কান্না

কান্না নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"তুই কিন্তু আমাকে রোজ ফোন করবি ! রোজ । মনে থাকে যেন রোজ !"

"আচ্ছা মা ।"

"আচ্ছা না ! বল করবি ?"

"ঠিক আছে মা । রোজ ফোন করবো তোমাকে আমি ।"

"আর প্রতি শুক্রবার আসবি ঘরে । বিকেলে চলে এসে রাতে খেয়ে তারপর যাবি ।"

"ঠিক আছে মা ।"

"আর প্রতিদিন ফোন দিবি ঠিক সাড়ে দশটা-এগারোটার সময় ।"

"আচ্ছা ।"

"তোর বাবা দোকানে চলে যাবে । তারপর আমি রান্না করবো আর কথা বলবো তোর সাথে ।"

"ঠিক আছে ।"

"তখন কিন্তু ব্যস্ত বললে শুনবো না ।"

"বলবো না ব্যস্ত আছি ।"

''সত্যি তো ?"

"হ্যা সত্যি । এখন ওঠো তো ইনসুলিনটা পুশ করতে হবে এখন । তারপর আধ ঘন্টা পর রাতের খাবার খেতে হবে |"

"আজ কি রান্না করলি মা ?"

"নিরামিষ আর তোমার জন্য দুটো মোমো ।"

"বাহ্ ! তোর বাবা খেয়েছে ?"

"হ্যা ।"

আলিহা তার মাকে ইনসুলিন ইনজেকশন পুশ করে দিয়ে চলে গেল খাবার গরম করতে । রাহেলা চুপ করে বসে মেয়ের বিয়ের কথা ভাবতে লাগলেন । আচ্ছা হলুদের দিন কেমন শাড়ি কেনা উচিত ? সিল্ক না জামদানি ? জামদানি, টাঙ্গাইল খুব কমন হয়ে যায় ! কাতান একটা আর কতই নেবে ! বড়োজোর চার-পাঁচ হাজার । নাহঃ ! কাতানই কিনবেন । হলুদ কাতান লাল পাড় | আর হলুদ গাঁদার গহনা । কি সুন্দর হবে ! অপূর্ব লাগবে তার মেয়েকে !

আলিহা ট্রেতে করে তার মায়ের খাবার নিয়ে এলো । ল্যাপ টেবিলটা বিছানায় রেখে তাতে খাবার সাজালো । রাহেলা তাকিয়ে দেখলেন মেয়েকে । কি গোছানো স্বভাবের মেয়েটা । সব কাজ পরিপাটি । এই যে কি সুন্দর খাবার বাড়ছে । আসলেই তার মেয়েটা আলাদা ।

আলিহা তার মাকে ধরে বসাল । খাবার খাইয়ে দিতে দিতে বলল, "তুমি সারাদিন এতো কথা বলোনা মা বুয়ার সাথে ।"

"কেন গো মা ?"

"এমনি ।"

"ভালো লাগেনা মা এমনি এমনি ।"

"ডাক্তার তো মানা করেছে তোমাকে বেশি কথা বলতে । সেজন্য মা ।"

আলিহা সত্যি কথাটা বলতে পারলো না । তাদের বুয়া অভিযোগ করেছে, "খালাম্মা এত্ত কতা কয় মাতা ঘুরে আমার ! আমি যামুগা আফা । কাম না পাইলে নাই কিন্তু ইমুন করলে থাহা যায়না ।"

স্ট্রোক করার পর অতিরিক্তরকম কথা বলেন রাহেলা তা সত্যি । কিন্তু বুয়া এখন কাজ ছেড়ে চলে গেলে বড় বিপদ হবে আলিহার ।

"কি ভাবিস মা ?"

" কিছু না ।"

"তুই খেয়েছিস ?"

"খাবো মা । তোমার খাওয়া হলে ওষুধ খাইয়ে দিয়ে গিয়ে খাবো ।"

"তুই খাবি ঠিকমত মা ।"

"আচ্ছা ।"

রাহেলা স্ট্রোক করে তার শরীরের বামপাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছে । তাকে খাওয়ানো, জামা পড়ানো, গোসল করানো সব তার মেয়ে করে । তিনি প্রায় অচল এখন শারীরিকভাবে ।

রাহেলা এক হাতে অনেক কসরত করে রুটি ছিঁড়ে নিয়ে সবজি দিয়ে আলিহাকে বললেন, "হা কর মা । খাইয়ে দেই তোকে ।"

"আমাকে খাওয়াতে হবে না । তুমি খাও ।"

"খা না মা । মার হাতে খেতে হয় ।"

আলিহা রুটির টুকরোটা গালে নিয়ে বলল, "তাড়াতাড়ি খাও মা |"

সব কাজ সেরে রাতে ঘুমাতে এলে রাহেলা বলল, "জানিস তোর বিয়েতে তোর জন্য একটা আলাদা দামি শাড়ি কিনবো ।"

"হুম ।"

এই গল্প প্রায় প্রতিদিন করেন রাহেলা । এইসব কথা আলিহার জন্য নতুন নয় ।

রাহেলা আবার বললেন, "খালি একটাই দুঃখ মা ।"

"কি ?"

"ছেলের বয়স বেশি অনেক ।"

"সব কি মেলে মা !"

"ঠিক গো মা । তবে দেখিস ছেলে ভালো ।"

"ভালো হলেই ভালো |"

"নাগো ভালো অনেক । আমি হাসপাতালে থাকতে কতবার এসেছে ।"

"হুম । এখন ঘুমাও মা ।"

"ঘুম আসবে একটু পর । লিহা ?"

"বলো মা । বাথরুম যাবে ?"

"না । একটা কথা শুনবি ?"

"কি ?"

"আমার বিয়ের বেনারসীটা পড়বি একবার এখন ? পড়না মা । দেখি কেমন লাগে তোকে ?"

"কি পাগলামো করছো মা ! ঘুমাও এখন ।"

"পড়না মা বেনারসীটা ।"

"এখন না মা ।"

"কেন গো ? পুরোনো তাই ? জানিস আমার বিয়ের সময় ঐটা ছিল বাজারের সবচেয়ে দামি শাড়ি । ওই যুগে দশ হাজার টাকা দাম ।

তখন অনেক টাকা ছিল তো তোর বাবার তাই এতো দামি শাড়ি কিনেছিল । সবাই বিয়ের দিন শাড়ি দেখে অবাক । এতো দামি শাড়ি !"

"ঘুমাও মা এখন । তোমার শাড়ির গল্প কাল শুনবো ।"

"পড় না শাড়িটা !"

"পড়বো মা । প্রমিজ আমার বিয়ের দিন পড়বো ।"

"এখন ?"

"এখন না ।"

"মাগো তুই প্রতিদিন ফোন দিস ।"

"দেব মা ।"

রাহেলা তার পুরোনো ছোট নকিয়ার ফোনটা হাতড়ে হাতড়ে বালিশের তোলা থেকে বের করে বললেন, "আমি ফোনটা সবসময় কাছে রেখে দেব । যাতে তুই ফোন দিলেই ধরতে পারি ।"

"আচ্ছা মা ।"

"আমি খাবার রান্না করে তোকে পাঠাবো রোজ । খাবি তো মা ? নাকি বড়োলোক শাশুড়ি পেয়ে মাকে ভুলে যাবি ?"

"কি যে বলো না মা ! মা ঘুমাও তো এখন ।"

সারাদিনের খাটুনির পর আলিহার চোখে ঘুম জড়িয়ে এসেছে । সে ঘুমিয়ে গেল । রাহেলা বকে যেতে লাগলেন তার মতো ।

আলিহার বিয়েটা হল না । বিয়ের নির্ধারিত তারিখের সতের দিন আগে আলিহার মা মারা যান ।

শাহেদ বেশ রাগ হয়ে বলল, "তোমাকে অনেকবার ফোন দিয়েছি আমি ।"

"আমার ফোনে চার্জ ছিল না ।"

"চার্জ ছিল না ? নতুন ফোনে চার্জ ছিল না ? তুমি চার্জ দাওনি ফোনে ?"

"ওটাতে ছিল । তুমি যেটাতে দিয়েছিলে সেটায় ছিল না ।"

"মানে ? আমি তোমার জিপি নম্বরে ফোন দিয়েছি । সেটা অফ ছিল ।''

আলিহা অপরাধ স্বীকার করে বলল, "হ্যা ওটার চার্জ ছিলোনা ।"

শাহেদ দেখলো ডেস্কের উপর পুরোনো জীর্ন একটা ছোট নকিয়ার ফোন চার্জে দেয়া । সে এগিয়ে এসে বলল, " এটা কার ?"

"আমার ।"

"এতেই কি ফোন দিয়েছিলাম ?"

"হ্যা ।"

"আর যেটা নতুন কিনে দিয়েছি সেই ফোনটা কই ?"

"ঐযে পাশে । ওটায় অন্য অপারেটরের সিম কার্ড । ওটায় ফোন দিলে পেতে ।"

শাহেদ বহু কষ্টে রাগ সামলে বলল, "আমি তোমাকে ব্র্যান্ড নিউ আইফোন সেভেন কিনে দিয়েছি এতগুলো টাকা খরচ করে আর তুমি এই মান্ধাতার আমলের নষ্ট ফোন নিয়ে পরে আছো । ফ্যালো এটা !"

আলিহা চমকে উঠে বলল, "না । ওটা চার্জ দিলেই ঠিক হয়ে যাবে ।''

"এটা দেখতে কেমন ! ছিঃ আলিহা !"

"থাক । যেমনি হোক । আমি ওটাই রাখবো ।"

শাহেদ রেগে গিয়ে ফোনটা টেনে চার্জার থেকে খুলে ফেলে বলল, "ফোন রাখা হয় যোগাযোগের জন্য ! আর এটা যদি সারাদিন এমন চার্জে সেঁক দিয়ে রাখতে হয় তো এর জায়গা ডাস্টবিন ।"

শাহেদ ফোনটা খুলে নিতেই দৌড়ে এগিয়ে এলো আলিহা । তার সাথে জোরাজুরি করতে লাগলো ফোনটা ফিরিয়ে নিতে । বারবার অনুনয় করে বলতে লাগলো, "শাহেদ প্লিজ দাও, ফিরিয়ে দাও ফোনটা । তুমি ওই নম্বরে ফোন করো । ওটা আমি সবসময় খোলা রাখবো । প্লিজ দাও ।"

কিছুক্ষন ধস্তাধস্তির পর এই মামুলি অকেজো একটা ফোন নিয়ে আলিহার এতো আগ্রহ দেখে শাহেদ ফোনটা ছুড়ে ফেলে দিল বারান্দায় ।

একটা চিৎকার করে আলিহা দৌড়ে গেল সেদিকে । এতো পুরোনো বহুব্যবহারে জীর্ন ফোন এতো চাপ নিতে পারেনি । ভেঙে খুলে ছড়িয়ে গেলো ।

আলিহা হতবাক চোখে ভেঙে ছড়ানো ফোনটার দিকে কিছুক্ষন চেয়ে থেকে মাটিতে বসে একটা একটা টুকরো টুকিয়ে জড়ো করলো ।

শাহেদ একটু সামনে এগিয়ে এসে বলল, "যাহ । এতো ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেল !"

আলিহা একবার মাথা তুলে চাইলো শুধু । শাহেদ দেখলো তার চোখে পানি টলটল করছে ।

নাহঃ ঠিক হয়নি কাজটা ! রাগের মাথায় একটু বেশিই হয়ে গিয়েছে ।

শাহেদ পাশে হাটুগেড়ে বসে বলল, "দেখি কি হল ?"

আলিহা তাকে দেখালো না । টুকরোগুলো সব শাড়ির আঁচলে বেঁধে নিয়ে চলে গেল ।

তাদের বিয়ে হয়েছে চার মাস । এখনো আনুষ্ঠানিকতা হয়নি । সেসবের প্রস্তুতি চলছে । তাই এখনো আলিহা এবাড়িতে নববধূ ।

আলিহার শাশুড়ি ছেলের ঘরে এসে বললেন, "কি বলেছিস তুই বৌমা কে ?"

"তেমন কিছুনা মা ।"

"যাক তুই অন্তত স্বীকার গেলি ! ওতো যতই জিজ্ঞাসা করি বলে তুই কিছুই বলিসনি এমনি ওর মন খারাপ ।"

"ইয়ে মা । মানে আমি একটু খারাপ ব্যবহার করে ফেলেছি ওর সাথে ।"

"সেতো বুঝতেই পারছি ! নতুন বৌ, মা মরা মেয়ে কাঁদাও তাকে !"

রাতে ঘুম ভেঙে শাহেদ দেখলো আলিহা বিছানায় বসে কাঁদছে । তার হাতে ফোনটা ।

শাহেদ উঠে বসে তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলল, "আই এম স্যরি আলিহা ! প্লিজ কেঁদোনা ।"

আলিহা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো । শাহেদ তার হাত থেকে ফোনটা নিল । দেখলো আলিহা জোড়া লাগিয়েছে ঠিক কিন্তু ফোনটা চালু হচ্ছে না । শাহেদ বলল, "আমি এটা কাল ঠিক করে এনে দেব । প্লিজ তুমি মন খারাপ করো না ।"

পরদিন সন্ধ্যায় শাহেদ ঘরে ফিরে আলিহার খোঁজে রান্নাঘরে গিয়ে দেখলো সেখানে সে আর তার মা কি যেন একটা রান্নার যোগাড় করছে ।

শাহেদ এগিয়ে গিয়ে বলল, "আলিহা এই দ্যাখো ঠিক হয়ে গেছে ।" বলে সে ফোনটা এগিয়ে দিল ।

আলিহা খুব খুশি হয়ে ফোনটা হাতে নিয়ে বলল, "হ্যা তাইতো ! ওমা চার্জ প্রায় শেষ । যাই চার্জে দেই ।"

আলিহা চলে যেতে শাহেদের বোন বলল, "পাগল কেমন দেখলে ভাইয়া ! ঐরকম একটা ট্র্যাশ নিয়ে কি এক্সসাইমেন্ট ! ঘরে আইফোন পরে রয়েছে আর ওই একটা তিনইঞ্চি খেলনা নিয়ে ওর কি পাগলামো !"

শাহেদ বলল, "তাই তো দেখছি ।"

শাহেদের মা নিগার একটা ছোট নিঃস্বাস ফেলে বললেন, "ওটা ওর মার ফোন ।"

শাহেদ আর তানিকা চমকে তাকালো ।

নিগার বললেন, "ওর মা স্ট্রোক করার পর ওর এক জায়গায় সম্বন্ধ হয়েছিল বিয়ের । ওর মা ওকে সবসময় বলতেন শশুরবাড়ি গিয়ে রোজ ফোন দিবি । আমি আমার ফোনটা সবসময় কাছে রাখবো যাতে যখন তখন তোর সাথে যোগাযোগ করতে পারি ।"

শাহেদ রুদ্ধশ্বাসে বলল, "তারপর ?"

"তারপর আর কি ! ওর মা মারা গিয়েছে কিন্তু ফোনটা আছে । যোগাযোগের মানুষটা নেই কিন্তু মাধ্যমটা রয়ে গেছে ।"

এই পুরোনো অল্পপ্রাণ জীর্ন বস্তুটার প্রতি তার স্ত্রীর এতটা মায়ার কারণ তার কাছে স্পষ্ট হল । শাহেদ ঘরে গিয়ে দেখলো ফোনটা চার্জে দিয়ে ফোনটার উপর হাত রেখে আলিহা দাঁড়িয়ে আছে । তার দুচোখের কাজল অশ্রুতে লেপ্টে গেছে ।

আজ শাহেদ আর আলিহার বিয়ের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান । তাদের বাড়ির ছাদেই অনুষ্ঠান হবে আর নতুন বানানো চারতলার খালি ফ্লোরে খাবারের আয়োজন । হঠাৎ কিসের যেন শোরগোলে উঠে গেল শাহেদ । ভেতরে গিয়ে দেখলো তার বোন আর চাচাতো ভাইয়ের বৌ চিৎকার করে অস্থির ।

তানিকা বলছে, "এত্ত বললাম ! এত্ত বললাম শুনলেই না । কেমন পাগল !"

শাহেদ এগিয়ে গিয়ে বলল, "কি হয়েছে ?"

তার চাচাতো ভাইয়ের বৌ বলল, "কি আর ! তোমার বৌ ! পুরো পাগল !"

"কেন ?"

"আরে কি এক কাজ করেছে দেখ গিয়ে !"

"কি হয়েছে কি ?"

"আরে এমন একটা দিন আর আসবে জীবনে ? আর এই দিনে কিনা কোথেকে এক পুরোনো বেনারসী পরে বসে আছে । পার্লারে এতো বললাম নতুন বিয়ের শাড়িটা পড়ো । শুনলো না । কে জানে কোন নমুনা ! মানুষ সত্তর হাজার টাকা দামের নতুন জারদৌসি বেনারসী বাদ দিয়ে পুরোনো কাপড় পরে ! দুঃখ আছে ভাই তোমার !"

শাহেদ তার মায়ের ঘরের দিকে গেল । আজ আলিহা নিগারের ঘরেই বসেছে । বেশ রাগই লাগছে শাহেদের । এটা কেমন কথা কেউ বিয়ের শাড়ি পড়বে না !

নিগারের খাটের কোনে দেয়ালের জানালার দিকে মুখ ফিরিয়ে আলিহা বসে আছে । সে গলা খাকারি দিয়ে ঘরে ঢুকে বলল, "এসব কি কথা আলিহা ? তুমি কেন বিয়ের জন্য কেনা শাড়ি পড়োনি ?"

আলিহা ফিরে তাকালো শাহেদের দিকে । মাথা নিচু করে বসে রইলো । শেষ বিকেলের আলো তার মুখে পরে অপূর্ব দেখাচ্ছে ।

আলিহার পরনের বেনারসীটা লক্ষ করে শাহেদ মাথা নাড়ল বিশেষভাবে ।

শাহেদ একটু হাসলো, বলল, "এটাই ঠিক হয়েছে । আই এম প্রাউড অফ ইউ !"

তানিকা ঘরে এসে বলল, "দেখেছো ভাইয়া ?"

"হ্যা ।"

"বলো কিছু ।"

"আমিই তো বলেছি ওকে এই শাড়িটা পড়তে ।"

"কি ?"

"হ্যা ।"

"এত্ত সুন্দর দামি শাড়ি রেখে এটা ?"

"হ্যা । ও যত দামি শাড়িই পড়ুকনা কেন এই শাড়িটায় ওকে যত সুন্দর লাগছে আর কোনোটাতেই ততটা সুন্দর লাগতো না ।"

"সত্যি ? তুমিই বলেছো ?"

"হ্যা । আমিই বলেছি এই শাড়িটা পড়তে ।"

..........................

( রুবাইয়াৎ তৃণা )

*মা* *গল্প* *যোগাযোগ* *আবেগ* *কান্না* *ফোন* *শাড়ি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কান্না কি দূর্বলতার লক্ষণ কি মনে হয় আপনার?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*কান্না* *দূর্বলতা*

কাজী আব্দুল মান্নান মোহাম্মদ মহসীন মান্না: যে ঠকে সে কাঁদে, যে ঠকায় সেও কাঁদে, দু'দিন আগে আর পরে!!

*কান্না*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: মূর্তি সরানোতে কিছু মহল্লায় যে কান্নাকাটির ধুম পড়েছে, যে দরদ ঝরে পড়ছে , তা যদি মূর্তির জন্য না হয়ে মানুষের জন্য হত তবেই বলতাম সবার উপরে মানুষ সত্যি তার উপরে নাই।

*মানুষ* *কান্না* *মুর্তি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

--ভাইয়া আমার বিয়ে ।
--কি !!!
--আমার বিয়ে ।
--সত্যিই ?
--কেন , তোর কি মনে হয় আমার বিয়ে হবে না ।
-- না ঠিক তা নয় । এই সেদিন ও তো তুই ফ্রক পরে ঘুরে বেড়াতি । সেবার আমি ভাইভা দিতে যাচ্ছিলাম , ফাইলটা রেখেই বেরহয়ে পড়েছিলাম । মা বললেন, তুই রিতা কে ধর , আমি ফাইল নিয়ে আসছি । তোকে কোলে নিতেই তুই আমার গায়ে হিসু করে দিয়েছিল । মা ঘর থেকে আসতেই আমি মায়ের দিকে তাকিয়ে হেঁসে ফেলি ।
-- ভাইয়া তোর মনে আছে , তখন আমি ক্লাস ৪ এ পড়ি । বর্ষাকাল । স্কুল ছুটির পর প্রচন্ড বৃষ্টি । তুই আমাকে নেবার জন্য এলি । আমার বইগুলো তোর এক হাতে নিলি , আর আমাকে ঘাড়ে নিয়ে হাটাশুরু করলি । আমি কতকরে তোকে বলেছিলাম আমি হেঁটেই যাই । একটু বৃষ্টির পানি গায়ে লাগলেই জ্বর আসবে , তাই তুই কিছুতেই শুনতিস না ।
-- হুম , মনে আছে । আমি হসপিটালে ভর্তি । তখন তো বয়স ১৫ বছর । আমাকে অপারেশনের জন্য অপারেশন থিয়েটারে ঢোকানো হয়েছে । রাত ৪ টার দিকে আমার জ্ঞান ফিরলে । তাকিয়ে দেখি তুই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাদছিস । মা বলেছিল , তুই নাকি সারাটা রাত এভাবেই কেদেছিলি । তোর কি মনে আছে তোর কাছে আমার কি পাওনা আছে ।
-- হুম আছে । ১৬৭টা ডিম ভাজি । মাঝে মাঝে তুই আমাকে স্কুলে রেখে আসতিস । যতদিন তুই আমাকে স্কুলে রেখে এসেছিস তার জন্য একটা করে দিম ভাজি বরাব্দ । আর সেটা আমার শ্বশুর বাড়ী গিয়ে খাওয়ার কথা । আমার শ্বশুর বাড়ি কিন্ত ঘন ঘন আসা যাবে না । মাসে ৪ দিন আসলেই চলবে । আর আসার সময় অবশ্যই মোড়ের ঐ রফিক চাচার কাছ থেকে সকাল সন্ধ্যা আইস্ক্রিম নিয়ে আসবি । সেটা যদি শীত কাল হয় তবুও । কোথায় পাবি আমি জানি না ।
-- তুই আসবি তো আমার বিয়েতে?
--কি রে কথা বলিস না কেন , আসবি তো ?
রিতা খেয়াল করে দেখে তার ভাইয়া সাদা মেঘের মধ্য হারিয়ে যাচ্ছে । সে খুব জোরে ভাইয়া বলে চিৎকার দিয়ে ওঠে । বসন্তের প্রথম দিক । উত্তরের জানালা খোলা । সকালের রোদ উকি দেবার আগের সাদা কুয়াশা । রিতা তার চোখের জলকে সংবরণ করতে পারে না । বছর খানেক হল তার ভাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে ।

*বিয়ে* *কষ্ট* *ভাই* *আবেগ* *ভালোবাসা* *কান্না* *সংগৃহিত*

Minhazur Rahman: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনি কি মনে করেন প্রকৃত পুরুষ কাঁদেনা?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কান্না* *পুরুষেরকান্না* *কাঁদা*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

উন্নয়ন উন্নয়ন উন্নয়ন না ছাই- কান পাতলে রামপালের কান্না শুনতে পাই,,,,(বৃষ্টি),,,,(বৃষ্টি),,, PC: কান্ত রায়

"বনবাসী জেগে ওঠো জাগো এইবার বনের বিপদ সব করো ছাড়খার হাতে হাতে তুলে নেবো শক্ত কুঠার মা গো তোর সুন্দরবন হবে না উজাড় গো ব্যাক, গেট আউট, ইন্ডিয়া গো ব্যাক, গেট আউট, ইন্ডিয়া,,,"

*সুন্দরবনবাঁচাও* *সুন্দরবন* *কান্না* *রামপাল*
ছবি

NatunSomoy : ফটো পোস্ট করেছে

কনসার্টের কেঁদে ফেললেন রিহানা (ভিডিও)

এমিনেম’এর সঙ্গে গাওয়া রিহানার বিখ্যাত ‘লাভ দ্য ওয়ে ইউ লাই’ গানটাতে। কনসার্টের ইনস্টাগ্রাম ভিডিও দেখাচ্ছে...বিস্তারিত- http://bit.ly/28RMCMA

*আমেরিকানপপতারকা* *পপতারকা* *কান্না* *যান্ত্রিকজীবন* *বিনোদন*

ঈশান রাব্বি: কেউ কি আমাকে একটু খানি ভালবাসে না? যদি না ভাসে তবে কেন কেন কেন জাতি জানতে চাই [ভাউ-কান্না]

*কান্না*

Risingbd.com: সারা জীবনের কান্না যেন কারো সঙ্গী না হয় চুলার সংযোগ বা পাইপের লিক থেকে সারা রাত গ্যাস ছড়াতে থাকে। ফ্ল্যাটের দরজা-জানালা তখন বন্ধ ছিল। ভোরে চুলা ধরানোর জন্য দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালাতেই ...বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1TgYDLg

*কান্না* *আড্ডা* *যান্ত্রিকজীবন* *ভাগ্য* *গ্যাসপাইপবিস্ফোরণ* *বিস্ফোরণ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভালবাসার মানুষগুলা কেমন জানি অদ্ভুত প্রকৃতির হয়।মাঝে মাঝে হৃদয়ের ব্যাথাগুলা লুকিয়ে মুখে একটা হাসির ইমো ফুটায়।ফেসবুক জগৎ এ নয় বাস্তব জগতেই।বুকটা কষ্টে চৌচির হয়ে যায় গলাটা শুকিয়ে যায়।ঢোক গিলতে গিলতে হাসি দিয়ে বসে।যেনো খুব সুখে আছে।
.
সবাই বলে প্রেম আবেগি।হ্যা কিন্তু সবার ক্ষেত্রে নয়।ছেড়ে যাওয়ার পর অনেকে নিরবে কাদে।কিন্তু কাদা কাদি দিয়ে যদি দুঃখ কমানো যেত তাহলে কেও পৃথীবিতে হাসতই না।কারন সবার জিবনেই কষ্ট আছে।তাই বলে তো আর কেদে সমাধান করা যাবে না।যারা কষ্টগুলাকে হাসির পিছনে দাবিয়ে রাখতে জানে তারাই ভালবাসতে জানে আর মূল্যও বোঝে।
.
আবেগের বশে অনেকগুলা প্রেম করা যায় কিন্তু আবেগের বশে সত্যি করে কাওকে ভালবাসা যায় না।সবাইকে দেখায় যে তাকে ছেড়ে গেছে তাকে সে ভুলে গেছে।কিন্তু না গল্পটা এখানে থামে না।গল্পের ইতি এখানেই টানা হয় না।যখন থেকে ছেড়ে যাওয়ার যাত্রা শুরু হয় তখনই আরেকটা যাত্রা শুরু হয়।একা ভালবাসার।সবার মাঝে হাসিখুশি থেকেও মনের মানুষের হাসি দেখতে খুব ইচ্ছে করে।তাই যখন সে সামনে দিয়ে যায় সবার মাঝে কথা বলতে বলতে আড় চোখে চেয়ে দেখে সে হাসি দিলো নাকি?তার হাসিটা কি আমার সাথে থাকার চেয়েও সুন্দর হয়েছে নাকি?
.
সে সত্যিই ভেবে নেয় সুখে আছে তাই গভির একটা নিশ্বাস ফেলে সেও একটা মুচকি হাসি দেয়।মাঝে মাঝে গভির রাতে একা একা হাসে।যখন তার সাথে কাটানো কিছু সুন্দর মূহুর্ত মনে পড়ে।হাসতে হাসতে পরক্ষনেই হাসিটা বন্ধ হয়ে যায়।তারপর আবার হাসে এবারের হাসিটা তার ছেড়ে গিয়ে সুখে থাকার জন্য দেয়।সেই সময় মোবাইলে থাকা ঠান্ডা গান অথবা কোন বান্ডের গান ছেড়ে হেডফোন কানে গুজে নেয়।তারপর মনের সুখে গানের সাথে তাল মিলায়।
.
ছেড়ে যাওয়া লোকটি যা পছন্দ করত তা এখন বড্ড বেশি ভাল লাগতে শুরু।সে যদি কিছু দেয় তা খুব সামলিয়ে রাখে খুব যত্ন করে।মাঝে মাঝে পাগলের মতো ওই জিনিসটার সাথে কথা বলা শুরু করে।যদিও উত্তর দেয় না তারপরেও নিজের মন যা বলে ওইটা ওই জিনিসের ভাষা মনে করে অনেকক্ষন খোশ গল্প করে।তারপর জিনিসটা তার জায়গায় রেখে আবার নরমাল হয়ে যায়।এই কথাগুলা কিন্তু কাওকে বলে না কারন লোকে পাগল বলবেই।
.
এমন কোন কথা নেই যে তাদের জিবনে আর কেও আসে না।তাদের জিবনে অনেকেই আসে কিন্তু ছেড়ে যাওয়া লোকটির মতো কেও আসে না।আসলেও তার মতো ভালবাসতে পারে না।একাকি জিবনটা তারা খুব বেশি ইনজয় করতে থাকে।সবসময় হাসি তামাশায় মেতে থাকে সাথে অন্যদেরও সজ্ঞি করে নেয়।এক পর্যায়ে যদিও ছেড়ে যাওয়া মানুষটি আসে তাহলে তাকে জিবনে আর জায়গা দেওয়া হয় না।কারন তার যায়গায় এখন অনেকগুলা হাসি আর দুঃখ বন্ধুত্ত করে নেয়।যার হিসেব ডায়েরির পাতায় জমা থাকে।
.
তাই বলছি হাসতে থাকুন আর হাসাতে থাকুন।আপনার লাইফে এখন যারা আছে তাদের প্রাধান্য দিন।যে আপনাকে ছেড়ে দিয়েছে সে তো কখনও ভালবাসেই নি।আর যারা ভালবাসছে তাদের যদি ভাল না বাসেন তাহলে ওইটা বেইমানি হয়ে যায়।মনের মাঝে দুইটা শব্দ টিকিয়ে রাখুন "স্মাইল এগেন এন্ড এগেন" "আর লাভ ফর এল"।

*ভালোবাসা* *আবেগ* *কান্না* *হাসি* *জীবন* (ফুঁপিয়েকান্না)
*আবেগ* *কান্না* *হাসি* *জীবন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হয়তো বা একদিন কাকতাড়ুয়ার সাজে সেজে যাবো আমায় দেখে চিনবে না তুমি চুপিচুপি তুমি কাকতাড়ুয়ার সাথে কথা বলবে আমি শুনে যাবো
কাকতাড়ুয়া আমি তোমার কথায় ডুবে যাবো তোমার বিপরীত এ কথা বলার সাধ্য হবে না আমার
শুধু তুমিই বলে যাবে আর হাসবে তোমার হাসি তে আমি ডুবে যাবো তুমি আমার গাড়ে হাত রাখবে সাথে তোমার কমল মুখটা লাগাবে আমি খড় তোমায় অনুভব করতে পারবো না কাকতাড়ুয়া কি ইন্দ্রিয় থাকে
হঠাৎ একদিন ঝড়ে আমি মাটিতে পরে যাবো
হয়তো বা তুমি ঐ দিন আসবে আমি কাকতাড়ুয়া কে তুমি হাত দিয়ে তুলবে হয়তো আমি অচল হয়েছি তুমি আমার হাত ধরে হাটছো না আমার এক পা বলে তুমি একাই হেটে যাচ্ছো
এক মন খারাপের রাতে তুমি আমার কাছে ছুটে আসবে তুমি তোমার কষ্ট গুলো আমায় উপহার দিয়ে হাসতে হাসতে চলে যাবে আমি তোমার হাসিতে ডুবে যাবো আর কষ্ট গুলো? ঐ গুলো নিয়ে তুমি ভেবো না কাকতাড়ুয়ার কি ইন্দ্রিয় থাকে
এক বৃষ্টির রাতে হয়তো তুমি কাকতাড়ুয়ার সাথে ভিজতে চলে আসবে আমার মাটি কমল হয়ে যাবে আমি সোজা হয়ে থাকতে পারবো না তুমি হয়তো আমাকে ঐ বৃষ্টির রাতে আমার খড়ে ভেজা হাত গুলো কে নিয়ে আর ভিজবে চাইবে না
এক হারিয়ে যাওয়া রাতে তুমি আমাকে দেখে তোমার পথ চিনে নিবে ভেবেছিলাম তুমি আমার পাশে আসবে

কেনো আবার বেচে উঠার ইচ্ছে হচ্ছে তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখছি প্রতিনিয়ত আমার চোখে মাটির চশমা স্বপ্ন সত্যির সম্ভাবনা নেই মাটির চশমা নিয়ে কি আর স্বপ্ন দেখা যায় সবই আমার ভুল ধারনা
আজ তুমি নেই তুমি আসবে বলে আমি প্রতিদিন সাধুর মতো এক পায়ে দাড়িয়ে অপেক্ষা করি তুমার সাথে হেটে নদীর তীরে যাবো বলে নতুন সাজে কাকতাড়ুয়া সাজি আমি
আজ তুমি নেই তুমার কথা আর হাসি প্রতিধ্বনিত হয় আমি শুনে যাই ডুবে যাই

*আবেগ* *কান্না* *কাকতাড়ুয়া* *আমি* *সংগৃহিত*
*কান্না* *কাকতাড়ুয়া* *আমি* *সংগৃহিত*

নিরাপদ নিউজ: অলৌকিক ঘটনা কি এটা? অঝরে কাঁদছে নাকি তুত গাছ! স্বামী পুরঞ্জয় রায় সোয়া ৩ শতক জায়গা বাড়ীসহ ক্রয় করে। তার বাড়ীর সম্মুখে সন্যাসী ঠাকুর, হুমায়ুন ঠাকুর, চন্ডি বিশহরী ঠাকুর ও মাশান কালী ঠাকুরের থানসহ একটি তুত গাছ রয়েছে। উক্ত থানে সন্ধ্যা.... বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2016/02/21/news-id:132309/

*তুতগাছ* *দিনাজপুর* *কান্না* *বেশম্ভব* *এক্সক্লুসিভ* *জানাঅজানা* *আড্ডা* *অলৌকিক*
ছবি

ইয়াসির রহমান নাহিম: ফটো পোস্ট করেছে

(কান্না) দেখলে চোখ দিয়ে এম্নিতেই পানি ঝরে (ফুঁপিয়েকান্না)

*কান্না* *বেদনা* *অশান্তি*

সাদাত সাদ: মানুষ মরার পর এত কান্না কোত্থেকে আসে এত এত কান্না! আমার বাবা মরার পর আমি কাঁদতে পারিনি, তবে কাঁদতে চেয়েছিলাম বাবা জীবিতকালে বলেছিলেন, আমি মরার পর কাঁদবে না আমি কান্না পছন্দ করিনা। আমি বাবার কথা রেখেছি, নিশ্চয়ই বাবার আত্মা অনেক শান্তি পেয়েছে

*মাটি* *বাবা* *আত্মা* *স্নেহধন্য* *বাবারউপদেশ* *কান্না*

Mahi Rudro: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

কাঁদুনে – সুকুমার রায়।
হঠাৎ শুনি অর্থবিহীন আকাশ–ফাটান জোর গলা। হাঁকড়ে ছোটে কান্না যেমন জোয়ার বেগে নদীর বান, বাপ মা বসেন হতাশ হয়ে শব্দ শুনে বধির কান। বাসরে সে কি লোহার গলা? এক মিনিটও শান্তি নেই? কাঁদন ঝরে শ্রাবণ ধারে, ক্ষান্তদেবার নামটি নেই!
*কান্না*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★