কণ্ঠস্বর

কণ্ঠস্বর নিয়ে কি ভাবছো?

Mahi Rudro: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

খনার বচন -- ০৯
ঘোল, কুল, কলা তিনে নাশে গলা।
*কণ্ঠস্বর*

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

গলার স্বর যখন ভেংগে যায় !বা
http://www.shasthototho.com/2013/11/blog-post_2147.html
সব বয়সী মানুষেরই গলার স্বর ভাঙ্গে বা বসে যায়। তবে তুলনামূলক ভাবে মহিলাদের গলার স্বর বসে বেশি। সাধারণ ভাবে গলার স্বর বসা বা ভাঙ্গার প্রাথমিক কারণ হলো শ্বাসনালীতে ইনফেকশান বা সংক্রমণ। পেশাগত কারণে যাদের গলা ব্যবহার করতে হয়, অর্থাৎ আইনজীবী, সংগীত শিল্পী, রেডিও টেলিভিশনের পাঠক, উপস্থাপক, শিক্ষক বা বিপণণের সাথে যারা জড়িত, তাদের গলা বসে যাওয়ার প্রবণতা বেশী থাকে। গলায় কোনো ইনফেকশন বা সংক্রমণের পরও যদি গলার ব্যবহার অর্থাৎ কথা বলা আগের মতই অব্যাহত রাখা হয়, তবে গলার স্বর বসার আশংকা বেশি থাকে। কিংবা গলার স্বর আরো বেশি করে বসে যায় ও কথাই বের হতে চায় না। এ ছাড়া গলার ব্যবহার যদি ঠিকভাবে না হয়। কিংবা যদি চেঁচিয়ে কথা বলা হয় তা হলেও গলা বসে যেতে পারে। একই ভাবে কোনো গায়ক বা বক্তা যদি তার গলার ক্ষমতার বাইরেও উঁচু স্বরে কথা বলেন বা চিৎকার করেন বা গান করেন তবে গলা ভেঙ্গে যেতে পারে। ছোট বাচ্চারা অনেক সময়ই গলা ছেড়ে কান্না করে বা আবদার জুড়ে দেয় আর এ কারণে তাদের গলা ভেঙ্গে যায়। অন্যদিকে সন্তানের মায়েদেরকে নানা কারণে চিৎকার করতে হয়। যা তাদের গলার ওপর চাপ ফেলে ও গলা ভেঙ্গে যায়। ইনফেকশান বা অন্য কোনো কারণে যদি গলার স্বর ভাঙ্গে তবে তা বিশ্রাম ও সামান্য ওষুধ ব্যবহার করলে ভাল হয়ে যায়। গলার স্বরের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রথমেই কথা বলা কমিয়ে দিতে হবে। সম্ভব হলে কথা বলা বন্ধ করে দিতে হবে। ঠাণ্ডার কারণে যদি গলা বসে যায় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে। গলার সাধারণ ব্যথা বা গলা ভাঙ্গার জন্য ভাল একটি ওষুধ হলো গরম বাষ্প। ফুটন্ত পানির বাষ্প যদি মুখ ও গলা দিয়ে টানা হয় তবে গলার উপকার হয়। দৈনিক অন্তত দশ মিনিট এ ভাবে গরম ভাপ নিতে হবে। এটি সত্যিই কাজের ওষুধ। এক দিকে পানি গরম করতে তেমন বেশি খরচ হয় না। অন্যদিকে এ ওষুধের পার্শ্ব কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। এ ছাড়া গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করা হলে তাতেও উপকার পাওয়া যায়। তবে এমন সব চিকিৎসাও অনেক সময় কাজে দেয় না। দিনের পর দিন ধরে গলার স্বর বসে থাকে। গলা দিয়ে কথা বের হতে চায় না। স্বর বদলে যায়। ফ্যাস ফ্যাসে আওয়াজ হয়। এ ধরণের পরিস্থিতিকে সব সময় বিপদের লক্ষণ হিসেবে ধরতে হবে। গলা একবার বসে যাওয়ার পর চার সপ্তাহ বড় জোর ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত দেরি করা যায়। চিকিৎসকরা মনে করেন কারো গলা ভাঙ্গা যদি ছয় সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় তবে তাকে দেরি না করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। এ ধরণের স্বর বসে যাওয়া অনেক সময়ই মারাত্মক রোগের লক্ষণ হয়ে আসে। ...বিস্তারিত
*কণ্ঠস্বর* *গলারযত্ন* *গলা*
১১৭ বার দেখা হয়েছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★