কাঁথা

কাঁথা নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নকশি কাঁথা আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য, আমাদের অহংকার। এদেশের কারুশিল্পীদের নিপুন হাতের অনবদ্য সৃষ্টি। সেই আদিকাল থেকে আজ অবধি নকশি কাঁথার আবদার একটুও কমেনি। বরং সময়ের বিবর্তনে নকশি কাঁথার চাহিদা আরও বেড়েছে। যুক্ত হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনেবল সব ডিজাইন আর নতুন নতুন নকশা। বর্তমানে ঘরের বিছানাতে ফ্যাশনেবল লুক আনতে নকশি কাঁথার জুড়ি মেলা ভার। বন্ধুরা, আজকের আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের হস্তশিল্পের অন্যতম উপাদান নকশি কাঁথা নিয়ে।



নকশি কাঁথা আমাদের ঐতিহ্য

কাঁথার সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশী পরিচিত। এদেশে এমন কোন পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কাঁথার ব্যবহার নেই। কাঁথা শব্দের অভিধানিক অর্থ ‘জীর্ণ বস্ত্রে প্রস্তুত শোয়ার সময়ে গায়ে দেয়ার মোটা শীতবস্ত্র বিশেষ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ কাঁথা কেতা, কাতা এবং খেতা নামেও পরিচিত। সুনিপুণ হাতে সুচ আর সুতোয় গ্রাম বাংলার বধূ কন্যাদের মনের মাধুরী মেশানো রং দিয়ে নান্দনিক রূপ-রস ও বর্ণ-বৈচিত্রে ভারা যে কাঁথা তাই নকশি কাঁথা। নকশি কাঁথায় আমরা প্রতিনিয়ত খুঁজে পাই আমাদের শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ-সভ্যতা, প্রকৃতির অপর সৌন্দর্য, গৌরবগাঁথা ও সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। এটি মূলতঃ গ্রামীণ মহিলাদের শিল্পকর্ম হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। নকশি কাঁথা শিল্পেরসাথে আমাদের আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডও জড়িয়ে আছে।




নকশী কাঁথায় শিল্প সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকৃতি

নকশি কাঁথা নিয়ে লেখা হয়েছে কাব্য, গাঁথা ও রচনা। এদেশের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী। তিনি তাঁর রামায়ণ কাব্যে সীতার অন্যান্য গুণের সাথে কাঁথা সেলাইয়ের কথা বলেছেন এভাবে, ‘সীতার গুণের কথা কি কবি হব আর, কন্থায় অাঁকিল কন্যা চান সুরুজ পাহাড়৷ আরও যে, অাঁকিল কন্যা হাসা আর হাসি৷ চাইরো পাড়ে অাঁকে কইন্যা পুষ্প রাশি রাশি’৷ পলীকবি জসীমউদ্দীনের অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ ‘নকশি কাঁথার মাঠ’ ও এরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পলী রমণীদের শিল্পী মনের এক অপূর্ব অভিব্যক্তি যেন নকশি কাঁথা। বিভিন্ন ধরনের কাপড়েরর আস্তরণের উপর সুচ আর সুতোয় একে একে ফুটে উঠে আম, মাছ, খেজুর গাছ, পাখী, পাল্কী, লাঙ্গল, নৌকা, হাতি, ফুল, লতাপাতা, ঘোড়া, চাঁদ-তারা, রাজ-রাজার জীবনকাহিনী, কল্পনার পরী, যুদ্ধ-বিগ্রহ, নর-নারীর প্রেম ভালোবাসা এবং একই সাথে গ্রামীণ জীবনের অনেক কিছু। এ যেন শিল্পীর কাছে অতি পরিচিত পরিবেশ ও প্রকৃতির নি:শর্ত আত্মসমর্পণ।




গ্রাম বাংলার নকশি কাঁথা

এদেশের গ্রামের বধূ ও কন্যারা একসময় শুধুমাত্র পরিবারের প্রয়োজনে নকশি কাঁথা তৈরি করতো।আর এরই মাঝ দিয়ে ঐতিহ্যেরও প্রকাশ পেত। সাধারণত: বর্ষকালে গ্রামের মহিলাদের সংসারের কাজকর্ম কম থাকায় এ সময়টাতে তারা কাঁথা তৈরি করতো। বলতে গেলে গ্রামীণ জীবনে এ ধারা আজও অব্যাহত আছে। আমাদের দেশের প্রায় সর্বত্রই নকশি কাঁথা তৈরি হতো। ব্যবহৃত পুরাতন শাড়ি এবং শাড়ির পাড়ের সুতো তুলে তৈরি হতো নকশি কাঁথা। বাংলাদেশের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, পাবনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ কুমিলা ও সিলেট অঞ্চলে তৈরি হতো এসব কাঁথা। বিভিন্ন অঞ্চলে ফোড়, পাইড় ও নকশা অনুযায়ী নকশি কাঁথা ভিন্ন ভিন্ন নামেও পরিচিত। এগুলো হলো: বরকা ফোঁড়, তেজবি ফোঁড়, বাশপাতা ফোঁড়, কইতা ও বিছা ফোঁড় ইত্যাদি পাড়ের নামে তোলো পাইড়, তাস পাইড়, নয়নলতা, নারিকেল পাতা ও নৌকা বিলাস আরও বহুন নামের নকশী কাঁথা রয়েছে।




বাহারি নকশি কাঁথা

আবহমানকাল ধরে এ দেশের মানুষ নকশি কাঁথা ব্যবহার করে আসছে। শহরে কিংবা গ্রামে সর্বত্র আজও কাঁথার যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে আগেকার দিনে প্রতিটি পরিবারে নকশি কাঁথার ব্যবহার ছিল ব্যাপক ও বহুবিধ। ব্যবহার অনুযায়ী এগুলোর নামেও ছিল ভিন্নতা। যেমন, শীতের জন্য লেপকাঁথা, বালিশে ব্যবহারের জন্য বয়তন, নামাজের জন্য জায়নামাজ কাঁথা, বসার জন্য আসন কাঁথা এবং খাবারের জন্য দস্তরখানসহ কাঁথার ব্যবহার অনুযায়ী আরো অনেক নাম ছিল। মেয়েদের বিয়েতে এবং আত্মীয়-স্বজনকে কাঁথা উপহার হিসেবে দেয়ারও প্রচলন ছিল। স্নেহময়ী মা তার সন্তান, প্রেমময়ী স্ত্রী তার স্বামীর জন্য এবং নানি-দাদি, খালা-ফুফুরা পৃথিবীতে নতুন অতিথির আগমনকে সামনে রেখেও কাঁথা তৈরি করতো। এ প্রচলন আজও একেবারে ফুরিয়ে যায়নি।



নকশি কাঁথার চাহিদা

সেকালের নকশি কাঁথা আজো আছে এবং তৈরিও হচ্ছে। তবে বিবর্তনের ধারায় সময় ও চাহিদার প্রেক্ষিতে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকর্মেও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। নকশি কাঁথার চাহিদা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এসেছে ব্যাপকতা ও নতুনত্ব। দেশের সীমা পেরিয়ে নকশি কাঁথা আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমাদৃত হচ্ছে। শৌখিন পণ্য হিসেবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে নকশী কাঁথা। পুরাতন কাপড় ও সুতোর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে নতুন মার্কিন, লাল শালু কিংবা কালো কাপড় এবং বিদেশি সিল্কি পেটি সুতো।



কোথায় থেকে কিনবেন, দাম কেমন?

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের যেকোনো আধুনিক শপিং মল ও দেশি ফ্যাশন হাউসগুলোয় নকশি কাঁথা পাওয়া যাবে। এছাড়াও যেতে পারেন নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া ও পুরান ঢাকার চকবাজারে। একটু চোখ বুলালেই দেখবেন নিউমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতেও বসেছে নকশি পণ্যের পসরা। মোহাম্মদপুর, কলেজ গেটেও নকশি কাঁথা ও চাদরের বেশ কিছু দোকান রয়েছে। এগুলো ছাড়াও দেশের বড়বড় অনলাইন শপিংমল গুলোতে রয়েছে নকশি কাঁথার শত শত কালেকশন। শত ব্যস্ততার মাঝেও ইচ্ছে করলে তাদের শপিং সাইটে গিয়ে পছন্দমত নকশি কাঁথার অর্ডার করলেই আপনার ঘর পন্য পৌঁছে যাবে। ডিজাইন ও নকশা ভেদে সবগুলো মার্কেটে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার মধ্যেই নকশি কাঁথা পেয়ে যাবেন। নিচে একটি লিংক দিয়ে দিলাম সেখান থেকে কিছু কালেকশন ও দাম দেখে নিতে পারেন।


দেড় শতাশিক নকশি কাঁথার কালেকশন দেখুন

*নকশিকাঁথা* *কাঁথা* *গৃহসজ্জা* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নকশি কাঁথা আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য, আমাদের অহংকার। এদেশের কারুশিল্পীদের নিপুন হাতের অনবদ্য সৃষ্টি। সেই আদিকাল থেকে আজ অবধি নকশি কাঁথার আবদার একটুও কমেনি। বরং সময়ের বিবর্তনে নকশি কাঁথার চাহিদা আরও বেড়েছে। যুক্ত হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনেবল সব ডিজাইন আর নতুন নতুন নকশা। বর্তমানে ঘরের বিছানাতে ফ্যাশনেবল লুক আনতে নকশি কাঁথার জুড়ি মেলা ভার। বন্ধুরা, আজকের আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের হস্তশিল্পের অন্যতম উপাদান নকশি কাঁথা নিয়ে। 
 
নকশি কাঁথা আমাদের ঐতিহ্য
কাঁথার সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশী পরিচিত। এদেশে এমন কোন পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কাঁথার ব্যবহার নেই। কাঁথা শব্দের অভিধানিক অর্থ ‘জীর্ণ বস্ত্রে প্রস্তুত শোয়ার সময়ে গায়ে দেয়ার মোটা শীতবস্ত্র বিশেষ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ কাঁথা কেতা, কাতা এবং খেতা নামেও পরিচিত। সুনিপুণ হাতে সুচ আর সুতোয় গ্রাম বাংলার বধূ কন্যাদের মনের মাধুরী মেশানো রং দিয়ে নান্দনিক রূপ-রস ও বর্ণ-বৈচিত্রে ভারা যে কাঁথা তাই নকশি কাঁথা। নকশি কাঁথায় আমরা প্রতিনিয়ত খুঁজে পাই আমাদের শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ-সভ্যতা, প্রকৃতির অপর সৌন্দর্য, গৌরবগাঁথা ও সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। এটি মূলতঃ গ্রামীণ মহিলাদের শিল্পকর্ম হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। নকশি কাঁথা শিল্পেরসাথে আমাদের আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডও জড়িয়ে আছে।
 
 
নকশী কাঁথায় শিল্প সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকৃতি 
নকশি কাঁথা নিয়ে লেখা হয়েছে কাব্য, গাঁথা ও রচনা। এদেশের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী। তিনি তাঁর রামায়ণ কাব্যে সীতার অন্যান্য গুণের সাথে কাঁথা সেলাইয়ের কথা বলেছেন এভাবে, ‘সীতার গুণের কথা কি কবি হব আর, কন্থায় অাঁকিল কন্যা চান সুরুজ পাহাড়৷ আরও যে, অাঁকিল কন্যা হাসা আর হাসি৷ চাইরো পাড়ে অাঁকে কইন্যা পুষ্প রাশি রাশি’৷ পলীকবি জসীমউদ্দীনের অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ ‘নকশি কাঁথার মাঠ’ ও এরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পলী রমণীদের শিল্পী মনের এক অপূর্ব অভিব্যক্তি যেন নকশি কাঁথা। বিভিন্ন ধরনের কাপড়েরর আস্তরণের উপর সুচ আর সুতোয় একে একে ফুটে উঠে আম, মাছ, খেজুর গাছ, পাখী, পাল্কী, লাঙ্গল, নৌকা, হাতি, ফুল, লতাপাতা, ঘোড়া, চাঁদ-তারা, রাজ-রাজার জীবনকাহিনী, কল্পনার পরী, যুদ্ধ-বিগ্রহ, নর-নারীর প্রেম ভালোবাসা এবং একই সাথে গ্রামীণ জীবনের অনেক কিছু। এ যেন শিল্পীর কাছে অতি পরিচিত পরিবেশ ও প্রকৃতির নি:শর্ত আত্মসমর্পণ।
 
 
গ্রাম বাংলার নকশি কাঁথা
এদেশের গ্রামের বধূ ও কন্যারা একসময় শুধুমাত্র পরিবারের প্রয়োজনে নকশি কাঁথা তৈরি করতো।আর এরই মাঝ দিয়ে ঐতিহ্যেরও প্রকাশ পেত। সাধারণত: বর্ষকালে গ্রামের মহিলাদের সংসারের কাজকর্ম কম থাকায় এ সময়টাতে তারা কাঁথা তৈরি করতো। বলতে গেলে গ্রামীণ জীবনে এ ধারা আজও অব্যাহত আছে। আমাদের দেশের প্রায় সর্বত্রই নকশি কাঁথা তৈরি হতো। ব্যবহৃত পুরাতন শাড়ি এবং শাড়ির পাড়ের সুতো তুলে তৈরি হতো নকশি কাঁথা। বাংলাদেশের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, পাবনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ কুমিলা ও সিলেট অঞ্চলে তৈরি হতো এসব কাঁথা। বিভিন্ন অঞ্চলে ফোড়, পাইড় ও নকশা অনুযায়ী নকশি কাঁথা ভিন্ন ভিন্ন নামেও পরিচিত। এগুলো হলো: বরকা ফোঁড়, তেজবি ফোঁড়, বাশপাতা ফোঁড়, কইতা ও বিছা ফোঁড় ইত্যাদি পাড়ের নামে তোলো পাইড়, তাস পাইড়, নয়নলতা, নারিকেল পাতা ও নৌকা বিলাস আরও বহুন নামের নকশী কাঁথা রয়েছে।
 
 
বাহারি নকশি কাঁথা
আবহমানকাল ধরে এ দেশের মানুষ নকশি কাঁথা ব্যবহার করে আসছে। শহরে কিংবা গ্রামে সর্বত্র আজও কাঁথার যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে আগেকার দিনে প্রতিটি পরিবারে নকশি কাঁথার ব্যবহার ছিল ব্যাপক ও বহুবিধ। ব্যবহার অনুযায়ী এগুলোর নামেও ছিল ভিন্নতা। যেমন, শীতের জন্য লেপকাঁথা, বালিশে ব্যবহারের জন্য বয়তন, নামাজের জন্য জায়নামাজ কাঁথা, বসার জন্য আসন কাঁথা এবং খাবারের জন্য দস্তরখানসহ কাঁথার ব্যবহার অনুযায়ী আরো অনেক নাম ছিল। মেয়েদের বিয়েতে এবং আত্মীয়-স্বজনকে কাঁথা উপহার হিসেবে দেয়ারও প্রচলন ছিল। স্নেহময়ী মা তার সন্তান, প্রেমময়ী স্ত্রী তার স্বামীর জন্য এবং নানি-দাদি, খালা-ফুফুরা পৃথিবীতে নতুন অতিথির আগমনকে সামনে রেখেও কাঁথা তৈরি করতো। এ প্রচলন আজও একেবারে ফুরিয়ে যায়নি।
 
নকশি কাঁথার চাহিদা
সেকালের নকশি কাঁথা আজো আছে এবং তৈরিও হচ্ছে। তবে বিবর্তনের ধারায় সময় ও চাহিদার প্রেক্ষিতে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকর্মেও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। নকশি কাঁথার চাহিদা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এসেছে ব্যাপকতা ও নতুনত্ব। দেশের সীমা পেরিয়ে নকশি কাঁথা আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমাদৃত হচ্ছে। শৌখিন পণ্য হিসেবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে নকশী কাঁথা। পুরাতন কাপড় ও সুতোর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে নতুন মার্কিন, লাল শালু কিংবা কালো কাপড় এবং বিদেশি সিল্কি পেটি সুতো।
 
কোথায় থেকে কিনবেন, দাম কেমন?
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের  যেকোনো আধুনিক শপিং মল ও দেশি ফ্যাশন হাউসগুলোয় নকশি কাঁথা পাওয়া যাবে। এছাড়াও যেতে পারেন নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া ও পুরান ঢাকার চকবাজারে। একটু চোখ বুলালেই দেখবেন নিউমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতেও বসেছে নকশি পণ্যের পসরা। মোহাম্মদপুর, কলেজ গেটেও নকশি কাঁথা ও চাদরের বেশ কিছু দোকান রয়েছে। এগুলো ছাড়াও দেশের বড়বড় অনলাইন শপিংমল গুলোতে রয়েছে নকশি কাঁথার শত শত কালেকশন। শত ব্যস্ততার মাঝেও ইচ্ছে করলে তাদের শপিং সাইটে গিয়ে পছন্দমত নকশি কাঁথার অর্ডার করলেই আপনার ঘর পন্য পৌঁছে যাবে। ডিজাইন ও নকশা ভেদে সবগুলো মার্কেটে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার মধ্যেই নকশি কাঁথা পেয়ে যাবেন। নিচে একটি লিংক দিয়ে দিলাম সেখান থেকে কিছু কালেকশন ও দাম দেখে নিতে পারেন। 
 
*নকশিকাঁথা* *কাঁথা* *গৃহসজ্জা* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★