গ্রস্থকে আহার করাও। [সূরা হজ্জ্ব,:২৮]।


রাসূলুল্লাহ (সা.) কোরবানির গোশত সম্পর্কে বলেছেন-
«كلوا وأطعموا وادخروا»
তোমরা নিজেরা খাও ও অন্যকে আহার করাও এবং সংরক্ষণ কর। (বুখারি, হাদিস নং ৫৫৬৯; সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৯৭১)।


"আহার করাও" বাক্য দ্বারা অভাবগ্রস্থকে দান করা ও ধনীদের উপহার হিসেবে দেয়াকে বুঝায়। কতটুকু নিজেরা খাবে, কতটুকু দান করবে আর কতটুকু উপহার হিসেবে প্রদান করবে এব পরিমাণ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত ও হাদিসে কিছু বলা হয়নি। তাই উলামায়ে কেরাম বলেছে, কোরবানির গোশত তিন ভাগ করে একভাগ নিজেরা খাওয়া, এক ভাগ দরিদ্রদের দান করা ও এক ভাগ উপহার হিসেবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের দান করা মুস্তাহাব (উত্তম)।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কোরবানির মাংস তিনভাগে ভাগ করে এর একভাগ গরীব ও ইয়াতিম-মিসকিনদের দান করা, একভাগ আত্মীয়-স্বজনকে দেয়া এবং অন্য ভাগ নিজে রাখা মুস্তাহাব। তবে ইচ্ছা করলে আপনি পুরো মাংসই খেতে পারেন এতে দোষের কিছু হবেনা। কোরবানির পশু জবেহকারী ও মাংস প্রস্তুতকারীকে কোরবানির পশুর মাংস থেকে পারিশ্রমিক স্বরূপ দেয়া যাবে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

তাই কোরবানির মাংস সঠিকভাবে নিক্তিতে পরিমাপ করাটা সঠিক কাজ। একাধিক শরিকের ক্ষেত্রে কোরবানির পশুর মাংস দাঁড়িপাল্লা দিয়ে মেপে বণ্টন করতে হবে, অনুমান করে বণ্টন করলে চলবে না। তাই কোরবানির ঈদের অন্যতম প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হলো দাঁড়িপাল্লা বা নিক্তি। দাঁড়িপাল্লা দিয়ে মেপে সমান সমান ভাগ করা উচিত। অন্যথায় যদি ভাগের মধ্যে তারতম্য হয়ে যায়, তবে সুদ হয়ে যাবে এবং গোনাহগার হবে। কোরবানির মাংস সমভাবে বণ্টনের জন্য তাই আগে থেকেই  দাঁড়িপাল্লা জোগাড় করে রাখুন। তবে আজকাল ইলেক্ট্রনিক ওয়েট স্কেলও পাওয়া যায়, সেখানেও এই বন্টনের কাজটি সঠিকভাবে করে নিতে পারেন। এছাড়াও রয়েছে কিচেন ডিজিটাল ওয়েট স্কেলসমূহ। আজকের ডিলে অনেক ধরণের ওয়েট স্কেল পাওয়া যাচ্ছে, ছবিতে ক্লিক করে দেখে কিনে নিতে পারেন।

 

https://youtu.be/68AXGRaP2Rc টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন

বস্তুত কোরবানি একটি পবিত্র এবাদত। কোরবানি আমাদের সব ধরনের লোভ-লালসা, পার্থিব স্বার্থপরতা ও ইন্দ্রিয় কামনা-বাসনার জৈবিক আবিলতা থেকে মুক্ত ও পবিত্র হতে উদ্বুদ্ধ করে। স্রষ্টার সামনে নিজেকে আত্মোৎসর্গিত করার প্রেরণা জোগায় কোরবানি। নিছক পশু জবাইয়েই কোরবানির সার্থকতা নয়, নিজেকে স্রষ্টার সামনে নিঃশর্ত পেশ করে দেয়াই হলো এই এবাদতের সার্থকতা। এ জন্য সবার উচিত পরিশুদ্ধ অন্তরে একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশে কোরবানি করা। 

 

*কোরবানিরমাংস* *বণ্টননীতি* *ওজন* *ওয়েটস্কেল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাহারি ওয়েট স্কেলের সমাহারডিজিটাল হাওয়া লেগেছে ওজন পরিমাপক যন্ত্রে! ছোট বড় সব ধরনের মাপামাপির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ওজন পরিমাপক আধুনিক সব যন্ত্র। মান্ধাতা আমলের দাঁড়িপাল্লা ও বাটখারার ব্যবহার এখন আর চলে না। এসবের স্থান দখন করছে ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র। শহরের সঙ্গে সঙ্গে পাড়া-মহল্লার মুদি-মনোহরি দোকানেও এখন ক্রেতাদের মালামাল দেয়া হচ্ছে ডিজিটাল ওয়েট মেশিনে ওজন করে। এর ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই খুশি। চলুন ওজন পরিমাপক কয়েকটি ডিজিটাল স্কেল দেখে নেই।

ওয়েট স্কেল:

ওয়েট স্কেল কিনতে ক্লিক করুনওয়েট স্কেল কিনতে ক্লিক করুন

ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্রে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঠিক ওজন ও নির্ধারিত মূল্য পরিশোধের পথ প্রশস্ত হয়েছে। বড় দোকান থেকে শুরু করে মাছ, মাংস, মুরগির দোকান, এমনকি ভ্যানগুলোতেও ব্যবহার হচ্ছে ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র। ডিজিটাল মেশিন ব্যবহারের ফলে ক্রেতাদের সঙ্গে পণ্যের ওজন ও দাম নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয় না। পণ্য মেশিনের ওপর রাখলেই ওজন ও মূল্য একসঙ্গে চলে আসে।

ওয়েট স্কেল কিনতে ক্লিক করুনওয়েট স্কেল কিনতে ক্লিক করুনডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এই যন্ত্রের ব্যবহার সহজ হওয়ায় দোকানদাররা এটি ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য সচেতন থাকতে প্রতিনিয়তই ওজন মাপা জরুরী। একারণে অনেকেই বাড়িতে নিয়ে নিচ্ছেন ওজন মাপার মেশিন। ডিজিটাল এই মেশিনের উপর দুই পা রেখে দাড়ালেই মেপে দেবে আপনার সঠিক ওজন। তাছাড়াও ওজন মাপার ব্যবসা করে যে কেউ স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেন।

ডিজিটাল এবস ওয়েটস্কেলে রয়েছে এলসিডি ব্যাকলাইট ডিসপ্লে। আপনার যে কোন কাজে ওজন পরিমাপের জন্য এগুলো সহজে বহন করে নিয়ে যেতে পারবেন। হ্যাঙ্গার স্কেল দিয়ে যে কোন বস্তু হুকে ঝুলিয়ে মাপতে পারবেন। এগুলো চালানোর জন্য পেন্সিল ব্যাটারী ব্যবহার করা হয়। চার্জ ফুরিয়ে গেলে চার্জ দিয়ে নিতে হবে।

দাম কেমন কোথায় পাবেন?

ওয়েট স্কেল কিনতে ক্লিক করুন

ওজন পরিমাপক এসব ডিজিটাল যন্ত্রের দাম নিভর করে ক্যাপাসিটির উপর। বেশি ক্যাপাসিটির ওজন মাপতে হলে একটু বেশি দাম দিয়েই কিনতে হবে। বাজারে ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ওয়েট মেশিন কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল এসব পণ্য কিনুন ডিজিটাল ওয়েতে। ঘরে বসেই আপনি আপনার পছন্দের ওয়েট স্কেলটি কিনে নিতে পারেন। অনলাইনে দেশের সেরা শপিং সাইট আজকের ডিলে পাচ্ছেন নানান রকমের ওয়েট স্কেল। আপনার পছন্দের স্কেলটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ওয়েটস্কেল* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★