কথোপকথন

কথোপকথন নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

- নীল আকাশের বুকে ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘ আমার ভীষন ভালো লাগে। আচ্ছা, তোমার কেমন লাগে?

- একদম ভালো লাগে না। বরং ঘন কালো মেঘে ঢাকা আকাশ আমার ভালো লাগে।
- তোমাকে নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় উঠব। তাবুতে গল্প করে কাটিয়ে দেব এক রাত।

- আমার উচ্চভীতি আছে, পাহাড়ের চূড়ায় উঠব না। তার চেয়ে কোনো এক বিকেলে রিকশায় দুজনে হারাবো অচেনা পথে।

- আচ্ছা, পালতোলা নৌকায় কোনো এক গোধূলী বেলায় আমরা নদীর ঢেউ গুনবো?

- পালতোলা নৌকায় আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। বড্ড ভয় লাগে যদি নদীতে ডুবে যায়।

- আচ্ছা, তোমার সাথে আমার কোনো ইচ্ছা, ভাবনা ও চিন্তার বিন্দুমাত্র মিল নেই। তারপরও তুমি বিহীন কোনো কিছুই ভাবতে পারি না। আমার সমস্ত অস্তিত্ব জুড়ে তোমার অবাধ বিচরণ।

- আমিও না অনেক ভেবেছি গো। তোমার সাথে কিছুই তো মেলে না আমার। তারপরও আমার। কল্পনা জুড়ে শুধু তোমারই আনাগোনা।

- আমি কিছু জানি না। শুধু এটুকু জানি তুমি আছো বলেই আমি বেঁচে আছি। মিল-অমিল, ইচ্ছা- অনিচ্ছা বা বিপরীত ভাবনা এর কোন কিছুতেই ভালোবাসা প্রকাশ পায় না। অনুভাবই ভালোবাসার পূর্ণতা। আর অনুভাবই তোমাকে আমার কাছে নিয়ে এসেছে।

- আমিও কিছু জানি না। শুধু জানি আমার সব টুকু সময় তোমারই ভাবনায় কেটে যায়। সব অনিশ্চয়তাকে পিছনে ফেলে তোমার চোঁখেই আমার সবটুকু নির্ভরতা। আর ঔ নির্ভরতাই আমার ভালোবাসা।

*ভালোবাসা* *আবেগ* *অনুভূতি* *কথোপকথন* *কাল্পনিক*
জোকস

একজন 'র': একটি জোকস পোস্ট করেছে

বন্ধু (১) : একদিন খুব সকালে একজন ফোন দিয়ে ঘুম ভাঙ্গিয়ে বলেছিল- "আপনার ঘুমন্ত কণ্ঠ শুনেই মেয়ে গুলি ক্রাশ খাবে"। বন্ধু (২) : তারপর? বন্ধু (১) : তারপর থেকে রাতে মোবাইল ফোন বন্ধ করে ঘুমাই! সকাল সকাল মোবাইল ফোনের রিংটোনের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যাবার মত মর্মান্তিক ঘটনা আর দ্বিতীয়টি নেই (খিকখিক)
*রম্য* *কৌতুক* *কথোপকথন*

জোবায়ের রহমান: ছেলে: তিলোত্তমা, দেখো দেখো কি সুন্দর বউ। ইশশশ! দেখে বিয়ে করতে ইচ্ছে করছে। মেয়ে: (হেসে) তাইই... না? ছেলে: ভাবো তো একবার, সে কিছু বলবে আমি কিছুই বুঝবো না। তারপর আমি কিছু বলবো, সে না বুঝেই মিষ্টি করে হেসে দিবে। মেয়েটার নরম গালে লজ্জার মিষ্টি হাসি ফুটে উঠে।

*কথোপকথন*

পায়েল : – কি করছো? – ছবি আকঁছি। – ওটা তো একটা বিন্দু। – তুমি ছুঁয়ে দিলেই বৃত্ত হবে। কেন্দ্র হবে তুমি। আর আমি হবো বৃত্তাবর্ত। – কিন্তু আমি যে বৃত্তে আবদ্ধ হতে চাই না। আমি চাই অসীমের অধিকার। – একটু অপেক্ষা করো। . . . এবার দেখো। ওটা কি ? ওটা তো মেঘ। – তুমি ছুঁয়ে দিলেই আকাশ হবে। তুমি হবে নি:সীম দিগন্ত। আর আমি হবো দিগন্তরেখা।

*প্রিয়কবিতা* *কথোপকথন* *পূর্ণেন্দুপত্রী*

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

কথোপকথন
কি করছো? স্নান সেরে বেরুলাম গায়ে লোশন মাখছি নগ্ন গায়ে! তা কি কাপড়ের উপরে লাগাবো! না ঠিক তা নয়! কি তাহলে? ভাবছি! কি ভাবছো? ক্যামিক্যাল যুক্ত সস্তা এ প্রাসাধনী, অবলীলায় গায়ে মাখছো! আর সেদিন তোমার ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়াবো ভেবে আগে বাড়তেই, যা দুষ্টু বলে সরিয়ে দিলে! অদ্ভুদ! কিসের সাথে কি! ভাবছি মানুষ না হয়ে প্রসাধনী হলেই নিঃসঙ্কোচে আমায় গায়ে জড়াতে! ২১.০৯.১৫
*কথোপকথন*

জোবায়ের রহমান: - লাশের নাকে তুলো দিয়ে কর্পূর গুঁজে দেয়ার কি কারণ হতে পারে? - কর্পূরের সম্মোহনী ক্ষমতা প্রবল। নাকে কর্পূর গুঁজে দিলে সে মৃত ব্যক্তি মৃত্যুতে স্থির থাকে। সে আর পৃথিবীতে ফিরে আসতে চায় না। এমন কিছু একটা হতে পারে। - আর যাদের সৎকার হয় না? - তারা হয়তো পৃথিবীতেই থেকে যায়।

*সাক্ষী* *কথোপকথন*

জোবায়ের রহমান: তাহলে জীবনের নিরাপত্তা খোঁজা কি অন্যায়? - নিরাপত্তাই যদি শেষ কথা হতো তাহলে মাতৃগর্ভের প্রবল নিরাপত্তার মধ্যেই থেকে যেতাম। এই ধুলোর পৃথিবীতে আর আসতাম না। - তাহলে আমরা কেন এসেছি পৃথিবীতে? - সেটা জানার জন্যই কিন্তু বারবার পৃথিবীতে ফিরে আসি।

*কথোপকথন*

মুকতাদির: একটি বেশব্লগ লিখেছে

-এতো দেরী করলে কেন? সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছি।

 - কি করবো বলুন ম্যাডাম? টিউশনি শেষ করে বাইরে তখন ঝুম বৃষ্টি। আমার জন্যে তো আর গেইটের বাইরে মার্সিডিজ দাঁড়িয়ে থাকে না যে ড্রাইভারের কুর্নিশ নিতে নিতে হুট করে ঢুকে পড়বো। তাই ঝুম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে, কাদা-জল ভেঙ্গে, গরীবের গাড়ি মানে দু’পায়ের উপর ভরসা করেই আসতে হয় আপনার আমন্ত্রণ রক্ষা করতে। তবে আজ রিক্সায় করে এসেছি নইলে একেবারে কাকভেজা হয়ে যেতাম। রিক্সা খুঁজে পেতেই যা দেরী হলো।

-ইস্ বেশ ভিজে গেছো দেখছি। কাছে এসো তো, রুমাল দিয়ে মুছে দিই। - ওহো, আমি তো ভেবেছিলাম তোমার শাড়ির আঁচল দিয়ে মুছিয়ে দেবে। ঠিক আছে, রুমালই সই।

- না মিস্টার, ওটা ভবিষ্যতের জন্য জমা থাকুক। যখন তোমার বউ হবো তখন ইচ্ছেটা পূরণ হবে।

- আচ্ছা। আর যদি তা না হও, তবে আমি বুড়ো বয়েসে পান চিবোতে চিবোতে কোন এক বাদলঘন দিনে বসে বসে রোমন্থন করবো আজকের এই রুমালি ভালোবাসাময় সময়টাকে। নাতিপুতিকে তখন প্রথম প্রেমিকা আর এই রুমালটার গল্প শোনাবো।

- প্লিজ, এভাবে বলো না। কেন আমি তোমাকে পাবো না? তুমি কি আমাকে চাও না? আমাকে ভালোবাসো না?

- উত্তরটা আসলে একটু কঠিন। তোমাকে চাই আবার চাই না। ভালোবাসি আবার বাসি না।

-হেয়াঁলি রাখো। আমি স্পষ্ট জানতে চাই।

- তবে শোন। আমার প্রতিদিনের জীবন সংগ্রামের নির্মম বাস্তবতা তোমার জানা নেই। সেই জীবনে তুমি কখনো অভ্যস্ত হতে পারবেও না। তোমাকে একটা প্রশ্ন করি?

- হ্যাঁ, করো। - একটু আগে একটা টং-এর দোকানের ছাউনিতে গা বাচিয়ে রিক্সা খুঁজছিলাম। খুব শীত শীত লাগছিলো, তখন চা খেয়েছিলাম ভাঙ্গা কাপে। আধধোয়া সে কাপে লেগেছিলো অনেক মেহনতি মানুষের ঠোঁটের ছোঁয়া, লেগেছিলো থুতুও যা এখনো আমার ঠোঁটে লেগে আছে। তুমি কি পারবে সেই ঠোঁটে চুমু খেতে?
*কথোপকথন* *পূর্ণেন্দু_পত্রী*

মুকতাদির: একটি বেশব্লগ লিখেছে

– তুমি আজকাল বড্ড সিগারেট খাচ্ছ শুভন্কর।
 
– এখুনি ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছি… কিন্তু তার বদলে??
 
–বড্ড হ্যাংলা। যেন খাওনি কখনো?
 
– খেয়েছি। কিন্তু আমার খিদের কাছে সে সব নস্যি। কলকাতাকে এক খাবলায় চিবিয়ে খেতে পারি আমি, আকাশটাকে ওমলেটের মতো চিরে চিরে, নক্ষত্রগুলোকে চিনেবাদামের মতো টুকটাক করে, পাহাড়গুলোকে পাঁপর ভাজার মতো মড়মড়িয়ে, আর গঙ্গা? সে তো এক গ্লাস সরবত।

 –থাক। খুব বীরপুরুষ।
 
–সত্যি তাই… পৃথিবীর কাছে আমি এই রকমই ভয়ংকর বিস্ফোরণ। কেবল তোমার কাছে এলেই দুধের বালক, কেবল তোমার কাছে এলেই ফুটপাতের নুলো ভিখারি, এক পয়সা, আধ পয়সা কিংবা এক টুকরো পাউরুটির বেশী আর কিছু ছিনিয়ে নিতে পারিনা।
 
–মিথ্যুক..। –কেন?

–সেদিন আমার সর্বাঙ্গের শাড়ি ধরে টান মারনি?

– হতে পারে। ভিখারিদের কি ডাকাত হতে ইচ্ছে করবে না একদিনও??
*পুর্ণেন্দু_পত্রী* *কথোপকথন*

The তানভীর স্বপ্ন: এক ফ্রেন্ড কল দিলো - ফ্রেন্ড: কি করস? আমি: টিভি দেখি। ফ্রেন্ড: আমিও... তুই কি দেখস? আমি: খেলার বিশ্লেষন। তুই? ফ্রেন্ড: DID লিটল মন্সটার! আমি: কি?!? (ব্যাপকটেনশনেআসি) ফ্রেন্ড: জিটিভি'তে, DID লিটল মাস্টার দেখি। আমি: ওওওওহ!! ফ্রেন্ড: তুই কি শুনছিলি? (চিন্তাকরি) আমি: নাহ্! কিছু না... (চিন্তামুক্ত)

*কথোপকথন* *মুঠোফোন*

এইচ,এম,মাসউদুল আলম ফয়সাল: ....

*বন্ধুত্ব* *কথোপকথন*

মাহনূর তাবাসসুম মীম: *কথোপকথন* _ মফিজ সাহেব! বাংলাদেশে এয়ারটেল এর ব্যবসা কেমন চলসে? _ কিছু বোঝা যাচ্ছে না স্যার, আপনি কাইন্ডলি আমার জিপি তে কল করুন। (হাসি২)(ভেঙ্গানো)

মাহনূর তাবাসসুম মীম: *কথোপকথন* ১ম ফকিরঃ আইজকা মতিঝিলে একখান ১০০ টাকার নোট কুড়ায়ে পাইছিলাম!২য় ফকিরঃ কস কি? ভাগ্য তোর!১ম ফকিরঃ আরে না, নোট খান জাল আছিল, তাই ফালাইয়া দিছি!২য় ফকিরঃ জাল আছিল ক্যামনে বুঝলি??১ম ফকিরঃ তুই কোনোদিন ১০০ টাকার নোটে১ এর পরে তিনটা ০ দেকসস? *জোকস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★