কাধে ব্যথা

কাধেব্যথা নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কাঁধে ব্যথা বা চাপ ধরে থাকার মতো সমস্যা এড়াতে কি ধরণের ব্যায়াম করা যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কাঁধেব্যথা* *ব্যায়াম* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

মোঃ আক্তার হোসেন: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঘাড়ে ব্যাথা হলে কি করা উচিত ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*পিঠেব্যথা* *কাধেব্যথা* *হেলথটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কাঁধ ও পিঠের মাংস বৃদ্ধি পাওয়ার জন্যেই কি কাঁধে ব্যাথা হতে পারে? ঘাড় ও পিঠের অতিরিক্ত মাংস ও চর্বি কমানোর জন্য কি ধরনের ব্যায়াম করা উচিৎ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*কাঁধেব্যাথা* *পিঠেব্যাথা* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *কাঁধেব্যথা* *ঘাড়েব্যথা* *স্পন্ডালাইসিস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

সুস্থ থাকতে জানুন
http://www.suprobhat.com/?p=218463
কোমর ব্যথা, ঘাড়ের ব্যথা, হাঁটু ব্যথা এগুলো অনেকেরই কমন সমস্যা। শরীরে দীর্ঘ মেয়াদী ব্যথা, শারীরিক অক্ষমতা, পেশাগত অক্ষমতা এবং এর সাথে সংশ্ল্লিষ্ট মানসিক সমস্যাও হয়ে থাকে। আমাদের কাউকে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করতে হয়, কাউকে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয় অথবা কাউকে প্রচুর ভ্রমণ করতে হয় আমরা প্রত্যেকেই কিন’ এই রোগের ঝুঁকিতে রয়েছি। যেহেতু, আমাদের অনেকেরই ডেস্কে বসে কাজ করতে হয়, তাই ডেস্ক ওয়ার্কারদের মাসকিউলোস্কেলিটাল ডিজিজের (বাত ব্যথা) কারণ ও প্রতিকার নিয়ে আমরা প্রথমে আলোচনা করবো। ডেস্ক ওয়ার্কারদের মাঝে মাসকিউলোস্কেলিটাল ডিজিজ শুরু হয়ে থাকে। এগুলো হলো- কাজের সময় শরীরের পসচার (অঙ্গভঙ্গি) সঠিক না থাকার ফলে শরীরের কোনো কোনো অংশে চাপ বেড়ে গিয়ে ব্যথা জনিত সমস্যা শুরু হতে পারে। যেমন- মেরুদণ্ড কুঁজো করে বসার অভ্যাসে ইন্টারভার্টিব্র্যাল ডিস্ক এর চাপ বেড়ে কোমর ব্যথা, দীর্ঘ সময় সামনে ঝুঁকে ল্যাপটপে কাজ করার কারণে ঘাড়ের ব্যথা হতে পারে। ...বিস্তারিত
*হেলথটিপস* *কাধেব্যথা* *কোমরব্যথা* *ব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য*
৭২৫ বার দেখা হয়েছে

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘাড় ও কাঁথে ব্যাথা:
আজকাল ২০ থেকে ৬০ বছর বয়সী লোকদের মধ্যে ঘাড় এবং কাঁধে ব্যাথার কথা খুব বেশী শুনা যায়। যারা নিয়মিত অফিসে কিংবা বাসায় কমপিউটার এবং ডেস্কে বসে কাজ করেন তাদের মধ্যে এই সমস্যাটা খুব বেশী দেখা যায়। প্রথম দিকে সামান্য ব্যাথাকে অনেকেই গুরুত্ব না দিয়ে শরীরের উপর চাপ সৃষ্টি করে কাজ চালিয়ে যায় যা কিনা পরবর্তীতে নিয়মিত ঘাড় এবং কাঁধের কঠিন ব্যাথায় পরিনিত হয়।

ঘাড় ও কাঁথে ব্যাথা হলে কি করা উচিত ?

একটু সচেতন হলে কমপিউটার কিংবা ডেস্কে কাজ করার সময় শরীরে আড়ষ্টতা কিংবা ঘাড় ও কাঁথে ব্যাথা অনুভূত হলে মাত্র ৪ মিনিট নিচের ছবির মত ব্যায়ামগুলো করলে এই সমস্যা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা যায়।

*কাধেব্যথা* *কোমরব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মেনোপজের পর ঘাড়ে ব্যথা, ক্লান্তি কি অস্টিওআর্থ্রাইটিস ইঙ্গিত করে ? সেক্ষেত্রে কি করা উচিত ?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*পিঠেব্যথা* *মেনোপজ* *হাড়ক্ষয়* *কাধেব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘাড় কিংবা পিঠে ব্যাথা? সারিয়ে তুলতে কি করবেন? হ্যাঁ, ঘাড়ে ব্যাথা হলে ঘাবড়ানোর কোনো কারন নেই। কোথাও ঘুরতে গেলেন কিংবা সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখলেন ঘাড়ের ব্যথা। ঘাড় ব্যাথায় করণীয় কি? ছোট ও হালকা একটি ব্যায়াম দূর করবে ঘাড়ের ব্যথা। জেনে নিন কী করতে হবে আপনাকে। তবে একটুতে ঘাড় বা পিঠ ব্যথার সমস্যা থাকলে এই সমস্যাটি বাড়িতে বেশ কয়েকবার করুন।

প্রথম ধাপ- ব্যথার জায়গাটি চিহ্নিত করুন। ডান দিকে বা পিঠের ওপরের দিকে ব্যথা হলে নিজের ডান হাত সেখানে রাখুন। বাম দিকে ব্যথা হলে, হাত রাখুন সে দিকেই।

দ্বিতীয় ধাপ- ব্যথার জায়গায় আঙুল দিয়ে চাপ দিন। মনে রাখবেন, চাপ দেওয়ার সময়ে ব্যথা হতে পারে, তবে সেটি এমন ব্যথা যা আপনি সহ্য করতে পারবেন। কিন্তু হাত পৌঁছতে পারে না, এমন কোনও জায়গায় ব্যথা হলে টেনিস বল বা এ ধরনের অন্য কোনও বস্তু সেই কাজ করে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেওয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়ান। ব্যথায় জায়গায় সেই টেনিস বলটি রাখুন।

তৃতীয় ধাপ- টানের বিপরীতে আড়াআড়ি ভাবে ঘাড় বাঁকান, যেন থুতনি নিজের বাহুমূলের সঙ্গে মেশাতে চাইছেন।

চতুর্থ ধাপ- এই তিনটি স্টেপই ২০ বার করুন। এর পর নিজের ঘাড় এবং পিঠকে স্ট্রেচ করুন। এখনই ঘুম থেকে উঠলেন গোছের স্ট্রেচ করতে হবে। এতেই আপনার পেশির টান ছেড়ে যাবে।

সুত্র:http://www.bdstock.biz/archives/2604

*ঘাড়েব্যাথা* *কাধেব্যথা*

বেশতো Buzz: আপনাদের জন্য কিছু স্টারড ওয়ার্ড আজ তুলে ধরছি, সেগুলো যথাক্রমে *জরুরীপ্রয়োজন* *কাধেব্যথা* *শীতেত্বকেরযত্ন* *হরতালবিড়ম্বনা* *ডিভোর্স* *সম্পর্ক* *গ্রামীনখেলা* *আর্টফিল্ম* *ননদভাবি* *খুসকি* *উপমহাদেশীয়খাবার* আপনারা এগুলো দিয়ে চটপোস্ট ছাড়াও বেশব্লগ, খবর, টিপস, ফটো দিতে পারেন আর সেইসাথে এই সম্পর্কিত প্রশ্ন করতে আর পরামর্শও চাইতে পারেন এবং দিতে পারেন (লজ্জা২)

*জরুরীপ্রয়োজন* *কাধেব্যথা* *শীতেত্বকেরযত্ন* *হরতালবিড়ম্বনা* *ডিভোর্স* *সম্পর্ক* *গ্রামীনখেলা* *আর্টফিল্ম* *ননদভাবি* *খুসকি* *উপমহাদেশীয়খাবার*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পিএলডিডি এর লেজার  পদ্ধতিতে হাড়, মাংস ও চামড়া কাটার যেমন প্রয়োজন হয় না । রোগীকে অজ্ঞান করারও প্রয়োজন হয় না। ফলে, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে লেজার সার্জারীর জন্য তেমন কোন অন্তরায় হয় না। লেজার প্রয়োগের স্থান দূর্বল হয় না। লেজার প্রয়োগের স্থানে কোন ক্ষতচিহ্ন (স্কার) থাকে না যেকারণে পরবর্তিতে কোন ব্যথা অনুভূত হবে না।

চলুন জেনে নেই ডিস্কপ্রোল্যাপ্স কি?
মানুষের মেরুদন্ডে শক্ত হাড় ছাড়াও দুই হাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে নরম হাড় (ইন্টারভার্টেব্রাল ডিস্ক) থাকে- যা গাড়ীর স্প্রীং বা শক এবজরবারের মতো কাজ করে। সাধারণত ভারী জিনিস উঠানো, আঘাত, শরীরের বিশেষ অবস্থায় ঝাকি খাওয়া এছাড়া আরও নানাবিধ কারণে ডিস্কের স্থানচ্যুতি (প্রোলাপ্স) হয়ে সংলগ্ন মেরুরজ্জু (স্পাইনাল কর্ড) অথবা স্নায়ুমূল (নার্ভরুট) অথবা উভয়ের উপরেই চাপ পরতে পারে। কোমড়ের (লাম্বার) ডিস্ক প্রোল্যাপ্সে রোগী মাজায় তীব্র ব্যথা অনুভব করে। ফলে, রোগী বসতে বা দাঁড়াতে পারে না।

ডিস্কপ্রোল্যাপ্স এর লক্ষণ:

কোমরে উৎপন্ন স্নায়ুসমূহ (নার্ভ) কোমর থেকে পা পর্যন্তছড়িয়ে থাকে। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে মাজা ব্যথার পাশাপাশি এক পার্শ্বে বা উভয় পার্শ্বের রানে, হাঁটুতে, হাঁটুর নীচের গোছা, গোড়ালী বা পায়ের আঙ্গুল পর্যন্তযে কোন জায়গায় ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এ ছাড়াও উপরোক্ত জায়গাগুলোতে ঝিন-ঝিন, শিন-শিন করে, পায়ের বোধ শক্তি কমে যায়, পর্যায়ক্রমে পা দুর্বল হয়ে যেতে থাকে এবং এক পর্যায়ে রোগী হাঁটতে, দাঁড়াতে এমনকি বসতেও পারে না। আবার ঘাড়ে (সারভাইকাল) উৎপন্ন স্নায়ুসমূহ ঘাড় থেকে হাত পর্যন্তছড়িয়ে থাকে। কাজেই ঘাড়ের ডিস্ক প্রোল্যাপ্সে প্রাথমিক পর্যায়ে ঘাড়ের ব্যথার পাশাপাশি ডান বা বাম হাত বা উভয় হাতে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। লাম্বার ডিস্ক প্রোল্যাপ্সের মত এখানেও হাত ঝিন-ঝিন, শিন-শিন করে, হাতের বোধ শক্তি কমে যায়। এক পর্যায়ে হাত দুর্বল হয়ে যেতে পারে- এমনকি হাত-পা উভয়ই দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

ডিস্ক প্রোল্যাপ্স এ কি হয়:
ইন্টারভার্টেব্রাল ডিস্ক গঠনগতভাবে নিউক্লিয়াস প্যালপোসাস (কেন্দ্রমধ্যস্থিত জেলির মতো পদার্থ) এবং অ্যানিউলাস ফাইব্রোসাস (চারি পার্শ্বস্থ শক্ত ফাইবার বা আঁশ ও ছোট ছোট রক্তানালী) দিয়ে তৈরী। দাড়ানো অবস্থায় বা ওজন বহনকালে কেন্দ্রস্থিত জেলির উপর চাপ পড়ে কিন্তু শক্ত অ্যানিউলাস ফাইব্য্র্রোসাস সেই চাপ নিয়ন্ত্রণ করে ডিস্কের গঠন ঠিক রাখে। কিন্তু বেশী ওজন বহনে বা অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়ায় নিউকিয়াস প্যালপোসাসের উপর মাত্রাতিরিক্ত বা অসম চাপ পড়ে গেলে সেই অতিরিক্ত চাপ (Raised Intradiscal Pressure) অ্যানিউলাস ফাইব্য্র্রোসাস আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে, নিউকিয়াস প্যালপোসাস অ্যানিউলাস ফাইব্রোসাস এবং কখনও কখনও অ্যানিউলাস ফাইব্রোসাস ছিড়ে কোন একদিকে বের হয়ে আসে। ফলে, মেরুরজ্জু (স্পাইনাল কর্ড) অথবা স্নায়ুমূল (নার্ভরুট) অথবা উভয়ের উপরেই চাপ পড়ে। প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি: ১৯৩৪ সাল থেকে অদ্যাবধি প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে পিঠের চামড়া, মাংস ও হাড়ের মাঝখান দিয়ে কেটে বেরিয়ে আসা বা প্রোল্যাপ্সড নিউকিয়াস প্যালপোস্যাসের অংশটুকু তুলে এনে স্নায়ূ বা স্নায়ূ রজ্জুর চাপকে প্রশমিত করা হয়।

লেজার চিকিৎসা পদ্ধতি:
গবেষনা বা কিনিক্যাল পরীা-নিরীায় প্রমানিত হয়েছে যে- পারকিউটেনিয়াস লেজার ডিস্ক ডিকম্প্রেশনের (PLDD) মাধ্যমে নিদিষ্ট মাত্রার ও নিদিষ্ট ধরনের লেজার রশ্মি প্রয়োগ করে অতি সহজেই নিউকিয়াস প্যালপোসাসের অংশবিশেষ বাষ্পায়িত করার মাধ্যমে এর অতিরিক্ত চাপ কমানো সম্ভব। ফলে, স্থানচ্যুত (প্রোলাপ্সড) ডিস্ক পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে এবং স্পাইনাল কর্ড ও নার্ভরুটের উপর থেকে চাপ কমে গিয়ে রোগী স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এছাড়া লেজারের অপটো-থারমো-মেকানিক্যাল স্টিমুলেশনের মাধ্যমে ছিড়ে যাওয়া অ্যানিউলাস ফাইব্র্রোসাসের পুরো মতাটাকেই রিপেয়ার বা পূর্বাবস্থানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

পিএলডিডি কি নিরাপদ পদ্ধতি:

উন্নত বিশ্বে ডিস্ক প্রোল্যাপ্সের বেশির ভাগ রোগীরই এখন আর কেটে অপারেশন করা হয় না। সারভাইক্যাল/লাম্বার ডিস্ক প্রোলাপ্সের বেশীর ভাগ রোগীই পারকিউটেনিয়াস লেজার ডিস্ক ডিকম্প্রেশনের (PLDD) মাধ্যমে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে থাকে। এখানে উলেখ্য যে, এই চিকিৎসায় যে ধরনের বা যে মাত্রার লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়ে থাকে- তার কোন ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নাই বললেই চলে। আমেরিকার ফেডারেল ড্রাগ এডমিনিষ্ট্রেশন ((US FDA) ইতিমধ্যে PLDD কে নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সূত্রঃ লেজার হসপিটাল.নেট
*কাধেব্যথা* *পিঠেব্যথা* *কোমরব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*
খবর

খুশি: একটি খবর জানাচ্ছে

ঘাড় ব্যথার আধুনিক চিকিৎসা
http://spotlightedu.wordpress.com/2012/04/22/%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A7%9C-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D/
রাতে সুস্থ মানুষ শুয়ে আছেন সকাল বেলায় আর ডান-বাম ঘাড় নাড়াতে পারছেন না। এর কারণ কি জানেন? হয়তো ঘুমের ঘোরে আপনার ঘাড়ের অবস্থান ঠিক ছিল না অথবা রোগের বহি:প্রকাশ। ঘাড় ব্যথা বিভিন্ন রোগের বহি:প্রকাশে হতে পারে। যেমন—স্পনডাইলোসিস আথ্রাইটিস বা বাত জনিত সমস্যা ফাইব্রোমায়েলজিয়া ডিক্স প্রলাস্প অথবা যখন ব্যথা হাতে চলে যায় নিউরাইটিস এবং নিডর্যালজিয়া।  কোথায়… ...বিস্তারিত
*কাধেব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*
৭৬০ বার দেখা হয়েছে
ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘাড়ে ব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। ঘাড়ের মেরুদণ্ডে যে হাড় ও জয়েন্ট আছে তা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারের ফলে ক্ষয়জনিত কারণে পরিবর্তন ঘটে, লিগামেন্টগুলো মোটা ও শক্ত হয়ে যায় এবং দুটি হাড়ের মাঝে যে ডিস্ক থাকে তার উচ্চতা কমে আসে এবং সরু হতে শুরু করে। হাড়ের মাঝে দূরত্ব কমে গিয়ে পাশে অবস্থিত স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে ফলে ব্যথা শুরু হয়। অনেক সময় স্নায়ু রজ্জু সরু হয়ে যেতে পারে। ফলে ঘাড় ব্যথা ও নড়াচড়া করতে অসুবিধা হয়। শুরু হয় মাথা ব্যথা এবং এই ব্যথা হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন এই ব্যথা অব্যাহত থাকলে ঘাড়ের মেরুদন্ডের বিকৃতি বা স্পাইরাল ডিফরমিটি দেখা দিতে পারে। এই সব সমস্যাগুলোকে প্রকারভেদে বিভিন্ন নামকরণ করা হয়। যেমন-সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস, সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসথোসিস, সারভাইক্যাল রিব, স্টিফ নেক, সারভাইক্যাল ইনজুরি ইত্যাদি।

লক্ষণ: সাধারণত এই সমস্ত রোগী ঘাড়ের ব্যথা সহ ঘাড় নড়াচড়া করা এবং হাতে ঝিন ঝিন অনুভব করার অসুবিধার কথা বর্ণনা করেন। অনেক ক্ষেত্রে হাতে শক্তি কমে যায় এবং হাতের আঙ্গুলের বোধশক্তির তারতম্যের কথা বলতে পারেন। ব্যথা ঘাড় হতে মাথার দিকে উঠতে পারে।

চিকিৎসা: চিকিৎসার উদ্দেশ্য হলো ব্যথা কমানোর পাশাপাশি ঘাড়ের স্বাভাবিক নড়াচড়ার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, ঘাড়ের মাংস পেসীর শক্তি বৃদ্ধি করা, ঘাড় বা স্পাইনের সঠিক পজিশন বা অবস্থা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া এবং যে সকল কারণে পুনরায় ঘাড় ব্যথা হতে পারে সে সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা।

ব্যথা কমানোর জন্য সাধারণত ব্যথা নাশক ঔষধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চলতে পারে। বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে হিট চিকিৎসা, থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ, মেনিপুলেশন এবং প্রয়োজন হলে ট্রাকশন এ রোগের উপকারে আসে। ঘাড়কে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া থেকে বিরত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে সারভাইক্যাল কলার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মাথার নীচে হালকা নরম বালিশ ব্যবহার করা যেতে পারে।

সূত্রঃ বিবিসিনিউজ২৪.কম

*কাধেব্যথা* *ঘাড়েব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পিঠ অর্থাৎ কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত যে কোনো কারণে ব্যথা হতে পারে। যা ‘ব্যাক পেইন’ নামে পরিচিত। এই ব্যথা যে শুধু বয়স হলেই হয়, তা নয়। এ অসুখের জন্য নানান কারণ থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিঠ ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য কেবল ওষুধ খেলেই চলবে না, মানতে হবে কিছু নিয়ম কানুনও পিঠে ব্যথা বয়ে বেড়াচ্ছেন ডাক্তার , ওুষধেও হচ্ছে না কাজ? আর হওয়ার কথাও না বিশেষজ্ঞরা বলছেন পিঠ ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য কেবল ওষুধ খেলেই চলবে না মানতে হবে কিছু নিয়ম কানুনও ।
পিঠের ব্যথাকে বিদায় জানানোর কায়দাগুলো জেনে নিন।
বদলে ফেলুন পুরনো তোশক একটি তোশক ৬ থেকে ১০ বছর ভালো থাকে। ১০ বছরের বেশি হয়ে গেলে তোশক পরিবর্তন করা অত্যাবশ্যকীয়। পুরনো তোশক বেশি শক্ত হওয়ার কারণে অনেক কসময় আমাদের পিঠ ব্যথা হয় । ঘুম থেকে ওঠার পর দেখবেন টের পাচ্ছেন পিঠের ব্যথা। তাই দেরি না করে বদলে ঢেলুন পুরনো তোশকটি। ফোমের বিছানা নয় খুব শক্ত তোশক যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তেমনি আবার খুব নরম বিছানাও ক্ষতিকর। ফোমের বিছানা স্বাস্থ্যম্মত নয়। নিয়মিত ঘুমালে পিঠে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ভারী ব্যাগ বহন আমাদেও শরীওে শতকার ১০ ভাগ ওজন কাঁধ বহন করতে পারে । বেশি ওজনের কারণে শরীরের দুই পাশে সমান ভারসাম্য থাকে না। এতে আপরার মেরুদন্ডের উপর চাপ পড়ে , হয় পিঠে ব্যথা। তাই পিঠের ব্যথা কমাতে বেশি ভারি ব্যাগ কখনোই বহন করবেন না।
 সারা দিন বসে থাকা সার দিন বসে থাকলে পিঠের মাংস পেশীর নড়াচড়া কম হয়। এর ঢলে মাংসপেশী অকার্যকর হয়ে পড়ে। তবে দাড়িয়ে থাকার চেয়ে বসে থাকলে চাপ পড়ে ৫০ ভাগ বেশি। যারা ডেস্কে বসে চাকরি করেন তাদের জন্য এটা খুবই খারাপ খবর । তাই প্রতিদিন কাজের ফাঁকে একটু হাঁটাচলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। চেয়ারে কিছু বিশেষ ধরনের Lumbar Roll ব্যাবহার করে মেরুদণ্ড কে সোজা রেখে কোমর ব্যথা ও মেদভুঁড়ির সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
হিল জুতো না পড়াই ভালো মেয়েদেও পিঠে ব্যথা বেশি হয় মূলত হিলওয়ালা জুতো পরার কারণে। বেশি উঁচু হিল পেছনেরর দিকে হেলে থাকতে বাধ্য করে। এটা কোমর আর মেরুদন্ডে চাপ সৃষ্টি করে । তাই পিঠের ব্যথা এড়াতে হিল জুতো না পড়া ভালো। মানসিক কষ্ট সম্প্রতি বিভিন্ন গবেষণায় দেখ গেছে আবেগ এবং ভাবনা প্রভাব য়েলে মানুষের মাংসপেষশীতেও । তাই দুঃশ্চিন্ত, হতাশা , রাগ , ক্ষোভও পিঠে ব্যথার কারণ। ব্যথা তেকে বাঁচতে চেষ্টা করুন হাসি-খুশি থাকতে। বাদ দিন জাঙ্ক খাবার উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন নিম্ন পুষ্টির কাবার বেশি খেল বৃদ্ধি পায় স্থুলতা।
পিঠে ব্যথার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে স্থুলতা। তাই বাইরে নানা ধরনের জাঙ্ক ফুড খাওয়ার থেকে বিরত থাকা উচিত। চেয়ারে কিছু বিশেষ ধরনের Lumbar Roll ব্যাবহার করে মেরুদণ্ড কে সোজা রেখে কোমর ব্যথা ও মেদভুঁড়ির সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
*পিঠেব্যথা* *কাধেব্যথা* *ঘাড়েব্যথা* *কোমরব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★