কম্বল

কম্বল নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রকৃতিতে শীতের আবেশ পড়েছে মাত্র কয়েকদিন হল। ঠান্ডার প্রকোপ এখনো ততটা তীব্র হয়নি। তারপরেও বিকেলের দিকে শীত পড়তে শুরু করে চলে সকাল পর্যন্ত। সন্ধ্যায় শীত না লাগলেও মাঝরাত থেকে কোনকিছু গায়ে না জড়ালে ঠান্ডায় ঘুমানো যায় না। তাই এখন থেকেই চাই শীতের প্রস্তুতি। এ জন্য লেপ-কম্বলের ওম তো লাগবেই। সব সময় তো আর হাড় কাঁপানো শীত পড়ে না। কম ঠান্ডায় লেপ গায়ে দিতেও বেশ অস্বস্তি হয়। সুতরাং কম্বলটাই এখন বেশি আরামদায়ক।

বেশ কয়েক বছর থেকে আমাদের দেশে কম্বল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গরীব-ধনী যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী কম্বল কিনে নিচ্ছেন। কম্বল মানেই বাহারি রং ও নকশা। বর্তমানে দেশি ও বিদেশি দুই ধরনের কম্বলই পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিদেশি কম্বলই বেশি। বাংলাদেশে সেরা অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে সব ধরনের কম্বল পাওয়া যাচ্ছে। ঘরে বসেই এসব কম্বল কিনতে পারবেন ২০০-৫০০০ টাকার মধ্যে। পাতলা কম্বলের দাম পড়বে ২০০ থেকে ৮০০ টাকা। সিঙ্গেল কম্বলের দাম ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। আর ডাবল কম্বলের দাম ২ হাজার ৫ হাজার টাকা।

আজকেরডিল থেকে কম্বল কেনার আগে প্রয়োজনে অন্য মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে ধারণা নিতে পারেন। আশাকরি, অন্যদের থেকে আজকেরডিলে কমদামে কম্বল ও কমফোর্টার পেয়ে যাবেন। সেই সাথে আজকেরডিল থেকে কম্বল কিনলে বিকাশে ক্যাশব্যাক অফার পাবেন, পণ্য হাতে পাওয়ার পর কোন ত্রুটি থাকলে তা ফেরত দিতে পারবেন। যারা লোকাল মার্কেট থেকে কম্বল কিনবেন তারা অবশ্যই দেখে নিবেন হাত দিয়ে টানলে পশমগুলো উঠে যাচ্ছে কিনা আর সেলাইগুলো ঠিক আছে কিনা। পশম উঠে আসলে বুঝতে হবে কম্বলের মান খারাপ।

কম্বলের যত্নঃ


কম্বল সাধারণত অনেকেই ড্রাই ওয়াশ করিয়ে থাকে। কিন্তু, ইচ্ছে থাকলে ঘরেই কম্বল ধোয়া সম্ভব। তার জন্য লাগবে শ্যাম্পু। শ্যাম্পু তে ১০মিনিট ভিজিয়ে রেখে সাথে সাথে হালকা হাতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর পানি ঝরিয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে বাতাসে শুকাতে হবে। আর ব্যবহারের পর মাঝে মাঝে হালকা রোদে দিতে হবে। যাদের কম্বল থেকে এলার্জি হয় তারা অবশ্যই কম্বলে কভার ব্যবহার করুন।


শীত পড়ুক বা না পড়ুক, তা টের পাওয়া যায় সকাল বেলায়। নিজের অজান্তেই যারা কাঁথাটা টেনে মুরি দিয়ে নেন তারা আজই একটি কম্বল কিনে নিন। ঘরে বসেই দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে কম্বল কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*কম্বল* *শীতেরকম্বল* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্ল্যাঙ্কেট কিনতে ক্লিক করুনহাঁড় কাঁপুনি শীতে বিছানায় উষ্ণতার সঙ্গী লেপ, কাঁথা আর কম্বল। যুগের পরিক্রমায় লেপ-কাঁথার ব্যবহার কমে গেলেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কম্বলের ব্যবহার। এই শীতে বিছানায় উষ্ণতার পরশ পেতে একটি ভালো মানের কম্বলই যথেষ্ঠে। নান্দনিক ডিজাইন আর দাম কম হওয়ায় কম্বলের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলুন হাঁড় কাঁপুনি শীত থেকে বাঁচাতে পারে এমন ১০টি আকর্ষণীয় কম্বল দেখে নেই।

০১. আকর্ষণীয় বেড কম্বল 


কিনতে ক্লিক করুন

০২. মাইক্রো ফাইবার ব্ল্যাঙ্কেট


কিনতে ক্লিক করুন

 ০৩.  ডাবল বেড সাইজ কম্বল


কিনতে ক্লিক করুন

০৪. ডাবল বেড সাইজ কমফোর্টার


কিনতে ক্লিক করুন

০৫. কমফোর্টার টু


কিনতে ক্লিক করুন

০৬. কালারফুল কম্বল


কিনতে ক্লিক করুন

০৭. পোলার ফ্লিস ব্ল্যাঙ্কেট


কিনতে ক্লিক করুন

০৮. মাইক্রো ফাইবার বেড ব্ল্যাঙ্কেট


কিনতে ক্লিক করুন

০৯. মাইক্রো ফাইবার


কিনতে ক্লিক করুন

১০. পোলারিজ মাইক্রো ফাইবার ডিলাক্স ব্লাঙ্কেট


কিনতে ক্লিক করুন

দেশি-বিদেশি কম্বলে ছেয়ে গেছে রাজধানীর শপিং সেন্টারগুলো। অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও পাওয়া যাচ্ছে এসব আকর্ষণীয় কম্বল। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে আপনি আপনার পছন্দের কম্বলটি বেছে নিতে পারবেন। এক ক্লিককেই শীতের কম্বল কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*কম্বল* *ব্ল্যাঙ্কেট* *কমফোর্টার* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারাদিনের কর্মব্যস্ত ক্লান্ত সময়ের পর কিন্তু শেষ আশ্রয় আপনার শোবার ঘরই। মানুন বা না মানুন, শীতকালে লেপের নিচের আরামের কথা অস্বীকার করার কোন উপায় কিন্তু নেই। হু হু ঠান্ডায় লেপের ওমে মায়ের হাতের গরম গরম ভাপা পিঠার কথা কে ভুলতে পারে? তো, তৈরী তো সেই আরামের কেন্দ্রস্থল? যথেষ্ট কমফোর্টার বা কম্বল না থাকলে, এখুনি সময় কিনে নেয়ার বা বানিয়ে নেয়ার। আরো কিছুদিন পর সময় পাওয়া যাবে না। অথবা বানানোর ঝামেলায় না যেতে চাইলে ঢুঁ মারতে পারেন অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলে। টেকসই রঙ এবং ফেব্রিক দেখে কিনে ফেলুন রেডিমেড একটি। একটি কমফোর্টার বেশ কয়েক বছরের জন্য নিশ্চিন্ত রাখতে পারে।  

যাই বলুন, হাঁড় কাঁপুনি শীতে বিছানায় উষ্ণতার সঙ্গী লেপ, কাঁথা আর কম্বল। যুগের পরিক্রমায় লেপ-কাঁথার ব্যবহার কমে গেলেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কমফোর্ট আর কম্বলের ব্যবহার। এই শীতে বিছানায় উষ্ণতার পরশ পেতে একটি ভালো মানের কমফোর্ট বা কম্বলই যথেষ্ঠে। নান্দনিক ডিজাইন আর দাম কম হওয়ায় এগুলোর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

দেশি-বিদেশি কম্বলে ছেয়ে রাজধানীর শপিং সেন্টারগুলো। সেসব কেনার জন্য বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। বিক্রেতার মুখে শোনা যাচ্ছে নতুন নতুন কম্বলের ব্যান্ডের নাম।  দেশী কম্বলের পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে চীনা, জাপানি ও কোরিয়ান কম্বল। চীনা ডাবল কম্বলগুলোর দাম ২ হাজার ২শ’ থেকে ৫ হাজার টাকা। জাপানি কম্বলগুলোর দাম ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। কোরিয়ান কম্বলের দাম ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। সিঙ্গেল কম্বলের দাম ২ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। বাচ্চাদের কম্বলগুলো পাওয়া যাচ্ছে ৬শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকায়। 

কম্বল কেনার আগে প্রথমে দেখে নিতে হবে হাত দিয়ে টানলে পশমগুলো উঠে যাচ্ছে কিনা আর সেলাইগুলো ঠিক আছে কিনা। পশম উঠে আসলে বুঝতে হবে কম্বলের মান খারাপ। বিদেশি কম্বলের মধ্যে চীনের কম্বলগুলোর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। মান তুলনামূলকভাবে খারাপ হলেও, দাম কম হওয়ায় বাড়তি চাহিদার মূল কারণ। কাপড়ের ধরন, রঙের বিভিন্নতা, আর ময়লার ধরণবলেদেবে কোনোটাতে দরকার পড়বে লন্ড্রি ওয়াশ, আবার কোনটা ড্রাই ওয়াশ করলেই চলবে। 

আজকের ডিল থেকে কি ধরনের কমফোর্টার ও কম্বল কিনবেন সে সম্পর্কে জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন। 

*কম্বল* *কমফোর্টার* *শীতকাল*

নির্জন: [শীত-বেরহমুনা] হ্যাপিনেজ ইজ দেরি করে কম্বলের ভিতর থেকে বের হওয়া, স্যাডনেজ ইজ কম্বলের ভালবাসায় অফিস দেরি হয়ে যাওয়া। সুখি শীতকাল কারে কই, সে কি কেবলি যাতনাময়? (হাইতুলি)

*শীতকাল* *কম্বল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতকাল আসি আসি করছে। যদিও ঠান্ডার প্রকোপ এখনো ততটা তীব্র হয় তবু এখন থেকেই চাই শীতের প্রস্তুতি। বিশেষ করে এই মৌসুমে ঠান্ডা গরমের খেলাচ্ছলে শিশুদের সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে, এর থেকে সুৰোক্ষ পেতে বাচ্চাদের লেপ-কম্বলের ওম তো লাগবেই। সব সময় তো আর হাড় কাঁপানো শীত পড়ে না। কম ঠান্ডায় লেপ গায়ে দিতেও বেশ অস্বস্তি হয়। তখন কম্বলটাই বেশি আরামদায়ক। কম্বল তৈরি কম্বল (রেডিমেড) কেনাই ভালো। বাজারে নানা ধরনের কম্বল পাওয়া যায়। বড় কম্বলের আকার হলো ২০০ x ২৪০ সেন্টিমিটার, ছোট কম্বল ১৬০ x ২০০ সেন্টিমিটার আর শিশুদের কম্বল ১১০ x ১৪০ সেন্টিমিটার। 

বাজার গুলোতে শিশুদের কম্বলেও বেশ জমে উঠেছে । বাবা-মায়েরাও বেশ ছুটছেন ছোট্ট মনিটিকে শীতের রুক্ষতা থেকে রক্ষা করতে । অনেকে মনে করেন, শিশুদের জন্য আবার বাড়তি লেপ কম্বলের দরকার কি ! দরকার আছে বৈকি, শিশুর বিছানায় কখনোই অতিরিক্ত বালিশ, লেপ ও কম্বল জড়ো করে রাখবেন না। খেলার ছলে কিংবা ঘুমের মধ্যেও শিশু এসবের নিচে চাপা পড়তে পারে। শিশুর ম্যাপ অনুযায়ী কম্বল কিনলে শিশুর গায়ে সেটি ভালোমতো গুছিয়ে থাকবে, বাইর থেকে ঠান্ডা বাতাস শিশুর শরীরকে ছুঁতে পারবে না। 

গোলাপি, লাল, সবুজ, নীল রংয়ের মাঝে অনেক ফুলের ছাপ এ সব কম্বল সোনামনিরা হাসি খুশি ভাবেই নিবে ।কম্বলের ব্যাপারে যত্নটাও একটা মুখ্য বিষয়। যত্নের ফলে কম্বল ব্যবহার উপযোগী থাকবে বহুদিন। তাতে আপনার সোনামনির শীতের রাতগুলোতে ঘুমটাও ছেয়ে যাবে মায়াবী উষ্ণতায়, আপনার শিশুকে রাখবে আরামদায়ক এক স্বস্তিতে।

শিশুদের কম্বলের দামদর: শিশুদের কম্বলেই রংয়ের বৈচিত্র বেশি মিলবে। শিশুদের জন্য কম্বলের দাম পড়বে ৭০০-১১০০ টাকার মধ্যে। এ ক্ষেত্রে কিছু পরিচিত ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে প্র্যাডো, কেকিউ, সুপার রয়্যাল, প্রেসিডেন্ট, টয়ো জাপান, টয়ো মোরা, গোল্ডেন সগ্‌স, ওয়াচি প্রভৃতি।বিদেশি কম্বলো ক্ষেত্রে প্রস্তুতকারী দেশ এবং আকারের ওপর এর দাম নির্ভর করে। 

শিশুদের কম্বল কোথায় পাবেন : রাজধানীর বঙ্গবাজারকে এখন কম্বলের বাজার মনে হতে পারে। রাজধানীর অভিজাত বাজারগুলোতেও একই চিত্র । কম্বলের কমতি নেই কোন দোকানে। বিভিন্ন আকৃতির সঙ্গে এসব কম্বলের ধরনেও আছে যথেষ্ট পার্থক্য। যার মধ্যে থেকে আপনি নিজের মত বেছে নিতে পারেন যে কোনটি ।রাজধানীর মোস্তফা মার্ট ও ইউনিমার্টে পাওয়া যাবে মেষের লোমের ও সিনথেটিক কম্বল । বৈচিত্রপূর্ণ এসব কম্বলের সর্বনিম্ন দাম পড়বে ১৪০০ টাকা । চাইলে রাজধানীর নিউ মার্কেট, নিউ সুপার মার্কেট, সিঙ্গাপুর মার্কেটে যেতে পারেন । এখানে গেলে দেখা যাবে সারি সারি দোকান যেন কম্বলের সাজে সেজেছে । কম্বল গুলোতে বিভিন্ন আঁকা যেমন ফুল, জীবজন্তু, তারা, ডোড়াকাটা দাগ মিলবে। এই বাজারের চায়না কম্বলের সর্বনিম্ন দাম ২২০০ টাকা, কোরিয়ান সর্বনিম্ন দাম ৩২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০০০ টাকা । আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল সবথেকে বড় ভরসা। 

 

*শিশুদেরকম্বল* *শীতেরকাপড়* *কম্বল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাঁড় কাঁপুনি শীতে বিছানায় উষ্ণতার সঙ্গী লেপ, কাঁথা আর কম্বল। যুগের পরিক্রমায় লেপ-কাঁথার ব্যবহার কমে গেলেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কম্বলের ব্যবহার। এই শীতে বিছানায় উষ্ণতার পরশ পেতে একটি ভালো মানের কম্বলই যথেষ্ঠে। নান্দনিক ডিজাইন আর দাম কম হওয়ায় কম্বলের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

 

দেশি-বিদেশি কম্বলে ছেয়ে রাজধানীর শপিং সেন্টারগুলো। সেসব কেনার জন্য বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা। বিক্রেতার মুখে শোনা যাচ্ছে নতুন নতুন কম্বলের ব্যান্ডের নাম।  দেশী কম্বলের পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে চীনা, জাপানি ও কোরিয়ান কম্বল। চীনা ডাবল কম্বলগুলোর দাম ২ হাজার ২শ’ থেকে ৫ হাজার টাকা। জাপানি কম্বলগুলোর দাম ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। কোরিয়ান কম্বলের দাম ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা।সিঙ্গেল কম্বলের দাম ২ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। বাচ্চাদের কম্বলগুলো পাওয়া যাচ্ছে ৬শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকায়। অনলাইন থেকে কিনতে চাইলে আজকের ডিল থেকেও কিনতে পারেন। 

 

কম্বল কেনার আগে প্রথমে দেখে নিতে হবে হাত দিয়ে টানলে পশমগুলো উঠে যাচ্ছে কিনা আর সেলাইগুলো ঠিক আছে কিনা। পশম উঠে আসলে বুঝতে হবে কম্বলের মান খারাপ। বিদেশি কম্বলের মধ্যে চীনের কম্বলগুলোর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। মান তুলনামূলকভাবে খারাপ হলেও, দাম কম হওয়ায় বাড়তি চাহিদার মূল কারণ। কাপড়ের ধরন, রঙের বিভিন্নতা, আর ময়লার ধরণবলেদেবে কোনোটাতে দরকার পড়বে লন্ড্রি ওয়াশ, আবার কোনটা ড্রাই ওয়াশ করলেই চলবে। 

  

আজকের ডিল থেকে কি ধরনের কম্বল কিনবেন সে সম্পর্কে জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন। 

*কম্বল* *উইন্টার* *শীতকাল*

ওম: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভাগাভাগি
সব মাফ আছে কিন্তু সক্কালবেলা যদি দেখি আমার কম্বল নাই আর তোর কম্বল নিচে ঝুলতাসে.... তাইলে , কিন্তু খবর আছে !
*শীতেরসকাল* *কম্বল* *আড্ডা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাঁড় কাঁপুনি শীতে বিছানায় উষ্ণতার সঙ্গী লেপ, কাঁথা আর কম্বল। যুগের পরিক্রমায় লেপ-কাঁথার ব্যবহার কমে গেলেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কম্বলের ব্যবহার। এই শীতে বিছানায় উষ্ণতার পরশ পেতে একটি ভালো মানের কম্বলই যথেষ্ঠে। নান্দনিক ডিজাইন আর দাম কম হওয়ায় কম্বলের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলুন হাঁড় কাঁপুনি শীত থেকে বাঁচতে কি ধরনের কম্বল কিনবেন সে সম্পর্কে জেনে নেই।

ডাবল বেড কম্বলঃ
এই শীতে আপনার ঘরে যদি ডাবল বেড কম্বল থাকে তাহলে শীত আপনার কাছেও ঘিঁষতে পারবে না। ডাবল বেড কম্বল এর বৈশিষ্ঠ্য-
১. ফেব্রিকঃ মাইক্রো ফাইভার
২. ফেব্রিকেশনঃ ৫৭০ জি এস এম
৩. কালার র‍্যান্ডম
৪. স্পেসালিটিঃ ফেদার টাচদ
৫. দাম-১৬১৯ টাকা


মিনক সফট ব্ল্যাঙ্কেটঃ 
এই ব্ল্যাঙ্কেট গুলো বেশ সফট ও উষ্ণ। বাজারে বিভিন্ন সাইজে এই ব্ল্যাঙ্কেট গুলো পাওয়া যায়। মিনক সফট ব্ল্যাঙ্কেট এর বিস্তারিত-
১. কিং সাইজ 
২. মেইড ইন কোরিয়া
৩. দাম ২৮০০ টাকা


সফরন সিলভার ব্ল্যাঙ্কেটঃ 
নান্দনিক ডিজাইন আর তুলতুলে আবেশ পেতে এই শীতে সফরন সিলভার ব্ল্যাঙ্কেট নিয়ে নিতে পারেন। সফরন সিলভার ব্ল্যাঙ্কেট এর বিস্তারিত-
১. সাইজ: ২০০x২৪০ সে.মি
২. ওজন: ৩.৫ কেজি
৩. মেড ইন কোরিয়া
৪. দাম-৪৬০০ টাকা


সফট চাইনিজ কম্বলঃ  
চাইনিজ কম্বল গুলো বেশ সফট ও আরামদামক। দামে কম এবং টেকসইতার জন্য এটি বেশ জনপ্রিয়। সফট চাইনিজ কম্বল এর বিস্তারিত-
১. উভয় পাশে প্রিন্ট করা 
২. নরম ও আরামদায়ক চাইনিজ কম্বল 
৩. সাইজঃ ৬ ফিট- ৭ ফিট 
৪. সাথে কম্বল ব্যাগ জিএসএম-২৮০
৫. দাম-১২৯৯ টাকা


ক্লাউড বেবি ব্ল্যাঙ্কেটঃ 
বাচ্চাদের জন্য নিঃস্বন্দেহে কিনতে পারেন ক্লাউড বেবি ব্ল্যাঙ্কেট। এ ধরনের ব্ল্যাংকেট গুলোতে বাচ্চাদের উপযোগী ফুলতোলা ডিজাইন রাখা হয়েছে। এটি সিঙ্গেল ও ডাবল দুই ধরনেরই পাওয়া যায়।  বিস্তারিত-
১. সাইজ: ১১০x১৪০ কেজি
২. ডাবল
৩. ওজন: ১.২ কেজি
৪. ডিজাইন ইন স্পেন
৫. টাকা-২০০০ টাকা

*কম্বল* *ব্ল্যাঙ্কেট* *শীতেকম্বল* *কেনাকাটা* *শপিং* *অনলাইনশপিং* *স্মার্টশপিং*

আসিফ আমিন: শান্ত সমুদ্রে কখনো দক্ষ নাবিক হওয়া যায় না...

*কম্বল*

নাকিব ওসমান : [শীত-বেরহমুনা] বন্যেরা বনে সুন্দর, *ভোটার* রা *কম্বল* এর নিচে !!

*ভোটার* *কম্বল* *ঢাকা* *এবারেরইলেকশন*

মুকতাদির: আমি বললাম, শীতের রাতে *ব্যাচেলর* লাইফে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস কি?(প্রশ্ন) তিনি বললেন, সিঙ্গেল *কম্বল* আর *কোলবালিশ* (ভেঙ্গানো২)

*শীতেররাত* *ব্যাচেলর* *কম্বল* *কোলবালিশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★