কষ্ট

Aktarul: *কষ্ট* জীবনে কখনো প্রেম এ আসেনি ... মনের মানুষ পাব যে কোথায়

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

কষ্ট
কষ্টে থাকা মানুষ গুলো, কষ্ট পেতে পেতে কষ্ট কি সেটাই ভুলে যায় (কান্না) (কান্না)
*কষ্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: বিষন্ন মনে ভাবছি তোমায়, প্রতিনিয়ত...... শুনছি গান তোমায় ভেবে..... দমকা বাতাসে কাদঁছি একা.... হাটঁছি আনমনে বৃষ্টিতে.....শরীরে ক্লান্তি, মনে হতাশা, বিষন্ন চারপাশ।। নিঃস্তব্ধ নগরী, অন্ধকার রজনী, বিস্তৃত কালো আকাশ।। কিছু কথা, হয় নি বলা। থেকে যায়, মনের কোনে।। কিছু আশা, আছে সবার। কিছু কষ্ট,আসে ফিরে বারবার।। কষ্টে ডুবে মন, হতাশা,ক্লান্তি,কান্না এসব নিয়েই, আমার একলা জীবন।।

*আবেগ* *ভালোবাসা* *জীবন* *কষ্ট* *বিষন্ন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কেউ অামার জন্য না ।

অামি অনাহুত, বিনা অনুমতিতে প্রবেশকারী ।

অামি সম্পর্কের মাঝে তৃতীয় ব্যাক্তি ।

অামি দেয়ালের ওপাশে কুকুরের মতো গলা বাড়িয়ে

দাড়িয়ে দাড়িয়ে ভিখারীর খাওয়া দেখে দেখে ঢোক চিপা কেউ।

এর চেয়ে বেশি কিছু অামার জন্য না।

এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করা আমার জন্য খুব অপরাধ।

অামি গলির মোড়ে দাড়িয়ে থাকা তিনটি দোকানের মাঝে

সবচেয়ে বেচাকেনাহীন দোকানের দোকানী

যার দিকে কেউ ফিরেও তাকায়না।

আমি ভিক্ষার বদলে গালমন্দ শুনেও দুয়ারে দাড়িয়ে থাকা ভিখারীর মতো কেউ।

যে একমুঠো ভিক্ষা চাইলেও মানুষ কার্পন্যবোধ করে,

বিরক্তবাধ করে।

অামি বিনা দাওয়াতে চলে অাসা মেহমান,

কোনো একটা কোনায়একটু বসতে চাওয়ার অধিকার যার নেই।

অামি অন্যের হৃদয়ঘটিত গল্প শোনার মনোযোগী শ্রোতা।

অামার মাঝেও যে হৃদয় নামক কিছু একটা থাকতে পারে

সেটা জানার অাগ্রহ পোষন করার ইচ্ছা হয়তো কারো নেই

*কবিতা* *কেউ* *আবেগ* *কষ্ট* *চা* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: তুমিহীনা এ রাতটায় আমার কাটে অসহায় কষ্টগুলো জমানো ব্যাথায় তোমাকে বলতে চাই আজ ভালোবাসি তোমায় আমি হৃদয় থেকে আজ পেতে চাই তোমায় আমি এই ভুবনে তুমি ফিরে এসো আরেকটিবার আমার এ ভেতর ভালোবাসাতে তোমার হ্রদয়ে আমার পরিত্রান

*অপ্সরী* *নীলাদ্রি* *আবেগ* *ভালোবাসা* *কষ্ট* *তুমিহীনা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন, আপনি বা আমি নেই,মরে গেছি। কিন্তু চারপাশে সব কিছুই ঠিকঠাক চলছে। তা মনে করে কি বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো?
এটাই নিয়ম। অর্থ বিত্ত সহায় সম্পদ সন্তান প্রিয়জন সব থেকে যাবে, শুধু থাকবো না আমি বা আপনি।

আমার বা আপনার মৃত্যুর পর প্রিয় মোবাইলটি পড়ে আছে টেবিলে,অনেকটা অযত্নে অবহেলায়।সকালে উঠে কেউ চার্জ দেয়ার তাগিদ অনুভব করে না। রাতে আসা অনেকগুলি মেসেজ আনরিড রয়ে গেছে। আদৌ এগুলি কেউ পড়বে বলে মনে হয় না!

আপনার প্রিয় পড়ার ঘরটি এলোমেলো হয়ে আছে।মেলা থেকে কেনা বইগুলি প্যাকেটবন্দী রয়ে গেছে। কেউ একবারও খুলে দেখেনি, পাতা উল্টেপাল্টে নতুন বইয়ের ঘ্রান শুকেনি।পড়ার টেবিলের এককোনে পড়ে আছে ট্যাব ও ল্যাপটপ। প্রিয় ল্যাপটপের গায় ধুলোর আস্তরন।দুর থেকে সিলভার কালারে dell লেখাটা এখন আর চকচকে করে না।
সকাল ৯টা বেজে গেল। অথচ জানালার ভারীপর্দায় সরিয়ে সকালের মিস্টি রোদ ঘরে প্রবেশের পথ করে দেয়াটা কেউ খেয়াল করলো না।
বারান্দায় ফুলের টবগুলিতে পানি না দেয়ায় গাছের গোড়ার মাটি শুকনো হয়ে গেছে।দু' একটা শুকনোপাতা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।পরিচর্যাহীন টবগুলি কেমন বিবর্ণ লাগছে।
পাখিদের বিশাল খাচাটা কেউ এখন পরিস্কার করার সময় হয়তো পায় না । পানি, খাবার পড়ে খাচার নীচের ট্রে' টা নোংরা হয়ে আছে।পরিস্কার করার কারো সময় নেই! আহা কিচির মিচির শব্দে এখন কারো ঘুম ভাংগে না।
পিছনের বারান্দায় ইজি চেয়ারটা অযত্নে পড়ে আছে।আমি নেই বলে এখন আর কেউ গভীর রাতে ইজিচেয়ারে বসে পা দুলিয়ে জ্যোৎস্না দেখে না।
ফ্রিজে রাখা মুস্টিগুলি কেউ আগ্রহ দেখিয়ে ডাইনিংয়ে নিয়ে আসে না। সাদা রসগোল্লাগুলি জমে শক্ত হয়ে আছে। ডায়াবেটিক হাউজে আমি ছাড়া আর কেউতো মিস্টি খায় না।
প্রতিবছর বইমেলা হবে। বিকেল হলে মেলায় যাবার জন্য বুকটা কেমন কেমন করে উঠবে না। প্রিয় প্রকশনীগুলি নতুন বই নিয়ে মেলায় অংশ নিবে অথচ আমি বা আপনি নেই!
আহা মনটাই খারাপ হয়ে যাওয়া ভাবনা!
কেউ একজন রুমে এসে মনে করিয়ে দিবে না, আজ কি কি জরুরী কাজ আছে।তাড়াও দিবে না অফিস শেষে দ্রুত বাসায় ফিরে এসো।
-আচ্ছা।
শব্দটি শুনে অগাধ বিশ্বাসে ফিরে যাওয়া মানুষটিও ''আমি বা আপনিহীনা'' সময়ে বেচে আছে।
জগতের সব ঠিকঠাক চলছে, শুধু আমি বা আপনি নেই!
এখনো ডোরবেল বাজলে দৌড়ে কেউ একজন দরোজা খুলবে। কিন্তু দরোজায় দাঁড়ানো মানুষটি আমি বা আপনি নই, অন্যকেউ একজন।

 

*বাস্তবতা* *আবেগ* *মরন* *কষ্ট* *নীলাদ্রি* *আমি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ অনেকদিন পর নিজের পানে তাকিয়ে ভাবছি আমি এতোটা পাল্টে গেলাম ?? অবাক আমি (ফুঁপিয়েকান্না) ।

এইতো সময়ের শ্রোতে হারিয়ে ফেলেছি শৈশব,কৈশর কদিন আগেও তো বেশ ভালোই ছিলাম বেচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হতো না ।। একটা সামান্য জামা পাজামা কেনার জন্য ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হতো ।। কেননা বাবা -মা খুব হিসেব করে চলতেন ।। তখন খুব রাগ হতো কেন এমন করে টাকা তো অনেক আছে কিন্তু বুঝতে পারিনি সবকিছু ছিল আমাদের ভালোর জন্য ।। আজ দামী ব্রান্ডের জামা কাপর পরি কিন্তু সেই পুরনো রঙিন জামাটার মতো আর আনন্দ পাই না ।।

মনে পড়ে তখন শায়ান এর গানটাঃ

হঠাৎ করেই চোখ পড়েছে
আমার প’রে আমার
মাঝখানে তো পাইনি সময়
একটুখানি থামার
পেছনটাতে চোখ বুলাতে
ঘামছি মনে মনে
আড়চোখেতে সেই আমি’কে
দেখছি সংগোপনে
'আমার চোখের সামনে দিয়েই
বদলে গেছি আমি
নিয়ম হলো যা হারালো
হারিয়ে গেলেই দামী'2
হঠাৎ করেই চোখ পড়েছে
আমার প’রে আমার
মাঝখানে তো পাইনি সময়
একটুখানি থামার

ইর্ষা ভরে তাকাই আমি
সেই আমি’টার দিকে
এই আমি’টা কেমন যেন
পানসে, কেমন ফিকে
আমারই তো সেই দু’টো চোখ
উচ্ছলতায় ভরা
খরায় জরায় সবুজ শুন্য
এ চোখ স্বপ্নহারা
সময় যেন স্বপ্ন মোছার
পা মাড়ানো পাপোষ
সেই আমি’টার সঙ্গে আমার
আর কি হবে আপোষ
আমার যত সবুজ ছিল
আর কি ফিরে পাবো
সময় তোমার স্রোতে ভেসে
উল্টো দিকেই যাব
আমার চোখের সামনে দিয়ে
এমন পুকুরচুরি
টের পেয়েছি এতক্ষনে
চোরের বাহাদুরী
করবো কাকে দায়ী আমি
সময় নাকি ভাগ্য
জবাব দেবেন তারা
যারা জীবন বিশেষজ্ঞ
আগামীতে অন্য কোন
আমি’র দেখা পেলে
সেই আমি’টার আমায় দেখে
চম্‌কাবে কি পিলে
সেই আমি’টা বলছে আমায়
মুঠো করিস হাতে
এখনও যা সবুজ আছে
জড়ো করিস তাতে <3 ♥

শত ব্যস্ততার মাঝে দিনগুলো পার করার পর ও প্রত্যেকটা মানুষ রাতে ঘুমাতে যায় বিশাল একটা শূন্য হৃদয় নিয়ে ।।

দিন শেষে আমি আপনি একা ।। ভাবিয়ে তুলে পুরনো স্মৃতি পুরনো বন্ধু ।।

 

ভালো থাকুক সবাই ভালো থাকুক সকল বন্ধুগুলো ।। ভালো থাকুক বাবা মা বেচে থাকুক না হয় আর সমান বয়স পর্যন্ত ।। 

*আবেগ* *বাবা* *মা* *কষ্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটা ভালোবাসা চাই লুকানো আবেগময় ভালোবাসা ভার্চুয়াল লাইফ এর ভালোবাসা এর মতো অদেখা ভালোবাসা সেখানে তোমার আমার সাথে প্রতিদিন কথা হবে ,হাসি আনন্দ বীনিময় হবে কিন্তু কখনোই দেখা হবে না দুজনের দুজনের সাথে কিন্তু তার মাঝেও অনেক অনেক ভালোবাসা থাকবে ঠিক ই বুঝে নিবো মন খারাপের ভাষা বুঝে নিবো চোখের জল ।।

*ভালোবাসা* *আবেগ* *কষ্ট* *জল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্রচণ্ড ভিড়ের মাঝে শিশুটির হাত থেকে রঙ্গিন গ্যাসবেলুনগুলো উড়ে গেল আকাশের নীলে। বাবা কোথায়? মা কোথায়? জগতভরা মানুষ! কেবল হাত পা, মুখ আর মুখ। তার কান্না পাচ্ছে, কে জানে! গ্যাস বেলুনের জন্য? না বাবা মায়ের জন্য?

*জীবন* *বাবা* *মা* *ছেলে* *বাস্তবতা* *কষ্ট* *নীল* *বেলুন*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাকে এতটা অসহায় আগে কখনো দেখি নি, এতো চুপচাপ, এতো ধীর স্থির। অথচ, ছোটবেলার মাকে দেখে মনে হতো, এত রাগী, খটমটে, ভালোবাসাহীন মানুষও হতে পারে! কঠিন কঠোর এক শাসক হিসেবেই তাকে চিনেছি ছোটবেলায়, কিন্তু তার ভেতরটা মমতায় ভরা। কথায় কথায় মার খেতাম। বেশ শান্ত ও বাধ্য ছিলাম, যা করতাম সবই ঠিক করছি— এমনই মনে হতো; শুধু মায়ের হাতে মার খাওয়াটা সহ্য হতো না। প্রায়ই মার খেয়ে খুব কাঁদতাম। প্রথমে গলা ছেড়ে। তারপর ক্লান্ত হয়ে ধীরে ধীরে...শেষে খুব ইনিয়ে-বিনিয়ে অভিমানী সুরে। যেন মা এসে আদর করে কান্না থামিয়ে দেয়। যতক্ষণ না দেয় ততক্ষন গলা ছাড়িয়ে কান্না। কখনো মায়ের রাগ তাড়াতাড়ি গলতো, আবার কখনো বরফ গলতে অনেক সময় নিতো। মা বুকে নিতেই আমার সব কষ্ট দূর হয়ে যেতো। এটাই মনে হয় মাতৃত্বের জোর। আর এখন মা যখন কাঁদে আর আমি মাকে বুকে জড়িয়ে নেই তখন আমিও ঠিক কেমন একটা তৃপ্তি পাই, মনে হয় যেন মাতৃত্বের তৃপ্তি। বাবা বাসায় ফিরলে তবে সব অভিমান সাঙ্গ হতো। ফোলা চোখ দেখে বাবা বুঝতো, আজ উত্তম মধ্যম পড়েছে তবুও মায়ের বিরুদ্ধে কখনো বাবার কাছে  নালিশ করি নি। তবে বাবা বুঝতে পেরে মাকে একটু বকে দিলে খুশিই হতাম আর বাবা তার আহ্লাদে আমার দুঃখ ভরাক্রান্ত মনকে খুব তাড়াতাড়ি সুখের জোয়ারে ভাসিয়ে দিতে পারতো। 

মাকে বোঝার ধরনটা পাল্টেছে ঠিক বয়ঃসন্ধির পরে। সারাটা সময় মায়ের পিছু পিছু ঘুরি। দুধের সর, মুরগির কলিজাটা, ডিমের কুসুম আমার পাতেই পরতো সবসময় । মায়ের যত্নটাই যে ভালোবাসা, সেটা যখন ভালো করে বুঝতে পারলাম, তখন আমি পরের ঘরে। বাবা চলে যাবার পর আরো বেশি করে বুঝি।  মা ও বাবা দুজনেই একটা সময় আমার মাঝে তাদের  অপূর্ণতাগুলো পূর্ণ করতে চাইতো। খুব কষ্ট নিয়েও বাবাকে প্রাণ খুলে হাসতে দেখেছি। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে জীবনের শেষ কয়েকটা দিন খুব কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয় নি। হেসেছে, গল্প করেছে, ক্যানসার থেকে সাবধান থাকতে বলেছেন, ধূমপান থেকে বিরত থাকতে বলছে, পান খেতে নিষেধ করেছে সকলকে।  মৃদু ঠাট্টা-রসিকতাও করতেন। এত মানসিক শক্তি কোনো মানুষের থাকতে পারে, এটা বাবাকে না দেখলে কোনো দিন বুঝতাম না।

আজ মা আছে, কিন্তু বাবা নেই। বুকের মাঝে, মনের মাঝে একটা শূন্যতা অনুভব করি সব সময় একটি ভরসার ...একজন সুহৃদের, একজন বাবার, একজন প্রিয় বন্ধুর।

আমিও ঠিক বাবার মতই, কষ্ট নিয়ে বাঁচতে পারি। বাবা মনে করতো যে, কষ্টের মাঝে যারা জোর গলায় হাসতে পারে তাদের জন্য কষ্টটা একসময় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়ায়। হাসতে হাসতে কষ্টটা একটা সময় তাদের কাছে সুখে পরিণত হয়। কষ্ট থাকবেই। একটা কষ্টের মৃত্যুর পরেই আরোও একটা কষ্টের জন্ম হবে। এটাই বাস্তবতা।কিন্তু তার আগে জরুরী কষ্ট বুকে নিয়ে হাসতে পারার অভ্যাস করা। আমার সেই অভ্যেস হয়ে গেছে, বাবা তুমি চলে যাবার পর। কষ্টটাকে মাথায় তুলে নিলে সেটা আজীবনই কাঁদাবে। এটাই নাকি কষ্টের বদভ্যাস।

জানো বাবা, কষ্টটাকে হাসতে হাসতে আমি বুঝিয়ে দিয়েছি, যে শত কষ্টেও আমি হাসতে পারি। তবেই কষ্টটা বিরক্ত হয়ে পেছনের দরজা দিয়ে পালাবে এবং আর সুখটা সামনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে, তাই না বাবা !

*কষ্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ঝুম বৃস্টি অন্ধকার রাত হাতে তামাক মোড়ানো সিগেরট.... ভালোবাসার কথা না জানার দুখী বালক টি শেষ রাতের সাক্ষী হবে বিধাতার বিলাসিতার।

*আবেগ* *ভালোবাসা* *কষ্ট* *বিধাতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিমু খুব নিরব প্রকৃতির মেয়ে। তার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় আমাদের বাসার ছাদে। একদিন বিকালে সে ছাদে বসে বই পড়ছিল। আমি খুব একটা ছাদে যাইনা কিন্তু ওই দিন কেন জানি ছাদে যাই। ছাদে গিয়ে দেখি একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বই পড়ছে। মেয়েটির পরণে চশমা। আমি পাশে গিয়ে বললাম, আপনি তিন তলার?
হুম।
তো কিসে পড়ছেন?
ইংলিশ লিটারেচার।
বাহ চমৎকার। আপনি তাহলে সাহিত্যের মানুষ।
ওই আছি। আপনি কিসে আছেন?
ফিজিক্সে আছি। ফাইনাল ইয়ার।
খুব সহজেই তার সাথে আমার পরিচয়। আমাদের পরিচয়েরর সময় কোন জড়তা ছিল না। একটি ছেলে ও মেয়ের প্রথম পরিচয়ে যদি জড়তা না থাকে তাহলে বুঝে নিতে হবে তাদের মধ্যে কোনদিন প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক হবেনা কিন্তু আমাদের বেলায় এটা ভুল প্রমাণীত হলো।
পরিচয়ের পর দিন থেকেই নিয়মিত ছাদে গিয়ে কিছুক্ষণ তার সাথে কথা বলা যেন অভ্যেসে পরিণত হয়ে গেল।
ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি আমার খুব টান ছিল আমি তার কাছে থেকে কবিতার বই এনে পড়তাম এবং কবিতার বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা করতাম।
একদিন শিমু আমাকে বলল, আচ্ছা কবিতার মতো জীবন যদি ছন্দময়ী হতো তবে কেমন হতো?
তাহলে পৃথিবীর মানুষেরা মানব কবিতা নামের নতুন সাহিত্য পেত।
তাই?
হুম।
আচ্ছা আপনি কি কখনো প্রেম করেছেন?
শিমুর কাছ থেকে এই প্রশ্ন শুনে আমি যেন থমকে যাই। কি বলব তাকে? প্রেম যে জীবনে একেবারে আসেনি তা কিন্তু না তবু আমি তাকে মাথা নেড়ে বললাম, না।
সে আর কিছু না বলেই অকস্মাত বলে উঠল, আপনার আমার মধ্যে কি প্রেম হতে পারে?
তার মুখে এই কথা শুনে আমার হাত পা কেমন জানি কেপে উঠল। আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হলোনা। সে ম্লান হেসে বলল, ভয় পাওয়ার কিছু নেই ভেবে চিন্তে উত্তর দিও। প্রেম খুব স্বাভাবিক জিনিস নয় এবং এটি সাধারনের জন্যও নয় তাই সাধারণভাবে এটি নিয়ে ভাবা যায়না । এক সপ্তাহ সময় দিলাম আপনাকে, আপনি ভেবে চিন্তে উত্তর দিবেন।
এরপর শিমুর সাথে আর কথা হয়নি। আমি ছাদে গিয়েছি কিন্তু তাকে পাইনি। তার কোন ফোন নাম্বার নেই কারন সে ফোন ব্যবহার করেনা। তার মতো অতি সাধারন একটি মেয়ে আমার জীবনে খুব দরকার ছিল। তাই তার ভালোবাসার প্রস্তাবের উত্তর দিতে আমার সময় নেওয়ার কোন প্রয়োজনও ছিল না তবুও সময় নিয়েছিলাম।
আজ এক সপ্তাহ হয়ে গেছে। আজ শিমুর সাথে দেখা হলে আমি আমি আমার উত্তর জানাব। তার উত্তর নিয়ে আমি কখনোই ভাবিনি আমি ভেবেছি তার সাথে প্রেম করার দিনগুলি কেমন হবে? সে কি সারাজীবন আমার হয়ে থাকবে? আমি কেমন জানি নস্টালজিক হয়ে পড়ছিলাম। সারাক্ষণ শুধু তাকে নিয়ে ভেবেছি। আজ শুধু সে সামনে আসলে আমি আমার মনের কথাগুলো তাকে খুলে বলব।
অনেকক্ষণ হলো বসে আছি শিমু আসার নাম নেই। আর একটু অপেক্ষা করেই নিচে নেমে যাব। আকাশটা খুব মেঘলা। মেঘলা দিনগুলো কেমন জানি বেদনাদায়ক হয়।
চলে যাব ভাবতেই দেখি শিমু এসে হাজির। তার পরণে আসমানি রঙের একটি শাড়ি। সে আজ আমার সাথে দেখা করবে বলে শাড়ি পরবে তা আমি আশাও করিনি। কি অপূর্ব লাগছে আজ তাকে। এই সাধারন মেয়েটার মাঝে কি এমন আছে যা তাকে অসাধারণ বানিয়ে রেখেছে। সব মেয়েদের চেহারায় অসাধারণ কিছু গুণ থাকে যা কোন না কোন ভাবে একজন পুরুষকে আকর্ষণ করে।
আজ আর কোন কথা বলে সময় নষ্ট করবনা। আজ আমি বলব আমার মনের কথা।
আমি বলা শুরু করতেই শিমু কেঁদে ফেলল। আমি এটার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। হাউমাউ করে কেঁদে কেঁদে শিমু বলল, আমার বিয়ে হয়ে গেছে। আমার সব স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও।
শিমু আর দাঁড়িয়ে থাকেনি। শিমু চোখ মুছতে মুছতে আমার সামনে থেকে চলে যায়।
আমার পাষাণ পুরুষ হৃদয় এক ফোটা অশ্রু বিসর্জন দেয়নি কেবল অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে ছিলাম। কারন পুরুষরা কাঁদতে জানেনা কান্না তাদের জীবনে অমাবশ্যার চাঁদ।
আমি শুধু বিড়বিড় করে বলেছিলাম, ভালো থেকো ভালোবাসা।

লেখকঃ চৌধুরী মোহাম্মদ ইমরান
এম সি কলেজ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।

*ভালোবাসা* *আবেগ* *বিয়ে* *কষ্ট* *সংগৃহিত*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আচ্ছা!
আমরা একদিন 'ইগো ইগো' খেলবো, সে খেলায় তুমি নিশ্চিত চ্যাম্পিয়ন হবে!

আচ্ছা!
আমরা একদিন 'কষ্ট দেওয়া কষ্ট দেওয়া' খেলবো । এটাতেও নিশ্চিত তুমি জিতবে! আমি তোমাকে কষ্ট দিতে গেলে নিজেই তো কষ্ট পাবো ।

আচ্ছা!
আমরা একদিন 'অবহেলা অবহেলা' খেলবো । এবার ও কি খেলার আগে বলে দিতে হবে যে তুমি ই জিতবে?

আচ্ছা!
আমরা একদিন 'প্রতারণা প্রতারণা' খেলবো । তুমি হারতে চাও না । এই খেলায় ও তাই তুমি জিতবে!

আচ্ছা!
আমরা একদিন 'ভালোবাসা ভালোবাসা' খেলবো । বিশ্বচ্যাম্পিয়ন রা ও হারে! এই খেলায় তাই তুমি হারবে । তবে সত্যিটা কি জানো? এই খেলায় হেরেও তুমি হাসবে! আমি চুপচাপ হতাশ হয়ে দেখবো তোমার হাসি । খেলায় জিতেও!

*ভালোবাসা* *খেলা* *তুমি* *আবেগ* *প্রাতারনা* *কষ্ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

--ভাইয়া আমার বিয়ে ।
--কি !!!
--আমার বিয়ে ।
--সত্যিই ?
--কেন , তোর কি মনে হয় আমার বিয়ে হবে না ।
-- না ঠিক তা নয় । এই সেদিন ও তো তুই ফ্রক পরে ঘুরে বেড়াতি । সেবার আমি ভাইভা দিতে যাচ্ছিলাম , ফাইলটা রেখেই বেরহয়ে পড়েছিলাম । মা বললেন, তুই রিতা কে ধর , আমি ফাইল নিয়ে আসছি । তোকে কোলে নিতেই তুই আমার গায়ে হিসু করে দিয়েছিল । মা ঘর থেকে আসতেই আমি মায়ের দিকে তাকিয়ে হেঁসে ফেলি ।
-- ভাইয়া তোর মনে আছে , তখন আমি ক্লাস ৪ এ পড়ি । বর্ষাকাল । স্কুল ছুটির পর প্রচন্ড বৃষ্টি । তুই আমাকে নেবার জন্য এলি । আমার বইগুলো তোর এক হাতে নিলি , আর আমাকে ঘাড়ে নিয়ে হাটাশুরু করলি । আমি কতকরে তোকে বলেছিলাম আমি হেঁটেই যাই । একটু বৃষ্টির পানি গায়ে লাগলেই জ্বর আসবে , তাই তুই কিছুতেই শুনতিস না ।
-- হুম , মনে আছে । আমি হসপিটালে ভর্তি । তখন তো বয়স ১৫ বছর । আমাকে অপারেশনের জন্য অপারেশন থিয়েটারে ঢোকানো হয়েছে । রাত ৪ টার দিকে আমার জ্ঞান ফিরলে । তাকিয়ে দেখি তুই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাদছিস । মা বলেছিল , তুই নাকি সারাটা রাত এভাবেই কেদেছিলি । তোর কি মনে আছে তোর কাছে আমার কি পাওনা আছে ।
-- হুম আছে । ১৬৭টা ডিম ভাজি । মাঝে মাঝে তুই আমাকে স্কুলে রেখে আসতিস । যতদিন তুই আমাকে স্কুলে রেখে এসেছিস তার জন্য একটা করে দিম ভাজি বরাব্দ । আর সেটা আমার শ্বশুর বাড়ী গিয়ে খাওয়ার কথা । আমার শ্বশুর বাড়ি কিন্ত ঘন ঘন আসা যাবে না । মাসে ৪ দিন আসলেই চলবে । আর আসার সময় অবশ্যই মোড়ের ঐ রফিক চাচার কাছ থেকে সকাল সন্ধ্যা আইস্ক্রিম নিয়ে আসবি । সেটা যদি শীত কাল হয় তবুও । কোথায় পাবি আমি জানি না ।
-- তুই আসবি তো আমার বিয়েতে?
--কি রে কথা বলিস না কেন , আসবি তো ?
রিতা খেয়াল করে দেখে তার ভাইয়া সাদা মেঘের মধ্য হারিয়ে যাচ্ছে । সে খুব জোরে ভাইয়া বলে চিৎকার দিয়ে ওঠে । বসন্তের প্রথম দিক । উত্তরের জানালা খোলা । সকালের রোদ উকি দেবার আগের সাদা কুয়াশা । রিতা তার চোখের জলকে সংবরণ করতে পারে না । বছর খানেক হল তার ভাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে ।

*বিয়ে* *কষ্ট* *ভাই* *আবেগ* *ভালোবাসা* *কান্না* *সংগৃহিত*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রিয় অপ্সরী,
ভালোবাসি বলেই তো তোমার জন্য মন আনচান করে
ভালোবাসি বলেই তোমার কষ্টে ব্যাথিত হই
ভালোবাসি বলেই হয়তো তোমার দেয়া আঘাতে
শত কষ্টের পাহার জমে এই বুকে ।।
ভালোবাসি বলেই তোমায় কষ্ট দিতে পারবোনা ভেবে
আমি শত বার এমনকি হাজারবার খুন করি নিজেকে
নিজের সাথে যুদ্ধ করে হজম করে নেই তোমার কথার আঘাতগুলোকে ।।
ভালোবাসি বলেই তোমায় দেখতে ভোর কী গভীর রাতে
রুদ্ধশ্বাসে ছুটে চলে আসা তোমার বাসার নিচে
ঝাপটে ধরে তোমায় বলা ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি।।

*ভালোবাসা* *কষ্ট* *কবিতা* *আঘাত*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: মলিন শার্টের অগোছালো চুলের ঐ এককোণে দাঁড়িয়ে থাকা কোন এক বেখেয়ালি নেশাখোর ছেলেটাকে যদি কখনো দেখো, রাত্রি জাগা নিয়নের বাতিতে, কিংবা আনমনে বসে থাকা বিকেলে ; তাহলে কিছু করো না! শুধু জিজ্ঞেস করো, "কষ্টটা কোথায়? " নিশাচর অগোছালো ঐ নোংরা ছেলেটার সাথে যদি কখনো দেখা হয় ; তাহলে কিছু করো না। শুধু জিজ্ঞেস করো, "কষ্টটা কোথায়? "

*কষ্ট* *ছেলে* *নোংড়া* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তোমার সাথে শেষ যেদিন কথা হলো, সেদিন আমি কাঁদিনি।
তুমি যখন বলেছিলে আর পারছোনা আমার সাথে থাকতে, তখন ভিতরের সব গুলো কোষের মাঝে যেনো এক তীব্র ঝড়ের সৃষ্টি হয়।।।।
যে আমি তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত চিন্তা করতে পারিনা, সেই আমি কিভাবে তোমায় ছাড়া বাকি জীবন পাড় করবো???
তবুও আমি কাঁদিনি,,, কেনো কাঁদিনি জানিনা।।।

এখন যখন তীব্র তুমিহীনতায় ভুগি,,, তখন দূর আকাশের মাঝে এক শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি।।। তারা গুলোকে নিজের মতো করে সাজিয়ে তোমার অবয়ব দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করি।।।
বন্ধু-আড্ডার মাঝে হঠাৎ নিজেকে হারিয়ে ফেলি।।। অদ্ভুত তোমার অভাব টের পাই।।।

হয়তো তুমি একটা বারের জন্যও আমার অভাব অনুভব করো না।।। কারন, চলে যাওয়ার ইচ্ছেটা তোমারি ছিলো।।।
তুমি হয়তো তোমার সুখের জন্যই চলে গেছো,,, শুধু আমায় দিয়ে গেছো এক তীব্র অসুখ,,, তুমিহীন অসুখ।।।

যখন অনেকের মাঝে বসেও তোমার অভাব অনুভূত হয়,,, তখন চারপাশ কেমন যেনো ঘোলাটে হয়ে যায়,,, আর আকাশের সব তারা কোথায় যেনো মিলিয়ে যায়।।। তখন চাঁদের আলোও অন্ধকার হয়ে যায়।।।
হয়তো আমার আকাশের চাঁদও তুমিহীনতায় ভুগে!!!

*আবেগ* *ভালোবাসা* *তুমি* *হীনতা* *কষ্ট*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★