কিডনি

কিডনি নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম!

জানুন সুস্থ্ থাকুন

*কিডনি* *হেলথটিপস*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিডনি রোগ একটি নীরব ঘাতক। আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে কিডনি অন্যতম। মানুষের শরীরে দুইটি কিডনি থাকে যেগুলো শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং বিভিন্ন দূষিত পদার্থ ছেঁকে ফেলে। বাংলাদেশে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিবছর অনেক মানুষ এই রোগে মৃত্যুবরণ করে। এই ধরণের রোগের চিকিৎসাও বেশ ব্যয়বহুল। তাই আগে থেকেই কিডনির যত্ন নেয়া উচিত। আসুন জেনে
নেয়া যাক কিডনি ভালো রাখার ১০টি উপায়।
লবণ কম খান
খাবারে অতিরিক্ত লবন খাওয়া কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মানুষের শরীরে প্রতিদিন মাত্র ১ চা চামচ লবণের চাহিদা থাকে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত লবন খাওয়া পরিহার করার অভ্যাস করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খান
প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়া উচিত। তবে অতিরিক্ত ঘাম হলে পানি খাওয়ার পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে কিডনিতে পাথর হয়না এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক থাকে।
অতিরিক্ত প্রানীজ প্রোটিন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
গরুর মাংস, শুকরের মাংস ইত্যাদি খেলে কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এমনকি চিপস, ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ইন্সট্যান্ট নুডুলস এবং লবণ দিয়ে ভাজা বাদামও কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। খাবার তালিকায় অতিরিক্ত প্রোটিন থাকলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং কিডনির দূর্বল কোষ গুলোর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রানীজ প্রোটিন এড়িয়ে মাছ বা ডাল জাতীয় প্রোটিন রাখুন খাবার তালিকায়।
রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখুন
রক্তচাপ ১৪০/৯০ এর উপরে থাকলে কিডনির সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কিডনি ভালো রাখতে রক্তচাপ সবসময় ১৩০/৮০ অথবা এর কম রাখার চেষ্টা করুন। রক্তচাপ কমিয়ে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করা ও লবণ কম খাওয়া জরুরী।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে কিডনির রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত রক্তের সুগারের পরিমাণ পরীক্ষা করান। সুগার বেশি থাকলে মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধান থাকুন
কম বেশি প্রায় সব ওষুধই কিডনির জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে ব্যথা নাশক ওষুধগুলো কিডনির জন্য একেবারেই ভালো নয়। নিয়ম না জেনে নিজে নিজে ওষুধ কিনে খেলে আপনার অজান্তেই কিডনির বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই যে কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।
প্রয়োজনের বেশি ভিটামিন সি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
মানুষের শরীরে প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি ভিটামিন সি এর প্রয়োজন নেই। নিয়মিত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম বা এর কম ভিটামিন সি গ্রহণ করুন।
কোমল পানীয় ত্যাগ করুন
অনেকেই পানির বদলে কোমল পানীয় বা বিভিন্ন রকমের এনার্জি ড্রিঙ্কস খেয়ে থাকেন। এ ধরণের পানীয় গুলো কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন এবং যখনই তৃষ্ণা পায় পানি খেয়ে নিন।
ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন
ধূমপান ও মদ্যপানের কারণে ধীরে ধীরে কিডনিতে রক্ত চলাচল কমে যেতে থাকে এবং এর ফলে কিডনির কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়। ফলে ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ী ব্যক্তি এক পর্যায়ে গিয়ে কিডনির রোগে আক্রান্ত হয়।
কিডনীর পরীক্ষা করান
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন অথবা পরিবারের কারো কিডনি সমস্যা থাকলে কিডনি রোগ হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। যাদের কিডনি রোগের ঝুকি আছে তাদের অবশ্যই নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো উচিত।

*স্বাস্থ্যতথ্য* *কিডনি* *সুস্থতা* *টিপস* *চিকিৎসা*
*কিডনি* *সুস্থতা* *টিপস* *চিকিৎসা*

অস্তপারের সন্ধ্যাতারা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আচ্ছা কিডনির সমস্যা হয়েছে তা কি কি লক্ষণ দেখে বুঝা যাবে ?মানে কিডনির সমস্যার লক্ষণ গুলো কি কি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*কিডনি* *কিডনিরোগ* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 যারা কিডনি রোগে আক্রন্ত তাদের কি ডাবের পানি খাওয়া নিষেধ? ডাবের পানি কিডনি রোগীদের কি ধরনের ক্ষতি করতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *কিডনিরোগ* *কিডনিসমস্যা* *কিডনি*

হাফিজ উল্লাহ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

নিজেই দূর করুন কিডনির পাথর
http://www.nokkhotro.com/features/health/to-remove-the-kidney-stones
মূত্রনালীর যত রোগ আছে, এর মধ্যে পাথরজনিত রোগ সবচেয়ে বেশি। প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন কিডনির পাথরে ভোগেন। এই পাথর আকারে ক্ষুদ্র শস্যদানা থেকে শুরু করে টেনিস বল আকৃতির পর্যন্ত হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগেই ছোট পাথরগুলো প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়। তবে কিডনির পাথর সাধারণত আকারে ছোট হয়ে থাকে। কিডনির ভেতরে কঠিন পদার্থ জমা হয়ে পাথর হয়। সাধারণত খনিজ এবং অম্ল লবণ দিয়ে কিডনির পাথর তৈরি হয়। কী করে বুঝবেন কিডনিতে পাথর? মূত্রনালীতে পাথর না যাওয়া পর্যন্ত কিডনিতে পাথর হওয়ার কোনো লক্ষণ ও উপসর্গ সাধারণত বুঝা যায় না। কিডনিতে পাথর হলে সাধারণত যেসব লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয়: # পিঠের দুই পাশে এবং পাঁজরের নিচে ব্যথা হওয়া ও তলপেট এবং কুঁচকিতে ব্যথা ছড়িয়ে যাওয়া। # প্রস্রাব ত্যাগের সময় ব্যথা হওয়া # প্রস্রাবের রঙ গোলাপী, লাল অথবা বাদামী হওয়া। # বারবার প্রস্রাবের বেগ পাওয়া। # যদি কোনো সংক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে জ্বর এবং কাঁপুনি হওয়া। # বমিবমি ভাব এবং বমি হওয়া। ...বিস্তারিত
*কিডনি* *হেলথটিপস*
৫৬৩ বার দেখা হয়েছে

★ছায়াবতী★ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শরীরের অন্যতম ভাইটাল অরগান কিডনি। হার্ট, ফুসফুস, লিভার, ব্রেইনের মতো কিডনি অকেজো হলে জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কিডনি ভালো না থাকলে ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করে হয়তো বা জীবনের গতি খানিকটা টিকিয়ে রাখা যায়। কিন্তু জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। দরিদ্র, মধ্যবত্তি পরিবার হয় সর্বস্বান্ত, নিঃস্ব। কারণ কিডনির চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

অথচ কিছু নিয়মনীতি অনুসরণ করে কিডনি সুস্থ রাখা যায়। প্রখ্যাত কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হারুন অর রশীদ কিডনি সুস্থ রাখার জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তার এসব পরামর্শের মধ্যে রয়েছে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকতে হবে অাঁশ জাতীয় খাবার, শাক-সবজি, নিরামিষ। তবে মাছ খেতে পারেন। রেড মিট যেমন_ গরুর মাংস, খাসির মাংস পরিহার করতে হবে। তবে মুরগির মাংস খাওয়া যাবে। কম মশলাযুক্ত খাবার খেতে হবে। অধ্যাপক হারুন অর রশীদের মতে কিডনির সবচেয়ে ক্ষতিকারক খাবার সফট ড্রিঙ্কস, ফাস্টফুড। কিডনি ভালো রাখতে হলে ফাস্টফুড পরিহার করা ভালো।

এছাড়া যাদের ইতোমধ্যেই কিডনির সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার তালিকা অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া বছরে একবার অন্তত রক্তের সেরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করা উচিত। রক্তের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ১ এর নিচে থাকা ভালো। ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে কিডনির জটিলতা শুরু হয়। অকেজো হয়ে পড়তে পারে কিডনি। তাই কিডনি ভালো রাখতে যথাসময় খাদ্য তালিকা যেমন অনুসরণ জরুরি তেমনি প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান। দিনে অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত।
*স্বাস্থ্যকথা* *কিডনি*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শরীরের অন্যতম ভাইটাল অরগান কিডনি। হার্ট, ফুসফুস, লিভার, ব্রেইনের মতো কিডনি অকেজো হলে জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কিডনি ভালো না থাকলে ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করে হয়তো বা জীবনের গতি খানিকটা টিকিয়ে রাখা যায়। কিন্তু জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। দরিদ্র, মধ্যবত্তি পরিবার হয় সর্বস্বান্ত, নিঃস্ব। কারণ কিডনির চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

অথচ কিছু নিয়মনীতি অনুসরণ করে কিডনি সুস্থ রাখা যায়। প্রখ্যাত কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হারুন অর রশীদ কিডনি সুস্থ রাখার জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তার এসব পরামর্শের মধ্যে রয়েছে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকতে হবে অাঁশ জাতীয় খাবার, শাক-সবজি, নিরামিষ। তবে মাছ খেতে পারেন। রেড মিট যেমন_ গরুর মাংস, খাসির মাংস পরিহার করতে হবে। তবে মুরগির মাংস খাওয়া যাবে। কম মশলাযুক্ত খাবার খেতে হবে। অধ্যাপক হারুন অর রশীদের মতে কিডনির সবচেয়ে ক্ষতিকারক খাবার সফট ড্রিঙ্কস, ফাস্টফুড। কিডনি ভালো রাখতে হলে ফাস্টফুড পরিহার করা ভালো।

এছাড়া যাদের ইতোমধ্যেই কিডনির সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার তালিকা অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া বছরে একবার অন্তত রক্তের সেরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করা উচিত। রক্তের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ১ এর নিচে থাকা ভালো। ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে কিডনির জটিলতা শুরু হয়। অকেজো হয়ে পড়তে পারে কিডনি। তাই কিডনি ভালো রাখতে যথাসময় খাদ্য তালিকা যেমন অনুসরণ জরুরি তেমনি প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান। দিনে অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত।
*কিডনি* *কিডনী* *কিডনিরোগ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দূষিত পদার্থ ছেঁকে বের করে দিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে কিডনি। শরীরের পানি ও রক্তের অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামের ভারসাম্যও বজায় রাখে। নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব।
কিডনি সুস্থ রাখার উপায়

১. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
২. বিনা কারণে ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়া। বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত গ্রহণ করলে কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৩. পরিমিত পরিমাণে (ছয়-আট গ্লাস) পানি পান করুন। কিছুতেই শরীরে পানি কম পড়তে দেওয়া ঠিক নয়। আবার বেশি বেশি পানি খেলে কিডনি ভালো থাকবে, এমন কথা ঠিক নয়। শীতকালে পানির প্রয়োজন কম হলেও গ্রীষ্মে অধিক পরিমাণে পানি গ্রহণ করতে হবে।
৪. শিশুদের গলাব্যথা, খোস-পাঁচড়া বা স্ক্যাবিস হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। এসব রোগের জটিলতা হিসেবে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৫. ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। কেননা সঠিকভাবে ডায়রিয়ার চিকিৎসা না হলে হঠাৎ কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।
৬. পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা উচিত।
৭. হাত-পা ফুলে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। কেননা এসব সমস্যা কিডনি রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে।
৮. ধূমপান পরিহার করুন। ধূমপানের কারণে দেহের অন্যান্য অঙ্গের মতো কিডনিও আক্রান্ত হতে পারে।

দূষিত পদার্থ ছেঁকে বের করে দিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে কিডনি। শরীরের পানি ও রক্তের অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামের ভারসাম্যও বজায় রাখে। নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব।
কিডনি সুস্থ রাখার উপায়

১. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
২. বিনা কারণে ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়া। বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত গ্রহণ করলে কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৩. পরিমিত পরিমাণে (ছয়-আট গ্লাস) পানি পান করুন। কিছুতেই শরীরে পানি কম পড়তে দেওয়া ঠিক নয়। আবার বেশি বেশি পানি খেলে কিডনি ভালো থাকবে, এমন কথা ঠিক নয়। শীতকালে পানির প্রয়োজন কম হলেও গ্রীষ্মে অধিক পরিমাণে পানি গ্রহণ করতে হবে।
৪. শিশুদের গলাব্যথা, খোস-পাঁচড়া বা স্ক্যাবিস হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। এসব রোগের জটিলতা হিসেবে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৫. ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। কেননা সঠিকভাবে ডায়রিয়ার চিকিৎসা না হলে হঠাৎ কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।
৬. পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা উচিত।
৭. হাত-পা ফুলে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। কেননা এসব সমস্যা কিডনি রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে।
৮. ধূমপান পরিহার করুন। ধূমপানের কারণে দেহের অন্যান্য অঙ্গের মতো কিডনিও আক্রান্ত হতে পারে।

- See more at: http://www.ebanglahealth.com/4573#sthash.mKUJSL4G.dpuf
*কিডনি* *কিডনী* *কিডনিরোগ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিডনি আমাদের শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। কিডনি বিকল হলে জীবন টিকিয়ে রাখাই অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিডনিতে সমস্যা হলে ডায়ালাইসিস করে সাময়িকভাবে উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু ডায়ালাইসিসেও কাজ না হলে কিডনি পুরোপুরি বিকল হয়ে পড়ে। তখন মৃত্যুর প্রহর গুনতে হয়। তাই শরীরের ছাঁকনি হিসেবে পরিচিত এ অঙ্গের বিষয়ে জেনে রাখাটা জরুরি। শিমের বিচির আকৃতির এ অঙ্গটি সবার শরীরে দুটি করে থাকে। তলপেটের ঠিক নিচে কিন্তু কটিদেশের একটু ওপরে কিডনিদ্বয়ের অবস্থান। কিডনির প্রধান কাজ হলো রক্তের দূষিত পদার্থ ছেঁকে শরীর থেকে বের করে দেয়া। কিন্তু আপনি যদি ধূমপায়ী হন, তবে তা কিডনিকে কাজ করার ক্ষেত্রে বাধা দেবে। ধূমপানের কারণে ধমনীতে কোলেস্টেরল জমে থাকার পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে কিডনিতে রক্ত সরবরাহ কমে যায় যা এর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। কিডনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির শরীর থেকে প্রতিদিন ১৮০ লিটার রক্তকে পরিশুদ্ধ করে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়। আনারস, শিম বা মটরশুঁটি ও কপি এমন ধরনের খাবার যেগুলোতে পটাশিয়াম খুব কম থাকে। তাই এসব খাবার আপনার কিডনির রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। কারণ প্রায় সব খাবারেই এ পটাশিয়াম কমবেশি থাকে। কিন্তু এটির উপস্থিতি মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে তা আপনার কিডনির জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে।
*কিডনি* *কিডনিসমস্যা*

মারুফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ১২ মার্চ বিশ্ব কিডনি দিবস। প্রতিবছর মার্চ মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার এই দিবসটি পালন করা হয়। কিডনি মানুষের দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। কিডনি আমাদের শরীরের কোষ পর্যায়ের বিপাকীয় যে বর্জ্য তৈরি হয় তার পরিশোধন করে। আমাদের দুটি কিডনির মাধ্যমে প্রতিদিন ১৮০ লিটার রক্ত পরিশোধিত হয়। তাই এ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের সুস্থতা রক্ষা করা অত্যাবশ্যক। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণের মাধ্যমে মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গের সুস্থতা রক্ষার বিষয়ে স্বাস্থ্য সচেতন করা্র জন্য গুরুত্বসহকারে এই দিবসটি পালন করা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, অপর্যাপ্ত পানি পান, ব্যথানাশক ওষুধ সেবনসহ নানাবিধ কারণে বিশ্বে ধীরগতির কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। নানা ভেজাল, রাসায়নিক পদার্থযুক্ত খাবার খেয়েও অনেকে হয়েছেন কিডনি রোগী। ডায়বেটিস রোগীরা এর প্রত্যক্ষ শিকার। ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ইত্যাদি রোগ দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে কিডনি সহজেই আক্রান্ত হয়। তাছাড়া জাংকফুড কিডনির জন্য ক্ষতিকর। ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক সেবন, ধুমপান ইত্যাদি ফুসফুস ও হার্টের অসুখের পাশাপাশি কিডনিকেও আক্রান্ত করে। বাত-ব্যাথার বড়ি আমাদের দেশে খুবই সহজলভ্য। প্রয়োজন ছাড়াও অনেকে দীর্ঘমেয়াদে এসব ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন। প্রয়োজন ছাড়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে এসব ওষুধ গ্রহণ কিডনির জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। কিডনি দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য "সবার জন্য সুস্থ্ কিডনি"। বিশ্ব কিডনি দিবসকে সামনে রেখে শুধু এক দিনের র‌্যালি, সভা, সেমিনার করলেই হবে না, বরং কিডনি দিবসের প্রতিপাদ্য নিশ্চিত করতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। বিশ্ব কিডনি দিবসে আমাদের প্রত্যাশা সবার জন্য সুস্থ কিডনি। 
*কিডনি* *কিডনিদিবস* *কিডনী* *কিডনিরোগ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *কিডনিসমস্যা*

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ১২ মার্চ। বিশ্ব কিডনি দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে দিবসটি। এবারের কিডনি দিবসের স্লোগান হলো `সবার জন্য সুস্থ্য কিডনি`। 

কিডনি মানুষের দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিদিন ১৮০ লিটার রক্ত আমাদের দুটি কিডনির মাধ্যমে পরিশোধিত হয়, অর্থাৎ শরীরের কোষ পর্যায়ের বিপাকীয় যে বর্জ্য তৈরি হয় তার পরিশোধন কিডনির অন্যতম কাজ। ফলে এ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের সুস্থতা রক্ষাও আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করলে সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন রয়েছে। অসংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধেও সীমিত আকারে কিছু কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ইত্যাদি রোগ দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে কিডনি সহজেই আক্রান্ত হয়। অর্থাৎ সুস্থ কিডনির জন্য ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপের মতো সচরাচর রোগের সঠিক নিয়ন্ত্রণ খুব জরুরি।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এ রোগগুলো ধরা পড়ার পর থেকেই আমাদের অনেক রোগীদের মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে সতর্কতা ও সচেতনতা লক্ষ্য করা যায় না। এ দুটি রোগ ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে আমাদের কিডনি রোগীর পরিমাণ অনেক কমে যাবে। আমাদের সরকারি স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন পর্যায়ে এবং প্রাইভেট প্র্যাক্টিশনারদের মধ্যেও ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপের গাইডলাইন অনুযায়ী আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ এবং রিফ্রেশার্স কোর্স চালুর প্রয়োজন রয়েছে।

আমাদের সমাজে সামর্থ্যবানদের মধ্যে জাংকফুডের আসক্তি বেশি দেখা যায়। যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর। ধুমপান, ফুসফুস ও হার্টের অসুখের পাশাপাশি কিডনিকেও আক্রান্ত করে। বাত-ব্যাথার বড়ি আমাদের দেশে খুবই সহজলভ্য। প্রয়োজন ছাড়াও আমাদের রোগীরা দীর্ঘমেয়াদে এসব ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন। প্রয়োজন ছাড়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে এসব ওষুধ গ্রহণ কিডনির জন্য খুবই ক্ষতিকর। ফলে এই বিষয়গুলোর দিকে দৃষ্টি দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

কিডনি রোগ বিশেষত ক্রনিক কিডনি রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। আমাদের দেশে একাধিক সামাজিক সমীক্ষা, এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদী রোগের অর্থনৈতিক প্রভাব নিরুপণের চেষ্টা করেছে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তে পরিণত হওয়ার ঘটনাও বিরল নয়। সেজন্যই আমাদের দেশে সুস্থ কিডনির প্রতিরোধের যতো উপায় আছে তার দিকে মনোনিবেশ করা খুব জরুরি।

কিডনি সুস্থ রাখার দায়দায়িত্ব কিন্তু চিকিৎসকের একার নয়। আমরা পত্র-পত্রিকায় প্রায়শই খাদ্যদ্রব্যে নানান রকমের ভেজাল মেশানোর খবর পাই। প্রশাসনিক প্রচেষ্টা সত্বেও এক শ্রেণির মানুষের অতিরিক্ত মুনাফার এ চেষ্টা প্রকারান্তরে আমাদের কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে।

ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকে আমাদের তরুণ সমাজ আক্রান্ত। কারাখানার ভারি ধাতুর বর্জ্য খাদ্যশস্যকে আক্রান্ত করছে যা পরবর্তীতে আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে। গবাদি পশুকে এন্টিবায়োটিক, ক্লোফেনাক, স্টেরয়েড ইত্যাদি খাওয়ানো হচ্ছে। সেগুলো খাবারের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে।

চিকিৎসক সমাজের একার পক্ষে সুস্থ থাকার এ সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। চিকিৎসক, প্রশাসক, পরিবেশবিদ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণির মানুষের মাঝে সমন্বয়মূলক কার্যক্রম ছাড়া সবার জন্য সুস্থ কিডনি দুরাশা মাত্র।

যেকোনো ক্রনিক রোগের মতো কিডনি রোগও প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে তার সুচিকিৎসা সম্ভব। এর ফলে আমাদের রোগীরা দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ও আর্থিক দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

`সবার জন্য সুস্থ্য কিডনি` এ আহ্বান আন্তর্জাতিক। কিন্তু আমাদের প্রেক্ষাপট স্থানিক। বিশ্ব কিডনি দিবসে নীতি নির্ধারকেরা আমাদের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে জনগণের কিডনির সুস্থতার জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা করবেন, সাধারণ মানুষ তাদের কিডনির সুস্থতার ব্যাপারে অধিক সচেতন হবেন, প্রচার মাধ্যমে কিডনি সুস্থ রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা হবে- সার্বিকভাবে মানুষের কল্যাণ হবে। বিশ্ব কিডনি দিবসে এটাই প্রত্যাশা।
লেখক: ডা. শুভার্থী কর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

*কিডনি* *কিডনী* *কিডনীরোগ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের দেশে টক জাতীয় কিছু ফলের মধ্যে কামরাঙ্গা অন্যতম। এই ফলে আছে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, সুগার (কম পরিমাণে) সোডিয়াম, এসিড ইত্যাদি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Carambola, এবং এই ফলটি বিশেষ করে ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা অঞ্চলের একধরণের স্থানীয় প্রজাতির উদ্ভিদের ফল ও এই ফল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-প্রশান্ত এবং পূর্ব-এশিয়া অংশে খুব জনপ্রিয়।

কিন্তু কামরাঙ্গাতে আছে এমন একটি উপাদান যা মানবদেহের মস্তিষ্কের জন্য বিষ। সাধারণ মানুষেরা কামরাঙ্গা খেলে, কিডনি তা শরীর থেকে বের করে দেয়।

কিন্তু কিডনি রোগীর দুর্বল কিডনি শরীর থেকে এই বিষ বের করে দিতে সক্ষম নয়। এর ফলে তা রক্ত থেকে আস্তে আস্তে দেহের মস্তিষ্কে প্রবেশ করে এবং বিষক্রিয়াও ঘটাতে পারে। এই সমস্যার লক্ষণ গুলো হল-

১। ক্রমাগত হেঁচকি দেয়া

২। দেহ দুর্বল হয়ে যাওয়া

৩। মাথা ঘোরানো

৪। বমি বমি ভাব

৫। মাথা কাজ না করা

৬। দেহে মৃগী রোগীর মত কাঁপুনি উঠা

৭। কোমায় চলে যাওয়া ও শেষ পর্যন্ত মৃত্যু

কামরাঙ্গা খাওয়ার পর কিডনী রোগীর মধ্যে এই ধরণের লক্ষন গুলো দেখা দিলে দ্রুত তার hemodialysis এর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বহুবছর আগে থেকেই বিজ্ঞানীরা জানতেন যে, কামরাঙ্গাতে এমন একটি উপাদান আছে যা কিডনি রোগীর জন্য খুব ক্ষতিকর। কিন্তু কোন বিজ্ঞানীই এই ক্ষতিকর উপাদানটি বের করতে পারেননি।

সম্প্রতি University of Sao Paulo (Brazil) এর একদল বিজ্ঞানী এই ক্ষতিকর উপাদানটি বের করতে সক্ষম হয়েছেন। বিজ্ঞানীরা কামরাঙ্গার এই ক্ষতিকর উপদানটির না দিয়েছেন caramboxin, ও কামরাঙ্গার বৈজ্ঞানিক নাম Carambola হতেই এই ক্ষতিকর উপাদানটির নামকরণ করা হয়েছে।

- মূল: হেলথ বার্তা.কম

*কামরাঙ্গা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *কিডনীরোগ* *কিডনি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★