কাশফুল

কাশফুল নিয়ে কি ভাবছো?

অবুজ বালক: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 দিয়া বাড়ি/ বসুন্ধারা কাশফুল দেখতে যাওয়ার উপায় কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*দিয়াবাড়ি* *কাশফুল* *বসুন্ধরা* *কাশবন*

দীপ্তি: নদীর তীরে বনের প্রান্তে কাশফুলের রাশি অপরূপ শোভা ছড়ায়। এ অপরূপ সৌন্দর্য পুলকিত করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। গাছে গাছে শিউলির মন ভোলানো সুবাস। প্রাণে প্রাণে অনুভূত হয় শরতের ছোঁয়া। মেঘহীন আকাশে গুচ্ছ কাশফুলের মতো সাদা মেঘের ভেলা কেড়ে নেয় মন। চারপাশের শুভ্রতার মাঝে হঠাৎ বৃষ্টি যেন আনন্দের বারতা নিয়ে আসে। দিগন্তজুড়ে সাতরঙা হাসিতে ফুটে ওঠে রংধনু (খুকখুকহাসি)

*শরত্কাল* *কাশফুল* *কাশবন* *রংধনু*

আড়াল থেকেই বলছি: [পিরিতি-তোমারজন্য]ভাই কাশফুল নেবেন,কাশফুল !!! বিবেকে এবং জ্ঞান-বুদ্ধি আপনার নেতিবাচককে না বলুন আর ইতিবাচককে সঙ্গী করুন,ফলো করার জন্য ধন্যবাদ @sadatbabu(তালি)(তালি)(তালি)

*কাশফুল*

আড়াল থেকেই বলছি: এই নাতিশীতুষ্ণ বাতাসে, আমাকে ফলো করার জন্য তোমার জন্য রইলো কাশফুলের শুভেচ্ছা @AAAAnkita

*কাশফুল*

মন্টি মনি: *কাশবন* কাছ থেকে তেমন দেখা হয়নি কখনো, এবার খুব কাছ থেকে কাশবন দেখে মুগ্ধ আমি....(লালালা)

*কাশফুল* *কাশবন*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

ঘুরে এলাম কাশবন

কাশফুল একধরনের ঘাসজাতীয় জলজ উদ্ভিদ। বৈজ্ঞানিক নাম Saccharum spontaneum এরা উচ্চতায় সাধারনত ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।কাশফুল মূলত ছন গোত্রীয় এক ধরনের ঘাস। নদীর ধার, জলাভূমি, চরাঞ্চল, শুকনো রুক্ষ এলাকা, পাহাড় কিংবা গ্রামের কোনো উঁচু জায়গায় কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে। তবে নদীর তীরেই এদের বেশি জন্মাতে দেখা যায়। এর কারণ হল নদীর তীরে পলিমাটির আস্তর থাকে এবং এই মাটিতে কাশের মূল সহজে সম্প্রসারিত হতে পারে। শরত ঋতুতে কাশফুল ফোঁটে। কাশফুলের বেশ কিছু ঔষধি গুণ রয়েছে। যেমন- পিত্তথলিতে পাথর হলে নিয়মিত গাছের মূলসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে ওষুধ তৈরি করে পান করলে পিত্তথলির পাথর দূর হয়। কাশমূল বেটে চন্দনের মতো নিয়মিত গায়ে মাখলে গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়। এছাড়াও শরীরে ব্যথানাশক ফোঁড়ার চিকিৎসায় কাশের মূল ব্যাবহৃত হয়। প্রাগৈতিহাসিককাল থেকে বাংলাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে কাশফুল ছিল। কাশফুলের অন্য একটি প্রজাতির নাম কুশ। এরা দেখতে প্রায় কাশফুলের মতোই। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ‘পুরাণ’-এ কুশের স্থান খুব উঁচুতে। গ্রামের বাড়ি বা পুকুর পাড়ে ইচ্ছা করলে কাশফুল লাগান যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে কিছুটা ঠাণ্ডা ও বালু মিশ্রিত স্থান বেছে নিতে হবে।

*কাশবন* *কাশফুল* *জানা-অজানা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আকাশে কখনও রোদ, কখনও বৃষ্টি। আশ্বিনের গোড়ার দিকে আকাশ এই রকম খামখেয়ালি হওয়ারই তো কথা ছিল। প্রতিবারের মত এবারও তাই হয়েছে। আকাশের অনুমতি ছাড়াই রোদ-বৃষ্টির ফাঁক গলে ঢুকে পড়েছে পূজার আমেজ। বিছানায় শেষ রাতে হাল্কা শীতল অনুভূতি ঠিক তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, আমার বঞ্চিত দৃষ্টির অগোচরে কোথাও নিশ্চয়ই কাশফুল ফুটে উঠেছে। ফুলের ভারে নুয়ে পড়েছে শিউলির ডাল। পদ্মের গোলাপি থেকে শিশির পিছলে যাচ্ছে পুকুরের জলে। আসলে প্রকৃতির অন্তরে পূজার তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে অনেক আগেই, শুধু আমারই দেখা হয় নি চক্ষু মেলিয়া। ঘুমের ঘরে হতচকিত হয়ে তন্দ্রাচ্ছন চোখে হাতে কড় গোনা আর কদিন আছে, তারপর থেকে কাউন্ট ডাউন... উৎসবের আয়োজনে কোমর বেঁধে নেমে পরার পালা শুরু l ভাবতেই অবাক লাগে, পূজার শিহরণে কেমন একটা নেশা আছে, যে নেশায় আবালবৃদ্ধবনিতা সকলেই বুদ হয়ে যেতে ভালবাসে, আমিও এর ব্যতিক্রম নয় বরং একটু বেশিই নেশা হয়ে যায় আমার l 


আজও বেশ মনে পড়ে .... ছোটবেলা, বয়সন্ধির পূজার সময়কার কথা l  আমার বয়সন্ধিতে কোকাকোলার একটা ভারতীয় টিভিসি ছিল, হয়ত অনেকের মনে পরে যাবে, সেটি হলো "সপ্তমীতে প্রথম দেখা, অষ্টমীতে হাসি, নবমীতে বলতে চাওয়া তোমায় ভালোবাসি, দশমীতে হঠাত কেমন আকুল হলো মন, প্রাণ প্রতিমা এবার তুমি যাবে কি ভাসান"  ...... টিভিসি দেখলেই খালি মনে হতো ইশ যদি এমন হতো l  আমার সমস্ত চিন্তা জুড়ে থাকত, সপ্তমীতে কেমন সাজব…অষ্টমীতে সবচেয়ে গরজাস সাজ…নবমীতে ফাটাফাটি লুক চাই! মা-বাবার লৌহকঠিন প্রহরা এড়িয়ে পূজার  পাঁচ দিন ছেলেগুলোকে আমার পিছনে দৌড় করাতে হবে তো! হা হা হা....... এখন ভাবলে খুব হাসি পায় l  সেজেগুজে ঠাকুর দেখতে গিয়ে যখন দেখতাম সবাই তাকিয়ে আছে...মিথ্যে বলব না ভালো লাগত...হা হা ! আঙুল তুলে এ ওকে দেখাতে লাগল, ‘‘ওই যে…ওই যে, ওই দিকে…!’’ তখন কিছুটা অস্বস্তি লাগতো। আসলে ওই বয়সে ওই দারুণ ছটফটানিগুলো প্রেম নয়, কেবল ভাল লাগা। সেই আশ্চর্য বদলের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে অনেকগুলো বছর পার করে ফেলেছি। সেই বদল কখন একটু একটু করে বদলে দিয়েছে আমাকেও। আর আমার রাজকুমারের সাথে পূজা প্যান্ডেলে দেখা করার জন্য তো দুজনই ব্যাকুল থাকতাম, কিন্তু দেখা হলেই লজ্জা লাগতো, আর ভালো তো লাগতই l  তারপর তাকে ফেলে মা-বাবার সাথে যখন সেই প্যান্ডেল ত্যাগ করতাম, তখন অস্থির লাগত বটে, তবে খানিক পর পূজার নেশায় তা বুদ হয় যেত, তবে তারপর চলত ফোনালাপ (কেমন লাগলো?......) হা হা হা! লিখতে গিয়েও যেন হাসি পাচ্ছে, লজ্জা লাগছে l  এই ভাল লাগা পরে আমার জীবনসঙ্গী নির্বাচনেও যে ছাপ ফেলেছে, তা বলাই বাহুল্য। সেই রাজকুমারের   স্বপ্নের সেই রাজকন্যাই আজ তার জীবনসঙ্গিনী l এখনো আমি পরিবারের সবার সাথে পূজা দেখতে বের হয়, তবে হ্যা এখন আর রাজকুমারকে লুকিয়ে দেখতে হয় না, সেও এখন আমাদের পূজা দেখতে যাবার সঙ্গী l আমাদের পূজা দেখতে যাবার ব্যাটেলিয়ন ভারীই হচ্ছে দিনকে দিন l  

আমি আজও আশ্বিন ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। আশ্বিন এলেই মনের অজান্তেই ভিতর থেকে প্যান্ডেলে পেরেক ঠোকার শব্দ শুনি। স্বপ্নে দেস্খি বাঁশের গা রঙিন কাপড়ে মুড়ে যাচ্ছে দেখি। এখনো আধো ঘুমে মহালয়া শুনি। ঢাকের বাজনা শোনার জন্য মন প্রাণ ব্যাকুল থাকে । ‘দুগ্গা মাঈকী জয়’ 'আসছে বছর আবার হবে' গলা ফাটিয়ে বলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু বুকের ভিতর সেই দামালপনা আজও অমলিন ! সেই বয়সন্ধি নেই আর, তবে আমার আমি তো এখনো আছি l  আমি জানি, বয়সের গভীরতায় ঢেউ কম থাকে। আমি জানি, পর পর দাঁড়িয়ে আছে দামাল হৃদয়। আমার পর আরও কেউ, তারও পর আবার কেউ। আজ কোনো কিশোরী মেয়ের মনে ঠিক আমার মতই দোলা দেয়..... আশ্বিনের কোল খালি থাকে না। শুধু জানতে ইচ্ছে করে আমার বয়ঃসন্ধির সেই দূর্গাপূজার কাছে — আমার মতন করে আমাকে কখনও তার মনে পড়ে কি? 
*পূজারস্মৃতি* *দূর্গাপূজা* *কাশবন* *কাশফুল* *আশ্বিন*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুভ হোক শরৎ..... 
ডানা মেলুন কাশবনে.......

প্রকৃতির সাজ সজ্জার তুলনা অপরিমেয়। আর যে সাজিয়েছেন তার কথা নতুন করে আর কি বলব?? এই সজ্জার কৌশল অনিন্দ্য-অসাধারণ। শুধু মুগ্ধ হয়ে দেখা, ভাবা, অনুভব করা,,,,,,,
প্রত্যেকটা সজ্জার সৌন্দর্যই শুধু অসাধারণ প্রকাশ নয় বরং প্রত্যেকটা জিনিষের আলাদা গুরত্বও আছে। এই সজ্জা আর অপরিসীম গুরুত্বের যে অপার সমন্বয়, বিন্যাস তাতে মুগ্ধতা এমনিতে চলে আসে। সেই স্রষ্টার অপার কৌশলে যারা মুখ ফিরিয়ে নেই তারা কেমনে নাস্তিক‬ বনে যায় ভেবে পাইনে। আমার মনে হয় এদের নাস্তিক না বলে অসীম অকৃতজ্ঞ বলাটাই শ্রেয়। কারণ কেউ না কেউ এই অপার সৌন্দর্যে
অবশ্য্ই মুগ্ধ হয়, অবশ্যই উপকৃত হয়। শুধু আফসোস ওদের এই ধৃষ্ঠতার জন্য।

সব ঋতুই পছন্দের। তবে শরৎকাল‬ টা একটু বেশি বেশিই। মানুষের মনের আকাশের সাথে শরৎকালের আকাশের, আবহাওয়ার, প্রকৃতির অসাধারণ মিল খুজে পাই আমি। কখনো এই শুভ্র বা কালো মেঘ নতুবা নীল আকাশ, এই রোদ্দুর নতুবা ঝিরি ঝিরি হাওয়ায় নৃত্যের তালে সুক্ষ্ম বৃষ্টি, হেমন্তের আগমনের বানি নিয়ে হিম শীতল হাওয়া বয়ে চলে বিস্তর কাশবনের উপর দিয়ে। ইচ্ছে করে দুই হাত মেলে দিয়ে কাশফুলের পরশ পেতে পেতে অবাধ ছুটে চলতে। দুরের আকাশের নীল আর শুভ্র মেঘের সংমিশ্রণ যখন নীল ঢেউয়ের তালে তালে উদ্বেলিত হবে, শীতল হাওয়া যখন কাশ ফুলে মৃদু ছন্দ তালে ঢেউ খেলে যাবে, আমি বেখেয়ালেই আনমনে চেয়ে দেখব সে দৃশ্য। কখনো বা আদুল গায়ে ছেলে মেয়েরা কাশবনে ছুটে বেড়াবে। ওদের অবাধ ছুটে চলায় দুই একটা কাশ মুখ থুবড়ে পড়বে। বকব না কিন্তু আমি। সব সৌন্দর্য আর সৃষ্টি তো মানুষেরই জন্য। ওরা উড়ুক চার দেয়ালে অকারণ বন্দি না থেকে। অবাধে ছুটে চলুক দিগন্তে। মিশে যাক শুভ্র কাশ ফুলের বনে অকৃত্রিম হাসি নিয়ে। এ হাসি যে অমূল্য....


কখনো বা মিষ্টি গন্ধে মুখরিত হব। কানে বাজবে রিম ঝিম ঝিম বৃষ্টির আওয়াজ। তারপরে ঝুল বারান্দায় এসে দাড়াব। মাঝারি সাইজের বৃষ্টির ফোটায় অবলীলায় ঝরে পড়বে অজস্র শিউলি ফুল। হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির পরশ নিব, মৃদু ছুয়ে যাবে শিউলির পতন। কখনো বা হারিয়ে যাব। ভুলেই ভিজতে ভিজতে শিউলি ‍কুড়াব। দুর থেকে বয়স্করা দেখে কানাকানি করবে। ধাড়ি বেটা কেমনে ছেলেমি দেখায়। অসাধারণ সেসব দৃশ্যপট!!

ও হ্যা। আজ চুপিসারে ভাদ্র এল বলে। শ্বেত শুভ্র কাশ ফুলের অধীর শিহরণ নিয়ে আর শিউলির সুমিষ্ট সুবাস নিয়ে শরৎ আজ বাংলার দোর গোড়ায়। বসন্ত‬ ঋতুরাজ‬ হলে, হেমন্ত‬ ঋতুরানী‬ হলে, শরৎ‬ কেন নয় ঋতুর ত্রয়োদশবর্ষী রাজকন্যা‬?? যে রাজ কন্যার পরনে থাকবে সিল্কের মসলিন নয় বরং কাশফুলের আবরণ, এলোকেশে স্বর্ণের তাজ নয় বরং শিউলিমালা‬! আমি বারবার দেখব সেই রাজকন্যাকে।। আর অসীম মুগ্ধতা নিয়ে প্রশংসা জপতে থাকব সেই মহারাজের, অধীশ্বরের!! যার অকৃত্রিম লালনে গড়ে উঠেছে এই বিশ্ব চরাচর। সৌন্দর্যমন্ডিত হয়েছে মহাবিশ্ব।

প্রত্যেককে শরতের অনিন্দ্য-সুন্দর-সুবাসিত শিউলিমালা দিলাম। খোপায় গুজে নিও, নতুবা গুজে দিও পবিত্র হাতে অপার ‪‎ভালোবাসা‬ মিশিয়ে, আর একগুচ্ছ কাশফুল‬ দিলাম শিহরিত পরশ নিও।
আর সহস্রবার শুভ কামনা দিলাম। শরতের আকাশের মত শুভ্র মেঘের ভেলায় চড়ে আরোহন করিও অনাগত আগামীর সুউচ্চ শিখরে। শুভ হোক তবে এই আর আগামীর লগ্ন। শুভ হোক অনাগত আগামীর প্রতিটা মূহুর্ত। উজ্জল হোক আগামী...............

*দুখোব্লগ* *শরৎকাল* *কাশফুল* *শিউলিমালা* *শিউলিফুল* *কাশবন*
ছবি

অসামাজিক কবি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

কাশফুল

*কাশফুল*

বাংলার বেদুঈন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অধরা তুমি কি যাবে আমার সাথে ?
ঝিঝি ডাকা মায়াবী কোন রাতে।
জোসনার আলোয় তোমায় দেখব,
তোমার কোমল হাতে হাতটি রাখব।
সাজবে তুমি সাদা পরীর বেশে,
নাক ডুবিয়ে ঘ্রাণ নেব তোমার কালো কেশে।
একসাথে শুয়ে গুনবো আকাশের তারা,
আনন্দে লুটোপুটি খাব আমরা বাধন হাঁরা।
প্রকৃতি উপুর হয়ে দেখবে মোদের প্রেমলীলা,
আকাশ জুড়ে ভেসে যাবে সাদা মেঘের ভেলা।
উষ্ণ আবেগে জড়িয়ে ধরে রাখব তোমায়,
খুনসুটিতে কেটে যাবে সারা সময়।
রাত জাগা পাখির দল করবে আনাগোনা,
মায়াবী এই রাতে আমাদের কল্পনা,
দক্ষিণা হাওয়া এসে বলবে কানে কানে,
এতো সুখ পেয়েছ কি আর এই জীবনে।
বিদায় বেলায় হয়তো মন খারাপ হবে,
তবুও এই রাতের স্মৃতি অমলিন রবে।
জানি সবই আমার বিলাসী মনের জল্পনা,
যত ডাকি তোমায় তুমি তো ফিরবে না।
যদি ফিরে আসো কোনদিন আবার,
তোমায় নিয়ে রয়েছে কল্পনা হাজার।
ফিরে এসে প্রিয়তমা একটি বারের জন্য,
তুমি হীন জীবন আমার হয়েছে অরন্য।
....................................শেখ জহির হাসান


*কাশফুল*
ছবি

ইমরান: ফটো পোস্ট করেছে

শরতের কাশফুল...

*শরৎ* *কাশফুল*

কাকতাড়ুয়া: শাপলা ফোটা পদ্ম রাঙা বৃষ্টিতে জল একাকার, মাছ ধরতে বিলের জলে পানকৌড়ির ডুব সাঁতার। ভাটির দিকে গান ধরেছে মাঝি মাল্লার দল আবার, নদীর বুকে চড় জেগেছে কাশফুলেদের সমাহার। গাঁয়ের বধূ কলসি কাঁখে আকাশ দেখে বারবার, বৃষ্টিযে আজ বাঁধ ভেঙ্গেছে মন খোঁজে পথ হারাবার

*বৃষ্টি* *পানকৌড়ি* *কাশফুল* *গাঁয়েরবধূ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★