করলা

অনি: একটি টিপস পোস্ট করেছে

আপেলের পায়েস - bdnews24.com
http://bangla.bdnews24.com/lifestyle/article946201.bdnews
ফল দিয়ে তৈরি করুন মিষ্টান্ন। ...বিস্তারিত
*টিপস* *আপেলেরপায়েস* *করলা*
৬১৪ বার দেখা হয়েছে

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

(আজকের২৪) করলা একপ্রকার সব্‌জি- তেতো স্বাদের এবং কাঁটাযুক্ত শরীর। পরিণত ফল কমলা বা লাল, দৈর্ঘ্য ১২-২৫ সেন্টিমিটার (৫-১০ ইঞ্চি), প্রস্থ 5-7.5 cm (2 to 3 in.) , যত পাকে আরো তেতো হয়।

খোসা কুটে নুনজলে চুবিয়ে রাখলে তেতো কম হয়। দক্ষিণপূর্ব এশীয় এই সবজি এখন সারা পৃথিবীতে বিশেষ করে উষ্ণমণ্ডলে (tropics) ছড়িয়ে পড়েছে।

করলা জন্মায় ট্রপিক্যাল দেশগুলোতে। যেমন-এশিয়া, পূর্ব আফ্রিকা, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ আমেরিকা। করলা স্বাদে তিতা, তবে উপকারী অনেক। এশিয়া অঞ্চলে হাজার বছর ধরে এটি ওষুধি হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

দক্ষিণ আমেরিকার আমাজান অঞ্চলের আদিবাসীরাও বহু বছর ধরেই করলাকে ডায়াবেটিস, পেটের গ্যাস, হাম ও হিপাটাইটিসের ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করে আসছে। ব্যবহার করে আসছে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে, ম্যালেরিয়া জ্বরে এবং মাথা ব্যথায়ও।

করলার আছে পালং শাকের চেয়ে দ্বিগুণ ক্যালশিয়াম আর কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম। আছে যথেষ্ট লৌহ, প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং আঁশ। ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি এন্টি অক্সিডেন্ট; বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখে, শরীরের কোষগুলোকে রক্ষা করে। আছে লুটিন আর লাএকাপিন। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লাইকোপিন শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট।

করলা এডিনোসিন মনোফসফেট অ্যাকটিভেটেড প্রোটিন কাইনেজ নামক এনজাইম বা আমিষ বৃদ্ধি করে রক্ত থেকে শরীরের কোষগুলোর সুগার গ্রহণ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। শরীরের কোষের ভিতর গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়াও বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের সুগার কমে যায়।

 করলা আরও যেসব উপকার করেঃ

** করলা ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কমায়।

** রক্তের চর্বি তথা ট্রাইগিস্নসারাইড কমায় কিন্তু ভাল কলেস্টেরল এইচডিএল বাড়ায়।

** রক্তচাপ কমায়।

** ক্রিমিনাশক।

** ভাইরাস নাশক-হিপাটাইটিস এ, হারপিস ভাইরাস, ফ্লু, ইত্যাদির বিরুদ্ধে কার্যকর।

** ক্যান্সাররোধী লিভার ক্যান্সার, লিউকেমিয়া, মেলানোমা ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।

** ল্যাক্সেটিভ পায়খানাকে নরম রাখে, কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে।

** জীবাণুনাশী-বিশেষ করে ই কোলাই নামক জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকর।

-মূল: আজকের২৪.কম

*করলা*
৪/৫

সৌ র ভী: *করলা* ব্লেন্ড করে রস টা খেতে হবে... ইহা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী তো বটেই, যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের জন্য ও অনেক উপকারী .. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বাড়বে এবং এলার্জি, চুলকানি ও কমবে (শয়তানিহাসি)(হাসি২)

*হেলদিফুড* *হেলথটিপস*

আড়াল থেকেই বলছি: *করলা* আবার কিসের রেসিপি,পেঁয়াজ+মরিচ +আলো কুচি+লবন=এক সঙ্গে মিশিয়ে তেলের মধ্যে ২/৩ টা রসুনের কোষ ছেড়ে বাদামী হলে সব গুলো একসঙ্গে ছেড়ে দিয়ে ১৫/২০ মিনিট নাড়াচাড়া করে নিলেই তো হয়ে গেল..তবে করলা কুচি করে পরে লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে পানি সরাতে হবে.

শাওন: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 করলা ভাজি কি করে মজার করা যায়?

উত্তর দাও (১০ টি উত্তর আছে )

.
*করলা* *সবজি* *রন্ধনটিপস*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খাবারের টেবিলে বসে মেন্যুতে তেতো করলা দেখলেই আমাদের মুখটা ব্যাজার হয়ে যায়। সবকিছুর মতো ডায়েটে তেতো রাখাটা দরকার, বিশেষ করে করলা শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। করলার তেতো যদি খুব বেশি হয়, তাহলে তেতোভাব কমানো জন্য রান্না করার আগে কিছুক্ষণ
লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।করলাতে রয়েছে 
করলাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে।
কলার দ্বিগুণ পটাশিয়াম ও পালংশাকের দ্বিগুণ পরিমাণে ক্যালশিয়াম করলাতে রয়েছে। দাঁত ও হাঁড় ভালো রাখার জন্য ক্যালসিয়াম খুবই জরুরি। ব্লাড প্রেসার মেইনটেইন করার জন্য ও হার্ট ভালো রাখার জন্য পটাশিয়াম প্রয়োজন।
করলাতে যথেষ্ট পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে বিটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী।
করলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। ভিটামিন সি ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্য একান্ত জরুরি। ভিটামিন সি প্রোটিন ও আয়রন অ্যাবজর্বশনে সাহায্য করে। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।
করলাতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ম্যাগনেশিয়াম, ফলিস এসিড, জিঙ্ক, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম।
ডায়েটারি ফাইবার-সমৃদ্ধ করলা কনস্টিপেশনের সমস্যা কমায়।

  অসুখ নিরাময়ে সাহায্য করে
ডায়াবেটিসের পেশেন্টের ডায়েটে করলা রাখুন। করলাতে রয়েছে পলিপেপটাইড পি ব্লাড ও ইউরিন সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে করলা বা করলার রস অথবা করলা সিদ্ধ খেতে পারেন।
►নানা রকমের ব্লাড ডিজঅর্ডার যেমন স্ক্যাবিজ, রিং ওয়র্ম-এর সমস্যায় করলা খুবই উপকারী। করলা ব্লাড ফিউরিফিকেশনে সাহায্য করে।
► করলা স্কিনের সমস্যা ও ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

  করলা পাতার রসের উপকারিতা
► করলা পাতার রস খুবই উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। নানা ধরনের ইনফেকশন থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। এনার্জি ও স্ট্যামিনা বাড়িয়ে তুলতেও করলা পাতার রস সাহায্য করে।
►করলা পাতার রস শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন ফ্ল্যাশ আউট করতে সাহায্য করে।
►ডায়রিয়া বা কলেরার প্রথম পর্যায়ে করলা পাতার রস খেতে শুরু করলে ভালো।
►অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস ও ফ্যারেনজাইটিসের মতো সমস্যা কমাতে করলা পাতার রসে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
►করলা পাতার রস সোরিয়াসিসের সমস্যা, ফাংগাল ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
*হেলদিফুড* *স্বাস্থ্যতথ্য* *সবজি* *করলা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে করলা অন্যতম একটি সবজি। করলা অনেকেই অনেক রকম করে রান্না করে থাকে তবে করলার সবচেয়ে দারুন এবং মজাদার একটি রেসিপি হল ভাজি রেসিপি। করলার ভাজি খুবই সুস্বাদু। ভাত কিংবা রুটির সাথে করলা ভাজির জুড়ি নেই। চলুন আমরা আজকে করলা কিভাবে ভাজি করতে হয় সেই রেসিপিটা শিখে নেই।

করলা ভাজির উপকরণঃ
– কয়েকটা করলা
– পেঁয়াজ কাঁটা (পেঁয়াজ ছিলে চার ভাগ করে নিতে পারেন বা কুচি করে)
– লবন (প্রথমে কম দেয়াই ভাল, লাগলে পরে দেয়া যাবে)
– সামান্য হলুদ গুড়া
– কয়েকটা কাঁচা পাকা মরিচ
– তেল (পরিমান মত)

প্রস্তুত প্রণালীঃ
করলা কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। কয়েকটা পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ থাকবে, আমাদের কাছে কাঁচা মরিচ না থাকায় পাকা মরিচ নিয়েছিলাম। কড়াইতে সামান্য লবন যোগে তেল গরম করে তাতে করলা দিয়ে দিন। সামান্য হলুদ গুড়া দিন। এবার খুন্তি দিয়ে ভাল করে উলট পালট করে দিন। কিছু ক্ষনের জন্য ঢাকনাও দিয়ে দিতে পারেন। তবে চুলার কাছে খুন্তি হাতে দাঁড়িয়ে থাকুন। খুন্তির উলট পালটই বলে দেবে করলা ভাজি হয়েছে কি না। এই সময় শেষ লবন দেখে নিতে পারেন, লাগলে দিন। না লাগলে ওকে! ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। গরম ভাতের সাথে খেয়ে দেখুন। নিজের হাতের রান্না কেমন লাগে?
*ভাজি* *রেসিপি* *রন্ধনটিপস* *সবজি* *করলা*

আড়াল থেকেই বলছি: *ভাজি* ভাজির মধ্যে আল্লাহ'র রহমতে সব ধরনের ভাজিই ভালো লাগে কিন্তু আমার কাছে বেগুন ভাজি + করল্লা ভাজির সূত্র হচ্ছে = বেগুন ভাজি+করল্লা ভাজি=(বমি)(বমি)(বমি)

*করলা*
ছবি

উদয়: ফটো পোস্ট করেছে

আলু-করলা-চিংড়ি ভর্তা

*ভর্তা* *চিংড়িরেসিপি* *সবজি* *করলা*

উদয়: আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন। করলা সেদ্ধ করে বিচি ফেলে রাখুন। চিংড়ি মাছ টেলে গুঁড়ো করুন। এবার চিংড়ি মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, লবণ ও তেল একসঙ্গে মাখুন, মাখা হলে সঙ্গে আলু ও করলা দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।

*ভর্তা* *চিংড়িরেসিপি* *সবজি* *করলা*
ছবি

মন্টি মনি: ফটো পোস্ট করেছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★