কুয়াকাটা

কুয়াকাটা নিয়ে কি ভাবছো?

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দিন: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কুয়াকাটা ভ্রমণের বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম। কুয়াকাটায় সবচেয়ে ভালো হোটেল কোনগুলো?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*কুয়াকাটা* *ভ্রমণ* *ছুটিতেভ্রমণ* *প্রয়োজনীয়তথ্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল কুয়াকাটায় ১০ একর জমিতে স্থাপন করা হয়েছে। এখান থেকে ঢাকার মগবাজার টেলিফোন ভবন পর্যন্ত সংযোগ স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি তুরঙ্কের ইস্তানবুলে সি-মি-ইউ-৫ কনসোর্টিয়ামের বৈঠক শেষে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের মালিক দেশগুলোতে সংযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এই সংযোগ শুধুমাত্র ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রয়েছে। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সরবরাহের কাজটি করবে স্ব স্ব দেশ। দ্বিতীয় সাবমেরিন
কেবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশন। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সংযুক্ত হওয়ায় দেশে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে আরও ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব আছে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিমাণ ৪শ’ জিবিপিএসের বেশি। এই ৪শ’ জিবিপিএসের মধ্যে ১২০ জিবিপিএস বিএসসিসিএলের প্রথম সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আসছে। বাকি ২৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আইটিসির মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। বর্তমানে কুয়াকাটা-ঢাকা ব্যাকহোল লিংক বা কেবল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বিটিসিএলের এই ব্যাকহোল লিংক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন ও টেস্টিং সম্পন্ন হওয়ার পরে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হবে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় দেশে ইন্টারনেট সেবার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে গেল। একটি কেবল কোন কারণে বিকল হলে অন্য কেবলটি ব্যাকআপ হিসাবে কাজ করবে। দেশে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা থাকবে। ফলে ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের কাজকর্মে গতি বাড়বে। দেশে বিনিয়োগও বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল দেশের মানুষের কাছে একটি বড় সুখবর। এই কেবল দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগের একটি সাবমেরিন কেবলে থাকায় কোন কারণে কাটা পড়লে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হত। তখন ভারত থেকে আমদানি করে চাহিদা মেটাতে হতো। দ্বিতীয় সাবমেরিনে যুক্ত হওয়ার ফলে এখন একটা ব্যাকআপ তৈরি হলো। প্রতিটি সাবমেরিন কেবলের লাইফ টাইম ১০ থেকে ১৫ বছর। এখনই উচিত তৃতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপনের চিন্তা হবে। ভারত অন্তত ২০ সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সদস্য দেশগুলো হচ্ছে, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর, ইতালি, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া ও ফ্রান্স। সি-মি-উই-৫ কনসোর্টিয়ামে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ নিয়ে। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের মালিকও দ্বিতীয় কনসোর্টিয়ামের সদস্য দেশগুলো। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ ইন্টারনেট সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

*বেশটেক* *সাবমেইন* *ক্যাবল* *কুয়াকাটা* *ইন্টারনেট*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সৈকত বলা যায়। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এ জায়গা থেকেই সূর্যোদয় এবং সূর্যাচ্চের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। তবে সেটা সৈকতের দুই প্রান্ত থেকে। ভালোভাবে সূর্যোদয় দেখা যায় সৈকতের গঙ্গামতির বাঁক থেকে আর সূর্যাচ্চ দেখা যায় পশ্চিম সৈকত থেকে। এ সৈকতের দৈর্র্ঘ্য প্রায় আঠারো কিলোমিটার আর প্রস্থে প্রায় তিন কিলোমিটার। পুরো সৈকত ঘেঁষেই রয়েছে বিচ্চীর্ণ নারিকেল বাগান। সমুদ্র সৈকতের পূর্ব প্রান্তে রয়েছে গঙ্গামতির খাল। এর পরেই গঙ্গামতির সংরক্ষিত বণাঞ্চল। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের একেবারে পশ্চিম পাশে আছে জেলে পল্লী। মাছের শুটকি তৈরির বিশাল একটি এলাকাও আছে এখানে। এছাড়া পুরো সৈকতজুড়েই সারা বছর দেখা মিলবে মাছ শিকারীদের বিভিন্ন কৌশলে মাছ ধরার দৃশ্য। কুয়াকাটার পুরো সৈকতে বেড়ানোর জন্য রয়েছে মটর সাইকেলের ব্যবস্থা। একটি সাইকেলে দুইজন ভ্রমণ করা যায়। 

বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলে সাগরকন্যাক্ষ্যাত মনোরম একটি ভ্রমণ স্বর্গ কুয়াকাটা। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার অন্তর্গত লতাচাপালী ইউনিয়নে অসাধারণ এ সমুদ্র সৈকতটির অবস্থান। কুয়াকাটার ঠিক পূর্বেই রয়েছে গঙ্গামতির বা গজমোতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল উত্তরে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মাছের বাণিজ্য কেন্দ্র আলীপুর। সাগরের বুকে এখান থেকেই সূর্যোদয় এবং সূর্যাচ্চের মনোরম দৃশ্য দেখা যায় বলে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের বিবেচনায় দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে এর গুরুত্ব অনেক বেশি।

কুয়াকাটার নামকরণ নিয়ে রয়েছে মজার ইতিহাস। ১৭৮৪ সালে বর্মী রাজা রাখাইনদের মাতৃভূমি আরাকান দখল করলে বহু রাখাইন আরাকান ছেড়ে নৌকাযোগে অজানার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়ে। চলতে চলতে তারা বঙ্গোপসাগরের তীরের রাঙ্গবালি দ্বীপ খুঁজে পেয়ে সেখানে বসতি স্থাপন করে। সাগরের লোনা পানি ব্যবহারের অনুপযোগী বলে মিষ্টি পানির জন্য তারা এখানে একটি কূপ খনন করে এবং এ স্থানের নাম দেয় কুয়াকাটা। কুয়াকাটা ভ্রমণের আদ্যোপান্ত নিয়ে চলুন জেনে নেই।


কুয়াকাটার কুয়া
কুয়াকাটা নমকরণের উৎস প্রাচীন সেই কুয়াটি এখনো আছে। তবে অদূরদর্শী কুরুচিকর সংস্কারের ফলে এর সৌন্দর্য এবং প্রাচীন আদল নস্ট হয়ে গেছে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কাছেই রাখাইন আদিবাসীদের বাসস্থল কেরানিপাড়ার শুরুতেই বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে রয়েছে এই কুয়াটি।


সীমা বৌদ্ধ মন্দির
কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়াটির সামনেই রয়েছে প্রাচীন একটি বৌদ্ধ মন্দির, নাম সীমা বৌদ্ধ মন্দির। প্রাচীন এই মন্দিরে রয়েছে প্রায় সাঁইত্রিশ মন ওজনের অষ্ট ধাতুর তৈরি ধ্যানমগ্ন বুদ্ধের মূর্তি।


কেরানিপাড়া
সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে থেকেই শুরু হয়েছে রাখাইন আদিবাসীদের পল্লী কেরানিপাড়া। এখানকার রাখাইন নারীদেও প্রধান কাজ কাপড় বুনন। এদের তৈরি শীতের চাদর বেশ আকর্ষণীয়।


আলীপুর বন্দর
কুয়াকাটা থেকে প্রায় চার কিলোমিটার উত্তরে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বড় একটি মাছ ব্যবসা কেন্দ্র আলীপুর। এ বন্দর থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলার বঙ্গোপসাগরে যায় মাছ ধরতে। আলীপুর বন্দর ঘুরে দেখতে পারেন বিভিন্ন রকম সামুদ্রিক মাছের বিশাল আয়োজন।


মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার পূর্বে রাখাইন আদিবাসীদের আকেটি বাসস্থল মিশ্রিপাড়ায় রয়েছে আরেকটি বৌদ্ধ মন্দির। এ মন্দিরেই রয়েছে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মূর্তি। এখান থেকে কিছু দূরে আমখোলা পাড়ায় রয়েছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাখাইন বসতি।


গঙ্গামতির জঙ্গল
কুয়াকাটা সুমুদ্র সৈকত পূব দিকে শেষ হয়েছে গঙ্গামতির খালে গিয়ে। আর এখানে শুরু হয়েছে গঙ্গামতির বা গজমতির জঙ্গল। বিভিন্ন রককম গাছপালা ছাড়াও এই জঙ্গলে দেখা মিলতে পারে বন মোরগ, বানর ও নানা রকম পাখির।


ফাতরার বন
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম প্রান্তে নদী পার হলেই সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। এরই নাম ফাতরার বন। এ জায়গাটি অবিকল সুন্দরবনের মতো হলেও হিংস্র কোন বন্যপ্রাণী নেই বললেই চলে। বন মোরগ, বানর আর বিভিন্ন রকম পাখিই এ বনে বেশি দেখা যায়। খুবই কম পরমিানে দেখা মিলে বন্য শুকরের। কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হলে লাগবে ইঞ্জিন বোট। সারা দিনের জন্য মাঝারি মানের একটি বোটের ভাড়া ১৫০০- ২০০০টাকা।


কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা হলো সদরঘাট থেকে লঞ্চে পটুয়াখালী। সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা। ঢাকা থেকে পটুয়াখালী রশুটে চলাচল করে এমভি দ্বীপরাজ, সৈকত ইত্যাদি লঞ্চ। এসব লঞ্চে প্রথম শ্রেনীর দ্বৈত কেবিনের ভাড়া ৮৫০-১০০০ টাকা। পুয়ায়াখালী বাস স্টেশন থেকে প্রতি ঘন্টায় কুয়াকাটার বাস ছাড়ে। ভাড়া ৬০-৭০ টাকা। এছাড়া ঢাকা থেকে লঞ্চে বরিশাল এসে সেখান থেকেও বাসে চড়ে কুয়াকাটা আসা যায়। ঢাকা থেকে বরিশাল ও পটুয়াখালীর লঞ্চগুলো ছাড়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায়। ঢাকা থেকে সরসরি বাসও চলে কুয়াকাটার পথে। কমলাপুর বিআরটিসি বাস স্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ছাড়ে সরকারী পরিবহন সংস্থার বাস। আর গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে কুয়াকাটার পথে চলে সাকুরা, সুরভী, দ্রুতি ইত্যাদি পরিবহনের বাস। ভাড়া ৪৫০-৫০০ টাকা।


কোথায় থাকবেন
কুয়াকাটায় থাকার জন্য এখন বেশ কয়েকটি ভালো মানের হোটেল আছে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পর্যটন করপোরেশনের পর্যটন হলিডে হোমস। হোটেল স্কাই প্যালেস,  হোটেল নীলঞ্জনা ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল গোল্ডেন প্যালেস, হোটেল সাগর কন্যা। 


প্রয়োজনীয় তথ্য
কুয়াকাটা ভ্রমণে যাওয়ার আগে একটি কথা জেনে যাওয়া ভালো। সুন্দর এ পর্যটন কেন্দ্রটি সরকারের কাছে বরাবরই উপেক্ষিত। তাই পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। সড়কের বেহাল দশার কারণে প্রায় আড়াই ঘন্টার এ পথটুকু পেরুতে কিছুটা দুর্ভোগের শিকার হন পর্যটকরা। তবে সাগরকন্যার সৌন্দর্য দেখার পরে সে কষ্ট অনেকের কাছেই সামান্য মনে হবে। কুয়াকাটার পাশ্ববর্তী দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বাহন মোটর সাইকেল। 

*কুয়াকাটা* *ভ্রমনটিপস* *ছুটিতেভ্রমন* *সমুদ্রসৈকত*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

চলতি মাসের ৭ তারিখে অফিসিয়াল পিকনিক হলো কুয়াকাটায় সবাই গেলেও আমি যেতে পারি নাই l তয় না যাওয়াতে একটা সান্তনা পুরস্কার পাইছি- হাফ কেজি ছুরি শুটকি l
*চড়ুইভাতি* *শুটকি* *কুয়াকাটা*
ছবি

অসামাজিক কবি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

কুয়াকাটার শুটকি পল্লী

*কুয়াকাটা* *শুটকি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


ঈদ ও পূজার  ছুটিতে সূর্যোদয় ও সর্যাস্তের লীলাভূমি কুয়াকাটায় পর্যটকদের ঢল নেমেছে। দেশি-বিদেশি ভ্রমন পিপাসু হাজার হাজার পর্যটক পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ ও পূজা পরবর্তী সময়ে আনন্দ উপভোগ করতে ছুটে এসেছে নয়রাভিরাম বেলাভূমি কুয়াকাটায়।
 হোটেল-মোটেল ও ডাকবাংলো পর্যটকদের আগমনে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পর্যটকদের পদধূলিতে মুখরিত এখন কুয়াকাটার দীর্ঘ সৈকত। রাতে এসকল পর্যটকরা ভিড় করে নয়নজুড়ানো লাল কাকড়ার বিচরণের গঙ্গামতির চর। আরও রয়েছে জিরো পয়েন্ট, কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান (ইকোপার্ক), লেম্বুর চর, শুটকি পলস্নী, মিস্ত্রীপাড়া রাখাইন মন্দির, গঙ্গামতির চর, রাখাইন মহিলা মার্কেটসহ দর্শনীয় স্থানগুলো। হোটেল-মোটেল, গষ্টে হাউজ বুকিং হয়েছে ৫-৭ দিনের জন্য।
ঈদুল আযহার দিন বিকেল থেকে কুয়াকাটাগামী দর্শনার্থীদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের বিচরণে মুখরিত হয় দীর্ঘ ১৭ কিলোমিটার বেলাভূমি। ভ্রমণ পিপাসুদের সবচেয়ে বেশি মন কেড়ে নেয় একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত আর সাথে রয়েছে সাগরের উচ্চতর ঢেউ। নব দম্পতিরা বিবাহের পর হানিমুন আর ঈদের ছুটি উপভোগ করতে এসেছে কুয়াকাটা। কেউবা আসছে পূজার ছুটিতে ভ্রমণ করতে। স্বপরিবারে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা নড়াইল জেলা শহরের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষিকা সুমাইয়া খানম বলেন, ভ্রমণে আমার প্রিয় স্থান কুয়াকাটা। তাই ঈদ উদযাপন করেই এখানে চলে এসেছি সময় কাটাতে।তিনি বলেন, এখানে আসতে আগের চেয়ে যোগাযোগ ব্যাবস্থা অনেক ভাল হয়েছে। কিন্তু রাতের বেলায় সৈকতে বেড়ানোর জন্য আলোর কোন ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি কাজ করে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোশিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মোতালেব শরীফ জানান, ঈদ ও পূজার ছুটিতে বেশকিছু পর্যটকের সমাগম হয়েছে কুয়াকাটায়। দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দা এখানকার ব্যবসায়ীদের। যা পুষিয়ে উঠতে পারবে সব ধরনের ব্যবসায়ীরা। কুয়াকাটা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঈদ ও পূজার ছুটিতে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতকর্তার সাথে কাজ করছে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
*ভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *কুয়াকাটাভ্রমন* *কুয়াকাটা*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কুয়াকাটা নিয়ে নুতন করে কিছু বলার নেই। কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিনে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেষে গড়ে ওঠা এক বীচ নগরী। এখানে সারা বছরই বেড়ানো যায়।

কুয়াকাটায় পর্যটকদের থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল গড়ে উঠেছে। নীচের কিছু মান সম্পন্ন হোটেলের ঠিকানা ও ভাড়া দেয়া হলো। আশা করি সবার কাজে লাগবে।

ভাড়ার ব্যাপারে একটা কথা। হোটেলে গুলোর পাবলিশড রেট এখানে দেয়া হলৌ্ তবে কুয়াকাটাতে বছরভর ৪০-৫০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। তাই অবশ্যই হোটেল নেবার সময় বারগেইন করবেন।

১. হলিডে হোমস (পর্যটন করপোরেশন)
কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭১৫-০০১১৪৮৩

ভাড়া :
কুয়াকাটা
নন এসি টুইন : ১১০০/-
ইকোনমি : ৮০০/-

২. ইয়োথ ইন (পর্যটন করপোরেশন)
কুয়াকাটা
ফোন : ০৪৪২৮-৫৬২০৭

নন এসি টুইন : ১৫০০/-
এসি টুইন : ২৫০০/-

৩. হোটেল স্কাই প‌্যালেস,
পর্যটন এরিয়া, কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭২৭-৫০৭৪৭৯

ভাড়া :
নন এসি কাপল : ১২০০/-
নন এসি টুইন : ১৪০০/-

৩. হোটেল বনানী প‌্যালেস,
পর্যটন এরিয়া, কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭১-৩৬৭৪১৯২

ভাড়া :
নন এসি টুইন/কাপল : ১২৫০/- (নীচতলা), ১৬৫০/- (উপরের তলা)
ডরমেটরী : ৪০০০/- (৮ বেড)

৪. হোটেল নীলাঞ্জনা
রাখাইন মার্কেট, কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭১২-৯২৭৯০৪

ভাড়া :
নন এসি সিঙ্গেল : ৮৫০/-
নন এসি টুইন : ১৪৫০/-

৫. বিশ্বাস সি প‌্যালেস হোটেল
বেড়ি বাধ, কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭৩-০০৯৩৩৫৬

ভাড়া :
নন এসি টুইন : ১৮০০/-
৩ বেডেড রুম : ২০০০/-

৬. সাগর কণ্যা রিসোর্ট লি:
পশ্চিম কুয়াকাটা, কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭১১-১৮১৭৯৮

ভাড়া :
নন এসি কাপল : ১২০০/- (নীচতলা), ১৫০০/- (উপরের তলা)
নন এস টুইন : ১৮০০/-

৭. হোটেল কুয়াকাটা ইন
সদর রোড, কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭৫-০০০৮১৭৭

ভাড়া :

ইকোনমি টুইন/কাপল : ১৫০০/-
ইকোনমি ফ্যামিলি রুম : ১৮৫০/- (১ ডাবল, ১ সিঙ্গেল)

৮. কিংস হোটেল,
সাগর পাড়, কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭১৩-২৭৭৬৩০

ভাড়া :

ইকোনমি ডাবল : ৬০০/-
নন এসি ডিলাক্স : ৮০০/-
*কুয়াকাটা* *ভ্রমনটিপস* *ছুটিতেভ্রমন*

আসাদ শেখ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কুয়াকাটা ভ্রমন করেছেন কে কে ?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

*ভ্রমন* *কুয়াকাটা*

সৌমিত্র বিশ্বাস: যাব যাব করেও যাওয়া হল না *কুয়াকাটা*। স্বপ্নের *কুয়াকাটা* স্বপ্নই রয়ে গেল।

মোঃ শারযিল সামাদ: *কুয়াকাটা* দিয়ে লেখা আমার পোস্টটা আমার প্রোফাইল এ পাচ্ছি কিন্তু *কুয়াকাটা* গ্রুপটাতে নাই... কি সমস্যা ভাই? @admin

সুপ্ত দিয়া: *কুয়াকাটা* আমি আজ ভেজাবো *চোখ* সমুদ্র জলে... সমুদ্রপাড় খুব প্রিয় আর কাংখিত ঘুরার জায়গা (খুকখুকহাসি) জানিনা কবে যাবো,কিন্তু যাবো ইনশাআল্লাহ...

পাগলী: *কুয়াকাটা* আমি ঠিক করেছি বিয়ের পর *কুয়াকাটা*য় *হানিমুন* করব। (খুকখুকহাসি)

সাবরিনা বিনতে রইস: *কুয়াকাটা* যায়নি কথনও।তবে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিনের *সৌন্দর্য* দেখে চোখ জুড়িয়ে গেছে। সমুদ্রের সৌন্দর্য দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ!

ফ্যাশনফ্লুইড: *কুয়াকাটা* যাবার রাস্তার মধ্যেও অনেক গুলো কুয়া কাটা (খিকখিক)

*কুয়াকাটা*

জয়তী নাথ: *কুয়াকাটা* এখনো হয়নি যাওয়া (দুঃখ)(মানিনা)(দুঃখ)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★