কাশবন

কাশবন নিয়ে কি ভাবছো?

আশরাফুল ইসলাম (ইউনিট): *কাশবন* কাশবন আমার খুব ভালো লাগে, বিকালবেলা কাশবন দিয়ে হাটাহাটি করতে ভালো লাগে

অবুজ বালক: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 দিয়া বাড়ি/ বসুন্ধারা কাশফুল দেখতে যাওয়ার উপায় কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*দিয়াবাড়ি* *কাশফুল* *বসুন্ধরা* *কাশবন*

রাকিব হাসান রাফি: *কাশবন* কত ভালোলাগা কুড়িয়ে বেঁচে থাকা ওদের। শরতের নীল আসমান আর জমিনের সাদাকাশ বনেরদল। চুপ দাঁড়িয়ে টেনে নিয়ে যেতে পারে তোমাদের ভালোবেসে। (খুকখুকহাসি)

ছবি

নিপু: ফটো পোস্ট করেছে

মেলা/ নাগর দোলা / কাশফুল

*কাশবন* *শখেরফটোগ্রাফি*
ছবি

নিপু: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

নিপু: ফটো পোস্ট করেছে

কাশফুলেদের ইচ্ছে হলো, নীল সাদা আকাশটাকে ছুঁয়ে দিতে!

*কাশবন* *শখেরফটোগ্রাফি*

জাকির হোসেন: *কাশবন* বেশতো স্বরন করিয়ে দিলেন ,ধন্যবাদ ।চট্টগ্রামে সিভিক্স এ যাওয়ার পথে দেখর সুভাগ্য হয়েছে । কাশবনের কবিতা ভূলে গেছি ।

দীপ্তি: নদীর তীরে বনের প্রান্তে কাশফুলের রাশি অপরূপ শোভা ছড়ায়। এ অপরূপ সৌন্দর্য পুলকিত করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। গাছে গাছে শিউলির মন ভোলানো সুবাস। প্রাণে প্রাণে অনুভূত হয় শরতের ছোঁয়া। মেঘহীন আকাশে গুচ্ছ কাশফুলের মতো সাদা মেঘের ভেলা কেড়ে নেয় মন। চারপাশের শুভ্রতার মাঝে হঠাৎ বৃষ্টি যেন আনন্দের বারতা নিয়ে আসে। দিগন্তজুড়ে সাতরঙা হাসিতে ফুটে ওঠে রংধনু (খুকখুকহাসি)

*শরত্কাল* *কাশফুল* *কাশবন* *রংধনু*

সজীব: *কাশবন* এর মত চোখ জুড়ানো জায়গা হতেই পারে না।

আশিকুর রহমান: *কাশবন* মনে পরে ১৯৯৯ এর কথা, তখন ক্লাস সেভেন এ পড়তাম, তীর ধনুক দিয়া খেলা করার জন্য কাশফুল এর ডাটা সংগ্রহ করার জন্য পাহাড়ে যেতাম, কিছু দিন পর দেখি মাথা ফুলে বেথা করছে, ভালো করে দেখলাম বিশাল বড় কয়েকটা আটুলি বাসা বেধেছে , এরপর থেকে কাশবন কে এড়িয়ে চলি

মন্টি মনি: *কাশবন* কাছ থেকে তেমন দেখা হয়নি কখনো, এবার খুব কাছ থেকে কাশবন দেখে মুগ্ধ আমি....(লালালা)

*কাশফুল* *কাশবন*

ইসরাত: *কাশবন* কাল মনে শরৎ নেমে এসেছিল | মনের তীর ছুয়ে জেগে উঠেছিল সারি সারি কাশফুল !

এম. এইচ. মবীন: *কাশবন*

ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

ঘুরে এলাম কাশবন

কাশফুল একধরনের ঘাসজাতীয় জলজ উদ্ভিদ। বৈজ্ঞানিক নাম Saccharum spontaneum এরা উচ্চতায় সাধারনত ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।কাশফুল মূলত ছন গোত্রীয় এক ধরনের ঘাস। নদীর ধার, জলাভূমি, চরাঞ্চল, শুকনো রুক্ষ এলাকা, পাহাড় কিংবা গ্রামের কোনো উঁচু জায়গায় কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে। তবে নদীর তীরেই এদের বেশি জন্মাতে দেখা যায়। এর কারণ হল নদীর তীরে পলিমাটির আস্তর থাকে এবং এই মাটিতে কাশের মূল সহজে সম্প্রসারিত হতে পারে। শরত ঋতুতে কাশফুল ফোঁটে। কাশফুলের বেশ কিছু ঔষধি গুণ রয়েছে। যেমন- পিত্তথলিতে পাথর হলে নিয়মিত গাছের মূলসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে ওষুধ তৈরি করে পান করলে পিত্তথলির পাথর দূর হয়। কাশমূল বেটে চন্দনের মতো নিয়মিত গায়ে মাখলে গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়। এছাড়াও শরীরে ব্যথানাশক ফোঁড়ার চিকিৎসায় কাশের মূল ব্যাবহৃত হয়। প্রাগৈতিহাসিককাল থেকে বাংলাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে কাশফুল ছিল। কাশফুলের অন্য একটি প্রজাতির নাম কুশ। এরা দেখতে প্রায় কাশফুলের মতোই। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ‘পুরাণ’-এ কুশের স্থান খুব উঁচুতে। গ্রামের বাড়ি বা পুকুর পাড়ে ইচ্ছা করলে কাশফুল লাগান যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে কিছুটা ঠাণ্ডা ও বালু মিশ্রিত স্থান বেছে নিতে হবে।

*কাশবন* *কাশফুল* *জানা-অজানা*

মোঃ জাহিদুল ইসলাম: *কাশবন* আজ এমন একটা জায়গায় ঘুড়ে এলাম, যেখানে কাশবনের ছড়াছড়ি দক্ষিনা মাতাল হাওয়ায় মনটা এমন ভাবে নেচে উঠলো যেন আমি ফিরে পেলাম আমার সেই ছোট্ট বেলার হারানো সেই দিন গুলো। এমন জায়গা আর বেশিদিন হয়তো থাকবে না। আবার যাওয়ার ইচ্ছে আছে কেউ চাইলে সঙ্গী হতে পারেন।

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আকাশে কখনও রোদ, কখনও বৃষ্টি। আশ্বিনের গোড়ার দিকে আকাশ এই রকম খামখেয়ালি হওয়ারই তো কথা ছিল। প্রতিবারের মত এবারও তাই হয়েছে। আকাশের অনুমতি ছাড়াই রোদ-বৃষ্টির ফাঁক গলে ঢুকে পড়েছে পূজার আমেজ। বিছানায় শেষ রাতে হাল্কা শীতল অনুভূতি ঠিক তখনই বুঝতে পেরেছিলাম, আমার বঞ্চিত দৃষ্টির অগোচরে কোথাও নিশ্চয়ই কাশফুল ফুটে উঠেছে। ফুলের ভারে নুয়ে পড়েছে শিউলির ডাল। পদ্মের গোলাপি থেকে শিশির পিছলে যাচ্ছে পুকুরের জলে। আসলে প্রকৃতির অন্তরে পূজার তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে অনেক আগেই, শুধু আমারই দেখা হয় নি চক্ষু মেলিয়া। ঘুমের ঘরে হতচকিত হয়ে তন্দ্রাচ্ছন চোখে হাতে কড় গোনা আর কদিন আছে, তারপর থেকে কাউন্ট ডাউন... উৎসবের আয়োজনে কোমর বেঁধে নেমে পরার পালা শুরু l ভাবতেই অবাক লাগে, পূজার শিহরণে কেমন একটা নেশা আছে, যে নেশায় আবালবৃদ্ধবনিতা সকলেই বুদ হয়ে যেতে ভালবাসে, আমিও এর ব্যতিক্রম নয় বরং একটু বেশিই নেশা হয়ে যায় আমার l 


আজও বেশ মনে পড়ে .... ছোটবেলা, বয়সন্ধির পূজার সময়কার কথা l  আমার বয়সন্ধিতে কোকাকোলার একটা ভারতীয় টিভিসি ছিল, হয়ত অনেকের মনে পরে যাবে, সেটি হলো "সপ্তমীতে প্রথম দেখা, অষ্টমীতে হাসি, নবমীতে বলতে চাওয়া তোমায় ভালোবাসি, দশমীতে হঠাত কেমন আকুল হলো মন, প্রাণ প্রতিমা এবার তুমি যাবে কি ভাসান"  ...... টিভিসি দেখলেই খালি মনে হতো ইশ যদি এমন হতো l  আমার সমস্ত চিন্তা জুড়ে থাকত, সপ্তমীতে কেমন সাজব…অষ্টমীতে সবচেয়ে গরজাস সাজ…নবমীতে ফাটাফাটি লুক চাই! মা-বাবার লৌহকঠিন প্রহরা এড়িয়ে পূজার  পাঁচ দিন ছেলেগুলোকে আমার পিছনে দৌড় করাতে হবে তো! হা হা হা....... এখন ভাবলে খুব হাসি পায় l  সেজেগুজে ঠাকুর দেখতে গিয়ে যখন দেখতাম সবাই তাকিয়ে আছে...মিথ্যে বলব না ভালো লাগত...হা হা ! আঙুল তুলে এ ওকে দেখাতে লাগল, ‘‘ওই যে…ওই যে, ওই দিকে…!’’ তখন কিছুটা অস্বস্তি লাগতো। আসলে ওই বয়সে ওই দারুণ ছটফটানিগুলো প্রেম নয়, কেবল ভাল লাগা। সেই আশ্চর্য বদলের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে অনেকগুলো বছর পার করে ফেলেছি। সেই বদল কখন একটু একটু করে বদলে দিয়েছে আমাকেও। আর আমার রাজকুমারের সাথে পূজা প্যান্ডেলে দেখা করার জন্য তো দুজনই ব্যাকুল থাকতাম, কিন্তু দেখা হলেই লজ্জা লাগতো, আর ভালো তো লাগতই l  তারপর তাকে ফেলে মা-বাবার সাথে যখন সেই প্যান্ডেল ত্যাগ করতাম, তখন অস্থির লাগত বটে, তবে খানিক পর পূজার নেশায় তা বুদ হয় যেত, তবে তারপর চলত ফোনালাপ (কেমন লাগলো?......) হা হা হা! লিখতে গিয়েও যেন হাসি পাচ্ছে, লজ্জা লাগছে l  এই ভাল লাগা পরে আমার জীবনসঙ্গী নির্বাচনেও যে ছাপ ফেলেছে, তা বলাই বাহুল্য। সেই রাজকুমারের   স্বপ্নের সেই রাজকন্যাই আজ তার জীবনসঙ্গিনী l এখনো আমি পরিবারের সবার সাথে পূজা দেখতে বের হয়, তবে হ্যা এখন আর রাজকুমারকে লুকিয়ে দেখতে হয় না, সেও এখন আমাদের পূজা দেখতে যাবার সঙ্গী l আমাদের পূজা দেখতে যাবার ব্যাটেলিয়ন ভারীই হচ্ছে দিনকে দিন l  

আমি আজও আশ্বিন ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। আশ্বিন এলেই মনের অজান্তেই ভিতর থেকে প্যান্ডেলে পেরেক ঠোকার শব্দ শুনি। স্বপ্নে দেস্খি বাঁশের গা রঙিন কাপড়ে মুড়ে যাচ্ছে দেখি। এখনো আধো ঘুমে মহালয়া শুনি। ঢাকের বাজনা শোনার জন্য মন প্রাণ ব্যাকুল থাকে । ‘দুগ্গা মাঈকী জয়’ 'আসছে বছর আবার হবে' গলা ফাটিয়ে বলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু বুকের ভিতর সেই দামালপনা আজও অমলিন ! সেই বয়সন্ধি নেই আর, তবে আমার আমি তো এখনো আছি l  আমি জানি, বয়সের গভীরতায় ঢেউ কম থাকে। আমি জানি, পর পর দাঁড়িয়ে আছে দামাল হৃদয়। আমার পর আরও কেউ, তারও পর আবার কেউ। আজ কোনো কিশোরী মেয়ের মনে ঠিক আমার মতই দোলা দেয়..... আশ্বিনের কোল খালি থাকে না। শুধু জানতে ইচ্ছে করে আমার বয়ঃসন্ধির সেই দূর্গাপূজার কাছে — আমার মতন করে আমাকে কখনও তার মনে পড়ে কি? 
*পূজারস্মৃতি* *দূর্গাপূজা* *কাশবন* *কাশফুল* *আশ্বিন*

সারা: ""পুচ্ছ তোলা পাখির মতো কাশবনে এক কন্যে, তুলছে কাশের ময়ূর চূড়া কালো খোঁপার জন্যে। যেন শরত-রানী কাশের বোরখাখানি খুলে, কাশবনের ঐ আড়াল থেকে নাচছে দুলে-দুলে। প্রথম কবে ফুটেছে কাশ সেই শুধু তা জানে, তাই তো সে তা সবার আগে খোঁপায় বেঁধে আনে। ইচ্ছে করে ডেকে বলি: ‘ওগো কাশের মেয়ে, আজকে আমার চোখ জুড়ালো তোমার দেখা পেয়ে।"" -নির্মলেন্দু গুন (কাশফুলের কাব্য)

*কাশবন* *প্রিয়কবিতা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★