ঔষধ

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 এলার্জির ওষুধ খেলে কি স্বাভাবিকের তুলনায় ঘুম বেশি হয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*এলার্জি* *ঔষধ* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্বের অনেক দেশে অনলাইনে ওষুধ কেনা অনেকটা জনপ্রিয় হয়েছে। প্রেসকিপশন না পাওয়া, ডাক্তার দেখাতে না পারা, বিশেষ করে ওষুধের দাম বেশি হওয়ার কারণে অনলাইনে ওষুধ কিনছেন অনেকে।
ব্রিটিশ এক নারীও কম দামে ওষুধ কিনতে অনলাইনের ওপর নির্ভর করেছিলেন।
বাংলাদেশ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে 'হেপাটাইটিস সি' নিরাময়ের ওষুধ কিনেছিলেন জো শারাম নামে এক ব্রিটিশ নারী।
এনএইচএস ইংল্যান্ডের তৈরি ওষুধ সেখানে সহজে পাওয়া গেলেও অনেক উচ্চমূল্যের ওষুধ হবার কারণে এগুলো শুধুমাত্র বেশি অসুস্থ রোগীদের দেয়া হয়ে থাকে।
যুক্তরাজ্যে হেপাটাইটিস সি আক্রান্ত প্রায় দুই লাখ পনের হাজারের মতো রোগী রয়েছে, যাদের একজন জো শারাম।

মিস শারামের বয়স যখন ২০ বছর তখন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন তিনি। ভাইরাসটি শনাক্ত না হওয়ায় অন্য অনেকের মতো এই ভাইরাস বহন করেই বছরের পর বছর চলছিলেন তিনি।
"আমি অফিসের চেয়ারেই ঘুমিয়ে পড়তাম, স্মৃতিজনিত অনেক সমস্যাও হচ্ছিল আমার। এছাড়াও হজমে সমস্যা হচ্ছিল, ঘৃণা মনোভাব জাগছিল।
এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বের হলো আমার দেহে হেপাটাইসিস সি ভাইরাস রয়েছে। তখন বুঝলাম এ কারণেই আমি বহু বছর ধরে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছি"-বলছিলেন জো শারাম।
হেপাটাইটিস সি ভাইরাস নিরাময়ে যে ওষুধ পাওয়া যায় ইংল্যান্ডে তার খরচ জোগাতে মোটামুটি হিমশিম খেতে হয় ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসকে।
প্রতি রোগীর জন্য প্রায় দশ হাজার পাউন্ড খরচ হয় সংস্থাটির, আর এ কারণে শুধুমাত্র বেশি অসুস্থ রোগীদেরই এ ওষুধ দেয়া হয়।
জো শারাম যেহেতু খুব বেশি অসুস্থ ছিলেন না তাই তিনিও ওই ওষুধ কিনতে পারেননি।
সে কারণে তিনি নির্ভর করলেন অনলাইনের ওপর এবং অনলাইনেই সস্তা দামের ওষুধ কিনলেন বাংলাদেশ থেকে। এতে তাঁর খরচ পড়েছিল প্রায় এক হাজার পাউন্ড।
"আপনিতো দামের জন্য আপনার জীবনকে হুমকির মধ্যে রাখতে পারেন না, তাই না?"
কিন্তু ওই ওষুধ কাজ করবে কিনা সেটা না জেনে কিভাবে সেটা কিনলেন তিনি?
"আসলে আমাকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। শারিরীক সমস্যাগুলো নিয়ে চলতে আর ভালো লাগছিলো না। আসলে এটা আমার পছন্দ ছিল, এটা অনেকটা বাতাসে কয়েন ছুঁড়ে দেবার মতো"-বলছিলেন জো।
অনলাইনে বাংলাদেশ থেকে কেনা ওষুধ
গত নভেম্বর মাসে তিনি তাঁর ওষুধের কোর্স শেষ করেন।
এরপর তিনি আবার কিছু রোগ নির্ণয় পরীক্ষা করান। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি সেই ডায়াগনসিস রিপোর্ট হাতে পেয়ে জো দেখেন তাঁর রক্তে হেপাটিাইসিস সি ভাইরাসের কোনো লক্ষণ ধরা পড়েনি।
"এখানে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো যে দামে ওষুধ বিক্রি করছে তার তুলনায় অনেক কম দামে আমি ওষুধ কিনলাম। অথচ সেটা কাজও করলো।
আর প্রত্যেকেরই সুস্থ হবার অধিকার আছে, যদি সেটা সম্ভব হয়"-বলছিলেন জো। 
সূত্র: http://www.bbc.com/bengali/news-39129792

*বাংলাদেশ* *অসুস্থ্য* *ঔষধ* *দাম* *খবর* *নারী* *স্বল্প* *মূল্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটা জাতী কবে সভ্য হবে??? কবে তাদের উন্নতী হবে ??? এদের জ্বালায় ভার্চুয়াল জগতে টীকে থাকা দায় ।।

শিরোনাম দেখে ডাক্তাররা চটে যেতে পারেন। তবে ভিতরে পড়ার পর হয়তো তাদের মাথা কিছুটা হলেও ঠাণ্ডা হবে। আজ আমি কয়েকজন ডাক্তারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। যাদের সুনাম সুখ্যাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে ব্যাপক। এদের সম্পর্কে না জানলে আপনি বুঝবেনই না ডাক্তাররা শুধু লিঙ্গ নিয়েই পড়াশোনা করে।

 


১। ডাক্তারদের অধিকাংশই হয় মেয়ে ডাক্তার। ছেলেরা পড়াশোনা বাদ দিয়ে পার্কের চিপাচাপায় আড্ডা দেয়। ফলে বিশাল অংশ ফেল করে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন বুড়িগঙ্গা তীরে ভাসিয়ে দেয়। আপনি যদি আপনার বিশেষ অঙ্গ বড় করতে চান তবে ডাক্তার ফারজানা আক্তারের কাছে যান। তিনি হাতুড়ি দিয়ে বড় করে দিবেন।

 


২। মেয়েদের সম্পর্কে জানার আগ্রহ যার নাই তিনি মুড়ি খেতে পারেন। ডাক্তার ফারহানা কবির একজন মেয়ে হয়ে জানাচ্ছেন মেয়েদের মাসিক কেন হয়? যেহেতু সে মেয়ে সুতরাং মেয়ের সম্পর্কে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবে।

 


৩। যেহেতু আপনি ওষুধ খাইতে চান না। টাকা খরচ হবে। আবার অপারেশনের ভয়ে হার্ট অ্যাটাক করতে পারেন। কিন্তু পুরুষাঙ্গতো বড় করতেই হবে। সুতরাং ডাক্তার শারমিন সুলতানার কাছে যান। তিনি আপনার পুরুষাঙ্গের আকৃতি বড় করার দায়িত্ব নিয়েছেন।

 


৪। শুধু লিঙ্গের আকৃতি বড় করলেই আপনি যে আসল পুরুষ হবেন তা কিন্তু নয়। আপনার গোপন ক্ষমতাওতো থাকতে হবে। কিন্তু গোপন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সঠিক জায়গা না পেয়ে কবিরাজী পানি পড়া, তাবিজ-কবজ দিয়েতো উপকার পাননি। চলে যান আবারো ডাক্তার ফারজানা আক্তারের কাছে।

 


৫। ডাক্তার তানিয়া সুলতানা কয়েকদিন আগে মেডিকেল সায়েন্সের একটা ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে সুপার ফ্লপ খেয়েছিলেন। আসল ডাক্তাররা চটেছিলেন। তবে তার পেনিস ছোট। ছোট পেনিসের ডাক্তার নিয়ে আর কোনো কথা নাই।

 


৬। আপনারা এতক্ষণে আমার উপর বিরক্ত হয়েছেন। ভদ্রতা দেখাতে হয়তো মনে মনে গালি দিয়েছেন। ভাবছেন এই বিখাউজ ব্লগিং করে কেন? ডাক্তার মুক্তি চৌধুরী ওরফে বিখাউজ আপাও আমাকে মুক্তি দিয়েছে।

এদের নাম ও ছবিসহ দিলাম। কারণ বিলিভ ইট অর নট এরা একটাও ডাক্তার নয়। তবুও আসল ডাক্তারের চেয়ে আমজনতা এদের পরামর্শই বেশি নিচ্ছে! এদের বিরুদ্ধে কি প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না?*

*ডাক্তার* *রোগী* *লুল* *অভদ্র* *বাস্তবতা* *যৌন* *ঔষধ* *ক্ষমতা* *ভার্চুয়াল* *সংগৃহীত* *সমাজ* *লজ্জ্বা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

দশ টাকা
পৃথিবীতে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে রাস্তার পাশে সর্বরোগের ঔষুধ পাওয়া যায় ! মাত্র এক ফাইলে গ্যাস্ট্রিক থেকে শুরু করে পাইলস, মাথা ব্যথা, মাথা ধরা সব নিমিষেই সমাধান ! দাম মাত্র দশ টাকা !
*ঔষধ* *বাংলাদেশ* *রাস্তা* *১০টাকা*

Risingbd.com: যে কারণে এইডসের ওষুধ ব্যর্থ হচ্ছে জাতিসংঘের তথ্যমতে, প্রতি বছর নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে ৪০ লাখ মানুষ। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিজ্ঞানীরা কেন নাকানিচুবানি খাচ্ছেন এই ভাইরাসটির....বিস্তারিত পড়ুন- http://bit.ly/1KIT70F

*জাতিসংঘ* *এইডস* *এইচআইভি* *প্রতিষেধক* *ঔষধ* *ভাইরাস* *যান্ত্রিকজীবন* *ভাগ্য* *আড্ডা*

Risingbd.com: জিকা ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকার উপায় অন্তত সত্তর বছর পুরনো জিকার ইতিহাস। ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস (এডিস এজিপ্টি) মশাই এ ভাইরাসের বাহক। এখন পর্যন্ত জিকা-প্রতিরোধী কোনো টিকা আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। এসব নিয়েই এই প্রতিবেদন....বিস্তারিত- http://bit.ly/1UBHj0m

*জিকোভাইরাস* *ডেঙ্গু* *টিকা* *প্রতিষেধক* *ঔষধ* *আড্ডা* *সারাবাংলা* *জানাঅজানা* *যান্ত্রিকজীবন* *জ্বর*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


(১)ডেঙ্গিঃ ২০১৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ডেঙ্গি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বহু মানুষ। প্রায় ১০০টি দেশে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বেশিরভাগ মানুষ। ২০১৫ সালের এই রোগকে কাবু করতে প্রথম ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করা হল। যেটি প্রথম পরীক্ষা করে দেখাও হয় ২০১৫ সালে। এই ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের পর থেকে প্রথম পর্যায়ে ধরা পরা ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীকে অনায়াসেই সুস্থ করে তোলে।
(২)সূঁচ ছাড়া রক্ত দেওয়াঃ ইনজেকশান এবং সূঁচের প্রতি ভয়ে পেতে রক্ত দেওয়ার কথা এখন মাথা থেকে বের করে দিতে হবে। পিং-পং বলের মতো আকৃতির একটি যন্ত্র আপনার শরীরে চেপে ধরে থাকতে হবে। যেখানে কোনও সূঁচ থাকবে না। এরপর একটি ভ্যকুমের মাধ্যমে শরীর থেকে রক্ত বের করা হবে। যা যন্ত্রের মুখে লাগানো টিউবের মাধ্যমে বাইরে এসে জমা হবে পাত্রে। ডাক্তারি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সাফল্য।
(৩)হৃদরোগঃ হার্টের সমস্যা অনেকেরই থাকে। কিন্তু যেখানে সেখানে ব্যথা শুরু হয়ে অবস্থার অবনতিতে মারা যেতেন বেশিরিভাগ মানুষ। কারণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা শুরু করা না গেলে কখনওই বাঁচানো যেত না। ২০১৫ সালে আবিষ্কার হয়েছে এমন একটি ওষুধ, যা ব্যথা শুরু হলেই খাইয়ে দিতে হবে। এর ফলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়তি কিছু সময় পাওয়া যাবে। কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও হবে না এই ওষুধের।
(৪)অবসাদের ওষুধঃ অবসাদের জন্য ওষুধ বাজারে অনেক দিন ধরেই ছিল। কিন্তু যে ওষুধগুলি ছিল সেগুলো সবার শরীরে ঠিক মত কাজ করত না। এতে অবসাদ কাটার বদলে আরও বেশি বেড়ে যেত। ২০১৫ সালে নরেক্স ওষুধ কোম্পানির তরফ থেকে এমন একটি ওষুধ বের করা হয়েছে যা এক দিনের মধ্যেই অবসাদকে শরীর থেকে হাওয়া করে দিতে সক্ষম হবে। এই ওষুধটি সকলের শরীরেই কার্যকর হবে।
(৫)ভ্রুণের ওষুধঃ অনেক সময় মহিলাদের গর্ভবতী হতে গেলে প্রচুর শারীরিক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু এবার এমন একটি ওষুধ বের করা হয়েছে যেখানে পেটে থাকা ভ্রুণ যদি খারাপ হয় তাহলে তাকে আবার ভালো ভ্রুণে রূপান্তর করা যেতে পারবে। নয়া প্রযুক্তির মাধ্যমে পেট থেকে ভ্রুণকে বের করে পরীক্ষাগারে তাকে পরীক্ষা করার পর পুনরায় ওভারিতে ইনজেক্ট করা হবে। যার ফলে একটি সুস্থ সবল বাচ্চার জন্ম দিতে পারে মা।

তথ্যসুত্রঃ ইন্টারনেট

*বেশটেক* *বেশম্ভব* *ঔষধ* *২০১৫* *আবিষ্কার* *খবর*
*বেশম্ভব* *ঔষধ* *২০১৫* *আবিষ্কার* *খবর*

সাদাত সাদ: কালিজিরা চিরন্তন ..... কালিজিরা তেল চায়ের সাথে মিশিয়ে নিয়মিত খেলে হৃদরোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অতিরিক্ত গরমের মাজে বৃষ্টি সর্দি জর হতেই পারে তাই কালিজিরা ভর্তা খাওয়া উচিত অথবা তিলের সাথে কালিজিরা মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

*কালিজিরা* *ঔষধ*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ছোটখাটো সমস্যা হলেই ফার্মেসি থেকে ঔষধ কিনে খাবেন না, সমাধানের পরিবর্তে নতুণ সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
*সাবধান* *ঔষধ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লা থেকে এইডস রোগের সংক্রমনকারী এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধে এক আশ্চর্য ওষুধ তৈরি করেছেন বলে দাবি করেছে একদল গবেষক। এই ঔষধ হেপাটাইটিস সি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও এইচআইভি ভাইরাসের মতো বিভিন্ন ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, তারা কলা থেকে একটি আশ্চর্য ওষুধ তৈরি করেছেন। যা এসব ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করবে। তারা কলা থেকে বিশেষ প্রোটিনটি আলাদা করেছেন। এর নাম ব্যানলেক। প্রায় পাঁচ বছর আগে এটি এইডসের চিকিৎসায় সম্ভাবনাময় ওষুধ হিসেবে আবিষ্কৃত হয়। তবে এর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে তখন ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।

গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা বর্তমানে সে সমস্যা দূর করতে সক্ষম হয়েছেন। তারা ব্যানলেক প্রোটিনটির নতুন একটি সংস্করণ তৈরি করেছেন। এটি ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।
 
গবেষকরা এই এইচ৮৪টি নামের ব্যানলেকটির নতুন সংস্করণটি পরীক্ষাগারে এইডস, হেপাটাইটিস সি, ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে টিস্যু ও রক্তের নমুনার ওপর প্রয়োগ করে দেখেছেন। গবেষকেরা বলছেন, তাঁদের তৈরি এ ওষুধ ইবোলার ওপরেও কাজ করবে। কারণ ভাইরাসের ওপরে থাকা চিনির অনুগুলোকে আটকে রাখবে।
 
গবেষকেরা অবশ্য বলছেন, নিয়মিত কলা খেলে এ ধরনের কেনো সুফল পাওয়া যাবে না। কারণ ওষুধ তৈরিতে কলা থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক সংগ্রহ করা হয় এবং তা প্রক্রিয়াজাত করা হয়।
(সংকলিত)
*আবিষ্কার* *কলা* *ঔষধ*

এ. আর. খান: ঔষধ মানুষকে শারীরিক ভাবে কিছুটাদিন হয়তো ভালো রাখে... কিন্তু মানুষের আসল সুস্থতাটা মনে.. একটা মানুষ ক্রমাগত মনোঃকষ্টের মধ্যে থাকলে তাকে আর যাই হোক, ঔষধ খাইয়ে সুস্থ রাখা যায় না.. ভয়াবহ ক্লান্ত দেহেও যে মানুষটা ২-৩ঘন্টাও ঘুমাতে পারে না,ঘুমের ঔষধ তার কি উপকার করবে? জীবন-মৃত্যুর মাঝখানে থাকাটা কি জিনিস সে ছাড়া এই পৃথিবীর কেউ সেই যন্ত্রনাটা টের পায় না!

*ঔষধ* *জীবনওযন্ত্রনা*
জোকস

শাকিল: একটি জোকস পোস্ট করেছে

একলোক ডাক্তারের কাছে গেলো.....: লোকঃ ডাক্তার সাহেব বেশিদিন বাঁচার কি কোন *ঔষধ* আছে? ডাক্তারঃ *বিয়ে* করে ফেলেন। লোকঃ সত্যিই! বিয়ে করলে বেশিদিন বাঁচবো? ডাক্তারঃ আরে না,,,এটলিস্ট বেশি দিন বাঁচার *চিন্তা* ছেড়ে দিবেন।
*ঔষধ* *বিয়ে* *চিন্তা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★