কেওক্রাডং

কেওক্রাডং নিয়ে কি ভাবছো?

Nahidul Islam Nahid: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 একাকি কেওক্রাডং ঘুরতে চাই। কিভাবে কি করলে ভাল হয়?? আমার যাওয়াই লাগবে

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কেওক্রাডং* *বান্দরবান* *ভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

জাদিপাই পাড়া,পাসিংপাড়া,কাইখ্যংছড়ি,রুমাবাজার,কেওক্রাডং

এদের ভিতর হিংসার কোনো চিহ্ন পর্যন নেই ..এরা অনেক সহজ সরল, এদের আসল বৈশিষ্ঠ হচ্ছে একা খাব না ,সবাই মিলে খাব ..

*বান্দরবানভ্রমণ* *ভ্রমণ* *পাসিংপাড়া* *জাদিপাইপাড়া* *জাদিপাইঝর্ণা* *কাইখ্যংছড়ি* *রুমাবাজার* *কেওক্রাডং*

ফাহিম মাশরুর বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"*কেওক্রাডং*"

আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছে যাদের মনে তারা চাইলেই ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং থেকে। সমতল থেকে কেওক্রাডং এর সর্বচ্চো চূড়াতে  পৌঁছালেই মনে হবে আকাশ আপনার কতটা নিকটে। মাঝে মাঝে আপনি মেঘের মাঝে হারিয়েও  যেতে পারেন। তবে শুষ্ক মৌসুমে মেঘের দেখা কম মিললেও বছরের অন্যান্য সময়টাতে ভ্রমনে গেলে মেঘের দেখা পাবেন-ই-পাবেন। তাই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন যাদের আছে তারা দিনক্ষণ ঠিক করে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়েন।

সংক্ষেপে কেওক্রাডংঃ
কেওক্রাডং দেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা প্রায় ৩২০০ ফুট। এটি বান্দরবান জেলার  রুমা উপজেলায় অবস্থিত। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সৌজন্যে রুমা সদর থেকে কেওক্রাডং  এর নিকটবর্তী বগালেক পর্যন্ত একটি রাস্তা নির্মিত হয়েছে। ফলে গাড়িতে চড়ে সহজেই বগালেক গিয়ে তারপর পায়ে হেটে এ পাহাড়ে যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ে যেতে সময় লাগবে ৩ -৫ ঘন্টা।  এসময় দূর্গম পাহাড়ী দৃশ্য  ও অপার সৌন্দর্য্য ভ্রমন পিপাসুদের মন কাড়বেই।

যেভাবে যাবেনঃ
প্রথমে বান্দরবন থেকে রুমাবাজার যাবেন। রুমাবাজার থেকে গাইড নিতে পারেন অথবা আগে ভ্রমন করেছে এ রকম কাউকে পেয়ে গেলে তো ভালই হবে, তবে গাইড নিতে চাইলে গাইড চার্জ প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিতে হবে। রুমাবাজার থেকে চান্দের গাড়িতে বগালেক। বগালেক থেকে পায়ে হেটে কেওক্রাডং যেতে হবে।

থাকবেন কোথায়ঃ
কেওক্রাডং পাহাড়ে থাকার তেমন কোন জায়গা নাই। তবে বর্তমানে ‍লালমুন থন বম কেওক্রাডং লিজ নিয়েছেন তার নিজস্ব হোটেল রয়েছে যেখানে আপনি ভাড়ায় থাকতে পারবেন। মূলত কেওক্রাডং এ গিয়ে স্বভাবতই কেউ রাত্রি যাপন করেন না। তবে যারা রাত্রি যাপনের উদ্দেশ্যে যায় তারা নিজস্ব ভাবে তাবু গেড়ে থাকেন।

ভ্রমন সর্তকতাঃ
১. আপনি যে ভাবেই যান না কেন, রুমা বাজার থেকে বাধ্যতামুলক ভাবে আর্মি ক্যাাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। আর্মিদের ক্যাম্পে গাইডের নামসহ আপনাদের নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। রেজিস্টার্ড গাইড ছাড়া সামনে এগুনো নিষিদ্ধ।
২. ভাল গ্রিপের জুতা বা কেডস পড়ে গেলে ভাল। ঝিরি পথ পাড়ি দিতে চাইলে প্লাষ্টিকের গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল পড়তে হবে।
৩. বন্য জীবজন্তু বা পরিবেশের ক্ষতি করবেন না।
৪. পাহাড়িদের বিশেষ করে মেয়েদের বিনা অনুমতিতে ছবি নেবেন না।
৫. ঝিরি পথে হেটে যাবার জন্য সঙ্গে উপযুক্ত পরিমান খাবার নিয়ে নিতে হবে। কেননা পথে তেমন কোন হোটেল নেই। এটি দুগর্ম পথ।

ভ্রমনকালে সঙ্গে সুপেয় পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। এছাড়াও শীতকালে শীতবস্ত্র  আর ভ্রমনের প্রিয় সময়গুলো ফ্যামে বন্দি করতে অবশ্যই সাথে ক্যামেরা রাখতে ভুল করবেন না।

বন্ধুরা, জানা হল সব কিছু এবার তাহলে বেরিয়ে পড়ার পালা। বেরিয়ে পড়ুন কেওক্রাডং ভ্রমনে আর আপনাদের ভ্রমনের প্রিয় মুহুর্ত গুলোর কথা আমাদের সাথে শেয়ার করুন। জানান কেমন লাগল বাংলাদেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং। 

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছে যাদের মনে তারা চাইলেই ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং থেকে। সমতল থেকে কেওক্রাডং এর সর্বচ্চো চূড়াতে  পৌঁছালেই মনে হবে আকাশ আপনার কতটা নিকটে। মাঝে মাঝে আপনি মেঘের মাঝে হারিয়েও  যেতে পারেন। তবে শুষ্ক মৌসুমে মেঘের দেখা কম মিললেও বছরের অন্যান্য সময়টাতে ভ্রমনে গেলে মেঘের দেখা পাবেন-ই-পাবেন। তাই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন যাদের আছে তারা দিনক্ষণ ঠিক করে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়েন।

সংক্ষেপে কেওক্রাডংঃ
কেওক্রাডং দেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা প্রায় ৩২০০ ফুট। এটি বান্দরবান জেলার  রুমা উপজেলায় অবস্থিত। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সৌজন্যে রুমা সদর থেকে কেওক্রাডং  এর নিকটবর্তী বগালেক পর্যন্ত একটি রাস্তা নির্মিত হয়েছে। ফলে গাড়িতে চড়ে সহজেই বগালেক গিয়ে তারপর পায়ে হেটে এ পাহাড়ে যাওয়া যায়। তবে পাহাড়ে যেতে সময় লাগবে ৩ -৫ ঘন্টা।  এসময় দূর্গম পাহাড়ী দৃশ্য  ও অপার সৌন্দর্য্য ভ্রমন পিপাসুদের মন কাড়বেই।

যেভাবে যাবেনঃ
প্রথমে বান্দরবন থেকে রুমাবাজার যাবেন। রুমাবাজার থেকে গাইড নিতে পারেন অথবা আগে ভ্রমন করেছে এ রকম কাউকে পেয়ে গেলে তো ভালই হবে, তবে গাইড নিতে চাইলে গাইড চার্জ প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০ টাকা দিতে হবে। রুমাবাজার থেকে চান্দের গাড়িতে বগালেক। বগালেক থেকে পায়ে হেটে কেওক্রাডং যেতে হবে।

থাকবেন কোথায়ঃ
কেওক্রাডং পাহাড়ে থাকার তেমন কোন জায়গা নাই। তবে বর্তমানে ‍লালমুন থন বম কেওক্রাডং লিজ নিয়েছেন তার নিজস্ব হোটেল রয়েছে যেখানে আপনি ভাড়ায় থাকতে পারবেন। মূলত কেওক্রাডং এ গিয়ে স্বভাবতই কেউ রাত্রি যাপন করেন না। তবে যারা রাত্রি যাপনের উদ্দেশ্যে যায় তারা নিজস্ব ভাবে তাবু গেড়ে থাকেন।

ভ্রমন সর্তকতাঃ
১. আপনি যে ভাবেই যান না কেন, রুমা বাজার থেকে বাধ্যতামুলক ভাবে আর্মি ক্যাাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। আর্মিদের ক্যাম্পে গাইডের নামসহ আপনাদের নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। রেজিস্টার্ড গাইড ছাড়া সামনে এগুনো নিষিদ্ধ।
২. ভাল গ্রিপের জুতা বা কেডস পড়ে গেলে ভাল। ঝিরি পথ পাড়ি দিতে চাইলে প্লাষ্টিকের গ্রিপওয়ালা স্যান্ডেল পড়তে হবে।
৩. বন্য জীবজন্তু বা পরিবেশের ক্ষতি করবেন না।
৪. পাহাড়িদের বিশেষ করে মেয়েদের বিনা অনুমতিতে ছবি নেবেন না।
৫. ঝিরি পথে হেটে যাবার জন্য সঙ্গে উপযুক্ত পরিমান খাবার নিয়ে নিতে হবে। কেননা পথে তেমন কোন হোটেল নেই। এটি দুগর্ম পথ।

ভ্রমনকালে সঙ্গে সুপেয় পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। এছাড়াও শীতকালে শীতবস্ত্র  আর ভ্রমনের প্রিয় সময়গুলো ফ্যামে বন্দি করতে অবশ্যই সাথে ক্যামেরা রাখতে ভুল করবেন না।

বন্ধুরা, জানা হল সব কিছু এবার তাহলে বেরিয়ে পড়ার পালা। বেরিয়ে পড়ুন কেওক্রাডং ভ্রমনে আর আপনাদের ভ্রমনের প্রিয় মুহুর্ত গুলোর কথা আমাদের সাথে শেয়ার করুন। জানান কেমন লাগল বাংলাদেশের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং। 
*ভ্রমন* *বান্দরবান* *কেওক্রাডং* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *ঘুরেএলাম* *নতুনভ্রমন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★