কিচেন সামগ্রী

কিচেনসামগ্রী নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজানে নিতান্তই যারা স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এবং এসিডিটি বাড়াতে ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলেন, ইফতারের সময় ভাজাপোড়া খাওয়া থেকে নিজেদের মুখে কুলু আটেন তাদের নেই আর কোনো চিন্তা, তাদের জন্য বাজারে চলে এসেছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এক কুকার। তেলে ভাজা খাবার মজাদার হলেও তাতে আছে কোলেস্টেরলের ভয়। অ্যাসিডিটিও একটা সমস্যা। তবু রসনা যেন কোনো বাধা মানতে চায় না। মজার ব্যাপার হলো, এখন আর কোনো খাবার তেলে ভাজতে হবে না। বাতাসেই সব কাজ সারা যাবে।

নিছক গল্প মনে হলেও এটিই এখন সত্য। প্রায় বিনা তেলেই যেকোনো ভাজাপোড়া করা যায় এই কুকারে, যার নাম এয়ার ফ্রায়ার। এই কুকারে রান্না করতে আলাদাভাবে তেলের দরকার হয় না। এয়ার ফ্রায়ার দিয়ে উপভোগ করা যায় মচমচে ফ্রেঞ্চ চিকেন ফ্রাই বা চিকেন ফ্রাইসহ নানা ভাজাপোড়া খাবার। এয়ার ফ্রায়ারে কোলেস্টেরল বা এসিডিটির টেনশন ছাড়াই এ সব লোভনীয় খাবার তৈরি করা যাবে।  

এনামেল কোটিং এর সঙ্গে স্টিনলেস স্টিলের বডি প্লেটের এই স্টোভে গ্যাস কমই খরচ হয়। তেলের ফ্যাট বা কোলেস্টেরলযুক্ত চর্বি শরীর মুটিয়ে যাওয়া, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগের সৃষ্টির কারন। এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরকার গ্রিল এবং পাখার সমন্বয়ে উত্তপ্ত বাতাস খাবারের প্রতিটি কোনায় সুষমভাবে ছড়িয়ে গিয়ে খাবারকে ডুবোতেলে ভাজার মত তৈরি করে, যা প্রায় ৮০ ভাগ পর্যন্ত চর্বিমুক্ত রান্না করতে সক্ষম। অটো টাইমার অপশনের মাধ্যমে খাবার পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না। এ ছাড়া কী খাবারের জন্য কতোটুকু তাপের দরকার তাও নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে।

মজার ব্যাপার হলো, একসঙ্গে দু'পদের খাবার এ মেশিনে রান্না করা সম্ভব। খাবার আলাদা করার জন্য এর ভেতরে আছে একটি 'সেপারেটর'। এটি মাঝখানে টেনে এনে দু'পাশের ঢাকনা বন্ধ করে সহজেই দুই ধরনের রান্না করা সম্ভব। তাছাড়া একটির গন্ধ অন্যটিতেও ছড়াবে না। এয়ার ফ্রায়ারের চেম্বারে ঢুকিয়ে দিতে হয়। সব্জির গায়ে তেল মাখিয়ে দিতে হয় সামান্য। যন্ত্র চালু হলে খুব উত্তপ্ত হাওয়া খুব জোর গতিতে ঘোরে। মিনিট ১২-১৫ লাগে ভাজার চেহারা নিতে।

বাজারে ফিলিপস, শিমিজু, ওয়ালটনের এয়ার ফ্রায়ার কিনতে পাওয়া যায়, এদের শোরুমে তো পাবেন, এছাড়া নিউ মার্কেট সহ যে কোনো বড় ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানেও মিলবে এই কিচেন সামগ্রীটি, অনলাইনেও পাবেন সেক্ষেত্রে আজকের ডিলকে ভরসা করতে পারেন। তবে হ্যা, দাম কিন্তু একটু বেশি। ভালো জিনিস পেতে গেলে তো দাম নিয়ে চিন্তা করলে চলবে না। স্বাস্থ্যের কোনো রকম ক্ষতি ছাড়াই তেল বিহীন ভাজাপোড়া বা ইফতার করতে পারছেন এয়ার ফ্রায়ার দিয়ে এটাই বা কম কিসের। দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন কিনলে ৮৫০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন, শিমিজুর দামঅ মোটামোটি একই নাগালের মধ্যে। তবে বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ড ফিলিপস কিনতে হলে আপনাকে ২০০০০ থেকে ২২০০০ টাকা বাজেটে রাখতে হবে। (কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে অর্ডার করতে পারেন)

*এয়ারফ্রায়ার* *কিচেনসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোদ থেকে বাসায় ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা জুস! আহ্ সে কী শান্তি! এই গরমে আরাম দেবে তাজা ফলের রস। আর তার জন্য ঘরে থাকতে হবে একটি জুসার। তবে ব্লেন্ডারেও কাজ চলে। ফল থেকে রস বের করে নেওয়ার এই যন্ত্রটির চাহিদা বেড়ে যায় গরম এলেই। গরমের সময় এই ধরনের যন্ত্র বেশি বিক্রি হয়। তবে এবার বেশি চলছে একের মধ্যে অনেক সুবিধা আছে এমন যন্ত্রগুলো। যেমন ব্লেন্ডার। যেখানে জুস, মসলা, কিমার মতো বিষয়গুলো এক যন্ত্রেই সারা যায়। 

Click Here

কিনতে ক্লিক করুন l মৌসুমি ফলে রয়েছে নানান রকম পুষ্টিগুণ। গরমে ফলের রস বা শরবত খেতেও মজা। শরীরের জন্যেও ভালো। বাসায় একটি জুসার মেশিন থাকলে সহজেই যে কোনো ফল দিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।


কিনতে ক্লিক করুন l দামের ওপর নির্ভর করে লম্বা, গোলাকার ও নৌকার মতো বাঁকানো নকশার ব্লেন্ডার ও জুসার পাবেন। ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল দুই ধরনের জুসারই আছে। ফিলিপসের মাল্টি-ইউজ ব্লেন্ডারে জুস করার জন্য ছাঁকনি ব্যবহারের সুবিধা আছে। এ ছাড়া কিমা ও আদা-রসুন বাটার জন্য আছে আলাদা প্যানেল। দেড় লিটারের মিয়াকোর ব্লেন্ডারে চারটি জার ব্যবহার করে চার ধরনের উপকরণ ব্লেন্ড করা যায়। প্রেস্টিজের স্টেইনলেস স্টিলের ব্লেড দেওয়া ব্লেন্ডারটিতে ভিন্ন তিনটি জার রয়েছে। লম্বা আকারের এই ব্লেন্ডারের ক্ষমতা আড়াই শ ওয়াট। এ ছাড়া নোভার তিনটি জারের প্লাস্টিক বডির ব্লেন্ডারও পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুন l এই ব্লেন্ডারগুলো দিয়ে ফলের রস তৈরি করা যায়। শুধু জুসের জন্য মিয়াকোর দুই চেম্বারের দুটি সেফটি লক ও স্টেইনলেস স্টিলের ব্লেডযুক্ত জুসার পাওয়া যাবে এবং এতে শক্ত ও নরম ফলের জন্য দুই ধরনের স্পিড মোড রয়েছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে আরও আছে প্যানাসনিক, মলিনেক্স, সেবেক ইত্যাদি। এ ছাড়া প্লাস্টিকের বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের ম্যানুয়াল জুসার রয়েছে বাজারে। গরম যেহেতু বেশি, এসব যন্ত্রের ব্যবহারও হচ্ছে বেশি। তাই যন্ত্র ব্যবহারের আগে-পরে একটু যত্ন নিলে আপনার জুসার বা ব্লেন্ডারটি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।

কিনতে ক্লিক করুন l জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় । ই গরমে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। এবার যেহেতু গরম বেশি, তাই এই দুই যন্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে।



কিনতে ক্লিক করুন l ব্লেন্ডার বা জুসারটি যে ব্র্যান্ডেরই হোক না কেন তার যত্ন কিন্তু চাই সঠিকভাবে। কিভাবে যত্ন নিলে ব্লেন্ডার বা জুসার যন্ত্রটি ভালো থাকবে জেনে নিন,জুসার বা ব্লেন্ডার যেহেতু বৈদ্যুতিক যন্ত্র, তাই খেয়াল রাখতে হবে যেন এর মোটরে পানি না ঢোকে। আবার একটানা অনেকক্ষণ ব্যবহার করলে মোটর পুড়ে যেতে পারে। তাই পাঁচ মিনিট ব্যবহারের পর একটু বিরতি দিতে হবে। আবার যেহেতু লোডশেডিং হয়, তাই ব্যবহারের পর প্লাগ খুলে রাখতে হবে। কারণ, তাতে মোটর ভালো থাকবে।

কিনতে ক্লিক করুন l

বাজারে আছে নানারকম জুসার ও ব্লেন্ডার। চলুন সেগুলো এক ঝলক দেখে নেই :

যেখানে পাবেন
জুসার ও ব্লেন্ডার পাওয়া যাবে রাজধানীর নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডের বিভিন্ন দোকানে। এ ছাড়া গুলশান ডিসিসি মার্কেটে, পল্টন ও গুলিস্তানের বিভিন্ন মার্কেটে ব্র্যান্ড, নন-ব্র্যান্ড—সবই মিলবে। ইলেকট্রনিকসের বিভিন্ন শোরুমে মিলবে জুসার ও ব্লেন্ডার। সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটনের শোরুমে পাওয়া যাবে নানা ধরনের জুসার। তার পাশাপাশি নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া, প্রেস্টিজের ব্লেন্ডার পাওয়া যাবে। আর নন-ব্র্যান্ড কিনতে চাইলে বিভিন্ন চীনা ও জাপানের জুসার ও ব্লেন্ডার রয়েছে দোকানগুলোতে। ব্র্যান্ডের জুসার কিনলে কয়েক বছরের ওয়ারেন্টিও পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুন l তবে যাঁরা ইলেকট্রিক যন্ত্র ব্যবহার করতে চান না, তাঁদের জন্য বাজারে ম্যানুয়াল জুসার রয়েছে। এসব জুসারের দাম পড়বে একটু কম।  এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 

কিনতে ক্লিক করুন l

দরদাম
বাজারে এখন ব্লেন্ডার বা জুসারের দাম একটু বাড়তি। ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডার বা জুসার ১ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। তবে ওয়ারেন্টি পেতে হলে ২ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে হবে। যদি নন-ব্র্যান্ড কিনতে চান তবে খরচ পড়বে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা। বাজারে ম্যানুয়াল ব্লেন্ডার ও জুসার পাওয়া যায়। এর খরচ পড়বে ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

*ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী* *জুসার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কর্মজীবী মানুষের রান্নার পেছনে সময় দেওয়ার তেমন একটা সময় নেই। মানুষ এখন প্রযুক্তিনির্ভর। দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরো সহজ করতে পাওয়া যাচ্ছে নানা রকম পণ্য। তেমন একটি পণ্য হল রাইস কুকার। অফিস করে বাড়ি ফিরে অনেক সময় ইচ্ছা করে না ভাত রান্না করতে। সহজে ভাত রান্না করার জন্য আজকাল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নানা রকম রাইস কুকার। ঘরে ফিরে নিদিষ্ট পরিমাণ পানি চাল দিলে নির্ধারিত সময়ে রান্না হয়ে যাবে ভাত। এজন্য আপনাকে বারবার দেখতে হবে না। ভাত রান্না হয়ে আপনা আপনি কুকার বন্ধ হয়ে যাবে।

ভাত রান্না তাই এখন আর তেমন কঠিন কাজ নয় l বর্তমান সময়ের ছেলে কিংবা মেয়ে, পদ্ধতিটা জানা থাকলে যে কেউ রাইস কুকারের মাধ্যমে ভাত রান্না করতে পারবে। শুধু ভাত নয়, এটা দিয়ে খিচুড়ি, পোলাও কিংবা ভাতের নানা ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। কুকারে অনেক নিশ্চিন্তে ভাত রান্না করা যায়। পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না বা নাড়তেও হয় না। রাইস কুকারে ভাত চাপিয়ে দিয়ে আমরা অন্য কাজও করতে পারি, ফলে অনেক সময় বেচে যায়। গৃহিনীদের এখন কিচেনে প্রথম পছন্দ রাইস কুকার কারণ তিনবেলা রান্না করতেই চলে যায় অনেকটা সময়। তাই সময় বাঁচাতে রাইস কুকার ব্যবহার করছেন অনেকেই ৷

রাইস কুকারে রান্নার পদ্ধতি: বিদ্যুৎ-চালিত যন্ত্রে স্বল্প সময়ে চাল ফুটে ভাত হয়ে যাবে। প্রথমে কুকারের ঢাকনা উঠিয়ে ভেতরের বল বাটিটা বের করে নিন। দিতে হবে পরিমাণমতো চাল এবং পানি। পাত্রের তলা ভালোভাবে মুছে নিয়ে বসিয়ে দিন কুকারের ভেতরে। এবার চালু করে দিন যন্ত্রটি৷ ২০ থেকে ২৫ মিনিটেই ভাত তৈরি ৷

কিনতে ক্লিক করুন ব্র্যান্ড: SHIMIZU মডেল: SHGR028CPSক্যাপাসিটি: ২.৮ লিটারফুল বডি ডিলাক্সনন-স্টিক কোটেড হেভি ডিউটি ইনার পট ও হিটিং প্লেটওভার হিট প্রটেকশন কন্ট্রোলারঅটোমেটিক সেলফ কুকিং টাইমারKeep Warm ফাংশনস্টিমিং বোল (অপশনাল)বড় রিমুভেবল স্টীম ভেন্ট ; 

আকার অনুযায়ী রাইস কুকার: চাল ও পানির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে বাজারে পাওয়া যাবে নানা রকমের রাইস কুকার। এক লিটার থেকে শুরু করে ১.৪, ১.৫, ১.৮, ২, ২.৪, ২.৮, ৩ ও ৩.২ লিটার পর্যন্ত। একসঙ্গে অনেক ভাত রান্না করতে চাইলে নিতে পারেন ৭ বা ১০ লিটারের রাইস কুকার।

কিনতে ক্লিক করুন। ব্র্যান্ডঃ Philips মডেলঃ HD-3017 ক্যাপাসিটিঃ ১.৮ লিটার ফাইভ লেয়ার গোল্ডেন ইনার পট দিবে আরও বেশি হিট , যার কারণে আপনার রাইস হবে আরও সুস্বাদু

কুকারের দরদাম
বাজারে আছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রাইস কুকার৷ ট্রান্সকম বিপণন করছে সেবেক ব্র্যান্ডের কুকার। দুটি মডেলের কুকার কেনা যাবে এক হাজার ৯০০ থেকে দুই হাজার ৭০০ টাকায়। শার্প ব্র্যান্ডের পাঁচ ধরনের কুকার পাওয়া যায়। দাম পড়বে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। এ ছাড়া বড় কুকারের দাম ১১ থেকে ১২ হজার ৫০০ টাকা।বাটারফ্লাইয়ের আছে তিন পদের কুকার। বাজারমূল্য দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা৷ র৵াংগস ব্র্যন্ডের কুকার পাওয়া যাবে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকায়। হুন্দাইয়ের কুকার পাওয়া যাবে তিন হাজার ৫০০ টাকা থেকে ছয় হাজার টাকায়।

কিনতে ক্লিক করুন ব্র্যান্ডঃ Panasonic Power: 750 wattsOperating voltage: 220-240 voltsPre-cooking capacity: 2.2 litresPost-cooking capacity: 5.4 litres Anodized Aluminium Pan5 Hrs Keep Warm Function সারাদেশে ফ্রী ডেলিভারি

অপটিমা কিনতে পারবেন দুই থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে। ডলিন কেনা যাবে এক হাজার ৯০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৭০০ টাকায়। মিয়াকো ব্র্যান্ডের কুকার কিনতে পারবেন এক হাজার ৬০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়। হেজার পাওয়া যাবে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে। নোভা কুকার কিনতে পারবেন এক হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৪০০ টাকায়। ফিলিপস কেনা যাবে তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকায়। এছাড়াও বাজারে নানা ব্রান্ডের রাইস কুকার পাওয়া যায় l এলাকার যে কোনো ক্রোকারিজের দোকানে, ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানে, নিউ মার্কেট, চন্দ্রিমা সুপারমার্কেটে পেয়ে যাবেন নানা আকারের নানা ব্রান্ডের নানা ডিজাইনের এবং নানা দামের রাইস কুকার ; এছাড়া দেশের সব থেকে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলের গৃহস্থালীর সামগ্রীর বিশাল কালেকশনের একটা বড় অংশ হিসেবে আছে কিচেন এপ্লায়েন্সেস, সেখানেও পেয়ে যাবেন নানা আকারের নানা দামের রাইস কুকার l 

কিনতে ক্লিক করুন। মডেল: SLR-018CPSক্যাপাসিটি: ১.৮ লিটারফুল বডি ডিলাক্সস্টেইনলেস স্টীল বডিনন-স্টিক কোটেড হেভি ডিউটি ইনার পট ও হিটিং প্লেটওভার হিট প্রোটেকশন কন্ট্রোলারঅটোমেটিক সেলফ কুকিং টাইমারKeep Warm ফাংশনস্টিমিং বোল (অপশনাল)বড় রিমুভেবল স্টীম ভেন্ট

রাইস কুকারের যত্ন
♦ ভাত রান্নার এ যন্ত্রটি ব্যবহার করতে খুব একটা বাড়তি যত্ন লাগে না। খেয়াল রাখতে হবে বৈদ্যুতিক তারটি যে সকেটে লাগানো হচ্ছে সেটি যেন নড়বড়ে না থাকে।
♦ পানির পরিমাণ সম্পর্কে ঠিকমতো জেনে নিতে হবে। পানির বেশি হলে ফুটন্ত পানি বুদবুদ আকারে কুকারের ভেতরে উথলে পড়বে। ফলে কুকারে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিতে পারে।
♦ প্রতিবার ব্যবহারের পর বাটিটি শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নেওয়া ভালো। গরম অবস্থায় কখনোই কুকার ধোয়া ঠিক নয়।
♦ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এমন যে কোন ব্র্যান্ডের রাইস কুকারের সঙ্গে পাওয়া যাবে এক বছরের ওয়ারেন্টি৷ কেনার আগে ওয়ারেন্টির বিস্তারিত জেনে নেওয়া ভালো ৷

 কিনতে ক্লিক করুন। সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনে উপরে হাতলসহ Italian Home রাইস কুকার সহজে বহনযোগ্য ক্যাপাসিটি: ১.২ লিটার সাইজ: ২৩৫ X ২৩৫ X ২৬০ মিমি. হাই ডেনসিটি এলয়; নন-স্টিকি ইনার ভোল্টেজ: 220V, ফ্রিকোয়েন্সি: 50Hz, পাওয়ার ইনপুট: 500W নন-স্টিক কোটেড হেভি ডিউটি ইনার পট ও হিটিং প্লেট ওভার হিট প্রোটেকশন কন্ট্রোলার অটোমেটিক সেলফ কুকিং টাইমার Keep Warm ফাংশন স্টিমিং বোল (অপশনাল) বড় রিমুভেবল স্টীম ভেন্ট।

রাইস কুকারে খিচুড়ি/পোলাও রান্না: 

উপকরণ:- দুই কাপ পোলাও চাল,
দুই কাপ মুগ ডাল, ঘি আধা কাপ। পেয়াজ কুচি আধা কাপ,
পরিমান মত লবণ,
৪/৫ টি কাঁচা মরিচ,
আধা চা-চামচ হলুদ,
আধা চা- চামচ রসুন বাঁটা,
আধা চা-চামচ আদা বাটা 

প্রণালী:- প্রথমে দুই কাপ চাল আর দুই কাপ মুগ ডাল রাইসকুকারের পাত্রে নিয়ে নিন। এবার ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর এতে ৮ কাপ পানি নিন।এবার এতে বাকি সবগুলো উপকরণ মাখিয়ে রাইসকুকারে বসিয়ে চালু করে দিন। ব‍্যাস, কিছুক্ষনের মধ‍্যে আপনার খিচুরী তৈরি! 

 

 

*রাইসকুকার* *ভাতরান্না* *গৃহস্থালিটিপস* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মৌসুমি ফলে রয়েছে নানান রকম পুষ্টিগুণ। গরমে ফলের রস বা শরবত খেতেও মজা। শরীরের জন্যেও ভালো। বাসায় একটি জুসার মেশিন থাকলে সহজেই যে কোনো ফল দিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা  ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।
 
 
জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় । ই গরমে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। এবার যেহেতু গরম বেশি, তাই এই দুই যন্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে।
 
ম্যানুয়াল জুসার বাসা বা অফিসে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন, 
ব্র্যান্ড নিউ প্রোডাক্ট
 
গরমের কারণে প্রতিদিনই জুসার বিক্রি হচ্ছে। সময় বাঁচিয়ে সহজে এক গ্লাস ফলের রস পান করতে জুসারই সেরা। ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ড দুই ধরনের জুসারই আছে বাজারে। তবে ভালো দোকান থেকে কিনলে কয়েক বছরের ওয়ারেন্টি পাওয়া যায়।
 
এখন এই হ্যান্ডি জুস মেকার এর সাহায্যে ঘরেই তৈরি করুন বিভিন্ন ফলের জুসম্যাটেরিয়াল- প্লাস্টিক ও স্টেইনলেস স্টিলআলুসহ বিভিন্ন ধরণের ভর্তাও তৈরি করতে পারবেন
 
জুসার ও ব্লেন্ডারের রকমসকম
ফলের রস তৈরি করতে জুসার বা ব্লেন্ডার বেছে নিতে পারেন। জুসারে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটাই গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে নানা ধরনের জুসার পাবেন। ছোট-বড়, গোল বা লম্বা নানা ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে।
 
দরদাম
ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া নন-ব্র্যান্ডের জুসার পেয়ে যাবেন এক হাজার ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে৷ ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে নয় হাজার টাকা৷ নন–ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম শুরু হয় সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে৷
 
পাবেন যেখানে
ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটন, মিনিস্টারের বিভিন্ন শো রুমে পাবেন। এ ছাড়া নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের জুসার কিনতে পারেন। চীনা ও জাপানি বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের জুসার ব্লেন্ডারও পাওয়া যায়। আপনি যদি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বাসায় বসে নামকরা সব ব্রান্ডের জুসার কিংবা ব্লেন্ডার কিনতে চান তবে নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন স্টোর আজকেরডিলের উপর। এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 
 
ব্লেন্ডার এন্ড জুসার পাওয়ারঃ AC, 220~240V, 50 Hz ক্যাপাসিটিঃ ১.২ লিটার ওয়ান কি কনট্রোল , প্রোগ্রাম কনট্রোল, অটোম্যাটিক স্টপ
ব্যবহার পদ্ধতি
লম্বা সময় ধরে ঝামেলামুক্ত ভাবে মিক্সার গ্রাইন্ডার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ মিক্সার গ্রাইন্ডার চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছুক্ষণ পরপর সুইচ বন্ধ করে পুনরায় চালু করতে হবে। সবসময় সুইচ বন্ধ করে গ্রাইন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তাছাড়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের নিচের যন্ত্রাংশে যেন পানি না ঢোকে সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
ব্র্যান্ড: Icon মডেল: CB-T2T ফাংশনঃ MIXER/JUICER/GRINDER ম্যাটেরিয়াল: Electronics Packing Requirement: Box Packet ১ বছরের ওয়ারেন্টি অরিজিনঃ চায়না
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় মিক্সার গ্রাইন্ডার, রান্না করার সময় এবং শ্রম দুটোই কমাতে জুরি নেই মিক্সার গ্রাইন্ডারের। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, নিউ মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান ষ্টেডিয়াম মার্কেটসহ দেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স শো রুমগুলো থেকে পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী গ্রাইন্ডার বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l 
 
যন্ত্রের যত্ন
জুসার বা ব্লেন্ডার নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই যেকোনো সময় ব্যবহারের পর ব্লেন্ডার বা জুসার যত্নে রাখা জরুির। রান্নাবিদ সিতারা ফেরদৌস জানালেন, কীভাবে যত্নে রাখবেন আপনার জুসার বা ব্লেন্ডার মেশিন।
 
 জুসারে ফলের নির্যাস একদিকে আর ছোবড়া আরেক দিকে পড়ে। যেকোনো ধরনের ফলমূল জুসারে দেওয়ার পর সাবধানে চালু করুন। না হলে সুইচ একবার নষ্ট হলে সারাতে হেপাটা আপনাকেই পোহাতে হবে।
 এ ছাড়া ব্লেন্ডারে ফলের জুস করতে সাধারণত ফলের সঙ্গে বরফ, চিনি ইত্যাদি একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলা হয়। এখানে ছোবড়া আলাদা হয় না। ফলের নির্যাসের সঙ্গেই ব্লেন্ড হয়ে যায়। তাই নানা ধরনের শক্ত অংশ ভেতরে থেকে গেলে সেটা সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে নিন।
 ব্লেন্ডার বা জুসার ব্যবহারের পর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।
 আজকাল বাজারে নানা ধরনের লিকুইড সাবান পাওয়া যায়। সেটা দিয়েই পরিষ্কার করতে পারেন জুসার, ব্লেন্ডার।
 ফোমের টুকরা বা নরম কিছুতে লিকুইড সাবান জুসারে বা ব্লেন্ডারে দিন। এতে ব্লেন্ডারে কোনো ধরনের দাগ পড়বে না।
 এসব জিনিস বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। আগুন থেকেও সাবধানে রাখা উচিত।
 জুসার বা ব্লেন্ডারের ভেতরে গন্ধ হলে এক কাপ পানির সঙ্গে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে ব্লেন্ডার বা জুসারে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
*ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী* *জুসার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রান্নাঘরে সময় বাঁচাবে এই টুলসগুলি রান্নাবান্না নিয়ে গৃহিনীর ব্যস্ততা সবসময় বেশি থাকে। চাকরিজীবী নারীর ব্যস্ততা তো আরো এক ধাপ এগিয়ে। অফিসের যত ঝামেলা তারপর সংসার, বাচ্চা সামলানো নিয়ে যেন দম ফেলার সময় নেই। তাছাড়া সামনে কুরাবনি ঈদ আসছে। এখন থেকেই মনে মনে একটা রুটিন এঁকে নিন, দেখবেন এত ব্যস্ততা সুন্দরভাবে সামাল দিতে পারছেন।
 
রান্না নিয়ে প্রতিটি গৃহিণীদের সমান চিন্তা। অনেকের কাছেই রান্না করা যেন একটা বিরক্তির কাজ। আপনি হয়তবা ঝটপট রান্নার কাজটি সেরে ফেলতে চাইছেন কিন্তু কাটাকাটিতেই আপনার অর্ধেক সময় চলে যাচ্ছে। অথচ পাশের বাড়ির রহিমা আপা কেমনে অফিস সামলানোর পরেও ঝটপট রান্না শেষ করে? জানা গেল রহিমা আপার রান্নার কাজে সহায়তা করে চপার, স্লাইসার ও কাটারের মত কিচেন সামগ্রী।  এগুলো ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যে সবজিসহ সব ধরনের কাটাকাটি সেরে ফেলেন। তাহলে আপনি কেন বসে থাকবেন? আপনি রান্নার ঘরের জন্য এই সব কিচেন সামগ্রী নিয়ে নিন। আর হয়ে উঠুন সময়সাশ্রয়ী সেরা রাধুনি। 
 
 
রান্না ঘরের প্রয়োজনীয় টুলসঃ
রান্নাঘরে কাজের চাপ সবসময় বেশি থাকে আর কোন উৎসব আয়োজন থাকলে তো সারাটি দিনই কেটে যায় রান্না ঘরে। তাই এখন থেকেই রান্নাঘরটা গুছিয়ে নিন। এতে যেমন কাজের সময় সবকিছু হাতের কাছে সহজে পাওয়া যাবে তেমনি রান্নাঘরেও উৎসবের আমেজ বজায় থাকবে।  যাদের সব সময় হাঁড়ি, পাতিল, থালা-বাসন বেশি লাগে, তারা এগুলো পরিষ্কার করে কিচেন ক্যাবিনেটে সাজিয়ে রাখুন। রান্নাঘরে চামচ, খুন্তি ইত্যাদি রাখার জন্য স্পুন হোল্ডার রাখুন। এরপর কাটাকাটির জন্য রাখুন এই জিনিসগুলো। 
 
পটেটো কাটারঃ
আপনার রান্নাঘরের জন্য ১ টি আদর্শ টুল হতে পারে পটেটো কাটার। এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। যে কোন সবজি, পেঁয়াজ, আদা এর ভিতর বসিয়ে হাতের তালুর সাহায্যে চাপ দিলেই স্লাইস হয়ে যাবে।  স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি ব্লেড যা খুব সহজেই পরিষ্কার করা যায়।
 
মাল্টি ফাংশনাল ফ্রুট ও ভেজিটেবল স্লাইসারঃ
সব ধরনের সবজি দ্রুত কাটার জন্য আপনার রান্না ঘরে আজই নিয়ে নিন মাল্টি ফাংশনাল ফ্রুট ও ভেজিটেবল স্লাইসার। সবজি থেকে দ্রুত চামড়া ছাড়ানো হয় বিভিন্ন স্টাইলে সবজি কাটার জন্য এটি বেশ উপযুক্ত। 
 
ফিশ কাটারঃ
এটি মাছ পরিস্কার ও কাটার জন্য দারুন উপকারি একটি টুল। ব্যবহার করতে পারলে বটি দেয় মাছ কাটতে যে সময় আপনি ব্যয় করেন তার অর্ধকটারও বেশি সময় বেঁচে যাবে।  
 
ফ্রাই স্লাইসারঃ
সবজি ও ফল ফ্রাই করার জন্য যে পদ্ধতিতে কাটতে হয় সেটা অনেকেই জানেন না। আবার যতই পারদর্শী হোন না কেন এবাবে কাটতে গেলে আপনার অনেক সময় লেগে যাবে। তাই খুব সহজে ও দ্রুত সবজি ও ফল কাটতে ফ্রাই স্লাইসার ব্যবহার করুন। 
 
আপেল স্লাইসারঃ
আপেল কাটার জন্য খুবই উপকারি একটি টুলস হচ্ছে আপেল স্লাইসার।  আপেল স্লাইসারে শুধু আপেল নয়, আপেল জাতীয় বিভিন্ন ধরনের সবজিও স্লাইস করা যায়। 
 
উপরের সামগ্রী গুলো ছাড়াও  মাছের আঁশ তোলার মেশিন, ডিম ফেটানোর মেশিন, কোকোনাট স্ক্র্যাপার, চপ ম্যাজিক, তরমুজ কাটার, ভেজিটেবল পিলার, মাল্টি সালাদ সেফ ইত্যাদি নানা ধরনের যন্ত্রপাতি রান্না ঘরে রেখে দিন।  আর এই সবগুলো কিচেন সামগ্রীই পেয়ে যাবেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল  ডট কমে। তাহলে এক্ষনি ঢুঁ মেরে আসুন আজকের ডিলের কিচেন সামগ্রীর কালেকশন থেকে। 
*কিচেনসামগ্রী* *কিচেনটুলস* *স্মার্টশপিং* *স্লাইসার* *পিলার* *চপার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আধুনিক রান্নাঘরের অন্যতম প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হচ্ছে ননস্টিকের তৈজসপত্র। তুলনামূলক কম ঝামেলায় রান্না শেষ করার জন্য ননস্টিকের জুড়ি নেই। আবার পরিষ্কার করার জন্যও পোহাতে হয় না বাড়তি ঝক্কি। 
 
জেনে নিন ননস্টিক তৈজসপত্রের খুঁটিনাটি বিষয়- 
 
ননস্টিকে রান্নার সময় তুলনামূলক কম তেল দিন। এ ধরণের তৈজসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে তলায় লেগে যাওয়ার ভয় থাকে না। অ্যালুমিনিয়ামের বাসন-কোসনের সাথে ননস্টিকের তৈজসপত্র না রাখাই ভালো। রান্না শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম অবস্থায় ননস্টিকের তৈজস পানিতে ডুবাবেন না। ঠাণ্ডা হওয়ার পর তারপর পরিষ্কার করুন।
ননস্টিক তৈজসপত্রের যত্নআত্তি
  • ননস্টিকের তৈজসপত্র পরিষ্কার করার আগে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর নরম স্পঞ্জ দিয়ে হালকা করে ঘষে পরিষ্কার করুন। কখনো ধারালো কিছু দিয়ে কিংবা বল প্রয়োগ করে এ ধরণের তৈজসপত্র পরিষ্কার করতে যাবেন না। এতে স্ক্র্যাচ পড়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
  • ছাই, বালি বা অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ননস্টিক পরিষ্কার করা অনুচিত। লিকুইড সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন ননস্টিকের বাসন কোসন। 
  • ননস্টিক তৈজসপত্র কখনোই তারজালি দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করা উচিত না। কারণ এতে ননস্টিকের উপরের প্রলেপ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পরবর্তীতে খাবার আটকে যায়। তাই ননস্টিক তৈজসপত্র নরম কাপড় অথবা ফোম দিয়ে পরিষ্কার করুন।
  • ননস্টিক তৈজসপত্রে রান্নার সময় সব সময়েই বিশেষ ধরণের প্লাস্টিকের চামচ অথবা কাঠের চামচ ব্যবহার করা উচিত। লোহার অথবা অ্যালুমিনিয়ামের চামচ ব্যবহার করলে ননস্টিকে স্ক্র্যাচ পড়ে নষ্ট হয়ে যায়।
  • পরিষ্কার শেষে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নির্দিষ্ট জায়গায় তুলে রাখুন। 
  • ননস্টিকে একেবারে শুকনো রান্না করার চাইতে সামান্য তেল ব্রাশ করে রান্না করলে অনেক বেশিদিন ভালো থাকে তৈজসপত্রগুলো। কোন খাবার পুড়ে আটকে গেলে ঘষাঘষি না করে পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। এর পর আলতো করে নরম কাপড় দিয়ে ধীরে ধীরে পরিষ্কার করে নিন।
  • ননস্টিক কুকওয়্যারের ঢাকনি হিসেবে ননস্টিক প্যানকভার ব্যবহার করতে পারেন। 
  • ননস্টিকের হাড়ি বা প্যান চুলার উপর খুব বেশি আঁচে দীর্ঘক্ষণ রাখবেন না। 
  • খুব বেশি টক খাবার ননস্টিকের আয়ু কমায়। তাই এ ধরণের খাবার ননস্টিকে রান্না না করাই ভালো। 
  • ননস্টিকের তৈজস চুলা থেকে নামানোর সময় আশেপাশের অংশ না ধরে প্লাস্টিকের হাতল ধরে তারপর নামান। 
  • ননস্টিক কুকওয়্যারের ঢাকনি হিসেবে ননস্টিক প্যানকভার ব্যবহার করুন। রান্না দ্রুত হবে। সাধারণত ঢাকনা কাচের হয়। তাই গরম অবস্থায় পানিতে দেবেন না। ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
  • অনেক সময় দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ননস্টিক বাসনে দাগ পড়ে যায়। এ দাগ দূর করার জন্য অল্প পানির সাথে সিরকা মিশিয়ে চুলার মৃদু আঁচে কয়েক মিনিট নাড়ুন। দাগ উঠে যাবে।
  • ননস্টিকের তৈজস পরিষ্কার করার পর র‍্যাকে ঝুলিয়ে রাখুন। দীর্ঘদিনের জন্য তুলে রাখতে চাইলে নরম কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে তারপর কেবিনেটে রাখুন। 
  • খুব বেশি টক খাবার ননস্টিকের আয়ু কমায়। তাই এ ধরনের খাবার ননস্টিকে রান্না না করাই ভালো।
  • ননস্টিকের তৈজস কেনার সময় ভালো ব্র্যান্ড দেখে কেনা উচিত। এতে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে আপনার দামী তৈজসটি। 
ননস্টিকি ফ্রাইং প্যান ধোয়া পদ্ধতি
  • দ্রুত কাজ করা যায় ও সুবিধাজনক বলে আমরা এখন অনেকেই বাসা বাড়িতে ননস্টিকি ফ্রাইং প্যান ব্যবহার করে থাকি। মাঝে মাঝে ফ্রাইং প্যানে রাঁধতে গিয়ে কিছু পুড়ে গেলে সেটা ধোয়া নিয়ে আমরা প্রায় প্রত্যেকেই ঝামেলায় পড়ে থাকি। কারন এটি সাধারন কড়াই কিংবা পাতিলের মত স্টীল বা শক্ত ধরনের কোন মাজুনি দিয়ে ধোয়া যায় না, তাতে প্যানের ননস্টিকি আবরণ উঠে যায়। কিন্তু স্টিলের মাজুনি দিয়ে না ধুলে ঠিকমত পরিষ্কার হতে চায় না। এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে।
  • ননস্টিকি ফ্রাইং প্যান ধোয়ার জন্য আপনার লাগবে শুধুমাত্র ভিনেগার ও বেকিং সোডা। প্রথমে নোংরা প্যানটি পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর প্যানটিতে পানি ও ১ কাপ ভিনেগার দিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে থাকুন। ৫ মিনিট চুলা থেকে নামিয়ে পানিতে বেকিং সোডা দিয়ে ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এরপর আপনি ঠাণ্ডা পানি দিয়ে সাধারন মাজুনি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারবেন। এতে প্যানের ননস্টিকি আবরণ ঠিক থাকবে এবং প্যানটি ভালোভাবে পরিষ্কারও হবে। 
  • বাসন পরিষ্কার করে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নির্দিষ্ট জায়গায় তুলে রাখুন। তলায় মরচে ধরবে না। 
ব্যবহারে সতর্কতা
ননস্টিক বাসনে টেফলন নামে এক প্রকার ধাতব বস্তু ব্যবহার করা হয়, যা উত্তপ্ত হয়ে বিশেষ এক ধরণের রাসায়নিক বিকিরণ ঘটায়। এই রাসায়নিক রান্না করা সময় খাবার-দাবারেও মিশে যায়। শুধু তাই নয়, খাবার রান্নার সময় সৃষ্ট ধোঁয়াতেও থাকে এই বিষাক্ত রাসায়নিক। এই রাসায়নিকের নাম পারফ্লুরোকট্যানোইক অ্যাসিড। মানুষের শরীরে এই অ্যাসিডের বিষ ধীরে ধীরে কাজ করে। তবে এর ক্ষতিকর প্রভাব সব থেকে বেশি বোঝা যায় পাখিদের উপর। যে বাড়িতে ননস্টিক কুকওয়্যারে বেশি রান্না হয়, সেখানে রান্নাঘরের কাছাকাছি পোষা পাখি থাকলে, রান্নার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি মারা যেতে পারে। খাবার না দিয়েই ননস্টিক প্যান আগুনে গরম করলে, সব চেয়ে বেশি টেফলনের বিষ নির্গত হয়। এছাড়াও রান্না করতে গিয়ে তা কোনও কারণে পুড়ে গেলেও, সেই রান্নায় টেফলন রাসায়নিক প্রচুর পরিমাণে থাকে।
কেমন চাই-
বাজারে পাবেন ননস্টিক ফ্রাইপ্যান, তাওয়া, কড়াই, সসপ্যান ঢাকনাসহ ও ছাড়া, প্রেশার কুকার, রাইস কুকার, কারি কুকার। 
ধরন বুঝে দাম-
সাইজ ২২ থেকে ৩৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ননস্টিক ২২ সেন্টিমিটার ১৫০০, ২৪ সেন্টিমিটার ১৫৫০ এবং ২৬ সেন্টিমিটার ১৬০০ টাকায়। এ ছাড়া ২৮ সেন্টিমিটার ১৬৫০, ৩০ সেন্টিমিটার ১৭০০, ৩২ সেন্টিমিটার ১৭৫০, ৩৪ সেন্টিমিটার ১৮০০ এবং ৩৬ সেন্টিমিটার ১৮৫০ টাকায়। সসপ্যান পাওয়া যাবে ১ থেকে ১০ নম্বর অনুযায়ী। সসপ্যান ঢাকনাসহ দাম পড়বে ৬০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে। আর একসঙ্গে সেট নিলে পাওয়া যাবে ৭০০০ টাকার মধ্যে। 
পাবেন যেখানে-
নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, কারওয়ান বাজার, বিগ বাজার, আড়ং, মীনা বাজার, স্বপ্ন ও আগোরাতে সিরামিকের পণ্য পাবেন মন্নু সিরামিক, পিপলস সিরামিক ও শাইনপুকুরের। সিরামিকের বিভিন্ন শোরুম এবং ক্রোকারিজ আইটেমের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ পাবেন রাজধানীর চকবাজারে। এ ছাড়া যেকোনো শপিং মলে পাবেন। এছাড়া আজকের ডিলের কিচেন সামগ্রীর একটা বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে ননস্টিক তৈজসপত্র l 
 
 
*ননস্টিক* *ননস্টিকতৈজসপত্র* *কিচেনসামগ্রী* *গৃহস্থালিটিপস* *বাসন-কোসন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রেস্তোরাঁয় আমরা সবাই খেতে যাই। কিন্তু ছুরি চামচের ব্যবহার আমরা অনেকেই জানি না। আধুনিকতার সঙ্গে তাল মেলানো মানে শুধু পোশাক-আশাক বা গ্যাজেটে আধুনিক হওয়াই নয়, প্রয়োজন জীবন-যাপন রীতি বা লাইফস্টাইলেও পরিবর্তন আনা। তা হলেই বলা যেতে পারে আপনি পুরোপুরি আধুনিক। সূক্ষ্ম কিছু বিষয় সম্পর্কে সচেতন না থাকলে হয়তো মাটি হয়ে যেতে পারে আপনার পুরো সাজ পোশাক। যেমন—মনের ভুলেই হয়তোবা খাবার টেবিলে আপনি করে বসতে পারেন এমন কিছু, যাতে বরবাদ হয়ে যাবে অন্যদের খাওয়া-দাওয়া এমনকি আপনি বিরক্তিকর হয়ে উঠবেন সবার কাছে। তাই সচেতন হতে যেনে নিন অতি জরুরি কিছু টেবিল ম্যানার্স। 
 
 
* মুখ বন্ধ করে খান। খাওয়ার সময় আপনার মুখের খাবার দেখা গেলে তা মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়। এটা যেমন অন্যদের বিরক্তিতে ফেলে, তেমনি খাওয়ার রুচিতেও ঘাটতি আনে। মনের অজান্তেই যদি এ অভ্যাসটি আপনার থাকে তবে মুখ বন্ধ করে খাওয়ার অভ্যাস করুন এখনই।
 
* শব্দ করে খাওয়া বন্ধ করুন। এটা কোনো গর্বের বিষয় নয় যে আপনি খাওয়ার সময় সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছেন, আপনি খাচ্ছেন। যা আপনার পাশে বসা মানুষটির জন্য চূড়ান্ত অস্বস্তিদায়কও। বিষয়টি আমাদের দেশে একেবারেই গুরুত্ব না পেলেও পশ্চিমা দেশগুলোয়, যাদের সবকিছুই আমরা অনুকরণে ব্যস্ত, তাদের কাছে রীতিমত অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে।
* চামচ বা হাত যেভাবেই অল্প করে খাবার মুখে দিন। যত ক্ষুধার্তই হোন না কেন একবারে খুব বেশি পরিমাণ খাবার মুখে দেয়া যেমন দৃষ্টিকটু, তেমনি তা ছড়িয়ে পড়ে খাবার টেবিলে, সৃষ্টি করতে পারে বিশৃঙ্খলা।
 
* খাবার সময় কাশি বা হাঁচি দেয়া ও নাক টানা থেকে বিরত থাকুন। বাকিদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে একটু দূরে গিয়ে হাঁচি দিন। খাবার টেবিলে শব্দ করে ঢেঁকুর তোলাও চরম বাজে অভ্যাসগুলোর একটি।
 
* অনেকের সঙ্গে খেতে বসলে একসঙ্গে খাওয়া শুরু করুন। আগে আগে নিজের প্লেটে খাবার নেয়া অন্যদের কাছে আপনার ব্যক্তিত্বের ঘাটতি তুলে ধরবে সহজেই।
 
* রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার আগে অবশ্যই জেনে নিন চামচ, কাটা চামচ ও ন্যাপকিন ব্যবহারের নিয়মকানুনগুলো। খাবার সময় কখনোই চামচ বা কাটা চামচ শূন্যে তুলে কথা বলা বা কোনো দিকে নির্দেশ করবেন না। 
জেনে নিন কিভাবে রসনার অভিব্যক্তির বহিঃপ্রকাশ করে ছুরি-চামচ
 
ক্রিস-ক্রস ছুরি চামচ
প্লেটের মাঝে ছুরি ও চামচ দিয়ে যোগ চিহ্নের মতো তৈরি করা। অর্থাৎ আপনি দ্বিতীয় প্লেটে খাবার নেওয়া জন্য প্রস্তুত। তাই আপনি মুখে কিছু না বললেও, আপনার প্লেট দেখেই ওয়েটার বুঝে যাবে আপনাকে খাবার সার্ভ করতে হবে।
 
ছুরি চামচ পাশাপাশি
ফিনিশ। মানে আপনার খাওয়া শেষ। ছুরি চামচ পাশাপাশি লম্বা করে রাখার অর্থ এটাই। যাতে ওয়েটার টেবিল পরিষ্কার করে নিতে পারেন।
ছুরি চামচ পাশাপাশি আড়াআড়ি
ছুরি চামচ পাশাপাশি আড়াআড়ি করে রাখার অর্থ আপনার খাওয়া শেষ এবং খাবার আপনার অত্যন্ত পছন্দ হয়েছে।
 
ছুরি চামচ একটির ভেতর অপরটি
ছুরি চামচ একটির ভেতর অপরটি মূলত কাটা চামচের ভেতর ছুরি গেঁথে কোণ তৈরি করে রাখার অর্থ আপনার খাওয়া শেষ কিন্তু খাবার একেবারেই পছন্দ হয়নি আপনার।
কিছু টিপস
  • খাওয়ার ছুরি কখনোই সাধারণ ছুরির মতো করে ধরবেন না
  • একবার টেবিল থেকে ছুরি চামচ তুলে তা আবার টেবিলে রাখবেন না। হাতে বা প্লেটে রাখুন।
  • ন্যাপকিন হাত মোছা/লিপস্টিক মোছা/ সর্দি মোছা্র কাজে ব্যবহার করবেন না।
  • প্লেট/চামচ/গ্লাস মোছার জন্য ন্যাপকিন ব্যবহার করবেন না।
  • ন্যাপকিন হাতে নিয়ে কাউকে ইশারা করবেন না।
  • মুখ থেকে কাটা, হাড় বা অন্য কিছু বের করতে হলে ন্যাপকিন ব্যবহার করবেন না। এক্ষেত্রে হাত বা কাঁটা চামচ ব্যবহার করুন।
  • ন্যাপকিন ফ্লোরে পড়ে গেলে তা তোলার চেষ্টা করবেন না। সার্ভারকে ডাকুন এবং আর একটি ন্যাপকিন চেয়ে নিন।
দাওয়াত খেতে গেলে ফিরে আসার সময় অবশ্যই আপ্যায়নকারীর রান্নার প্রশংসা করতে ভুলবেন না।
এগুলো ছিল প্রাথমিক কিছু টেবিল ম্যানার বা খাবার টেবিলের নিয়মকানুন। তবে এরও আছে নানা ভাগ ও ব্যাপ্তি। যদিও সব সময়ের জন্যই উপরের কয়েকটি নিয়ম খেয়াল রাখলেই আপনি এড়াতে পারেন বিব্রতকর পরিস্থিতি। শুধু বহিরাবরণেই নয়, ম্যানার সচেতন থাকলে হয়ে উঠতে পারবেন আপাদমস্তক আধুনিক। বাসায় নিমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এক সেট নান্দনিক কাট্লারী সেট কিন্তু আপনার রুচিরও প্রকাশ ঘটাতে দারুন ভূমিকা পালন করবে l 
 
কোথায় পাবেন
নিউ মার্কেট, চন্দ্রিমাসহ যে কোনো ক্রোকারিজ শপে পেয়ে যাবেন নানা ধরনের ছুরি, চামচ ও কাচির সেট, যাকে এক কথায় কাট্লারী সেট বলে l এছাড়া অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল তো আছেই l ওদের কিচেন এপ্লাইন্সেসের রয়েছে বিশাল কালেকশন এবং সেখানেই পেয়ে যাবেন নান্দনিক সব কাট্লারী সেট l আজকের ডিলের সংগ্রহ দেখতে ক্লিক করুন l 
 

 

*ছুরি-চামচ* *কাচি* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্লেন্ডার / মিক্সার গ্রাইন্ডার
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দিতে বাজারে রয়েছে হরেক রকমের মিক্সার গ্রাইন্ডার। রান্নার কাজে ব্যবহৃত নানান পদের মসলা এবং অন্যান্য উপকরণ গুঁড়া বা মিহি করার জন্য ব্যবহার করা হয় এই যন্ত্র। ধারণ ক্ষমতা এবং ব্র্যান্ড ভেদে মিক্সার গ্রাইন্ডারের দাম বিভিন্ন রকম। বর্তমানে বাজারে মিয়াকো, নোভা, নোভেনা, ফিলিপস, হুন্দাই, সাহারা, জাইপান, আরএফএল, ন্যাশনাল ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।
 
 
দরদাম
বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন রকমের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া গেলেও ‘মিয়াকো’ ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। 
তুলনামূলক কম দামের মধ্যে লম্বা সময়ের ধরে ব্যাবহার উপযোগী হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে মিয়াকো গ্রাইন্ডারের জনপ্রিয়তা বেশি। 
এছাড়াও নোভেনা, সাহারা এবং জাইপান এর গ্রাইন্ডারগুলোর বাজার মোটামুটি ভালো।
 
 
 
আজকের ডিল ও নিউমার্কেট থেকে মিয়াকোর মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে
২ হাজার ১শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকায়।
বসুন্ধরা সিটির মিয়াকোর বিশেষ শোরুম থেকে ৭৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন গ্রাইন্ডার পেতে পারেন
২ হাজার ৩শ’ টাকায়। ১২৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন স্টেইনলেস স্টিলের বিশেষ গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে
সাড়ে ৩ হাজার  থেকে ৪ হাজার ২শ’ টাকায়।
 
 
 
একটু কম দামের মধ্যে নোভা ব্র্যান্ডের আধা লিটার ধারণ ক্ষমতার মিক্সার গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে ১ হাজার ৮শ’ টাকা
এবং এক লিটার ধারণ ক্ষমতার মধ্যে কিনতে খরচ করতে হবে ২ হাজার ১শ’ থেকে ২ হাজার ৩শ’ টাকা।
টেকসই এবং বেশি কার্যকর গ্রাইন্ডার কিনতে বেছে নেওয়া যেতে পারে
হুন্দাই ব্র্যান্ডের মিক্সার গ্রাইন্ডারগুলো।
আধা থেকে দেড় লিটারের গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ২শ’ টাকা।
 
 
 
সম্প্রতি ‘আরএফএল ভিশন’ নামে বাজারে এসেছে নতুন ধরনের গ্রাইন্ডার।
ভেতরের যন্ত্রাংশের মান এবং জগের আকার ভেদে গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে ২ হাজার ৪শ’ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
এছাড়া আজকের ডিলে পাওয়া যাবে ভারতের জাইপান ব্র্যান্ডের গ্রাইন্ডার।
ভালো মানের ৮৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই গ্রাইন্ডারগুলো পাওয়া যাবে ৪ হাজার টাকায়।
৫৫০ ওয়াট ক্ষমতার জাইপান গ্রাইন্ডারের দাম পড়বে ৩ হাজার ২শ’ টাকায়। 
 
 
 
 
 
সাহারা মিক্সার গ্রাইন্ডার পেতে হলে গুনতে হবে ৫ হাজার টাকা।
এছাড়াও অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন এবং দীর্ঘস্থায়ী ন্যাশনাল’য়ের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে ৫ হাজার ২শ’ টাকায়
এবং প্যানাসনিক ব্র্যান্ডের বড় কিছু গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে ৭ হাজার টাকায়।
 
 
 
 
ব্যবহার পদ্ধতি
লম্বা সময় ধরে ঝামেলামুক্ত ভাবে মিক্সার গ্রাইন্ডার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ মিক্সার গ্রাইন্ডার চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছুক্ষণ পরপর সুইচ বন্ধ করে পুনরায় চালু করতে হবে। সবসময় সুইচ বন্ধ করে গ্রাইন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তাছাড়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের নিচের যন্ত্রাংশে যেন পানি না ঢোকে সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় মিক্সার গ্রাইন্ডার, রান্না করার সময় এবং শ্রম দুটোই কমাতে জুরি নেই মিক্সার গ্রাইন্ডারের। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, নিউ মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান ষ্টেডিয়াম মার্কেটসহ দেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স শো রুমগুলো থেকে পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী গ্রাইন্ডার বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l 
*মিক্সারগ্রাইন্ডার* *ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★