কুসংস্কার

কুসংস্কার নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জীবনে চলার পথে ঘরে-বাইরে প্রায়ই হোচট খেতে হয়। এর কিছু কিছু আসে আমাদের সমাজে প্রচলিত কুসংষ্কার থেকে। কুসংস্কারের মূলোতপাটনের লক্ষ্যে প্রথমেই প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা। আর জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই ক্ষুদ্র এ উপস্থাপনা। আসুন, এক নজরে চোল বুলিয়ে নিই বহুল চর্চিত কিছু কুসংস্কারের দিকে-

১) পরিক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরিক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে।

২) নতুন স্ত্রীকে দুলাভাইর কোলে করে ঘরে আসতে হবে।

৩) দোকানের প্রথম কাস্টমর ফেরত দিতে নাই।

৪) নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে।

৫) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে।

৬) ঔষধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ বললে’ রোগ বেড়ে যাবে।

৭) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।

৮) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই।

৯) চোখে কোন গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু লাগালে সুস্থ হয়ে যাবে।

১০) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না।

১১) ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না।

১২) ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে।

১৩) ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।

১৪) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল দিতে হবে।

 

১৫) ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয়। দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়, “ইঁদুর ভাই, ইঁদুর ভাই, তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।”

১৬) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না।

১৭) বলা হয়, কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।

১৮) ঘরের ভিতরে প্রবেশকৃত রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসা যাবে না। (অর্থাৎ শরীরের কিছু অংশ রৌদ্রে আর কিছু অংশ বাহিরে) তাহলে জ্বর হবে।

১৯) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না।

 

২০) রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া যাবে না।

২১) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।

২২) ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।

২৩) মহিলাদের পিরিয়ড চলাকালীন সময় সবুজ কাপড় পরিধান করতে হবে। তার হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।

২৪) বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হবে।

২৫) ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না। তাতে চেহরা নষ্ট হয়ে যাবে।

২৬) ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।

২৭) নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেক দিয়ে পড়তে হবে।

২৮) নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাতে নাই।

২৯) বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে বলা হয় শিয়ালের বিয়ে।

৩০) ধারনা করা হয়, আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে তার আর কোন দিন বিবাহ হবে না।

৩১) খানার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে বলা হয়- খানা না কি কুকুরের পেটে চলে যায়।

৩২) রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই।

৩৩) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।

 

৩৪) খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে।

৩৫) গোছলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।

৩৬) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।

৩৭) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।

৩৮) কোন ব্যক্তি বাড়ি হতে বের হলে যদি তার সামনে খালি কলস পড়ে যায় বা কেউ খালি কলস নিয়ে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে তখন সে যাত্রা বন্ধ করে দেয়, বলে আমার যাত্রা আজ শুভ হবে না।

৩৯) ছোট বাচ্চাদের হাতে লোহা পরিধান করাতে হবে।

৪০) রুমাল, ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি কাউকে ধার স্বরূপ দেয়া যাবে না।

৪১) হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে।

৪২) হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।

৪৩) নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে শুভ লক্ষণ।

৪৪) পাখি ডাকলে বলা হয় ইষ্টি কুটুম (আত্মীয়) আসবে।

৪৫) কাচা মরিচ হাতে দিতে নাই।

৪৬) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নাই।

৪৭) খানার সময় যদি কারো ঢেকুর আসে বা মাথার তালুতে উঠে যায়, তখন একজন আরেকজনকে বলে, দোস্ত তোকে যেন কেউ স্মরণ করছে বা বলা হয় তোকে গালি দিচ্ছে।

৪৮) কাক ডাকলে বিপদ আসবে।

৪৯) শুঁকুন ডাকলে মানুষ মারা যাবে।

৫০) পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে।

৫১) তিনজন একই সাথে চলা যাবে না।

৫২) দুজনে ঘরে বসে কোথাও কথা বলতে লাগলে হঠাৎ টিকটিকির আওয়াজ শুনা যায়, তখন একজন অন্যজনকে বলে উঠে “দোস্ত তোর কথা সত্য, কারণ দেখছস না, টিকটিকি ঠিক ঠিক বলেছে।”

৫৩) একজন অন্য জনের মাথায় টোকা খেলে দ্বিতীয় বার টোকা দিতে হবে, একবার টোকা খাওয়া যাবে না। নতুবা মাথায় ব্যথা হবে/শিং উঠবে।

৫৪) ভাত প্লেটে নেওয়ার সময় একবার নিতে নাই।

৫৫) নতুন জামাই বাজার না করা পর্যন্ত একই খানা খাওয়াতে হবে।

৫৬) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে।

৫৭) পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান জন্ম নিবে।

৫৮) পোড়া খানা খেলে সাতার শিখবে।

৫৯) পিপড়া বা জল পোকা খেলে সাতার শিখবে।

৬০) দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাউল উঠিয়ে তা পাক করে কাককে খাওয়াতে হবে এবং নিজেকেও খেতে হবে।

৬১) সকাল বেটা ঘুম থেকে উঠেই ঘর ঝাড়– দেয়ার পূর্বে কাউকে কোন কিছু দেয়া যাবে না।

৬২) রাতের বেলা কোন কিছু লেন-দেন করা যাবে না।

৬৩) সকাল বেলা দোকান খুলে যাত্রা (নগদ বিক্রি) না করে কাউকে বাকী দেয়া যাবে না। তাহলে সারা দিন বাকীই যাবে।

৬৪) দাঁড়ী-পাল্লা, মাপার জিনিস পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে সালাম করতে হবে, না হলে লক্ষ্মী চলে যাবে।

 

৬৫) শুকরের নাম মুখে নিলে ৪০দিন মুখ নাপাক থাকে।

৬৬) রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে দই বলতে হয়।

৬৭) বাড়ি থেকে বের হলে রাস্তায় যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে যায় তাহলে যাত্রা অশুভ হবে।

৬৮) কোন ফসলের জমিতে বা ফল গাছে যাতে নযর না লাগে সে জন্য মাটির পাতিল সাদা-কালো রং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

৬৯) বিনা ওযুতে বড় পীর (!!) আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে আড়াইটা পশম পড়ে যাবে।

৭০) নখ চুল কেটে মাটিতে দাফন করতে হবে, কেননা বলা হয় কিয়ামতের দিন এগুলো খুঁজে বের করতে হবে।

৭২) মহিলাগণ হাতে বালা বা চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হবে।

৭৩) স্ত্রীগণ তাদের নাকে নাক ফুল না রাখলে স্বামীর বেঁচে না থাকার প্রমাণ।

৭৪) দা, কাচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে হাত-পা কেটে যাবে।

৭৫) গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাপ চাইতে হবে।

৭৬) বেচা কেনার সময় জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। যেমন, এক লক্ষ টাকা হলে তদস্থলে এক লক্ষ এক টাকা দিতে হবে। যেমন, দেন মোহর (কাবীন) এর সময় করে থাকে, একলক্ষ এক টাকা ধার্য করা হয়।

৭৭) বন্ধু মহলে কয়েকজন বসে গল্প-গুজব করছে, তখন তাদের মধ্যে অনুপস্হিত কাউকে নিয়ে কথা চলছে, এমতাবস্থায় সে উপস্থিত হলে, কেউ কেউ বলে উঠে “দোস্ত তোর হায়াত আছে।” কারণ একটু আগেই তোর কথা বলছিলাম।

৭৮) হঠাৎ বাম চোখ কাপলে দু:খ আসে।

৭৯) বাড়ী থেকে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশে বের হলে সে সময় বাড়ির কেউ পেছন থেকে ডাকলে অমঙল হয়।

৮০) স্বামীর নাম বলা যাবে না এতে অমঙল হয়।

৮১) বাছুরের গলায় জুতার টুকরা ঝুলালে কারো কুদৃস্টি থেকে বাঁচা যায়।

প্রিয় বন্ধু, আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে এধরনের বহু কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে; যা মানুষ কথা ও কাজে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে থাকে। এসবের প্রতি বিশ্বাস রাখা ঈমানদার ব্যক্তির জন্য কোনক্রমেই শোভনীয় নয়। ঈমানের জন্য এগুলো যেমন মারাত্মক হুমকী তেমনি ক্ষেত্রবিশেষে এসবের কিছু কিছু বিষয় স্পষ্টভাবে শিরক এবং জাহেলিয়াতে পূর্ন। আবার কিছু কথা রয়েছে যা সাধারণ বিবেক ও রুচী পরিপন্থী এবং রীতিমত হাস্যকর। মূলত: বাজারে ‘কি করিলে কি হয়’ টাইপের কিছু সস্তা বই এসবের সরবরাহকারী। এসব ফালতু বই পড়ে অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত কিছু মানুষ অন্ধবিশ্বাসে এগুলোকে পরম যত্নে বিশ্বাস এবং লালন করে থাকেন। তাই এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই সমাজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য কুসংস্কার থেকে এখানে কয়েকটি মাত্র উল্লেখ করা হল।

আল্লাহ পাক কুসংস্কারের এই অাঁধার থেকে আমাদের রক্ষা করুন।

ভাল থাকুন প্রত্যেকে।

*কুসংস্কার* *সমাজ* *অন্ধকার*

tanjila shamim: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আনারস ও দুধ একসাথে খেলে কি হবে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*আনারস* *দুধ* *বিষক্রিয়া* *এসিডিটি* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *ফুডট্যাবু* *কুসংস্কার*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ সকাল থেকেই একটার পর একটা প্রব্লেম, হঠাৎ ক্যালেন্ডারের দিকে চোখ রাখতেই মনে হলো আজ তো ১৩ তারিখ আর ১৩ তারিখ বেচারা তো নিজেই বড্ডো আনলাকি মানে দুর্ভাগা। অনেকেই আছেন যারা আরও নানা বিষয়ে কুসংস্কার মনের মধ্যে পুষে রেখেছেন। এগুলোর মধ্যে ১৩ সংখ্যাটিও একটি। অন্য সংখ্যা বিশেষ করে ১১, ১২, ১৪, ১৫ সংখ্যাগুলো পেতে চাইলেও কিন্তু সবাই সযত্নে ১৩ সংখ্যাটি এড়িয়ে যান। কেউ কেউ আবার এই সংখ্যাটিকে এতটাই ভয় পান যে, টেবিলের ১৩ নম্বর সিটটিতেও বসতে চান না। ১৩ নম্বরটি সঙ্গে খারাপের যোগসূত্র আছে অনেকেই বিশ্বাস করেন, ইতিহাসে যত খারাপ কিছু আছে সেগুলোর সঙ্গে ১৩ সংখ্যাটির একটি যোগসূত্র রয়েছে। তবে এটা সত্যিই কিনা, তা আজও কেউ জানেনা। সবাই সবসময় এটাকে দুর্ভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে করে।

মাথায় ভুত চাপলো কেন ১৩ আনলাকি, এর কারণ জানতেই হবে। অবশেষে জেনে গেলাম, তবে জনপ্রিয় এই মিথটির পিছনেও কিন্তু কারণ রয়েছে।

জেনে নিন ১৩ কেন আনলাকি নম্বর-

যীশুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাকারী ১৩ তম ব্যক্তি:  বলা হয়ে থাকে, একদিন যীশু তার ১২ জন শিষ্যকে নিয়ে নৈশভোজে বসেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গণনায় দেখা যায়, সেখানে ১৩ জন ছিলেন। আর ওই ১৩তম ব্যক্তিই যীশুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। এ কারণে যীশুকে পরে ক্রুশকাঠে বিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল। 

যীশুর ক্রসবিদ্ধ হয়েছিলেন ১৩ তারিখে:অনেক খ্রিষ্টান বিশ্বাস করেন, যীশু খ্রিষ্টকে শুক্রবার হত্যা করা হয়েছিল এবং তারিখটি ছিল ১৩। তখন থেকেই যীশুর মৃত্যুর তারিখ হিসেবে ১৩ তারিখকে গণ্য করা হয়। 

দ্য গ্যালোচ : দ্য গ্যালোচ হলো এমনই একটি জায়গা যেখানে মানুষ তার জীবনের শেষ নিঃশ্বাস নিতে পারে। সাধারণত গ্যালোচ বলা হয় সেই স্থানকে যেখানে একজন ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলোনো হয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, একজন মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলানোর জন্য ১৩ টি ধাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কাজেই ১৩ সংখ্যাটি নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যের প্রতীক। 

কভেনস : সাধারণত কভেনস বলতে ডাইনি বা খারাপ লোকদের একটা দলকে বোঝানো হয় যে দলে সবসময় ১৩ জন সদস্য থাকে। এজন্য কুসংস্কারবশত মানুষ সবসময় এটাই ধারণা করে, যে দলে ১৩ জন থাকে সে দলের কোন উন্নতি হয়না। এমনকি দলটির সব চেষ্টাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। 

১২ নম্বরটি পারফেক্ট :বলা হয়ে থাকে, সংখ্যার জগতে ১২ নম্বরটিই একদম পারফেক্ট। কারণ আমাদের ১২ মাস, ঘড়িতে ১২ ঘণ্টা আছে। সেইসঙ্গে আমাদের রাশিচক্রও কিন্তু ১২টা। তাই ১৩ সংখ্যাটিকে সবাই দুর্ভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে করে। অনেকেই মনে করেন, এ সংখ্যাটি শুধু তাদের জন্য দুর্ভাগ্যের বার্তা বয়ে আনে। 

অ্যাপোলো ১৩ : চাঁদে যাওয়ার জন্য নভোচারীদের অ্যাপোলো ১৩-এর অভিযান সফল হয়নি। ওই সময়ে সেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়েছিল, যার কারণে তাদের বেঁচে থাকা অনেক কষ্টকর হয়ে পড়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অবশ্য তারা নিরাপদে ফিরে আসতে পেরেছিলেন। যাহোক, তখন থেকে এই নম্বরটিকে আনলাকি নাম্বার হিসেবে মানুষ বিশ্বাস করে। 

বাকিমহ্যাম প্যালেসে বিস্ফোরণ : ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বৃটিশ রাজপরিবারের সদস্যরা যখন সবাই একসঙ্গে বসে খাচ্ছিলেন সে সময়ে বাকিমহ্যাম প্যালেসে বোমা বিস্ফোরণ করেছিল নাৎসিরা। সেই তারিখটি ছিল ১৯৪০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর।

১৩ বছর বয়স :  সন্তানদের ১৩ বছর বয়সটাকে ‘বিপদজনক অধ্যায়’ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ সময় বাচ্চারা কুসর্গে মিশে নষ্ট হয়ে যায়। তাই বেশিরভাগেরই বিশ্বাস, ১৩ সত্যিই আনলাকি।

বিমান দুর্ঘটনা: দীর্ঘতম পর্বতমালা আন্দিজে ধাক্কা লেগে উরুগুয়ের এয়ার ফোর্স ফ্লাইট ৫৭১ বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। ওই সময় দুর্ঘটনায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়। ওই একই দিনে সোভিয়েত এরোফ্লেট রানওয়ে থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে একটি লেকের ধারে বিস্ফোরিত হয়েছিল। সে সময় ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেইদিন ছিল ১৩ তারিখ। তখন থেকে মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে, এই ১৩ নম্বরই যত অঘটনের মূল।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই ডট কম

*আনলাকি১৩* *১৩* *সংখ্যা* *কুসংস্কার*

প্যাঁচা : *কুসংস্কার* এ আমি বিশ্বাস করি কারণ তা অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।যেমন ছায়া দেখে ভুতের ভয় পাওয়া যাবার সম্ভাবণা আছে বলেই রাতের বেলাই সব ভূতের ঘটনা ঘটে থাকে।হাহাহা...দেখার দিক পরিবর্তণ করলেই কুসংস্কারের একটি মিনিংফুল ব্যবহার পাওয়া যায়।কাবিল(শয়তানিহাসি)(লালালা)(মাইরালা২)(ভাগোওওও)

NatunSomoy : [রানী-ডেটিং-এযাই]নারীদের জন্য নিষিদ্ধ ৮টি কাজ বেদ ও বৈদিক শাস্ত্র যদি এক রকম নির্দেশ দিয়ে থাকে, বৈদান্তিক ধর্মে পালনীয় আচারাদি তার থেকে একেবারে পৃথক। আবার পুরাণ একেবারে ভিন্ন কিছু নির্দেশ প্রদান করে। এখানে গরুড় পুরাণ থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞাকে তুলে আনা হল....বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/29zO6M6

*নিষিদ্ধকাজ* *নারীদেরনিষিদ্ধকাজ* *আড্ডা* *জানাঅজানা* *কুসংস্কার*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গোসলের পর ফল খেতে মানা করে কেন? এর কি কোন ব্যাখ্যা আছে নাকি কুসংস্কার?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ফলখাওয়া* *কুসংস্কার* *জানা-অজানা* *স্নানেরপরফল* *গোসলেরপরফল*

♦ মমিতা ♦: মৃত আত্মা জেগে উঠুক, আলোকিত হোক ধরণী সবার বিবেক জাগ্রত হোক ভেঙে যাক সব কুসংস্কার (কিমজা)

*মৃতআত্মা* *কুসংস্কার* *ধরণী* *জাগ্রত* *মমিতা* *আলোকিত*

♦ মমিতা ♦: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভুত পেত্নী বলে কিছুই নেই কারণ এখনো এইগুলো দেখিনি শুধু শুনেই আসছি ছোটবেলা থেকে [ভুত-কি]
*কুসংস্কার* *মমিতা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

" ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি আসে
মোরগ ডাকলে ভোর,,,
• কুকুর ডাকলে লেজ গুছিয়ে
ছিটকে পালায় চোর।
• পেঁচা ডাকলে অশুভ হয় শকুন
ডাকলে মরণ,,
• হঠাৎ কোন বিপদ নাকি
কাকে ডাকার কারণ।
• পাখি ডাকলে কুটুম আসে
মিষ্টি হাতে নিয়ে ,,
• বৃষ্টির মাঝে রোদ হাসিলে
শেয়াল মামার বিয়ে।
• সত্য-মিথ্যা যাচাই করি
টিকটিকির টিক টিক ডাকে,,
• বউ পাগল হয় সেই ছেলেটার,
ঘাম থাকে যার নাকে।
• হঠাৎ করে চোখ কাঁপিলে
দুঃখ আসে বটে,,
• বসা নাকি যাবে না ঐ
ঘরেরই চৌকাটে।
• যাত্রা নাকি অশুভ হয় দেখলে
খালি কলস পথে,,
• কাড়িকাড়ি টাকা আসে
চুলকালে ডান হাতে।
• ভাঙ্গা আয়নায় মুখ দেখিতে
মুরুব্বিদের মানা,,
• কুসংস্কারে আমরা আজও চোখ
থাকিতে কানা.....?

*কুসংস্কার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★