কোরবানি

কোরবানি নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কি কি যোগ্যতা দেখে বুঝব পশু কোরবানি দেবার উপযুক্ত হয়েছে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*কোরবানি* *পশুকোরবানি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কোরবানির উপযুক্ত পশুর বয়স কত হওয়া উচিৎ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*কোরবানি* *পশুরবয়স*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কোরবানির পশুর হাটে গিয়ে ভেজাল গরু চেনার উপায় কি কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কোরবানি* *পশুরহাট* *কোরবানিরপশু* *ভেজালগরু*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সামনে কোরবানির ঈদ। তাই শহরে কিংবা গ্রামে সর্বত্রই গবাদিপশুর ছড়াছড়ি। কোরবানির করার পর প্রায়ই পশুর অবশিষ্টাংশ বা বর্জ্য যত্রতত্র পড়ে থাকতে দেখা যায়। আর এসব বর্জ্য পদার্থ যেমন পরিবেশ দূষণ ঘটায়, তেমনি ছড়াতে পারে নানা ধরণের রোগজীবাণু। তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের উচিত কোরবানি দেয়ার পর পশুর বর্জ্য পরিষ্কার করে ফেলা। সুস্থ থাকতে কিছু সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন।

কোরবানি-পরবর্তী বর্জ্য থেকে ছড়ানো নানা রোগজীবাণু থেকে মুক্তি পেতে তাই কিছু পরামর্শ দেয়া হলো : 

♠ কোরবানির বর্জ্য মাটিতে পুঁতে রাখাই ভালো; কিন্তু যারা শহরে থাকেন, তাদের পক্ষে কোরবানির বর্জ্য মাটিতে পুঁতে ফেলা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই এ বর্জ্যগুলো ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে বা এলাকার একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন। সিটি করপোরেশনের গাড়ি খবর দিয়ে সেগুলো সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলুন। এক-দুই দিনের ভেতরে সেগুলো অপসারিত না হলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সেটি জানান। আর যে স্থানে পশু জবাইয়ের কাজটি করা হয়েছে সেই স্থানটি ডেটল, স্যাভলন কিংবা ব্লিচিং পাউডার অথবা অন্যান্য জীবাণুনাশক দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন।

♠ যারা গ্রাম এলাকাতে থাকেন, তারা চেষ্টা করুন কোরবানির বর্জ্য বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলতে। যেখানে সেখানে পশুর রক্ত ও অন্যান্য উচ্ছিষ্ট অংশ ফেলে রাখলে সেটি থেকে রোগাক্রান্ত হবার ঝুঁকি আপনার বা আপনার পরিবারের সদস্যদেরই সবচেয়ে বেশি।

♠ এছাড়া কোরবানির কাজে ব্যবহৃত দা-বটি-ছুড়িসহ অন্যান্য ধারালো সরঞ্জাম সাবধানে স্যাভলন বা ডেটল দিয়ে ভালভাবে পরিস্কার করে ধুয়ে ফেলুন। কোরবানিতে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে গরম পানিতে ফুটিয়ে নিরাপদ স্থানে রেখে দিন। কোরবানির সময় আলাদা রকমের ধারালো জিনিসপত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাই তা নিজেদের অসচেতনতার কারণে যে কোনো মুহূর্তে শিশু-কিশোরদের হাতে এসে যে কোনো ধরনের বিপজ্জনক পরিবেশের সৃষ্টি হতে পারে। তাই প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ডেটল, স্যাভলন লিক্যুইড, ক্রিম, কটন, ন্যাপকিন ইত্যাদি হাতের কাছে রাখুন। যে জায়গাটিতে কোরবানি সম্পন্ন হয়েছে বিশেষ করে সেখান থেকে দ্রুত পানি দিয়ে রক্ত পরিষ্কার করুন। পরিষ্কারের পর সে স্থানে ডেটল, স্যাভলন অথবা বিস্নচিং পাউডার ছিটিয়ে দিন। 

♠ কোরবানির দিন অনেকেই শখের বসে বছরে একদিন মাংস কাটতে লেগে যান। যারা মাংস কাটতে আগ্রহী তারা আগে থেকেই হাতের কাছে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিসেপটিক, তুলা ও ব্যান্ডেজ রাখুন। কারণ মাংস কাটতে গিয়ে যখন-তখন দুর্ঘটনা হতে পারে, তখন সেগুলো আপনার কাজে লাগবে।

♠ মাংস বিলি-বণ্টন শেষে হাতটি ভালোভাবে সাবান ও জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

♠ শিশুদের শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাই তাদের কোরবানির মাংস, রক্ত ও বর্জ্য থেকে দূরে রাখুন।

 

*কোরবানিঈদ* *কোরবানি* *স্বাস্থ্যসচেতনতা* *পরিচ্ছন্নতা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মৃতব্যক্তির পক্ষে বা তার নামে কোরবানি করা কি জায়েজ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কোরবানি* *মাসায়ালা* *হাদিস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোরবানি ঈদ তো ঘনিয়ে আসছে, কোরবানির গরু/ছাগল নিশ্চয়ই কিনেছেন বা কিনবেন। তবে শুধু কোরবানির গরু কিনে ক্ষান্ত হলে চলবে না। যেহেতু কোরবানির ঈদ, তাই পশু জবাই থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ রয়েছে অনেক ঝামেলা। পশু কোরবানির রয়েছে অনেক ধাপ। যেমন-পশু জবাই, রাখার উপকরণ ঠিক করা, পরিমাপ করা এবং স্থানটিকে পরিচ্ছন্ন করা। কোরবানি করতে প্রয়োজন হবে ছুরি ও চাপাতি। তেমনি চামড়া ছাড়াতে, মাংস বানাতে প্রয়োজন হবে ছুরি, চাকু, দা, কুড়াল, কাঠের গুঁড়ি। প্রতিটি ছুরি, কুড়াল, চাকু ও দা যাই বলি না কেন, সবই আগেভাগে সংগ্রহ করে রাখতে হবে। তা না হলে ঈদের দিন পড়তে হবে ভারি ঝামেলায়। এসব ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে হলে কোরবানির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে ফেলুন এখনই। আজ আপনাদের জন্য তাই থাকছে কোরবানির মাংস কাটার দরকারি সরঞ্জাম নিয়ে আলোচনা।

 

কোরবানির দিন যা যা সরঞ্জাম লাগবে :

চাপাতি : মূলত কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয় এটি। তবে গরুর চামড়া যদি মোটা হয় তবে চামড়া ছাড়ানোর কাজেও ব্যবহার করা যায়। এটি কিছুটা আকারে বড়, তাই বহনের সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। রেডিমেড বা অর্ডার দিয়ে বানিয়ে নেওয়া যায়। দাম লোহার ওজন কেমন সেটির উপর নির্ভর করে।

দা : দা দুই ধরনের। একটি সাধারণ, অন্যটি রামদা। রামদা কিছুটা চাপাতির কাজ করে। তবে দা মাংস বানানোর কাজে লাগে। এর সাইজ বা আকৃতি বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। এর হাতল কাঠ বা লোহার হতে পারে।

ছুরি-চাকু: পশুর চামড়া ছাড়ানোর জন্য ছুরি-চাকুর প্রয়োজনীয়তা অনেক। তবে চাকু যেন অনেক ধারালো হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তা ছাড়া হাড় থেকে মাংস ছাড়াতে ছুরি ব্যবহার করা হয়। ছোট থেকে বড় অনেক সাইজের ছুরি-চাকু বাজারে পাওয়া যায়।

কুড়াল : সাধারণত মোটা হাড়গুলোকে পিস করতে এটি ব্যবহার করা হয়। তবে কুড়াল না থাকলে ভারী দা দিয়ে কাজ চালাতে পারেন।

এ ছাড়া বেশকিছু সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়। কাঠের গুঁড়ি। সাধারণত মাংসের ওপর রেখে কাটতে এটি ব্যবহার করা হয়। আরও লাগে চাটাই, মোটা পলিথিন, দাঁড়িপাল্লা ও দড়ি। কোরবানির পশুর মাংস দ্রুত ও সুন্দর করে কাটার জন্য বর্তমানে গাছের গোলাকার কাঠ খণ্ড বা খাইটা প্রাচুর ব্যবহার হয়। এ খাইটার আড়ত আছে সোয়ারীঘাটে। তাছাড়া খাইটা ঈদের পশুর হাট ও নগরীর বিভিন্ন জায়গায় কোরবানির দিন পর্যন্ত বিক্রি চলবে।

এ তো গেল দেশি সরঞ্জামের কথা। অনেকে বিদেশি সরঞ্জামও কিনতে চান দেখতে সুন্দর আর হালকা বলে। অনলাইন শপ ও বাজারে পাওয়া যায় পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া ছাড়াই, মাংস টুকরো করার জন্য নানা রকম ছুরির সেট। হাড় কাটার জন্য চায়নিজ কুড়ালের দাম পড়বে ৫৫০ টাকা। চাপাতি পাওয়া যাবে ৪৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। কাবাব তৈরির বিভিন্ন স্টিকের মধ্যে সিঙ্গেল ৫০ আর সেট পাওয়া যাবে ৫৫০ টাকায়। বারবিকিউ স্টিক ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় পাওয়া যাবে। গরুর বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলার জন্য ব্যাগ পাবেন। দাম ২০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে। সালাদ তৈরির জন্য গ্রেটার পাবেন ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে।

চাপাতি, ছুরি, বঁটির মূল্য
চাপাতি কেজি হিসেবে বিক্রি হয়। প্রতি কেজির দাম ৬০০-৭০০ টাকা। তিন কেজি ওজনের চাপাতির দাম ১৮০০-২১০০ টাকা। দুকেজি ওজনের চাপাতির দাম ১২০০-১৪০০ টাকা। দেড় কেজি ওজনের চাপাতির দাম ১০০০ টাকা। পশু জবাইয়ের সবচেয়ে বড় চুরির দাম ৩০০০ টাকা। এরপর আছে ২০০০, ১৫০০, ১০০০, ৫০০, ৩০০ টাকা দামের বাহারি ছুরি। সবচেয়ে ভালো বড় বঁটির দাম ২০০০ টাকা। এরপর আছে ১৫০০, ১২০০, ১০০০, ৮০০, ৫০০ টাকা দামের চোখ ধাঁধানো বঁটি। বাজার ঘুরে নিজের পছন্দের চাপাতি, ছুরি, বঁটি কিনে আনতে পারেন।


হোগলার মূল্য
একটি হোগলার বান্ডেলে ৫০টি হোগলা থাকে। প্রতিটি বান্ডেলের দাম ৩০০০-৫০০০ টাকা। অর্থাৎ ৬ ফুট প্রস্থ ও ৭ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি হোগলার দাম ৮০-৯০ টাকা। ৫ ফুট প্রস্থ ও ৬ ফুট দৈর্ঘ্যরে হোগলার দাম ৬০-৬৫ টাকা। ৪ ফুট প্রস্থ ও ৫ ফুট দৈর্ঘ্যরে হোগলার দাম ৫০-৬০ টাকা। তবে শুনে আশ্চর্যই হতে হবে যে, কোরবানির ঈদের পূর্ব মুহূর্তে যখন হোগলার ক্রেতা বেড়ে যায় তখন একটি হোগলা ৪০০-৫০০ টাকাতেও বিক্রি হয়।


খাইটার মূল্য
খাইটা মণ হিসেবে বিক্রি হয়। প্রতি মণের দাম ২০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। খাইটার আকার ছোট হলে মণপ্রতি দাম কম হয়।

মেরামতের ব্যবস্থা
পুরোনো সরঞ্জাম অনেকে এ সময় মেরামত ও ধার করিয়ে নেন। এতে প্রতিটি চাপাতি ৩০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যেই ধার করানো যাবে।

যেখানে পাবেন
গুলশান এভিনিউয়ে ফিক্স ইট হার্ডওয়্যার সুপার শপ, কারওয়ান বাজারের কামার পট্টি, খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে কামারপট্টি, কাপ্তানবাজার, নিউমার্কেট, বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৬-এর ক্রোকারিজের দোকানগুলো, পুরান ঢাকার চকবাজারসহ ঈদের সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাবে এসব সরঞ্জাম। আর ঘরে বসেই দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ছুরি, কাচি, চাকু, চাপাতি কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে। আজকেরডিল থেকে এসব সরঞ্জাম কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*কোরবানি* *সরঞ্জাম*
ছবি

রোমেল বড়ুয়া: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

রোমেল বড়ুয়া: ফটো পোস্ট করেছে

straight outta sketchbook (হিহিহি)

কত নিলো?

*আঁকাআঁকি* *কোরবানি* *ঈদ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★